WHAT'S NEW?
Loading...

কোচ রাসেল ডমিঙ্গো ও তাঁর পূর্বসূরীদের পরিসংখ্যান

                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ক্রিকেটে কোচদের ভূমিকা ব্যাপক এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোচদের ভূমিকা আরও বিস্তৃত। ক্রিকেটে একজন ভালো কোচ টিমের সাফল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন প্রতিভা অন্বেষণ,একটি টিমের সার্থক ভবিষ্যত বিনির্মাণ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে থাকেন। ক্রিকেটের সফল কোচ হিসেবে অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক কোচ জন বুকানন, ভারতের সাবেক কোচ গ্যারি কারষ্টেন, শ্রীলঙ্কা ও পর্রবর্তীতে বাংলাদেশের সাবেক কোচ ডেভ হোয়াটমোরের  নাম করা যায়।  এই লেখায় বাংলাদেশের বিদেশি কোচদের রেকর্ড, পরিসংখ্যান ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করব।


গর্ডন গ্ৰিনিজ


সাবেক উইন্ডিজ লিজেন্ড গর্ডন গ্ৰিনিজ(নভেম্বর ১৯৯৬-মে ১৯৯৯) বাংলাদেশের প্রথম বিদেশি কোচ। তাঁর কোচিংয়ে বাংলাদেশ প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা আইসিসি ট্রফি জয় করে। এছাড়া তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড ও পাকিস্তানকে পরাজিত করে।গ্ৰিনিজ বাংলাদেশের কোচ হিসেবে কাজ করে দারুণভাবে প্রশংসিত হন। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ২৩টি ওডিআই খেলে ৩ জয় পায় ও ২০ ম্যাচে পরাজিত হয়।


এডি বারলো


গর্ডন গ্ৰিনিজ পরে বাংলাদেশের কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন এডি বারলো।বারলো আগষ্ট ১৯৯৯ থেকে জানুয়ারি ২০০১ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ ছিলেন।বারলোর অধীনে বাংলাদেশ দল ১ টেস্ট ও ৬টি ওয়ানডে খেলে সবগুলোতে পরাজিত হয়।

ট্রেভর চাপেল


অষ্ট্রেলিয়ার ট্রেভর চাপেল বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসেন ২০০১ সালে। তিনি ২০০১ সালের এপ্রিল থেকে ২০০২ সালের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।চাপেলের অধীনে বাংলাদেশ দল ১০টি টেস্ট খেলে ৯ টিতে পরাজিত হয় এবং ১টি টেস্ট ড্র করে।এই অষ্ট্রেলীয় কোচের অধীনে বাংলাদেশ ৯টি ওয়ানডে খেলে সবগুলোতে পরাজিত হয়।

মহসিন কামাল-আলী জিয়া

২০০২ সালের এপ্রিল থেকে ২০০৩ সালের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মহসিন কামাল ও আলী জিয়া ।এদের অধীনে বাংলাদেশ ৬টি টেস্ট খেলে সবগুলোতে পরাজিত হয়। এছাড়া এদের অধীনে বাংলাদেশ ১৭টি ওয়ানডে ম্যাচ ১৫টিতে পরাজয় বরণ করে এবং ২টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি।

ডেভ হোয়াটমোর

বাংলাদেশের কোচ হিসেবে তিন ফরম্যাটেই সফলতা পেয়েছেন ডেভ হোয়াটমোর।এই অষ্ট্রেলীয় কোচ ২০০৩ সালের জুন থেকে ২০০৭ এর মে পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ২৭টি টেস্ট খেলে ১টি ম্যাচে জয় পায় ও ৪টি ম্যাচ ড্র করে এছাড়া বাকি ২২টি ম্যাচে পরাজিত হয়।হোয়াটমোরের অধীনে বাংলাদেশ ৮৯টি ওয়ানডে খেলে ৩৩ ম্যাচে জয়ী হয় এবং ৫৬টি ম্যাচে পরাজিত হয়। এছাড়া এই হোয়াটমোরের অধীনে বাংলাদেশ ১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে সেটিতে জয়লাভ করে।

জেমি সিডন্স

জেমি সিডন্স অক্টোবর ২০০৭ থেকে এপ্রিল ২০১১ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।সিডন্সের অধীনে বাংলাদেশ ১৯টি টেস্ট খেলে ২টি ম্যাচে জয় ও ১টি ম্যাচ ড্র করে এছাড়া বাকি ১৬ ম্যাচে পরাজিত হয়।এই অষ্ট্রেলীয় কোচের অধীনে বাংলাদেশ ৮৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৩১টিতে জয় ও ৫৩টি ম্যাচে পরাজিত হয়। এছাড়া সিডন্সের অধীনে বাংলাদেশ ৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে সবগুলোতে পরাজিত হয়।

স্টুয়াট ল


সিডন্সের পর বাংলাদেশ দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন স্টুয়াট ল।স্টুয়াট ল ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১২ এর মে পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ৫টি টেস্ট খেলে ১টি ড্র ও ৪টি ম্যাচে পরাজয় বরণ করে।এই কোচের অধীনে বাংলাদেশ ১৫টি ওয়ানডে খেলে ৫টিতে জয় পায় ও ১০টি ম্যাচে পরাজিত হয়। এছাড়া লর অধীনে বাংলাদেশ দুটি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১টিতে জয়ী ও অপর ম্যাচে পরাজিত হয়।

রিচার্ড পাইবাস


রিচার্ড পাইবাস ২০১২ সালের মে থেকে ২০১২ এর অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ দল ৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪টিতে জয় ও বাকি ৪ ম্যাচে পরাজিত হয়।

শেন জার্গেনসেন


শেন জার্গেনসেন ফেব্রুয়ারি ২০১৩ থেকে মে ২০১৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ ছিলেন । তাঁর সময়ে বাংলাদেশ ৮টি টেস্ট খেলে ১টি জয় ,৪ ড্র ও ৩টিতে পরাজিত হয়। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ১৬টি ওয়ানডে খেলে ৫টিতে জয় ও  ১০ ম্যাচে পরাজিত হয় এছাড়া একটি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি।শেন জার্গেনসেনের অধীনে বাংলাদেশ ১৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩টি জয় ও বাকি ১০ ম্যাচে পরাজিত হয়।

হাথুরুসিংহে

মে ২০১৪ থেকে নভেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত হাথুরুসিংহে বাংলাদেশের কোচ ছিলেন।এই লংকান কোচের অধীনে বাংলাদেশ ২১টি টেস্ট খেলে ৬টিতে জয় ও ৪টি ম্যাচ ড্র করে এবং বাকি ১১টেষ্টে পরাজিত হয়।হাথুরুসিংহের সময়ে বাংলাদেশ ৫২টি ওয়ানডে খেলে ২৫ ম্যাচে জয় ও ২৩টি পরাজিত হয় এবং ৪টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি। এছাড়া হাথুরুসিংহের সময়ে বাংলাদেশ ২৯টি টিটুয়েন্টি খেলে ১০টিতে জয় ও ১৭ ম্যাচে পরাজিত হয় এবং ২টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি।

স্টিভ রোডস

স্টিভ রোডস ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০১৯ এর জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে ছিলেন। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ৮টি টেস্ট খেলে ৩টিতে জয় ও ৫টি ম্যাচে পরাজিত হয়। এছাড়া তাঁর সময়ে বাংলাদেশ ৩০ টি ওয়ানডে খেলে ১৭টি জয় ও ১৩ ম্যাচে পরাজিত হয়।রোডসের সময়ে বাংলাদেশ ৭টি টিটুয়েন্টি খেলে ৩টিতে জয় পায় এবং ৪টি ম্যাচে পরাজিত হয়।

রাসেল ডমিঙ্গো

সর্বশেষ বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন রাসেল ডমিঙ্গো(আগষ্ট২০১৯-বর্তমান)।ডমিঙ্গোর অধীনে বাংলাদেশ ৯টি টেস্ট খেলেছে যেখানে ১জয়,১ ড্র ও ৭টিতে হার রয়েছে।এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচের অধীনে বাংলাদেশ ৯টি ওয়ানডে খেলে ৬টিতে জয় ও ৩টি ম্যাচে হেরেছে।ডমিঙ্গোর অধীনে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ১৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬ টিতে জয় ও ৮টিতে পরাজিত হয়েছে।


টিটুয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের সেরা দশ

                                                              

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ধুন্ধুমার ব্যাটবলের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডও সফল এক দল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এবং দলটিতে জেসন রয়,বেয়ারস্টো,বাটলার,মরগান,স্টোকস,ক্রিস জর্ডানের মত দারুণ সব টিটুয়েন্টি প্লেয়ার রয়েছে। তাছাড়া সবচেয়ে ছোট ফরম্যাটের এই ক্রিকেটে ইংলিশরা অসাধারণ সব ইনিংস ও ম্যাচ উপহার দিয়েছে ।এই স্টোরিটি  টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সেরা দশ ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সেরা দশ ইংলিশ ব্যাটসম্যান


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় দলগুলোর একটি ইংল্যান্ড।দলটিতে দারুণ সব টিটুয়েন্টি প্লেয়ার রয়েছেন। ইংল্যান্ডের টিটুয়েন্টি দলে ব্যাট হাতে জেসন রয়, বেয়ারস্টো, বাটলার, মরগান,স্টোকসদের পাশাপাশি বল হাতে আর্চার,ক্রিস জর্ডান,আদিল রশিদের মত বেশকিছু তারকা প্লেয়ার রয়েছেন।এদের প্রত্যেকেই টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় প্লেয়ার। আসুন দেখে নেই ইংল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের রেকর্ড।

এউইন মরগান


ইংল্যান্ডের টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছেন এউইন মরগান।এই হাডহিটার ইতিমধ্যে ১০২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ১৪ ফিফটিসহ ২৩১১ রান।

জস বাটলার


ইংল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন জস বাটলার।এই তারকা ব্যাটসম্যান ইতিমধ্যে ৭৯টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ১২ফিফটিসহ ১৭২৩ রান।

আলেক্স হেলস


ইংল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের মধ্যে আলেক্স হেলসও রয়েছেন।হেলস ইতিমধ্যে ৬০ টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।হেলসের মোট টিটুয়েন্টি রান (১টি সেঞ্চুরি ও ৮ ফিফটিসহ ) ১৬৪৪।

কেভিন পিটারসেন


কেভিন পিটারসেন ইংল্যান্ডের সফল টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৩৭টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৭ফিফটিসহ মোট ১১৭৬ রান করেছেন।


জনি বেয়ারস্টো


এই সময়ের অন্যতম সেরা ইংলিশ ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টো ইতিমধ্যে ৫১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন। এবং তাঁর মোট সংগ্রহ ৬ফিফটিসহ ১০৫০ রান।

জেসন রয়


জেসন রয় ইংল্যান্ডের হয়ে ৪৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ৫ফিফটিসহ ১০৩৪ রান।

ডেভিড মালান


ডেভিড মালান ২৪ টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি  খেলে ১সেঞ্চুরি ও ১০ ফিফটিসহ ১০০৩ রান করেছেন।

জে রুট


এই সময়ের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান জে রুট ইংল্যান্ড জাতীয় টিমের হয়ে ৩২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যাতে তাঁর সংগ্ৰহ ৫ফিফটিসহ ৮৯৩ রান।

লুক রাইট


ইংল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে লুক রাইটের নামটিও রয়েছে।এই ব্যাটসম্যান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ৫১ ম্যাচ খেলে ৪ ফিফটিসহ ৭৫৯ রান করেন।

রবি বোপারা


রবি বোপারা ইংল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দশম স্থানে রয়েছেন।এই ব্যাটসম্যান ৩৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩ ফিফটিসহ ৭১১ রান করেন।



টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা দশ ইংলিশ বোলার

ক্রিকেটের এই ক্ষুদ্র সংস্করণে ইংল্যান্ডের  বেশকজন বোলার সফলতা পেয়েছেন। বিশেষত ক্রিস জর্ডান, আদিল রশিদ,গ্ৰায়েম সোয়ান,টম কারেনের মত বেশকজন বোলার  টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দারুণ সফলতা পেয়েছেন। এখানে টিটুয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের শীর্ষ দশ বোলারের পরিসংখ্যান তুলে ধরছি।

ক্রিস জর্ডান


ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল টিটুয়েন্টি বোলার হিসেবে ক্রিস জর্ডান এক বিশিষ্ট নাম।এই তারকা বোলার ৬০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৭০টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৬ রানে ৪ উইকেট।

স্টুয়াট ব্রড


স্টুয়াট ব্রড টিটুয়েন্টি ক্রিকেটেও সফলতা পেয়েছেন।এই পেসার ৫৬টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬৫টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ২৪ রানে ৪ উইকেট।

আদিল রশিদ


আদিল রশিদ ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা স্পিনার।এই তারকা স্পিনার ৫৭টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫৫ টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১১ রানে ৩ উইকেট।

গ্ৰায়েম সোয়ান


গ্ৰায়েম সোয়ান ৩৯টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫১টি উইকেট নিয়েছেন। গ্ৰায়েম সোয়ানের সেরা বোলিং ১৩ রানে ৩ উইকেট।

ডানবার্চ


ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা টিটুয়েন্টি বোলার ডানবার্চ ৩৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩৯টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ২২ রানে ৪ উইকেট।

ডিজে উইলি


ইংল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় শীর্ষ দশে ডিজে উইলিও রয়েছেন।এই বোলার ২৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৭ রানে ৪ উইকেট।

স্টিভেন ফিন


স্টিভেন ফিন ২১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৭টি উইকেট নিয়েছেন।  ১৬ রানে ৩ উইকেট তাঁর সেরা বোলিং।


টম কারেন


টম কারেন এই সময়ে ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা টিটুয়েন্টি বোলার।টম কারেন ২৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৬টি উইকেট নিয়েছেন।৩৬ রানে ৪ উইকেট তাঁর সেরা বোলিং।

লিয়াম প্লাংকেট


লিয়াম প্লাংকেট ২২ টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৫টি উইকেট নিয়েছেন।প্লাংকেটের সেরা বোলিং ২১ রানে ৩ উইকেট।

টিম ব্রেসনান


টিম ব্রেসনান ইংল্যান্ডের দশম শীর্ষ টিটুয়েন্টি বোলার।এই বোলার ৩৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১০ রানে ৩ উইকেট।



ঈদের শুভেচ্ছা

                                                               




প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ' প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'এর পক্ষ থেকে সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।ঈদ সবার ভালো কাটুক।

টিটুয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা দশ

                                                                



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকা বরাবরই সফল এক দল। দারুণ সব ব্যাটসম্যান আর বোলারের সাথে অসাধারণ ফিল্ডিংয়ের জন্য টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দলটি সদাই বিশিষ্ট। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যান ডিভিলিয়ার্স,ডুপ্লেসিস,ডেভিড মিলার,ডিকক এবং এই ফরম্যাটের সেরা বোলার রাবাদা,তাহির,ক্রিস মরিচরা দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলে থাকেন। এখানে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্তমান শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান নিয়ে আলোচনা করছি।


টিটুয়েন্টি ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ১০

দক্ষিণ আফ্রিকা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শীর্ষ দলগুলোর একটি ।দলটির ঐতিহ্যবাহী অলরাউন্ডারনির্ভর ক্রিকেট টিটুয়েন্টি ফরম্যাটেও বেশ সফলতা পেয়েছে। তাছাড়া দক্ষিণআফ্রিকার টিটুয়েন্টি টিমে ডিভিলিয়ার্স,ডুপ্লেসিস, ডেভিড মিলার, ডিকক,রাবাদা,নর্টজের মত দারুণ সব প্লেয়ার রয়েছেন। আসুন বর্তমান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দক্ষিণআফ্রিকার শীর্ষ ১০ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান দেখে নিই।

জেপি ডুমিনি

এই সময়ের টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যানে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন জেপি ডুমিনি।এই ব্যাটসম্যান ৮১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ১১টি ফিফটিসহ ১৯৩৪ রান করেছেন যা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বাধিক ব্যক্তিগত রান।

এবি ডিভিলিয়ার্স

এবি ডিভিলিয়ার্স বর্তমান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান।ডিভিলিয়ার্স ৭৮ টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ ১০ ফিফটিসহ ১৬৭২ রান করেছেন।

ডেভিড মিলার


বর্তমান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ডেভিড মিলার অন্যতম।এই মারকুটে ব্যাটসম্যান ৭৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩ফিফটি ও ১ সেঞ্চুরি সহ মোট ১৪৮৪ রানের মালিক।

ফাফ ডুপ্লেসিস


ফাফ ডুপ্লেসিস দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দলের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজি লিগেও সফল এবং জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান হিসেবে স্বীকৃত।এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৪৭ টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ১ শতক ও ১০টি অর্ধশতকসহ ১৪৬৬ রান।

ডি কক

ডিকক দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় বর্তমানে শীর্ষ দশে রয়েছেন।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৪৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৬ ফিফটিসহ মোট ১৩০৩ রান করেছেন।

হাসিম আমলা

হাসিম আমলা দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৪১ টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৭ ফিফটির সাহায্যে ১১৫৮ রান করেন।

গ্ৰায়েম স্মিথ

দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটসম্যান গ্ৰায়েম স্মিথ ৩৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫ ফিফটিসহ মোট ৯৮২ রান করেন।

হ্যান্ডডিক্স

হ্যান্ডডিক্স দক্ষিণ আফ্রিকার সফল টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের মধ্যে অন্যতম।এই ব্যাটসম্যান ২৮টি টিটুয়েন্টি খেলে ৫ফিফটির সহায়তায় ৭৩৪ রান করেন।

জ্যাক ক্যালিস


দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিস টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাট হাতে সফলতা পেয়েছেন।ক্যালিস ২৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৫ফিফটিসহ ৬৬৬ রান সংগ্রহ করেন।

ভ্যান ডার ডুসেন


ভ্যান ডার ডুসেন আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ইতিমধ্যে ২০ টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর সংগ্রহ ৪ ফিফটিসহ মোট ৬২৮ রান।


টিটুয়েন্টি বোলিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ১০

দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টির সেরা বোলারদের মধ্যে বর্তমানে রাবাদা ,ক্রিস মরিচ, তাহির,এনগিদি,সামসি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টির সেরা দশ বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


ডেল স্টেইন


এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি বোলার ডেল স্টেইন। এবং পরিসংখ্যানও তাঁর পক্ষে কথা বলছে।এই গতিতারকা ৪৭টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৯ রানে ৪ উইকেট।

ইমরান তাহির


এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ইমরান তাহির।এই তারকা স্পিনার ৩৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬১টি উইকেট নিয়েছেন। তাহিরের সেরা বোলিং ২৩ রানে ৫ উইকেট।

মর্নি মরকেল


মর্নি মরকেল দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি বোলারের শীর্ষ দশের মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।এই পেসার ৪১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪৬টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১৭ রানে ৪ উইকেট।

পারনেল


পারনেল দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টির অন্যতম সেরা বোলার।এই বোলার ৪০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪১টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১৩ রানে ৪ উইকেট।

এন্ডিলি ফেলকয়ে


এন্ডিলি ফেলকয়ে ৩৪ ম্যাচে নিয়েছেন মোট ৩৯ উইকেট। তাঁর সেরা বোলিং ২৪ রানে ৪ উইকেট।

জোয়ান বোথা


দক্ষিণ আফ্রিকার সফল টিটুয়েন্টি বোলারদের মধ্যে জোয়ান বোথা অন্যতম।এই তারকা বোলার ৪০টি টিটুয়েন্টি খেলে ৩৭টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং  ১৬ রানে ৩ উইকেট।

ক্রিস মরিচ


ক্রিস মরিচ দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় শীর্ষ দশে রয়েছেন।এই পেসার ২৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে মোট ৩৪ টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ২৭ রানে ৪ উইকেট।

কাগিছো রাবাদা


এ সময়ের ক্রিকেটের সফল পেসার কাগিছো রাবাদা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় টিমের হয়েও দারুণ সাফল্য পেয়েছেন।এই তারকা পেসার ২৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৩১টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৩০ রানে ৩ উইকেট।

তাবরেইজ সামসি


তাবরেইজ সামসি দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় শীর্ষ দশে রয়েছেন। তিনি ৩২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩১টি উইকেট নিয়েছেন।সামসির সেরা বোলিং ২৫ রানে ৪ উইকেট।


লোঙ্গি এনগিদি


লোঙ্গি এনগিদি বর্তমান দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় টিমের গুরুত্বপূর্ণ পেসার। এবং জাতীয় টিমের হয়ে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এনগিদি বেশ সফলতা পেয়েছেন। এই পেসার ১৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৮টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১৯ রানে ৪ উইকেট।





সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                                   

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারের নতুন কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য এখানে তুলে ধরছি।

বাংলাদেশ গম ও ভূট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়োগ

বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : উপ-পরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, পরিচালক, মেডিকেল অফিসার, উচ্চমান সহকারী,ক্যাশিয়ার প্রভৃতি পদ।

পদসংখ্যা : ১০০

যোগ্যতা : পদভেদে এসএসসি থেকে সম্মানসহ স্মাতকোওর ডিগ্ৰি। বিশেষায়িত পদের ক্ষেএে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্মাতক ডিগ্রি।

বয়স: ১৮ থেকে ৩০ বছর/২১ থেকে ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান , শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে  ১৮ থেকে ৩২ বছর।

বেতন : পদভেদে গ্ৰেড-৫ থেকে গ্ৰেড-২০।

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন ( http://bwmri.teletalk.com.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ:৩১/০৫/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম


বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

পদ : সহকারী পরিচালক (মানবসম্পদ), সহকারী পরিচালক (সমন্বয়), সহকারী পরিচালক (প্রশাসন), সহকারী পরিচালক (যানবাহন) , সহকারী বন্দর কর্মকর্তা,ল্যান্ড অফিসার,নদী জরিপকারী,মার্কম্যান,দপ্তরি প্রভৃতি পদ। 


পদসংখ্যা: ৫৯

যোগ্যতা: পদভেদে এসএসসি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর সম্মানসহ দ্বিতীয় শ্রেণীতে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

বয়স: ১৮ থেকে ৩০ বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে ১৮ থেকে ৩২ বছর।

বেতন : গ্ৰেড-৯ থেকে গ্ৰেড-২০।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন ( www.jobsbiwta.gov.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ:৩১/০৫/২০২১

সূত্র: প্রথম আলো অনলাইন

বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়োগ

বাংলাদেশ ব্যাংকে অফিসার (পুরকৌশল,যন্ত্রকৌশল,তড়িৎকৌশল) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ : অফিসার (পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল,তড়িৎকৌশল)

পদসংখ্যা: ২৮

যোগ্যতা: যেকোন স্বীকৃত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চারবছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ডিগ্ৰি। শিক্ষাজীবনের কোন পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ থাকলে আবেদন করা যাবে না।

বয়স: ১৮ থেকে ৩০ বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
বেতন:১৬০০০ থেকে ৩৮৬৪০ টাকা।


আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/joblist.php)

আবেদনের শেষ তারিখ:৩১/০৫/২০২১

সূত্র: প্রথম আলো অনলাইন


সিটি ব্যাংকে নিয়োগ


সিটি ব্যাংকে 'অফিসার (ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং ) 'পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ: অফিসার (ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং)

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারবছর মেয়াদি স্মাতক ডিগ্ৰি অথবা স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

বয়স: ৩০ বছর
চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন, চুক্তিভিত্তিক

কর্মক্ষেএ : চট্রগ্রাম,যশোর,পাবনা, গাইবান্ধা, খুলনা,মুন্সিগঞ্জ

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন (www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ:১৫/০৫/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


স্থগিত আইপিএলের সেরা দশ

                                                                 



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ফ্রাঞ্চাইজিগুলোতে করোনা সংক্রমণ দেখা দেয়ায় ও আয়োজক দেশ ভারতে এই মহামারী বেড়ে যাওয়ায় ২০২১ সালের আইপিএল আপাতত স্থগিত রয়েছে। এবং যতদূর জানা যায় এই মুহূর্তে ভারতের ভিতরে আইপিএলের বাকি খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আসুন স্থগিত এবারের আইপিএলে ব্যাটেবলে সেরাদের পরিসংখ্যান  জেনে নিই।


 ব্যাট হাতে শীর্ষে রয়েছেন ধাওয়ান

এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে যতগুলো খেলা মাঠে গড়িয়েছে তাতে দেখা যায় ব্যাট হাতে সেরা দশের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছেন শিখর ধাওয়ান । এই ওপেনার ৮ ম্যাচ থেকে মোট ৩৮০ রান সংগ্রহ করেছেন ।তারপর রয়েছেন কেএল রাউল এবং এই তারকা ব্যাটসম্যান ৭ ম্যাচ খেলে ৩৩১ রান সংগ্রহ করেছেন।ফাফ ডুপ্লেসিস ৭ ম্যাচ খেলে মোট ৩২০ রান করেছেন। পৃথিবী শাহ ৮ ম্যাচ খেলে মোট ৩০৮ রান করেছেন।সঞ্জু স্যামসন ৭ ম্যাচ খেলে ২৭৭ রান করেছেন।মায়াঙ্ক আগারওয়াল ৭ ম্যাচ খেলে সংগ্রহ করেছেন ২৬০ রান।জস বাটলার ৭ ম্যাচ খেলে করেছেন ২৫৪ রান। রোহিত শর্মা ৭ ম্যাচে করেছেন ২৫০ রান।জনি বেয়ারস্টো এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে ৭ ম্যাচ খেলে করেছেন ২৪৮ রান। এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে যতগুলো খেলা হয়েছে তাতে দশম সর্বোচ্চ রানকারী গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ম্যাক্সওয়েল ৭ ম্যাচে করেছেন ২২৩ রান।

বল হাতে শীর্ষে হার্শাল প্যাটেল

এই (২০২১)আইপিএলে ইতিমধ্যে যতগুলো খেলা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে বল হাতে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন হার্শাল প্যাটেল।এই পেসার ৭ ম্যাচ খেলে ১৭টি উইকেট নিয়েছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন আভিস খান। তিনি ৮ ম্যাচে মোট ১৪ উইকেট নিয়েছেন।ক্রিস মরিচ ৭ ম্যাচে নিয়েছেন ১৪ উইকেট। রাহুল চাহার ৭ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়েছেন। রশিদ খান রয়েছেন বোলারদের মধ্যে পঞ্চম স্থানে।এই লেগি ৭ ম্যাচে ১০টি উইকেট নিয়েছেন।সাম কারেন ৭ ম্যাচে নিয়েছেন ৯টি উইকেট।প্যাট কামিন্স ৭ ম্যাচে নিয়েছেন ৯ উইকেট।কাইল জেমিসন ৭ ম্যাচে নিয়েছেন ৯টি উইকেট।দীপক চাহার ৭ ম্যাচে নিয়েছেন ৮টি উইকেট। স্থগিত এবারের আইপিএলে সেরা বোলারদের মধ্যে দশম স্থানে রয়েছেন মোঃ সামি।সামি ৮ ম্যাচে ৮টি উইকেট নিয়েছেন।


ছক্কায় এগিয়ে কেএল রাউল

এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে যতগুলো খেলা মাঠে গড়িয়েছে তাতে সর্বাধিক ছক্কা মেরেছেন কেএল রাউল।রাউল ৭ ম্যাচে ১৬টি ছয় মেরেছেন।বেয়ারস্টো ৭ ম্যাচে ১৫ ছক্কা।আম্বাতি রাইডু ৭ ম্যাচে ১৩ ছক্কা।জস বাটলার ৭ ম্যাচ ১৩ ছক্কা।ডুপ্লেসিস ৭ ম্যাচে ১৩ ছক্কা।পোলার্ড ৭ ম্যাচে ১৩ ছক্কা।আন্দ্রে রাসেল ৭ ম্যাচ ১৩ ছক্কা।মঈন আলী ৬ ম্যাচে ১২ ছক্কা। পৃথিবী শাহ ৮ ম্যাচে ১২ ছক্কা।মায়াঙ্ক আগারওয়াল এই তালিকায় দশম স্থানে রয়েছেন। আগারওয়াল ৭ ম্যাচে ১১ছক্কা মেরেছেন।

পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি 

এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে যেসব খেলা হয়েছে তাতে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে রয়েছে ১. দিল্লি ক্যাপিটালস(৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট)। ২.চেন্নাই সুপার কিংস (৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট)।৩.রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট)।৪.মোম্বাই ইন্ডিয়ান্স (৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট)।৫. রাজস্থান রয়্যালস (৭ ম্যাচ ৬ পয়েন্ট)।৬.পাঞ্জাব কিংস (৮ ম্যাচ ৬ পয়েন্ট)।৭.কেকেআর (৭ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট)।৮.সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ( ৭ ম্যাচে ২ পয়েন্ট)।

আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০ তম জন্মজয়ন্তী

                                                                   

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ ২৫শে বৈশাখ,বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০ তম জন্মজয়ন্তী।জন্মজয়ন্তীতে কবিগুরুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং সেইসাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও সৃষ্টি সম্পর্কে কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্য এখানে তুলে ধরছি।


রবীন্দ্র জীবন ও সৃষ্টির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য


রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে কবির জীবন ও সৃষ্টি সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে তুলে ধরছি।

১.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ২৫শে বৈশাখ,১২৬৮ বঙ্গাব্দ (৭ই মে ,১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ)।


২.রবীন্দ্রনাথ একাধারে - কবি,ঔপন্যাসিক,প্রাবন্ধিক, গীতিকার,নাট্যকার, অভিনেতা,চিএকর, কন্ঠশিল্পী, দার্শনিক,ভাষাবিদ।


৩.রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার পান- ১৯১৩ সালে।

৪.কবিগুরুর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্ৰন্থ - বনফুল।

৫.বিশ্বকবির বিখ্যাত 'সাজাহান' কবিতা মে কাব্যে স্থান পেয়েছে - বলাকা।

৬.রবিঠাকুরের যে উপন্যাসের উপজীব্য ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতি - ঘরে বাইরে।

৭.. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের  উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক উপন্যাস - গোরা।

৮.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত গদ্যগ্ৰন্থ - য়ুরোপ প্রবাসীর পএ।

৯.রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত নাটক - বাল্মীকি প্রতিভা।

১০.রবীন্দ্রনাথের আত্মজীবনী গ্ৰন্থ - জীবনস্মৃতি।


ক্রিকেটের পাঁচ বিস্ময়কর বোলারের কথা

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃপ্রায় একাই ম্যাচকে নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য রাখেন এমন বোলার ক্রিকেটে কালেভদ্রে দেখা যায়।সেই শেন ওয়ার্ন , মুরালিধরন থেকে হালের মিশেল স্টার্ক,বুমরা পর্যন্ত ক্রিকেটে তেমন বোলার খুব কমই পাওয়া যায়।আবার অনেক প্রতিভাবান বোলার  ইনজুরি বা অন্য কারণে শেষপর্যন্ত সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।তবু যারা ক্যারিয়ার জুড়েই ক্রিকেট মাঠে অসংখ্য ম্যাচজয়ের নায়ক হয়েছেন ক্রিকেটের তেমনি পাঁচ বিস্ময়কর  বোলারের গল্প এখানে তুলে ধরব।

                                                                      

শেন ওয়ার্ন

ক্রিকেটে একজন বোলারের ভালো বোলিংয়ের সাথে বুদ্ধিমওাও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এবং ক্রিকেটে সবচেয়ে বুদ্ধিমান ও চৌকস বোলারের প্রসঙ্গ এলে শেন ওয়ার্নের নামটি বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হয়। দুর্দান্ত লেগস্পিন সেইসাথে দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত ভেলিভারি এই বোলারকে দিয়েছে সর্বকালের সেরা লেগস্পিনারের খ্যাতি।অষ্ট্রেলিয়ার তুলনামূলক বাউন্সি এবং গতির উইকেটে শেন ওয়ার্নের এমন বিশ্বমানের স্পিন সত্যিই এক ধাঁধা।অবশ্য ক্রিকেট অনিল কুম্বলে,শহিদ আফ্রিদির মত আরো বেশকিছু মেধাবী লেগস্পিনার দেখেছে ।তবে শেন ওয়ার্নের মত বিচিত্র প্রতিভার লেগস্পিনার ক্রিকেটে খুবই কম।ওয়ার্নের উইকেটসংখ্যা এক্ষেত্রে স্মরণযোগ্য। ব্যাটসম্যানের দুর্বলতা বোঝে সঠিক জায়গায় বল ফেলার দক্ষতা ওয়ার্নের বোলিংয়ের বড় বিশেষত্ত্ব ছিল।  লারা, শচীন, জয়াসুরিয়া, দ্রাবিড়ের মত সেরা টেকনিকের ব্যাটসম্যানরা শেন ওয়ার্নকে সমীহ করে খেলতেন এবং এখনও এসব ব্যাটসম্যানের বিভিন্ন কথপোকথনে বিষয়টি জানা যায় ।ব্যাটসম্যানকে প্রলুব্ধ করার মাধ্যমে উইকেট নিতে পছন্দ করতেন ওয়ার্ন।এছাড়া লেগস্পিনকে রীতিমতো একটি নিজস্ব স্টাইল তৈরি করেছিলেন এই কিংবদন্তি লেগস্পিনার।

শেন ওয়ার্নের ক্যারিয়ার

শেন ওয়ার্ন তাঁর  ক্যারিয়ারে ১৪৫টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন  যেখানে তাঁর উইকেটসংখ্যা ৭০৮।৩৭বার ম্যাচে ৫ উইকেট ও ১০ বার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন এই তারকা বোলার।
শেন ওয়ার্ন ১৯৪টি ওয়ানডে খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ২৯৩।১বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন এই তারকা লেগস্পিনার।তবে শেন ওয়ার্ন কোন আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেননি।

                                                                 





মুওিয়া মুরালিধরন


ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত অফস্পিনারদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার মুওিয়া মুরালিধরন এক বিশিষ্ট নাম।বিশেষ অ্যাকশনের জন্য ক্রিকেটে আলোচিত ছিলেন এই তারকা বোলার।  যতদিন খেলেছেন ততদিন সব প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানের জন্য এই তারকা স্পিনার বড় মাথাব্যথার কারণ ছিলেন। কার্যকর স্পিনের সাথে বলের উপর চমৎকার নিয়ন্ত্রণ রাখার অপূর্ব দক্ষতা ছিল মুওিয়া মুরালিধরনের বোলিংয়ে। এসবের ফলে ব্যাটসম্যানরা তাঁর বল খেলতে সমস্যায় পড়তেন। মুরালিধরন শ্রীলঙ্কাকে বহু ম্যাচে একাই জিতিয়েছেন। মুরালিধরনের মত সফল অফস্পিনার ক্রিকেটে খুব কমই পাওয়া যাবে। নিখুঁত টাইমিং ও টেকনিক এ দুটি বৈশিষ্ট্য ছিল এই লংকান গ্ৰেটকে খেলার সবচেয়ে বড় যোগ্যতা । রেকর্ডের দিকে তাকালে দেখা যায় শচীন,লারা, পন্টিং,দ্রাবিড়, আশরাফুলের মত উন্নত টেকনিকের ব্যাটসম্যানরাই শুধু মুরালিকে খেলতে সফল হয়েছেন।মুরালিধরনের মত প্রতিভাবান অফস্পিনার ক্রিকেটে সহসা পাওয়া যায় না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মুরালিধরনের মত  ম্যাচকে একাই  নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য ক্রিকেটে খুব কম বোলারই পেরেছেন।

মুওিয়া মুরালিধরনের ক্যারিয়ার

মুওিয়া মুরালিধরন তাঁর ক্যারিয়ারে ১৩৩টি টেস্ট খেলে ৮০০ উইকেট নিয়েছেন।যেখানে ৬৭বার ম্যাচে ৫ উইকেট ও ২২বার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন।
মুরালিধরন ৩৫০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে মোট ৫৩৪টি উইকেট নিয়েছেন যেখানে ১০বার ম্যাচে ৫ উইকেট নেয়ার রেকর্ড রয়েছে। মুরালিধরন ১২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ১৩ উইকেট নেন।


                                                                    



লাসিথ মালিঙ্গা 

বলা হয় ক্রিকেটে নিখুঁত ইয়র্কারের জন্য বিখ্যাত বোলারদের মধ্যে লাসিথ মালিঙ্গা এক অনন্য উদাহরণ।কারণ লাসিথ মালিঙ্গার বলে অন্য সবগুণের মধ্যে ইয়র্কারের কার্যকারিতা সবচেয়ে বেশি। এবং ইয়র্কারের ক্ষেএে সঠিক জায়গায় বল ফেলার এক অপূর্ব দক্ষতা মালিঙ্গার বোলিংয়ে লক্ষ করা যায়। তাছাড়া ব্যাটসম্যানের দুর্বলতা বোঝে সঠিক ডেলিভারি মালিঙ্গার বোলিংয়ের এক বড় বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বীকৃত। ক্রিকেটের ইতিহাসে অসাধারণ গতিতারকার সংখ্যা নেহাত কম নয় তবু মালিঙ্গার মত পেস বলের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ খুব কম বোলারই দেখাতে পেরেছেন।ব্রেট লি,মিশেল জনসন, শোয়েব আখতার,শেন বন্ড,ডেল স্টেইনের মত অসাধারণ সব পেসার ক্রিকেটে এসেছেন তবু মালিঙ্গার মত কার্যকর ভেরিয়েশন ও নিখুঁত ইয়র্কার খুব কম পেসার দেখাতে পেরেছেন। এবং  লাসিথ মালিঙ্গার মত একাই ম্যাচকে নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা খুব কম পেসারের বেলায় দেখা যায়।আর এসব কিছু বিবেচনায় এই লংকান পেসারকে ক্রিকেটের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার বলা যায়।

লাসিথ মালিঙ্গার ক্যারিয়ার

লাসিথ মালিঙ্গা ৩০টি টেস্ট খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ১০১ উইকেট।এই তারকা বোলার ৩বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন। মালিঙ্গা ২২৬টি ওয়ানডে খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ৩৩৮ উইকেট। ওয়ানডে ক্রিকেটে এই পেসার ৮বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া লাসিথ মালিঙ্গা ৮৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১০৭টি উইকেট নিয়েছেন যেখানে ২বার ম্যাচে ৫ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব রয়েছে।

                                                                  

মিশেল স্টার্ক

ক্রিকেটের ইতিহাসে অষ্ট্রেলিয়ার বেশকজন পেসার তাদের অনন্য প্রতিভার জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। এক্ষেত্রে গ্লেন ম্যাকগ্রা,ব্রেট লি, মিশেল জনসন, মিশেল স্টার্ক,প্যাট কামিন্সের কথা বিশেষভাবে বলতে হয়।তবে বুদ্ধিদীপ্ত ভেলিভারি ও কার্যকর ভেরিয়েশন বিবেচনায় মিশেল স্টার্ক এক্ষেত্রে বিশিষ্ট এক পেসার। তাছাড়া ম্যাচকে একাই নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য বিবেচনায় মিশেল স্টার্ক এক অতুলনীয় পেসার।তাই ক্রিকেটের বিস্ময়কর প্রতিভার পেসারদের প্রসঙ্গ এলে মিশেল স্টার্কের নামটিও উচ্চারিত হয়। একজন ফাস্টবোলারের মূল শক্তি গতি ও সুইং এবং এক্ষেত্রে সফল উদাহরণ হিসেবে মিশেল স্টার্কের নাম করা যায়। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো স্টার্ককে খেলতে হলে ভালো টেকনিকের সাথে নিখুঁত ডিফেন্স খুব গুরুত্বপূর্ণ।


মিশেল স্টার্কের ক্যারিয়ার

মিশেল স্টার্ক ইতিমধ্যে ৬১টি টেস্ট খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ২২৫টি।ম্যাচে ১৩ বার ৫ উইকেট নিয়েছেন এবং ২বার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন।
মিশেল স্টার্ক ৯৬টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর সংগ্রহ ১৮৪ উইকেট।৭বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন এই তারকা পেসার। এছাড়া ৩৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৪৭টি উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক।

                                                                      

জাসপ্রিত বুমরা

হিসেবী পেসবোলার ক্রিকেটে খুব কম দেখা যায়।আর পেসারদের ক্ষেএে সবসময় হিসেবী হওয়ার উপায় নেই। ভারতীয় ক্রিকেটের দীর্ঘদিনের একটি শূন্যতা ছিল যে তাদের বিশ্বসেরা ফাষ্টবোলার নেই। কিন্তু সেই শূন্যতাকে পূরণ করেছেন এবং সেই সাথে ভারতকে পেস বোলিং দিয়ে দারুণ সাফল্য এনে দিয়েছেন দুজন পেসার। এর প্রথমজন জাসপ্রিত বুমরা ও দ্বিতীয় জন মোঃ সামি।তবে বলের গতি ,ম্যাচকে নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা, অসাধারণ সব ইয়র্কার ইত্যাদি বিবেচনায় জাসপ্রিত বুমরার কথা বিশেষভাবে বলতে হয়। বুদ্ধিদীপ্ত ভেলিভারির প্রসঙ্গ এলে এ সময়ের ক্রিকেটে জাসপ্রিত বুমরা এক অতুলনীয় নাম।আমরা বুমরার বোলিং বিশ্লেষণ করলে বেশকিছু বৈশিষ্ট্য পাই যা সত্যিই অবিশ্বাস্য।বুমরার বোলিংয়ের মূলশক্তি গতি, সঠিক ভেলিভারি এবং আত্মবিশ্বাস। এসবকিছুর  সমন্বয়ে জাসপ্রিত বুমরাকে ক্রিকেটের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

জাসপ্রিত বুমরার ক্যারিয়ার

জাসপ্রিত বুমরা ইতিমধ্যে ১৭টি টেস্ট খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ৭৯ উইকেট।৫বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন।
বুমরা ৬৭টি ওয়ানডে খেলেছেন যেখানে তাঁর উইকেটসংখ্যা ১০৮।এই তারকা পেসার ওয়ানডে ক্রিকেটে ১বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন।বুমরা ৪৯টি টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর উইকেটসংখ্যা ৫৯।

ক্রিকেট থেকে থিসারা পেরেরার অবসর

                                                                 

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার  থিসারা পেরেরা সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।(সূত্র; বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)।এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর থিসারা পেরেরার ব্যাটবলের অসাধারণ নৈপুণ্য দেখা যাবে না।তবে এই তারকা অলরাউন্ডার ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।থিসারা পেরেরা সীমিত ওভারের ক্রিকেটে খুবই জনপ্রিয় ও কার্যকর অলরাউন্ডার হিসেবে পরিচিত। শ্রীলঙ্কার হয়ে ৭টি বিশ্বকাপ খেলার কৃতিত্ব রয়েছে থিসারা পেরেরার । শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের পাশাপাশি আইপিএল ও বিশ্বের সব বড় টিটুয়েন্টি লিগেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এই লংকান অলরাউন্ডারের। যদিও বেশ কিছুদিন ধরে তিনি জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন।থিসারা পেরেরার অবসর জীবন সুন্দর হোক এই প্রত্যাশা করছি।


টেস্ট ক্রিকেটে থিসারা পেরেরা


থিসারা পেরেরার টেস্ট ক্যারিয়ার খুব দীর্ঘ নয়। তিনি মাএ ৬টি টেস্ট খেলেছেন।এই তারকা অলরাউন্ডার সর্বশেষ ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার হয়ে টেস্ট খেলেছেন।৬ টেস্টে তাঁর ব্যাট হাতে সংগ্রহ ১ ফিফটিসহ মোট ২০৩ রান। টেস্ট ক্রিকেটে থিসারা পেরেরা ১১টি উইকেট নিয়েছেন।

ওয়ানডে ক্রিকেটে থিসারা পেরেরা

টেস্ট ক্রিকেট ক্যারিয়ার দীর্ঘ নাহলেও ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেকে উজ্জলরূপে মেলে ধরতে সক্ষম হন এই তারকা অলরাউন্ডার। শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে ইতিহাসে অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে তাঁর নামটিও উচ্চারিত হয়।মূলত মিডিয়াম পেসার ও মিডলঅর্ডারে কার্যকর গেমচেঞ্জার হিসেবে দারুণ সফল এই লংকান অলরাউন্ডার।থিসারা পেরেরা তাঁর অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স দিয়ে বহু ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে জয়ী করেছেন।থিসারা পেরেরা শ্রীলঙ্কার হয়ে ১৬৬টি ওয়ানডে খেলেছেন । তাঁর ওয়ানডে রানসংখ্যা ২৩৩৮। সেইসাথে ওয়ানডে ক্রিকেটে থিসারা পেরেরার ১টি শতক ও ১০টি অর্ধশতক রয়েছে। ওয়ানডে ক্রিকেটে বল হাতে মোট ১৭৫টি উইকেট নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার যেখানে ৪বার ম্যাচে ৫উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব রয়েছে।

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে থিসারা পেরেরা

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় আইকনদের মধ্যে ইতিমধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন এই লংকান অলরাউন্ডার। বিশ্বজুড়ে সব বড় টিটুয়েন্টি লিগেই তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়ে থিসারা পেরেরা মোট ৮৪টি টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর ব্যাট হাতে সংগ্রহ ৩ফিফটিসহ ১১০২ রান। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই অলরাউন্ডার ৫১টি উইকেটের মালিক।২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে থিসারা পেরেরার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
এসব ছাড়াও আইপিএলে থিসারা পেরেরা ইতিমধ্যে ব্যাট হাতে ৪২২ রান ও বল হাতে ৩১টি উইকেট নিয়েছেন।

থিসারা পেরেরার অসাধারণ কিছু ম্যাচ

থিসারা পেরেরা শ্রীলঙ্কার সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে স্বীকৃত।এই অলরাউন্ডারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে দারুণ সব ম্যাচ রয়েছে যেখানে তাঁর অসাধারণ নৈপুণ্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।থিসারা পেরেরার এমনই কিছু ম্যাচের তথ্য এখানে তুলে ধরছি (সূত্র; ইএসপিএন ক্রিকইনফো)।

পাকিস্তানের বিপক্ষে পাল্লেকেলে ওডিআই

থিসারা পেরেরার অসাধারণ সব ম্যাচের একটি হচ্ছে ২০১২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে এক ওয়ানডে ম্যাচে ব্যাট হাতে ২৪ রান ও বল হাতে ৬ উইকেট লাভের মাধ্যমে শ্রীলংকার জয়কে নিশ্চিত করার নৈপুণ্য।

২০১৪ সালে হাম্মানটোটা ওডিআই 

থিসারা পেরেরা ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার হাম্মানটোটায় পাকিস্তানের বিপক্ষে এক ওডিআই ম্যাচে দারুণ অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন। সেই ম্যাচে থিসারা ব্যাট হাতে ৩৬ বলে ৬৫ রানের পাশাপাশি বল হাতে ১৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে প্রায় একাই পাকিস্তানকে পরাজিত করেন।

২০১৯ সালে কিউইদের বিপক্ষে ১৪০ রান

থিসারা পেরেরার অনবদ্য ইনিংসগুলোর একটি ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪০ রান। সেই ম্যাচে যদিও শ্রীলঙ্কা পরাজিত হয়েছিল কিন্তু প্রায় খাদ থেকে দলকে দারুণ লড়াইয়ে অবতীর্ণ করার ক্ষেএে থিসারার ইনিংসটি স্মরণীয় হয়ে রয়েছে।

কিম্বার্লির ৬৯ রান ও ২ উইকেট

থিসারা পেরেরার অলরাউন্ডিং আরেক উজ্জল স্মারক ২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬৯ রানের দারুণ ম্যাচজয়ী ইনিংস। এছাড়া তিনি সেই ম্যাচে বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ২টি উইকেটও নেন।

সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                                  

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারের কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য এখানে তুলে ধরছি।

বিসিআইসিতে নিয়োগ

শিল্পমন্ত্রণালয়ের অধীন বিসিআইসিতে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সহকারী হিসাব/অর্থ/নিরিক্ষা কর্মকর্তা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক, বিদ্যুৎ,সিভিলে, কেমিক্যাল) ইত্যাদি পদ।

পদসংখ্যা : ৩১৭

যোগ্যতা : পদভেদে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্ৰি থেকে স্মাতকোওর।

অভিজ্ঞতা : সকল পদের ক্ষেএে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বেতন : গ্ৰেড-১০

কর্মস্থল : বাংলাদেশের যেকোন স্থান

বয়স : ১৮ থেকে ৩০ বছর।বিশেষক্ষেএে ১৮ থেকে ৩২ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন ( www.bcic.teletalk.com.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ : ০৩ জুন,২০২১ রাত ১২টা।

সূত্র : দৈনিক শিক্ষা

ডেলটা ব্র্যাক হাউজিং ফাইনান্সে নিয়োগ

ডেলটা ব্র্যাক হাউজিং ফাইনান্সে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: এসিস্ট্যান্ট অফিসার/অফিসার (লোন)

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : যেকোন বিষয়ে স্মাতক ডিগ্রি।

দক্ষতা : চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা।

বয়স: ২১থেকে ৩০ বছর।

চাকরির ধরণ :পূর্ণকালীন

কর্মস্থল : ঢাকা

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন: ভিজিট; www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ :১১/০৫/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


ল্যাবএইড ক্যান্সার হসপিটালে নিয়োগ

ল্যাবএইড ক্যান্সার হসপিটালে ম্যানেজার/সিনিয়র ম্যানেজার (কষ্টিং এন্ড বাজেট) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: ম্যানেজার/সিনিয়র ম্যানেজার (কষ্টিং এন্ড বাজেট)
পদসংখ্যা:অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : একাউন্টিং , ফিনান্স বা এ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

চাকরির ধরণ:পূর্ণকালীন

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন ( ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ:৩০/০৫/২০২১

সূত্র:বিডিজবস ডটকম


নিটল মটরস লিমিটেডে নিয়োগ

নিটল মটরস লিমিটেডে সিনিয়র অফিসার/এক্সিকিউটিভ (একাউন্টস) পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: সিনিয়র অফিসার/এক্সিকিউটিভ (একাউন্টস)

পদসংখ্যা:অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা: একাউন্টিং বিষয়ে স্মাতকোওর বা এমবিএ (একাউন্টিং) ডিগ্ৰি।

চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন

বয়স: ২৫ থেকে ৩০ বছর

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন(ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ:২০/০৫/২০২১

কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোন স্থান

সূত্র : বিডিজবস ডটকম

বুমরার আইপিএল হিষ্ট্রি

                                                                  

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বর্তমান সময়ের ক্রিকেটে শীর্ষ ফাষ্টবোলারদের মধ্যে জাসপ্রিত বুমরা অন্যতম।গতির সাথে কার্যকর ভেরিয়েশন মিলিয়ে এ সময়ের ক্রিকেটে বুমরা এক অতুলনীয় নাম। কার্যকর ইয়র্কার বোলারের কথা এলেও জাসপ্রিত বুমরা এক অনন্য দৃষ্টান্ত। বুমরার মত ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই  সমানভাবে সফল ও কার্যকর পেসার খুবই বিরল। আইপিএলেও বুমেরা তাঁর সফলতার ধারা অব্যাহত রেখেছেন। এখানে জাসপ্রিত বুমরার আইপিএল ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা করছি।


যেসব ফ্রাঞ্চাইজিতে খেলেছেন

জাসপ্রিত বুমরা আইপিএলে সফল ও চ্যাম্পিয়ন বোলার হিসেবে স্বীকৃত। এই গতিতারকা ২০১৩ সালে মোম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএল খেলা শুরু করেন এবং বর্তমান আসর পর্যন্ত একই ফ্রাঞ্চাইজির হয়ে খেলছেন। তাঁর টিম মোম্বাই ইন্ডিয়ান্স গত দুই আইপিএলে ধারাবাহিক শিরোপা জয় করেছে। ধারণা করা হয় আইপিএলে মোম্বাইয়ের টানা সাফল্যেরর অন্যতম কান্ডারি এই তারকা পেসার।বিশেষত মোম্বাইয়ের আইপিএল সাফল্যের মূলশক্তি হিসেবে দলটির দুই গতিতারকা জাসপ্রিত বুমরা ও ট্রেন্ট বোল্টের নাম বলতেই হয়।

বুমরার আইপিএল ক্যারিয়ার

বুমরা আইপিএলে প্রথম অংশগ্ৰহন করেন ২০১৩ সালে। তাঁর আইপিএল অভিষেক হয় মোম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে। এবং শুরু থেকে বর্তমান আইপিএল পর্যন্ত এই তারকা পেসার মোম্বাই ইন্ডিয়ান্সেই রয়েছেন।বুমরা ইতিমধ্যে আইপিএলে ৯৯টি ম্যাচ খেলেছেন। ব্যাট হাতে তেমন কিছু করতে পারেননি তবে বল হাতে আইপিএলে দারুণ সফলতা পেয়েছেন এই তারকা বোলার।ব্যাট হাতে মোট ৪৪ রান করেছেন এবং বল হাতে নিয়েছেন ১১৫টি উইকেট।বুমরার সেরা আইপিএল বোলিং ১৪ রানে ৪ উইকেট(২০২০ আইপিএল)।

আইপিএল ২০১৩


আইপিএল ২০১৩তে বুমরা প্রথম খেলার সুযোগ পান এবং সেই আসরে ২ ম্যাচ খেলে ৩টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০১৪


আইপিএলের ২০১৪ সালের আসরে বুমরা মোট ১১ম্যাচ খেলে ৫ উইকেট দখল করেন।

আইপিএল ২০১৫


আইপিএল ২০১৫তে বুমরা মোট ৪ ম্যাচ খেলে ৩টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০১৬


২০১৬ সালের আইপিএলে জাসপ্রিত বুমরা দারুণ বোলিং করেন এবং ১৪ ম্যাচ খেলে ১৫টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০১৭


আইপিএলের ২০১৭ সালের আসরে বুমরা যথারীতি তাঁর দুর্দান্ত বোলিং অব্যাহত রাখেন এবং ১৬টি ম্যাচ খেলে ২০উইকেট দখল করেন।

আইপিএল ২০১৮


আইপিএলের ২০১৮ সালের আসরে জাসপ্রিত বুমরা ১৪ ম্যাচ খেলে ১৭টি উইকেট লাভ করেন।

আইপিএল ২০১৯


২০১৯ আইপিএলে বুমরার টিম মোম্বাই ইন্ডিয়ান্স শিরোপা জয় করে। সেই আইপিএলে বুমরা ১৬ ম্যাচে বোলিং করে ১৯টি মূল্যবান উইকেট নেন।

আইপিএল ২০২০


আইপিএলের ২০২০ আসরে বুমরার টিম মোম্বাই ইন্ডিয়ান্স আবারো চ্যাম্পিয়ন হয় এবং সেই আইপিএলে বুমরা বল হাতে অবিশ্বাস্য নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন।২০২০ আইপিএলে এই তারকা বোলার ১৫ ম্যাচ খেলে ২৭টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০২১


বর্তমান আইপিএলে বুমরা ইতিমধ্যে ৭টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ৬উইকেট।

(বি:দ্র: আইপিএলের বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজিতে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার কারণে বিসিসিআই এবারের আইপিএল২০২১ স্থগিত ঘোষণা করেছে। সূত্র ;ক্রিকবাজ)

টাইগারদের শ্রীলঙ্কা সিরিজ প্রসঙ্গ

                                                                 

                                                                 

যাহোক করোনাকালিন সময়ে শ্রীলঙ্কার মাটিতে একটি টেষ্ট ড্র করার জন্য বাংলাদেশ টিমকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।দ্বিতীয় টেস্টেও ব্যাটসম্যানরা আরো কিছুটা দায়িত্বশীল হলে ম্যাচ ড্র করা যেত। শ্রীলঙ্কা সিরিজে টাইগারদের বাজে ফিল্ডিং চোখে পড়ার মত ছিল। আশাকরি পরবর্তী সিরিজে এগুলো ঘটবে না। টাইগারদের শ্রীলঙ্কা সিরিজের একটি মূল্যায়ন এখানে তুলে ধরছি।


ওপেনিংয়ে তামিমের একার লড়াই


শ্রীলঙ্কার মাটিতে এই টেস্ট সিরিজে তামিম তাঁর সেরাটুকু দিয়ে ব্যাটিং করেছে সেজন্য তাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।আর পরিসংখ্যান বিচারে এই মুহূর্তে এশিয়ার সেরা টেস্ট ওপেনারদের অন্যতম তামিমের কাছে এমন কিছু প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু একটি বিষয় এখানে ভাবার রয়েছে । শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেষ্টেই কিন্তু বাংলাদেশের ওপেনিংয়ে তামিম ছাড়া আর কাউকে সেভাবে খোঁজে পাওয়া যায়নি।এটি অবশ্যই বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক ঘটনা নয়।সাইফ হাসানকে বরং টিটুয়েন্টি বা অন্য ফরম্যাটে দেখার সুযোগ আছে।তাই এখানে দলে থাকা সাদমানকে টেস্ট ওপেনিংয়ে খেলানো যুক্তিযুক্ত ছিল।বিষয়টি ভবিষ্যতে ভাবতে হবে। টেস্টে ব্যাটিং থেকে ভালো কিছু পেতে তামিমের একজন যোগ্য ওপেনিং সঙ্গী প্রয়োজন।

মুশফিকের সেট হয়ে আউট হয়ে যাওয়া


বাংলাদেশের টেস্ট ব্যাটিংয়ের মেরুদন্ড কিন্তু মুশফিকুর রহিম।কারণ মুশফিকের টেকনিক শক্তিশালী। তাছাড়া তাঁর মধ্যে সবধরণের ক্লাসিক্যাল শট খেলার সক্ষমতা রয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটে ভালো ব্যাটিংয়ের একটি বড় শর্ত হিসেবে আমি  সবধরণের ক্লাসিক্যাল শট খেলার সক্ষমতাকে এগিয়ে রাখি। এক্ষেত্রে তামিম, মুশফিক, মুমিনুল,লিটন এ মুহূর্তে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান।তবু শ্রীলঙ্কা সিরিজে বিশেষত দ্বিতীয় টেস্টে মুশফিকের কাছে বড় একটি ইনিংস প্রত্যাশা করেছিলাম।মিস্টার ডিপেন্ডডেবুল বড় ইনিংস খেললে হয়তো বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে ভালো কিছু পেত।

লিটনের ব্যাটিং অর্ডার

লিটন দাস বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে টেকনিকের দিক থেকে এই মুহূর্তে শীর্ষ পাঁচে রয়েছে। সুতরাং তাকে টেষ্টে সঠিক জায়গায় ব্যাটিংয়ের সুযোগ দেয়া উচিত।যদি টিম ম্যানেজম্যান্ট শ্রীলঙ্কা সিরিজে সাদমানকে বিশ্রাম দেবার কথা ভেবেছিল তখন লিটনকে ওপেনিংয়ে পাঠালে সে হয়তো  ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে বড় ইনিংস খেলতে পারতো।লিটনকে আসলে টেষ্টে ভালোভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।অথচ টেস্ট ক্রিকেটে ভালো ব্যাটিংয়ের সবধরণের যোগ্যতাই লিটনের মধ্যে রয়েছে।


তাসকিনের ফর্মে ফেরা 

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পেসার মোস্তাফিজ আইপিএল খেলতে ছুটিতে রয়েছেন। তাছাড়া তাসকিন আহমেদ বহুদিন ধরে নিজের সেরা ফর্মে নেই ফলে এই সিরিজে বাংলাদেশের পেস বোলিং নিয়ে কিছু সংশয় কিন্তু ছিল।তবে তাসকিন আহমেদ মোটামুটি ভালো বোলিং করেছেন এবং তাকে এই সিরিজে সাম্প্রতিক কালের থেকে আরো ভালো বোলিং করতে দেখা গেছে।এটি অবশ্যই বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য পজিটিভ বিষয়।কারণ তাসকিন আহমেদ এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে নিখুঁত ভেলিভারির পেসার। মাশরাফির অবর্তমানে বাংলাদেশের পেস অ্যাটাকে ইনফর্ম তাসকিনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক।এই সিরিজে শরিফুলের বোলিং ,অ্যাকশন ইত্যাদি বেশ সুন্দর ছিল যদিও বাজে ফিল্ডিংয়ের জন্য তাঁর কিছু উইকেট মিস হয়েছে। শরিফুলের কিছু কিছু ডেলিভারি সত্যিই অসাধারণ ছিল। বুদ্ধিদীপ্ত পেসের সাথে ভেরিয়েশন শরিফুলের মূলশক্তি।যদি ওকে খেলার মধ্যে রাখা যায় তাহলে আরেকজন ভালো পেসার বাংলাদেশ হয়তো পেয়ে যাবে।

ভালো লেগস্পিনারের অভাব ছিল


আইপিএলের জন্য সাকিব, মোস্তাফিজ দলে নেই তাছাড়া শাহাদাত, মাশরাফির মত গতির পেসার এখন দলে নেই ফলে এই সিরিজে বাংলাদেশের বোলিংয়ের মূল দায়িত্ব ছিল তাসকিন ও তাইজুলের কাঁধে। তাসকিন ও তাইজুল বেশ চেষ্টা করেছে যদিও উইকেট প্রায় পুরোটাই ব্যাটিংবান্ধব ছিল। এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের বোলিং দেখে মনে হয়েছে দলে একজন আন্তর্জাতিক মানের লেগস্পিনারের অভাব আছে। সাকিবের অনুপস্থিতিতে একজন লেগস্পিনার টেষ্টে ব্রেকথ্রোর জন্য খুব প্রয়োজন ছিল। যাহোক পরবর্তীতে নিশ্চয় টিম ম্যানেজম্যান্ট এটি নিয়ে ভাববে।


তবু একটি ম্যাচ ড্র করা ইতিবাচক

শ্রীলঙ্কার মাটিতে শ্রীলঙ্কা সবসময় একটি কঠিন টিম।এটি সব ক্রিকেটপ্লেয়িং দেশই কিন্তু বলে থাকে। বাংলাদেশের জন্যও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ নিশ্চিতভাবে কঠিন ছিল। উপরন্তু করোনাকালিন বিধিনিষেধ জৈব সুরক্ষা ইত্যাদি অবশ্যই এক্সট্রা প্রেসার। তবু শেষপর্যন্ত বাংলাদেশ একটি টেস্ট ড্র করেছে সেটিকে এ সময়ে ভালো রেজাল্ট হিসেবে দেখছি।আর দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা আরো কিছুটা সতর্ক হলে হয়তো সেটিতে হারতে হতো না।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

জস বাটলারের আইপিএল হিষ্ট্রি

                                                                   

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যানদের প্রসঙ্গ এলে জস বাটলারের নামটি উচ্চারণ করতেই হয়। দুর্দান্ত টাইমিং এবং দ্রুত রান তোলার ক্ষমতা বিবেচনায় এই সময়ের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাটলার এক অতুলনীয় নাম। ইংল্যান্ডের এই তারকা ব্যাটসম্যান ইংল্যান্ড জাতীয় টিমের পাশাপাশি বিশ্বের সব বড় টিটুয়েন্টি লিগেই ব্যাপক সফল ও জনপ্রিয়। আইপিএলেও ইতিমধ্যে নিজের সক্ষমতার প্রমাণ রেখেছেন এই ইংলিশ উইকেট-রক্ষক ব্যাটসম্যান।এই স্টোরিটি জস বাটলারের আইপিএল ক্যারিয়ার নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।  


যেসব ফ্রাঞ্চাইজিতে খেলেছেন

জস বাটলার  ২০১৬ সাল থেকে আইপিএলে অংশগ্রহণ করছেন।এই তারকা ব্যাটসম্যান প্রথম আইপিএল খেলেছেন মোম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে।২০১৬ থেকে ২০১৭ আইপিএল পর্যন্ত বাটলার মোম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলেছেন। তবে ২০১৮ সাল থেকে বর্তমান আইপিএল পর্যন্ত বাটলার রাজস্থান রয়্যালসের প্রতিনিধিত্ব  করছেন। আইপিএলে এই ব্যাটিং লিজেন্ডের বেশকিছু সাফল্য রয়েছে।


বাটলারের আইপিএল ক্যারিয়ার      

আইপিএলের সফল  ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ইতিমধ্যে বাটলারের নামটিও   যুক্ত হয়ে গেছে।এই হাডহিটার ইতিমধ্যে আইপিএলে সেঞ্চুরিসহ বেশকিছু রেকর্ড  গড়েছেন। এছাড়া আইপিএলে বহু ম্যাচজয়ের নায়ক হয়েছেন এই উইকেট-রক্ষক ব্যাটসম্যান। জস বাটলার ইতিমধ্যে আইপিএলে ৬৫টি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ১৯৬৮ রান।ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে বাটলারের ১ শতক ও ১১ টি অর্ধশতক রয়েছে। এছাড়া শুরু থেকে উইকেটের পেছনের দায়িত্বও সফলতার সঙ্গে পালন করছেন এই ইংলিশ তারকা।

আইপিএল ২০১৬


বআইপিএলের ২০১৬ সালের আসরে বাটলার প্রথমবারের মতো খেলার সুযোগ পান। নিজের প্রথম আইপিএলে এই তারকা ক্রিকেটার ১৪ ম্যাচ খেলে ২৫৫ রান করেন।

আইপিএল ২০১৭


আইপিএলের ২০১৭ আসরে জস বাটলার ১০ ম্যাচ খেলে ১ ফিফটিসহ ২৭২ রান করেন।

আইপিএল ২০১৮


২০১৮ আইপিএলে জস বাটলার ব্যাট হাতে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখাতে সক্ষম হন।সেই আইপিএলে বাটলার ১৩ ম্যাচ খেলে ৫ ফিফটিসহ ৫৪৮ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০১৯


আইপিএলের ২০১৯ আসরেও ব্যাট হাতে দারুণ পারফরম্যান্স দেখান এই তারকা ব্যাটসম্যান। সেই আইপিএলে বাটলার ৮ ম্যাচ খেলে ৩ ফিফটিসহ ৩১১ রান করেন 

আইপিএল ২০২০


আইপিএল ২০২০ এ জস বাটলার ১৩ ম্যাচ খেলে ২ফিফটিসহ ৩২৮ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০২১


২০২১ আইপিএলে ইতিমধ্যে ৭টি ম্যাচ খেলেছেন এই তারকা ব্যাটসম্যান এবং তাতে ১টি শতকসহ তাঁর মোট সংগ্রহ ২৫৪ রান।

করোনা সহায়তায় এগিয়ে এলেন শচীন-কামিন্সের মত তারকারা

                                                                

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ক্রিকেটের মাঠে ব্যাটবলের দারুণ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এবার করোনায় বিপর্যস্ত ভারতের পাশে দাঁড়ালেন শচীন টেন্ডুলকার,প্যাট কামিন্সের মত বেশকিছু সাবেক ও বর্তমান তারকা ক্রিকেটার। ভারতের সাম্প্রতিক ভয়াবহ করোনা বিপর্যয়ে নগদ অর্থ সহায়তার পাশাপাশি করোনার পরীক্ষা ল্যাব ইত্যাদি বিভিন্ন উপায়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এসব সাবেক ও বর্তমান তারকা ক্রিকেটার।


শচীন টেন্ডুলকারের করোনা সহায়তা

ভারতের সাম্প্রতিক করোনা বিপর্যয়ে এগিয়ে এসেছেন ভারতের লিটল মাষ্টার শচীন টেন্ডুলকার। সাবেক এই তারকা ব্যাটসম্যান ভারতের করোনা সহায়তায় সরাসরি এগিয়ে এসেছেন। শচীন "মিশন অক্সিজেন" নামক একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে ১ কোটি রুপি নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন।

প্যাট কামিন্সের করোনা সহায়তা

অষ্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার প্যাট কামিন্স বর্তমানে আইপিএলে কেকেআরের হয়ে খেলছেন।এই তারকাও করোনা বিপর্যয়ে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছেন।কামিন্স ভারতকে করোনা মোকাবেলায় ৩৮ লাখ রুপি নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন।

করোনায় এগিয়ে এসেছেন শিকর ধাওয়ান

ভারতের তারকা ব্যাটসম্যান শিকর ধাওয়ান করোনায় বিপর্যস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন।এই তারকা ওপেনার করোনা রোগীদের  অক্সিজেন সিলিন্ডার কেনার জন্য ২০ লক্ষ রুপি নগদ অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।

ব্রেট লি দিয়েছেন ৪০ লক্ষ রুপি

করোনা রোগীদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন সাবেক অসি গতিতারকা ব্রেট লি।এই অসি তারকা ক্রিকেটার করোনা সহায়তায় ৪০ লাখ রুপি নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন।

উনাদকাটের করোনা সহায়তা

আইপিএলের জনপ্রিয় তারকা জয়দেব উনাদকাট করোনা কালে নিজদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন।এই তারকা ক্রিকেটার করোনাকালে করোনারোগীদের চিকিৎসার জন্য নিজের বেতনের ১০ শতাংশ দান করেছেন।

হরভজনের করোনাটেষ্ট ল্যাব

ভারতের তারকা স্পিনার হরভজন সিং করোনাকালে সাধারণ মানুষের সহায়তার জন্য এগিয়ে এসেছেন।এই তারকা ক্রিকেটার সাশ্রয়ী মূল্যে করোনা টেস্টের জন্য ভারতের পুনেতে একটি ভ্রাম্যমাণ করোনা পরীক্ষাল্যাব তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন।এই ল্যাব বিভিন্ন স্থানে ঘুরে করোনা টেস্ট করবে। এখানে অতিদরিদ্রদের জন্য বিনাখরচে করোনা পরীক্ষার কথাও জানিয়েছেন হরভজন। এছাড়া হরভজনের এই ল্যাবে চার ঘন্টায় করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।

এডাম জাম্পার আইপিএল হিষ্ট্রি

                                                                     

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ অষ্ট্রেলিয়ার তারকা লেগস্পিনার এডাম জাম্পা আইপিএলেও  সফল বোলার হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমান সময়ের ক্রিকেটে সবচেয়ে আলোচিত লেগস্পিনারদের মধ্যেও জাম্পা অন্যতম। চমৎকার বোলিং স্টাইল ও বুদ্ধিদীপ্ত লেগস্পিনের মিশেলে এই অসি তারকা এই সময়ের ক্রিকেটে এক জনপ্রিয় বোলার হিসেবে পরিচিত। আইপিএলে জাম্পার ক্যারিয়ার খুব দীর্ঘ নাহলেও ইতিমধ্যে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এই মহোৎসবে নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন এই তারকা লেগস্পিনার। এখানে এডাম জাম্পার আইপিএল ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা করব।


যেসব ফ্রাঞ্চাইজিতে খেলেছেন

অষ্ট্রেলিয়ার তারকা লেগস্পিনার এডাম জাম্পা আইপিএলে প্রথম অংশগ্ৰহন করেন ২০১৬ সালে। রাইজিং পুনে সুপারজায়েন্টের হয়ে এই তারকার আইপিএল অভিষেক হয়। পরবর্তীতে ২০১৭ আইপিএলে জাম্পা যথারীতি রাইজিং পুনে সুপারজায়েন্টের হয়ে মাঠে নামেন। সর্বশেষ ২০২০ সালের আইপিএলে জাম্পা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে মাঠে নামেন।

এডাম জাম্পার আইপিএল ক্যারিয়ার

এ সময়ের সীমিত ওভারের (ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি )ক্রিকেটে জনপ্রিয় বোলারদের মধ্যে এডাম জাম্পা এক বিশিষ্ট নাম। চমৎকার লেগস্পিনের সাথে কৌশলী ও বুদ্ধিদীপ্ত ভেলিভারি জাম্পার বোলিংয়ের বিশেষ একটি দিক। তাছাড়া ব্যাটসম্যানের দুর্বলতা বোঝে সঠিক জায়গায় বল ফেলার অসাধারণ দক্ষতা  এই লেগির বোলিংয়ে সবসময় ফুটে উঠে। এসবকিছু মিলিয়ে জাম্পা আইপিএলেও বেশ সফলতা পেয়েছেন।এই লেগস্পিনার ইতিমধ্যে আইপিএলে ১৪টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ মোট ২১ উইকেট। আইপিএলে জাম্পার সেরা বোলিং ১৯ রানে ৬ উইকেট।

আইপিএল ২০১৬


এডাম জাম্পার আইপিএল অভিষেক হয় ২০১৬ সালে। তাঁর প্রথম আইপিএল টিম রাইজিং পুনে সুপারজায়েন্ট। নিজের প্রথম আইপিএলে জাম্পা ৫ম্যাচ খেলে ১২টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০১৭


২০১৭ সালের আইপিএলে জাম্পা যথারীতি রাইজিং পুনে সুপারজায়েন্টের হয়ে মাঠে নামেন। সেই আইপিএলে জাম্পা মোট ৬ম্যাচ খেলে ৭টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০২০


আইপিএল ২০২০ এ জাম্পা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলার সুযোগ পান এবং ৩ ম্যাচ খেলে ২টি উইকেট নেন।

হেটমায়ারের আইপিএল হিষ্ট্রি

                                                                      

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ওয়েষ্টইন্ডিজের এ সময়ের প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের মধ্যে শিমরণ হেটমায়ার এক উল্লেখযোগ্য নাম। ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে হেটমায়ারের দারুণ জনপ্রিয়তা রয়েছে ।নিজ দেশ ওয়েষ্ট ইন্ডিজ জাতীয় দলের পাশাপাশি বিশ্বের সব বড় টিটুয়েন্টি লিগেই চাহিদা রয়েছে এই মারকুটে ব্যাটসম্যানের। জায়গায় দাঁড়িয়ে বিগহিটের জন্য হেটমায়ার এক তুলনাহীন নাম। আইপিএলে ২০১৯ সালে হেটমায়ার প্রথম খেলার সুযোগ পান । তারপর থেকে নিয়মিত আইপিএল খেলছেন এই তরুণ উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান। আমাদের ধারাবাহিক আলোচনায় আজকে থাকছে শিমরণ হেটমায়ারের আইপিএল ক্যারিয়ারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।


যেসব ফ্রাঞ্চাইজিতে খেলেছেন


শিমরণ হেটমায়ার এই সময়ের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে জনপ্রিয় এক ব্যাটসম্যান।মূলত মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে হেটমায়ার বেশি পরিচিত।তবে টিটুয়েন্টি ও ওয়ানডে ক্রিকেটে স্লগওভারে ফিনিশার হিসেবেও এই উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানের সফলতা রয়েছে। আইপিএলেও বহু ম্যাচজয়ে তাঁর কৃতিত্ব রয়েছে।হেটমায়ার তাঁর আইপিএল জার্নি শুরু করেন ২০১৯ সালে।২০১৯ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে এই ব্যাটসম্যানের আইপিএল অভিষেক হয়। এবং ২০২০ আইপিএল থেকে বর্তমান আইপিএল পর্যন্ত এই উইন্ডিজ তারকা দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলছেন।

হেটমায়ারের আইপিএল ক্যারিয়ার

আইপিএলে হেটমায়ার মূলত মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান ও ফিনিশার হিসেবে জনপ্রিয়।উইকেটে সেট হয়ে গেলে এই ব্যাটসম্যানের প্রচুর বিগশট খেলার সামর্থ্য রয়েছে। শিমরণ হেটমায়ার ইতিমধ্যে আইপিএলের তিনটি আসরে অংশগ্রহণ করেছেন। এবং এই উইন্ডিজ হাডহিটার আইপিএলে ইতিমধ্যে ২২টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর আইপিএল রানসংখ্যা বর্তমানে ৩৪৩। এছাড়া আইপিএলে তাঁর ২টি ফিফটিও রয়েছে।

আইপিএল ২০১৯


হেটমায়ার ২০১৯ সালে প্রথম আইপিএলে  খেলার সুযোগ। সেই আইপিএলে হেটমায়ার ৫ ম্যাচ খেলে ১ফিফটিসহ মোট ৯০ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০২০

আইপিএলের ২০২০ সালের আসরে এই তারকা ব্যাটসম্যান দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে মাঠে নামেন। এবং সেই আসরে হেটমায়ার ১২ ম্যাচ খেলে মোট ১৮৫ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০২১

বর্তমান আইপিএলে হেটমায়ার যথারীতি দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলছেন এবং ইতিমধ্যে ৫টি ম্যাচ খেলে ১ফিফটিসহ ৬৮ রান করেছেন এই উইন্ডিজ হাডহিটার।