WHAT'S NEW?
Loading...

বাংলাদেশের উইনিং মাইন্ডসেটে উন্নতি দরকার : রঙ্গনা হেরাথ

                                                                 




প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ রঙ্গনা হেরাথ শ্রীলঙ্কা তথা ক্রিকেটবিশ্বের সেরা বাঁহাতি স্পিনারদের একজন। টেষ্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে হেরাথ যথাক্রমে ৪৩৩,৭৪ ও ১৮টি উইকেটের মালিক। এছাড়াও প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটে তাঁর দারুণ সফলতা রয়েছে। রঙ্গনা হেরাথ এখন বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ক্রিকবাজ থেকে রঙ্গনা হেরাথের একটি সাক্ষাৎকার এখানে তুলে ধরছি(প্রকাশ ২৭ জুন,২০২১)।ভাষান্তর : প্রভাকর চৌধুরী।



ক্রিকবাজ : বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচের দায়িত্ব পেয়ে কেমন লাগছে ?এই দায়িত্ব নেয়ার পেছনে কি কারণ ছিল ?



হেরাথ : অবশ্যই বাংলাদেশ টিমের সাথে কাজের সুযোগ পাওয়া বিশাল সম্মানের বিষয়।একটি শীর্ষ ক্রিকেট টিমের কোচ হওয়ার স্বপ্ন সব প্রাক্তন প্লেয়ারের মধ্যে থাকে। আমারও একই অনুভূতি হচ্ছে এবং আমি বাংলাদেশের মত শীর্ষ টিমের দায়িত্ব পেয়ে অনুপ্রাণিত আর এটিই এ দায়িত্ব নিতে আমাকে সহায়তা করেছে। তাছাড়া আমি চেয়েছি আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা যেন নতুন স্পিনারদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারি। এবং বাংলাদেশের সাথে শ্রীলঙ্কার কন্ডিশন, কালচার সবকিছুর মধ্যে বেশ মিল রয়েছে।আর এসব কিছু ভেবেই আমি এখানে কাজ করতে রাজি হয়েছি।




ক্রিকবাজ : আপনাকে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।এই কয়েকমাসে আপনার মূল প্ল্যান কি হবে ?


হেরাথ : হ্যাঁ আমি টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব পেয়েছি যদিও মনে রাখতে হবে বিশ্বকাপের আগে আমাদের জিম্বাবুয়ে,অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড , ইংল্যান্ড প্রভৃতি টিমের সাথে খেলা রয়েছে।এই সময়ে ইতিমধ্যে আমি সাকিব, মেহেদী হাসান, তাইজুল ইসলাম এবং কিছু নতুন স্পিনারকে দেখেছি যারা বেশ ভালো করছে। এছাড়া সবচেয়ে ইতিবাচক বিষয় হলো  তাঁরা (স্পিনার) সবাই নিয়মিত খেলার সুযোগ পাচ্ছে।আপনি যখন নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবেন তখন টিমের মধ্যে একটি আলাদা আত্নবিশ্বাস ও মাইন্ডসেট তৈরি হয় যা খুবই ইতিবাচক এবং আমি এটি ভবিষ্যতেও ধরে রাখতে চাই।আমরা এখন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ খেলছি এবং যদি আমাদের টিম এখানে একটি উইনিং মাইন্ডসেট তৈরি করতে পারে এবং যদি পরবর্তীতে অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেটি ধরে রাখতে পারে তাহলে সেটি হবে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আমাদের জন্য সবচেয়ে ইতিবাচক বিষয়। এভাবেই আমাদের এগোতে হবে।




ক্রিকবাজ : টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের মত ছোট ফরম্যাটে স্পিনারদের ভূমিকা কিভাবে মূল্যায়ন করবেন ?



হেরাথ : টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এটি সম্পূর্ণই পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে।একজন ক্রিকেটার হিসেবে এই ফরম্যাটে আপনাকে পরিস্থিতি বোঝে খেলতে হবে।তবে এই ফরম্যাটে পেসারদের সাথে স্পিনারদের বোঝাপড়া খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সেটি কাজে লাগাতে হবে।এই ফরম্যাটে স্পিনারদের কিছুটা বুঝেশুনে বল করতে হবে সেইসাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী সবকিছু মানিয়ে নিতে হবে।কারণ এখানে কখনো কখনো এটাকিং হতে হবে আবার সেইসাথে রানের লাগামও ধরতে হবে। এক্ষেত্রে স্পিনারদের জন্য একটি জরুরী কাজ হলো পেসারদের সাথে ভালো বোঝাপড়া তৈরি করা।



ক্রিকবাজ : বাংলাদেশের স্পিনাররা সাধারণত রান আটকানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব দেন।এটি কি এই ফরম্যাটে সবসময় কার্যকর ?



হেরাথ  : আমি বলি যে আপনাকে এখানে নিজের রোল ঠিকভাবে প্লে করতে হবে আর এজন্য আপনাকে আগে নিজের শক্তির জায়গাটি চিনতে হবে। তাছাড়া আপনার লক্ষ্য স্থির করতে হবে। এক্ষেত্রে হেডকোচকে সাথে নিয়ে আমরা স্পিনারদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করতে পারি।এর মধ্যদিয়ে আমরা আমাদের দায়িত্ব ঠিকঠাক বোঝে নিতে পারি।আমি নিশ্চিত যে যদি আমরা এভাবে আলোচনা করে মাঠে নামি তাহলে আমরা আমাদের কাজটি আরো ভালোভাবে করতে পারব।




ক্রিকবাজ : জাতীয় দলের বাইরের স্পিনারদের সাথে কাজ করার কোন সুযোগ কি আপনার আছে ?



হেরাথ : হ্যাঁ আপনারা জানেন যে  আমি এখানে জাতীয় দলের সাথে কাজের জন্য সাড়ে চার মাসের চুক্তিতে আছি এবং আমি মনে করি এই সময়টুকু জাতীয় দলের স্পিনারদের জন্য ব্যয় করা জরুরী।হয়তো এই দায়িত্বের পর জাতীয় দলের বাইরের স্পিনারদের সাথে কাজের সুযোগ আসতে পারে।



ক্রিকবাজ : বাংলাদেশ টিমের প্রায় সবাই ফিঙ্গার স্পিনার এবং এক্ষেত্রে টিমে রিষ্টস্পিনার নেয়ার কোন চিন্তা কি আপনার মধ্যে রয়েছে !


হেরাথ : খুব ভালো প্রশ্ন।আমরা ভারতের দিকে তাকালে চাহাল এবং কুলদিপকে দেখি তেমনি রশিদ খান, আদিল রশিদ চমৎকার রিষ্টস্পিনার। এবং এরা সবাই দারুণ সফল।রিষ্টস্পিনাররা  কখনো কখনো রান বেশি দিলেও যদি তাঁরা উইকেট নিতে পারে  এবং টিমের জয়ে ভূমিকা রাখতে পারে তাহলে আমি তাদেরকে অবশ্যই টিমে রাখতে চাই।







আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে প্যাটিনসনের অবসর

                                                                    



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সম্প্রতি অবসর নিয়েছেন অষ্ট্রেলিয়ার পেসার জেমস প্যাটিনসন।তবে ফ্রাঞ্চাইজি ও ক্লাব ক্রিকেট চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন এই দীর্ঘদেহী পেসার।একসময় অষ্ট্রেলিয়া টিমে আক্রমণাত্মক ফাষ্টবোলার হিসেবে প্যাটিনসনের খ্যাতি ছিল।এই পেসার অষ্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি ক্রিকেট খেলেছেন।তবে এই পেসার অষ্ট্রেলিয়ার হয়ে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। আসুন জেনে নিই জেমস প্যাটিনসনের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য।



টেস্ট ক্যারিয়ার


জেমস প্যাটিনসন অষ্ট্রেলিয়ার হয়ে ২১টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। ২০১১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক হয় । তাঁর মোট টেস্ট উইকেটসংখ্যা ৮১। এছাড়া এই পেসার টেস্ট ক্রিকেটে ৪ বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন।


ওয়ানডে ক্যারিয়ার



২০১১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে জেমস প্যাটিনসনের ওয়ানডে অভিষেক হয় ।তিনি মোট ১৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ১৬।




টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার


জেমস প্যাটিনসনের আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে অভিষেক হয় ২০১১ সালে। তিনি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষিক্ত হন। যদিও টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এই বোলার খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই পেসার ৪ ম্যাচ খেলে ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া আইপিএলে ১০ ম্যাচ খেলে মোট ১১টি উইকেট নেন এই বোলার।


ফাষ্টক্লাস ক্যারিয়ার


ফাষ্টক্লাস ক্রিকেটে জেমস প্যাটিনসনের বেশ সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার রয়েছে।এই পেসার ফাষ্টক্লাস ক্রিকেটে নটিংহামশায়ার, ভিক্টোরিয়া, মেলবোর্ন রেনিগেটস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স প্রভৃতি বিখ্যাত ক্লাব ও টিমের হয়ে খেলেছেন। এই পেসার ৭৬টি ফাষ্টক্লাস ম্যাচ খেলে মোট ৩০২টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ফাষ্টক্লাস ক্রিকেটে ১১ বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার।



টিটুয়েন্টির যে রেকর্ডে শীর্ষে কোহলি

                                                                       


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে ছোট ফরম্যাট টিটুয়েন্টি ক্রিকেট।২০ ওভারের এই ক্রিকেটে ব্যাটারদের(ব্যাটসম্যান)  জন্য বেশকিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে।বিশেষত এখানে উইকেটে বসে থেকে খেলার সুযোগ নেই। বরং টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে শুরু থেকেই মেরে খেলতে হয়।আর এরফলে এই ফরম্যাটে স্টাইকরেট,চার-ছক্কার হিসেব জরুরি। এছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সুযোগ সীমিত তাই এখানে  গুরুত্বপূর্ণ এক ফিগার হাফসেঞ্চুরি।আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি হাফসেঞ্চুরির রূপকার ভারতের বিরাট কোহলি (২৯টি)।যদিও মজার বিষয় হলো এই ব্যাটিং লিজেন্ডের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এখনও কোন টিটুয়েন্টি সেঞ্চুরি নেই। আসুন  আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির সর্বাধিক হাফসেঞ্চুরিয়ানদের পরিসংখ্যান দেখে নিই।



আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সর্বাধিক হাফসেঞ্চুরি



টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটারদের বেশ হাত খুলে খেলতে হয়।কারণ সীমিত ওভারের (২০) জন্য এখানে উইকেটে থিতু হওয়ার খুব বেশি সুযোগ নেই।তাই টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে প্রতিদিন সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া যায় না।আর এসব কিছু বিবেচনায় টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে হাফসেঞ্চুরির পরিসংখ্যান তুলনামূলকভাবে বেশি লম্বা। আসুন আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির শীর্ষ দশ হাফসেঞ্চুরিয়ানের পরিসংখ্যান দেখে নিই।



বিরাট কোহলি



ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ব্যাটারদের একজন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটেও তাঁর অনন্য ব্যাটিংশৈলির ছাপ রয়েছে। বিরাট কোহলির আন্তর্জাতিক ক্যরিয়ারে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় এই বিশ্বসেরা ব্যাটার ইতিমধ্যে ৯১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর হাফসেঞ্চুরির সংখ্যা ২৯।



রোহিত শর্মা



আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির সবচেয়ে সফল ব্যাটারদের একজন ভারতের রোহিত শর্মা। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৪টি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন এই তারকা ওপেনার। আবার আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সর্বাধিক হাফসেঞ্চুরিয়ানের তালিকায়ও এই ব্যাটার উপরের দিকে রয়েছেন। রোহিত শর্মা ইতিমধ্যে ১১২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২২টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন।



বাবর আজম



এই সময়ের আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির সফল ব্যাটারদের একজন পাকিস্তানের বাবর আজম। এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে সদ্যসমাপ্ত ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করেছেন এই তারকা ওপেনার। উল্লেখ্য আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি হাফসেঞ্চুরিয়ানের তালিকার শীর্ষ দশে বাবর আজমের নাম রয়েছে।এই তারকা ব্যাটার ইতিমধ্যে ৬৪টি ম্যাচ খেলে ২২টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন।



ডেভিড ওয়ার্নার



টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় ব্যাটারদের একজন ডেভিড ওয়ার্নার।এই অসি ওপেনার আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সর্বাধিক হাফসেঞ্চুরিয়ানের তালিকার শীর্ষ দশে রয়েছেন।ডেভিড ওয়ার্নার ইতিমধ্যে ৮৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৯টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন।



পল স্টারলিং



আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির জনপ্রিয় এক  ব্যাটার আয়ারল্যান্ডের পল স্টারলিং।এই তারকা ব্যাটার আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির শীর্ষ দশ হাফসেঞ্চুরিয়ানের তালিকায় রয়েছেন।পল স্টারলিং ইতিমধ্যে ৯২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর হাফসেঞ্চুরির সংখ্যা ১৯।



মার্টিন গাপটিল



কিউই ওপেনার মার্টিন গাপটিল আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সফল ব্যাটারদের একজন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটারের একাধিক সেঞ্চুরি রয়েছে।এই মারকুটে ওপেনার আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির শীর্ষ দশ হাফসেঞ্চুরিয়ানের তালিকায়ও রয়েছেন। গাপটিল ইতিমধ্যে ১০৩ টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর হাফসেঞ্চুরির সংখ্যা ১৭।




অ্যারন ফিঞ্চ



অষ্ট্রেলিয়ার মারকুটে ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির শীর্ষ দশ হাফসেঞ্চুরিয়ানের অন্যতম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে ছোট ফরম্যাটে ফিঞ্চের  একাধিক সেঞ্চুরি রয়েছে।এই তারকা ওপেনার ইতিমধ্যে ৭৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট হাফসেঞ্চুরির সংখ্যা ১৫।



ক্রিস গেইল



টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যাটার ক্রিস গেইল আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে দশ সর্বাধিক হাফসেঞ্চুরিয়ানের তালিকায় রয়েছেন।এই তারকা ব্যাটার ইতিমধ্যে ৭৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর হাফসেঞ্চুরির সংখ্যা ১৪। উল্লেখ্য আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে গেইলের ২টি সেঞ্চুরিও রয়েছে।



ব্রেন্ডন ম্যাককালাম



শুধু টিটুয়েন্টি ক্রিকেট নয় ক্রিকেটের সব ফরম্যাটেই মারকুটে ওপেনার হিসেবে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের খ্যাতি রয়েছে। সাবেক এই কিউই ওপেনার আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির শীর্ষ দশ হাফসেঞ্চুরিয়ানের মধ্যে অন্যতম।এই ব্যাটার ৭১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর হাফসেঞ্চুরির সংখ্যা ১৩। উল্লেখ্য আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ম্যাককালামের ২টি সেঞ্চুরি রয়েছে।


কে এল রাউল



ভারতের এই সময়ের জনপ্রিয় ব্যাটারদের অন্যতম কে এল রাউল।এই স্টাইলিশ ব্যাটার আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির শীর্ষ দশ হাফসেঞ্চুরিয়ানের তালিকায় রয়েছেন।কে এল রাউল ইতিমধ্যে ৫০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর হাফসেঞ্চুরির সংখ্যা ১৩। উল্লেখ্য কে এল রাউল আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ২টি সেঞ্চুরিও করেছেন।


কেন নিয়মিত শাকসবজি খাবেন

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ পুষ্টিবিদেরা প্রায়ই নিয়মিত শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এবং তাঁরা এটিও বলেন যে সুস্থভাবে জীবনযাপনের জন্য সঠিক খাদ্য গ্ৰহন জরুরি।আর এই সঠিক খাদ্য তালিকার এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ শাকসবজি। প্রতিদিনের রান্নায় শাকসবজি রাখলে সেটি যেমন খাবারের রুচি বাড়িয়ে দেয় তেমনি দীর্ঘ সুস্থ জীবনযাপনেও এটি দারুণ সহায়তা করে। তাছাড়া নিয়মিত শাকসবজি খেলে বিভিন্ন মৌসুমী রোগব্যাধী থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো নিয়মিত শাকসবজি খেলে বহু প্রাত্যহিক শারীরিক সমস্যা যেমন অরুচি, কোষ্টকাঠিন্য ইত্যাদি সমস্যা দূর হয়। আসুন  বিভিন্ন শাকসবজির উপকারী গুণ সম্পর্কে জেনে নিই।



কেন নিয়মিত শাকসবজি খাবেন



এখন শীতকাল চলছে। বাজারে তাই প্রচুর শাকসবজি পাওয়া যাচ্ছে।বিশেষত লালশাক, পালং শাক,লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি,করোলা ইত্যাদি শাকসবজিতে বাজার এখন সয়লাব।  আমরা প্রায় প্রত্যেকেই প্রতিদিন কোন না কোন শাকসবজি খেয়ে থাকি।যদিও আমরা জানি না কোন শাকসবজির কোন উপকার। আজকের স্টোরিতে বিভিন্ন শাকসবজির উপকারী গুণ নিয়ে আলোচনা করব।



লালশাক


এখন শীতকাল তাই বাজারে প্রচুর লালশাক পাওয়া যাচ্ছে। অনেকেই লালশাক খেতে পছন্দ করেন। নিয়মিত লালশাক খেলে বেশকিছু উপকার পাওয়া যায়।লালশাক আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এই শাকটি শরীরের রক্তশূন্যতা দূর করে।এসব কিছুর বাইরে প্রতিদিন লালশাক খেলে আমাদের শরীরের বহুমাত্রিক উপকার হয়ে থাকে।



পালং শাক


বাংলাদেশে প্রচুর পালং শাক পাওয়া যায়। বছরের প্রায় সবসময়ই বাজারে পালং শাক পাওয়া যায়। নিয়মিত পালং শাক খেলে আমাদের শরীরের বহুমাত্রিক উপকার হয়।পালং শাক নিয়মিত খেলে বাতের ব্যথা,অষ্টিওপোরোসিস,মাইগ্ৰেন ইত্যাদি সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। পালং শাক স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়া পালং শাক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।



কলমি শাক


কলমি শাক আমাদের সবার কাছে পরিচিত এক শাক।এখন বাজারে উন্নত জাতের কলমি শাক পাওয়া যায়। খুবই সুস্বাদু এক খাবার এটি। নিয়মিত কলমি শাক খেলে হাড় মজবুত হয় । এছাড়া যারা কোষ্ঠকাঠিন্য ভোগছেন তাদের জন্য এই শাক খুব উপকারী। নিয়মিত কলমি শাক খেলে শরীরের দুর্বলতা কমে যায় এবং শরীরের শক্তি বাড়ে।




শিম



শিম এই সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সবজি।খুব সুস্বাদু এই সবজিটি শীতকালে বেশি পাওয়া যায়।শিম বিভিন্নভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। নিয়মিত শিম খেলে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায় এবং রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া নিয়মিত শিম খেলে ত্বকের আদ্রর্তা বজায় থাকে।




বাঁধাকপি



শীতকালীন সবজির মধ্যে বাঁধাকপি অন্যতম। খুবই সুস্বাদু এক সবজি বাঁধাকপি। বাঁধাকপি বি উপায়ে রান্না করা যায়। নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে হাড়ের ব্যথা কমে। এছাড়া বাঁধাকপি আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।যদিও এই সবজিটি অধিক পরিমাণে খেলে অনেকের হজমে সমস্যা করতে পারে।




ফুলকপি



ফুলকপি শীতকালীন সবজির মধ্যে অন্যতম।এই সবজিটি খুব সুস্বাদু এবং এটি বিভিন্নভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। নিয়মিত ফুলকপি খেলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে। এছাড়া নিয়মিত ফুলকপি খেলে শরীরে সহজে টিউমার বা ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে না।


লাউ



এই সময়ে বাজারে প্রচুর লাউ পাওয়া যায়। শীতকালীন লাউ বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়।এই সবজিটিতে পানির পরিমাণ বেশি থাকে এবং নিয়মিত এটি খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। নিয়মিত লাউ খেলে ব্লাডপ্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া লাউ আমাদের শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।



শালগম



শীতকালীন সবজির মধ্যে শালগম অন্যতম।শালগম সুস্বাদু এক সবজি। নিয়মিত শালগম খেলে শারীরের দুর্বলতা হ্রাস পায়। এছাড়া এই সবজিটি আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ সহায়ক।



গাজর



গাজর খুব সুস্বাদু এক সবজি। বাংলাদেশে শীতকালে প্রচুর গাজর পাওয়া যায়।এটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি গাজরের বহুমাত্রিক পুষ্টিগুণ রয়েছে।গাজর শরীরের শক্তি ও ওজন বাড়াতে সহায়তা করে।গাজর রক্ত পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।



পেঁপে


পেঁপে এই দেশের জনপ্রিয় এক সবজি।এই সবজিটি প্রায় সারাবছরজুড়েই পাওয়া যায়। বিপুল  বাণ্যিজিক চাহিদার পাশাপাশি পেঁপেতে রয়েছে ব্যাপক পুষ্টিগুণ। নিয়মিত পেঁপে খেলে ফ্যাটি লিভার সমস্যা দূর হয়।তাই যারা ফ্যাটি লিভার নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন তাদের জন্য পেঁপে এক গুরুত্বপূর্ণ সবজি। পেটের বিভিন্ন সমস্যায় পেঁপে উপকারী। পেঁপে হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে।



পুলিশের এসআই-নিরস্ত্র নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

                                                       


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বাংলাদেশ পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই নিরস্ত্র) পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিটি গত ৭ অক্টোবর প্রকাশিত হয়। আসুন দেখে নিই "এসআই নিরস্ত্র" পদে আবেদনের যোগ্যতা ও অন্যান্য তথ্যাবলি।



পদ : এসআই নিরস্ত্র


পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট


যোগ্যতা : অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম স্মাতক ডিগ্রি। এছাড়া কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।


শারীরিক যোগ্যতা : পুরুষ- (সকল কোটা) প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩৪ ইঞ্চি।


নারী - (সকল কোটা) প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। এছাড়া প্রার্থীদের ওজন উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।



বয়স : আবেদনের জন্য প্রার্থীদের বয়স ৮ অক্টোবর ২০২১ তারিখে ১৯ থেকে ২৭ বছর হতে হবে।তবে ২৫ মার্চ ২০২০ তারিখে যারা সর্বোচ্চ বয়সসীমা অতিক্রম করেছেন তারাও আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উল্লিখিত জন্মতারিখ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।


বেতন-ভাতা : সাফল্যজনকভাবে মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর ২০১৫ সালের জাতীয় বেতনস্কেলের দশম গ্ৰেড অনুযায়ী ১৬,০০০ - ৩৮,৬৪০ টাকা স্কেলে বেতন দেয়া হবে।

অন্যান্য সুবিধা : ট্রাফিক ভাতা, বিনামূল্যে পোশাক, ঝুঁকি ভাতা,স্বল্পমূল্যে রেশন ও চিকিৎসা সুবিধা। এছাড়াও থাকবে নিয়মানুযায়ী উচ্চপদে পদোন্নতিসহ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যাওয়ার সুযোগ।


আবেদনের তারিখ: ৮ অক্টোবর ২০২১ থেকে ৪ নভেম্বর ২০২১ 


আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট http://police.teletalk.com.bd)


সূত্র : ইওেফাক অনলাইন

সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশের যত চ্যালেঞ্জ

                                                              


এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের খেলা বেশ জমে উঠেছে বলা যায়।যদিও একটি খারাপ লাগা রয়েছে যে বাংলাদেশ সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে তুলনামূলকভাবে দুর্বল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে গেছে। এর ফলে বাংলাদেশের জন্য এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ কিছুটা কঠিন হয়ে গেল।এখন সেমি ফাইনালে যেতে হলে বাংলাদেশকে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে জিততে হবে। এছাড়া সেমিফাইনালে যেতে হলে এখন বাংলাদেশকে সম্ভবত বেশকিছু যদিকিন্তুর উপর নির্ভর করতে হবে।তবে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে এবার টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে কোন টিমই একক আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি (কিছুটা ব্যতিক্রম পাকিস্তান)।তবে এখনো বেশকিছু খেলা বাকি রয়েছে তাই এখনই চূড়ান্ত কিছু বলার সুযোগ নেই। আসুন  এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জগুলো দেখে নিই।


স্কোয়াড সিলেকশনে সতর্কতা



শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের হারের পেছনে বড় একটি কারণ ছিল ভুল স্কোয়াড নির্বাচন । এক্ষেত্রে আরো কিছুটা সচেতন হলে হয়তো বাংলাদেশ জিতে যেত।এর আগে প্রথম পর্বের প্রথম ম্যাচেও ভুল স্কোয়াড দেয়া হয়েছিল। বিশেষত বাংলাদেশের বোলার নির্বাচনের আগে আরো সতর্ক হওয়া উচিত।গত ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সোহান বা নাসুমের বদলে একজন ডানহাতি পেসার খেলালে ভালো হতো।এমনকি সেটি সম্ভব না হলে ইনফর্ম  শরিফুলকে স্কোয়াডে রাখা যেত। সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশকে বাকি ম্যাচগুলোর আগে স্কোয়াড নিয়ে আরো কিছুটা ভাবতে হবে।


শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাটিং ভালো হয়েছে


যদিও সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ শ্রীলংকার বিপক্ষে হেরে গেছে তবু একটি বিষয় ইতিবাচক ছিল যে বাংলাদেশ চমৎকার ব্যাটিং করেছে।এ থেকে বলা করা যায় বাংলাদেশ পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ব্যাটিং নিয়ে আশাবাদী হতে পারে। বিশেষত নাঈম শেখ এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে চমৎকার ব্যাটিং করছে। এছাড়া গত ম্যাচে মুশফিক যেভাবে শেষপর্যন্ত ব্যাটিং করেছে তাতে মনে হয়েছে সে বিশ্বকাপের উইকেট সম্পর্কে ধারণা পেয়ে গেছে। অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহও গত ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করেছে। এবং সুপার টুয়েলভের বাকি ম্যাচগুলোতে ভালো কিছু করতে হলে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ মিডলঅর্ডারকে অবশ্যই দায়িত্বশীল ব্যাটিং করতে হবে।



 ফিল্ডিংয়ে উন্নতি করতে হবে


এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরু থেকেই বাংলাদেশের প্লেয়ারদের ফিল্ডিং বাজে হচ্ছে।গত ম্যাচে অভিজ্ঞ লিটন দাস ফিল্ডিংয়ে দুটি হাফচান্সকে তালুবন্দি করতে পারেননি।অথচ অন্তত লিটন যদি একটি ক্যাচ ধরতে পারতেন তাহলে হয়তো শ্রীলঙ্কার পক্ষে এতো সহজে ম্যাচ জেতা সম্ভব হতো না। এবং এটি বিশ্বকাপের মঞ্চ এখানে সেকেন্ড চান্স নয় বরং হাফচান্সকে ফুলচান্সে পরিণত করার চেষ্টা প্লেয়ারদের মধ্যে থাকতে হবে।তাই সুপার টুয়েলভের বাকি ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশকে ফিল্ডিংয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।


অন্যটিমগুলোর স্কোয়াড বিশ্লেষণ করা উচিত


বাংলাদেশের উচিত স্কোয়াড দেয়ার আগে অন্যান্য টিমের স্কোয়াড নিয়ে কিছুটা আলোচনা করা। এবার কোন কোন টিম তিন পেসার নিয়ে খেলছে । এক্ষেত্রে ভারত , পাকিস্তানের উদাহরণ হাতের কাছে রয়েছে। আমাদের স্পেশালিষ্ট স্পিনার সাকিবের সাথে মাহমুদুল্লাহ,আফিফ প্রয়োজনে বল করতে পারে তাই এক্ষেত্রে আরেকজন স্পিনারের বদলে রুবেল বা শরিফুলকে সুযোগ দেয়া যায়। যদিও সবশেষে ধরে নিতে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট সেরা স্কোয়াড দিতে চায়।তবু বাকি ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশকে স্কোয়াড নির্বাচনের আগে অন্য টিমগুলোর স্কোয়াড নিয়েও ভাবা উচিত বলেই মনে হয়।কারণ বিশ্বকাপে সবটিমেই প্রচুর পাওয়ার হিটার রয়েছে এবং এরা ভালো বলকে প্রতিদিনই বিগশটে পরিণত করছে।


কোন টিমকে হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই


এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে সব টিমেই পাওয়ারহিটারদের ছড়াছড়ি। এছাড়া বিশ্বকাপ এলে বড় টিমগুলোর খেলার গতি বেড়ে যায়।আর এসব কিছু বিবেচনা করে বলা যায় যে সুপার টুয়েলভে কোন প্রতিপক্ষই দুর্বল নয় তাই বাংলাদেশের সামনে কোন টিমকে হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই। সেমিফাইনালে যেতে হলে বাংলাদেশকে ব্যাটিং , বোলিং ও ফিল্ডিং তিন ক্ষেএেই সেরাটা দিয়ে খেলতে হবে।


লিখেছেনঃ প্রভাকর চৌধুরী

ভারত-পাকিস্তান টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান

                                                                





প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ক্রিকেটে ভারত- পাকিস্তান ম্যাচ এখনো ব্যাপক আলোচিত বিষয়।সদ্যই শেষ হলো আরেকটি ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট লড়াই এবং এটিতে জয়ী হয়েছে পাকিস্তান। ধারণা করা হচ্ছে এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারো এই দুই দলের মধ্যে দেখা হতে পারে। ফুটবলে বার্সেলোনা-রিয়েল মাদ্রিদ কিংবা আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ম্যাচে ক্রিড়ামোদীদের মধ্যে যে উওেজনা এবং আগ্ৰহ দেখা যায় ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচেও একই চিত্র চোখে পড়ে। আসুন দেখে নিই ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি টিটুয়েন্টি লড়াইয়ের সর্বশেষ জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যান।


ভারত-পাকিস্তান টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান



ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই এক অন্যরকম উওেজনা।তবে বেশ কিছুদিন ধরে ভারত ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে।এর ফলে দুই দেশের মুখোমুখি লড়াই খুব বেশি দেখা যাচ্ছে না। এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেই ম্যাচে ভারতের ভরাডুবি হয়েছে বলা যায় কারণ পাকিস্তান ১০ উইকেটে জয়লাভ করেছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারো ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ দেখা যেতে পারে। উল্লেখ্য ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ইতিমধ্যে ৯টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে ৬টি ম্যাচে ভারত জয়ী হয়েছে এবং ২টি ম্যাচে পাকিস্তান জয়লাভ করেছে। এছাড়া ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। আসুন দেখে নিই ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি লড়াইয়ে কে কোন ম্যাচে জিতেছে এবং কোন ম্যাচে হেরেছে।



২০০৭ ডারবান


ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রথম টিটুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে ডারবানে এবং সেই ম্যাচটি ড্র হয়।



২০০৭ জোহানেসবার্গ


২০০৭ সালে জোহানেসবার্গে ভারত ও পাকিস্তান পরস্পরের মুখোমুখি হয় এবং তাতে ভারত ৫ রানে জয়ী হয়।


২০১২ কলম্বো


২০১২ সালে কলম্বোতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি টিটুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেইম্যাচে ভারত ৮ উইকেটে জয়লাভ করে।


২০১২ বেঙ্গালুরু


২০১২ সালে বেঙ্গালুরুতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি টিটুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেইম্যাচে পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী হয়।


২০১২ আহমেদাবাদ


২০১২ সালে আহমেদাবাদে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি টিটুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেইম্যাচে ভারত ১১ রানে জয়লাভ করে।



২০১৪ ঢাকা


২০১৪ সালে ঢাকায় একটি ভারত-পাকিস্তান টিটুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেইম্যাচে ভারত ৭ উইকেটে জয়ী হয়।


২০১৬ ঢাকা



ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ২০১৬ সালে ঢাকায় একটি টিটুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেটিতে  ভারত ৫ উইকেটে জয়লাভ করে।



২০১৬ কলকাতা


২০১৬ সালে কলকাতায় একটি ভারত-পাকিস্তান টিটুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেইম্যাচে ভারত ৬ উইকেটে জয় পায়।


২০২১ দুবাই


সর্বশেষ ভারত ও পাকিস্তান পরস্পরের মুখোমুখি হয় এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে এবং সেইম্যাচে পাকিস্তান ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে।



নতুন উচ্চতায় বোলার সাকিব

                                                                     



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসান নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন। টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সাকিব আল হাসান এখন সবচেয়ে বেশি(৪১উইকেট) উইকেটের মালিক।এর আগে এই রেকর্ডটি পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদির দখলে ছিল।এখন টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি সাকিব আল হাসান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিব এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। আসুন দেখে নিই টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেটশিকারি পাঁচ বোলারের পরিসংখ্যান।


টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেটশিকারি



টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি উইকেটের মালিক এখন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।যদিও বাংলাদেশ এখনো টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের স্বাদ পায়নি তবু সাকিব প্রতিটি টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপেই বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন। এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপেও সাকিবের স্পিন প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের বেশ ভোগাচ্ছে। এবং আমরা আশাবাদী সাকিব এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপকে আরো রঙিন করে তুলবেন। টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেটশিকারি পাঁচ বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।



সাকিব আল হাসান



আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেটশিকারি বোলার এখন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান (৪১উইকেট)। বাংলাদেশ এখনো টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে খুব বেশি সাফল্য পায়নি তবে বোলার সাকিব টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রায় প্রতি আসরেই সাফল্য পেয়েছেন। সাকিব আল হাসান ইতিমধ্যে ২৯ ম্যাচ খেলে ৪১টি উইকেট নিয়েছেন।




শহিদ আফ্রিদি


ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেটশিকারি দশ বোলারের অন্যতম পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি।আফ্রিদি ইতিমধ্যে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩৪ ম্যাচ খেলে ৩৯টি উইকেট শিকার করেছেন।




লাসিথ মালিঙ্গা



আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল বোলারদের অন্যতম এক নাম শ্রীলঙ্কার  সাবেক তারকা পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। লাসিথ মালিঙ্গা টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩১ ম্যাচ খেলে ৩৮টি উইকেট নিয়েছেন।




সাঈদ আজমল



আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের শীর্ষ দশ উইকেটশিকারি বোলারের একজন হচ্ছেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা স্পিনার সাঈদ আজমল।আজমল টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ২৩ ম্যাচ খেলে ৩৬টি উইকেট নিয়েছেন।


অজন্তা মেন্ডিস



আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক সফল বোলার শ্রীলঙ্কার অজন্তা মেন্ডিস। অজন্তা মেন্ডিস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ২১ ম্যাচ খেলে মোট ৩৫টি উইকেট শিকার করেন।


আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ডেসকার্টের অবসর

                                                                



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন নেদারল্যান্ডের তারকা অলরাউন্ডার রায়ান টেন ডেসকার্টে। এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ড প্রথম পর্বে খেলার সুযোগ পেলেও খুব বেশি কিছু করতে পারেনি। নিজেদের গ্ৰুপ পর্বের তিন ম্যাচেই দলটি হেরেছে।ডেসকার্টে দুই ম্যাচে খেলার সুযোগ পেলেও বলার মত কিছু করতে পারেননি। এবং এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডের শেষ ম্যাচের পর ডেসকার্টে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিজের অবসরের ঘোষণা দেন।



ডেসকার্টের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার


রায়ান টেন ডেসকার্টে নেদারল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা এক অলরাউন্ডার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই তারকা অলরাউন্ডারের বেশ সমৃদ্ধ রেকর্ড রয়েছে। আসুন ডেসকার্টের ক্যারিয়ার চিএ সম্পর্কে জেনে নিই।


ওয়ানডে ক্যারিয়ার


রায়ান টেন ডেসকার্টে ইতিমধ্যে ৩৩টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট রানসংখ্যা ৫টি সেঞ্চুরিসহ ১৫৪১। তাঁর ওয়ানডে ব্যাটিং গড় ৬৭ যা ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে হাজার রান করা ক্রিকেটারদের মধ্যে সেরা। এছাড়া ওয়ানডে ক্রিকেটে ডেসকার্টে তাঁর কার্যকর মিডিয়াম পেস দিয়ে ৫৫টি উইকেট নিয়েছেন।


টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার


রায়ান টেন ডেসকার্টে ইতিমধ্যে ২৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর রানসংখ্যা ৫৩৩। এবং আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ব্যাটিং স্টাইকরেট ১৩২.৯। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই তারকা অলরাউন্ডার ১৩টি উইকেট নিয়েছেন।


উল্লেখযোগ্য রেকর্ড


রায়ান টেন ডেসকার্টে নেদারল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসের এক অনন্য অলরাউন্ডার।ডেসকার্টের ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য একটি ইভেন্ট ছিল ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ যেখানে এই তারকা অলরাউন্ডার ২টি সেঞ্চুরি ও ১টি ফিফটি করেন এবং বল হাতে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন।ডেসকার্টে ২০১৯ সালে ডাচদের হয়ে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ব্যাট হাতে ৯ ম্যাচে ২৩৩ রান সংগ্রহ করেন যা তাঁর ক্যারিয়ারের এক অনন্য রেকর্ড।


অভিনন্দন সাকিব আল হাসান

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ যাহোক  কিছুটা সংশয় থাকলেও শেষপর্যন্ত বাংলাদেশ এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে পৌঁছতে পেরেছে।টিম-বাংলাদেশকে অভিনন্দন। সেইসাথে আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম শীর্ষ উইকেট শিকারি সাকিব আল হাসানকেও অভিনন্দন জানাচ্ছি। সাকিব আল হাসান এখন পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদির সাথে যৌথভাবে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বাধিক(৩৯ উইকেট) উইকেটশিকারি বোলার। এবং ক্রিকেটামোদীদের জন্য একটি বড় সুখবর হচ্ছে সাকিব আল হাসানকে আবারো পুরনো রূপে দেখা যাচ্ছে। এবার বাংলাদেশের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ সুপার টুয়েলভের  যাওয়ার ক্ষেএে সাকিব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।এ লেখায় অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান সম্পর্কে আলোচনা করছি।



অসাধারণ অলরাউন্ডার


শুধু বাংলাদেশ বললে ভুল হবে সাকিব আল হাসান ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্যে অন্যতম একজন।বিশেষত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সাকিব আল হাসান এক অনন্য অলরাউন্ডার। জিম্বাবুয়ের সাবেক গ্ৰেট অলরাউন্ডার গ্ৰেন্ট ফ্লাওয়ার , শ্রীলঙ্কার সাবেক অলরাউন্ডার জয়সুরিয়ার পর ক্রিকেটে সাকিবের মত অনন্য বাঁহাতি অলরাউন্ডার আর নেই বললেই চলে। ক্রিকেটে সাকিবের মত বল এবং ব্যাট হাতে  সমান সফলতা খুব কম বাঁহাতি ক্রিকেটারই দেখিয়েছেন।



দারুণ এক স্পিনার


বলে খুব বেশি টার্ন না থাকলেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে উইকেটটেকিং স্পিনার হিসেবে সাকিব আল হাসান এই মুহূর্তে বিশ্বের এক সেরা বোলার।যেকোন উইকেটে নিজের বুদ্ধিদীপ্ত স্পিন দিয়ে উইকেট নেয়ার সামর্থ্য রয়েছে সাকিবের মধ্যে। এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট বাংলাদেশের জন্য অপরিচিত।এমন উইকেটে তবু সাকিবের বোলিং প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের বিব্রত করছে।এটি সাকিব আল হাসানের বোলিংয়ের অনন্য বৈশিষ্ট্য। 


চমৎকার এক ব্যাটসম্যান

ক্রিকেটে সোজা ব্যাটে খেলা খুব সহজ কাজ নয় যদিও ব্যাটসম্যানদের সফলতা লাভ করতে হলে সোজা ব্যাটে খেলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাকিব টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এই সময়ে এসেও চমৎকার সোজা ব্যাটে ব্যাটিং করছেন এবং রান করছেন যা এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপেও সাকিবের ব্যাট সমানতালে রান করে যাচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো যেকোন উইকেটে রান করার এক অবিশ্বাস্য দক্ষতা সাকিবের মধ্যে রয়েছে।



ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা বোলার


ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে বেশকজন বোলার অসাধারণ সফলতা দেখিয়েছেন এবং এদের মধ্যে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান, পাকিস্তানের শাহিদ আফ্রিদি, শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা প্রমুখ অন্যতম। আসুন দেখে নিই ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেটশিকারের দিক থেকে তিন সেরা বোলারের পরিসংখ্যান।



সাকিব আল হাসান

সাকিব আল হাসান ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই মুহূর্তে সর্বাধিক উইকেটের মালিক।এই তারকা অলরাউন্ডার ইতিমধ্যে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ২৮ ম্যাচ খেলে ৩৯টি উইকেট নিয়েছেন।


শহিদ আফ্রিদি


আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি উইকেটশিকারি অন্যতম বোলার পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি।আফ্রিদি টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩৪ ম্যাচ খেলে ৩৯টি উইকেট নিয়েছেন।



লাসিথ মালিঙ্গা


আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেটশিকারি অন্যতম বোলার শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা। মালিঙ্গা টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩২ ম্যাচ খেলে ৩৮টি উইকেট নেন।



এমসিসির আজীবন সদস্য হলেন যারা

                                                                



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এমসিসির আজীবন সদস্য হিসেবে বিভিন্ন দেশের ১৮ জন সাবেক  ক্রিকেটারকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের সাবেক তারকা ক্রিকেটারদের বেছে নেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য বাংলাদেশের বর্তমান স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথও এবার এমসিসির আজীবন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।আসুন দেখে নিই এবার কোন ১৮ জন সাবেক ক্রিকেটার এমসিসির আজীবন সদস্য হলেন।



এমসিসির ২০২১ আজীবন সদস্য


এমসিসির এবারের আজীবন সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলুড়ে ১২টি দেশের ৮টি থেকে মোট ১৮ জনকে নির্বাচিত করা হয়।যেসব দেশ থেকে এবার এমসিসির আজীবন সদস্য নির্বাচন করা হয়েছে সেগুলো হলো ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা,ভারত,ওয়েষ্ট ইন্ডিজ,অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে।



ইংল্যান্ড 

এমসিসির এবারের আজীবন সদস্য হিসেবে ইংল্যান্ডের তিন সাবেক ক্রিকেটারকে নির্বাচিত করা হয় এবং তারা হলেন আলিস্টার কুক,মার্কাস ট্রেসকোথিক ও ইয়ান বেল। এছাড়া তারকা ইংলিশ নারী ক্রিকেটার সারাহ টেইলর এমসিসির আজীবন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।


দক্ষিণ আফ্রিকা


এবার দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এমসিসির আজীবন সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে হার্সেল গিবসন,জ্যাক ক্যালিস,হাসিম আমলা ও মরনে মরকেল।



শ্রীলঙ্কা 


শ্রীলঙ্কা থেকে এবার এমসিসির আজীবন সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক তারকা স্পিনার ও বাংলাদেশের বর্তমান স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথ।


অষ্ট্রেলিয়া


অষ্ট্রেলিয়া থেকে এবার এমসিসির আজীবন সদস্য  নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক তারকা ক্রিকেটার ডেমিয়েন মার্টিন ও  অসি নারী ক্রিকেটার আলেক্স ব্ল্যাকওয়েল।


ভারত


ভারত থেকে এবার আইসিসির আজীবন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন  যথাক্রমে সাবেক দুই তারকা বোলার জাভাগাল শ্রীনাথ ও হরভজন সিং।


ওয়েস্ট ইন্ডিজ


ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে এবার এমসিসির আজীবন সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক তিন তারকা ক্রিকেটার- ঈয়ান বিশপ, শিবনারায়ণ চন্দরপল ও রামনরেশ সারওয়ান।



নিউজিল্যান্ড


নিউজিল্যান্ড থেকে এমসিসির আজীবন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন নারী ক্রিকেটার সারা ম্যাকগ্ল্যাশন।



জিম্বাবুয়ে 


জিম্বাবুয়ে থেকে এবার এমসিসির আজীবন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক তারকা ব্যাটার গ্ৰ্যান্ট ফ্লাওয়ার।


২০২১ আইপিএলের সেরা পারফরমার

                                                                



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃসদ্য সমাপ্ত ২০২১ আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এম এস ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। এবারের পুরো আইপিএল জুড়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে শিরোপা জিতে নেয় ধোনির চেন্নাই।তবে এর বাইরে এবারের আইপিএলে ব্যাটবলের লড়াইয়ে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দেন বেশকিছু তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।ব্যাট হাতে পুরো আইপিএল জুড়ে এবার অসাধারণ পারফরম্যান্স উপহার দেন চেন্নাইয়ের ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড (সর্বোচ্চ রান)। এছাড়া বল হাতে এবার সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়ে আলোচিত হন পাঞ্জাবের পেসার হার্শাল প্যাটেল। আসুন দেখে নিই ২০২১ আইপিএলের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান।


সেরা পাঁচ ব্যাটার(ব্যাটসম্যান)


এবারের আইপিএলে যদিও করোনার কারণে কিছু ছন্দপতন ঘটেছে তবু শেষমেশ ব্যাটবলের লড়াইয়ে খুব বেশি কমতি ছিল না।২০২১ আইপিএলের সেরা পাঁচ ব্যাটারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


ঋতুরাজ গায়কোয়াড


সদ্য সমাপ্ত আইপিএলে সর্বাধিক রান সংগ্রহ করেন চেন্নাইয়ের তরুণ ব্যাটার ঋতুরাজ গায়কোয়াড। চেন্নাইয়ের আইপিএল শিরোপা জয়ে এই তরুণ ওপেনার দারুণ ভূমিকা পালন করেন।গায়কোয়াড মোট ১৬ ম্যাচ খেলে ৬৩৫ রান করেন।


ফাফ ডু প্লেসিস


এবারের আইপিএলে সেরা পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে হলেন চেন্নাইয়ের ফাফ ডু প্লেসিস(১৬ম্যাচে ৬৩৩ রান)।এই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান এবারের আইপিএলের শুরু থেকেই চমৎকার ব্যাটিং করেন। ফাইনালেও চেন্নাইয়ের হয়ে একটি অসাধারণ ইনিংস উপহার দেন এই স্টাইলিশ ব্যাটার।


কে এল রাহুল


যদিও তাঁর টিম পাঞ্জাব শেষপর্যন্ত ফাইনালে যেতে ব্যর্থ হয় তবু ব্যাট হাতে পুরো আইপিএল জুড়ে কে এল রাহুল অসাধারণ ব্যাটিং করেন।কে এল রাহুল এবারের আইপিএলে ১৩ ম্যাচ খেলে ৬২৬ রান সংগ্রহ করেন।ধারণা করা হয় যদি তাঁর টিম ফাইনাল পর্যন্ত যেত তাহলে নিশ্চয় কে এল রাহুলের রান আরো বেশি হতো।



শিকর ধাওয়ান



যদিও এবার ভারতের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা হয়নি শিকর ধাওয়ানের তবু এবারের আইপিএলে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন দিল্লির শিকর ধাওয়ান। ধাওয়ান এবারের আইপিএলে  ১৬ ম্যাচ খেলে মোট ৫৮৭ রান সংগ্রহ করেন।


গ্লেন ম্যাক্সওয়েল


গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবার রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে অসাধারণ ব্যাটিং করেন।এই মারকুটে ব্যাটসম্যান এবারের আইপিএলে  ১৫ ম্যাচ খেলে মোট ৫১৩ রান সংগ্রহ করেন।




সেরা পাঁচ বোলার




এবারের আইপিএলে বল হাতে অভিজ্ঞ বোলারদের পাশাপাশি বেশকিছু তরুণ বোলার সফলতা পেয়েছেন। এক্ষেত্রে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হার্শাল প্যাটেলের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এবারের আইপিএলে ছন্দপতন ঘটলেও নিজের বোলিংয়ের ধার ধরে রাখতে সমর্থ হন হার্শাল প্যাটেল। দেখে নিন ২০২১ আইপিএলের সেরা পাঁচ বোলারের পরিসংখ্যান।



হার্শাল প্যাটেল


এবারের আইপিএলে সর্বাধিক উইকেট নেন রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর পেসার হার্শাল প্যাটেল।এই তরুণ পেসার ১৫ ম্যাচ খেলে মোট ৩২টি উইকেট নেন।


আভিস খান


দিল্লির আভিস খান এবারের আইপিএলে বল হাতে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দেন।এই তরুণ বোলার ১৬ ম্যাচ খেলে ২৪টি উইকেট নেন।



জাসপ্রিত বুমরা


এবারের আইপিএলে যদিও তাঁর টিম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ফাইনালে পৌঁছতে পারেনি তবু বল হাতে যথারীতি সফল ছিলেন জাসপ্রিত বুমরা।এই তারকা পেসার ১৪ ম্যাচ খেলে ২১টি উইকেট নেন।



শার্দুল ঠাকুর



এবারের আইপিএলের সেরা পাঁচ বোলারের তালিকার অন্যতম নাম চেন্নাইয়ের পেসার শার্দুল ঠাকুর। এবার চেন্নাইয়ের শিরোপা জয়ে শার্দুল ঠাকুর দারুণ ভূমিকা পালন করেন।শার্দুল ঠাকুর ১৬ ম্যাচ খেলে ২১টি উইকেট নেন।



মোহাম্মদ শামি



পাঞ্জাব কিংস শেষপর্যন্ত এবারের আইপিএলে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি তবু ইনডিভিজুয়াল পারফরম্যান্স বিবেচনায় পাঞ্জাবের পেসার মোহাম্মদ শামি সফল ছিলেন।এই তারকা পেসার ২০২১ আইপিএলে ১৪ ম্যাচ খেলে মোট ১৯টি উইকেট নেন।



কোন পেসাররা টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ মাতাবেন

                                                                  



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এখনো যতটুকু খেলা হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট কিছুটা ধীর ও ফ্ল্যাট ।এই ধরণের উইকেট পেসারদের জন্য কিছুটা কঠিন। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো এ ধরণের উইকেটে বল করার সময় পেসারদের যথেষ্ট বিচক্ষণ হতে হয়। এখানে পেসারদের লাইন,লেংথ ,গতির মধ্যে বৈচিত্র্য রেখে  বল করতে হয়।তবে একথাও মনে রাখতে হবে এটি টিটুয়েন্টি ক্রিকেট  এখানে ভালো বলও যেকোন সময় বিগশটে পরিণত হতে পারে । সুতরাং সবকিছু বিবেচনায় এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট পেসারদের জন্য খুব বেশি যে সুখকর হবে তা কিন্তু বলা যাবে না। আসুন  কারা হবেন এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ পেসার তার একটি চিএ দেখে নিই।


কাগিছো রাবাদা 


এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট কিছুটা ধীর গতির।এ ধরণের উইকেটে সেইসব পেসাররা সাধারণত ভালো করে থাকেন যাদের বলে গতির সাথে ভেরিয়েশন রয়েছে। এবং এদিক থেকে বিবেচনা করলে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার রাবাদা ( ৩৫ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৪১উইকেট) এবার দারুণ কিছু করবেন বলে ধারণা করা যায়। উল্লেখ্য সদ্য শেষ হওয়া আইপিএলেও চমৎকার সফলতা পেয়েছেন এই পেসার।


জাসপ্রিত বুমরা


সদ্য সমাপ্ত আইপিএলে দারুণ বোলিং করেছেন জাসপ্রিত বুমরা (৫০ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৫৯উইকেট)। এবং এবারের আইপিএলের ভেন্যুতেই টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের খেলা হবে। সুতরাং সহজাত গতির সাথে সুইং ও ভেরিয়েশন দিয়ে এবার ঝড় তুলতে পারেন বুমরা।


ট্রেন্ট বোল্ট


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা পেসারদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট ( ৩৪ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৪৬ উইকেটধারী)অন্যতম নাম।সদ্য সমাপ্ত আইপিএলে অসাধারণ বোলিং করেছেন বোল্ট। সুতরাং টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট সম্পর্কে তাঁর ভালো ধারণা রয়েছে একথা বলাই যায়। এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ট্রেন্ট বোল্ট দারুণ কিছু করবেন বলে আমাদের ধারণা।


মোস্তাফিজুর রহমান


এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে আলো ছড়াতে পারেন বাংলাদেশের কাটারমাষ্টার মোস্তাফিজুর রহমান (৫৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৭৮ উইকেটধারী)।তবে এক্ষেত্রে একটি সংশয় রয়েছে যে বাংলাদেশ যদি শেষপর্যন্ত টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার সুযোগ না পায় তাহলে মোস্তাফিজুর রহমানকে আর এবার পুরোপুরি দেখা যাবে না।


মোহাম্মদ শামি 


এই সময়ের  ক্রিকেটের সবচেয়ে বুদ্ধিমান পেসারদের মধ্যে ভারতের মোহাম্মদ শামি(১২ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ১২ উইকেটধারী)  অন্যতম। বিশেষত উইকেট বুঝে বল করার ক্ষেত্রে শামি এক বিশ্বসেরা পেস বোলার।সদ্য সমাপ্ত আইপিএলে বেশ ভালো বোলিং করেছেন এই তারকা পেসার। সুতরাং এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে শামি চমৎকার বোলিং করবেন বলে আমাদের ধারণা।


 শাহিন শাহ আফ্রিদি


এই সময়ের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সফল পেসারদের মধ্যে পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি(৩০ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৩২ উইকেটধারী)  অন্যতম। এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট বিবেচনা করলে বলা যায় এই পেসার এবার সাফল্য পেতে পারেন।


মিশেল স্ট্রার্ক 


অষ্ট্রেলিয়া এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম টপ ফেবারিট টিম। এবং অষ্ট্রেলিয়ার এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ মিশনের অন্যতম সেরা প্লেয়ার মিশেল স্ট্রার্ক ( ৪১ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৫১ উইকেটধারী)। এই অভিজ্ঞ পেসার তাঁর সহজাত গতি ও সুইং দিয়ে এবার টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ কিছু করবেন বলে আমাদের ধারণা।


লোঙ্গি এনগিদি


এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ও শিরোপাপ্রত্যাশী টিম দক্ষিণ আফ্রিকা।এই টিমে দারুণ সব টিটুয়েন্টি প্লেয়ার রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ মিশনের অন্যতম সেরা প্লেয়ার লোঙ্গি এনগিদি (২৩ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৩৬ উইকেটধারী)।বিশেষত ব্রেকথ্রো পেসার হিসেবে এনগিদি এক চমৎকার বোলার। এছাড়া তাঁর বলে ভেরিয়েশন রয়েছে যা এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে তাকে আরো বেশি সহায়তা করবে বলে আমাদের ধারণা। এছাড়া এবার আইপিএল খেলার সুবাদে তাঁর কাছে বিশ্বকাপের উইকেটগুলো পরিচিত।


কাইল জেমিসন

যদিও এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট পেস সহায়ক নয় তবু নিখুঁত গতির পেসারদের জন্য তা সুবিধাজনক হতে পারে। এক্ষেত্রে এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ পেসার হিসেবে নিউজিল্যান্ডের  কাইল জেমিসনের (৮ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৪ উইকেটধারী) নামটি বলতে হচ্ছে।বিশেষত এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে এই দীর্ঘদেহী পেসারের বাউন্স , ভেরিয়েশন ও গতি প্রতিপক্ষ টিমগুলোর জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠতে পারে।


শেলডন কটরেল


এবারের ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ও শিরোপাপ্রত্যাশী টিম ওয়েষ্ট ইন্ডিজ। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বরাবরই সফল এক টিম। এবারের উইন্ডিজ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে দারুণ কিছু পেসার রয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার শেলডন কটরেল (৩৪ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৪২ উইকেটধারী) এবার টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে আলো ছড়াতে পারেন।যেহেতু টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট এবার স্লো তাই এখানে গতির সাথে সুইং থাকলে পেসাররা সফলতা পাবেন। এক্ষেত্রে শেলডন কটরেল এবার টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ কিছু করবেন বলে আমাদের ধারণা।


অভিনন্দন মেহেদী হাসান

                                                                  




প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বাংলাদেশের আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ হার দিয়ে শুরু হলো।তবে দলের পরাজয়ের দিনে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন তরুণ স্পিনার মেহেদী হাসান।এই স্পিনার নিজের প্রথম টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচে তাঁর ঘূর্ণিজাদু দিয়ে ৩টি উইকেট তুলে নেন (৩/১৯)। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো  মেহেদী হাসান ভালো বোলিং না করলে বাংলাদেশ হয়তো আরো বড় ব্যবধানে হারতো। নিজের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে দারুণ বোলিংয়ের জন্য মেহেদী হাসানকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আসুন দেখে নিই প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের হারের কারণগুলো।




প্রথম ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং ভুল ছিল


বাংলাদেশের এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হারের পেছনে বেশকিছু ভুল সিদ্ধান্ত চোখে পড়েছে। বাংলাদেশ এবার তারুণ্যনির্ভর টিম নিয়ে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে গেছে তাই প্রথম ম্যাচে নতুন কন্ডিশনে টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেয়া ভুল ছিল। বরং পরে ফিল্ডিং করলে বাংলাদেশের জন্য বেশি সুবিধা হতো।



সৌম্য নয় নাঈমকে ওপেনিংয়ে নেয়া উচিত ছিল


এই ম্যাচে বাংলাদেশের হারের পেছনে ওপেনিংয়ের ব্যর্থতা একটি বড় কারণ ছিল। বিশ্বকাপের আগে প্রায় সব টিটুয়েন্টি ম্যাচে লিটন-নাঈম ওপেনিংয়ে ভালো খেলেছে কিন্তু এখানে দেখা গেল নাঈমের বদলে সৌম্যকে নেয়া হয়েছে।এই কন্ডিশনে সৌম্য সরকারের চেয়ে নাঈমই ব্যাটার ছিল। এক্ষেত্রে টিম ম্যানেজমেন্টের আরো সচেতন হওয়া উচিত ছিল।


তাসকিন নাকি শরিফুল/রুবেল


আমার কাছে মনে হয়েছে এই কন্ডিশনে তাসকিনের চেয়ে শরিফুল বা রুবেল হোসেন ভালো অপশন ছিল।যদিও কালকের ম্যাচে বাংলাদেশের পেস অ্যাটাকে তাসকিনকে নেয়া হয়েছে।এটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।কারণ এই উইকেটে গতিনির্ভর পেসারদের চেয়ে সুইংনির্ভর পেসাররা বেশি ভালো করতে পারবে। এছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে গতিনির্ভর পেসারদের বলে যথেষ্ট কন্ট্রোল না থাকলে তাছাড়া কন্ডিশন পেস সহায়ক না হলে এদের চেয়ে সুইংবোলার একাদশে নেয়া বেশি যুক্তিযুক্ত। এক্ষেত্রে টাইগার ম্যানেজমেন্ট ভুল করেছে।


বাজে ফিল্ডিং


বলা হয় ক্রিকেটে ক্যাচ মিস মানে ম্যাস মিস।আর টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ক্যাচ মিস মানেই ম্যাচ আরো জটিল হয়ে যাওয়া। তাছাড়া টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের মত বড় আসরে ক্যাচ মিস করলে টিমের আত্মবিশ্বাসে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশংকা থাকে। বাংলাদেশের বোলিংয়ের প্রথমদিকে সাকিবের বলে তাসকিন আহমেদ একটি ক্যাচ মিস করেছে অথচ আরো কিছুটা সচেতন হলে এটি ক্যাচ হতে পারতো। এছাড়াও বাংলাদেশের ফিল্ডিংয়ে আরো কিছু ভুল চোখে পড়েছে যা দৃষ্টিকটু ছিল। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আরো উন্নতি করতে হবে।








বিশ্বকাপের আগে টিমগুলোর টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ অবশেষে সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত লড়াইয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়েছে। এবং এর অংশ হিসেবে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু,ম্যাচসূচি ইত্যাদিও চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া টিমগুলো তাদের বিশ্বকাপ স্কোয়াড নিয়ে চূড়ান্ত লড়াইয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশ্বকাপের আগে টিমগুলোর টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান, জয়-পরাজয়ের হিসেবনিকেশ ইত্যাদি এখানে তুলে ধরছি।


বাংলাদেশ

বাংলাদেশ এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী টিম। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ১১২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে ৪১ ম্যাচে জয় ও ৬৯টি ম্যাচে হার রয়েছে। এছাড়া দুটি ম্যাচে ফল আসেনি।


ভারত

ভারত এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে শক্তিশালী টিমগুলোর একটি। ভারত ইতিমধ্যে ১৪৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ভারত ৮৯টি ম্যাচে জিতেছে এবং ৪৯টি ম্যাচে হেরেছে এছাড়া ৮টি ম্যাচে ফল আসেনি।


ইংল্যান্ড


ইংল্যান্ড এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে হট ফেভারিট টিমগুলোর একটি। ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ইতিহাস দেখলে দেখা যায় দলটি ১৩৭টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে ৭১ জয় ও ৫৯ পরাজয় রয়েছে। এছাড়া ৭টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি।


অষ্ট্রেলিয়া


অষ্ট্রেলিয়া এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী টিম।অষ্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যে ১৪৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে ৭৩ জয় ও ৬৮ ম্যাচে হার রয়েছে। এছাড়া ৫টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি।


দক্ষিণ আফ্রিকা


এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম হটফেবারিট টিম দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকা ইতিমধ্যে ১৪২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে তাঁরা ৮১টি ম্যাচে জয় পেয়েছে এবং ৫৯টি ম্যাচে হেরেছে। এছাড়া ২টি ম্যাচে ফল আসেনি।



ওয়েস্ট ইন্ডিজ


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় টিম ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাদের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের নজির রয়েছে।এই দলটি ইতিমধ্যে ১৪৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে তাঁরা ৬২টি ম্যাচে জয় ও ৭০টি ম্যাচে হেরেছে। এছাড়া ১২টি ম্যাচ ফল নিষ্পত্তি হয়নি।


পাকিস্তান


পাকিস্তান এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম হটফেবারিট টিম। পাকিস্তান ইতিমধ্যে ১৭৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে তাঁরা ১০৬টি ম্যাচে জয় ও ৬৩টিতে পরাজিত হয়েছে। এছাড়া ৮টি ম্যাচে ফল আসেনি।


নিউজিল্যান্ড


নিউজিল্যান্ড বরাবরের মত এবারও টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম হটফেবারিট টিম। এই দলটি ইতিমধ্যে ১৫০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে ৭৩ জয় ও ৬৫ম্যাচে পরাজয় রয়েছে।


আফগানিস্তান


আফগানিস্তান এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ফেবারিট হিসেবে খেলবে কারণ তাদের আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি রেকর্ড খুবই ভালো। এই দলটি ইতিমধ্যে ৮৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে ৫৮ম্যাচে জয় ও ২৫টি ম্যাচে হার রয়েছে। এছাড়া ১টি ম্যাচে ফল আসেনি।



শ্রীলঙ্কা


শ্রীলঙ্কা এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট বিবেচনায় অন্যতম ফেবারিট টিম হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে।এ দলটি ইতিমধ্যে ১৪০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে তাঁরা ৬২টি ম্যাচে জয় পেয়েছে ও ৭৪টি ম্যাচে পরাজয় বরণ করেছে। এছাড়া ৪টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি।


আয়ারল্যান্ড


আয়ারল্যান্ড বর্তমান আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে শক্তিশালী টিম হিসেবে স্বীকৃত।আইরিশরা ইতিমধ্যে ১০৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪৫টি ম্যাচে জয় ও ৫৫টি ম্যাচে হেরেছে। এছাড়া ৯টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি।


স্কটল্যান্ড



স্কটল্যান্ড এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট টিম। স্কটল্যান্ড ইতিমধ্যে ৭০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে তাঁরা ৩১টি ম্যাচে জয় পেয়েছে এবং ৩৫টিতে পরাজিত হয়েছে। এছাড়া ৪টি ম্যাচে ফল আসেনি।


ওমান


ওমান এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশ। ওমান ইতিমধ্যে ৩৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে তাঁরা ১৬জয় ও ১৯টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে। এছাড়া ১টি ম্যাচে ফল আসেনি।


নেদারল্যান্ড



নেদারল্যান্ড ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৮০টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে ৪১ ম্যাচে জয় ও ৩৪টিতে পরাজয় রয়েছে। এছাড়া ৫টি ম্যাচে ফল আসেনি।



পাপুয়া নিউগিনি


পাপুয়া নিউগিনি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে তুলনামূলকভাবে নবীন দল।এই দলটি ইতিমধ্যে ২৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে তাঁরা ১৭টি ম্যাচে জয় পেয়েছে এবং ১০টিতে হেরেছে। এছাড়া ১টি ম্যাচে ফল আসেনি।


নামিবিয়া


নাবিবিয়াও আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে তুলনামূলকভাবে নবীন দল।এই দলটি ইতিমধ্যে ২২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৮টি ম্যাচে জয় পেয়েছে এবং ৪টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে।




টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচসূচি

                                                                







প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ ১৭ অক্টোবর অর্থাৎ আগামীকাল মাঠে গড়াতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সবগুলো টিম টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার জন্য নির্ধারিত ভেন্যুতে পৌঁছে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে। বাংলাদেশ টিম ইতিমধ্যে  প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে নিজেদের প্রস্তুতি সেড়ে নিচ্ছে। এবার চূড়ান্ত লড়াইয়ে মাঠে নামার পালা। উল্লেখ্য এবারের আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশ ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। আসুন দেখে নিই ২০২১ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচসূচি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান।


টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ব্যাটার


আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর। আসুন দেখে নিই ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রানকারী ব্যাটারদের পরিসংখ্যান।

১. মাহেলা জয়াবর্ধনে (শ্রীলঙ্কা)- ৩১ ম্যাচে -১০১৬ রান।

২.ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)- ২৮ ম্যাচ - ৯২০ রান।

৩.তিলকেরত্নে দিলসান (শ্রীলঙ্কা) -৩৫ ম্যাচ - ৮৯৭ রান।

৪.বিরাট কোহলি (ভারত)- ১৬ ম্যাচ - ৭৭৭ রান।

৫.এবি ডিভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা) -৩০ ম্যাচ-৭১৭ রান।




টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা বোলার


আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন এমন পাঁচ বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

১.সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ) -২৮ ম্যাচ-৩৯ উইকেট।

২.শাহিদ আফ্রিদি (পাকিস্তান) -৩৪ ম্যাচ - ৩৯ উইকেট।

৩.লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা) -৩১ ম্যাচ -৩৮ উইকেট।

৪.সাঈদ আজমল (পাকিস্তান) -২৩ ম্যাচ -৩৬ উইকেট।

৫.অজন্তা মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা)- ২১ ম্যাচ -৩৫ উইকেট।




আইপিএল জিতল চেন্নাই সুপার কিংস

                                                             

  


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ অবশেষে এবারের আইপিএলের ফাইনালে জয়লাভ করে শিরোপা জিতে নিল চেন্নাই সুপার কিংস। কেকেআরের বিপক্ষে ফাইনালে প্রায় একক আধিপত্য বিস্তার করে চেন্নাই আইপিএলের শিরোপা জিতে নিল। চেন্নাই ফাইনালে  ব্যাটে বলে  স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয়লাভ  করে। আইপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। উল্লেখ্য চেন্নাই সুপার কিংস এর আগে ২০১০,২০১১ ও ২০১৮ সালেও আইপিএল শিরোপা জিতেছিল।


চেন্নাই সুপার কিংসের এবারের আইপিএল রেকর্ড


চেন্নাই সুপার কিংস প্রতি আইপিএলের মত এবারও অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে তাদের যাএা শুরু করে। এবারের আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে চেন্নাই সুপার কিংস মোট ১৬টি ম্যাচ খেলেছে যেখানে ১১ ম্যাচে দলটি জয় পেয়েছে এবং ৫টিতে হেরেছে।চেন্নাই সুপার কিংসের সাফল্যে এবার  ব্যাটার ঋতুরাজ গায়কোয়াড,ফাফ ডু প্লেসিস, শার্দুল ঠাকুর, রবীন্দ্র জাদেজার মত তারকারা মূল ভূমিকা পালন করেছেন। এবারের আইপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ব্যাটারের তালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় সেরা ব্যাটার (ঋতুরাজ গায়কোয়াড ও ফাফ ডু প্লেসিস) দু'জনই চেন্নাইয়ের।এসব কিছুর সাথে অধিনায়ক ধোনি চেন্নাইয়ের সাফল্যের অন্যতম নায়ক ছিলেন।


এবারের আইপিএলে চেন্নাইয়ের সেরা পারফরমার


এবারের আইপিএলে চেন্নাইয়ের ব্যাটার ও বোলারদের সার্বিক পারফরম্যান্স দারুণ ছিল। বিশেষত চেন্নাইয়ের ব্যাটার ঋতুরাজ গায়কোয়াড ও ফাফ ডু প্লেসিস এবারের পুরো আইপিএল জুড়ে অসাধারণ ব্যাটিং করেছেন। সেইসাথে মঈন আলী, রবীন্দ্র জাদেজা,সুরেশ রায়না,ধোনি এবং ব্রাভোও এবারের চেন্নাইয়ের হয়ে দারুণ ব্যাটিং করেছেন। এছাড়া এবারের পুরো আইপিএল জুড়ে বল হাতে চেন্নাইয়ের শার্দুল ঠাকুর, রবীন্দ্র জাদেজা,দীপক চাহার,হার্জেলউড,সাম কারেনের পারফরম্যান্স নজরকাড়া ছিল। আসুন দেখে নিই এবারের আইপিএলে চেন্নাইয়ের পাঁচ সেরা পারফরমারের পরিসংখ্যান।

চেন্নাইয়ের সেরা পাঁচ ব্যাটার


১.ঋতুরাজ গায়কোয়াড - ১৬ ম্যাচ- ৬৩৫ রান।

২.ফাফ ডু প্লেসিস - ১৬ ম্যাচ - ৬৩৩ রান।

৩.মঈন আলী  - ১৫ ম্যাচ - ৩৫৭ রান।

৪.আমবাতি রাইডু - ১৬ ম্যাচ - ২৫৭ রান।

৫.রবীন্দ্র জাদেজা -১৬ ম্যাচ - ২২৭ রান।


চেন্নাইয়ের সেরা পাঁচ বোলার


১.শার্দুল ঠাকুর -১৬ ম্যাচ-২১ উইকেট।

২.ডোয়াইন ব্রাভো -১১ ম্যাচ- ১৪ উইকেট।

৩.দীপক চাহার      - ১৫ ম্যাচ - ১৪ উইকেট।

৪.রবীন্দ্র জাদেজা -১৬ ম্যাচ -১৩ উইকেট।

৫.হার্জেলউড - ৯ ম্যাচ - ১১ উইকেট।

আইপিএল ফাইনালে কে জিতবে

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ অবশেষে সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবারের আইপিএলের দুই  ফাইনালিস্ট চূড়ান্ত হয়েছে। এবারের আইপিএলের ফাইনালে শিরোপার জন্য চূড়ান্ত লড়াইয়ে মাঠে নামবে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও চেন্নাই সুপার কিংস।এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে আইপিএলের ফাইনালে কোন টিম জিতবে।তবে এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া সহজ কাজ নয় কারণ আইপিএলের মত চরম উত্তেজনাপূর্ণ টুর্নামেন্টে প্রতিটি ম্যাচই ফাইনালের মত। তাছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেট এমনিতেই চরম অনিশ্চয়তায় ভরা। তাই আইপিএলের ফাইনালে কে জিতবে তা আগাম বলার উপায় নেই। আসুন দেখে নিই আইপিএলের ফাইনালে দু'দলের শক্তি ,সম্ভাবনা ইত্যাদির হিসেবনিকেশ।



দুই দলের আইপিএল রেকর্ড


আইপিএলের বিগত আসরগুলোর রেকর্ড বিবেচনায় এবারের দুই ফাইনালিস্ট দলেরই একাধিক শিরোপা জয়ের রেকর্ড রয়েছে। এবং সেই হিসেবে বলা যায় এবারের আসরের দুই দলের সম্ভাবনা প্রায় সমান।কেকেআর আইপিএলের প্রায় প্রতিটি আসরেই শিরোপা প্রত্যাশী হিসেবে খেলে।ফলে কেকেআরের প্রতি দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্ৰহ দেখা যায়। এদিকে চেন্নাই সুপার কিংস আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দলগুলোর একটি। এবারের আসরেও চেন্নাই নিজেদের সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে ফাইনালে উঠেছে।ফলে আইপিএল ফাইনালে চেন্নাই দারুণ কিছু করবে বলে ধারণা করা যায়।



কোন অধিনায়ক সেরা


এবারের আইপিএলের দুই ফাইনালিস্ট দলের অধিনায়কেরই (ধোনি ও মরগান)  অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা আছে। তাছাড়া দুই ফাইনালিস্ট দলের অধিনায়কই দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।তাই কেকেআরের অধিনায়ক মরগান এবং চেন্নাইয়ের অধিনায়ক ধোনি দু'জনই নিশ্চয় শিরোপা জয়ের জন্য মরিয়া হবেন।এসব কিছু বিবেচনায় বলা যায় এবারের আইপিএলের ফাইনালে দুই বিশ্বসেরা অধিনায়ক পরস্পরের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।



দু'দলের ব্যাটিং 


যদিও এবারের আইপিএলে কেকেআরের ম্যাচগুলোতে বড় ইনিংস কম দেখা গেছে তবু শেষপর্যন্ত তাদের ব্যাটসম্যানদের সফলতা কম নয়। কেকেআরের ব্যাটসম্যান শুভমান গিল ইতিমধ্যে এবারের আইপিএলে ৪২৭ রান সংগ্রহ করে শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এছাড়া মরগান এবং সাকিবের মত একাধিক তারকা ব্যাটসম্যান কেকেআরের ব্যাটিংয়ের বড় এক ভরসা। এদিকে চেন্নাইয়ের দুই মূল ব্যাটসম্যান ঋতুরাজ গায়কোয়াভ ৬০৩ এবং ডু প্লেসিস ৫৪৭  রান সংগ্রহ করে এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। সেইসাথে অধিনায়ক ধোনি ও অলরাউন্ডার ব্রাভো চেন্নাইয়ের লেট মিডল অর্ডারে দারুণ খেলছেন। তাই এক্ষেত্রে চেন্নাই আপাতদৃষ্টিতে কিছুটা শক্ত অবস্থানে রয়েছে একথা বলাই যায়।


দু'দলের বোলিং


এবারের আইপিএলের সেরা স্পিন অ্যাটাক কেকেআরের এটি স্বীকার করতেই হবে। বিশেষত বরুণ চক্রবর্তী,নারাইন এবং সাকিব এই   তিন স্পিনার এবার কেকেআরকে ফাইনালে তুলতে দারুণ সহায়তা করেছেন। এবং ফাইনালেও এই তিন স্পিনার কেকেআরের বড় ভরসার জায়গা হয়ে উঠবেন বলে ধারণা করা যায়। উল্লেখ্য কেকেআরের স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী ইতিমধ্যে ১৮টি উইকেট নিয়ে এবারের আইপিএলে শীর্ষ পাঁচ বোলারের তালিকায় স্থান পেয়েছেন।তবে চেন্নাইয়ের স্পিন অ্যাটাকেও রবীন্দ্র জাদেজার মত বিশ্বসেরা বোলার রয়েছেন এটিও অবশ্য স্মরণ করতে হবে। এছাড়া চেন্নাইয়ের পেস অ্যাটাকে দীপক চাহার, শার্দুল ঠাকুরের মত বিশ্বসেরা বোলার রয়েছেন। কেকেআরের পেস অ্যাটাকও ইতিমধ্যে যথেষ্ট সফলতা দেখিয়েছে। চেন্নাইয়ের পেসার শার্দুল ঠাকুর ইতিমধ্যে ১৮টি উইকেট নিয়ে এবারের আইপিএলে শীর্ষ পাঁচ বোলারের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। সবশেষে সার্বিক বিবেচনায় এবারের আইপিএলের উইকেট যেহেতু স্পিন সহায়ক তাই কেকেআরের স্পিন অ্যাটাককে  কিছুটা হলেও ফাইনালের হিসেবে এগিয়ে রাখতে হবে।


ফিনিশিং সামর্থ্য


আইপিএলের মত তুমুল উত্তেজনাপূর্ণ টিটুয়েন্টি লিগে ফিনিশিং খুবই ভাইটাল বিষয়। এখানে ভালো ফিনিশার ছাড়া সাফল্য পাওয়া প্রায় অসম্ভব। চেন্নাইয়ের সাফল্যের পেছনে ধোনি ও ব্রাভোর মত ফিনিশারদের ভূমিকা ব্যাপক।তেমনি কেকেআরের আন্দ্রে রাসেল, সাকিবের মত ফিনিশাররা এবার দলের সাফল্যে দারুণ ভূমিকা পালন করছেন। সুতরাং ফিনিশিং সামর্থ্য বিবেচনায় এবারের আইপিএল ফাইনালে দুদলই প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে একথা বলাই যায়।


অভিনন্দন কলকাতা নাইট রাইডার্স

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ২০২১ আইপিএলের দ্বিতীয় টিম হিসেবে ফাইনালে পৌঁছে গেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএলের দ্বিতীয় ফাইনালিস্ট কলকাতা নাইট রাইডার্সকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

                                                                   

শারদীয় শুভেচ্ছা

                                                        


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বছর ঘুরে আবার এসেছে হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।'প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'এর সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এবারের দূর্গাপূজা সকলের ভালো কাটুক।

অভিনন্দন চেন্নাই সুপার কিংস

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ২০২১ আইপিএলের প্রথম টিম হিসেবে ফাইনালে পৌঁছে গেছে চেন্নাই সুপার কিংস। চেন্নাই সুপার কিংসকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

                                                                  

টিটুয়েন্টির যে রেকর্ডে শীর্ষে অষ্ট্রেলিয়া

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আরেকটি টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ এসে গেছে। ইতিমধ্যে সব টিম বিশ্বকাপ ভেন্যুতে পৌঁছে গেছে এবং প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা শুরু করেছে।ধারণা করা হচ্ছে এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাটবলের লড়াই দর্শকদের ভিন্ন কিছু দেবে।মধ্যপ্রাচ্যের ব্যাটিং উইকেটে হাইস্কোরিং ম্যাচ এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে দর্শকদের ব্যাপকভাবে বিনোদন দেবে বলে অনেক বিশ্লেষক ধারণা করছেন।আর এসব বিষয় মাথায় রেখে আজকের স্টোরিটি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা  কিছু রানচেজের পরিসংখ্যান নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা রানচেজ


টিটুয়েন্টি ক্রিকেট এমনিতেই ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জিং ।কারণ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানদের জন্য খুব কম বল খেলার সুযোগ থাকে । তাছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্রিকেটের এই ছোট ফরম্যাটে  বেসিক দিয়ে ভালো স্কোর করার সুযোগ থাকে না।আর রানচেজের প্রসঙ্গ এলে  টিটুয়েন্টি ক্রিকেট ব্যাটসম্যানদের জন্য আরো বেশি চ্যালেঞ্জিং। বিশেষত বড় স্কোর তাড়া করে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ম্যাচজয় সহজ কাজ নয়। উল্লেখ্য আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে ম্যাচ জয়ের রেকর্ড অষ্ট্রেলিয়ার নামের পাশে রয়েছে।আসুন দেখে নিই টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সেরা সব রানচেজের পরিসংখ্যান।


অষ্ট্রেলিয়া ২৪৫/৫


এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সবচেয়ে বড় রান তাড়া করে ম্যাচ জয়ের রেকর্ড অষ্ট্রেলিয়ার নামের পাশে রয়েছে।অষ্ট্রেলিয়া ২০১৮ সালে অকল্যান্ডে  নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে ২৪৪ রান তাড়া করে ম্যাচ জিতেছিল (অষ্ট্রেলিয়া ২৪৫/৫)।



ভারত ২৪৪/৪


২০১৬ সালে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের ৪ উইকেটে ২৪৪ রান করে ম্যাচজয়ের ঘটনা আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানচেজের অন্যতম এক স্মারক ।



ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৩৬/৬


২০১৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জোহানেসবার্গে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে  রান চেজ করতে নেমে ২৩৬ রান করে জয়লাভ করে।এটি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে অন্যতম  সেরা রানচেজের রেকর্ড।



ইংল্যান্ড ২৩০/৮



ইংল্যান্ড ২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে ২৩০ রান চেজ করে ম্যাচে জয়লাভ করে।এটি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে অন্যতম সেরা রানচেজের রেকর্ড।


ইংল্যান্ড ২২৬/৮


২০২০ এ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে ইংল্যান্ড ২২৬ রান সংগ্রহ করে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে অন্যতম সেরা এক রানচেজের রেকর্ড গড়ে।


বাংলাদেশ ২১৫/৫


আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সেরা রানচেজের অন্যতম এক রেকর্ড বাংলাদেশের নামের পাশে রয়েছে।২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ রান তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ২১৫ রান সংগ্রহের মাধ্যমে জয়লাভ করে।


অষ্ট্রেলিয়া ২১৫/৮


এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ডানেডিনে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে অষ্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রান তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১৫ রান সংগ্রহের মাধ্যমে জয়লাভ করে।এটি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম সেরা রান চেজের ঘটনা।


অষ্ট্রেলিয়া ২১৪/৪


২০১০ সালে অষ্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২১৪ রান সংগ্রহ করে। এবং শেষপর্যন্ত ম্যাচটি ড্র হয়।এটি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানচেজের অন্যতম স্মারক।


ভারত ২১১/৪


২০০৯ সালে ভারত শ্রীলংকার বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে পরে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে ২১১ রান সংগ্ৰহ করে জয়লাভ করে।এটি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে অন্যতম সেরা রানচেজের রেকর্ড।


ভারত ২০৯/৪


২০১৯ সালে ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করে জয়লাভ করে।এটি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে অন্যতম সেরা রানচেজের ঘটনা।




টিটুয়েন্টি ব্যাটিংয়ে এশিয়ার সেরা দশ

                                                                   


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের বদৌলতে ক্রিকেট ব্যাটিংয়ে যেমন  নতুনত্ব এসেছে তেমনি ব্যাটসম্যানদের জন্য বেশকিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে। এখানে স্টাইকরেট,খুব কম বল খেলার সুযোগ ইত্যাদি ব্যাটসম্যানদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।ফলে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যানদের নিয়ে ক্রিকেটামোদী ও বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্ৰহ দেখা যায়। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী এশিয়ার সেরা (রান বিবেচনায়) টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন বিরাট কোহলি। এছাড়া এশিয়ার সেরা  টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের শীর্ষ দশে বাংলাদেশ, ভারত,পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানের এক বা একাধিক ব্যাটসম্যানের নাম রয়েছে। আসুন এখানে এশিয়ার সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান দেখে নিই।


এশিয়ার সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান


এশিয়ার ক্রিকেটের অন্যতম এক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এখানে তারকা ব্যাটসম্যানদের ছড়াছড়ি দেখা যায়।কারণ এখানে উইকেট ব্যাটিং সহায়ক। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটেও এশিয়ার ব্যাটসম্যানদের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের নজির রয়েছে। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এশিয়ার সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


বিরাট কোহলি


এশিয়ার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি রানের মালিক ভারতের তারকা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি। উল্লেখ্য বিরাট কোহলি এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বিশ্বের সবচেয়ে সেরা (সর্বাধিক রান) ব্যাটসম্যান। কোহলি ইতিমধ্যে ৯০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৩১৫৯ রান করেছেন।



রোহিত শর্মা


আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এশিয়ার সেরা দশ ব্যাটসম্যানের তালিকায় রোহিত শর্মার নামটি রয়েছে। রোহিত শর্মা ইতিমধ্যে ১০২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৯৩৯ রান করেছেন।


মোহাম্মদ হাফিজ


এশিয়ার সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায়  পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ হাফিজের নাম রয়েছে। মোহাম্মদ হাফিজ ইতিমধ্যে ১১৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৪২৯ রান করেছেন।


শোয়েব মালিক


এশিয়ার সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় পাকিস্তানের শোয়েব মালিকের নাম রয়েছে। শোয়েব মালিক ইতিমধ্যে ১১৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট রান ২৩৩৫।


বাবর আজম


এশিয়ার সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় পাকিস্তানের বাবর আজমের নামটিও রয়েছে।বাবর ইতিমধ্যে ৬১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ২২০৪ রান করেছেন।


মোহাম্মদ শেহজাদ



এশিয়ার সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষ দশে আফগানিস্তানের মোহাম্মদ শেহজাদের নামটি রয়েছে।এই তারকা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান ইতিমধ্যে ৬৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ১৯৩৬ রান করেছেন।


তিলকেরত্নে দিলসান


এশিয়ার সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় শ্রীলঙ্কার সাবেক মারকুটে ব্যাটসম্যান তিলকেরত্নে দিলসানের নামটিও রয়েছে।দিলসান  ৮০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ১৮৮৯ রান সংগ্রহ করেন।


মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ


এশিয়ার সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় বাংলাদেশের বর্তমান টিটুয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের নামটিও রয়েছে। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ইতিমধ্যে ১০২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৭৭১ রান করেছেন।


 সাকিব আল হাসান


বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের নামটিও এশিয়ার সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছে। সাকিব আল হাসান ইতিমধ্যে ৮৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট রানসংখ্যা ১৭৬৩।


শিকর ধাওয়ান


এশিয়ার সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় ভারতের বাঁহাতি ওপেনার শিকর ধাওয়ানের নামটিও রয়েছে। শিকর ধাওয়ান ইতিমধ্যে ৬৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ১৭৫৯ রান করেছেন। 




উইজডেন এশিয়ার সেরা একাদশ

                                                                     



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃউইজডেন সম্প্রতি এশিয়ার সেরা একাদশের নাম প্রকাশ করেছে। এবং সেই একাদশে এশিয়ার প্রায় সব টেষ্টপ্লেয়িং দেশের(শ্রীলঙ্কা ছাড়া) এক বা একাধিক প্লেয়ার স্থান পেয়েছেন। বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার উইজডেনের সেরা একাদশে স্থান পেয়েছেন। তবে এশিয়ার টেষ্টপ্লেয়িং দেশগুলোর মধ্যে শুধু শ্রীলঙ্কার কোন ক্রিকেটার উইজডেন এশিয়ার সেরা একাদশে স্থান পাননি।আসুন দেখে নিই উইজডেনের সেরা একাদশে এশিয়ার কোন এগারো ক্রিকেটার স্থান পেলেন সেই তালিকা।

ভারত 


উইজডেনের এশিয়ার সেরা একাদশে ভারত থেকে স্থান পেয়েছেন যথাক্রমে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি ও জাসপ্রিত বুমরা।


বাংলাদেশ


উইজডেনের এশিয়ার সেরা একাদশে বাংলাদেশের তিনজন ক্রিকেটারের নাম রয়েছে এবং তারা হলেন মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান।



পাকিস্তান


উইজডেনের এশিয়ার সেরা একাদশে পাকিস্তানের তিনজন ক্রিকেটারের নাম রয়েছে এবং তারা হলেন যথাক্রমে বাবর আজম,শাহিন শাহ আফ্রিদি ও ফখর জামান।



আফগানিস্তান


উইজডেন এশিয়ার সেরা একাদশে আফগানিস্তানের দু'জন ক্রিকেটারের নাম রয়েছে এবং তারা হলেন যথাক্রমে মোহাম্মদ নবি ও মুজিব উর রহমান।


উইজডেন এশিয়ার সেরা একাদশ


রোহিত শর্মা,বিরাট কোহলি, সাকিব আল হাসান,বাবর আজম,জাসপ্রিত বুমরা,শাহিন শাহ আফ্রিদি, মুশফিকুর রহিম, মোস্তাফিজুর রহমান,ফখর জামান, মোহাম্মদ নবি,মুজিব উর রহমান।



এশিয়ার সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যান


ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে এশিয়ার  সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

১.শচীন টেন্ডুলকার (৩৪৩৫৭ রান)

২.কুমার সাঙ্গাকারা (২৮০১৬ রান)

৩.মাহেলা জয়াবর্ধনে (২৫৯৫৭ রান ) 

৪. রাহুল দ্রাবিড় ( ২৪২০৮ রান)

৫.বিরাট কোহলি (২৩০৯৩ রান)


এশিয়ার সেরা পাঁচ বোলার


ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে এশিয়ার সেরা পাঁচ বোলারের পরিসংখ্যান দেখে নিন।

১.মুওিয়া মুরালিধরন (১৩৪৭ উইকেট)

২. অনিল কুম্বলে  (৯৫৬ উইকেট)

৩. ওয়াসিম আকরাম (৯১৬ উইকেট)

৪.ওয়াকার ইউনুস (৭৮৯ উইকেট)

৫.চামিন্দা ভাস (৭৬১ উইকেট )