WHAT'S NEW?
Loading...

সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                       


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংক 'ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড' এ 'এসোসিয়েট রিলেশনশিপ ম্যানেজার'জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।


পদ :এসোসিয়েট রিলেশনশিপ ম্যানেজার/ রিলেশনশিপ ম্যানেজার - ক্যাপিটাল মার্কেট সার্ভিসেস (কর্পোরেট ব্যাংকিং)।


পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট


যোগ্যতা : বাণিজ্যে স্মাতক/স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।


অভিজ্ঞতা : যেকোন ব্যাংকে একইপদে ২-৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা।


বয়স : উল্লেখ্য করা হয়নি।


বেতনস্কেল : উল্লেখ্য করা হয়নি।


চাকরির ধরন : ফুলটাইম ।


কর্মস্থল : বাংলাদেশের যেকোন স্থান ।


আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)।


আবেদনের শেষ তারিখ : ৯ এপ্রিল,২০২২।


সূত্র : বিডিজবস ডটকম 


ইংল্যান্ডের সফল ১০ টেস্ট ক্যাপ্টেন

                                                               

                                                      ছবি : জে রুট 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক অ্যাশেজ সিরিজ ব্যর্থতা ও  বাজে টেস্ট পারফরম্যান্সের জন্য জে রুটের ক্যাপ্টেনসি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাবেক ইংলিশ টেস্ট ক্যাপ্টেন নাসের হোসাইন,মাইকেল ভনরা জে রুটের ক্যাপ্টেনসি নিয়ে সমালোচনা করছেন।ফলে জে রুটের ক্যাপ্টেনসি এবার কিছুটা হলেও প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। আসুন ইংল্যান্ডের সফল ১০ টেস্ট ক্যাপ্টেনের পরিসংখ্যান দেখে নিই।


ইংল্যান্ডের সফল ১০ টেস্ট ক্যাপ্টেন 


ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী টিমগুলোর একটি ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ড টেষ্ট ক্রিকেটের সবচেয়ে পুরনো টিমগুলোর একটি। এসবকিছুর সাথে ইংল্যান্ড একাধিক সফল ও বিখ্যাত টেস্ট ক্যাপ্টেনও দেখেছে। ইংল্যান্ডের সফল টেস্ট ক্যাপ্টেনদের মধ্যে আলিষ্টার কুক, মাইকেল ভন,এন্ডু স্ট্রাউস,জে রুট অন্যতম। ইংল্যান্ডের সফল ১০ টেস্ট ক্যাপ্টেনের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


জে রুট 


যদিও জে রুটের টেস্ট ক্যাপ্টেনসি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তবে এ কথা বাস্তব যে তাঁর অধীনে ইংল্যান্ড সর্বাধিক টেস্ট ম্যাচ জিতেছে। উল্লেখ্য  রুটের অধীনে ইংলিশরা আবার সবচেয়ে বেশি টেস্ট হেরেছে।জে রুটের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড টিম ৬৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ২৭টিতে জিতেছে ও ২৬টিতে হেরেছে। এছাড়া রুটের অধীনে ইংলিশরা  ১১টি টেস্ট ড্র করেছে।



মাইকেল ভন 



রুটের পরে মাইকেল ভনের নেতৃত্বে ইংলিশরা  সর্বাধিক টেস্ট জিতেছে। মাইকেল ভনের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৫১টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ২৬টিতে জিতেছে ও ১১টিতে পরাজিত হয়েছে। এছাড়া ভনের নেতৃত্বে ইংলিশরা ১৪টি টেস্ট ড্র করেছে।


এন্ডু স্ট্রাউস 



ইংল্যান্ডের সফল ১০ টেস্ট ক্যাপ্টেনের মধ্যে এন্ডু স্ট্রাউস অন্যতম।স্ট্রাউসের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৫০টি টেস্ট খেলেছে যেখানে ২৪ ম্যাচে জয় ও ১১ ম্যাচে পরাজয়ের রেকর্ড রয়েছে। এছাড়া স্ট্রাউসের নেতৃত্বে ইংলিশরা ১৫টি টেস্ট ড্র করেছে।


আলিষ্টার কুক 



ইংল্যান্ডের সফল ১০ টেস্ট ক্যাপ্টেনের মধ্যে আলিষ্টার কুক অন্যতম।কুকের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৫৯টি টেস্ট খেলেছে যেখানে ২৪টিতে জয় ও ২২ম্যাচে পরাজয়ের রেকর্ড রয়েছে। উল্লেখ্য কুকের নেতৃত্বে ইংলিশরা ১৩টি টেস্ট ড্র করে।


পিটার মে 



ইংল্যান্ডের সফল ১০ টেস্ট ক্যাপ্টেনের মধ্যে পিটার মে অন্যতম।মে'র নেতৃত্বে ইংলিশরা ৪১টি টেস্ট খেলে ২০টিতে জিতেছে ও ১০টিতে হেরেছে। এছাড়া মে'র নেতৃত্বে ইংলিশরা ১১টি টেস্ট ম্যাচ ড্র করেছে।


মাইক ব্রিয়ারলে 



ইংল্যান্ডের সফল টেস্ট ক্যাপ্টেনদের মধ্যে মাইক ব্রিয়ারলে অন্যতম।ব্রিয়ারলের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৩১টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ১৮টিতে জয় পায় ও ৪টিতে পরাজিত হয়। এছাড়া ব্রিয়ারলের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৯টি টেস্ট ড্র করে।


নাসের হোসাইন 



সর্বাধিক টেষ্ট জয়ের হিসেবে ইংল্যান্ডের সফল টেস্ট ক্যাপ্টেনদের মধ্যে নাসের হোসাইন অন্যতম।নাসের হোসাইনের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৪৫টি টেস্ট খেলেছে যেখানে ১৭ ম্যাচে জয় ও ১৫টিতে পরাজয়ের রেকর্ড রয়েছে। এছাড়া নাসের হোসাইনের নেতৃত্বে ইংলিশরা ১৩টি টেস্ট ড্র করে।


মাইক আথারটন 



ইংল্যান্ডের সফল টেস্ট ক্যাপ্টেনদের মধ্যে মাইক আথারটনের নাম উচ্চারিত হয়।আথারটনের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৫৪টি টেস্ট খেলে ১৩টিতে জয়ী হয় ও ২১টিতে পরাজিত হয়। এছাড়া আথারটনের নেতৃত্বে ইংলিশরা ২০টি টেস্ট ড্র করে।


রে ইলিংওয়ার্থ 



রে ইলিংওয়ার্থ ইংল্যান্ডের সফল টেস্ট ক্যাপ্টেনদের মধ্যে অন্যতম। সাবেক এই ইংলিশ অধিনায়কের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৩১টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ১২টিতে জয় পায় ও ৫টিতে পরাজিত হয়। এছাড়া ইলিংওয়ার্থের নেতৃত্বে ইংলিশরা ১৪টি টেস্ট ড্র করে।


স্যার লেন হার্টন 



ইংল্যান্ডের সফল টেস্ট ক্যাপ্টেনদের মধ্যে স্যার লেন হার্টনের নামটিও উচ্চারিত হয়। সাবেক এই টেস্ট অধিনায়কের নেতৃত্বে ইংলিশরা ২৩টি টেস্ট খেলে ১১ ম্যাচে জয়লাভ করে ও ৪টিতে পরাজিত হয়। উল্লেখ্য স্যার লেন হার্টনের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৮টি টেস্ট ড্র করে।


টেষ্টে স্মিথের দ্রুততম ৮ হাজার রান

                                                             
                                                    ছবি: স্টিভ স্মিথ



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি অষ্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ব্যাটার স্টিভ স্মিথ পাকিস্তানের বিপক্ষে লাহোর টেষ্টে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।লাহোর টেষ্টে ব্যাট করতে নেমে এই ব্যাটার নিজের ৮০০০ টেস্ট রানের (টেষ্টে সবচেয়ে দ্রুততম ৮হাজার রান) মাইলফলক স্পর্শ করেন। ।স্মিথ এখন টেস্ট ক্রিকেটে (১৫১ ইনিংসে) সবচেয়ে দ্রুততম ৮ হাজার রানের রূপকার ।এর আগে এই রেকর্ড ছিল শ্রীলঙ্কা সাবেক ব্যাটার কুমার সাঙ্গাকারার(১৫২ ইনিংস) নামের পাশে। টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ৮ হাজার রানকারী ১০ ব্যাটারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।



টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ৮ হাজার রানকারী ১০ ব্যাটার 



ক্রিকেটের বেসিক ও অভিজাত ফরম্যাট হচ্ছে টেস্ট ক্রিকেট।সব ব্যাটারই টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করতে চান।যদিও ক্রিকেটের এই ফরম্যাটে সব ব্যাটার সমানভাবে সফলতা পান না এবং এর পেছনে বহু কারণ থাকে। রেকর্ডবুকে তাকালে দেখা যায় ক্রিকেটের এই অভিজাত ফরম্যাটে (টেস্ট) ব্যাট হাতে ৮ হাজার রানকারী ব্যাটারের সংখ্যা খুব বেশি নেই।এক্ষেএে উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো অষ্ট্রেলিয়ার মাএ ৬জন ব্যাটার ইতিমধ্যে টেস্ট ক্রিকেটে ৮ হাজার বা এর বেশি রান করতে পেরেছেন।তাই স্বাভাবিকভাবেই বলা যায় টেস্ট ক্রিকেটে ৮ হাজার রান করা সহজ বিষয় নয়। টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ৮ হাজার রানকারী শীর্ষ ১০ ব্যাটারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


১. স্টিভ স্মিথ (অষ্ট্রেলিয়া) - ১৫১ ইনিংসে ৮০০০ রান করেন।


২.কুমার সাঙ্গাকারা ( শ্রীলঙ্কা ) - ১৫২ ইনিংসে ৮০০০ রান করেন।


৩.শচীন টেন্ডুলকার ( ভারত) - ১৫৪ ইনিংসে ৮০০০ রান করেন।


৪.স্যার গ্যারফিল্ড সোবার্স ( ওয়েস্ট ইন্ডিজ) - ১৫৭ ইনিংসে ৮০০০ রান করেন।


৫. রাহুল দ্রাবিড় (ভারত) - ১৫৮ ইনিংসে ৮০০০ রান করেন।


৬. বীরেন্দর শেবাগ (ভারত) - ১৬০ ইনিংসে ৮০০০ রান করেন।


৭. জাবেদ মিয়াঁদাদ ( পাকিস্তান) - ১৬২ ইনিংসে ৮০০০ রান করেন। 


৮. ব্রায়ান লারা ( ওয়েষ্ট ইন্ডিজ) - ১৬৪ ইনিংসে ৮০০০ রান করেন।


৯. ম্যাথু হেইডেন ( অষ্ট্রেলিয়া) - ১৬৪ ইনিংসে ৮০০০ রান করেন।


১০. রিকি পন্টিং ( অষ্ট্রেলিয়া) - ১৬৫ ইনিংসে ৮০০০ রান করেন।




 

মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা

                                                            


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ ২৬শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস।১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয় এবং এই দিনটিতে শুরু হয় চূড়ান্ত স্বাধীনতা যুদ্ধ।  এই দিনে একাওরের সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি এবং সেইসাথে এখানে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি তুলে ধরার চেষ্টা করছি।


স্বাধীনতা যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি


বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে তুলে ধরছি।


১. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে  বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক যে দেশের - ডাচ।

২.মুক্তিযুদ্ধভিওিক জাদুঘর গৌরবাঙ্গন যে স্থানে অবস্থিত - যশোর ।

৩.অপারেশন জ্যাকপটে মোট কতটি পাকিস্তানি জাহাজ ধ্বংস করা হয় - ৬০টি।

৪.মুক্তিযুদ্ধের সময় যে বিদেশি মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উওোলন করা হয় - কলকাতা ।

৫.মুক্তিযুদ্ধের জন্য বাংলাদেশকে যে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয় - ১১টি।

৬.মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বসূচক উপাধি - চারটি।

৭.মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী গঠিত হয় -১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর।

৮.অভ্যন্তরীণ নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল যে সেক্টরের অধীন ছিল - ১০ নম্বর সেক্টর।

৯.মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ।

১০. মুক্তিযুদ্ধের নিয়মিত বাহিনী ছিল - মুক্তিফৌজ।

১১. বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা হয়েছিল - ১৭ এপ্রিল,১৯৭১।

১২. মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - তাজউদ্দিন আহমেদ।

১৩. বাংলাদেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা - যশোর।

১৪. মুজিবনগর সরকার যে দেশে মিশন স্থাপন করেছিল - যুক্তরাজ্য।

১৫.দুইজন খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা - ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।

১৬.ভারত-বাংলাদেশ যৌথবাহিনী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে- ০৬ ডিসেম্বর,১৯৭১।

১৭. ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের সেনাধ্যক্ষ ছিলেন - জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।

১৮. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা যে সেক্টরের অধীন ছিল - ২ নম্বর সেক্টর।

১৯. বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের সময় উপস্থিত লোকসংখ্যা - প্রায় ১০ লক্ষ।

২০. ১৯৭১ সালে ভারতের বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তান হামলা চালায় - ৩রা নভেম্বর।

২১. বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের সদস্যসংখ্যা ছিল - ৬ জন।

২২.বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাজধানী ছিল - মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে।

২৩. মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

২৪.মুজিবনগর সরকারকে প্রথম গার্ড অব অনার দেন - মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম)।

২৫. জেনারেল এম এ জি ওসমানী বাংলাদেশের সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন - ১৮ এপ্রিল,১৯৭১।

২৬. যে বীরশ্রেষ্ঠের মৃতদেহ উদ্ধার করা যায়নি - বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।

২৭.মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন - ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।

২৮.স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট খেতাবপ্রাপ্ত - ৬৭৬ জন।

২৯. বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক - শাপলা ।

৩০. বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা -দিবস - ১ ডিসেম্বর ।

৩১.মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতি - তানভীর করিম।

৩২.মুক্তিযুদ্ধের সময় উপ-সর্বাধিনায়ক ছিলেন - একে খন্দকার।




বিদেশে বাংলাদেশের যত সিরিজ জয়

                                                            
                                    ছবি : বাংলাদেশ ওয়ানডে দল


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।এর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাদের মাটিতে কোন সিরিজ জিতল। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এই সিরিজ জয়ের ফলে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের শক্তিমত্তা নতুন করে প্রমাণিত হয়েছে। উল্লেখ্য  দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সদ্যসমাপ্ত ৩ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে। এখানে  বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজ জয়ের রেকর্ডগুলো তুলে ধরছি।


বিদেশে বাংলাদেশের যত (ওয়ানডে) সিরিজ জয়


বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে ক্রমশ শক্তিশালী এক টিম হিসেবে নিজেদের সামর্থ্যের পরিচয় তুলে ধরছে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হয়ে আছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাদের মাটিতে সদ্যসমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ। আসুন বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজ জয়ের রেকর্ডগুলো দেখে নিই।


বিদেশে প্রথম ওয়ানডে সিরিজ 


বাংলাদেশ বিদেশের মাটিতে প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ খেলে ১৯৮৫/৮৬ সালে শ্রীলঙ্কায়।সেটি ছিল একটি এিদেশীয় সিরিজ (বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা)।সেই সিরিজে অবশ্য শ্রীলঙ্কা চ্যাম্পিয়ন হয়।


কেনিয়ায়  সিরিজ জয় ২০০৬ 


বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ প্রথম কোন ওয়ানডে সিরিজ জয় করে ২০০৬ সালে।২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে (কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত)  একটি ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ জয়লাভ করে।


জিম্বাবুয়ের মাটিতে সিরিজ জয় 



বাংলাদেশ বিদেশের মাটিতে  দ্বিতীয়বার ওয়ানডে সিরিজ জেতে জিম্বাবুয়েতে (২০০৬/০৭) এবং প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে।


ওয়েস্ট ইন্ডিজে সিরিজ জয় 



বাংলাদেশ ২০০৬/০৭ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত এক এিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে চ্যাম্পিয়ন হয়।সেই  ওয়ানডে সিরিজের অংশগ্রহণকারী তিন দেশ ছিল যথাক্রমে বাংলাদেশ, বারমুডা ও কানাডা।


ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়


বাংলাদেশ ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে জয়লাভ করে।এটি ছিল বিদেশের মাটিতে বড় কোন টিমের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়ের রেকর্ড।


জিম্বাবুয়ের মাটিতে দ্বিতীয় সিরিজ জয় 



২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের মাটিতে একটি ওয়ানডে সিরিজে স্বাগতিকদের বিপক্ষে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশ দল সিরিজ জয় করে।



ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে দ্বিতীয়বার সিরিজ জয়



২০১৮ সালে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাদের মাটিতে দ্বিতীয়বার ওয়ানডে সিরিজ জয় করে।


আয়ারল্যান্ডে সিরিজ জয় 



২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এক এিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়।সেই ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ ছাড়াও আয়ারল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ  অংশগ্রহণ করে।


জিম্বাবুয়ের মাটিতে তৃতীয় সিরিজ জয় 



বাংলাদেশ ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের মাটিতে একটি ওয়ানডে সিরিজে জয়লাভ করে। উল্লেখ্য এটি ছিল জিম্বাবুয়ের মাটিতে বাংলাদেশের তৃতীয় ওয়ানডে সিরিজ জয়ের রেকর্ড।



দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ জয় 



সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সদ্যসমাপ্ত তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে জয়লাভ করল বাংলাদেশ দল। উল্লেখ্য দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এটিই বাংলাদেশের প্রথম কোন সিরিজ জয়ের রেকর্ড।


টিটুয়েন্টির ইতিহাসে সেরা ১০ প্লেয়ার

                                                            
                                                ছবি : ক্রিস গেইল


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে ছোট ফরম্যাট টিটুয়েন্টি। ছোট ফরম্যাট হওয়ায় টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রতি দর্শক ও সাপোর্টারদের আবেগ তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভিন্ন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে কারা সবচেয়ে সফল প্লেয়ার সেটি  নিয়েও বিভিন্ন আলোচনা রয়েছে।এ লেখায় টিটুয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ১০ প্লেয়ারের কথা তুলে ধরব (সূত্র: স্পোর্টসহাবনেট )। 


ক্রিস গেইল 


স্পোর্টসহাবনেট ডটকম তাদের বিবেচনায় টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা দশ প্লেয়ারের তালিকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লিজেন্ড ক্রিস গেইলকে রেখেছে সবার উপরে। এক্ষেএে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে গেইলের চারছক্কা হাঁকানোর চমৎকার এবিলিটিকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া  টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সবধরণের উইকেটে আগ্ৰাসী ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি পেস ও স্পিন উভয়ধরণের বোলিংয়ের বিপক্ষে ক্রিস গেইলের সমান সফলতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ক্রিস গেইলের রেকর্ড ২২টি সেঞ্চুরি ও ৮৮টি ফিফটি রয়েছে।


ডেভিড ওয়ার্নার 


স্পোর্টসহাবনেটের বিবেচনায় টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা দশ প্লেয়ারের  তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন অষ্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি ব্যাটার ডেভিড ওয়ার্নার। উল্লেখ্য ২০২১ সালের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়ার্নার ব্যাট হাতে দারুণ সফলতা পান যার উপর ভর করে অষ্ট্রেলিয়া টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ওয়ার্নারের মত দীর্ঘসময় ধরে  সহজাত স্টোকপ্লের দক্ষতা খুব কম ক্রিকেটারই দেখাতে পেরেছেন। উল্লেখ্য স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ওয়ার্নার ৮টি সেঞ্চুরি ও ৮৫টি ফিফটির মালিক।



শেন ওয়াটসন 


অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন স্পোর্টসহাবনেটের  সর্বকালের সেরা দশ টিটুয়েন্টি প্লেয়ারের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। উল্লেখ্য এই অষ্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার জাতীয় দলের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন জনপ্রিয় ফ্রাঞ্চাইজি লিগেও নিয়মিত প্লেয়ার ছিলেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ওয়াটসনের মত বল এবং ব্যাট সমান সফলতা খুব কম ক্রিকেটারই দেখাতে পেরেছেন। উল্লেখ্য এই অষ্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ৬টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ৫৩টি ফিফটি করেছেন।


এবি ডি ভিলিয়ার্স 


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সফল প্লেয়ারদের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার এবি ডি ভিলিয়ার্স অন্যতম।স্পোটর্সহাবনেটের সর্বকালের সেরা দশ টিটুয়েন্টি প্লেয়ারের তালিকায় দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যাটারের নামটিও রয়েছে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোন উইকেট ও পজিশনে সফলতা লাভের বিশেষ এক গুণ ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাটিংয়ে পাওয়া যায়। তাছাড়া  চমৎকার টেকনিক ও সফল ফিনিশিং দক্ষতার জন্যও এই ব্যাটার আলোচিত। উল্লেখ্য ডি ভিলিয়ার্স স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ৪টি সেঞ্চুরি ও ৬৯টি ফিফটি রয়েছে।


কিয়েরন পোলার্ড 


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় অলরাউন্ডারদের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিয়েরন পোলার্ড অন্যতম।স্পোর্টসহাবনেটের সর্বকালের সেরা দশ টিটুয়েন্টি প্লেয়ারের তালিকায় এই উইন্ডিজ অলরাউন্ডারের নামটিও রয়েছে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাট হাতে পোলার্ডের যেমন সময়োপযোগী ব্যাটিংয়ের চমৎকার দক্ষতা  রয়েছে তেমনি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ের জন্যও এই বোলার বিখ্যাত। উল্লেখ্য স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ৩০০ উইকেট ও ১০হাজার রানকারী প্রথম ক্রিকেটার পোলার্ড।


আন্দ্রে রাসেল 


স্পোর্টসহাবনেটের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা  দশ টিটুয়েন্টি প্লেয়ারের তালিকায় আন্দ্রে রাসেলের নাম রয়েছে। টিটুয়েন্টি  ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করার পেছনে যেসব প্লেয়ারের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয় তাদের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে রাসেল অন্যতম। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দলের পাশাপাশি বিশ্বের সব বড় বড় টিটুয়েন্টি লিগে এই অলরাউন্ডার নিয়মিত খেলে থাকেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ফিনিশার হিসেবে যেমন তাঁর সফলতা রয়েছে তেমনি বল হাতেও এই অলরাউন্ডার দারুণ সফল। উল্লেখ্য স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে আন্দ্রে রাসেলের ২টি সেঞ্চুরি ও ২৫টি ফিফটি রয়েছে। এছাড়া এই অলরাউন্ডার ইতিমধ্যে স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে ৩৫৪টি উইকেট শিকার করেছেন।


সুনীল নারাইন 


স্পোর্টসহাবনেটের সর্বকালের সেরা দশ টিটুয়েন্টি প্লেয়ারের তালিকায় সুনীল নারাইনের নাম রয়েছে। উল্লেখ্য টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল স্পিনারদের মধ্যেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারাইনের নামটি উচ্চারিত হয়। তাছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে টপঅর্ডারে নেমে দ্রুত রান তোলার ক্ষেএেও এই প্লেয়ারের দুর্দান্ত সফলতা রয়েছে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো বল করার দক্ষতার জন্যও নারাইন বিখ্যাত।। উল্লেখ্য স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সুনীল নারাইন ১০টি ফিফটির পাশাপাশি বল হাতে ৪৭৯টি উইকেট নিয়েছেন।



রশিদ খান 


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল স্পিনারদের একজন আফগানিস্তানের রশিদ খান।স্পোর্টসহাবনেটের বিবেচনায় টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা দশ প্লেয়ারের তালিকায় এই আফগান লেগস্পিনারের নাম রয়েছে ।এই লেগস্পিনার টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে ইফেকটিভ বোলারদের মধ্যে অন্যতম। টিটুয়েন্টিতে তাঁর বোলিং ইকোনমিও  খুব ভালো। উল্লেখ্য স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে রশিদ খান বল হাতে ৫২৩টি উইকেট নিয়েছেন।



লাসিথ মালিঙ্গা 


শ্রীলঙ্কার সাবেক পেসার লাসিথ মালিঙ্গাকে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সেরা বোলারদের একজন হিসেবে ধরা হয়।স্পোর্টসহাবনেটের বিবেচনায় টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা দশ প্লেয়ারের একজন  এই লংকান পেসার।বিশেষত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল পেসার হিসেবে লাসিথ মালিঙ্গার নাম উচ্চারিত হয়। এছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ডেথ ওভারে মালিঙ্গার মত সফল বোলার খুব কম দেখা যায়। উল্লেখ্য লাসিথ মালিঙ্গা স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ৩৯০টি উইকেট নিয়েছেন।



জাসপ্রিত বুমরা 


ভারতের পেসার জাসপ্রিত বুমরাকে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা বোলারদের একজন হিসেবে ধরা হয়।স্পোর্টসহাবনেটের বিবেচনায় টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসের সেরা দশ প্লেয়ারের একজন হিসেবেও এই পেসারকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। নিখুঁত লাইনলেংথ ও কার্যকর ইয়র্কারের জন্য বুমরা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে সেরা বোলারদের একজন হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বুমরার মত কৌশলী বোলার খুব বেশি দেখা যায় না। উল্লেখ্য স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বুমরা ইতিমধ্যে ২৩৮টি উইকেট নিয়েছেন।








আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন

                                                              



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ ১৭ই মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন।১৯২০ সালের এই দিনে বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার (তৎকালিন ফরিদপুর জেলা) টুঙ্গিপাড়া গ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। এই বিশেষ দিনে 'প্রিয় ক্রিকেট ডটকম' এর পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি এবং সেইসাথে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য এখানে তুলে ধরছি।



বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিভিন্ন অজানা তথ্য 


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে তুলে ধরছি (তথ্যসূএ : উইকিপিডিয়া)।

শৈশব ও শিক্ষাজীবন 

বঙ্গবন্ধুর জীবনকাল : ১৭ই মার্চ ১৯২০ - ১৫ই আগষ্ট ১৯৭৫ 

বঙ্গবন্ধুর পিতা-মাতা : শেখ লুৎফর রহমান ও সায়েরা খাতুন 

বঙ্গবন্ধুর স্ত্রীর নাম : বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব 

বঙ্গবন্ধুর ছেলেমেয়ে : পাঁচজন (তিন ছেলে,দুই মেয়ে )

বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা শুরু : গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে 

বঙ্গবন্ধু ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন : গোপালগঞ্জ সেন্ট মথুরানাথ মিশনারি স্কুল থেকে

বঙ্গবন্ধু বিএ ডিগ্ৰি লাভ করেন : কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে

ইসলামিয়া কলেজের বর্তমান নাম : মাওলানা আজাদ কলেজ

বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন : ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ( আইন বিভাগে) 



রাজনৈতিক জীবন ও অন্যান্য

বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি শুরু : ১৯৩৯ সালে গোলাপগঞ্জ মিশনারি স্কুলে পড়ার সময়

রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক অভিষেক : ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত  নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে 

যুক্তফ্রন্ট সরকারে বঙ্গবন্ধু যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান : কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন 

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন : ১৯৬৬ সালে 

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামির সংখ্যা : বঙ্গবন্ধুসহ ৩৫ জন 

বঙ্গবন্ধু ' বাংলাদেশ' নামকরণ করেন : ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর 

বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেয়া হয় : ৩ মার্চ,১৯৭১ 

পূর্বপাকিস্তানের ২৪ বছরে বঙ্গবন্ধু কারাগারে কাটিয়েছেন : মোট ১২ বছর 

বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন : ১২ জানুয়ারি,১৯৭২ 

বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে কতটি দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় : ১৩০টি 

বঙ্গবন্ধু প্রকাশিত সর্বশেষ  বই : আমার দেখা নয়াচীন 

বঙ্গবন্ধু প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় বক্তৃতা দেন :১৯৭৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর 



বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরসূচি ও অন্যান্য

                                                            


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে আরেকটি দ্বিপাক্ষিক(আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম) সিরিজ আগামী ১৮ মার্চ,২০২২ তারিখে শুরু হতে যাচ্ছে।এই সিরিজটি হবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। ইতিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য বাংলাদেশের টেস্ট ও ওয়ানডে স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশের এবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের বিস্তারিত সূচি ,স্কোয়াড এবং দুদলের মধ্যকার টেস্ট ও ওয়ানডে রেকর্ড এখানে তুলে ধরছি।


বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়ানডে সূচি 


এবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশ দল তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে।

 বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার প্রথম ওয়ানডে আগামী ১৮ মার্চ,২০২২ তারিখে (বিকাল ৫টা)মাঠে গড়াবে।প্রথম ওয়ানডের ভেন্যু হচ্ছে সুপার স্পোর্ট পার্ক,সেঞ্চুরিয়ন।

 বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার দ্বিতীয় ওয়ানডে ২০ মার্চ,২০২২ তারিখে (দুপুর ২টা)অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ওয়ানডের ভেন্যু হচ্ছে দি ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়াম, জোহানেসবার্গ।

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার তৃতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ২৩ মার্চ,২০২২ তারিখে(বিকাল ৫টা)। তৃতীয় ওয়ানডের ভেন্যু সুপার স্পোর্ট পার্ক, সেঞ্চুরিয়ন।


বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট সূচি 


বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার আসন্ন দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ২টি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। 

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার প্রথম টেস্ট আগামী ৩১ মার্চ,২০২২(দুপুর ২টা) শুরু হবে।প্রথম টেষ্টের ভেন্যু কিংসমিড,ডারবান।

 বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট  আগামী ৮ এপ্রিল,২০২২ তারিখে(দুপুর ২টা) শুরু হবে। দ্বিতীয় টেস্টের ভেন্যু সেন্ট জর্জেস পার্ক,পোট এলিজাবেথ।



বাংলাদেশ- দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট রেকর্ড 


বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে ইতিপূর্বে ১২টি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ১০টিতেই জয়লাভ করেছে। এছাড়া এ দুদলের মধ্যকার ২টি টেস্ট ম্যাচ ড্র হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বাধিক রান মুশফিকুর রহিমের (৩৩১ রান)। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বাধিক উইকেট শিকারি শাহাদাত হোসাইন (১৫উইকেট)।


বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়ানডে রেকর্ড 


বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে ইতিপূর্বে ২১টি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে বাংলাদেশ ৪টি ম্যাচ জিতেছে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৭টিতে জয়লাভ করেছে। ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে  বাংলাদেশের সর্বাধিক রানকারী ব্যাটার সাকিব আল হাসান (মোট ৩৯৭ রান)। ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলারও সাকিব আল হাসান (মোট ১৩ উইকেট)।


বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াড


আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াড দেখে নিন।

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মেহেদি হাসান মিরাজ,আফিফ হোসেন,এবাদত হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, নাসুম আহমেদ, ইয়াসির আলী রাব্বি,মাহমুদুল হাসান জয়,খালেদ আহমেদ।



বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াড 


আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াড দেখে নিন।

মুমিনুল হক (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস,এবাদত হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, শহিদুল ইসলাম, ইয়াসির আলী রাব্বি, তাইজুল ইসলাম, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ,আবু জায়েদ রাহী, নুরুল হাসান সোহান, খালেদ আহমেদ,সাদমান ইসলাম।



এবারের আইপিএলে তারকারা কে কোথায় এবং কোচ ও অধিনায়কদের তালিকা

                                                       
                                       ছবি: মুস্তাফিজুর রহমান


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আরেকটি আইপিএল  এসে গেছে । ইতিমধ্যে এবারের আইপিএলের মেগা নিলামও সম্পন্ন হয়েছে । এবারের আইপিএল নিলামে বেশকিছু চমক ছিল। এবারের আইপিএলের নিলামে বেশকজন তারকা (দেশি ও বিদেশি) দল পাননি। বাংলাদেশ থেকে শুধু মুস্তাফিজুর রহমান এবারের আইপিএলে দল পেয়েছেন।এই পেসারকে দলভুক্ত করেছে দিল্লি ক্যাপিটালস।  এবারের অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের বেশকজন তরুণ তারকা প্লেয়ার এই আইপিএলে দল পেয়েছেন। উল্লেখ্য এবারের আইপিএল আগামী ২৬ মার্চ মাঠে গড়াবে। ২০২২ আইপিএলে কোন তারকা কোন দলে জায়গা পেলেন এবং টিমগুলোর কোচ ও অধিনায়কদের তালিকা এখানে তুলে ধরছি।



২০২২ আইপিএলে তারকারা কে কোথায়


আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হবে এবারের আইপিএলের মাঠের লড়াই। এবারের আইপিএলে নতুন দুই টিম যুক্ত হয়েছে ফলে এবার মোট দশটি টিম  আইপিএলের মাঠের লড়াইয়ে নামবে। আসুন এবারের আইপিএলে কোন তারকা কোন দলে খেলছেন এবং টিমগুলোর কোচ ও অধিনায়ক কারা  সেটি দেখে নিই।



দিল্লি ক্যাপিটালস 


২০২২ আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালস যথারীতি বেশ শক্তিশালী টিম করেছে। দিল্লি ক্যাপিটালসে এবার ডেভিড ওয়ার্নার,রিসভ পন্ত, মিশেল মার্শের মত তারকা ব্যাটার রয়েছেন। এছাড়া এই ফ্রাঞ্চাইজিতে শার্দুল ঠাকুর,এনরিক নরকিয়া, মুস্তাফিজুর রহমান,লোঙ্গি এনগিদির মত বিশ্বসেরা পেসাররা রয়েছেন।ফলে দিল্লি ক্যাপিটালসকে এবার ব্যালান্সড টিম হিসেবে ধরা যায়। 

দিল্লি ক্যাপিটালস : কোচ ও অধিনায়ক

রিকি পন্টিং ও রিসভ পন্ত 

সিএসকে 


চেন্নাই সুপার কিংস যথারীতি তারকাবহুল টিম করেছে।এই টিমে মহেন্দ্র সিং ধোনি,ডেভন কনওয়ে,মঈন আলী,ডিজে ব্রাভোর মত ব্যাটার ও অলরাউন্ডার রয়েছেন। এছাড়া সিএসকের এবারের আইপিএল টিমে রবীন্দ্র জাদেজা,ক্রিশ জর্ডান, মিশেল স্যান্টনার, দীপক চাহারের মত তারকা টিটুয়েন্টি প্লেয়ার রয়েছেন।

সিএসকে : কোচ ও অধিনায়ক 

স্টিফেন ফ্লেমিং ও রবীন্দ্র জাদেজা 


আরসিবি 



২০২২ সালের আইপিএলেও  রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি) চমৎকার একটি টিম করেছে।রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে বিরাট কোহলি, ফাফ ডু প্লেসিস,গ্লেন ম্যাক্সওয়েল,ফিন এলেনের মত তারকা টিটুয়েন্টি ব্যাটার রয়েছেন। এছাড়া আরসিবির বোলিং বিভাগে জস হার্জেলউড,হার্শাল প্যাটেল, মোঃ সিরাজ,ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার মত বিশ্বসেরা টিটুয়েন্টি বোলার রয়েছেন।


আরসিবি : কোচ ও অধিনায়ক 

সঞ্জয় বাঙ্গার ও ফাফ ডু প্লেসিস


মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স 



মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স বরাবরের মতো এবারও একটি শক্তিশালী টিম করেছে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে এবারও রোহিত শর্মা,কিয়েরন পোলার্ড,টাইমাল মিলস,ঈষাণ কিষাণ ফেবিয়ান এলেনের মত তারকা টিটুয়েন্টি প্লেয়ার রয়েছেন। এছাড়া মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পেস অ্যাটাকে জাসপ্রিত বুমরা,জোফরা আর্চারের মত তারকা পেসাররা রয়েছেন।


মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স : কোচ ও অধিনায়ক 

মাহেলা জয়াবর্ধনে ও রোহিত শর্মা 


কেকেআর 



কলকাতা নাইট রাইডার্স(কেকেআর) এবারও তারকাসমৃদ্ধ টিম করেছে। কেকেআরের ব্যাটিং লাইনআপে আজিঙ্কা রাহানে,শ্রেয়াশ আয়ার, আলেক্স হেলস,সুনীল নারাইন,আন্দ্রে রাসেলের মত তারকা টিটুয়েন্টি ব্যাটার রয়েছেন। এছাড়া কেকেআরে তারকা বোলারদের মধ্যে রয়েছেন প্যাট কামিন্স,টিম সাউদি,বরুণ চক্রবর্তী, মোঃ নবী।


কেকেআর : কোচ ও অধিনায়ক 

ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও শ্রেয়াশ আয়ার 



সানরাইজার্স হায়দরাবাদ 



সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ২০২২ আইপিএলে অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী টিম। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবার তাদের টিমে দারুণ কিছু টিটুয়েন্টি প্লেয়ারকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদে তারকা টিটুয়েন্টি প্লেয়ার হিসেবে রয়েছেন কেন উইলিয়ামসন, নিকোলাস পুরাণ,এইডেন মার্করাম, রোমারিও শেফার্ড, ভুবনেশ্বর কুমার,গ্লেন ফিলিপস।


সানরাইজার্স হায়দরাবাদ : কোচ ও অধিনায়ক 

টম মুডি ও কেন উইলিয়ামসন 


পাঞ্জাব কিংস 



এবারের আইপিএল মেগা নিলামে পাঞ্জাব কিংস বেশ কৌশলী ছিল। এবারের আইপিএলে পাঞ্জাব কিংস অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী টিম বলা যায়।এই ফ্রাঞ্চাইজি তাদের টিমে বেশকজন অভিজ্ঞ ও হালের তারকা টিটুয়েন্টি প্লেয়ারকে দলভুক্ত করেছে। পাঞ্জাব কিংসের তারকা প্লেয়ারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন শিকর ধাওয়ান,জনি বেয়ারস্টো,মায়াঙ্ক আগারওয়াল,লিয়াম লিভিংস্টোন,কাগিছো রাবাদা,ওডিয়ান স্মিথ, রাহুল চাহার,ভানুকা রাজাপাকসে।


পাঞ্জাব কিংস : কোচ ও অধিনায়ক 

অনিল কুম্বলে ও মায়াঙ্ক আগারওয়াল 


রাজস্থান রয়্যালস 



এবারের আইপিএল মেগা নিলামে রাজস্থান রয়্যালস যথারীতি একটি ব্যালান্সড টিম করতে চেয়েছে। এবং রাজস্থান রয়্যালসের টিম মূল্যায়ন করলে দেখা যায় সেখানে সঞ্জু স্যামসন, রবিচন্দ্রন অশ্বিন,ট্রেন্ট বোল্ট,জিমি নিশাম,রসি ভ্যান ডার ডুসেনের মত অভিজ্ঞ ও তারকা টিটুয়েন্টি প্লেয়ার রয়েছেন। এছাড়া রাজস্থান রয়্যালসে বেশকজন তরুণ তারকা প্লেয়ার রয়েছেন যেমন দেবদূত পাড্ডিকেল,হেটমায়ার,যুজবেন্দ্র চাহালের নাম এক্ষেএে বলা যায়।


রাজস্থান রয়্যালস : কোচ ও অধিনায়ক 

কুমার সাঙ্গাকারা ও সঞ্জু স্যামসন 



লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টস 



লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টস এবারের আইপিএলের নতুন একটি ফ্রাঞ্চাইজি।এই ফ্রাঞ্চাইজিটি এবারের আইপিএলে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করবে । লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টস আইপিএলের মেগা নিলামে বেশ ব্যালান্সড একটি টিম করেছে বলা যায়।এই টিমে তারকা প্লেয়ার হিসেবে রয়েছেন কে এল রাহুল,কুইন্টন ডি কক,মার্কাস স্টয়নিস,জেসন হোল্ডার,এভিন লুইস,কাইল মায়ের্স,ক্রুনাল পান্ডিয়া।


লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টস : কোচ ও অধিনায়ক 

অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার ও কে এল রাহুল 


গুজরাট টাইটানস 



এবারের আইপিএলের নতুন টিম গুজরাট টাইটানস। এবারের আইপিএলের মেগা নিলামে এই দলটি ভালো একটি টিম তৈরির চেষ্টা করেছে।এই টিমে  হ্নাদিক পান্ডিয়া,ম্যাথু ওয়েড,শুভমান গিল,ডেভিড মিলারের মত তারকা ব্যাটার রয়েছেন। এছাড়া এই টিমে তারকা বোলার হিসেবে রয়েছেন মোঃ শামি,লোকি ফার্গুসন,আলজারি জোসেফ।


গুজরাট টাইটানস : কোচ ও অধিনায়ক 

আশীষ নেহরা ও হ্নাদিক পান্ডিয়া 


২০২২ সালের আইপিএল সূচি ও অন্যান্য

                                                           




প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আগামী ২৬ মার্চ,২০২২ তারিখে শুরু হতে যাচ্ছে এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ ( আইপিএল)।এটি হবে আইপিএলের পঞ্চদশ আসর। ইতিমধ্যে সবগুলো ফ্রাঞ্চাইজি নিজেদের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে। এবারের আইপিএলে দুটি নতুন ফ্রাঞ্চাইজি যুক্ত হয়েছে ( গুজরাট টাইটানস ও লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টস)। এখানে  ২০২২ আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজি ও ম্যাচসিডিউলের বিস্তারিত তুলে ধরছি।



ফ্রাঞ্চাইজি 


২০২২ সালের আইপিএলে মোট ফ্রাঞ্চাইজি হচ্ছে ১০টি।গত আইপিএলে ৮টি ফ্রাঞ্চাইজি অংশগ্রহণ করেছিল তবে এবার নতুন দুই ফ্রাঞ্চাইজি যুক্ত হয়েছে। এবারের আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিতালিকা এখানে তুলে ধরছি।

১.দিল্লি ক্যাপিটালস 


২.রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু 


৩.চেন্নাই সুপার কিংস 


৪.মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স 


৫.কেকেআর 


৬.সানরাইজার্স হায়দরাবাদ 


৭.পাঞ্জাব কিংস 


৮.রাজস্থান রয়ালস 


৯.লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টস 


১০.গুজরাট টাইটানস 







ভেন্যু 


২০২২ সালের আইপিএলের সবগুলো ম্যাচ  ৬টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।এবারের আইপিএলের ম্যাচগুলো যেসব স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে সেগুলোর নাম এখানে তুলে ধরছি।

১. ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম - মুম্বাই 

২.এম এ চিদাম্বরম চিপাউক স্টেডিয়াম - চেন্নাই 

৩.নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম - আহমেদাবাদ 

৪. এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম - বেঙ্গালুরু 

৫.ইডেন গার্ডেনস স্টেডিয়াম - কলকাতা 

৬. ভারতরত্ন শ্রী  অটল বিহারী বাজপেয়ী ইকানা ক্রিকেট স্টেডিয়াম - লক্ষ্মৌ 



ম্যাচসিডিউল 


২০২২ সালের আইপিএলের মাঠের লড়াই শুরু হবে আগামী ২৬ মার্চ,২০২২ তারিখে। এবারের আইপিএলের সিডিউল এখানে তুলে ধরছি।

                                                              



অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রিকেটগ্ৰাউন্ড

                                                             
                                                  ছবি : এমসিজি 



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ক্রিকেটের বনেদি সদস্যের একটি অষ্ট্রেলিয়া ।বহু বিখ্যাত ক্রিকেটারের জন্মস্থান অষ্ট্রেলিয়া। ক্রিকেটের প্রসার ও জনপ্রিয়তার পেছনে অষ্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ক্রিকেটার ডন ব্রাডম্যান,এলান বোর্ডার,স্টিড ওয়াহ,রিকি পন্টিং,শেন ওয়ার্ন,গ্লেন ম্যাকগ্রা,গ্লেন ম্যাক্সওয়েল প্রমুখের অবদান  সর্বদাই স্মরণযোগ্য। এছাড়া ক্রিড়াজগতের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যনিদর্শনের মধ্যে অষ্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটগ্ৰাউন্ডগুলো অন্যতম। এখানে অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর পরিচিতি তুলে ধরছি(সূএ:স্পোটর্সপেরি) ।


অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড 


ক্রিকেটের শীর্ষ টিমগুলোর একটি অষ্ট্রেলিয়া। অষ্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেটের জন্য গড়ে উঠেছে বেশকিছু সুদৃশ্য ক্রিকেটগ্ৰাউন্ড।অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড(এমসিজি),এডিলেড ওভাল,সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এসসিজি) অন্যতম।সর্বাধিক দর্শকধারণক্ষমতা বিবেচনায় অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর পরিচিতি এখানে তুলে ধরছি।


মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এমসিজি) 


অষ্ট্রেলিয়ার সুদৃশ্য ক্রিকেটগ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এমসিজি) অন্যতম। দর্শকধারণক্ষমতা বিবেচনায় অষ্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রিকেট মাঠও এটি।এমসিজি অষ্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায় অবস্থিত। এমসিজিতে একসাথে ১,০০০,২৪ জন দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।



এডিলেড ওভাল 


অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর একটি এডিলেড ওভাল। দর্শকধারণক্ষমতা বিবেচনায় এটি অষ্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম ।এডিলেড ওভালে একসাথে ৫৫,৩১৭ জনের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।এটি অষ্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে সুন্দর স্টেডিয়ামগুলোর একটি।


ডকল্যান্ড স্টেডিয়াম (মেলবোর্ন) 


দর্শকধারণক্ষমতা বিবেচনায় ডকল্যান্ড স্টেডিয়াম অষ্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহৎ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড।এটি মেলবোর্নে অবস্থিত।ডকল্যান্ড স্টেডিয়ামের দর্শকধারণক্ষমতা ৫৫,০০০। অর্থাৎ ডকল্যান্ড স্টেডিয়ামে একসাথে ৫৫হাজার দর্শকের জন্য খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।


সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এসসিজি)


অষ্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে আকর্ষণীয় ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড ( এসসিজি)অন্যতম। দর্শকধারণক্ষমতা বিবেচনায় অষ্ট্রেলিয়ার বৃহৎ স্টেডিয়ামগুলোর একটিও এসসিজি। উল্লেখ্য এসসিজিতে একসাথে ৪৮,৬০১ জন দর্শক খেলা দেখতে পারে।


দি গ্যাবা ( ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড) 


অষ্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর একটি হচ্ছে দি গ্যাবা (ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড)। দর্শকআসন বিবেচনায় অষ্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহৎ স্টেডিয়ামও এটি।দি গ্যাবায় ( ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড) একসাথে ৩৬,০০০ দর্শকের জন্য খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।



ওয়াকা গ্ৰাউন্ড (ওয়েষ্টান অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট এসোসিয়েশন)


অষ্ট্রেলিয়ার সুন্দর স্টেডিয়ামগুলোর একটি ওয়াকা গ্ৰাউন্ড(ওয়েষ্টান অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট এসোসিয়েশন) । ওয়াকা অষ্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোরও একটি।ওয়াকার দর্শকআসন ২০,০০০। অর্থাৎ ওয়াকায় একসাথে ২০ হাজার দর্শকের জন্য খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।


বেলিরিভ ওভাল 


অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে বেলিরিভ ওভাল অন্যতম।বেলিরিভ ওভালের দর্শকধারণক্ষমতা ১৯,৫০০। অর্থাৎ বেলিরিভ ওভালে একসাথে ১৯,৫০০ দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।


ডেভোনপোর্ট ওভাল 



অষ্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে ডেভোনপোর্ট ওভাল অন্যতম। দর্শকধারণক্ষমতা বিবেচনায়ও অষ্ট্রেলিয়ার অন্যতম শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড এটি।ডেভোনপোর্ট ওভালের দর্শকধারণক্ষমতা ১৪ হাজার। অর্থাৎ ডেভোনপোর্ট ওভালে একসাথে ১৪,০০০ দর্শক খেলা দেখতে পারেন।


নতুন পেসবোলিং কোচ ও ফিল্ডিং কোচ পেল বাংলাদেশ

                                                              
                                             ছবি: এলান ডোনাল্ড



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের জন্য নতুন পেসবোলিং কোচ ও ফিল্ডিং কোচ নিয়োগ দিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসবোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক জনপ্রিয় পেসার এলান ডোনাল্ড। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে অষ্ট্রেলিয়ান শেন ম্যাকডারমটকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।


এলান ডোনাল্ডের ক্যারিয়ার ও অন্যান্য 


দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বকালের অন্যতম সেরা পেসার এলান ডোনাল্ড দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দলের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন বিখ্যাত ক্লাবের হয়ে ফাষ্টক্লাস ক্রিকেট খেলেছেন। এর আগে বাংলাদেশের পেসবোলিং কোচ ওটিস গিবসন দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ায় এলান ডোনাল্ডকে আগামী টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত টাইগারদের পেস বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলো।এলান ডোনাল্ডের ক্যারিয়ারচিএ এখানে তুলে ধরছি।


টেস্ট ক্যারিয়ার 


মোট  টেস্ট খেলেছেন - ৭২টি 

উইকেট নিয়েছেন - ৩৩০টি 

ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন ৩বার। 



ওয়ানডে ক্যারিয়ার 


মোট ওয়ানডে খেলেছেন -১৬৪টি 

উইকেট নিয়েছেন - ২৭২টি 

সেরা ওয়ানডে বোলিং -৬/২৩।


কোচিং ক্যারিয়ার 


এলান ডোনাল্ড নিম্নোক্ত টিমগুলোর কোচ ছিলেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দল।

নিউজিল্যান্ড জাতীয় দল।

ইংল্যান্ড জাতীয় দল ।

কাউন্টি দল ক্যান্ট।

আইপিএল দল রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।


                                                              

                                        ছবি : শেন ম্যাকডারমট 


শেন ম্যাকডারমটের ক্যারিয়ার ও অন্যান্য


শেন ম্যাকডারমট মূলত  অষ্ট্রেলিয়ান কোচ।শেন ম্যাকডারমটকে  ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।শেন ম্যাকডারমট এর আগেও বাংলাদেশে কাজ করেছেন।  শেন ম্যাকডারমট এর আগে যেসব দলের সাথে ফিল্ডিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন সেগুলোর নাম এখানে তুলে ধরছি।


২০০৬-২০০৮ বাংলাদেশ জাতীয় একাডেমির হেডকোচ 

বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ 

বাংলাদেশ এইচপি দলের ফিটনেস সমন্বয়কারী 

শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ 

অষ্ট্রেলিয়ার সিনিয়র দলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ 


প্রয়াত লেগস্পিন লিজেন্ড শেন ওয়ার্নের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারচিএ

                                                               



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি প্রয়াত হয়েছেন  অষ্ট্রেলিয়ান লেগস্পিন লিজেন্ড শেন ওয়ার্ন।সম্প্রতি থাইল্যান্ডের কো সামুই দ্বীপে নিজের ভিলাতে আকস্মিক হার্টঅ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেন এই কিংবদন্তি লেগ স্পিনার। মৃত্যুকালে এই লেগস্পিন লিজেন্ডের বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। ক্রিকেটের এক আলোচিত চরিত্র ছিলেন শেন ওয়ার্ন।বলা হয় লেগস্পিনকে জনপ্রিয় করার পেছনে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে। এছাড়া ক্রিকেটের ইতিহাসে এরকম চৌকস লেগস্পিনার খুব বেশি দেখা যায়নি।এই স্টোরিতে শেন ওয়ার্নের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারচিএ ও তাঁর সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করব।


শেন ওয়ার্নের ক্যারিয়ারচিএ 


ক্রিকেটের এক বিচিত্র চরিত্র বলা হয় শেন ওয়ার্নকে। মাঠ ও মাঠের বাইরে বিভিন্ন সময় পাগলাটে আচরণ , নিষিদ্ধ ড্রাগ সেবন এবং সেইসাথে ক্রিকেট মাঠে চৌকস লেগস্পিন এসবকিছু মিলিয়ে শেন ওয়ার্ন সবসময়ই ছিলেন ক্রিকেটের এক আলোচিত চরিত্র । বিশেষত অষ্ট্রেলিয়ার ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ওয়ার্ন।এই লেগস্পিন লিজেন্ড ২০১৩ সালে বিগব্যাশের পর সবধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন।শেন ওয়ার্নের ক্যারিয়ারচিএ এখানে তুলে ধরছি।


টেস্ট ক্যারিয়ার 


টেস্ট অভিষেক - ১৯৯২ সালে (প্রতিপক্ষ ভারত) 

১৪৫টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন

মোট রান ৩১৫৪।

উইকেট - ৭০৮টি।

টেষ্টে ১০বার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন।




ওয়ানডে ক্যারিয়ার 


ওয়ানডে অভিষেক - ১৯৯৩ সালে (প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড) 

১৯৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন 

মোট রান ১০১৮।

উইকেট - ২৯৩টি।

ওয়ানডেতে ৫বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন।



ফাষ্টক্লাস ক্যারিয়ার 


৩০১টি ফাষ্টক্লাস ম্যাচ খেলেছেন 

মোট রান - ৬৯১৯ ।

২ সেঞ্চুরি  ও ২৬টি ফিফটি।

মোট উইকেট - ১৩১৯ টি।

১২বার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন ।


শেন ওয়ার্ন যেসব ক্লাবে খেলেছেন 


শেন ওয়ার্ন তাঁর খেলোয়াড়ি জীবনে ভিক্টোরিয়া,হ্যাম্পশায়ার, রাজস্থান রয়্যালস, মেলবোর্ন স্টারসের হয়ে ফাষ্টক্লাস ক্রিকেট খেলেছেন।



শেন ওয়ার্ন সম্পর্কে অজানা যা 


শেন ওয়ার্ন শেষপর্যন্ত ক্রিকেটের ইতিহাসে এক বিশিষ্ট চরিত্র হিসেবে থাকবেন। তাঁর অদ্ভুত সব কান্ডকীর্তির সাথে একথাও বাস্তব যে তাঁর মত চৌকস লেগস্পিনার ক্রিকেট ইতিহাসে বিরল। আসুন শেন ওয়ার্ন সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য জেনে নিই।



টেস্ট অভিষেকে চমৎকার ব্যাটিং করেছিলেন


শেন ওয়ার্ন যদিও ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা এক  লেগস্পিনার হিসেবে স্বীকৃত তবে একথা হয়তো অনেকের অজানা যে নিজের টেস্ট অভিষেকে এই লেগস্পিনার বল হাতে খুব বেশি সফলতা পাননি কিন্তু ব্যাট হাতে বেশ কার্যকর একটি ইনিংস খেলেছিলেন।


অভিষেক টেস্টে বল হাতে ব্যর্থতা 



শেন ওয়ার্ন নিজের অভিষেক টেস্টে ভারতের বিপক্ষে ৪৫ ওভার বল করে ১৫০ রান দিয়ে মাএ ১টি উইকেট পেয়েছিলেন।

ছোটবেলায় লেগস্পিনের সাথে ভালো ব্যাটিং করতেন 



শেন ওয়ার্ন ছোটবেলায় লেগস্পিনের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও বেশ দক্ষতার পরিচয় দেন।অবশ্য পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও এই লেগস্পিন লিজেন্ডের ব্যাট হাতে সফলতা রয়েছে। উল্লেখ্য ওয়ার্ন টেষ্টে ব্যাট হাতে মোট ৩১৫৪ রান ও ওয়ানডেতে ১০১৮ রান করেছেন। তাঁর ১২টি টেস্ট ফিফটি ও ১টি ওয়ানডে ফিফটি রয়েছে।


একসময় ফুটবলও খেলেছেন 



শেন ওয়ার্ন একসময় অষ্ট্রেলিয়ার সেন্ট কিলডা ফুটবল ক্লাবের অনুর্ধ্ব ১৯ টিমে খেলেছেন।


শেন ওয়ার্ন ফিটনেস সচেতন ছিলেন না 


শেন ওয়ার্ন তাঁর ক্যারিয়ারের অধিকাংশ সময়ই ফিটনেস সচেতন ছিলেন না। উল্লেখ্য নিজের অভিষেক টেস্টে ওয়ার্নের ওজন ছিল ৯৭ কেজি ।


আইপিএলে প্রথম সফল ক্যাপ্টেন 


আইপিএলের প্রথম আসরে শেন ওয়ার্নের নেতৃত্বে রাজস্থান রয়্যালস চ্যাম্পিয়ন হয়।


টেস্ট ক্রিকেটের সর্বকালের দ্বিতীয় সেরা বোলার 



শেন ওয়ার্ন টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক (৭০৮উইকেট)। উল্লেখ্য টেস্ট ক্রিকেটে সর্বাধিক উইকেট শিকারি শ্রীলঙ্কার সাবেক অফস্পিনার মুওিয়া মুরালিধরন (৮০০উইকেট)


ক্যারিয়ারের কাল অধ্যায় 


শেন ওয়ার্ন ২০০৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময় ডোপটেষ্টে পজিটিভ হন‌ এবং বিশ্বকাপের মাঝপথে তাকে অষ্ট্রেলিয়ায় ফিরে যেতে হয়। পরবর্তীতে ডোপটেষ্টে পজিটিভ হওয়ার কারণে তাকে ১ বছরের জন্য ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়।



শেন ওয়ার্নের বিখ্যাত উক্তি 


শেন ওয়ার্নের কিছু বিখ্যাত উক্তি এখানে তুলে ধরছি।


১. আমি খেলি(ক্রিকেট) কারণ খেলাটি আমি পছন্দ করি আর এখানে আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে যতবেশি সম্ভব উইকেট শিকার করা (শেন ওয়ার্ন)।


২.ক্যারিয়ারের অধিকাংশ সময়ই আমাকে অষ্ট্রেলিয়ার পেসবান্ধব উইকেটে খেলতে হয়েছে (শেন ওয়ার্ন)।


৩. একজন স্পিনারের বড় গুণ হচ্ছে ব্যাটসম্যানকে বোকা বানাতে পারা  (শেন ওয়ার্ন)।



২০২২ সালে যেসব বিষয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা

                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার  সময়সূচি ও বিষয় ইত্যাদি সম্পর্কে সম্প্রতি শিক্ষা প্রশাসন থেকে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। এবারের(২০২২) এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে  ১৯ জুন ও এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ২২ আগষ্ট। সুপ্রিয় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জ্ঞাতার্থে এখানে ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা  যেসব বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য  তুলে ধরছি (সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর)।



২০২২ সালে যেসব বিষয়ে এসএসসি পরীক্ষা


২০২২ সালে যেসব বিষয়ে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো এখানে তুলে ধরছি।

বাংলা, ইংরেজি, গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন , উচ্চতর গণিত, জীববিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান, ,ব্যবসায় উদ্যোগ,ফিনান্স ও ব্যাংকিং, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ভূগোল ও পরিবেশ,পৌরনীতি ও নাগরিকতা, অর্থনীতি, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান  এবং কৃষিশিক্ষা।


যেসব বিষয়ে পরীক্ষা হবেনা


২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় যেসব বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে না সেগুলো যথাক্রমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং বিজ্ঞান। উল্লেখ্য এই  বিষয়গুলোর মূল্যায়ন হবে 'বিষয় ম্যাপিং' পদ্ধতিতে।


নম্বর বিভাজন ও সময়


২০২২ সালের এসএসসির যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা নেই সেসব বিষয়ে ৫৫ নম্বরের (৪০ সৃজনশীল ও ১৫ নৈব্যক্তিক) । এছাড়া যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা রয়েছে সেসব বিষয়ে ৪৫ নম্বরের (৩০ সৃজনশীল ও ১৫ নৈব্যক্তিক) পরীক্ষা হবে।পরীক্ষার সময় ২ ঘন্টা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ২ঘন্টা সময়ের মধ্যে ২০ মিনিট থাকবে নৈব্যক্তিক অংশের জন্য এবং ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট থাকবে সৃজনশীল অংশের জন্য।



২০২২ সালে যেসব বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষা 


২০২২ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয় ছাড়া বাংলা, ইংরেজি ,গ্ৰুপভিওিক নৈর্বাচনিক তিনটি বিষয় ও একটি ঐচ্ছিক বিষয়ে পরীক্ষা হবে। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে 'বিষয় ম্যাপিং' করে মূল্যায়ন হবে।


যেসব বিষয়ে পরীক্ষা হবেনা


২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পরীক্ষা হবেনা।


নম্বর বিভাজন ও সময়


২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা রয়েছে সেসব বিষয়ে ৪৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে এবং যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা নেই সেসব বিষয়ে ৫৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে।২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সময় হবে ২ ঘন্টা। উল্লেখ্য ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় নৈব্যক্তিক অংশের জন্য থাকবে ২০ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য থাকবে ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট।


বাংলা ও ইংরেজি পরীক্ষার নম্বর বিভাজন


২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র এই বিষয়গুলোতে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে ।



নিলাম শেষে যেমন হল আইপিএল টিমগুলো

                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি হয়ে গেল আইপিএলের মেগা নিলাম। এবারের আইপিএল মেগা নিলামে বেশকিছু চমক ছিল যেখানে আগের আসরগুলোর অনেক বড় তারকা (সাকিব আল হাসান, এউইন মরগান,স্টিভ স্মিথ,সুরেশ রায়না)  এবার কোন দলই পাননি। এছাড়া এবারের আইপিএল মেগা নিলামে বেশকিছু তরুণ প্লেয়ার(ডেয়াল্ড ব্রেভিস,ভিকি অষ্টওয়াল) দল পেয়েছেন । উল্লেখ্য এবারের আইপিএল মেগা নিলামে দশটি ফ্রাঞ্চাইজি অংশগ্রহণ করে। আসুন এবারের আইপিএল মেগা নিলাম শেষে কেমন হলো দলগুলো সেটি দেখে নিই।


চেন্নাই সুপার কিংস 


এম এস ধোনি,সি হারি নিশান্ত,ঋতুরাজ গায়কোয়াড,আমবাতি রাইডু,ডেভন কনওয়ে,এন জগদিশান,রবিন উথাপ্পা,ভগত বরমা,ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস,ডোয়াইন ব্রাভো, মিশেল স্যান্টনার,মঈন আলী,রবীন্দ্র জাদেজা,শিবাম দুবে,এডাম মিলনে,ক্রিস জর্ডান,দীপক চাহার,কেএম আসিফ,মুকেশ চৌধুরী,রাজবর্ধন হাঙ্গাগারকার,সিমারজিত সিং,সুব্রাংশু সেনাপতি,তুসার দেশপান্ডে,এম থিকসানা,প্রশান্ত সোলাঙ্কি।


দিল্লি ক্যাপিটালস 


রিসভ পন্ত ,ডেভিড ওয়ার্নার,অসিম হ্যাব্বার,মানদিপ সিং,পৃথিবী শাহ, সরফরাজ খান,টিম সেইফার্ট,কেএস ভরত,অক্ষয় প্যাটেল,ললিত জাদব, মিশেল মার্শ,রিপাল প্যাটেল, রভম্যান পাওয়েল,যশ ধুল,চেতন স্যাকারিয়া,এনরিক নরকিয়া, মুস্তাফিজুর রহমান,কমলেশ নগরকুটি, লোঙ্গি এনগিদি,খলিল আহমেদ,সার্দুল ঠাকুর,কুলদিপ যাদব,প্রভিন দুবে,ভিকি অষ্টওয়াল।


গুজরাট টাইটানস 


ডেভিড মিলার,হ্নাদিক পান্ডিয়া,ডেভিড মিলার,অভিনব মনোহর,জেসন রয়,গুরকিরাত সিং,শুভমান গিল,ম্যাথু ওয়েড, ঋদ্ধিমান সাহা,আলজারি জোসেফ,ই সাই সুদর্শন,ডমিনিক ড্রেকস,দারশন নলকান্ডে,জয়ন্ত যাদব, রাহুল তেওয়াটিয়া,বিজয় সংকর,লোকি ফার্গুসন, মোহাম্মদ শামি,বরুণ অরুণ, রশিদ খান,প্রদীপ সাংওয়ান,ইয়াস ধায়াল,নুর আহমাদ,আর সাই কিশোর।


কেকেআর 


আজিঙ্কা রাহানে, শ্রেয়াস আয়ার ,অভিজিৎ তামার,আলেক্স হেলস,টিম সাউদি,নিতিশ রানা,প্রাতাম সিং,রমেশ কুমার,রিংকু সিং,ভব ইন্দ্রজিৎ,স্যাম বিলিংস,স্যালডন জ্যাকসন,আমান খান,আন্দ্রে রাসেল, অনুকূল রায়,চামিকা করুণারত্মে, মোহাম্মদ নবি,প্যাট কামিন্স, ভেংকটেশ আয়ার,অশক শর্মা,রশিক সালামদার,শিবাম মাবি, উমেশ যাদব, সুনীল নারাইন,বরুণ চক্রবর্তী।


মুম্বাই ইন্ডিয়ানস 


রোহিত শর্মা ,সূর্যকুমার যাদব,আনমলপ্রিট সিং,ডেয়াল্ড ব্রেভিস, রাহুল বোদ্ধি,ইষাণ কিষাণ,অরুণ জুয়েল,ডেনিয়েল সামস,অর্জুন টেন্ডুলকার,ফেবিয়ান এলেন,জোফরা আর্চার,রিতিক শোকেন,কিয়েরন পোলার্ড, মোঃ আরশাদ খান,সঞ্জয় যাদব,রমনদিপ সিং,টিম ডেভিড,তিলক ভারমা,জাসপ্রিত বুমরা,বাসিল থাম্পি,জয়দেব উনাদকাট,টাইমাল মিলস,রিলে মেরিডিথ,মায়াঙ্ক মারকান্ডে, মুরুগান অশ্বিন।



পাঞ্জাব কিংস 


মায়াঙ্ক আগারওয়াল,ভানুকা রাজাপাকসে,শিকর ধাওয়ান,প্রিরাক মানকাড,জনি বেয়ারস্টো, শাহরুখ খান,জিতেশ শর্মা,প্রাবশিমরান সিং,বেন্নি হাওয়েল,আনস প্যাটেল,অতর্ব টাইবে,লিয়াম লিভিংস্টোন,হারপ্রিট ব্রোর,রাজ বাওয়া,ওডিয়ান স্মিথ,ঋষি ধাওয়ান,ভৈবভ আররা,ঋতিক চ্যাটার্জি,অশ্বদিপ সিং,কাগিছো রাবাদা, নাথান ইলিচ,বলতেজ ধান্দা, রাহুল চাহার,সন্দিপ শর্মা,ইশান পরেল।


রাজস্থান রয়্যালস 


সঞ্জু স্যামসন ,দেবদূত পাড্ডিকেল,করুণ নায়ের,রশি ভ্যান ডার ডুসেন,রিয়ান পরাগ,শিমরন হেটমায়ার,জশ বাটলার,ইয়াসাভি জয়সওয়াল,ধ্রুব জুরে,ডারেল মিচেল,জেমস নিশাম,অনুনয় সিং, নাথান কুল্টারনাইল, রবিচন্দ্রন অশ্বিন,শুভম গারওয়াল,কুলদিপ সেন,কুলদিপ যাদব,নবদিপ সাইনি,ওভেদ ম্যাকয়,ট্রেন্ট বোল্ট, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ,কেসি কারিয়াপ্পা,যুজবেন্দ্র চাহাল,তেজস বারকা।


রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু


বিরাট কোহলি,ফাফ ডু প্লেসিস,দিনেশ কার্তিক,জশ হার্জেলউড,ফিন এলেন,গ্লেন ম্যাক্সওয়েল,ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা,সুয়াস প্রবুদেশাই,অনুজ রাওয়াত,লুবনিত সিসদিয়া,অনিসার গৌতম,ডেভিড উইলি,মহিপাল লমরোর,শাহবাজ আহমেদ,শেফানে রাদারফোর্ড,আকাশ দিপ,চামা মিলিন্ড,হার্শাল প্যাটেল,জেসন বেরেনডপ, মোহাম্মদ সিরাজ,সিদ্ধার্থ কাউল,কার্ন শর্মা।



সানরাইজার্স হায়দরাবাদ 


কেন উইলিয়ামসন ,এইডেন মার্করাম,প্রিয়ম গার্গ, রাহুল তেওয়াটিয়া,রবিকুমার সামার্থ, নিকোলাস পুরান,ভিষ্ণু বিনোদ, আবদুল সামাদ,অভিষেক শর্মা,গ্লেন ফিলিপস,মারকো জেনসেন, রোমারিও শেফার্ড,শন অ্যাবট,শশাঙ্ক সিং, ওয়াশিংটন সুন্দর, ভুবনেশ্বর কুমার,ফজল হক ফারুকি,কার্তিক ত্যাগী,সৌরভ দুবে,টি নটরাজন,উমরান মালিক,জগদিশ সোশিত,শ্রেয়াশ গোপাল।



লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টস 


কে এল রাহুল,এভিন লুইস,মনিষ পান্ডে, কুইন্টন ডি কক,মানান ভোরা, জেসন হোল্ডার,আয়ুশ বাধানি,দীপক হোদা,করণ শর্মা,কৃষ্ণাপ্পা গৌতম,কাইল মায়ার্স,ক্রুনাল পান্ডিয়া,মার্কাস স্টয়নিস,আভিস খান,দুশমন্ত চামিরা,অঙ্কিত রাজপুত,মার্ক উড,রবি বিষ্ণো,মায়াঙ্ক যাদব, মহসিন খান, শাহবাজ নাদিম।