WHAT'S NEW?
Loading...

কেন নিয়মিত শাকসবজি খাবেন

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ পুষ্টিবিদেরা প্রায়ই নিয়মিত শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এবং তাঁরা এটিও বলেন যে সুস্থভাবে জীবনযাপনের জন্য সঠিক খাদ্য গ্ৰহন জরুরি।আর এই সঠিক খাদ্য তালিকার এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ শাকসবজি। প্রতিদিনের রান্নায় শাকসবজি রাখলে সেটি যেমন খাবারের রুচি বাড়িয়ে দেয় তেমনি দীর্ঘ সুস্থ জীবনযাপনেও এটি দারুণ সহায়তা করে। তাছাড়া নিয়মিত শাকসবজি খেলে বিভিন্ন মৌসুমী রোগব্যাধী থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো নিয়মিত শাকসবজি খেলে বহু প্রাত্যহিক শারীরিক সমস্যা যেমন অরুচি, কোষ্টকাঠিন্য ইত্যাদি সমস্যা দূর হয়। আসুন  বিভিন্ন শাকসবজির উপকারী গুণ সম্পর্কে জেনে নিই।



কেন নিয়মিত শাকসবজি খাবেন



এখন শীতকাল চলছে। বাজারে তাই প্রচুর শাকসবজি পাওয়া যাচ্ছে।বিশেষত লালশাক, পালং শাক,লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি,করোলা ইত্যাদি শাকসবজিতে বাজার এখন সয়লাব।  আমরা প্রায় প্রত্যেকেই প্রতিদিন কোন না কোন শাকসবজি খেয়ে থাকি।যদিও আমরা জানি না কোন শাকসবজির কোন উপকার। আজকের স্টোরিতে বিভিন্ন শাকসবজির উপকারী গুণ নিয়ে আলোচনা করব।



লালশাক


এখন শীতকাল তাই বাজারে প্রচুর লালশাক পাওয়া যাচ্ছে। অনেকেই লালশাক খেতে পছন্দ করেন। নিয়মিত লালশাক খেলে বেশকিছু উপকার পাওয়া যায়।লালশাক আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এই শাকটি শরীরের রক্তশূন্যতা দূর করে।এসব কিছুর বাইরে প্রতিদিন লালশাক খেলে আমাদের শরীরের বহুমাত্রিক উপকার হয়ে থাকে।



পালং শাক


বাংলাদেশে প্রচুর পালং শাক পাওয়া যায়। বছরের প্রায় সবসময়ই বাজারে পালং শাক পাওয়া যায়। নিয়মিত পালং শাক খেলে আমাদের শরীরের বহুমাত্রিক উপকার হয়।পালং শাক নিয়মিত খেলে বাতের ব্যথা,অষ্টিওপোরোসিস,মাইগ্ৰেন ইত্যাদি সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। পালং শাক স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়া পালং শাক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।



কলমি শাক


কলমি শাক আমাদের সবার কাছে পরিচিত এক শাক।এখন বাজারে উন্নত জাতের কলমি শাক পাওয়া যায়। খুবই সুস্বাদু এক খাবার এটি। নিয়মিত কলমি শাক খেলে হাড় মজবুত হয় । এছাড়া যারা কোষ্ঠকাঠিন্য ভোগছেন তাদের জন্য এই শাক খুব উপকারী। নিয়মিত কলমি শাক খেলে শরীরের দুর্বলতা কমে যায় এবং শরীরের শক্তি বাড়ে।




শিম



শিম এই সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সবজি।খুব সুস্বাদু এই সবজিটি শীতকালে বেশি পাওয়া যায়।শিম বিভিন্নভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। নিয়মিত শিম খেলে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায় এবং রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া নিয়মিত শিম খেলে ত্বকের আদ্রর্তা বজায় থাকে।




বাঁধাকপি



শীতকালীন সবজির মধ্যে বাঁধাকপি অন্যতম। খুবই সুস্বাদু এক সবজি বাঁধাকপি। বাঁধাকপি বি উপায়ে রান্না করা যায়। নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে হাড়ের ব্যথা কমে। এছাড়া বাঁধাকপি আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।যদিও এই সবজিটি অধিক পরিমাণে খেলে অনেকের হজমে সমস্যা করতে পারে।




ফুলকপি



ফুলকপি শীতকালীন সবজির মধ্যে অন্যতম।এই সবজিটি খুব সুস্বাদু এবং এটি বিভিন্নভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। নিয়মিত ফুলকপি খেলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে। এছাড়া নিয়মিত ফুলকপি খেলে শরীরে সহজে টিউমার বা ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে না।


লাউ



এই সময়ে বাজারে প্রচুর লাউ পাওয়া যায়। শীতকালীন লাউ বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়।এই সবজিটিতে পানির পরিমাণ বেশি থাকে এবং নিয়মিত এটি খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। নিয়মিত লাউ খেলে ব্লাডপ্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া লাউ আমাদের শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।



শালগম



শীতকালীন সবজির মধ্যে শালগম অন্যতম।শালগম সুস্বাদু এক সবজি। নিয়মিত শালগম খেলে শারীরের দুর্বলতা হ্রাস পায়। এছাড়া এই সবজিটি আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ সহায়ক।



গাজর



গাজর খুব সুস্বাদু এক সবজি। বাংলাদেশে শীতকালে প্রচুর গাজর পাওয়া যায়।এটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি গাজরের বহুমাত্রিক পুষ্টিগুণ রয়েছে।গাজর শরীরের শক্তি ও ওজন বাড়াতে সহায়তা করে।গাজর রক্ত পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।



পেঁপে


পেঁপে এই দেশের জনপ্রিয় এক সবজি।এই সবজিটি প্রায় সারাবছরজুড়েই পাওয়া যায়। বিপুল  বাণ্যিজিক চাহিদার পাশাপাশি পেঁপেতে রয়েছে ব্যাপক পুষ্টিগুণ। নিয়মিত পেঁপে খেলে ফ্যাটি লিভার সমস্যা দূর হয়।তাই যারা ফ্যাটি লিভার নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন তাদের জন্য পেঁপে এক গুরুত্বপূর্ণ সবজি। পেটের বিভিন্ন সমস্যায় পেঁপে উপকারী। পেঁপে হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে।