WHAT'S NEW?
Loading...

ডিপিএলের সেরা দশ

                                                                  


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এবারের করোনাকালিন ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ(ডিপিএল) অবশেষে সমাপ্ত হয়েছে। এবারের ডিপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আবাহনী লিমিটেড। টিটুয়েন্টি ফরম্যাটের এই ডিপিএলে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি দেশের বেশকিছু তরুণ ক্রিকেটারের পারফরম্যান্স  চোখে পড়ার মতো ছিল। এখানে এবারের ডিপিএলের সেরা দশ ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান নিয়ে আলোচনা করছি।


ডিপিএলের সেরা দশ ব্যাটসম্যান


এবারের করোনাকালিন ডিপিএলে জাতীয় দলের  ব্যাটসম্যানদের পাশাপাশি জাতীয় দলের বাইরের বেশকিছু অভিজ্ঞ ও তরুণ ব্যাটসম্যান ভালো করেছেন। অভিজ্ঞ মুশফিক, মুমিনুলদের সাথে মিজানুর রহমান,মাহমুদুল হাসান, মোহাম্মদ নাঈমের মত তরুণরাও সাফল্য পেয়েছেন।এই ডিপিএলের সেরা দশ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান দেখে নিন।

মিজানুর রহমান


এবারের ডিপিএলে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন মিজানুর রহমান।১১ ম্যাচ খেলে এই ব্যাটসম্যান মোট ৪১৮ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়া এই তরুণ ব্যাটসম্যান ১টি সেঞ্চুরি ও ৩টি ফিফটি করেছেন।

মাহমুদুল হাসান জয়


মাহমুদুল হাসান জয় ১৩ ম্যাচ খেলে মোট ৩৯২ রান করেন। মাহমুদুল হাসান ২টি ফিফটি করেছেন।

নুরুল হাসান


নুরুল হাসান ১৬ ম্যাচ খেলে ১ ফিফটিসহ ৩৮৯ রান সংগ্রহ করেন।

মুমিনুল হক 


মুমিনুল হক যথারীতি এবারের ডিপিএলে ব্যাট হাতে সাফল্য পেয়েছেন।জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার ১৭ ম্যাচ খেলে ২ ফিফটিসহ মোট ৩৮৫ রান সংগ্রহ করেন।

মোহাম্মদ নাঈম


মোহাম্মদ নাঈম ১৬ ম্যাচ খেলে মোট ৩৭৫ রান সংগ্রহ করেন। এরসাথে মোহাম্মদ নাঈম ১টি ফিফটিও করেন।

নাজমুল হোসেন শান্ত


জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন শান্ত এবারের ডিপিএলে মোট ১৬ ম্যাচ খেলে ২ ফিফটিসহ ৩৬৮ রান সংগ্রহ করেন।

রনি তালুকদার


তরুণ ব্যাটসম্যান রনি তালুকদার এবারের ডিপিএলে ব্যাট হাতে নজর কেড়েছেন।এই ব্যাটসম্যান ১৬ ম্যাচ খেলে ৩ ফিফটিসহ মোট ৩৬৭ রান করেন।

সাঈফ হাসান


জাতীয় দলের ব্যাটসম্যান সাইফ হাসান এবারের ডিপিএলে ১৭ ম্যাচ খেলে ৩ ফিফটিসহ মোট ৩৬৫ রান সংগ্রহ করেন।

মোহাম্মদ মিথুন


জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিথুন ১৬ ম্যাচ খেলে মোট ৩৬১ রান সংগ্রহ করেন।এর সাথে মিথুন ৩টি ফিফটিও করেন।


আনিসুল ইসলাম ইমন


তরুণ ব্যাটসম্যান আনিসুল ইসলাম ইমন ১৩ ম্যাচ খেলে ২ ফিফটিসহ মোট ৩৫৮ রান সংগ্রহ করেন।


ডিপিএলের সেরা দশ বোলার

এবারের ডিপিএলে বল হাতে অভিজ্ঞ বোলারদের পাশাপাশি তরুণরাও ভালো করেছেন। অভিজ্ঞ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, কামরুল ইসলাম রাব্বি,মেহেদী হাসানদের পাশাপাশি তরুণ শরিফুল ইসলাম, তানভির ইসলামরাও বল হাতে সফলতা দেখিয়েছেন।ডিপিএলের সেরা দশ বোলারের পরিসংখ্যান দেখে নিন।

মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন

মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এবারের ডিপিএলে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন।এই তারকা অলরাউন্ডার ১৬ ম্যাচ খেলে ২৬টি উইকেট নেন।

কামরুল ইসলাম রাব্বি

কামরুল ইসলাম রাব্বি ১৭ ম্যাচ খেলে মোট ২৫ টি উইকেট শিকার করেন।

শরিফুল ইসলাম


জাতীয় দলের পেসার শরিফুল ইসলাম ডিপিএলে ১৬ ম্যাচ খেলে মোট ২২টি উইকেট শিকার করেন।

তানভির ইসলাম


তরুণ তানভির ইসলাম বল হাতে বেশ সফলতা দেখিয়েছেন।এই বোলার ১১ ম্যাচ খেলে মোট ২০টি উইকেট নেন।

মেহেদী হাসান


মেহেদী হাসান এবারের ডিপিএলে যথারীতি বল হাতে সফলতা দেখিয়েছেন। মেহেদী হাসান ১৭ ম্যাচ খেলে মোট ১৮টি উইকেট নেন।

জিয়াউর রহমান

 
জিয়াউর রহমান বল হাতে সাফল্য পেয়েছেন। জিয়াউর রহমান ১৬ ম্যাচ খেলে মোট ১৮টি উইকেট নেন।

মেহেদী হাসান রানা


মেহেদী হাসান রানা এবারের ডিপিএলে ১১ ম্যাচ খেলে মোট ১৮টি উইকেট নেন।

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ


জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবারের ডিপিএলে বল হাতে সাফল্য পেয়েছেন।এই তারকা অলরাউন্ডার ১৭ ম্যাচ খেলে মোট ১৭টি উইকেট নেন।

রুবেল হোসেন

জাতীয় দলের তারকা পেসার রুবেল হোসেন এই ডিপিএলে বল হাতে সফলতা দেখিয়েছেন।এই পেসার ১১ ম্যাচ খেলে মোট ১৭টি উইকেট নেন।

মোস্তাফিজুর রহমান


কাটারমাষ্টার খ্যাত মোস্তাফিজুর রহমান ডিপিএলে বল হাতে সাফল্য পেয়েছেন।এই বাঁহাতি পেসার ১৪ ম্যাচ খেলে মোট ১৭টি উইকেট নেন।

সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                           

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারে বেশকিছু নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এখানে তেমনি কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য তুলে ধরছি।


কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে নিয়োগ

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : ড্রাফটসম্যান,গ্ৰন্থাগারিক, উচ্চমান সহকারী, হিসাবরক্ষক,লাইব্রেরিয়ান,হিসাব সহকারী, ক্যাশিয়ার,অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রভৃতি পদ।

পদসংখ্যা : ২৮২

যোগ্যতা : পদভেদে এসএসসি থেকে স্মাতক ডিগ্ৰি।

বেতন : গ্ৰেড-১০ থেকে গ্ৰেড-১৯

বয়স : সকল পদের ক্ষেএে ১ জুন,২০২১ তারিখে বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছর হতে হবে।তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পুএ-কন্যা ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া : অনলাইন (ভিজিট: http://dter.teletalk.com.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ : ১৬/০৭/২০২১ বিকাল ০৫:০০

সূত্র :  বিডিজবস ডটকম



ডেলটা ব্র্যাক হাউজিং ফাইনান্স কর্পোরেশনে নিয়োগ

ডেলটা ব্র্যাক হাউজিং ফাইনান্স কর্পোরেশনে ' অফিসার- রিকোভারি' পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : অফিসার- রিকোভারি

পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : যেকোন বিষয়ে স্মাতক ডিগ্রি।

অভিজ্ঞতা : ৩ থেকে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

বয়স : ২১ থেকে ৩২ বছর।

কর্মক্ষেত্র : ঢাকা

চাকরির ধরণ : পূর্ণকালীন

আবেদন প্রক্রিয়া : অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ : ৩০/০৬/২০২১

সূত্র :  বিডিজবস ডটকম



উওরা ব্যাংক লিমিটেডে নিয়োগ


উওরা ব্যাংক লিমিটেডে ' প্রবেশনারী অফিসার' পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : প্রবেশনারী অফিসার

পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

বয়স : ৩০ বছর।

বেতন: ১ বছরের প্রবেশন সময়ে মাসিক ৩৫ হাজার টাকা।প্রবেশন শেষে ২০,০০০- ৫৬,২০০ টাকা হারে বেতন ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট https://www.uttarabank-bd.com)

আবেদনের শেষ তারিখ : ৩০/০৬/২০২১

সূত্র : প্রথম আলো



ইউসিবি ব্যাংকে নিয়োগ


ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডে 'প্রবেশনারী অফিসার' পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : প্রবেশনারী অফিসার

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারবছর মেয়াদি স্মাতক ডিগ্রি।

বয়স : সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

চাকরির ধরণ : পূর্ণকালীন

বেতন : প্রবেশন সময়ে ৪১,৯০০ টাকা।প্রবেশন পরবর্তীকালে মাসিক বেতন ৫২ হাজার টাকা।
কর্মক্ষেত্র : বাংলাদেশের যেকোন স্থান

আবেদন প্রক্রিয়া : অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ : ১৫/০৭/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম



স্কয়ার ট্রয়লেটিজ লিমিটেডে নিয়োগ

 
স্কয়ার ট্রয়লেটিজ লিমিটেডে 'অফিসার ( একাউন্টস এন্ড ফাইনান্স) ' পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : অফিসার ( একাউন্টস এন্ড ফাইনান্স)

যোগ্যতা : বাণিজ্য বিভাগে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি অথবা এমবিএ/বিবিএ (একাউন্টিং/ফিনান্স)

বয়স : সর্বোচ্চ ৩০ বছর

কর্মক্ষেত্র: কর্পোরেট হেডকোয়াটার,ঢাকা ।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন ( সিভি এই  ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে hrd-stl@squaregroup.com)

আবেদনের শেষ তারিখ : ০৩/০৭/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম






ব্যাটেবলে ২০২১ পিএসএলের সেরা দশ

                                                                    


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এবারের পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) শিরোপা জিতেছে মুলতান সুলতানস।২০২১ পিএসএলের ফাইনালে মুলতান সুলতানসের মুখোমুখি হয়েছিল পেশোয়ার জালমি। উল্লেখ্য ২০২১ পিএসএলে ব্যাট ও বল হাতে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি তরুণরাও সাফল্য পেয়েছেন।এবারের পিএসএলের সেরা দশ ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


২০২১ পিএসএলের সেরা দশ ব্যাটসম্যান


এবারের পিএসএলে ব্যাটবলের লড়াই বেশ জমে উঠেছিল। এবং শেষপর্যন্ত ব্যাটবলের চূড়ান্ত লড়াইয়ে মুলতান সুলতানস শিরোপার পায়।২০২১ পিএসএলে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের পাশাপাশি বেশকজন তরুণ ব্যাটসম্যানও সফলতা পেয়েছেন।  এবারের পিএসএলের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান দেখে নিন।

বাবর আজম


বাবর আজম এবারের পিএসএলে সবচেয়ে বেশি রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।এই তারকা ব্যাটসম্যান ১১ ম্যাচ খেলে ৫৫৪ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়া বাবর ৭টি ফিফটি হাকান।

মোহাম্মদ রিজওয়ান


মোহাম্মদ রিজওয়ান এবারের পিএসএলে ১২ ম্যাচ খেলে ৪ ফিফটিসহ মোট ৫০০ রান করেন।

সোয়েব মাকসুদ


সোয়েব মাকসুদ ১২ ম্যাচ খেলে মোট ৪২৮ রান সংগ্রহ করেন ।এরসাথে এই পিএসএলে সোয়েব মাকসুদের ৫টি ফিফটিও ছিল।

সোয়েব মালিক


সোয়েব মালিক এবারের পিএসএলে ১৩ ম্যাচ খেলে ২ফিফটিসহ ৩৫৪ রান সংগ্রহ করেন।


সারজিল খান


সারজিল খান ২০২১ পিএসএলে ১১টি ম্যাচ খেলে মোট ৩৩৮ রান করেন।এই তারকা ব্যাটসম্যান এবারের পিএসএলে ১টি সেঞ্চুরি ও ১টি ফিফটি হাকান।

সরফরাজ আহমেদ


সরফরাজ আহমেদ এই পিএসএলে ১০ ম্যাচ খেলে ৩২১ রান করেন। সরফরাজ ২০২১ পিএসএলে ৩টি ফিফটি হাঁকিয়েছেন।

ফখর জামান


ফখর জামান এই পিএসএলে শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছেন।এই তারকা ব্যাটসম্যান ১০ ম্যাচ খেলে ২ফিফটিসহ মোট ২৮৭ রান সংগ্রহ করেন।


কলিন মুনরো


কলিন মুনরো ২০২১ পিএসএলে দারুণ ব্যাটিং করেছেন।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৭ম্যাচ খেলে ২ফিফটিসহ মোট ২৮৫ রান সংগ্রহ করেন।

কামরান আকমল


এই তারকা ব্যাটসম্যান ১৩ ম্যাচ খেলে মোট ২৮৩ রান সংগ্রহ করেন। এরসাথে কামরান আকমল ২টি ফিফটিও করেন।

 শেরফেন রাদারফোর্ড


শেরফেন রাদারফোর্ড ১৩ ম্যাচ খেলে এবারের পিএসএলে মোট ২৭৬ রান সংগ্রহ করেন। এবারের পিএসএলে রাদারফোর্ডের ১টি ফিফটিও রয়েছে।


২০২১ পিএসএলের সেরা দশ বোলার

এবারের পিএসএলে বল হাতে বেশকজন বোলার দুর্দান্ত সফলতা পেয়েছেন। এক্ষেত্রে ২০২১ পিএসএলের সেরা বোলারদের মধ্যে অন্যতম হলেন শাহনেওয়াজ ধায়ানি, ওয়াহাব রিয়াজ,শাহিন শাহ আফ্রিদি, জেমস ফকনার, ইমরান তাহির। এবারের পিএসএলের সেরা দশ বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

শাহনেওয়াজ ধায়ানি


এবারের পিএসএলে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন শাহনেওয়াজ ধায়ানি।ধায়ানি ১১ ম্যাচ খেলে মোট ২০টি উইকেট নেন।

ওয়াহাব রিয়াজ


ওয়াহাব রিয়াজ এবারের পিএসএলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি।এই অভিজ্ঞ পেসার ১২ ম্যাচ খেলে ১৮টি উইকেট নেন।

শাহিন শাহ আফ্রিদি


শাহিন শাহ আফ্রিদি এই পিএসএলে দারুণ বোলিং করেছেন।এই তারকা পেসার ১০ ম্যাচ খেলে মোট ১৬টি উইকেট নিয়েছেন।

জেমস ফকনার


জেমস ফকনার এবারের পিএসএলে দারুণ সফলতা পেয়েছেন।এই অভিজ্ঞ পেসার ৬ ম্যাচ খেলে মোট ১৩টি উইকেট নেন।


ইমরান তাহির


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এই সময়ের অন্যতম সেরা স্পিনার ইমরান তাহির যথারীতি এই পিএসএলেও সফলতা পেয়েছেন। তাহির এই পিএসএলে ৭ ম্যাচ খেলে মোট ১৩টি উইকেট নেন।

হাসান আলী


তরুণ পেসার হাসান আলী এবারের পিএসএলেও যথারীতি দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ১০ ম্যাচ খেলে মোট ১৩টি উইকেট নেন।

সাকিব মাহমুদ


তরুণ ইংলিশ পেসার সাকিব মাহমুদ এবারের পিএসএলে দারুণ বোলিং করেছেন।এই বোলার ৫ ম্যাচ খেলে ১২টি উইকেট নেন।

ইমরান খান


 ইমরান খান ৭ ম্যাচ খেলে ১২ টি উইকেট নিয়ে শীর্ষ দশে রয়েছেন।

মোহাম্মদ ওয়াসিম


মোহাম্মদ ওয়াসিম এবারের পিএসএলে বেশ ভালো বোলিং করেছেন।এই বোলার ১১ ম্যাচ মোট ১২টি উইকেট নেন।


রশিদ খান


রশিদ খান এবারের পিএসএলে শীর্ষ দশ বোলারের তালিকায় রয়েছেন। রশিদ খান ৮ ম্যাচ খেলে মোট ১১টি উইকেট নেন।


আমি বিশ্বাস করি জীবন এসব কিছুর চাইতে বড় : বিরাট কোহলি

                                                               


বিরাট কোহলি ক্রিকেটের এক বিস্ময় হিসেবে খ্যাত ।ব্যাট হাতে সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরি দিয়ে ক্রিকেট পাতায় প্রতিনিয়ত ওলটপালট করে চলেছেন। ভারতের এই ব্যাটিং  লিজেন্ড ইতিমধ্যে ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।  উইজডেন থেকে বিরাট কোহলির একটি সাক্ষাৎকার এখানে তুলে ধরছি।ভাষান্তর: প্রভাকর চৌধুরী।


উইজডেন : একুশ শতকের ক্রিকেটের রূপান্তর, পরিবর্তন,ব্যস্ততার মধ্যেও জীবনকে কিভাবে উপভোগ করেন ?


কোহলি : বিরাট কোহলির নেতৃত্ব সম্পর্কে বহু মিথ্যা অপপ্রচার,বহু বিব্রতকর ইমেইল ইত্যাদির পরও বিরাট কোহলি তাঁর দায়িত্বে সফল।প্রায় দশ বছর হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি । বিশ্বের বিখ্যাত ১০০ মানুষের তালিকায় বিরাটের নাম আছে। ফোর্বসের তালিকায় একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে সবচেয়ে বেশি আয়ের রেকর্ড কিন্তু বিরাটের।


উইজডেন : আপনিতো শুরু থেকেই স্ট্রোকমেকার হিসেবে পরিচিত । তাছাড়া গুড হিটার হিসেবে আপনার খ্যাতি রয়েছে।এতসবের মধ্যে কিভাবে দায়িত্ব পালন করেন ?


কোহলি : আমি এবং আমার স্ত্রী শুরু থেকেই জানি মানুষের প্রতি আমাদের দায়িত্ব কেমন।এটার অর্থ শুধু মানুষকে উপদেশ দেয়া নয় আমাদের দায়িত্ব মানুষকে সঠিক পথে চালিত করা। এক্ষেত্রে কে কি বলল তা আমরা ভাবি না। আমাদের অর্জিত দায়িত্ব এটি। শুধু নিজের অর্জনই  আমার কাজ নয় বরং ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা থেকে তরুণ ক্রিকেটারদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়া এখন মূল কাজ।এ পর্যায়ে আর শুধু গুড হিটই একমাত্র কাজ নয়।


উইজডেন : আপনি তিন ধরণের ক্রিকেটে ইন্ডিয়াকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আবার নিয়মিত পারফর্ম করছেন। কিভাবে সম্ভব হচ্ছে এসব ?

কোহলি : দেখুন আমি যে কাজ উপভোগ করি সেটি কত লম্বা বা কত জটিল তা মুখ্য নয়।আমি মনে করি না দৈনন্দিন কাজ কারো খেলায় প্রভাব ফেলতে পারে।২৪ ঘন্টার দিনে সব কাজই চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।আমি সব কাজের আগে খেলাকে গুরুত্ব দেই।এর ভেতর দিয়ে ব্যবসায় সময় দেই।আমি এসব কাজ করি একটি নিয়ম মেনে।আর সবচেয়ে বড় কথা হলো আমি কাজ করতে পছন্দ করি।


উইজডেন : ক্রিকেটের বাইরে আর কিভাবে জীবন উপভোগ করেন ?

কোহলি : ক্রিকেটের বাইরে আনন্দ হয় যখন দেশের বাইরে যাই।তখন বেশ স্বাধীনভাবে স্বাভাবিক ঘোরাফেরা করতে ভালো লাগে।আমরা পোষা প্রাণী খুব পছন্দ করি। বিশেষত কুকুর খুব প্রিয় প্রাণী।

উইজডেন : ক্রিকেটের শুরুর দিকের কোন গুরুর কথা মনে পড়ে যার অবদান আপনার জীবনে  ব্যাপক ?

কোহলি : আমার প্রাথমিক জীবনের ক্রিকেট কোচ রাজকুমার শর্মার কথা বলব। তিনি আমাকে সঠিকভাবে চিনেছিলেন এবং সেভাবে আমাকে তৈরি হতে সাহস দিয়েছিলেন।


উইজডেন : কোন কোন মানুষের পরামর্শ শুনতে পছন্দ করেন এবং কাদের পরামর্শ আপনার জীবনে কাজে লেগেছে ?

কোহলি : ক্রিকেট সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো পরামর্শক গ্যারি কারষ্টেন এবং ডানকান ফ্লেচার।এ দুজনের কাছে ক্রিকেটের কথা শুনতে খুব ভালো লাগে।


উইজডেন : বিগত সময়ে ভারতীয় দলে যেসব অধিনায়কের অধীনে খেলেছেন তাদের কাছ থেকে কি শিখতে পেরেছেন ?


কোহলি : আমি এমএস ধোনিকে ভালো করে দেখেছি। এমনকি স্লিপে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক কিছু শিখেছি।


উইজডেন : নিজের অধিনায়কত্বের মূল্যায়ন করবেন কিভাবে ?

কোহলি : অধিনায়ক হিসেবে আমি ইতিবাচক কিছু ভাবতে পছন্দ করি।আমি হারি বা জিতি পিছনে যাইনা সবসময় আগামীর চিন্তা করি।আমি সবসময় প্লেয়ারদের স্বাধীনভাবে খেলতে দেই।


উইজডেন :চারদিনের টেস্টকে কি আপনি ক্ষতিকর মনে করেন ?

কোহলি : অবশ্যই আমি এটি চাই না।


উইজডেন : আপনি ক্যারিয়ারে পাকিস্তানের বিপক্ষে কোন টেস্ট খেলেননি ভবিষ্যতে এমন কিছু ঘটার সম্ভাবনা আছে ?

কোহলি : পাকিস্তানের বেশ শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ রয়েছে এবং ব্যাটসম্যান হিসেবে আমি অবশ্যই তাদের বিপক্ষে খেলতে চাই। তাদের বিপক্ষে হয়তো খেলার সুযোগ আসবে কিন্তু এ নিয়ে আসলে আমার বলার তেমন কিছু নেই। সবকিছুই সম্ভব ।আজ থেকে দশ বছর আগে আমি এ পর্যায়ে আসব ভাবিনি।


উইজডেন : খেলা ছাড়ার পর কি আইসিসি বা বিসিসিআই এর সাথে কাজ করতে চান ?

কোহলি : আমার মধ্যে এরকম চিন্তা আসলে নেই। পরিবার,বাচ্চা এদেরকে সময় দেয়াই আমার কাছে মুখ্য।জীবন আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এবং আমি মনে করি এক ক্রিকেটের পরিচয়ই মুখ্য নয়।আমার কাছে জীবন এসব কিছুর চাইতে বড়।

ওয়ানডে থেকে কেভিন ওব্রায়েনের অবসর

                                                                  


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আয়ারল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার কেভিন ওব্রায়েন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট (ওয়ানডে) থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ওয়ানডে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরির রূপকার এই ব্যাটসম্যান সম্প্রতি এই ঘোষণা দেন।তবে  ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও ওব্রায়েন টেস্ট ও টিটুয়েন্টি ক্রিকেট চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।


কেভিন ওব্রায়েনের ক্যারিয়ার

কেভিন ওব্রায়েন আয়ারল্যান্ডের জনপ্রিয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম। চমৎকার টেকনিক ও পাওয়ারফুল হিটার হিসেবে কেভিন ওব্রায়েন সবসময় স্মরণযোগ্য। এছাড়া কেভিন ওব্রায়েন কার্যকর মিডিয়াম পেসার হিসেবেও স্বীকৃত । আইরিশ ক্রিকেটের এক সেরা আবিষ্কার হিসেবে কেভিন ওব্রায়েনের নামটি বরাবরই উচ্চারিত হয়। কেভিন ওব্রায়েনের ক্যারিয়ারচিএ এখানে তুলে ধরছি।

টেস্ট ক্যারিয়ার

কেভিন ওব্রায়েন ইতিমধ্যে ৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর মোট সংগ্রহ ২৫৪ রান। টেস্টে ওব্রায়েনের ১টি সেঞ্চুরি ও ১টি ফিফটি রয়েছে। কেভিন ওব্রায়েন টেস্ট ক্রিকেটে বল হাতে এখনো কোন উইকেট পাননি।

ওয়ানডে ক্যারিয়ার

কেভিন ওব্রায়েন আয়ারল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে ওব্রায়েন তিন হাজারের বেশি রানের মালিক।ওব্রায়েন ১৫২টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৩৬১৯ রান সংগ্রহ করেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে ওব্রায়েনের ২টি সেঞ্চুরি ও ১৮টি ফিফটি রয়েছে। কেভিন ওব্রায়েনের মোট ওয়ানডে উইকেট ১১৪টি।

টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার

কেভিন ওব্রায়েন টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দারুণ সফলতা পেয়েছেন।এই হাডহিটার ৯৫টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৬৭২ রান সংগ্রহ করেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ওব্রায়েনের ১টি সেঞ্চুরি ও ৩টি ফিফটি রয়েছে। বল হাতে কেভিন ওব্রায়েন ৫৮টি টিটুয়েন্টি উইকেট নিয়েছেন।


কেভিন ওব্রায়েনের অজানা তথ্য

কেভিন ওব্রায়েন আইরিশ ক্রিকেটের এক সেরা আবিষ্কার।ব্যাট হাতে যেমন সফল তেমনি বল হাতেও দারুণ সফল এই অলরাউন্ডার। কেভিন ওব্রায়েনের জীবন ও ক্যারিয়ার সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য এখানে তুলে ধরছি।

ওব্রায়েনের জন্ম এক ক্রিড়া পরিবারে


কেভিন ওব্রায়েন একটি ক্রিড়া পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ভাই নিল ওব্রায়েন আয়ারল্যান্ডের দলের হয়ে খেলে থাকেন।ওব্রায়েনের বাবা ব্রেন্ডনও আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন। এছাড়া কেভিন ওব্রায়েনের বোন চিয়ারা আইরিশ নারী হকি দলের হয়ে খেলেছেন।


আন্ডারনাইটিন ওয়াল্ডকাপে সাফল্য


কেভিন ওব্রায়েন ২০০৪ সালের আইসিসি আন্ডারনাইটিন ওয়াল্ডকাপে দারুণ সাফল্য লাভ করেন। সেই টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে মোট ২৪১ রান সংগ্রহ করেন এবং এর ফলে আয়ারল্যান্ড প্লেট সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

ওয়ানডে অভিষেকে উইকেট

কেভিন ওব্রায়েন নিজের প্রথম ওয়ানডে (২০০৬) ম্যাচের প্রথম বলে ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটসম্যান এন্ডু স্ট্রাউসের উইকেট নেন।

২০০৭ বিশ্বকাপে সাফল্য


২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে কেভিন ওব্রায়েনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে আয়ারল্যান্ড দল পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়লাভ করে। এছাড়া সেই বিশ্বকাপে আইরিশ দল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ড্র করে।

টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে সাফল্য

২০০৯ সালের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে কেভিন ওব্রায়েনের সাফল্যের উপর ভর করে আয়ারল্যান্ড দল বাংলাদেশকে পরাজিত করে।

প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার


২০১০ সালে আয়ারল্যান্ডের দি সানডে ইন্ডিপেন্ডেন্ট পএিকা কেভিন ওব্রায়েনকে প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত করে।


দি কেভিন ওব্রায়েন ক্রিকেট একাডেমি

২০১১সালে কেভিন ওব্রায়েন আয়ারল্যান্ডের স্কুল , কলেজ ও বিভিন্ন ক্লাবের তরুণ ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণের জন্য  ডাবলিনে 'দি কেভিন ওব্রায়েন ক্রিকেট একাডেমি' নামে একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।


ব্যাটেবলে আয়ারল্যান্ডের  শীর্ষ পাঁচ

ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে আয়ারল্যান্ডের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।
১.পল স্টারলিং - ২০৯ ম্যাচ - ৭০৫১ রান-১২ সেঞ্চুরি
২.কেভিন ওব্রায়েন - ২৫২ ম্যাচ - ৫৫৪৯ রান - ৪ সেঞ্চুরি
৩.পোটারফিল্ড -২০৫ ম্যাচ - ৫২৩৩ রান - ১১সেঞ্চুরি
৪.উইলসন - ১৮৮ ম্যাচ - ৩৩৮৫ রান - ১ সেঞ্চুরি
৫.বালবির্নি - ১২৪ ম্যাচ - ৩২৯৩ রান - ৬ সেঞ্চুরি


ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে আয়ারল্যান্ডের শীর্ষ পাঁচ বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

১.কেভিন ওব্রায়েন - ২৫২ ম্যাচে ১৭২ উইকেট
২.ডকরেল - ১৬২ ম্যাচ ১৬৭ উইকেট
৩.রানকিন -১১৮ ম্যাচ- ১৫৭ উইকেট
৪.মারটাগ - ৭৫ ম্যাচ - ১০০ উইকেট
৫.কুচেক - ৯৬ ম্যাচ - ৯৮ উইকেট


মুশফিকের বিরল স্বীকৃতি

                                                                  


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম সম্প্রতি ক্রিকেটের এক বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুশফিকুর রহিম  আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন। মিষ্টার ডিপেন্ডেবল খ্যাত মুশফিক মে মাসে আইসিসির সেরা ক্রিকেটারের স্বীকৃতি পেয়েছেন।এর আগে আর কোন বাংলাদেশি ক্রিকেটার আইসিসির মাসসেরার স্বীকৃতি পাননি। উল্লেখ্য মে মাসে মুশফিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে এই তারকা ব্যাটসম্যান ১টি ও ১টি অর্ধশতকসহ মোট ২৩৭ রান সংগ্রহ করেন। এবং সেই সাথে প্রথম দুই ওয়ানডেতে মুশফিক ম্যাচসেরা প্লেয়ার নির্বাচিত হন।


মুশফিকুর রহিমের ক্রিকেট ক্যারিয়ার


বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে মুশফিকুর রহিম ইতিমধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছেন। ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় মুশফিক দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি মিলিয়ে মুশফিকুর রহিমের মোট রান ১২৫৪৮ রান । ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল (১৪০২৩ রান)।   ক্যারিয়ারে একাধিক (৩টি)টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি মুশফিকুর রহিমের  এক অনন্য অর্জন। ওয়ানডে ক্রিকেটে ইতিমধ্যে ৮টি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন এই তারকা ব্যাটসম্যান। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে মুশফিকের ৫টি ফিফটি রয়েছে । এসব কিছু বিবেচনায় মুশফিককে বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।


মুশফিকের টেস্ট ক্যারিয়ার

মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের হয়ে ইতিমধ্যে ৭৪টি টেস্ট খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ৪৬৮৫ রান। এছাড়া টেস্ট ক্রিকেটে মুশফিকের ৩টি ডাবল সেঞ্চুরি, ৭টি সেঞ্চুরি এবং ২৩টি ফিফটি রয়েছে।


মুশফিকের ওয়ানডে ক্যারিয়ার

মুশফিকুর রহিম ইতিমধ্যে  ২২৭টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ৬৫৮১ রান। সেই সাথে ওয়ানডে ক্রিকেটে মুশফিকের ৮টি সেঞ্চুরি ও ৪০টি ফিফটি রয়েছে।


মুশফিকের টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার

মুশফিকুর রহিম ইতিমধ্যে ৮৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ১২৮২ রান। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে মুশফিকের ৫টি ফিফটি রয়েছে।


মুশফিকের অজানা রেকর্ড


বাংলাদেশের সেরা মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান মুশফিকের  দুর্দান্ত সব  রেকর্ড রয়েছে। এসবের মধ্যে অন্যতম কিছু রেকর্ড এখানে তুলে ধরছি।


১.বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি(৩টি) ডাবল সেঞ্চুরির রপকার মুশফিকুর রহিম।এর মধ্যে দুটি অপরাজিত ডাবল সেঞ্চুরি রয়েছে।

২.বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক মুশফিকুর রহিম (অপরাজিত ২১৯ রান)।

৩.ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান হিসেবে মুশফিকের একাধিক ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি রয়েছে।

৪.বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র ব্যাটসম্যান  হিসেবে মুশফিকুর রহিমের ১৫০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে।

৫.টেষ্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান মুশফিকের দখলে(৩৩১ রান)।

৬.টেষ্টে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বাধিক ব্যক্তিগত রানের মালিক মুশফিকুর রহিম (৫১৮ রান)।

৭.টেষ্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রানের মালিক মুশফিকুর রহিম (৮৪৬ রান)।


৬.টেষ্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম (৪৬৮৫রান)। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান তামিম ইকবালের (৪৭৮৮ রান)।

আপনার জন্য সেরা মোবাইল ব্যাংকিং

                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ মোবাইল ব্যাংকিং বলতে ছোট করে যে বিষয়টি বোঝায় তাহলো ' মোবাইল থেকে মোবাইলে টাকা লেনদেন'। অর্থাৎ এখানে হাতের মোবাইলে একটি ব্যাংক একাউন্ট রাখার সুবিধা রয়েছে।যদিও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের অবাধ সুযোগ নেই তবু দৈনন্দিন বিভিন্ন ছোটখাটো লেনদেনের জন্য এটি খুবই প্রয়োজনীয়।বিশেষত ছোট ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন-ভাতা, অনলাইন ব্যবসা ইত্যাদির জন্য মোবাইল ব্যাংকিং খুব প্রয়োজনীয় এক সেবা। এছাড়া বিশেষজ্ঞদের মতে উন্নয়নশীল অর্থনীতির যেসব দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে বাংলাদেশ সে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।


আপনার জন্য সেরা মোবাইল ব্যাংকিং

বাংলাদেশে বর্তমানে দশটির বেশি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু রয়েছে। বাংলাদেশের প্রথমসারির মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে এক্ষেত্রে নগদ,বিকাশ,রকেট,উপায় ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এদের গ্ৰাহক তুলনামূলক ভাবে  বেশি ।নগদ হচ্ছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা।বিকাশ হলো ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা।ডাচ বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হচ্ছে রকেট।ইউসিবি ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হচ্ছে উপায়। এসবের বাইরে দেশে আরো বেশকিছু মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু রয়েছে।

মোবাইল ব্যাংকিং সেবা 'নগদ'


বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হচ্ছে নগদ।এই মোবাইল ব্যাংকিং সেবাটি ইতিমধ্যে  দেশব্যাপী বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ।নগদের গ্ৰাহক সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়া নগদের গ্ৰাহক সংখ্যা বাড়ার পেছনে বড় এক কারণ হলো এর সর্বনিম্ন ক্যাশআউট চার্জ। দেশের অন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চেয়ে নগদের ক্যাশআউট চার্জ তুলনামূলকভাবে কম।নগদের এজেন্ট থেকে ক্যাশআউট চার্জ হাজারে ১২.৯৯টাকা। নগদের অ্যাপ থেকে ক্যাশআউট চার্জ ৯.৯৯টাকা।

নগদের অন্যান্য সুবিধা

নগদের বেশকিছু সুবিধা রয়েছে যা দৈনন্দিন লেনদেনের জন্য খুব উপকারী। নগদের বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে এখানে আলোচনা করছি।

ব্যাংক থেকে অ্যাডমানি সুবিধা

অনলাইন ব্যাংক একাউন্ট থেকে নগদে টাকা লেনদেনের সুবিধা রয়েছে। এবং ব্যাংক থেকে অ্যাডমানি সার্ভিসের মাধ্যমে কোন অতিরিক্ত চার্জ দেয়া লাগবে না।

কার্ড থেকে অ্যাডমানি সুবিধা

নগদে আপনার ডেবিট ও ক্রেডিট থেকে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড থাকতে হবে। 

মোবাইল রিচার্জ

এছাড়া আপনার নগদ একাউন্ট থেকে যেকোন মোবাইলে টাকা ,মিনিট,ডাটা পাঠাতে পারবেন।তবে এক্ষেত্রে আপনার নগদ একাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালান্স থাকতে হবে।


নগদ একাউন্টে মুনাফা

নগদের নিয়মিত গ্ৰাহকদের জন্য নির্দিষ্ট হারে মুনাফার সুবিধা রয়েছে।অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট হারে জমা টাকার উপর নগদ আপনাকে মুনাফা দেবে।নূ্নতম ১০০০ টাকা আপনার নগদ একাউন্টে এক মাস জমা থাকলে বার্ষিক ৬%হারে আপনি মুনাফা পাবেন।মাসশেষে মুনাফা আপনার নগদ একাউন্টে জমা হবে।

নগদ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ

নগদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে আপনার দৈনন্দিন বিভিন্ন বিল ইত্যাদি পরিশোধ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে একটি যথেষ্ট মেমরি রয়েছে এমন একটি স্মার্টফোন নিতে হবে তারপর গুগল প্লেস্টোর থেকে নগদ অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে।নগদ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপের বিভিন্ন সুবিধা এখানে তুলে ধরছি।


১.মোবাইল রিচার্জ
২.সেন্ডমানি
৩.বিদ্যুত বিল পরিশোধ
৪.গ্যাস বিল পরিশোধ
৫.শিক্ষাপ্রতিষ্টানের বিল পরিশোধ
৬.পানির বিল পরিশোধ
৭.অনলাইন মার্কেটিং বিল পরিশোধ
৮.আয়কর দেয়ার সুবিধা
৯.বিভিন্ন সংস্থায় ডোনেশন
১০.ডিসবিল(আকাশ ডিটিএইস বিল)
১১.নগদ থেকে বিভিন্ন বিখ্যাত ইন্টারনেট সেবাদাতার বিল পরিশোধ
১২.টেলিফোন বিল পরিশোধ

নগদের অসুবিধা

নগদের বিভিন্ন সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধা রয়েছে।নগদের অসুবিধাগুলো এখানে আলোচনা করছি।
১.নগদের পিনকোডটি চার সংখ্যার যা সহজেই হ্যাক হতে পারে।
২.নগদের এজেন্ট অনেকজায়গায় নেই।তাই অনেকসময় নগদ একাউন্ট রিচার্জে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।


মোবাইল ব্যাংকিং সেবা 'বিকাশ'

বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে বিকাশ।এটি ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। এবং বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং জগতে এখনো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে 'বিকাশ'।বিকাশের বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে এখানে আলোচনা করছি।

সেন্ডমানি সুবিধা

বিকাশ থেকে খুব সহজে টাকা পাঠানোর সুবিধা রয়েছে। এক্ষেত্রে *২৪৭# ডায়েল করে   বিকাশের সেন্ডমানি সিষ্টেমটি ব্যবহার করে যেকোন সময় যেকোন বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।

মোবাইল রিচার্জ

নিজের বিকাশ একাউন্ট থেকে খুব সহজেই যেকোন মোবাইলে রিচার্জের(টাকা, মিনিট,ডাটা ইত্যাদি) সুবিধা রয়েছে।তবে এক্ষেত্রে আপনার বিকাশ একাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা থাকতে হবে।

বিকাশ পেমেন্ট 

বিকাশ পেমেন্ট সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের যেকোন ব্যবসায়িক লেনদেন করা যায়। বিকাশ পেমেন্ট সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিকাশ আউটলেট থেকে টাকা পাঠানোর সুবিধা রয়েছে।

অ্যাডমানি সুবিধা


বিকাশের অ্যাডমানি সুবিধা ব্যবহার করে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড থেকে বিকাশ একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করা যায়।এর মাধ্যমে অনলাইন ব্যাংকিং একাউন্ট থেকে বিকাশে টাকা ট্রান্সফার করা যায়।

পে বিল সুবিধা

বিকাশের পে বিল সুবিধা ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরণের বিল পরিশোধ করা যায়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল,গ্যাস বিল, ইন্টারনেট বিল,ভিসা/ক্রেডিট কার্ডের বিল ইত্যাদি বিকাশ একাউন্ট থেকে দেয়া যায়।

রেমিট্যান্স পাঠানো


বিকাশ একাউন্টে বিদেশ থেকে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুবিধা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিকাশ একাউন্টে রেমিট্যান্স পাঠানোর ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

জমা টাকার উপর মুনাফা


বিকাশ একাউন্টে জমানো টাকার উপর মুনাফা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।গ্ৰাহকরা বিকাশ একাউন্টে জমানো টাকার উপর বার্ষিক ৪% হারে মুনাফা পাচ্ছেন।

বিস্তৃত ক্যাশআউট সুবিধা


বিকাশের বিপুলসংখ্যক এজেন্ট দেশের প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে।এসব এজেন্ট আউটলেট থেকে যেকোন সময় টাকা ট্রান্সফার এবং উওোলনের সু্যোগ চালু রয়েছে।

ট্রেন ও সিনেমার টিকিট সংগ্রহ

বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে এখন ট্রেনের টিকিট ও সিনেমার টিকিট ক্রয় করা যায়।

বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় অনুদান

বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় অনুদান দেয়া যায়।


বিকাশের অসুবিধা

বিকাশ ব্যবহারকারীর একাউন্ট হ্যাক হওয়ার সংবাদ প্রায়ই বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ পায়।তাই নিয়মিত একাউন্ট আপডেট রাখতে হয়। 


মোবাইল ব্যাংকিং সেবা 'রকেট'

ডাচ বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা'রকেট'। রকেট একাউন্টের মাধ্যমে মোবাইল থেকে মোবাইলে টাকা ট্রান্সফার করা যায়। এছাড়া বিভিন্ন দৈনন্দিন বিল পরিশোধ। অনলাইনে ব্যবসায়িক লেনদেন, রেমিট্যান্স ইত্যাদি রকেটের মাধ্যমে সংগ্ৰহ করা যায়। রকেটের বিভিন্ন সুবিধা এখানে তুলে ধরছি।

১.মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা
২.ক্যাশআউট সুবিধা
৩.ক্যাশইন সুবিধা
৪.মার্চেন্ট পেমেন্ট সুবিধা
৫.ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট
৬.বেতন প্রদান
৭.রেমিট্যান্স ট্রান্সফার
৮.মোবাইল রিচার্জ (টাকা,ডাটা, মিনিট)
৯.টাকা ট্রান্সফার
১০.ভাতা প্রদান
১১.এটিএম থেকে টাকা উওোলন

রকেট ক্যাশআউট চার্জ

রকেট ক্যাশআউট চার্জ এজেন্ট পয়েন্ট (১.৮০%),
ডাচবাংলা ব্যাংক (০.৯০%),ফাষ্ট ট্র্যাক (০.৯০%)।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য

রকেট একাউন্ট যদিও মোবাইল নম্বর দিয়ে খোলা হয় তবে এতে নম্বরের শেষে একটি অতিরিক্ত ভিজিট থাকে এবং এরফলে ভুল নম্বরে টাকা পাঠানোর সুযোগ থাকে না।

রকেটের অসুবিধা

রকেটের পিন চার সংখ্যার তাই রকেট একাউন্ট নিয়মিত আপডেট করা জরুরি।



মোবাইল ব্যাংকিং সেবা 'উপায়'


ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হচ্ছে 'উপায়'। উপায় ব্যবহার করে ক্যাশ ইন,ক্র্যাশ আউট , মোবাইল রিচার্জ ইত্যাদি সেবা চালু রয়েছে। উপায়ের বিভিন্ন সুবিধা এখানে আলোচনা করছি।

১.সেন্ড মানি সুবিধা
২.ক্যাশ আউট
৩.পে বিল
৪.অনলাইন কেনাকাটা 
৫.সুবিধাজনক ক্যাশ আউট চার্জ (প্রতি হাজারে ১৪ টাকা)
৬.ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট
৭.রেমিট্যান্স গ্ৰহন
৮.বেতন প্রদান

উপায়ের এক্সক্লুসিভ সেবা

 
উপায়ের বেশকিছু এক্সক্লুসিভ সেবা চালু রয়েছে।

১.ইন্ডিয়ান ভিসা ফি
২.ট্রাফিক ফাইন
৩.তিতাস গ্যাসের বিল পেমেন্ট

টিটুয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের সেরা দশ

                                                                



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ নিউজিল্যান্ড টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সেরা টিমগুলোর একটি।কারণ এই টিমে অধিকাংশ ব্যাটসম্যান পাওয়ারফুল হিটার হিসেবে সফল। নিউজিল্যান্ডের পেসঅ্যাটাক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম সেরা হিসেবে বিবেচিত। এসবের সাথে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে কিউইদের  দুর্দান্ত ফিল্ডিং   অন্য টিমগুলোর চেয়ে তাদেরকে এগিয়ে রেখেছে।আর এসব কিছু মিলিয়ে নিউজিল্যান্ড টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এক শক্তিশালী টিম হিসেবে বিবেচিত।


নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে পাওয়ারফুল হিটার হিসেবে কিউই ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই বিশেষভাবে স্বীকৃত। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান মার্টিন গাপটিল,ব্রেন্ডন ম্যাককালাম,কেন উইলিয়ামসন,কলিন মুনরো, কোরি এন্ডারসন টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় হিটার হিসেবে পরিচিত। এবং নিউজিল্যান্ডের টপঅর্ডার শুরু থেকেই এ ফরম্যাটের এক সেরা টপঅর্ডার হিসেবে পরিচিত। নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

মার্টিন গাপটিল


কিউই হাডহিটার মার্টিন গাপটিল টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান বিচারে নিউজিল্যান্ডের সেরা ব্যাটসম্যান।এই দীর্ঘদেহী ব্যাটসম্যান ইতিমধ্যে কিউইদের হয়ে ১০২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৯৩৯ রান করেছেন। এছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে গাপটিলের ২টি সেঞ্চুরি ও ১৭টি ফিফটি রয়েছে।

ব্রেন্ডন ম্যাককালাম


নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় ব্রেন্ডন ম্যাককালাম দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন।এই মারকুটে ব্যাটসম্যান কিউইদের হয়ে ৭১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২টি সেঞ্চুরি ও ১৩ফিফটিসহ ২১৪০ রান সংগ্রহ করেন।

রস টেলর


নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের মধ্যে অন্যতম নাম রস টেলর।এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ১০২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৯০৯ রান সংগ্রহ করেন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ৭টি ফিফটি রয়েছে।

কেন উইলিয়ামসন


নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কেন উইলিয়ামসন অন্যতম।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৬৭টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৩ফিফটিসহ ১৮০৫ রান সংগ্রহ করেন।

কলিন মুনরো


কলিন মুনরো নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৬৫টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৭২৪ রান সংগ্রহ করেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে মুনরোর ৩টি সেঞ্চুরি ও ১১টি ফিফটি রয়েছে।


টিম সেইফার্ট

টিম সেইফার্ট কিউইদের হয়ে ৩৫টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬৯৫ রান সংগ্রহ করেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এই ব্যাটসম্যানের ৫টি ফিফটি রয়েছে।

স্কট স্টাইরিস


স্কট স্টাইরিস নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৩১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫৭৮ রান করেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এই ব্যাটসম্যানের ১টি ফিফটি রয়েছে।


গ্লেন ফিলিপস

গ্লেন ফিলিপস কিউইদের হয়ে ২৫টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫০৬ রান সংগ্রহ করেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এই ব্যাটসম্যানের ১টি সেঞ্চুরি ও ২টি ফিফটি রয়েছে।

কলিন ডি গ্ৰেন্ডহোম


কলিন ডি গ্ৰেন্ডহোম নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৩৬টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩ফিফটিসহ ৪৮৭ রান সংগ্রহ করেন।

কোরি এন্ডারসন


কোরি এন্ডারসন কিউইদের হয়ে ৩১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২ফিফটিসহ ৪৮৫ রান  করেন।


নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলার

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের বেশকিছু বোলার  সফলতা দেখিয়েছেন।সেরা কিউই টিটুয়েন্টি বোলার হিসেবে এক্ষেত্রে টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্ট,স্যান্টনার,ভেট্টরিদের কথা বিশেষভাবে স্মরণযোগ্য। নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


টিম সাউদি


টিম সাউদি ৮৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৯৯টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৫/১৮)।

ইস সোধি


ইস সোধি নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৫৭টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৭৩টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৪/২৮।

মিশেল স্যান্টনার


মিশেল স্যান্টনার কিউইদের হয়ে ৫২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬০টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ৪/১১।

নাথান ম্যাককালাম


নাথান ম্যাককালাম ৬৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫৮টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ৪/১৬।

ট্রেন্ট বোল্ট


ট্রেন্ট বোল্ট ইতিমধ্যে ৩৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪৬টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৪/৩৪।

কাইল মিলস


কাইল মিলস কিউইদের হয়ে ৪২ টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪৩টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ৩/২৬ ।

ডেনিয়েল ভেট্ররি


ডেনিয়েল ভেট্ররি নিউজিল্যান্ডের সর্বকালের অন্যতম সেরা স্পিনার হিসেবে সমাদৃত।এই অফস্পিনার ৩৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩৮টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ৪/২০।

মিশেল ম্যাকলেগান


মিশেল ম্যাকলেগান ২৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩০টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ৩/১৭।

এডাম মিনলে


এডাম মিনলে ২৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৮টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ৪/৩৭।

শেন বন্ড


শেন বন্ড নিউজিল্যান্ডের হয়ে ২০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৫টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং 
৩/১৮।


যেমন হলো সিপিএলের স্কোয়াডগুলো

                                                              


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এবারের ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) সূচি আগেই জানানো হয়েছিল। এবং সিপিএলের প্লেয়ার ড্রাপটও ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।২০২১ সালের সিপিএলে যথারীতি ৬টি ফ্রাঞ্চাইজি টিম গঠন করেছে।এ লেখায় ২০২১ সিপিএলের ছয় স্কোয়াড  এবং তাদের শক্তিমত্তা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করব।


সিপিএলের ৬ স্কোয়াড

এবারের সিপিএলে মোট দলসংখ্যা ৬। করোনাকালিন এবারের সিপিএলে প্রায় সব ফ্রাঞ্চাইজিই শক্তিশালী টিম গঠন করেছে। আসুন কেমন হল এবারের সিপিএল স্কোয়াডগুলো সেটি দেখে নিই।

জামাইকা তালাওয়াশ


আন্দ্রে রাসেল, সাকিব আল হাসান, কার্লোস ব্রাথওয়েট,রভম্যান পাওয়েল , হায়দার আলী,চ্যাডউইক ওয়ালটন , ফিদেল এডওয়ার্ডস,জশুয়া জেমস, কায়েস আহমেদ,জেমস মোহাম্মদ,মিগারেল প্রিটোরিয়াস, কেনার লুইস, ইব্রাহিম জাদরান,জেরেসামি পেরমল,আভিজাই মানসিং,কার্ক ম্যাকেঞ্জি,রায়ান পারসদ

সেন্ট লুসিয়া জুকস

আলজারি জোসেফ,ফাফ ডুপ্লেসিস,ওয়াহাব রিয়াজ,কিমো পল,ম্যাথু ওয়েড,আন্দ্রে ফ্লেচার,কেসরিক উইলিয়ামস, উসমান কাদির,সামিত প্যাটেল,ওবেদ ম্যাকয়,রাকিম কর্নওয়েল,মার্ক দেয়াল,রুষ্টন চেজ,জাভেলে গ্লেন,কিরন কটোয়,জেভর রয়াল,কাদিম আলেয়িনে

সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস প্যাটট্রিয়র্স


ডোয়াইন ব্রাভো,এভিন লুইস,ক্রিস গেইল,ফ্যাবিয়ান এলেন,রসি ভ্যান ডার ডুসেন,আনরিক নর্টজে,শেরফানে রাদারফোর্ড,শেলডন কটরেল,ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ,ডেভন থমাস,রায়াদ এমরিট, রহমতুল্লাহ গুরবাজ,কলিন আরশিবাল্ড,জন রাস জাগেসার,ডমিনিক ড্রেকস,জশুয়া ডি সিলভা,মিকাইল লুইস

বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস

ক্রিস মরিচ,জেসন হোল্ডার,থিসারা পেরেরা, মোহাম্মদ আমির,জনসন চার্লস,শাই হোপ,ওশানে থমাস,কাইল মায়ার্স, হেইডেন ওয়ালস জুনিয়র,আজম খান,রেমন রেইফার,জাষ্টিন গ্ৰেভস,অ্যাশলে নার্স, শফিকুল্লাহ গাফারি,নিম ইয়ং,জশুয়া বিশপ,স্মিত প্যাটেল

ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স

কিয়েরন পোলার্ড, সুনীল নারাইন,রবি রামপাল,লিন্ডল সিমন্স,ইসুরু উদানা,কলিন মুনরো,ডারেন ব্রাভো,সন্দীপ লামিসানে,খ্যারি পিয়েরে, সিকান্দার রাজা,অ্যান্ডারসন ফিলিপ, দিনেশ রামদিন,টিয়ন ওয়েবস্টার,আকিল হোসেন,জেডেন সিলস, লিওনার্দো হুলিয়ান,আলী খান

গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স

নিকোলাস পুরান,শিমরন হেটমায়ার, শোয়েব মালিক, ইমরান তাহির, মোহাম্মদ হাফিজ,ব্রেন্ডন কিং,নবীন উল হক, রোমারিও শেফার্ড,ওডেন স্মিথ, ওয়াকার সালামকেইল,চন্দরপল হেমরাজ,নিয়াল স্মিথ,গুড়াকেশ মোটি,অ্যান্তনি ব্র্যাম্বল

যাদের উপর দৃষ্টি থাকবে

এবারের সিপিএলের প্রায় প্রতিটি ফ্রাঞ্চাইজিই শক্তিশালী টিম করেছে।তাই ব্যাটবলের লড়াইয়ে কাউকে হালকাভাবে নেয়ার খুব বেশি সুযোগ নেই। বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজির গুরুত্বপূর্ণ প্লেয়ারদের সম্পর্কে এখানে আলোচনা করছি।


জামাইকা তালাওয়াশ : জামাইকা তালাওয়াশ বেশ শক্তিশালী টিম গঠন করেছে।এই ফ্রাঞ্চাইজির গুরুত্বপূর্ণ প্লেয়ারদের মধ্যে অন্যতম হলেন আন্দ্রে রাসেল, কার্লোস ব্রাথওয়েট, সাকিব আল হাসান,চ্যাডউইক ওয়ালটন, ফিদেল এডওয়ার্ডস।


সেন্ট লুসিয়া জুকস : সেন্ট লুসিয়া জুকসের মূল কান্ডারি হিসেবে  থাকবেন যথাক্রমে ফাফ ডুপ্লেসিস, ওয়াহাব রিয়াজ,ম্যাথু ওয়েড, আন্দ্রে ফ্লেচার,রাকিম কর্নওয়েল,রূষ্টন চেজ।


সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস প্যাটট্রিয়র্স : সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস প্যাটট্রিয়র্স এবারের সিপিএলে সম্ভবত সবচেয়ে সেরা টিম করেছে।এই ফ্রাঞ্চাইজির যে প্লেয়ারদের উপর বিশেষ দৃষ্টি থাকবে তাদের মধ্যে অন্যতম  হচ্ছেন ইউনিভার্স বস খ্যাত ক্রিস গেইল। এছাড়া এই ফ্রাঞ্চাইজির গুরুত্বপূর্ণ প্লেয়ারদের মধ্যে রয়েছেন অন্যতম হলেন ডোয়াইন ব্রাভো, এভিন লুইস,রসি ভ্যান ডার ডুসেন,এনরিক নর্টজে,শেলডন কটরেল,হাসারাঙ্গা,ডেভন থমাস।


বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস : বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস যথারীতি ব্যালান্সড টিম করেছে।এই ফ্রাঞ্চাইজির গুরুত্বপূর্ণ প্লেয়ারদের মধ্যে অন্যতম ক্রিস মরিচ, জেসন হোল্ডার, থিসারা পেরেরা, মোহাম্মদ আমির ,জনসন চার্লস, শাই হোপ,কাইল মায়ার্স, হেইডেন ওয়ালস জুনিয়র।


ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স : ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের মূল কান্ডারি হিসেবে যারা থাকবেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন কিয়েরন পোলার্ড,সুনীল নারাইন,লিন্ডল সিমন্স, ইসুরু উদানা, কলিন মুনরো, সিকান্দার রাজা।


গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স : গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের মূল প্লেয়ার হিসেবে থাকবেন নিকোলাস পুরান, শিমরন হেটমায়ার, শোয়েব মালিক, ইমরান তাহির, মোহাম্মদ হাফিজ, রোমারিও শেফার্ড।


সিপিএল ফাইনাল পরিসংখ্যান

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল )শুরু হয় ২০১৩ সালে। সিপিএলের সর্বশেষ আসর ২০২০সালে অনুষ্ঠিত হয়।২০২১ সালের সিপিএল শুরু হবে ২৮ আগষ্ট এবং সমাপ্ত  হবে ১৯সেপ্টেম্বর । এখানে সিপিএলের ফাইনাল ম্যাচগুলোর পরিসংখ্যান তুলে ধরা হলো।

সিপিএল ২০১৩ 


চ্যাম্পিয়ন - জামাইকা তালাওয়াশ 
রানার্সআপ - গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স

সিপিএল ২০১৪


চ্যাম্পিয়ন - বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস
রানার্সআপ - গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স

সিপিএল ২০১৫


চ্যাম্পিয়ন - ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো রেডস্টিল
রানার্সআপ - বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস

সিপিএল ২০১৬


চ্যাম্পিয়ন - জামাইকা তালাওয়াশ
রানার্সআপ - গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স

সিপিএল ২০১৭


চ্যাম্পিয়ন - ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স
রানার্সআপ - সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস প্যাটট্রিয়র্স

সিপিএল ২০১৮


চ্যাম্পিয়ন - ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স
রানার্সআপ -গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স

সিপিএল ২০১৯


চ্যাম্পিয়ন -বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস
রানার্সআপ -গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স

সিপিএল ২০২০


চ্যাম্পিয়ন -ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স
রানার্সআপ - সেন্ট লুসিয়া জুকস

ঐতিহ্যবাহী লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরির গল্প

                                                                   

 

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ইংল্যান্ডের লর্ডসকে বলা হয় 'হোম অব ক্রিকেট'।অর্থাৎ ক্রিকেটের এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়াম হচ্ছে লর্ডস। এবং লর্ডসে সেঞ্চুরি কিংবা ডাবল সেঞ্চুরি ক্রিকেটের এক বিশিষ্ট রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃত। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে ইংল্যান্ডের এই ঐতিহ্যবাহী ক্রিকেটগ্ৰাউন্ডে সেঞ্চুরি কিংবা ডাবল সেঞ্চুরির সংখ্যা প্রায় হাতেগোনা।সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের তরুণ ব্যাটসম্যান ডেভন কনওয়ে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করে আলোচনায় আসেন।লর্ডসে নিজের অভিষেক টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করে এক বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন এই কিউই ওপেনার। উল্লেখ্য বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে তামিম ইকবালের লর্ডসে সেঞ্চুরির কীর্তি রয়েছে। আজকের স্টোরিটি লর্ডসের সব ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।ছবি: ডেভন কনওয়ে।


লর্ডসের ম্যাচ পরিসংখ্যান

ক্রিকেটের বিশেষ ঐতিহ্য লর্ডসে ইতিপূর্বে ১৩০টি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্রিকেটের 'হোম অব ক্রিকেট ' হিসেবে পরিচিত এই মাঠে ইতিমধ্যে ৫৬টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলা হয়েছে। ইংলিশ ক্রিকেটার অ্যালান স্টিল ১৮৮৪ সালে  প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে লর্ডসের মাঠে সেঞ্চুরি করেন ।লর্ডসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংসটি আরেক ইংলিশ গ্ৰেট গ্ৰায়াম গোচের(৩৩৩ রান)। বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে লর্ডসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক দক্ষিণ আফ্রিকার গ্ৰায়েম স্মিথ (২৫৯ রান)।লর্ডসে সর্বাধিক ৩টি করে টেস্ট সেঞ্চুরি রয়েছে গ্ৰায়াম গোচ,মাইকেল ভন ও দিলিপ ভেংশরকারের ।লর্ডসে সর্বাধিক ৩টি ওয়ানডে শতক রয়েছে সাবেক  ইংলিশ ব্যাটসম্যান মার্কাস ট্রেসকোথিকের ।

লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরির যত কীর্তি


লর্ডসে ইতিমধ্যে ১৮টি ডাবল সেঞ্চুরির ঘটনা ঘটেছে।  হোম অব ক্রিকেটে(লর্ডস) প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন ইংল্যান্ডের জ্যাক হবস (১৯২৪)। এবং লর্ডসে সর্বশেষ ডাবল সেঞ্চুরি করেন নিউজিল্যান্ডের ডেভন কনওয়ে (২০২১)।লর্ডসের সবগুলো ডাবল সেঞ্চুরির পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

জ্যাক হবস 

লর্ডসে সর্বপ্রথম ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন ইংল্যান্ডের জ্যাক হবস (২১১রান) ১৯২৪সালে।সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান


অসি গ্ৰেট ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান (২৫৪রান)  ১৯৩০সালে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড।

ওয়ালি হামন্ড


ইংল্যান্ডের ওয়ালি হামন্ড (২৪০ রান) ১৯৩৮ সালে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। প্রতিপক্ষ ছিল অষ্ট্রেলিয়া।

বিল ব্রাউন


অসি ব্যাটসম্যান বিল ব্রাউন (অপরাজিত২০৬ ) ১৯৩৮ সালে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড।

জো হার্ডস্টাপ


ইংলিশ ব্যাটসম্যান জো হার্ডস্টাপ (অপরাজিত ২০৫) ১৯৪৬ সালে ভারতের বিপক্ষে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।

ডেনিস কম্পটন


ইংল্যান্ডের ডেনিস কম্পটন (২০৮ রান) ১৯৪৭ সালে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

মার্টিন ডনলি


সাবেক কিউই ব্যাটসম্যান মার্টিন ডনলি (২০৬ রান) ১৯৪৯ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।

মহসিন খান


পাকিস্তানের মহসিন খান (২০০ রান) ১৯৮২ সালে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড।

গর্ডন গ্ৰিনিজ


সাবেক উইন্ডিজ গ্ৰেট গর্ডন গ্ৰিনিজ ১৯৮৪ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন।গ্ৰীনিজের ইনিংসটি ছিল অপরাজিত ২১৪ রানের।

গ্ৰায়াম গোচ


১৯৯০ সালে সাবেক ইংলিশ ব্যাটসম্যান গ্ৰায়াম গোচ ভারতের বিপক্ষে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। তাঁর ইনিংসটি ৩৩৩ রানের যা লর্ডসের মাঠে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস।

গ্ৰায়েম স্মিথ


দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ওপেনার গ্ৰায়েম স্মিথ ২০০৩ সালে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। তাঁর ইনিংসটি ছিল ২৫৯ রানের এবং এই ইনিংসটি লর্ডসে বিদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস।

রবার্ট কি


ইংলিশ ব্যাটসম্যান রবার্ট কি ২০০৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। তাঁর ইনিংসটি ছিল ২২১ রানের।

মোহাম্মদ ইউসুফ


পাকিস্তানের মোহাম্মদ ইউসুফ (২০২ রান) ২০০৬ সালে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড।

জোনাথন ট্রট


ইংলিশ ব্যাটসম্যান জোনাথন ট্রট ২০১০ সালে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। তাঁর ইনিংসটি ছিল ২২৬ রানের। প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশ। সেই টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের তামিম ইকবাল লর্ডসে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন।

কেভিন পিটারসেন


সাবেক তারকা ইংলিশ ব্যাটসম্যান কেভিন পিটারসেন (অপরাজিত ২০২ রান) ২০১১সালে ভারতের বিপক্ষে লর্ডসে অপরাজিত ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন।


জে রুট


গ্ৰেট ইংলিশ ব্যাটসম্যান জে রুট ২০১৪ সালে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। তাঁর ইনিংসটি ছিল অপরাজিত ২০০ রানের। প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা।


স্টিভ স্মিথ


অষ্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটসম্যান স্টিভ স্মিথ ২০১৫ সালে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি(২১৫ রান) করেন। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড।

ডেভন কনওয়ে


সর্বশেষ ২০২১ এ নিউজিল্যান্ডের ডেভন কনওয়ে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে কনওয়ে(২০০ রান) তাঁর অভিষেক টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন।

লর্ডসে প্রথম সেঞ্চুরির পরিসংখ্যান

ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী লর্ডসে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটারদের সেঞ্চুরির ইতিহাস রয়েছে। কোন কোন দেশের একাধিক ব্যাটসম্যান লর্ডসে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন। এখানে বিভিন্ন দেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে লর্ডসে সেঞ্চুরির রেকর্ডগুলো তুলে ধরা হলো।

ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান তথা লর্ডসের মাঠে প্রথম সেঞ্চুরি করেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান অ্যালান স্টিল (১৮৮৪ সালে)।অষ্ট্রেলিয়ার প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন হ্যারি গ্ৰায়াম(১৮৯৩)। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে পার্সি শেরওয়েল (১৯০৭)লর্ডসে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে স্টিউ জেমস্টার ১৯৩১ সালে লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে জর্জ হ্যাডলি ১৯৩৯ সালে লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন। ভারতের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ভিনো মানকাড ১৯৫২ সালে লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন। পাকিস্তানের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে জাবেদ বারকি ১৯৬২ সালে লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন। প্রথম লংকান ব্যাটসম্যান হিসেবে লর্ডসে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন সিদ্ধার্থ ওয়েটেমুনি (১৯৮৪)। ২০১০ সালে তামিম ইকবাল বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে লর্ডসে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন । উল্লেখ্য উপরিউক্ত দেশগুলোর বাইরে আর কোন দেশের ব্যাটসম্যান লর্ডসে সেঞ্চুরি করতে পারেননি।

স্থগিত পিএসএলের নতুন ভেন্যু ও সূচি

                                                                   

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ অবশেষে করোনার জন্য স্থগিত পিএসএলের নতুন ভেন্যু ও ম্যাচসূচি প্রকাশ করা হয়েছে।পিএসএলের অসমাপ্ত খেলাগুলো আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে পিএসএলের ৬ষ্ঠ আসর চলছে।পিএসএলের এই আসর প্রথমে পাকিস্তানে শুরু হলেও করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় ২০টি ম্যাচ বাকি রেখে আসরটি স্থগিত করা হয়।  আগামী ৯ জুন থেকে আবুধাবিতে পিএসএলের বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এবারের পিএসএলের ফাইনাল হবে ২৪ জুন।


পিএসএলের নতুন ম্যাচসুচি


পিএসএলের বাকি ম্যাচগুলোর সূচি এখানে দেখে নিন।

৯ জুন : লা: কা: বনাম ই: ইউ:
১০ জুন : মু:সু: বনাম ক: কি: এবং পে:জা: বনাম লা: কা:
১১ জুন : ই:ইউ বনাম কো: গ্লে:
১২ জুন : কো:গ্লে: বনাম পে: জা:
১৩ জুন : ই:ইউ: বনাম লা:কা: এবং মু:সু: বনাম পে:জা:
১৪ জুন : ই:ইউ বনাম ক: কি:
১৫ জুন :কো:গ্লে: বনাম লা: কা: এবং পে: জা: বনাম ক:কি:
১৬ জুন: মু:সু: বনাম কো:গ্লে:
১৭ জুন : ই:ইউ: বনাম পে: জা: এবং ক:কি: বনাম লা:কা:
১৮জুন : মু:সু: বনাম লা:কা:
১৯ জুন: কো:গ্লে: বনাম ক:কি: এবং মু:সু: বনাম ই:ইউ:
২১ জুন : কোয়ালিফায়ার ও এলিমিনেটর-১
২২ জুন: এলিমিনেটর-২
২৪ জুন : ফাইনাল

পিএসএলের এবারের টিমগুলো যথাক্রমে করাচি কিংস,কোয়েট্টা গ্লেডিয়েটর্স,মুলতান সুলতানস, ইসলামাবাদ ইউনাইটেড,লাহোর কালান্দার্স ও পেশোয়ার জালমি।


পিএসএলের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যান

পিএসএলের সেরা দশ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

১.বাবর আজম ৫২ম্যাচ খেলে সংগ্রহ ১৭৭৪ রান। ২.কামরান আকমল ৬১ ম্যাচ খেলে সংগ্রহ ১৬০৬ রান। ৩.শেন ওয়াটসন ৪৬ ম্যাচ খেলে সংগ্রহ ১৩৬১ রান। ৪.ফখর আজম ৪৪ ম্যাচ খেলে সংগ্রহ ১২৫৩ রান। ৫.শোয়েব মালিক ৫৩ ম্যাচ খেলে সংগ্রহ ১২২৮ রান।

পিএসএলের সেরা দশ বোলার

পিএসএলের সেরা দশ বোলারের পরিসংখ্যান এখানে দেখে নিন।

১.ওয়াহাব রিয়াজ ৫৯ ম্যাচে ৮৪ উইকেট। ২.হাসান আলী ৪৯ ম্যাচে ৬৫ উইকেট। ৩.মোহাম্মদ আমির ৫৩ ম্যাচে ৫৩ উইকেট। ৪.ফাহিম আশরাফ ৩৫ ম্যাচে ৫০ উইকেট। ৫.মোহাম্মদ নেওয়াজ ৫৭ ম্যাচে ৫০ উইকেট।

সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                               

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারে কিছু নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। তেমনি কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য এখানে তুলে ধরছি।


বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়োগ

বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ঈশ্বরদী,পাবনা) রাজস্বখাতভুক্ত বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : সহকারী শিক্ষক (বাংলা, হিসাববিজ্ঞান,ব্যবস্থাপনা,রসায়ন বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ইত্যাদি),হিসাব সহকারী,ক্যাশিয়ার,ওয়েল্ডার,অফিস সহায়ক,সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর ,বার্তা বাহক , পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রভৃতি পদ।

পদসংখ্যা:৩৭টি 

যোগ্যতা : পদভেদে অষ্টম শ্রেণী পাস থেকে সর্বোচ্চ বিএডসহ স্মাতক ডিগ্রি।

বয়স: ১৮-৩০বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে বয়স ১৮-৩২ বছর।

বেতন: পদভেদে গ্ৰেড-১০ থেকে গ্ৰেড-২০।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন ( ভিজিট http://bsri.teletalk.com.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ: ০২/০৭/২০২১ বিকাল ৫ ঘটিকা

সূত্র : বিডিজবস ডটকম


ট্রাষ্ট ব্যাংকে নিয়োগ


দেশের সুপরিচিত প্রাইভেট ব্যাংক ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেডে 'অফিসার-ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডোজ' পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : অফিসার- ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডোজ

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা: এমবিএ / বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে দুই বছরের অভিজ্ঞতা।

চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন

কর্মক্ষেএ: বাংলাদেশের যেকোন স্থান


আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (https://career.tblbd.com)

আবেদনের শেষ তারিখ:১৫/০৬/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম

ব্র্যাক ব্যাংকে নিয়োগ

দেশের সুপরিচিত প্রাইভেট ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে 'ডেপুটি ম্যানেজার-ফাইন্যান্সিয়াল মনিটরিং ' পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : ডেপুটি ম্যানেজার- ফাইন্যান্সিয়াল মনিটরিং

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাউন্টিং/ফিনান্সে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে দুই বছরের অভিজ্ঞতা।

চাকরির ধরণ : পূর্ণকালীন

কর্মক্ষেএ ব্র্যাক প্রধান কার্যালয়,বাঁকা।


আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন(www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ: ১০/০৬/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম



কে জিতবে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা

                                                                 

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আর খুব বেশি দূরে নয়।১৮জুন থেকে শুরু হবে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনের রোজবুলে। ফাইনালের দুই দল ইতিমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে। ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ড আগেই আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল এবং পরবর্তীতে ভারত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। অর্থাৎ ২০১৯-২০২০ সময়ের দুই শীর্ষ টেস্ট টিম আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে নামবে। এখানে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুই ফাইনালিস্ট টিমের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করছি।

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শুরু

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য প্রথম আলোচনা হয় ২০০৯ সালে।২০১০ সালে আইসিসির নির্বাহী কমিটির সভায় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অনুমোদন দেয়া হয়।তবে ২০১৯ সালের আশেজ সিরিজের মধ্যদিয়ে  প্রথম আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা শুরু হয় । নিউজিল্যান্ড প্রথম টিম হিসেবে ২০১৯-২০২১ আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। পরবর্তীতে ভারত ২০১৯-২০২১ আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠে। অবশেষে সব জল্পনা কল্পনা পর আগামী ১৮ জুন আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের  ফাইনাল শুরু হতে যাচ্ছে।


ভারত-নিউজিল্যান্ড টেস্ট রেকর্ড


ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ইতিমধ্যে ৫৯টি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে ভারত ২১টি টেষ্টে জয়লাভ করেছে এবং ১২টি টেস্টে নিউজিল্যান্ড জয়ী হয়েছে। এছাড়া ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ২৬টি টেস্ট ম্যাচ ড্র হয়েছে।

ভারতের  টেস্ট রেকর্ড

ভারত বিশ্বের অন্যতম সেরা টেস্ট টিম হিসেবে স্বীকৃত।আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের আগে ভারতের টেস্ট পরিসংখ্যানে চোখ দিলে দেখা যায় দলটি ইতিপূর্বে মোট ৫৫০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে।ভারতীয় দল ইতিমধ্যে মোট ১৬২টি টেস্ট ম্যাচে জয়ী হয়েছে। এছাড়া দলটি ইতিমধ্যে ১৬৯টি টেস্ট ম্যাচে পরাজিত হয়েছে।ভারত তাদের টেস্ট ইতিহাসে মোট ২১৮টি টেস্ট ড্র করেছে এবং ১টি টেস্ট পরিত্যক্ত হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের টেস্ট রেকর্ড

নিউজিল্যান্ড টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে বেশ জনপ্রিয় এক টিম হিসেবে স্বীকৃত। এই দলটি ইতিপূর্বে ৪৪৬টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে যেখানে তারা ১০৫টি টেষ্টম্যাচে জয়ী হয়েছে। এছাড়া দলটি ইতিপূর্বে ১৭৫টি টেস্ট ম্যাচে পরাজিত হয়েছে। নিউজিল্যান্ড মোট ১৬৬টি টেস্ট ড্র করেছে।

ভারতের মূলশক্তি

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত ও নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হবে। এক্ষেত্রে দুদলের শক্তির জায়গা অবশ্যই ভিন্ন। ভারতের কথা বললে তাদের বিশ্বসেরা ব্যাটিং লাইনআপ একটি বড় নিয়ামক। তাছাড়া বিরাট কোহলির মত সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান ভারতের হয়ে খেলছেন এটি তাদের জন্য বিশাল বিষয়। তাছাড়া ভারতের টপঅর্ডারে পুজারা, রোহিত শর্মা, রাহানে,বিশব পন্তদের মত পরীক্ষিত পারফরমার রয়েছেন। ভারতীয় দলে একাধিক মেধাবী তরুণ ব্যাটসম্যানও রয়েছেন।এসব ছাড়াও ভারতের টেষ্ট বোলিংকে এ মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম ব্যালান্সড অ্যাটাক হিসেবে ধরা হয়। ইংল্যান্ডের মাঠে ভারতীয় পেসাররা উজ্জ্বল হয়ে উঠবেন এটি আগাম ধারণা করা যায়। জাদেজা,অশ্বিনের মত অভিজ্ঞ স্পিনার রয়েছে দলটিতে এবং এটিও ভারতের বড় এক প্রেষণা।

নিউজিল্যান্ডের মূলশক্তি

নিউজিল্যান্ডের বড় শক্তি হচ্ছে তাদের ধারাবাহিক টেষ্টসাফল্য। তাছাড়া কিউইদের নেতৃত্বে রয়েছেন সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান কেন উইলিয়ামসন। দলটিতে রস টেলরের মত অভিজ্ঞ টেস্ট পারফরমার রয়েছেন। তাছাড়া গাপটিল,ওয়াটলিং, নিকোলাস,নিশাম এরা প্রত্যেকেই দারুণ ব্যাটসম্যান হিসেবে স্বীকৃত। ইংল্যান্ডের মাঠে এদের প্রায় প্রত্যেকের ভালো রেকর্ড রয়েছে।তবে নিউজিল্যান্ড টিমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি নিঃসন্দেহে তাদের পেস অ্যাটাক(সাউদি-বোল্ট-জেমিসন-ম্যাট হেনরি)। এসময়ের সবচেয়ে সেরা পেস অ্যাটাক নিয়ে দলটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল শুরু করবে।


ব্যাট হাতে দুদলের মূলশক্তি


দুই দলেই একাধিক সেরা ব্যাটসম্যান রয়েছে।আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচে ভারত সময়ের সেরা টপঅর্ডার নিয়ে মাঠে নামবে।বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার মত ধারাবাহিক পারফরমার দলটিতে রয়েছেন। এছাড়া সময়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে পুজারা, আজিঙ্কা রাহানে,রিশব পন্তের মত ব্যাটসম্যান ভারতীয় দলে খেলবেন। এসবের বাইরে রবীন্দ্র জাদেজার ভালো ব্যাটিংয়ের সামর্থ্য রয়েছে। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপে  কেন উইলিয়ামসন, মার্টিন গাপটিল এবং রস টেলরের মত অভিজ্ঞ ও তারকা ব্যাটসম্যান রয়েছেন। এছাড়া দলটিতে ওয়াটলিং, নিকোলাস,নিশামের মত সময়ের সফল ব্যাটসম্যান রয়েছেন।আর মোটামুটি এসবকিছু মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপকে বেশ শক্তিশালী হিসেবেই দেখতে হবে।


বল হাতে দুদলের মূলশক্তি

যেহেতু ইংল্যান্ডের মাঠে খেলা হবে তাই আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উইকেটের সুবিধা কে বেশি পাবে সেটি বলা কঠিন।তাই এখানে দুদলের বোলারদের মান ও রেকর্ড শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এদিক দিয়ে বিবেচনা করলে বলতে হবে দুদলই প্রায় কাছাকাছি শক্তির বোলিং নিয়ে মাঠে নামবে। ভারতের পেস অ্যাটাকে বুমরা,সামি,উমেশ যাদব, ইশান্ত শর্মা, মোঃ সিরাজের মত সেরা বোলাররা রয়েছেন। এছাড়া ভারতের স্পিন অ্যাটাকে সময়ের সেরা রবীন্দ্র জাদেজা,অশ্বিনের মত বোলাররা রয়েছেন। অন্যদিকে কিউইদের পেস অ্যাটাকে টিম সাউদি,ট্রেন্ট বোল্ট,ম্যাট হেনরি,কাইল জেমিসনের মত দারুণ সব বোলারকে দেখা যাবে। এসবের সাথে দলটিতে স্যান্টনারের মত তারকা স্পিনার রয়েছেন।

দুদলের দুর্বল দিক

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত ও নিউজিল্যান্ড দুই দলেই কিছু দুর্বলতা থাকবে। যেহেতু খেলাটি হচ্ছে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে তাই দুদলই কিছুটা আগাম চাপে থাকবে।কারণ স্পিন সহায়ক উইকেট হলে ভারতের জন্য বেশি সুবিধা হবে আবার পেস সহায়ক উইকেট হলে নিউজিল্যান্ডের জন্য সুবিধাজনক হবে। তবে স্পোটিং উইকেট হলে দুদলের সমান সুযোগ থাকবে।  তবে সবকিছু বিবেচনায় আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল যে বেশ জমজমাট হতে যাচ্ছে তা আগামই ধারণা করা যায়।


আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল সূচি

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (২০১৯-২০২১) ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৮-২২জুন,২০২১ তারিখে। ফাইনালের ভেন্যু - রোজবুল, সাউদাম্পটন, ইংল্যান্ড।