WHAT'S NEW?
Loading...

প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে অলক কাপালির অবসর

                                                                
                                             ছবি: অলক কাপালি


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ  প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অলরাউন্ডার অলক কাপালি।একসময় বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক বড় তারকা ছিলেন অলক কাপালি।মূলত মিডল অর্ডার ব্যাটার হিসেবে তিনি জাতীয় দলে সুযোগ পান তবে পরবর্তীতে নিজেকে চৌকস লেগস্পিনার ও ফিল্ডার হিসেবেও  প্রতিষ্ঠিত করেন অলক কাপালি।অলক কাপালির ক্যারিয়ারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে তুলে ধরছি।



টেস্ট ক্যারিয়ার 


২০০২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অলক কাপালির টেষ্ট অভিষেক হয় ।এরপর বাংলাদেশের হয়ে এই অলরাউন্ডার মোট ১৭টি টেস্ট খেলে ৫৮৪ রান করেন। এছাড়া টেস্ট ক্রিকেটে বল হাতে ১টি হ্যাটট্রিকসহ ৬টি উইকেট নিয়েছেন এই লেগস্পিনার।


ওয়ানডে ক্যারিয়ার 


অলক কাপালির ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০০২ সালে। এই অলরাউন্ডার বাংলাদেশের হয়ে ৬৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে১টি সেঞ্চুরি ও ৫টি হাফসেঞ্চুরিসহ মোট ১,২৩৫ রান করেন। এছাড়া বল হাতে নেন ২৪টি উইকেট।


টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার  


২০০৭ সালে অলক কাপালির টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক হয়।অলক কাপালি মোট ৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে ব্যাট হাতে ৫৭ রান ও বল হাতে দুটি উইকেট নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।


ফাষ্টক্লাস ক্যারিয়ার 


অলক কাপালি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট লিগ,বিপিএলসহ ডমেষ্টিক ক্রিকেটের নিয়মিত মুখ।ফাষ্টক্লাস ক্রিকেটে অলক কাপালির বেশ সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার রয়েছে। এই অলরাউন্ডার ইতোমধ্যে ১০২টি ফাষ্টক্লাস ম্যাচ খেলে ১০টি সেঞ্চুরি ও ২১টি হাফসেঞ্চুরিসহ মোট ৫,০৭৫ রান করেছেন । এছাড়া অলক কাপালি ফাষ্টক্লাস ক্রিকেটে বল হাতে ১৫১টি উইকেট নিয়েছেন।


যেসব ক্লাব ও টিমে খেলেছেন 


অলক কাপালি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পাশাপাশি সিলেট ডিভিশন, সিলেট সিক্সার্স, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস প্রভৃতি টিমের হয়ে খেলেছেন।

আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবস

                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৬তম প্রয়াণ দিবস।প্রয়াণ দিবসে 'প্রিয় ক্রিকেট ডটকম' এর পক্ষ থেকে কবির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। এবং সেইসাথে এখানে কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টিকর্মের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরছি।



১. বাংলাদেশের জাতীয় কবি - কাজী নজরুল ইসলাম।


২. কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ও জন্মস্থান -  কবি  জন্মগ্রহণ করেন ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ (২৪ মে ১৮৯৯) খ্রি:) চুরুলিয়া গ্রাম, আসানসোল, বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গ।


৩. বাংলা সাহিত্যের  বিদ্রোহী কবি - কাজী নজরুল ইসলাম।


৪. কাজী নজরুল ইসলামের জাতীয়তা -  ব্রিটিশ ভারতীয় (১৮৯৯-১৯৪৭), ভারতীয় (১৯৪৭-১৯৭৬), বাংলাদেশী (১৯৭২-১৯৭৬)।


৫. কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন - ২৯ আগষ্ট, ১৯৭৬; ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ।


৬. বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে নজরুলকে কলকাতা থেকে ঢাকায় আনা হয়- ১৯৭২সালের ২৪মে।


৭. নজরুলকে  বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় - ১৯৭৬সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারী ।


৮. ‘ সৈনিক কবি’ বলা হয় -  কাজী নজরুল ইসলামকে ।


৯. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা  - বাউণ্ডূলের আত্নকাহিনী ।


১০. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - অগ্নিবীণা।



১১. কাজী নজরুল ইসলামের ‘ অগ্নিবীণা’কাব্যের প্রথম কবিতা - প্রলয়োল্লস।


১২. যে কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের ‘ অগ্নিবীণা’ কাব্য নিষিদ্ধ হয় - রক্তাম্বর ধারিণী মা ।


১৩. কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে  স্বীকৃতি দেওয়া হয় - ১৯৭২সালের ২৪মে।


১৪. কাজী নজরুল ইসলামকে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডি. লিট উপাধি দেয় -১৯৭৪ সালে।


১৫. রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়  নজরুলকে ডি. লিট উপাধি দেয় - ১৯৬৯সালে।


১৬. ভারত সরকার নজরুলকে  পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত করে-১৯৬০ সালে।


১৭. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়  নজরুল ইসলামকে জগত্তারিণী পুরস্কার প্রদান করেন- ১৯৪৫সালে । 


১৮. কাজী নজরুল ইসলাম  ২১শে পদক পান - ১৯৭৬সালে।


১৯. নজরুল স্বাধীনতা পুরস্কার পান - ১৯৭৭ সালে।


২০. বিবিসির বাংলা বিভাগ কর্তৃক জরিপকৃত (২০০৪) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় নজরুলের অবস্থান ছিল - তৃতীয়।


২১.নজরুলের ‘ কান্ডারী হুসিয়ার ‘ কবিতাটি যে কাব্যের অন্তর্ভুক্ত - অগ্নিবীণা।



২২. কাজী নজরুল ইসলাম ‘ সঞ্চিতা’ কাব্যটি  উৎসগ করেছিলেন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।


২৩.কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত শীর্ষ পত্রিকার নাম -  ধূমকেতু।


২৪. যে  কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলাম কারাবরণ করেন- আনন্দময়ীর আগমন ।


২৫. কাজী নজরুলের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম - বাঁধনহারা (১৯২৭)।


২৬. কাজী নজরুলের প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ - যুগবাণী (অক্টোবর ১৯২২)।



২৭. বাংলা কাব্যে সর্বপ্রথম  প্রচুর পরিমাণে আরবি ও ফারসি শব্দের ব্যবহার করেন - কাজী নজরুল ইসলাম।



২৮. বাংলা সাহিত্যের ‍মুক্তক ছন্দের প্রবর্তক - কাজী নজরুল ইসলাম।


২৯. নজরুল মঞ্চ  অবস্থিত-বাংলা একাডেমিতে।



৩০. কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ - ২৩টি ।


৩১. কাজী নজরুল ইসলাম রচিত সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ - নির্ঝর।



৩২ কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত তিনটি পত্রিকা- ধূমকেতু (১৯২২), লাঙ্গল (১৯২৫), দৈনিক নবযুগ (১৯৪১) ।


৩৩. কাজী নজরুল ইসলামের ‘ সাম্যবাদী’ কবিতাটি প্রথম  পত্রিকায় প্রকাশিত হয় - লাঙ্গল পত্রিকায়।



৩৪. কাজী নজরুল ইসলামকে  ভারত থেকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে আনা হয় - ১৯৭৪ সালে।



৩৫.কাজী নজরুল ইসলাম  ঢাকায় আসেন - ১৩বার, প্রথমবারের মতো এসেছিলেন ১৯২৬ সালে।


৩৬. কাজী নজরুল ইসলাম   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন -  ৫বার।



৩৭. কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা সর্বপ্রথম  প্রকাশিত হয়- বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকায়। 



৩৮. বাংলা ভাষায়  প্রথম ইসলামী গান ও গজল রচনা করেন - কাজী নজরুল ইসলাম।



৩৯. রবীন্দ্রনাথ তাঁর যে গীতিনাট্য কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন- বসন্ত।





আফগানিস্তানের এশিয়া কাপ স্কোয়াড

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এশিয়ার শীর্ষ টিমগুলোর একটি আফগানিস্তান। এবং সেই বিবেচনায় এবারের এশিয়া কাপে আফগানিস্তানও ফেবারিট টিম। যদিও আফগানদের ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে।তবে যদি এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের ব্যাটিং ক্লিক করে তাহলে  যেকোন টিমকে হারানোর মতো শক্তিশালী বোলিং লাইনআপ তাদের রয়েছে । এখানে আফগানিস্তানের এশিয়া কাপ স্কোয়াড নিয়ে আলোচনা করছি।


টপ ও মিডল অর্ডার : আফগানিস্তানের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডারে বেশকজন অভিজ্ঞ  টিটুয়েন্টি ব্যাটার রয়েছেন। আফগানিস্তানের মূল টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডার ব্যাটার হিসেবে রয়েছেন মোঃ নবি, ইব্রাহিম জাদরান,হাশমতুল্লাহ শাহিদি,নাজিবুল্লা জাদরান, হজরতউল্লা জাজাই, উসমান গণি,সামিউল্লাহ শিনওয়ারি ও রহমতুল্লাহ গুরবাজ ।



অলরাউন্ডার ও ফিনিশার : আফগানিস্তান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এক লড়াকু টিম হিসেবে পরিচিত। আর এক্ষেত্রে আফগানিস্তানের মূল শক্তি হচ্ছে তাদের দারুণ কিছু অলরাউন্ডার ও ফিনিশার।আফগানদের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে অলরাউন্ডার ও ফিনিশার হিসেবে রয়েছেন  মোঃ নবি, রশিদ খান,করিম জানাত,আজমতউল্লাহ ওমরজাই,মুজিব উর রহমান এবং এরা প্রত্যেকেই পরীক্ষিত টিটুয়েন্টি পারফরমার।


স্পিন অ্যাটাক : এবারের এশিয়া কাপের অন্যতম সেরা স্পিন অ্যাটাক আফগানিস্তানের। আফগানদের স্পিন অ্যাটাকের নেতৃত্ব দেবেন  রশিদ খান, মুজিব উর রহমান , মোঃ নবি ও নূর আহমেদ এবং এরা প্রত্যেকেই সফল টিটুয়েন্টি স্পিনার।


পেস অ্যাটাক: আফগানিস্তানের পেস অ্যাটাকে তারকা বোলার নেই তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় পেসার করিম জানাত,নাবিন উল হক,ফজল হক ফারুকী,ফরিদ আহমেদকে অবশ্যই ভালো বোলার বলা যায়।



 আফগানিস্তানের স্কোয়াড: মোঃ নবি (ক্যাপ্টেন), নাজিবউল্লাহ জাদরান, মুজিব উর রহমান,আফসর জাজাই, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, রশিদ খান,ফরিদ আহমেদ মালিক, ফজলহক ফারুকি, হাশমতউল্লাহ শাহিদি, হজরতউল্লাহ জাজাই, ইব্রাহিম জাদরান, করিম জানাত, নাজিবুল্লাহ জাদরান, নবীন উল হক, নূর আহমেদ, রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও সামিউল্লাহ শিনওয়ারি।




,

এশিয়া কাপের টিমগুলোর সর্বশেষ টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান

                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এসে গেছে  এশিয়ার ক্রিকেটের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ টুর্নামেন্ট এশিয়া কাপের ২০২২ আসর। এবারের এশিয়া কাপে বাংলাদেশ,ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের সাথে সর্বশেষ দল হিসেবে হংকং মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এবারের এশিয়া কাপ যেহেতু টিটুয়েন্টি ফরম্যাটে সুতরাং সব টিমকেই হিসেবে রাখতে হবে।তবে শেষপর্যন্ত   ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ , শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের মধ্যে চূড়ান্ত লড়াই হবে বলে ধারণা করা যায়।২০২২ এশিয়া কাপের আগে মূল পর্বের টিমগুলোর সর্বশেষ টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান দেখে নিন।



বাংলাদেশ 


আসন্ন এশিয়া কাপে বাংলাদেশ সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে খেলবে । এশিয়া কাপের আগে  বাংলাদেশের সর্বশেষ টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান দেখে নিন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের ১৭৮ ম্যাচের মধ্যে ৪৩ জয় ও ৭৮ পরাজয় রয়েছে। এছাড়া ২টি ম্যাচের ফল নিষ্পত্তি হয়নি।


ভারত 


ভারত আসন্ন এশিয়া কাপে সম্ভাব্য সেরা টিম নিয়েই অংশ নিচ্ছে। ভারতের টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান দেখে নিন। ভারত আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ১৭৪টি ম্যাচ খেলে ১১১টিতে জয় পেয়েছে ও ৫৫টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে(৮টি ম্যাচের ফল নিষ্পত্তি হয়নি)।


পাকিস্তান 


পাকিস্তানও এবারের এশিয়া কাপে  শক্তিশালী টিম নিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের সর্বশেষ টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান দেখে নিন। পাকিস্তান ইতোমধ্যে ১৯০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১১৮টিতে জয় পেয়েছে ও ৬৭টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে(৫টি ম্যাচের ফল নিষ্পত্তি হয়নি)।


শ্রীলঙ্কা 


শ্রীলঙ্কা এবারের এশিয়া কাপের মূল আয়োজক। যদিও এশিয়া কাপের ভেন্যু শ্রীলঙ্কার বাইরে। শ্রীলঙ্কা এবারের এশিয়া কাপে  সম্ভাব্য সেরা টিম নিয়ে যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কা ইতোমধ্যে ১৫৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬৮টিতে জয় পেয়েছে ও ৭৭টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে(৫টি ম্যাচের ফল নিষ্পত্তি হয়নি)।


আফগানিস্তান 


আফগানিস্তান আসন্ন এশিয়া কাপের জন্য বেশ ব্যালেন্সড টিম দিয়েছে। এবং পরিসংখ্যান বিবেচনায় আফগানিস্তানকে এবারের এশিয়া কাপে বেশ এগিয়ে রাখতে হচ্ছে।আফগানিস্তান ইতোমধ্যে ৯৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬৪টি ম্যাচে জয় পেয়েছে ও ৩০টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে(১টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি)।


হংকং 


হংকং এবারের এশিয়া কাপ ক্রিকেটের কোয়ালিফায়ার পর্ব থেকে একমাত্র টিম হিসেবে মূল পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে। হংকংয়ের টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান দেখে নিন। হংকং ইতোমধ্যে ৫২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২১টি ম্যাচে জিতেছে ও ৩১টিতে পরাজিত হয়েছে ।


শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ স্কোয়াড

                                                              


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ শ্রীলঙ্কা সবার শেষে এশিয়া কাপের স্কোয়াড দিয়েছে। লংকানদের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে চমক নেই এবং মোটামুটি সম্ভাব্য সেরা স্কোয়াড নিয়েই দলটি এশিয়া কাপে যাচ্ছে ।তবে এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং বিষয় হবে 'দলীয় পারফরম্যান্সে বাড়ানো'। কারণ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক যে দুর্বলতা দেখা যায় সেখানে দলীয় পারফরম্যান্সের অভাব অন্যতম। যদিও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স বিবেচনায় টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে লংকানদের অবস্থা এই মুহূর্তে সন্তোষজনক। এখানে শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ স্কোয়াড নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করছি।


টপ ও মিডল অর্ডার : এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার টপ ও মিডল অর্ডারে বেশকজন চৌকস ব্যাটার রয়েছেন। শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ স্কোয়াডে টপ ও মিডল অর্ডারের দায়িত্ব সামলাবেন পাথুম নিশাঙ্কা,দানুশকা গুনাতিলকে, দীনেশ চান্দিমাল,কুশল মেন্ডিস,চারিথ আসালাঙ্কা,ভানুকা রাজাপাকসে।আর এদের সবাই টিটুয়েন্টি ব্যাটার হিসেবে বেশ সফল । যদিও শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডারের ধারাবাহিকতা নিয়ে সংশয় রয়েছে।


ফিনিশার ও অলরাউন্ডার : শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ স্কোয়াডে বেশকজন চৌকস ফিনিশার ও অলরাউন্ডার রয়েছেন। এক্ষেত্রে দাসুন শানাকা,ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও কাসুন রাজিতা শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ মিশনে মূল ফিনিশার ও অলরাউন্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। 


স্পিন অ্যাটাক : এবারের এশিয়া কাপে লংকানরা বেশ  শক্তিশালী স্পিন অ্যাটাক নিয়ে যাবে। লংকানদের স্পিন অ্যাটাকের নেতৃত্ব দেবেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। এছাড়া লংকানদের স্পিন অ্যাটাকে মাহিশ থিকসানা,প্রবীণ জয়াবিক্রমার মত সফল স্পিনার রয়েছেন।


পেস অ্যাটাক : শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ স্কোয়াডে পেস অ্যাটাক কিছুটা দুর্বল বলা যায়। উপরন্তু ইনজুরির কারণে সেরা পেসার দুশমন্ত চামিরা এশিয়া কাপ স্কোয়াডে নেই। যদিও আসন্ন এশিয়া কাপের উইকেট বিবেচনায় বলা যায় শ্রীলঙ্কার মূল পেসার নুয়ান থুশারা,চামিকা করুনারত্নে,কাসুন রাজিতারা এবার চমক দেখাতে পারেন। 


শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ স্কোয়াড: দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), দীনেশ চান্দিমাল,দানুশকা গুনেথিলকে, পাথুম নিশানকা, কুশল মেন্ডিস,মাহিশ থিকসানা, চারিথ আসালাঙ্কা, ভানুকা রাজাপাকসে, আসেন বান্দারা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, জেফরি ভান্ডার্সে, প্রবিন জয়াবিক্রমা, নুয়ান থুশারা, বিনুরা ফার্নেন্দো, চামিকা করুনারত্নে, দিলশান মধুশঙ্কা, মাতিশা পাথিরানা, নুয়ান্দু ফার্নেন্দো, কাসুন রাজিতা।


পাকিস্তানের এশিয়া কাপ স্কোয়াড

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এশিয়ার ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট এশিয়া কাপ।বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে এশিয়া কাপের জন্য চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। সম্প্রতি পাকিস্তান তাদের এশিয়া কাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। পাকিস্তানের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে নেই পেসার হাসান আলী যা এক বড় চমক। পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদিও ইনজুরির কারণে পাকিস্তানের এশিয়া কাপের দল থেকে বাদ পড়েছেন। এছাড়া পাকিস্তানের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে পেসার নাসিম শাহের নাম রয়েছে। এখানে পাকিস্তানের ২০২২ এশিয়া কাপ স্কোয়াডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার চেষ্টা করছি। উল্লেখ্য, ২০ আগষ্ট শুরু হয়েছে এশিয়া কাপের কোয়ালিফায়ার পর্ব ও ২৭ আগষ্ট শুরু হবে এশিয়া কাপের মূল পর্বের খেলা।


টপঅর্ডার : পাকিস্তানের এবারের এশিয়া কাপ স্কোয়াডের টপঅর্ডারে অনভিজ্ঞ ব্যাটারের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। টপঅর্ডারে অভিজ্ঞ ব্যাটার মাত্র তিনজন (বাবর আজম, মোঃ রিজওয়ান ও ফখর জামান । এদের বাইরে টপঅর্ডারে প্রায় সবাই অনভিজ্ঞ।



মিডলঅর্ডার : পাকিস্তানের এবারের এশিয়া কাপ স্কোয়াডের মিডল অর্ডারে নতুন ব্যাটারই বেশি। এক্ষেত্রে হায়দার আলী,আসিফ আলি, মোঃ ওয়াসিম জুনিয়র ও খুশদিল শাহ মূল মিডল অর্ডার ব্যাটার।



ফিনিশার : পাকিস্তানের আসন্ন এশিয়া কাপ স্কোয়াডে বেশকজন ফিনিশার রয়েছেন। যদিও আপাত দৃষ্টিতে পাকিস্তানের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে ম্যাচ জেতানোর মত ফিনিশার এবার খুব বেশি নেই। এক্ষেত্রে খুশদিল শাহ,শাদাব খান,আসিফ আলি, শাহনেওয়াজ ধাহানীই মূল ফিনিশার।


স্পিন অ্যাটাক : পাকিস্তানের এবারের এশিয়া কাপ স্কোয়াডের স্পিন অ্যাটাক বেশ শক্তিশালী । পাকিস্তানের স্পিন অ্যাটাকের দায়িত্বে রয়েছেন শাদাব খান ও উসমান কাদির এবং এই দুই স্পিনারই সাম্প্রতিক সময়ে চমৎকার বোলিং করছেন।


পেস অ্যাটাক : শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলী স্কোয়াডের বাইরে থাকায় পাকিস্তানের এশিয়া কাপ  পেস অ্যাটাকের শক্তি কিছুটা কমেছে  । যদিও পাকিস্তানের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে নাসিম শাহ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র,হারিস রউফের মত মেধাবী পেসার  রয়েছেন।


পাকিস্তানের এশিয়া কাপ স্কোয়াড: বাবর আজম(অধিনায়ক), শাদাব খান,ফখর জামান, মোঃ রিজওয়ান,হারিস রউফ, হায়দার আলী,আসিফ আলি,খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হারেস, মোহাম্মদ নেওয়াজ, মোঃ ওয়াসিম জুনিয়র, শাহনেওয়াজ ধাহানী, মোহাম্মদ হাসনাইন,নাসিম শাহ, উসমান কাদির।

ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াড মূল্যায়ন

                                                              


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। এবার ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে কিছু চমক আছে। এশিয়া কাপের ভারতীয় স্কোয়াডে নেই পেসার জাসপ্রিত বুমরা,হার্শাল প্যাটেল ও মোঃ শামি। এছাড়া ব্যাটার শিকর ধাওয়ান ,শুভমান গিল ও শ্রেয়ার আয়ারও ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে জায়গা পাননি। কে এল রাহুল এশিয়া কাপের স্কোয়াডে রয়েছেন।আসুন ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াড কেমন হলো সেটি দেখে নিই।


টপঅর্ডার : ভারতের টপ অর্ডার এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা। ভারতের এশিয়া কাপের টপঅর্ডারও যথারীতি শক্তিশালী হয়েছে এবং সেখানে রোহিত শর্মা,বিরাট কোহলি,কে এল রাহুল,রিসভ পন্তের মত বিশ্বসেরা ব্যাটাররা রয়েছেন।ফলে ভারতের এশিয়া কাপ টপ অর্ডার বেশ শক্তিশালী হয়েছে বলা যায়।


মিডল অর্ডার : ভারতের এবারের এশিয়া কাপের মিডল অর্ডার বেশ ব্যালেন্সড হয়েছে বলা যায়। যদিও মিডল অর্ডারে শ্রেয়াশ আয়ারের অনুপস্থিতি ভারতকে কিছুটা সমস্যায় ফেলতে পারে।তাই এক্ষেত্রে কে রবীন্দ্র জাদেজা,হ্নাদিক পান্ডিয়া ও দীনেশ কার্তিকের পারফরম্যান্স খুব গুরুত্বপূর্ণ  হয়ে উঠতে পারে।


ফিনিশার ও অলরাউন্ডার: ভারতের এবারের এশিয়া কাপের দলে বেশকজন বিশ্বসেরা ফিনিশার ও অলরাউন্ডার রয়েছেন। এক্ষেত্রে ফিনিশার ও অলরাউন্ডার হিসেবে হ্নাদিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দন অশ্বিনের উপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য  বেশ ইতিবাচক বিষয়। এবং সবকিছুর পর ফিনিশার ও অলরাউন্ডার শক্তিমত্তা বিবেচনায় ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াডকে বেশ কিছুটা এগিয়ে রাখতে হচ্ছে।

 

স্পিন অ্যাটাক : এবারের এশিয়া কাপের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পিন অ্যাটাক ভারতের একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়। এবারের ভারতীয় এশিয়া কাপ স্কোয়াডে  রয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দন অশ্বিন,যুজবেন্দ্র চাহাল,রবি বিষ্ণোর মত দুর্দান্ত সব স্পিনার।আর আসন্ন এশিয়া কাপের উইকেট বিবেচনায়  ভারতের স্পিন অ্যাটাক এবার খুবই শক্তিশালী।


পেস অ্যাটাক : ভারতের এবারের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে পেস অ্যাটাকে কিছুটা চমক রয়েছে।স্কোয়াডে নেই দুই সেরা পেসার বুমরা ও শামি। এছাড়া টিটুয়েন্টি স্পেশালিষ্ট পেসার হার্শাল প্যাটেলও ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে নেই।ফলে এবার ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে সুইং বোলারের ছড়াছড়ি।আভিস খান ও অশ্বদ্বীপ সিং এই দুই পেসারই নতুন এবং দু'জনই মূলত সুইং বোলার।আর অভিজ্ঞ পেসার হিসেবে রয়েছেন হ্নাদিক পান্ডিয়া ও ভুবনেশ্বর কুমার।ফলে এবার ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াডের পেস অ্যাটাক শেষপর্যন্ত কেমন করে সেটি দেখার বিষয়।



ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াড 

রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি,কে এল রাহুল,সূর্যকুমার যাদব,রিসভ পন্ত,হ্নাদিক পান্ডিয়া,দিনেশ কার্তিক,ভুবনেশ্বর কুমার,রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দন অশ্বিন,অশ্বদ্বীপ সিং,রবি বিষ্ণো,দীপক হুদা,আভিস খান,যুজবেন্দ্র চাহাল।

আজ শুভ জন্মাষ্টমী

                                                        


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ শুভ জন্মাষ্টমী।প্রিয় ক্রিকেট ডটকম' এর সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

আজ মনসা পূজা

                                                          



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ মনসা পূজা।মনসা হচ্ছেন সাপের দেবী।প্রতিবছর শ্রাবণমাসের শেষদিনে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা মনসা পূজা করে থাকেন।'প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'এর পক্ষ থেকে সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে মনসা পূজার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

বাংলাদেশের এশিয়া কাপ স্কোয়াড মূল্যায়ন

                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আসন্ন এশিয়া কাপ ক্রিকেটের জন্য বাংলাদেশের ১৭ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে বেশকিছু চমক রয়েছে।আসন্ন এশিয়া কাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। এছাড়া এবারের এশিয়া কাপ ক্রিকেটের দলে নেই পেসার শরিফুল ইসলাম । ইনজুরিতে পড়ায় লিটন দাসও এশিয়া কাপের স্কোয়াডে নেই। এছাড়া পেসার ইবাদত হোসেন এশিয়া কাপের দলেও রয়েছেন। বাংলাদেশের আসন্ন এশিয়া কাপ স্কোয়াডের একটি মূল্যায়ন দেখে নিন।



বাংলাদেশ স্কোয়াড মূল্যায়ন 


আসন্ন এশিয়া কাপ ক্রিকেটের জন্য বাংলাদেশের ১৭ জনের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। এবারের এশিয়া কাপের বাংলাদেশ দলে বেশকিছু চমক রয়েছে। ইনজুরির কারণে  ওপেনার লিটন দাস দলে নেই । এছাড়া পেসার শরিফুল ইসলামও এশিয়া কাপের দলে নেই।তবে পেসার ইবাদত হোসেন এশিয়া কাপের স্কোয়াডেও রয়েছেন ।

ওপেনিং : আসন্ন এশিয়া কাপ ক্রিকেটের জন্য বাংলাদেশের যে স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে তাতে স্পেশালিষ্ট ওপেনার রয়েছেন দু'জন (এনামুল হক বিজয় ও পারভেজ ইমন) । তবে এদের দুজনের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা খুব আশাব্যঞ্জক বা দীর্ঘ নয়। এক্ষেত্রে এশিয়া কাপে সাকিব বা সাব্বির রহমানের যেকোন একজনকে ওপেন করতে হতে পারে যা শেষপর্যন্ত কতটুকু ফলপ্রসূ হবে সেটি বলা কঠিন।


মিডল অর্ডার: আসন্ন এশিয়া কাপের বাংলাদেশ স্কোয়াডের মিডল অর্ডার মোটামুটি শক্তিশালী হয়েছে।মিডল অর্ডারে রয়েছেন সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ,আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান  এবং এরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সেরা মিডল অর্ডার ব্যাটার। এছাড়া মিডল অর্ডারের শেষদিকে পরীক্ষিত ব্যাটার মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ রয়েছেন।আর এসবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার শক্তিশালী হয়েছে বলা যায়।


ফিনিশার ও অলরাউন্ডার: এবারের এশিয়া কাপের বাংলাদেশ স্কোয়াডে  সম্ভাব্য সেরা ফিনিশার ও অলরাউন্ডাররা রয়েছেন । এবারের এশিয়া কাপের বাংলাদেশ স্কোয়াডে ফিনিশার ও অলরাউন্ডার হিসেবে রয়েছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, মোঃ সাইফুদ্দিন,মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ।আর এরাই এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সেরা ফিনিশার ও অলরাউন্ডার।তাই এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে বলা যায়।


স্পিন অ্যাটাক :আসন্ন এশিয়া কাপের  বাংলাদেশ স্কোয়াডের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হচ্ছে স্পিন অ্যাটাক। এবারের এশিয়া কাপের বাংলাদেশ স্কোয়াডে স্পেশালিষ্ট স্পিনার হিসেবে রয়েছেন সাকিব আল হাসান,শেখ মেহেদী হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাসুম আহমেদ এবং এরা প্রত্যেকেই পরীক্ষিত পারফরমার।



পেস অ্যাটাক : এবারের এশিয়া কাপের বাংলাদেশ স্কোয়াডের পেস অ্যাটাক বেশ শক্তিশালী হয়েছে বলা যায়। যদিও ইনফর্ম পেসার শরিফুল ইসলাম এশিয়া কাপের স্কোয়াডে নেই।তবে মোঃ সাইফুদ্দিন দলে ফেরায় পেস অ্যাটাকের শক্তি বেড়েছে বলা যায়। এছাড়া খেলার সুযোগ পেলে পেসার  ইবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদ এশিয়া কাপে বাংলাদেশের জন্য দারুণ কিছু করতে সক্ষম।


এশিয়া কাপের স্কোয়াড: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, এনামুল হক বিজয়, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন , মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, শেখ মেহেদি হাসান, মোঃ সাইফুদ্দিন, হাসান মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান, নাসুম আহমেদ, সাব্বির রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ,ইবাদত হোসেন, পারভেজ ইমন, নুরুল হাসান সোহান, তাসকিন আহমেদ।



জাতীয় শোক দিবসের শ্রদ্ধার্ঘ্য

                                                         


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস।১৯৭৫ সালের এই দিনে ঘাতকরা স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে।এই দিনে 'প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'এর পক্ষ থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

এবারের এশিয়া কাপের নতুন ভেন্যু ও অন্যান্য

                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ অবশেষে এবারের এশিয়া কাপ ক্রিকেটের নতুন ভেন্যু চূড়ান্ত হয়েছে।সম্প্রতি এসিসি এশিয়া কাপের নতুন ভেন্যুর নাম প্রকাশ করে। উল্লেখ্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে এবারের এশিয়া কাপ শেষপর্যন্ত শ্রীলঙ্কা থেকে সরিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্থানান্তর করা হয়েছে।তবে এশিয়া কাপের আয়োজক হিসেবে শ্রীলঙ্কাই থাকবে। এশিয়ার বিশ্বকাপ হিসেবে খ্যাত এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এ অঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রিড়া ইভেন্ট হিসেবে পরিচিত।২০২২ সালের এশিয়া কাপের ভেন্যু,টিম,চ্যাম্পিয়ন পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


এশিয়া কাপের সময়সূচি 


আগামী ২৭ আগষ্ট,২০২২ তারিখে এবারের এশিয়া কাপ ক্রিকেট মাঠে গড়াবে। এবং এবারের এশিয়া কাপের সমাপ্তি হবে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর,২০২২। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় ২০২২ সালের এশিয়া কাপের ম্যাচগুলো শুরু হবে ।

ফরম্যাট 


আসন্ন এশিয়া কাপ ক্রিকেট হবে টিটুয়েন্টি ফরম্যাটের । 


উদ্বোধনী ম্যাচ 


২০২২ সালের এশিয়া কাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা।


টিম পরিচিতি 


এবারের এশিয়া কাপ ক্রিকেটে মোট ছয়টি টিম অংশগ্রহণ করবে এরমধ্যে পাঁচটি টিম সরাসরি খেলবে‌ এবং টিমগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান। এছাড়া অন্য টিমটি সংযুক্ত আরব আমিরাত,কুয়েত, সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের মধ্যকার কোয়ালিফায়ার থেকে বেছে নেয়া হবে।


এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন তালিকা 


এশিয়া কাপ এশিয়ার ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট হিসেবে স্বীকৃত।১৯৮৪ সালে এশিয়া কাপ ক্রিকেট প্রথমবার মাঠে গড়ায় । প্রতি দুই বছর অন্তর এই টুর্নামেন্ট হয়ে থাকে। যদিও এশিয়া কাপ আয়োজনে মাঝেমধ্যে ছেদ পড়েছে।ইতোমধ্যে এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ১৪টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।২০১৬ সালের এশিয়া কাপ টিটুয়েন্টি ফরম্যাটে হয়েছিল এছাড়া বাকি সবগুলো এশিয়া কাপ ওয়ানডে ফরম্যাটে হয়েছে। উল্লেখ্য আসন্ন এশিয়া কাপও টিটুয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে। এখানে এশিয়া কাপ ক্রিকেটের চ্যাম্পিয়ন তালিকা দেখে নিন।


১৯৮৪ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - ভারত ।

১৯৮৬ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - শ্রীলঙ্কা।

১৯৮৮ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - ভারত।

১৯৯০-৯১ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - ভারত।

১৯৯৫ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - ভারত।

১৯৯৭ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - শ্রীলঙ্কা।

২০০০ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - পাকিস্তান।

২০০৪ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - শ্রীলঙ্কা।

২০০৮ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - শ্রীলঙ্কা।

২০১০ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - ভারত।

২০১২ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - পাকিস্তান।

২০১৪ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - শ্রীলঙ্কা।

২০১৬ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - ভারত।

২০১৮ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন - ভারত। 



সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                              


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে বেশকিছু সরকারি ও বেসরকারি  নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে । দেশের চাকরির বাজারের কিছু নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত তথ্য এখানে তুলে ধরছি।


গণযোগাযোগ অধিদপ্তরে নিয়োগ 

বাংলাদেশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : অফিস সহায়ক,এপিএই অপারেটর,ড্রাইভার প্রভৃতি পদ।


পদসংখ্যা : ৩৯৭ 


যোগ্যতা : পদভেদে জেএসসি থেকে স্মাতক ডিগ্রি।


বয়স : ১৮-৩০ বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।


বেতনস্কেল : পদভেদে গ্ৰেড-১৩ থেকে  গ্ৰেড-২০।


আবেদন প্রক্রিয়া : অনলাইন ( ভিজিট http://mcd.teletalk.com.bd)।


আবেদন ফি : পদভেদে ৫৬টাকা থেকে ১১২টাকা।


আবেদনের শেষ তারিখ : ২৫ আগষ্ট,২০২২ (বিকাল ৫.০০টা)।


সূত্র : কালেরকণ্ঠ অনলাইন।



ব্র্যাক ইএফএলে  নিয়োগ 


দেশের সুপরিচিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান 'ব্র্যাক ইএফএল'এ 'এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ' পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।


পদ : এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (ফিনান্স এন্ড একাউন্টস) ।



পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট ।



যোগ্যতা : বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্মাতক বা স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।




অভিজ্ঞতা : ২-৩ বছরের অভিজ্ঞতা।




চাকরির ধরন : ফুলটাইম ।



কর্মস্থল : ঢাকা ।



আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)।



আবেদনের শেষ তারিখ : ৩১ আগষ্ট,২০২২।



সূত্র : বিডিজবস ডটকম।



তামিমের নতুন ওয়ানডে রেকর্ড ও অন্যান্য

                                                               
                                                ছবি: তামিম ইকবাল


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃসম্প্রতি  তামিম ইকবাল একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৮ হাজার রান পূর্ণ করলেন । চলমান জিম্বাবুয়ে সফরের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে তামিম এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এটি এক বড় অর্জন। এখানে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ ওয়ানডে (সর্বোচ্চ ওয়ানডে সংগ্ৰাহক ) ব্যাটারের পরিসংখ্যান তুলে ধরছি।


বাংলাদেশ শীর্ষ ওয়ানডে ব্যাটার 

পরিসংখ্যান বিবেচনায় বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সফলতা পেয়েছে ওয়ানডে ক্রিকেটে। এছাড়া বাংলাদেশের বেশকজন ব্যাটার ওয়ানডে ক্রিকেটে নজর কাড়া পারফরম্যান্স করছেন। বাংলাদেশের সেরা ওয়ানডে ব্যাটারদের মধ্যে তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মোঃ আশরাফুলের নাম বিশেষভাবে বলতে হয়। বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ ওয়ানডে (সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক) ব্যাটারের পরিসংখ্যান দেখে নিন।


তামিম ইকবাল 


দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ওয়ানডে ওপেনিংয়ের এক নির্ভরতার প্রতীক হয়ে রয়েছেন তামিম ইকবাল। সম্প্রতি এই ওপেনার বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ৮ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ।এই মুহূর্তে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তামিমের (৮,০৫৫ রান)।


মুশফিকুর রহিম 


বাংলাদেশের দ্বিতীয় সেরা (রান সংগ্রহের দিক থেকে) ওয়ানডে ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।এই নির্ভরযোগ্য ব্যাটার দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ওয়ানডে মিডলঅর্ডারের গুরুত্বপূর্ণ কান্ডারি হিসেবে পরিচিত। উল্লেখ্য মুশফিকুর রহিম ইতোমধ্যে ওয়ানডে ক্রিকেটে ৬,৭৭৪ রান করেছেন।


সাকিব আল হাসান 


বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটার সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক সাকিব (৬৭৫৫ রান)। সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের  ওয়ানডে ওয়ানডাউনের  সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হিসেবে পরিচিত।



মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ 


বাংলাদেশের ক্রিকেটের পঞ্চপাণ্ডবের একজন হচ্ছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের চতুর্থ শীর্ষ ওয়ানডে ব্যাটারও।সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফিনিশার হিসেবে স্বীকৃত এই ডানহাতি ব্যাটার ইতোমধ্যে ওয়ানডে ক্রিকেটে ৪,৭২৯ রান করেছেন।


মোঃ আশরাফুল 


মোঃ আশরাফুল একসময় টেকনিকের দিক থেকে দেশসেরা ওয়ানডে ব্যাটার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বাংলাদেশের হয়ে আশরাফুল দারুণ কিছু ওয়ানডে ইনিংস খেলেছেন। উল্লেখ্য এই মুহূর্তে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পঞ্চম শীর্ষ ব্যাটার মোঃ আশরাফুল (৩,৪৬৮ রান)।


আজ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণদিবস

                                                                  



                                                          

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ ২২শে শ্রাবণ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণদিবস।প্রয়াণদিবসে 'প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'এর পক্ষ থেকে কবির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং সেইসাথে এখানে কবির জীবন ও সৃষ্টিকর্ম নিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করছি।


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও সৃষ্টিকর্মের বিভিন্ন তথ্যাবলি

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও সৃষ্টিকর্মের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি এখানে তুলে ধরছি।

১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম ঢাকায় আসেন - ১৮৯৮ সালে।

২। বিবিসির বাংলা বিভাগ পরিচালিত জরিপে (২০০৪) সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় রবীন্দ্রনাথের স্থান-২য় (প্রথম – বঙ্গবন্ধু )।

৩। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন –-১৯২৬ সালে।

৪। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯২৬ সালে কার্জন হলে রবীন্দ্রনাথের ১ম বক্তৃতার নাম - The Meaning of Art।

৫। রবীন্দ্রনাথকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  ডি.লিট উপাধী দেয় -১৯৩৬ সালে।

৬। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের  ছদ্মনাম ছিল- ৯টি ।

৭।প্রথম বাঙালি হিসেবে গ্রামীন ক্ষুদ্রঋণ ও গ্রাম উন্নয়ন প্রকল্প প্রতিষ্ঠা করেন - রবীন্দ্রনাথ ।

৮। ১৮৯২সালে রবীন্দ্রনাথ কলকাতা থেকে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ আসেন এবং একটি কাব্য রচনা করেন যেটির নাম- সোনার তরী।

৯। রবীন্দ্রনাথের চৈনিক নাম-চু চেন তান।

১০। রবীন্দ্রনাথকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়  ডি.লিট উপাধী দেয় -১৯৪০ সালে।

১১। রবীন্দ্রনাথকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়  ডি.লিট উপাধী দেয় -১৯১৩ সালে।

১২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন/ ব্রহ্মচর্যাশ্রম  প্রতিষ্ঠা করেন -১৯০১ সালে। 

১৩। রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কাব্যসংকলনের নাম - সঞ্চয়িতা।

১৪। রবীন্দ্রনাথ কাজী নজরুলকে যে কাব্য উৎসর্গ করেন -বসন্ত (গীতিনাট্য)। 

১৫। রবীন্দ্রনাথ তাঁর যতগুলো নাটকে অভিনয় করেন - ১৩ টি।

১৬। রবীন্দ্রনাথের পরিবারের বংশের নাম  ছিল -পিরালি ব্রাহ্মণ।

১৭। কবিগুরুর পারিবারিক উপাধী - কুশারী।

১৮। রবীন্দ্রনাথ ছিলেন তাঁর পিতা-মাতার -চতুর্দশ সন্তান ।

১৯। গীতাঞ্জলি প্রকাশিত হয় -১৯১০ সালে।

২০। রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার পান -১৯১৩ সালে।

২১। ‘গীতাঞ্জলি‘- এর ভূমিকা লেখেন -ইংরেজ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস।

২২। রবীন্দ্রনাথ নাইট উপাধি পান - ১৯১৫ সালে।

২৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাইট উপাধি ত্যাগ করেন - ১৯১৯ সালে।

২৪।রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব উপাধি দেন - মহাত্মা গান্ধী।

২৫।রবীন্দ্রনাথকে কবিগুরু উপাধি দেন - ক্ষিতিমোহন সেন।

২৬।গীতাঞ্জলি যতগুলো গানের সংকলন - ১৫৭টি।

২৭। রবীন্দ্রনাথ যে চারটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন-সাধনা,ভারতি,বঙ্গদর্শন,তত্ত্ববোধিনী।





টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের পাঁচ উইকেট শিকারি

                                                                 
                                        ছবি: মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দলীয় সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও ব্যক্তিগত সাফল্য বিবেচনায় আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের অনেকেই ভালো করছেন। এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির  সেরা বোলার (সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ) বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।সম্প্রতি বাংলাদেশের চতুর্থ বোলার হিসেবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে (চলমান জিম্বাবুয়ে সফরে)  ৫ উইকেট নিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। উল্লেখ্য টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ৪ ওভারের স্পেলে ৫ উইকেট শিকার বেশ কঠিন একটি কাজ ।আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের যেসব বোলার ৫ উইকেট নিয়েছেন তাদের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের পাঁচ উইকেট শিকারি 


আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ম্যাচে  পাঁচ উইকেট শিকার বেশ কঠিন একটি কাজ। বাংলাদেশের মাত্র চারজন বোলার এই কঠিন কাজটি করতে পেরেছেন। বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে ইলিয়াস সানি ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে পাঁচ উইকেট শিকার করেন এবং সর্বশেষ বাংলাদেশের বোলার হিসেবে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে পাঁচ উইকেট শিকার করেন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের  পাঁচ উইকেট শিকারি বোলারদের পরিসংখ্যান দেখে নিন।


ইলিয়াস সানি , ৫/১৩


বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে ২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে স্পিনার ইলিয়াস সানি পাঁচ উইকেট নেন।সেই ম্যাচে ইলিয়াস সানির বোলিং ফিগার ছিল ৪-১৩-৫।



মুস্তাফিজুর রহমান, ৫/২২ 


বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে মুস্তাফিজুর রহমান ২০১৬ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকার করেন।সেই ম্যাচে মুস্তাফিজের বোলিং ফিগার ছিল ৪-২২-৫।


সাকিব আল হাসান, ৫/২০ 


বাংলাদেশের তৃতীয় বোলার হিসেবে সাকিব আল হাসান  ২০১৮ সালে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকার করেন।সেই ম্যাচে সাকিবের বোলিং ফিগার ছিল ৪-২০-৫।


মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ৫/২০ 


সম্প্রতি বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত জিম্বাবুয়ের (চলমান জিম্বাবুয়ে সফরে) বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেন। উল্লেখ্য এটি বাংলাদেশ চতুর্থ বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে পাঁচ উইকেট শিকারের রেকর্ড।



দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ইংল্যান্ডের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টিটুয়েন্টি সিরিজ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা। চলমান ইংল্যান্ড সফরের টিটুয়েন্টি সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা চমৎকার ক্রিকেট উপহার দিয়ে সিরিজ জয় করে। এবং এরফলে আসন্ন টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টি শক্তিমত্তা আবারও ফুটে উঠল।উল্লেখ্য এবারের ইংল্যান্ড সফরে দক্ষিণ আফ্রিকা পূর্ণশক্তির দল নিয়েই  অংশগ্রহণ করে। এখানে বিভিন্ন দেশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টি রেকর্ডচিত্র তুলে ধরা হলো।


দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টি রেকর্ড 


দক্ষিণ আফ্রিকা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শুরু থেকেই এই ফরম্যাটের শক্তিশালী টিম হিসেবে স্বীকৃত। দারুণ সব টিটুয়েন্টি ক্রিকেটার এই টিমে রয়েছেন। উল্লেখ্য দক্ষিণ আফ্রিকা টিম ইতোমধ্যে ১৫১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে  ৮৭টিতে জয় ও ৬২টি ম্যাচে পরাজয় রয়েছে (১টি ম্যাচ ড্র ও ১টির ফল নিষ্পত্তি হয়নি)। বিভিন্ন দেশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টি রেকর্ডচিত্র এখানে তুলে ধরছি।


প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ 


মোট ৭ ম্যাচের মধ্যে ৬টিতে জয় ও ১টিতে পরাজয় রয়েছে।

প্রতিপক্ষ ভারত 


মোট ১৯ ম্যাচের মধ্যে ৮ টিতে জয় ও ১১ ম্যাচে পরাজয় রয়েছে।


প্রতিপক্ষ অষ্ট্রেলিয়া 

মোট ২২ ম্যাচের মধ্যে ৮ টিতে জয় ও ১৪টিতে পরাজয় রয়েছে।


প্রতিপক্ষ ওয়েষ্ট ইন্ডিজ 


মোট ১৬ ম্যাচের ১০ টিতে জয় ও ৬ টিতে পরাজয় রয়েছে।


প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড 


মোট ২২ ম্যাচের মধ্যে ১০টিতে জয় ও ১১ ম্যাচে পরাজয়(১টির ফল নিষ্পত্তি হয়নি) রয়েছে।


প্রতিপক্ষ পাকিস্তান 


মোট ২১ ম্যাচের মধ্যে ১০টিতে জয় ও ১১টিতে পরাজয় রয়েছে।


প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড 


মোট ১৫ ম্যাচের মধ্যে ১১টিতে জয় ও ৪টিতে পরাজয় রয়েছে।


প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা 


মোট ১৭ ম্যাচের মধ্যে ১১টিতে জয় ও ৫ ম্যাচে পরাজয় রয়েছে (১টি ফল নিষ্পত্তি হয়নি)।



প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান 


মোট ২ ম্যাচ এবং ২টিতেই দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের রেকর্ড রয়েছে।


প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে 


মোট ৫ ম্যাচ এবং ৫টিতেই দক্ষিণ আফ্রিকা জয়ী হয়েছে।


প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড 


মোট ৩ ম্যাচ এবং ৩টিতেই দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের রেকর্ড রয়েছে।




এসএসসি (২০২২)পরীক্ষার নতুন সময়সূচি

                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ অবশেষে ২০২২ সালের স্থগিত এসএসসি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী এবারের এসএসসি পরীক্ষা আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ,২০২২ তারিখে শুরু হবে। সেইসাথে এবারের এসএসসি পরীক্ষা সকাল ১১ঘটিকায় শুরু হবে । উল্লেখ্য পুরাতন সময়সূচি অনুযায়ী এবারের এসএসসি পরীক্ষা গত ১৯ জুন,২০২২ তারিখে শুরু হবার কথা ছিল তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার কারণে এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এখানে ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ও নম্বরবন্টন তুলে ধরা হলো।

                                                            

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ও নম্বরবন্টন 


আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর,২০২২ তারিখে এবারের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে । এবার এসএসসি পরীক্ষায় ৪টি বিষয় ছাড়া বাকি সব বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে।২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও বিজ্ঞান বিষয় থাকছে না।এসব বিষয়ের মূল্যায়ন সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে করা হবে।


পরীক্ষার সময়সূচি 


এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মোট দুই ঘন্টার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।  সেইসাথে এবারের এসএসসি পরীক্ষা সকাল ১১ ঘটিকায় শুরু হবে। ২০ মিনিট সময় থাকবে নৈব্যক্তিক অংশের জন্য ও ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট সময় থাকবে রচনামূলক অংশের জন্য।


নম্বরবন্টন


এবারের এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয় ও পত্রের পূর্ণমান হবে ব্যবহারিকছাড়া ৫৫ নম্বর ও ব্যবহারিক রয়েছে এমন বিষয়ে ৪৫ নম্বর।


২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার নম্বরবন্টন 


২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর। এখানে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে তা দেখে নিন।


বাংলা ১ম পত্র - (রচনামূলক ৪০ + নৈব্যক্তিক ১৫) ।

বাংলা ২য় পত্র - ( রচনামূলক ৪০ + নৈব্যক্তিক ১৫) ।

ইংরেজি ১ম পত্র - রচনামূলক ৫০ নম্বর ।

ইংরেজি ২য় পত্র - রচনামূলক ৫০ নম্বর।

গণিত - (রচনামূলক ৪০ + নৈব্যক্তিক ১৫)।

পদার্থ বিজ্ঞান - (রচনামূলক ৩০+ নৈব্যক্তিক ১৫) ।

রসায়ন বিজ্ঞান - ( রচনামূলক ৩০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

জীব বিজ্ঞান - ( রচনামূলক ৩০ + নৈব্যক্তিক ১৫)।

উচ্চতর গণিত - ( রচনামূলক ৩০ + নৈব্যক্তিক ১৫) ।

হিসাববিজ্ঞান - (রচনামূলক ৪০ + নৈব্যক্তিক ১৫)।

ব্যবসায় উদ্যোগ - ( রচনামূলক ৪০+ নৈব্যক্তিক ১৫) ।

ফিনান্স ও ব্যাংকিং - (রচনামূলক ৪০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

বাংলাদেশের ইতিহাস ওবিশ্বসভ্যতা - ( রচনামূলক ৪০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

ভূগোল ও পরিবেশ - (রচনামূলক ৪০+নৈব্যক্তিক ১৫)।

পৌরনীতি ও নাগরিকতা - (রচনামূলক ৪০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

অর্থনীতি - (রচনামূলক ৪০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান - (রচনামূলক ৩০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

কৃষি শিক্ষা - (রচনামূলক ৩০+নৈব্যক্তিক ১৫)।


২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার( রুটিন ) সময়সূচি 


২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার নতুন( রুটিন) সময়সূচি দেখে নিন। উল্লেখ্য এবারের এসএসসি পরীক্ষা সকাল ১১ঘটিকায় শুরু হবে।