WHAT'S NEW?
Loading...

ডিপিএলে তামিম সাকিবরা কে কোন টিমে

                                                                



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ অবশেষে মাঠে গড়াচ্ছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটের (ডিপিএল) এবারের আসর।আগামী ৩১মে শুরু হতে যাচ্ছে ডিপিএলের এবারের আসর। ইতিমধ্যে ম্যাচসূচি প্রকাশ করা হয়েছে। জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের প্রায় সবাই ডিপিএলে খেলবেন। আসুন দেখে নিই এবারের ডিপিএলে তারকারা কে কোথায় খেলছেন সেই তথ্য। এছাড়া ডিপিএলের সূচিও এখানে তুলে ধরা হলো।


টিমসংখ্যা ও তারকারা কে কোন টিমে

এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে মোট টিমসংখ্যা ১২। এবং প্রায় প্রতিটি টিমই বেশ ব্যালান্সড হয়েছে বলা যায়।জাতীয় দল ও দলের বাইরে থাকা প্রায় সব তারকা ক্রিকেটারই ডিপিএলে খেলবেন। এছাড়াও ভবিষ্যতের তারকা ক্রিকেটার তৈরির এই লিগে বেশকিছু সংখ্যক তরুণ ক্রিকেটারও খেলবেন। ডিপিএলের এই আসরে সবগুলো ম্যাচ টিটুয়েন্টি ফরম্যাটের হবে। এবারের ডিপিএলে সাকিব,তামিম, মুশফিক,রুবেল হোসেনরা কে কোথায় খেলছেন আসুন সেটি দেখে নেই।

আবাহনী লিমিটেড


আবাহনী লিমিটেডের হয়ে বেশকিছু তারকা প্লেয়ার মাঠে নামবেন।এদের মধ্যে অন্যতম হলেন মুশফিকুর রহিম,লিটন দাস, মোঃ সাইফুদ্দিন,নাঈম শেখ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাইজুল ইসলাম, আরাফাত সানি, আফিফ হোসেন,আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব

মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে বেশকজন তারকা ক্রিকেটার মাঠে নামবেন। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে তারকাদের মধ্যে রয়েছেন সাকিব আল হাসান, তাসকিন আহমেদ, শামসুর রহমান শুভ,শুভাগত হোম চৌধুরী, আবু জাহেদ রাহি,আবু হায়দার রনি, ইরফান শুক্কুর প্রমুখ।

লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ


লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের উল্লেখযোগ্য তারকারা হলেন সাদমান ইসলাম অনিক,সোহাগ গাজী, শফিউল ইসলাম, আল-আমিন হোসেন,নাবিল সামাদ,পিনাক ঘোষ।

শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব

তারকা ক্রিকেটারদের মধ্যে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে মাঠে দেখা যাবে মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোঃ আশরাফুল, ইমরুল কায়েস,এবাদত হোসেন চৌধুরী, সোহরাওয়ার্দী শুভ, নাসির হোসেন প্রমুখকে।

ব্রাদার্স ইউনিয়ন

ব্রাদার্স ইউনিয়নের হয়ে বেশকজন তারকা ও মেধাবী তরুণ ক্রিকেটার মাঠে নামবেন। এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য তারকারা হলেন জুনায়েদ সিদ্দিকী,তুসার ইমরান, সাকলাইন সজীব, মেহেদী হাসান।

ওল্ড ডিওএইচএস স্পোটর্স ক্লাব

ওল্ড ডিওএইচএস স্পোটর্স ক্লাবে বেশকিছু সম্ভাবনাময় তরুণ ক্রিকেটার মাঠে নামবেন। এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ক্রিকেটার হলেন রাকিবুল হাসান, মিনহাজুল আবেদীন সাব্বির,গাজী সোহেল রানা সাগর,অমিত হাসান,শাহনাজ আহমেদ, মোহাম্মদ সেন্টু।

প্রাইম দোলেশ্বর স্পোটিং ক্লাব


প্রাইম দোলেশ্বর স্পোটিং ক্লাবের হয়ে বেশকজন তারকা ক্রিকেটার মাঠে নামবেন ।এই দলটিতে  ফরহাদ রেজা, মার্শাল আইয়ুব,সাইফ হাসান, কামরুল ইসলাম রাব্বির মত তারকা ক্রিকেটাররা খেলবেন।

গাজী গ্ৰুপ ক্রিকেটার্স


গাজী গ্ৰুপ ক্রিকেটার্সের হয়ে খেলবেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ,সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, হাসান মাহমুদ,আকবর আলী,নাসুম আহমেদ প্রমুখ বেশকজন তারকা ক্রিকেটার।

শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব

শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে মাঠে দেখা যাবে তানজিদ হাসান তামিম, তৌহিদ হ্নদয়,মোহর শেখ অন্তর,প্রীতম কুমার, সাজ্জাদুল হক রিপনের মত বেশকিছু তরুণ ও মেধাবী ক্রিকেটারকে।

প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব


তারকা ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলবেন তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ মিঠুন, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, এনামুল হক বিজয়,অলক কাপালি,রনি তালুকদার,নাঈম হাসান, নাজমুল ইসলাম অপু ।

খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি


খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতির হয়ে খেলবেন মেহেদী হাসান মিরাজ, সৈয়দ খালেদ হোসেন, জহুরুল ইসলাম অমি,রনি চৌধুরীর মত বেশকিছু তরুণ ও তারকা ক্রিকেটার।

পারটেক্স স্পোটিং ক্লাব

পারটেক্স স্পোটিং ক্লাবের হয়ে মাঠে নামবেন ধীমান ঘোষ, রবিউল ইসলাম,সগির হোসেন শুভ্র,শাহবাজ চৌহান,তাসামুল হক,রনি হোসেন প্রমুখ বেশকিছু তারকা ক্রিকেটার।


ডিপিএলের সূচি

এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেট পাঁচটি রাউন্ডে সম্পন্ন করা হবে। এক্ষেত্রে একদিনে এক রাউন্ডের সব খেলা  অনুষ্ঠিত হবে। সবগুলো খেলা মিরপুর ও বিকেএসপির মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম রাউন্ড - ৩১ মে,২০২১
মোট ম্যাচ সংখ্যা- ৬টি

দ্বিতীয় রাউন্ড- ১জুন,২০২১
মোট ম্যাচ সংখ্যা - ৬

তৃতীয় রাউন্ড- ৩ জুন,২০২১
মোট ম্যাচ সংখ্যা- ৬

চতুর্থ রাউন্ড - ৪ জুন,২০২১
মোট ম্যাচ সংখ্যা - ৬

পঞ্চম রাউন্ড - ৬ জুন,২০২১
মোট ম্যাচ সংখ্যা - ৬





টিটুয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা দশ

                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় টিমগুলোর একটি ওয়েষ্ট ইন্ডিজ। ক্রিকেটের অন্যতম শীর্ষ এই টিমে  (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)  দারুণ সব টিটুয়েন্টি আইকন রয়েছেন।ক্রিস গেইল,ব্রাভো থেকে হালের হেটমায়ার ,পুরাণ প্রমুখ তারকা ক্রিকেটারের দেশ ওয়েষ্ট ইন্ডিজ। তাছাড়া এই টিমের  টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ডও রয়েছে। আজকের স্টোরিটি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা দশ পারফরমারকে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।


টিটুয়েন্টিতে ওয়েস্টইন্ডিজের সেরা দশ ব্যাটসম্যান

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ধুন্ধুমার ব্যাটবলের লড়াইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সবসময়ই জনপ্রিয় এক টিম ।তাই  বিশ্বের সব ফ্রাঞ্চাইজি টিটুয়েন্টি লিগে উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান ও বোলারদের চাহিদা ব্যাপক। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ক্রিস গেইল,লিন্ডল সিমন্স,মারলন স্যামুয়েলস,হেটমায়ার,পুরাণের  নাম সদাই উচ্চারিত হয়। এখানে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের রেকর্ড তুলে ধরছি।

ক্রিস গেইল


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা দশ ব্যাটসম্যানের তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন ক্রিস গেইল।গেইল ইতিমধ্যে ৬১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর মোট টিটুয়েন্টি রান ১৬৫৬ সাথে রয়েছে ২টি সেঞ্চুরি ও ১৩টি ফিফটি।

মারলন স্যামুয়েলস


মারলন স্যামুয়েলস ৬৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট রান ১৬১১ এবং সেই সাথে ক্রিকেটের এই ফরম্যাটে সামুয়েলসের ১০টি ফিফটি রয়েছে।

কিয়েরন পোলার্ড


কিয়েরন পোলার্ড ইতিমধ্যে ৭৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন। তাঁর মোট রান ১২৭৭ । এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে পোলার্ডের ৫টি ফিফটি রয়েছে।

লিন্ডল সিমন্স


ওয়েস্ট ইন্ডিজের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় লিন্ডল সিমন্সের নামটিও রয়েছে।সিমন্স ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৫৭টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।তাঁর মোট রান ১২৬২ সাথে রয়েছে ৮টি ফিফটি।

ডোয়াইন ব্রাভো


ডোয়াইন ব্রাভো ৭৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ১১৫৭ রান সাথে রয়েছে ৪টি ফিফটি।

এভিন লুইস


এভিন লুইস ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৩৫টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর মোট রান ৯৮৯। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এভিন লুইসের ২টি সেঞ্চুরি ও ৬টি ফিফটি রয়েছে।

আন্দ্রে ফ্লেচার


আন্দ্রে ফ্লেচার ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৪৫টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর মোট রান ৮২৩। এবং আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে আন্দ্রে ফ্লেচারের ৬টি ফিফটি রয়েছে।

জনসন চার্লস


জনসন চার্লস ওয়েস্ট ইন্ডিজের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছেন। ইতিমধ্যে ৩৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে এই ব্যাটসম্যান ৪ফিফটিসহ ৭২৪ রান করেছেন।

দিনেশ রামদিন


দিনেশ রামদিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৭১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১ফিফটিসহ ৬৩৬ রান সংগ্রহ করেন।

ডোয়াইন স্মিথ


ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক তারকা ব্যাটসম্যান ডোয়াইন স্মিথ ৩৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ৩ফিফটিসহ ৫৮২ রান।

টিটুয়েন্টিতে ওয়েস্টইন্ডিজের সেরা দশ বোলার


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বেশকজন বোলার দারুণ সফলতা পেয়েছেন। এক্ষেত্রে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের সেরা বোলারদের মধ্যে ডিজে ব্রাভো, সুনীল নারাইন,ডারেন সামির নাম উল্লেখযোগ্য। এখানে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলারের রেকর্ড তুলে ধরছি।

ডোয়াইন ব্রাভো


আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ওয়েস্টইন্ডিজের সেরা দশ বোলারের তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন ডোয়াইন ব্রাভো।ব্রাভো ৭৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬২টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ২৮ রানে ৪ উইকেট।

স্যামুয়েল বাডরি


স্যামুয়েল বাডরি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলে ৫৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ( ৪/১৫)।

সুনীল নারাইন


সুনীল নারাইন এই সময়ের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় এক স্পিনার।এই স্পিনার ৫১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ৫২ (সেরা বোলিং ৪/১২)।

ডারেন সামি


ডারেন সামি ৬৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৪৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৫/২২।

কেসরিক উইলিয়ামস


কেসরিক উইলিয়ামস ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ২৬টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৪১টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ৪/২৮।

শেলডন কটরেল


শেলডন কটরেল ওয়েস্ট ইন্ডিজের সফল টিটুয়েন্টি বোলারের অন্যতম।এই তারকা পেসার ৩০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ৩৭(সেরা বোলিং ৪/২৮)।

কিয়েরন পোলার্ড


কিয়েরন পোলার্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় টিমের হয়ে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দারুণ বোলিং করছেন।এই তারকা অলরাউন্ডার ইতিমধ্যে ৭৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩৭টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৪/২৫।

জেরেমি টেইলর


জেরেমি টেইলর ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৩০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩৩টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ৩/৬।

কার্লোস ব্রাথওয়েট


কার্লোস ব্রাথওয়েট ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৪১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর উইকেটসংখ্যা ৩১।সেরা বোলিং ৩/২০।

রবি রামপাল


রবি রামপাল ২৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৯টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৩/১৬।



তামিমের নতুন মাইলফলক

                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ তামিম ইকবাল বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে সফল ওপেনার হিসেবে স্বীকৃত। এছাড়া পরিসংখ্যান ও সার্বিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় তামিম বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজে এই বাঁহাতি ওপেনার নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে দেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এই ওপেনার ১৪ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন। এছাড়া ক্রিকেট ইতিহাসের নবম ওপেনার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে  তামিম ১৪ হাজার রান করলেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওপেনারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক গ্ৰেট সনাথ জয়সুরিয়া ১৯২৯৮ রান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রান সংগ্ৰহকারী ওপেনারদের তালিকায় তামিমের ঠিক উপরে রয়েছেন অসি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার (১৪৮০৩ রান)।


তামিমের আন্তর্জাতিক ব্যাটিং রেকর্ড


বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল ইতিমধ্যে তিন ফরম্যাটেই দারুণ সফলতা পেয়েছেন। টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তামিমের বর্তমান রানসংখ্যা ১৪০৬৩ রান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তামিমের ২৩টি সেঞ্চুরি ও ৮৯টি ফিফটি রয়েছে।এই তারকা ওপেনারের ব্যাটিং পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

টেস্ট পরিসংখ্যান


তামিম ইকবাল ইতিমধ্যে ৬৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ৪৭৮৮ রান। টেস্ট ক্রিকেটে তামিমের ৯টি সেঞ্চুরি ও ৩১টি ফিফটি রয়েছে। টেষ্টে তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংস ২০৬ রান।

ওয়ানডে পরিসংখ্যান


তামিম ইকবাল বাংলাদেশের হয়ে ইতিমধ্যে ২১৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে তাঁর মোট রান ৭৫১৭। ওয়ানডে ক্রিকেটে তামিমের সেঞ্চুরি সংখ্যা ১৩ এবং হাফসেঞ্চুরি ৫১টি।

টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান


এই দেশসেরা ওপেনার ৭৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ১৭৫৮ রান এবং সেই সাথে এই ফরম্যাটে তামিমের ১টি সেঞ্চুরি ও ৭টি ফিফটি রয়েছে।

বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যান

ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট (টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি) বিবেচনায় বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন ১. তামিম ইকবাল (১৪০৬৩ রান),২.মুশফিকুর রহিম ( ১২৫২০রান),৩.সাকিব আল হাসান (১১৯৪৮ রান),৪.মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (৮৬২৭ রান),৫.মোঃআশরাফুল (৬৬৫৫ রান)।

ক্রিকেটের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের রানসংখ্যা

ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের রানের পরিসংখ্যান এখানে আলোচনা করব।এই তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন ভারতের লিটল মাষ্টার ১.শচীন টেন্ডুলকার (৩৪৩৫৭রান)।২.কুমার সাঙ্গাকারা (২৮০১৬ রান)।৩.রিকি পন্টিং (২৭৪৮৩ রান)।৪.মাহেলা জয়াবর্ধনে (২৫৯৫৭ রান)।৫.জ্যাক ক্যালিস (২৫৫৩৪ রান)।৬.রাহুল দ্রাবিড় (২৪২০৮ রান)।৭.বিরাট কোহলি (২২৮১৮ রান)।৮.ব্রায়ান লারা (২২৩৫৮ রান)।৯.সনাথ জয়সুরিয়া (২১০৩২ রান)।১০.শিবনারায়ণ চন্দরপাল (২০৯৮৮রান)।

তথ্যসূএ : ইএসপিএন ক্রিকইনফো ও ক্রিকবাজ

বুদ্ধপূর্ণিমার শুভেচ্ছা

                                                        

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা ।এটি বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব।বিশ্বব্যাপী সকল বৌদ্ধধর্মাবলম্বী মানুষ এই দিনটি বিশেষ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করে থাকেন।প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'এর পক্ষ থেকে সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে বৌদ্ধপূর্ণিমার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

আজ নজরুলের ১২২ তম জন্মবার্ষিকী

                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ ২৫শে মে, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২তম জন্মবার্ষিকী।প্রিয় ক্রিকেট ডটকম' এর পক্ষ থেকে এই বিশেষ দিনটিতে কবির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। সেইসাথে এখানে নজরুলের জীবন ও সৃষ্টি সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরছি।


নজরুলের জীবন ও সৃষ্টি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য

১.কাজী নজরুল ইসলাম একাধারে - কবি, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, গীতিকার -সুরকার ও শিল্পী,নাট্যকার, সম্পাদক,চলচ্চিএকার।

২.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নজরুলকে ডি.লিট উপাধি দেয়- ১৯৭৪ সালে।

৩.রবীন্দ্রভারতী নজরুলকে ডি.লিট দেয় - ১৯৬৯ সালে।

৪.ভারত সরকার নজরুলকে পদ্মভূষণ উপাধি দেয়- ১৯৬০সালে।

৫.কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় নজরুলকে জগওারিণী পদক দেয়- ১৯৪৫সালে।

৬.বাংলাদেশ সরকার নজরুলকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি দেয়- ১৯৭২ সালে।

৭.নজরুল একুশে পদক পান- ১৯৭৬ সালে।

৮.নজরুলকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়- ১৯৭৭ সালে।

৯.বিবিসির বাংলা বিভাগ কর্তৃক জরিপে(২০০৪) নজরুল সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায়- তৃতীয় হন।

১০.কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম ঢাকায় আসেন - ১৯২৬ সালে।


১১.নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্ৰন্থ - ব্যথার দান

১২.তাঁর প্রথম প্রবন্ধগ্ৰন্থ - যুগবাণী

১৩.তাঁর প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্ৰন্থ - বিষের বাঁশী

১৪.বাংলা সাহিত্যে নজরুল - মুক্তক ছন্দের প্রবর্তক।

১৫.তাঁর সর্বশেষ কাব্যগ্ৰন্থ - নির্ঝর ।

১৬.নজরুলের সম্পাদিত পএিকা - ৩টি ( ধূমকেতু,লাঙ্গল, দৈনিক নবযুগ)

১৭.নজরুল বাংলা ভাষায় প্রথম ইসলামী সঙ্গীত ও গজল লেখেন।

১৮.নজরুল প্রথম বাঙালি মুসলমান চলচ্চিএকার।

১৯.কবির স্মৃতিবিজড়িত বাংলাদেশের বিখ্যাত স্থান - এিশাল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লার দৌলতপুর, চুয়াডাঙ্গা।

২০.নজরুলের মোট বাজেয়াপ্ত গ্ৰন্থ - ৫টি।

২১.কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গীত বিষয়ক গ্ৰন্থ -চোখের চাতক, নজরুল গীতিকা,সুরসাকি,বনগীতি প্রভৃতি।

সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                              

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারের নতুন কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য এখানে তুলে ধরা হল।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে নিয়োগ

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

পদ: নিরাপত্তা কর্মকর্তা,মেডিকেল অফিসার, ইন্সপেক্টর,এরোড্রাম সহকারী, সহকারী যোগাযোগ কর্মকর্তা,অফিস সহায়ক প্রভৃতি পদ।

পদসংখ্যা: ১৬১৩

যোগ্যতা: পদভেদে জেএসসি থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

বেতন: পদভেদে গ্ৰেড-৯ থেকে গ্ৰেড-২০

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট: http://caab.teletalk.com.bd)


আবেদনের শেষ তারিখ:২০/০৬/২০২১ বিকাল ৫টা ।

সূত্র:প্রথম আলো 


ডেলটা ব্র্যাক হাউজিং ফাইনান্সে নিয়োগ

ডেলটা ব্র্যাক হাউজিং ফাইনান্স কর্পোরেশন লিমিটেডে "এসিস্ট্যান্ট অফিসার/অফিসার-ক্রেডিট" পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: এসিস্ট্যান্ট অফিসার/অফিসার-ক্রেডিট

পদসংখ্যা:অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা: বিজনেস স্টাডিজ/বিজনেস এডমিনিষ্টেশন বিষয়ে স্মাতক ডিগ্রি।তবে সিএসিসি(cacc) ডিগ্ৰিধারীদের অগ্ৰাধিকার।

অভিজ্ঞতা: মোটরসাইকেল চালনা জানতে হবে এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স  থাকতে হবে। শুধু পুরুষরা এই পদে আবেদন করতে পারবেন।

বয়স:২১-৩০

চাকরির ধরণ:পূর্ণকালীন

কর্মক্ষেএ: বাংলাদেশের যেকোন স্থান

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৭/০৫/২০২১

সূত্র:বিডিজবস ডটকম



এসিআই মটরস লিমিটেডে নিয়োগ

এসিআই মটরস লিমিটেডে এসেসমেন্ট এন্ড রিকোভারি অফিসার পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: এসেসমেন্ট এন্ড রিকোভারি অফিসার -ট্র্যাক্টর,হারভেষ্টার, কমার্শিয়াল ভেহিকেল

পদসংখ্যা:অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা: যেকোন বিষয়ে স্মাতক ডিগ্রি।

অভিজ্ঞতা:২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন

বয়স:২৮-৪০


কর্মক্ষেএ:বাংলাদেশের যেকোন স্থান

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ:৩১/০৫/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম



কোন ডাল কেন খাবেন

                                                                    


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ডাল সবার কাছে প্রিয় ও পরিচিত এক খাবার। আমাদের প্রায় সবার পাতে প্রতিদিনই কোন না কোন ডাল থাকে।কেউ মসুর ডাল কেউবা আবার মুগ,ছোলার ডাল ইত্যাদি পছন্দ করেন।তবে প্রতিটি ডালেই স্বাদ ও পুষ্টির দিক থেকে ভিন্নতা রয়েছে। এখানে প্রচলিত বিভিন্ন প্রকারের ডালের পুষ্টিগুণ নিয়ে আলোচনা করছি।


কেন ডাল খাবেন

ডাল একটি সুস্বাদু ও শক্তিশালী খাবার হিসেবে পরিচিত। পুষ্টিবিদেরা আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডাল রাখার পরামর্শ দেন।তবে ডাল শুধু সুস্বাদু খাবারই নয় সেই সাথে এতে রয়েছে বহুমাত্রিক স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান।ডাল প্রোটিনের ভালো উৎস হিসেবে স্বীকৃত। তাছাড়া ডাল অনেকক্ষণ যাবত পেট ভরিয়ে রাখে তাই যারা পেটুক এবং সেইসাথে মেদভুঁড়ি নিয়ে চিন্তিত তারা নিয়মিত ডাল খেলে উপকার পাবেন।

কোন ডাল খাবেন


আমাদের দেশে বেশ কয়েক ধরণের ডাল পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ডালগুলো যথাক্রমে মসুর ডাল,মুগ ডাল, ছোলার ডাল,মটর ডাল, মাষকলাই ডাল ।তবে এসব ডালের স্বাদ ও পুষ্টিগুণে পার্থক্য রয়েছে।যদিও প্রায় সব ধরণের ডালই শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখার জন্য উপকারী।

মসুর ডালের পুষ্টিগুণ


মসুর ডাল আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয় এক খাবার।এই ডালটি দ্রুত হজম হয় এবং তাড়াতাড়ি রান্নাও হয় । মসুর ডালে শরীরের জন্য উপকারী প্রোটিন, পটাশিয়াম,আয়রন প্রভৃতি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। মসুর ডাল দ্রুত ও সহজে হজম হয়।এই ডালটি পেটের বিভিন্ন সমস্যা কমাতে সক্ষম।মসুর ডাল হজমশক্তি বৃদ্ধিতেও সহায়ক।শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি দূর করতে মসুর ডাল উপকারী। নিয়মিত মসুর ডাল খেলে শরীরের কোলেষ্টেরল কমে এবং শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।


মুগ ডালের পুষ্টিগুণ


মুগ ডাল আমাদের দেশে বেশ প্রচলিত ও পরিচিত এক খাবার।এই ডালটি খুবই সুস্বাদু।মুগ ডাল সহজে হজম হয়। এছাড়া শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই ডালটি উপকারী।মুগ ডালে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার ইত্যাদি রয়েছে।মুগ ডাল প্রেগন্যান্ট মহিলাদের জন্যও উপকারী। এছাড়া শরীরের অতিরিক্ত কোলেষ্টেরল কমাতে এই ডালটি উপকারী।

ছোলার ডালের পুষ্টিগুণ


আমাদের দেশে প্রচলিত ডালগুলোর মধ্যে ছোলার ডাল অন্যতম। ছোলার ডাল এই অঞ্চলে খুবই জনপ্রিয় এক খাবার। ছোলার ডালে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে।এই ডাল আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে ও শরীরে প্রচুর পরিমাণে শক্তি জোগায়।এটি শক্তিবর্ধক খাদ্য হিসেবেও পরিচিত। ছোলার ডাল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।এই ডালে কোলেষ্টেরলের পরিমাণ খুব কম। এছাড়া এই ডাল রক্তস্বল্পতা, কোষ্টকাঠিন্য ইত্যাদি দূর করে।

মাষকলাই ডালের পুষ্টিগুণ


সুস্বাদু ডাল হিসেবে মাষকলাই সুপ্রাচীন কাল থেকেই আমাদের অঞ্চলে প্রচলিত। যদিও এই ডালটি অন্য ডালগুলোর মত সচরাচর পাওয়া যায় না। এছাড়া অন্য ডালের  দাম মাষকলাই ডালের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম। তবু স্বাদের দিক থেকে মাষকলাই সেরা এক ডাল। এছাড়া এই ডালে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে।এই ডালটি রুচিকর ও শক্তিবর্ধক। মাষকলাই ডালে প্রচুর আয়রন রয়েছে যা আমাদের শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে এবং সেই সাথে এই ডালটি শরীরকে সক্রিয় রাখে।এই ডালে হজম ভালো হয়,হ্নদযন্ত্র ভালো থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। শরীরের পেশী গঠনেও এই ডাল উপকারী। মাষকলাই ডাল স্নায়ুবিক দুর্বলতা দূর করে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

অড়হর ভালের পুষ্টিগুণ


অড়হর এই সময়ের জনপ্রিয় এক ডাল হিসেবে পরিচিত। সুস্বাদু ও বলবর্ধক হিসেবে এই ডালটি খুবই প্রচলিত।অড়হর ভালে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা হৃদরোগ,স্ট্রোকের ঝুঁকি ও ওজন কমাতে সাহায্য করে।এই ডালটি মহিলাদের জন্য বিশেষ উপকারী।এতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে।

সর্তকতা

বলা হয় অতিরিক্ত কিছুই ভালো নয়।তেমনি অতিরিক্ত ডাল খেলে কিছু সমস্যা হতে পারে।
অতিরিক্ত ডাল খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে।কিছু ডাল অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে যেমন মসুর ডাল।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে পরিসংখ্যান

                                                                    


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে এই মুহূর্তে সেরা টিমগুলোর একটি।যদিও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে পরিসংখ্যান খুব সুখকর নয়। আরেকটি বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ওডিআই সিরিজ সন্নিকটে। ইতিমধ্যে এই সিরিজের জন্য শ্রীলঙ্কা টিম বাংলাদেশে পৌঁছে গেছে। এদিকে এই সিরিজের দলে ফিরেছেন তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এছাড়া পেসার মোস্তাফিজুর রহমানও এই সিরিজে দলের সাথে যুক্ত হয়েছেন।এই স্টোরিটি শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজের সূচি এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের  ওয়ানডে পরিসংখ্যান ইত্যাদি নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।


বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে পরিসংখ্যান


বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটের শক্তিশালী টিম হিসেবে ইতিমধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছে।  বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে ইতিমধ্যে মোট ৩৮২ টি  ম্যাচ খেলেছে ।  বাংলাদেশ ১৩১টি ওয়ানডে ম্যাচে জয়লাভ করেছে ও ২৪৪টি ম্যাচে হেরেছে। এছাড়া ৭টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ৪৮টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে যেখানে ৭টি ম্যাচে টাইগাররা জয়ী হয়েছে ও ৩৯টিতে লংকানরা জয়লাভ করেছে (২টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি)।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে


শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে খেলে ২০০১ সালে। এবং লংকানদের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেটে জয় পায় ২০০৬ সালে।

লংকানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ টোটাল


লংকানদের বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় টোটাল ৩২৪ রান।২০১৭ সালে ডাম্বুলায় বাংলাদেশ এই ইনিংসটোটাল রচনা করে।

লংকানদের বিপক্ষে সর্বনিম্ন দলীয় টোটাল


শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন দলীয় টোটাল ৭৬ রান। বাংলাদেশ টিম  ২০০২সালে কলম্বোয় এই সর্বনিম্ন রানের কীর্তিটি গড়ে।

লংকানদের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় জয়


২০০৬ সালে লংকানদের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে জয়লাভ করে।তবে লংকানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়টি আসে ২০১৮ মিরপুরে এক ওয়ানডে ম্যাচে। মিরপুরের সেই ম্যাচে বাংলাদেশ টিম লংকানদের ১৬৩ রানে পরাজিত করে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবচেয়ে বড় হার


ওয়ানডে ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হারটি ছিল ১৯৮ রানের।২০০৭সালে শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশকে ১৯৮ রানে পরাজিত করে।

লংকানদের বিপক্ষে ১০ উইকেটে হার


বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে মোট তিনবার ১০ উইকেটে ম্যাচ হেরেছে। প্রথমবার বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০ উইকেটে হারে ২০০৩ সালে সিটি ওভালে। দ্বিতীয় বার বাংলাদেশ দল লংকানদের বিপক্ষে ১০ উইকেটে হারে ২০০৪ সালে কলম্বোয়। তৃতীয় বার বাংলাদেশ টিম লংকানদের বিপক্ষে ১০উইকেটে ওয়ানডেতে হারে ২০১৮ সালে মিরপুরে।

লংকানদের বিপক্ষে সর্বাধিক রানকারী


শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন মুশফিকুর রহিম। মুশফিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইতিমধ্যে ২৮টি ওয়ানডে ইনিংস খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ৭৮৩ রান।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস


মুশফিকুর রহিম শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে  সর্বাধিক ব্যক্তিগত রানের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত(১৪৪ রান) ইনিংসেরও রূপকার।

লংকানদের বিপক্ষে সর্বাধিক ওয়ানডে উইকেট


বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা (২৬উইকেট)।তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেরা ওয়ানডে বোলিংয়ের রূপকার আব্দুর রাজ্জাক (৫/৬২)।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক


শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে একমাত্র হ্যাটট্রিকটি করেছেন তাসকিন আহমেদ। তাসকিন আহমেদ ২০১৭ সালে ডাম্বুলায় এই হ্যাটট্রিকটি করেন।

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে  সূচি ও টাইগার স্কোয়াড


 ওয়ানডে সিরিজ খেলতে লংকানটিম ইতিমধ্যে ঢাকায় পৌঁছে গেছে। এই সিরিজে তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ২৩মে। দ্বিতীয় ওয়ানডে হবে ২৫মে। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ২৮মে। সবগুলো ম্যাচ হবে দিবারাত্রির। এছাড়া সবগুলো খেলাই হবে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ১টায়।

বাংলাদেশ ওয়ানডে স্কোয়াড

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের জন্য বাংলাদেশ স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। মোটামুটি প্রত্যাশিত স্কোয়াডই দেয়া হয়েছে।স্কোয়াডটি এখানে দেখে নিন।

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মোস্তাফিজুর রহমান, সাকিব আল হাসান,সৌম্য সরকার, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ,লিটন দাস, মোঃ মিঠুন, মোঃ সাইফুদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত,আফিফ হোসেন,শেখ মেহেদী হাসান, শরিফুল ইসলাম।

স্ট্যান্ডবাই:নাঈম শেখ, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, শহিদুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম

টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের সেরা দশ

                                                                   


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে  বাংলাদেশের দলীয় সফলতার বাইরে ইন্ডিভিজুয়াল পারফরম্যান্স বিবেচনায় বেশকজন টাইগার  ব্যাটসম্যান ও বোলার দারুণ খেলেছেন।অনেকেই ব্যক্তিগত রেকর্ডের হিসেবে বেশ  সফল। এখানে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান তুলে ধরছি।

টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যান

আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের দলীয় সফলতার হার নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনা রয়েছে।তবে  টাইগার ব্যাটসম্যান ও বোলারদের অনেকেই ব্যক্তিগত সফলতার দিক থেকে নজর কেড়েছেন। এক্ষেত্রে ব্যাট হাতে তামিম,সাকিব, মাহমুদুল্লাহ, মুশফিকুর রহিম এদের কেউ কেউ বেশ ভালো করেছেন। আসুন দেখে নেই বাংলাদেশের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের রেকর্ড।

তামিম ইকবাল


তামিম ইকবাল বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম।এই বাঁহাতি ওপেনার ৭৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ১সেঞ্চুরি ও ৭ ফিফটিসহ ১৭০১ রান করেন।

সাকিব আল হাসান


তামিমের পর আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান।এই তারকা অলরাউন্ডার ৭৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৯ ফিফটিসহ ১৫৬৭ রান করেছেন।

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ


মাহমুদুল্লাহ বাংলাদেশের হয়ে ৮৯টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে তাঁর মোট সংগ্রহ ৪ফিফটিসহ ১৫০৭ রান।

মুশফিকুর রহিম


মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে স্বীকৃত।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৮৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৫ ফিফটিসহ সহ ১২৮২ রান সংগ্রহ করেন।

সৌম্য সরকার


সৌম্য সরকার ইতিমধ্যে জাতীয় দলের হয়ে ৫৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।ব্যাট হাতে তাঁর মোট সংগ্রহ ৩ফিফটিসহ ৯৫১ রান।

সাব্বির রহমান


সাব্বির রহমান আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছেন।এই ব্যাটসম্যান ৪৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪ ফিফটিসহ ৯৪৬ রান সংগ্রহ করেন।

লিটন দাস


জাতীয় দলের তারকা ব্যাটসম্যান লিটন দাস ইতিমধ্যে ৩২ টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর মোট সংগ্রহ ৪ফিফটিসহ ৬৪৬ রান।

মোঃ আশরাফুল


মোঃ আশরাফুল বাংলাদেশের  নিখুঁত টেকনিকের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম সেরা হিসেবে স্বীকৃত।এই তারকা ব্যাটসম্যান ২৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২ফিফটিসহ ৪৫০ রান করেন।

মাশরাফি বিন মর্তুজা


বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা পেসার ও সেরা অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ।এই তারকা ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছেন। মাশরাফি ৫৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ব্যাট হাতে ৩৭৭ রান সংগ্রহ করেন।

নাসির হোসেন


নাসির হোসেন বাংলাদেশের হয়ে ৩১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। নাসির আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ২ফিফটিসহ মোট ৩৭০ রান সংগ্রহ করেন।


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের শীর্ষ দশ বোলার

আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের  বোলারদের মধ্যে অনেকে ব্যক্তিগত সাফল্য বিবেচনায় ভালো করেছেন। এখানে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের শীর্ষ দশ বোলারের পরিসংখ্যান তুলে ধরছি।

সাকিব আল হাসান


সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের শীর্ষ টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন।এই তারকা অলরাউন্ডার ৭৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৯২টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ২০ রানে ৫ উইকেট।

মোস্তাফিজুর রহমান


মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের হয়ে ইতিমধ্যে ৪২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ৫৮।সেরা বোলিং ২২ রানে ৫ উইকেট।

আব্দুর রাজ্জাক


আব্দুর রাজ্জাক বাংলাদেশের সফল টিটুয়েন্টি বোলারদের মধ্যে অন্যতম। সাবেক এই স্পিনার ৩৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪৪টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ১৬ রানে ৪ উইকেট।

আল-আমিন হোসেন


আল-আমিন হোসেন বাংলাদেশের হয়ে ৩১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪৩টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ২০ রানে ৩ উইকেট।

মাশরাফি বিন মর্তুজা


মাশরাফি বাংলাদেশের হয়ে ৫৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪২টি উইকেট নেন।তাঁর সেরা বোলিং ৪/১৯ ।

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ


মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের হয়ে ৮৯টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩১টি উইকেট নেন। মাহমুদুল্লাহর সেরা বোলিং ১৮ রানে ৩ উইকেট।

রুবেল হোসেন


রুবেল হোসেন আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ২৮ম্যাচ খেলে ২৮টি উইকেট নেন। রুবেল হোসেনের টিটুয়েন্টির সেরা বোলিং ৩১রানে ৩ উইকেট।

শফিউল ইসলাম


শফিউল ইসলাম বাংলাদেশের হয়ে ২০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২০টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ৩৬ রানে ৩ উইকেট।

মোঃ সাইফুদ্দিন

তারকা অলরাউন্ডার মোঃ সাইফুদ্দিন বাংলাদেশের হয়ে ১৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ১৫। সাইফুদ্দিনের সেরা বোলিং ৩৩ রানে ৪ উইকেট।

তাসকিন আহমেদ


বাংলাদেশের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ ইতিমধ্যে ২১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন। তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ১৪। তাসকিনের সেরা বোলিং ৩২ রানে ২ উইকেট।



টিটুয়েন্টিতে অষ্ট্রেলিয়ার সেরা দশ

                                                                      

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ অষ্ট্রেলিয়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শুরু থেকেই দারুণ খেলছে।এই মুহূর্তে অষ্ট্রেলিয়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় ও শীর্ষ দলগুলোর একটি। তাছাড়া দলটিতে অসাধারণ সব টিটুয়েন্টি প্লেয়ার রয়েছে।ফিঞ্চ, ওয়ার্নার, ম্যাক্সওয়েলের মত কৌশলী ও তুখোর ব্যাটসম্যানের পাশাপাশি কামিন্স, ফকনার, মিশেল স্টার্ক,জাম্পার মত বিখ্যাত সব টিটুয়েন্টি বোলার দলটিতে রয়েছে।এই স্টোরিটি অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।


অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান

অষ্ট্রেলিয়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এই মুহূর্তে সফল ও জনপ্রিয় টিম হিসেবে স্বীকৃত। দারুণ সব মারকুটে ব্যাটসম্যান ও কৌশলী বোলারের সমন্বয়ে গড়া দলটি বরাবরই সফল। তাছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে অষ্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত সব ফিল্ডারও রয়েছে। এখানে অসিদের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের রেকর্ড তুলে ধরছি।

অ্যারন ফিঞ্চ

অ্যারন ফিঞ্চ এই সময়ের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন।এই স্ট্রোকমেকার  অষ্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে সফল টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান হিসেবে রেকর্ডবুকে অবস্থান করছেন।ফিঞ্চ ইতিমধ্যে ৭১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৩৪৬ রান সংগ্রহ করেছেন। সেই সাথে এই ফরম্যাটে ফিঞ্চের ২টি শতক ও ১৪টি অর্ধশতক রয়েছে।

ডেভিড ওয়ার্নার

ডেভিড ওয়ার্নার অষ্ট্রেলিয়ার সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় শীর্ষ দশে রয়েছেন।এই তারকা ব্যাটসম্যান অষ্ট্রেলিয়ার হয়ে ইতিমধ্যে ৮১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর মোট সংগ্রহ ২২৬৫ রান এছাড়া সাথে রয়েছে ১টি শতক ও ১৮টি অর্ধশতক।

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় এক ব্যাটসম্যান।এই মারকুটে ব্যাটসম্যান অষ্ট্রেলিয়ার হয়ে ইতিমধ্যে ৭২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যাতে তাঁর মোট সংগ্রহ ১৭৮০ রান সাথে রয়েছে ৩টি শতক ও ৯টি অর্ধশতক।

শেন ওয়াটসন


শেন ওয়াটসন অষ্ট্রেলিয়ার সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম।এই তারকা ব্যাটসম্যান অষ্ট্রেলিয়ার হয়ে ৫৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৪৬২ রান করেন। ক্রিকেটের এই ফরম্যাটে ওয়াটসনের ১টি শতক ও ১০টি অর্ধশতক রয়েছে।

ক্যামেরুন হোয়াইট


অষ্ট্রেলিয়ার সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ক্যামেরুন হোয়াইট অন্যতম।ক্যামেরুন হোয়াইট অষ্ট্রেলিয়ার হয়ে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দারুণ খেলেছেন।এই ব্যাটসম্যান আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৭টি ম্যাচ খেলে ৫ফিফটিসহ ৯৮৪ রান করেছেন।


স্টিভ স্মিথ


এই সময়ের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সফল অসি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে স্টিভ স্মিথ অন্যতম।এই স্টাইলিশ অসি ব্যাটসম্যান ইতিমধ্যে ৪৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন। তাঁর মোট টিটুয়েন্টি রান ৭৯৪ এছাড়া সাথে রয়েছে ৪ফিফটি।


ডেভিড হাসি


ডেভিড হাসি অষ্ট্রেলিয়ার হয়ে দারুণ সব টিটুয়েন্টি ইনিংস খেলেছেন।এই ব্যাটসম্যান ৩৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৩ফিফটিসহ ৭৫৬ রান সংগ্রহ করেন।

মাইক হাসি


সাবেক তারকা ব্যাটসম্যান মাইক হাসি অসিদের হয়ে ৩৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪ফিফটিসহ ৭২১ রান সংগ্রহ করেন।

ডিজেএম সর্ট

অষ্ট্রেলিয়ার সফল টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের মধ্যে ডিজেএম সর্ট অন্যতম।এই তারকা ব্যাটসম্যান অসিদের হয়ে ২৩টি টিটুয়েন্টি খেলেছেন।তাঁর মোট সংগ্রহ ৪ফিফটিসহ ৬৪২ রান।

ম্যাথু ওয়েড


অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের মধ্যে ম্যাথু ওয়েডের নামটিও রয়েছে।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৩৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৩ ফিফটিসহ মোট ৫২৬ রান করেন।

অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলার

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সেরা বোলারদের মধ্যে বেশকজন অষ্ট্রেলীয় বোলার রয়েছেন। এক্ষেত্রে শেন ওয়াটসন,মিশেল স্টার্ক, মিশেল জনসন,এডাম জাম্পা,ফকনারের নাম বিশেষভাবে বলতে হয়। এখানে অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলারের রেকর্ড তুলে ধরছি।


শেন ওয়াটসন


অষ্ট্রেলিয়ার টিটুয়েন্টি বোলারদের মধ্যে সবার উপরে রয়েছেন শেন ওয়াটসন।এই তারকা অলরাউন্ডার ৫৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৪৮টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ১৫ রানে ৪ উইকেট।

মিশেল স্টার্ক


মিশেল স্টার্ক অসিদের হয়ে ৩৫টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪৭টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১১ রানে ৩ উইকেট।

এডাম জাম্পা


এডাম জাম্পা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সফল অসি বোলারদের মধ্যে অন্যতম।এই লেগি অসিদের হয়ে ৪১টি টিটুয়েন্টি খেলে মোট ৪৩টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ১৪ রানে ৩ উইকেট।

এন্ড্রু টাই


এন্ড্রু টাই অষ্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩৯টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং ২৩ রানে ৪ উইকেট।

এষ্টন এগার


এষ্টন এগার অসিদের হয়ে ৩২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর মোট টিটুয়েন্টি উইকেটসংখ্যা ৩৮ সেরা বোলিং ৩০ রানে ৬ উইকেট।

মিশেল জনসন

 
মিশেল জনসন অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় রয়েছেন।এই গতিতারকা অসিদের হয়ে ৩০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর মোট সংগ্রহ ৩৮ উইকেট। মিশেল জনসনের সেরা টিটুয়েন্টি বোলিং ১৫ রানে ৩ উইকেট।

প্যাট কামিন্স


প্যাট কামিন্স অষ্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা পেস বোলারদের মধ্যে অন্যতম।এই পেসার ৩০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ৩৭ উইকেট। তাঁর সেরা বোলিং ১৫ রানে ৩ উইকেট।

জেমস ফকনার


অষ্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় পেসার জেমস ফকনার আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ২৪ টি ম্যাচ ইতিমধ্যে খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ৩৬ উইকেট। ফকনারের সেরা বোলিং ২৭ রানে ৫ উইকেট।

নাথান কোল্টারনাইল


নাথান কোল্টারনাইল অষ্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা পেসবোলার।এই তারকা পেসার ২৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৩৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৩১ রানে ৪ উইকেট।

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লেয়ারদের একজন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। বিশ্বের সব ফ্রাঞ্চাইজি লিগেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এই অসি অলরাউন্ডারের।অষ্ট্রেলিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতেও বেশ সফলতা পেয়েছেন ম্যাক্সওয়েল।ম্যাক্সওয়েল ৭২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট উইকেটসংখ্যা ৩১ (সেরা বোলিং ৩/১০)।

কোচ রাসেল ডমিঙ্গো ও তাঁর পূর্বসূরীদের পরিসংখ্যান

                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ক্রিকেটে কোচদের ভূমিকা ব্যাপক এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোচদের ভূমিকা আরও বিস্তৃত। ক্রিকেটে একজন ভালো কোচ টিমের সাফল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন প্রতিভা অন্বেষণ,একটি টিমের সার্থক ভবিষ্যত বিনির্মাণ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে থাকেন। ক্রিকেটের সফল কোচ হিসেবে অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক কোচ জন বুকানন, ভারতের সাবেক কোচ গ্যারি কারষ্টেন, শ্রীলঙ্কা ও পর্রবর্তীতে বাংলাদেশের সাবেক কোচ ডেভ হোয়াটমোরের  নাম করা যায়।  এই লেখায় বাংলাদেশের বিদেশি কোচদের রেকর্ড, পরিসংখ্যান ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করব।


গর্ডন গ্ৰিনিজ


সাবেক উইন্ডিজ লিজেন্ড গর্ডন গ্ৰিনিজ(নভেম্বর ১৯৯৬-মে ১৯৯৯) বাংলাদেশের প্রথম বিদেশি কোচ। তাঁর কোচিংয়ে বাংলাদেশ প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা আইসিসি ট্রফি জয় করে। এছাড়া তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড ও পাকিস্তানকে পরাজিত করে।গ্ৰিনিজ বাংলাদেশের কোচ হিসেবে কাজ করে দারুণভাবে প্রশংসিত হন। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ২৩টি ওডিআই খেলে ৩ জয় পায় ও ২০ ম্যাচে পরাজিত হয়।


এডি বারলো


গর্ডন গ্ৰিনিজ পরে বাংলাদেশের কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন এডি বারলো।বারলো আগষ্ট ১৯৯৯ থেকে জানুয়ারি ২০০১ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ ছিলেন।বারলোর অধীনে বাংলাদেশ দল ১ টেস্ট ও ৬টি ওয়ানডে খেলে সবগুলোতে পরাজিত হয়।

ট্রেভর চাপেল


অষ্ট্রেলিয়ার ট্রেভর চাপেল বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসেন ২০০১ সালে। তিনি ২০০১ সালের এপ্রিল থেকে ২০০২ সালের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।চাপেলের অধীনে বাংলাদেশ দল ১০টি টেস্ট খেলে ৯ টিতে পরাজিত হয় এবং ১টি টেস্ট ড্র করে।এই অষ্ট্রেলীয় কোচের অধীনে বাংলাদেশ ৯টি ওয়ানডে খেলে সবগুলোতে পরাজিত হয়।

মহসিন কামাল-আলী জিয়া

২০০২ সালের এপ্রিল থেকে ২০০৩ সালের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মহসিন কামাল ও আলী জিয়া ।এদের অধীনে বাংলাদেশ ৬টি টেস্ট খেলে সবগুলোতে পরাজিত হয়। এছাড়া এদের অধীনে বাংলাদেশ ১৭টি ওয়ানডে ম্যাচ ১৫টিতে পরাজয় বরণ করে এবং ২টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি।

ডেভ হোয়াটমোর

বাংলাদেশের কোচ হিসেবে তিন ফরম্যাটেই সফলতা পেয়েছেন ডেভ হোয়াটমোর।এই অষ্ট্রেলীয় কোচ ২০০৩ সালের জুন থেকে ২০০৭ এর মে পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ২৭টি টেস্ট খেলে ১টি ম্যাচে জয় পায় ও ৪টি ম্যাচ ড্র করে এছাড়া বাকি ২২টি ম্যাচে পরাজিত হয়।হোয়াটমোরের অধীনে বাংলাদেশ ৮৯টি ওয়ানডে খেলে ৩৩ ম্যাচে জয়ী হয় এবং ৫৬টি ম্যাচে পরাজিত হয়। এছাড়া এই হোয়াটমোরের অধীনে বাংলাদেশ ১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে সেটিতে জয়লাভ করে।

জেমি সিডন্স

জেমি সিডন্স অক্টোবর ২০০৭ থেকে এপ্রিল ২০১১ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।সিডন্সের অধীনে বাংলাদেশ ১৯টি টেস্ট খেলে ২টি ম্যাচে জয় ও ১টি ম্যাচ ড্র করে এছাড়া বাকি ১৬ ম্যাচে পরাজিত হয়।এই অষ্ট্রেলীয় কোচের অধীনে বাংলাদেশ ৮৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৩১টিতে জয় ও ৫৩টি ম্যাচে পরাজিত হয়। এছাড়া সিডন্সের অধীনে বাংলাদেশ ৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে সবগুলোতে পরাজিত হয়।

স্টুয়াট ল


সিডন্সের পর বাংলাদেশ দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন স্টুয়াট ল।স্টুয়াট ল ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১২ এর মে পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ৫টি টেস্ট খেলে ১টি ড্র ও ৪টি ম্যাচে পরাজয় বরণ করে।এই কোচের অধীনে বাংলাদেশ ১৫টি ওয়ানডে খেলে ৫টিতে জয় পায় ও ১০টি ম্যাচে পরাজিত হয়। এছাড়া লর অধীনে বাংলাদেশ দুটি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১টিতে জয়ী ও অপর ম্যাচে পরাজিত হয়।

রিচার্ড পাইবাস


রিচার্ড পাইবাস ২০১২ সালের মে থেকে ২০১২ এর অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ দল ৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪টিতে জয় ও বাকি ৪ ম্যাচে পরাজিত হয়।

শেন জার্গেনসেন


শেন জার্গেনসেন ফেব্রুয়ারি ২০১৩ থেকে মে ২০১৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ ছিলেন । তাঁর সময়ে বাংলাদেশ ৮টি টেস্ট খেলে ১টি জয় ,৪ ড্র ও ৩টিতে পরাজিত হয়। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ১৬টি ওয়ানডে খেলে ৫টিতে জয় ও  ১০ ম্যাচে পরাজিত হয় এছাড়া একটি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি।শেন জার্গেনসেনের অধীনে বাংলাদেশ ১৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩টি জয় ও বাকি ১০ ম্যাচে পরাজিত হয়।

হাথুরুসিংহে

মে ২০১৪ থেকে নভেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত হাথুরুসিংহে বাংলাদেশের কোচ ছিলেন।এই লংকান কোচের অধীনে বাংলাদেশ ২১টি টেস্ট খেলে ৬টিতে জয় ও ৪টি ম্যাচ ড্র করে এবং বাকি ১১টেষ্টে পরাজিত হয়।হাথুরুসিংহের সময়ে বাংলাদেশ ৫২টি ওয়ানডে খেলে ২৫ ম্যাচে জয় ও ২৩টি পরাজিত হয় এবং ৪টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি। এছাড়া হাথুরুসিংহের সময়ে বাংলাদেশ ২৯টি টিটুয়েন্টি খেলে ১০টিতে জয় ও ১৭ ম্যাচে পরাজিত হয় এবং ২টি ম্যাচে ফল নিষ্পত্তি হয়নি।

স্টিভ রোডস

স্টিভ রোডস ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০১৯ এর জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ হিসেবে ছিলেন। তাঁর অধীনে বাংলাদেশ ৮টি টেস্ট খেলে ৩টিতে জয় ও ৫টি ম্যাচে পরাজিত হয়। এছাড়া তাঁর সময়ে বাংলাদেশ ৩০ টি ওয়ানডে খেলে ১৭টি জয় ও ১৩ ম্যাচে পরাজিত হয়।রোডসের সময়ে বাংলাদেশ ৭টি টিটুয়েন্টি খেলে ৩টিতে জয় পায় এবং ৪টি ম্যাচে পরাজিত হয়।

রাসেল ডমিঙ্গো

সর্বশেষ বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন রাসেল ডমিঙ্গো(আগষ্ট২০১৯-বর্তমান)।ডমিঙ্গোর অধীনে বাংলাদেশ ৯টি টেস্ট খেলেছে যেখানে ১জয়,১ ড্র ও ৭টিতে হার রয়েছে।এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচের অধীনে বাংলাদেশ ৯টি ওয়ানডে খেলে ৬টিতে জয় ও ৩টি ম্যাচে হেরেছে।ডমিঙ্গোর অধীনে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ১৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬ টিতে জয় ও ৮টিতে পরাজিত হয়েছে।


টিটুয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের সেরা দশ

                                                              

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ধুন্ধুমার ব্যাটবলের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডও সফল এক দল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এবং দলটিতে জেসন রয়,বেয়ারস্টো,বাটলার,মরগান,স্টোকস,ক্রিস জর্ডানের মত দারুণ সব টিটুয়েন্টি প্লেয়ার রয়েছে। তাছাড়া সবচেয়ে ছোট ফরম্যাটের এই ক্রিকেটে ইংলিশরা অসাধারণ সব ইনিংস ও ম্যাচ উপহার দিয়েছে ।এই স্টোরিটি  টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সেরা দশ ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সেরা দশ ইংলিশ ব্যাটসম্যান


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় দলগুলোর একটি ইংল্যান্ড।দলটিতে দারুণ সব টিটুয়েন্টি প্লেয়ার রয়েছেন। ইংল্যান্ডের টিটুয়েন্টি দলে ব্যাট হাতে জেসন রয়, বেয়ারস্টো, বাটলার, মরগান,স্টোকসদের পাশাপাশি বল হাতে আর্চার,ক্রিস জর্ডান,আদিল রশিদের মত বেশকিছু তারকা প্লেয়ার রয়েছেন।এদের প্রত্যেকেই টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় প্লেয়ার। আসুন দেখে নেই ইংল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের রেকর্ড।

এউইন মরগান


ইংল্যান্ডের টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছেন এউইন মরগান।এই হাডহিটার ইতিমধ্যে ১০২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ১৪ ফিফটিসহ ২৩১১ রান।

জস বাটলার


ইংল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন জস বাটলার।এই তারকা ব্যাটসম্যান ইতিমধ্যে ৭৯টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ১২ফিফটিসহ ১৭২৩ রান।

আলেক্স হেলস


ইংল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের মধ্যে আলেক্স হেলসও রয়েছেন।হেলস ইতিমধ্যে ৬০ টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।হেলসের মোট টিটুয়েন্টি রান (১টি সেঞ্চুরি ও ৮ ফিফটিসহ ) ১৬৪৪।

কেভিন পিটারসেন


কেভিন পিটারসেন ইংল্যান্ডের সফল টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৩৭টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৭ফিফটিসহ মোট ১১৭৬ রান করেছেন।


জনি বেয়ারস্টো


এই সময়ের অন্যতম সেরা ইংলিশ ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টো ইতিমধ্যে ৫১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন। এবং তাঁর মোট সংগ্রহ ৬ফিফটিসহ ১০৫০ রান।

জেসন রয়


জেসন রয় ইংল্যান্ডের হয়ে ৪৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ৫ফিফটিসহ ১০৩৪ রান।

ডেভিড মালান


ডেভিড মালান ২৪ টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি  খেলে ১সেঞ্চুরি ও ১০ ফিফটিসহ ১০০৩ রান করেছেন।

জে রুট


এই সময়ের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান জে রুট ইংল্যান্ড জাতীয় টিমের হয়ে ৩২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যাতে তাঁর সংগ্ৰহ ৫ফিফটিসহ ৮৯৩ রান।

লুক রাইট


ইংল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে লুক রাইটের নামটিও রয়েছে।এই ব্যাটসম্যান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ৫১ ম্যাচ খেলে ৪ ফিফটিসহ ৭৫৯ রান করেন।

রবি বোপারা


রবি বোপারা ইংল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দশম স্থানে রয়েছেন।এই ব্যাটসম্যান ৩৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩ ফিফটিসহ ৭১১ রান করেন।



টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা দশ ইংলিশ বোলার

ক্রিকেটের এই ক্ষুদ্র সংস্করণে ইংল্যান্ডের  বেশকজন বোলার সফলতা পেয়েছেন। বিশেষত ক্রিস জর্ডান, আদিল রশিদ,গ্ৰায়েম সোয়ান,টম কারেনের মত বেশকজন বোলার  টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দারুণ সফলতা পেয়েছেন। এখানে টিটুয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের শীর্ষ দশ বোলারের পরিসংখ্যান তুলে ধরছি।

ক্রিস জর্ডান


ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল টিটুয়েন্টি বোলার হিসেবে ক্রিস জর্ডান এক বিশিষ্ট নাম।এই তারকা বোলার ৬০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৭০টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৬ রানে ৪ উইকেট।

স্টুয়াট ব্রড


স্টুয়াট ব্রড টিটুয়েন্টি ক্রিকেটেও সফলতা পেয়েছেন।এই পেসার ৫৬টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬৫টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ২৪ রানে ৪ উইকেট।

আদিল রশিদ


আদিল রশিদ ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা স্পিনার।এই তারকা স্পিনার ৫৭টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫৫ টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১১ রানে ৩ উইকেট।

গ্ৰায়েম সোয়ান


গ্ৰায়েম সোয়ান ৩৯টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫১টি উইকেট নিয়েছেন। গ্ৰায়েম সোয়ানের সেরা বোলিং ১৩ রানে ৩ উইকেট।

ডানবার্চ


ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা টিটুয়েন্টি বোলার ডানবার্চ ৩৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩৯টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ২২ রানে ৪ উইকেট।

ডিজে উইলি


ইংল্যান্ডের শীর্ষ টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় শীর্ষ দশে ডিজে উইলিও রয়েছেন।এই বোলার ২৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৭ রানে ৪ উইকেট।

স্টিভেন ফিন


স্টিভেন ফিন ২১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৭টি উইকেট নিয়েছেন।  ১৬ রানে ৩ উইকেট তাঁর সেরা বোলিং।


টম কারেন


টম কারেন এই সময়ে ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা টিটুয়েন্টি বোলার।টম কারেন ২৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৬টি উইকেট নিয়েছেন।৩৬ রানে ৪ উইকেট তাঁর সেরা বোলিং।

লিয়াম প্লাংকেট


লিয়াম প্লাংকেট ২২ টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৫টি উইকেট নিয়েছেন।প্লাংকেটের সেরা বোলিং ২১ রানে ৩ উইকেট।

টিম ব্রেসনান


টিম ব্রেসনান ইংল্যান্ডের দশম শীর্ষ টিটুয়েন্টি বোলার।এই বোলার ৩৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১০ রানে ৩ উইকেট।



ঈদের শুভেচ্ছা

                                                               




প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ' প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'এর পক্ষ থেকে সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।ঈদ সবার ভালো কাটুক।

টিটুয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা দশ

                                                                



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকা বরাবরই সফল এক দল। দারুণ সব ব্যাটসম্যান আর বোলারের সাথে অসাধারণ ফিল্ডিংয়ের জন্য টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দলটি সদাই বিশিষ্ট। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যান ডিভিলিয়ার্স,ডুপ্লেসিস,ডেভিড মিলার,ডিকক এবং এই ফরম্যাটের সেরা বোলার রাবাদা,তাহির,ক্রিস মরিচরা দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলে থাকেন। এখানে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্তমান শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান নিয়ে আলোচনা করছি।


টিটুয়েন্টি ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ১০

দক্ষিণ আফ্রিকা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শীর্ষ দলগুলোর একটি ।দলটির ঐতিহ্যবাহী অলরাউন্ডারনির্ভর ক্রিকেট টিটুয়েন্টি ফরম্যাটেও বেশ সফলতা পেয়েছে। তাছাড়া দক্ষিণআফ্রিকার টিটুয়েন্টি টিমে ডিভিলিয়ার্স,ডুপ্লেসিস, ডেভিড মিলার, ডিকক,রাবাদা,নর্টজের মত দারুণ সব প্লেয়ার রয়েছেন। আসুন বর্তমান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দক্ষিণআফ্রিকার শীর্ষ ১০ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান দেখে নিই।

জেপি ডুমিনি

এই সময়ের টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যানে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন জেপি ডুমিনি।এই ব্যাটসম্যান ৮১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ১১টি ফিফটিসহ ১৯৩৪ রান করেছেন যা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বাধিক ব্যক্তিগত রান।

এবি ডিভিলিয়ার্স

এবি ডিভিলিয়ার্স বর্তমান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান।ডিভিলিয়ার্স ৭৮ টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ ১০ ফিফটিসহ ১৬৭২ রান করেছেন।

ডেভিড মিলার


বর্তমান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ডেভিড মিলার অন্যতম।এই মারকুটে ব্যাটসম্যান ৭৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩ফিফটি ও ১ সেঞ্চুরি সহ মোট ১৪৮৪ রানের মালিক।

ফাফ ডুপ্লেসিস


ফাফ ডুপ্লেসিস দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দলের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজি লিগেও সফল এবং জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান হিসেবে স্বীকৃত।এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৪৭ টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ১ শতক ও ১০টি অর্ধশতকসহ ১৪৬৬ রান।

ডি কক

ডিকক দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় বর্তমানে শীর্ষ দশে রয়েছেন।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৪৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৬ ফিফটিসহ মোট ১৩০৩ রান করেছেন।

হাসিম আমলা

হাসিম আমলা দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৪১ টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৭ ফিফটির সাহায্যে ১১৫৮ রান করেন।

গ্ৰায়েম স্মিথ

দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটসম্যান গ্ৰায়েম স্মিথ ৩৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫ ফিফটিসহ মোট ৯৮২ রান করেন।

হ্যান্ডডিক্স

হ্যান্ডডিক্স দক্ষিণ আফ্রিকার সফল টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের মধ্যে অন্যতম।এই ব্যাটসম্যান ২৮টি টিটুয়েন্টি খেলে ৫ফিফটির সহায়তায় ৭৩৪ রান করেন।

জ্যাক ক্যালিস


দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিস টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাট হাতে সফলতা পেয়েছেন।ক্যালিস ২৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৫ফিফটিসহ ৬৬৬ রান সংগ্রহ করেন।

ভ্যান ডার ডুসেন


ভ্যান ডার ডুসেন আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ইতিমধ্যে ২০ টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর সংগ্রহ ৪ ফিফটিসহ মোট ৬২৮ রান।


টিটুয়েন্টি বোলিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ১০

দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টির সেরা বোলারদের মধ্যে বর্তমানে রাবাদা ,ক্রিস মরিচ, তাহির,এনগিদি,সামসি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টির সেরা দশ বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


ডেল স্টেইন


এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি বোলার ডেল স্টেইন। এবং পরিসংখ্যানও তাঁর পক্ষে কথা বলছে।এই গতিতারকা ৪৭টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৯ রানে ৪ উইকেট।

ইমরান তাহির


এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ইমরান তাহির।এই তারকা স্পিনার ৩৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬১টি উইকেট নিয়েছেন। তাহিরের সেরা বোলিং ২৩ রানে ৫ উইকেট।

মর্নি মরকেল


মর্নি মরকেল দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি বোলারের শীর্ষ দশের মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।এই পেসার ৪১টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪৬টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১৭ রানে ৪ উইকেট।

পারনেল


পারনেল দক্ষিণ আফ্রিকার টিটুয়েন্টির অন্যতম সেরা বোলার।এই বোলার ৪০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪১টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১৩ রানে ৪ উইকেট।

এন্ডিলি ফেলকয়ে


এন্ডিলি ফেলকয়ে ৩৪ ম্যাচে নিয়েছেন মোট ৩৯ উইকেট। তাঁর সেরা বোলিং ২৪ রানে ৪ উইকেট।

জোয়ান বোথা


দক্ষিণ আফ্রিকার সফল টিটুয়েন্টি বোলারদের মধ্যে জোয়ান বোথা অন্যতম।এই তারকা বোলার ৪০টি টিটুয়েন্টি খেলে ৩৭টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং  ১৬ রানে ৩ উইকেট।

ক্রিস মরিচ


ক্রিস মরিচ দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় শীর্ষ দশে রয়েছেন।এই পেসার ২৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে মোট ৩৪ টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ২৭ রানে ৪ উইকেট।

কাগিছো রাবাদা


এ সময়ের ক্রিকেটের সফল পেসার কাগিছো রাবাদা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় টিমের হয়েও দারুণ সাফল্য পেয়েছেন।এই তারকা পেসার ২৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৩১টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ৩০ রানে ৩ উইকেট।

তাবরেইজ সামসি


তাবরেইজ সামসি দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় শীর্ষ দশে রয়েছেন। তিনি ৩২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩১টি উইকেট নিয়েছেন।সামসির সেরা বোলিং ২৫ রানে ৪ উইকেট।


লোঙ্গি এনগিদি


লোঙ্গি এনগিদি বর্তমান দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় টিমের গুরুত্বপূর্ণ পেসার। এবং জাতীয় টিমের হয়ে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এনগিদি বেশ সফলতা পেয়েছেন। এই পেসার ১৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৮টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং ১৯ রানে ৪ উইকেট।





সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                                   

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারের নতুন কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য এখানে তুলে ধরছি।

বাংলাদেশ গম ও ভূট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়োগ

বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : উপ-পরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, পরিচালক, মেডিকেল অফিসার, উচ্চমান সহকারী,ক্যাশিয়ার প্রভৃতি পদ।

পদসংখ্যা : ১০০

যোগ্যতা : পদভেদে এসএসসি থেকে সম্মানসহ স্মাতকোওর ডিগ্ৰি। বিশেষায়িত পদের ক্ষেএে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্মাতক ডিগ্রি।

বয়স: ১৮ থেকে ৩০ বছর/২১ থেকে ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান , শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে  ১৮ থেকে ৩২ বছর।

বেতন : পদভেদে গ্ৰেড-৫ থেকে গ্ৰেড-২০।

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন ( http://bwmri.teletalk.com.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ:৩১/০৫/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম


বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

পদ : সহকারী পরিচালক (মানবসম্পদ), সহকারী পরিচালক (সমন্বয়), সহকারী পরিচালক (প্রশাসন), সহকারী পরিচালক (যানবাহন) , সহকারী বন্দর কর্মকর্তা,ল্যান্ড অফিসার,নদী জরিপকারী,মার্কম্যান,দপ্তরি প্রভৃতি পদ। 


পদসংখ্যা: ৫৯

যোগ্যতা: পদভেদে এসএসসি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর সম্মানসহ দ্বিতীয় শ্রেণীতে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

বয়স: ১৮ থেকে ৩০ বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে ১৮ থেকে ৩২ বছর।

বেতন : গ্ৰেড-৯ থেকে গ্ৰেড-২০।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন ( www.jobsbiwta.gov.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ:৩১/০৫/২০২১

সূত্র: প্রথম আলো অনলাইন

বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়োগ

বাংলাদেশ ব্যাংকে অফিসার (পুরকৌশল,যন্ত্রকৌশল,তড়িৎকৌশল) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ : অফিসার (পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল,তড়িৎকৌশল)

পদসংখ্যা: ২৮

যোগ্যতা: যেকোন স্বীকৃত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চারবছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ডিগ্ৰি। শিক্ষাজীবনের কোন পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ থাকলে আবেদন করা যাবে না।

বয়স: ১৮ থেকে ৩০ বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
বেতন:১৬০০০ থেকে ৩৮৬৪০ টাকা।


আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/joblist.php)

আবেদনের শেষ তারিখ:৩১/০৫/২০২১

সূত্র: প্রথম আলো অনলাইন


সিটি ব্যাংকে নিয়োগ


সিটি ব্যাংকে 'অফিসার (ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং ) 'পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ: অফিসার (ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং)

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারবছর মেয়াদি স্মাতক ডিগ্ৰি অথবা স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

বয়স: ৩০ বছর
চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন, চুক্তিভিত্তিক

কর্মক্ষেএ : চট্রগ্রাম,যশোর,পাবনা, গাইবান্ধা, খুলনা,মুন্সিগঞ্জ

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন (www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ:১৫/০৫/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


স্থগিত আইপিএলের সেরা দশ

                                                                 



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ফ্রাঞ্চাইজিগুলোতে করোনা সংক্রমণ দেখা দেয়ায় ও আয়োজক দেশ ভারতে এই মহামারী বেড়ে যাওয়ায় ২০২১ সালের আইপিএল আপাতত স্থগিত রয়েছে। এবং যতদূর জানা যায় এই মুহূর্তে ভারতের ভিতরে আইপিএলের বাকি খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আসুন স্থগিত এবারের আইপিএলে ব্যাটেবলে সেরাদের পরিসংখ্যান  জেনে নিই।


 ব্যাট হাতে শীর্ষে রয়েছেন ধাওয়ান

এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে যতগুলো খেলা মাঠে গড়িয়েছে তাতে দেখা যায় ব্যাট হাতে সেরা দশের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছেন শিখর ধাওয়ান । এই ওপেনার ৮ ম্যাচ থেকে মোট ৩৮০ রান সংগ্রহ করেছেন ।তারপর রয়েছেন কেএল রাউল এবং এই তারকা ব্যাটসম্যান ৭ ম্যাচ খেলে ৩৩১ রান সংগ্রহ করেছেন।ফাফ ডুপ্লেসিস ৭ ম্যাচ খেলে মোট ৩২০ রান করেছেন। পৃথিবী শাহ ৮ ম্যাচ খেলে মোট ৩০৮ রান করেছেন।সঞ্জু স্যামসন ৭ ম্যাচ খেলে ২৭৭ রান করেছেন।মায়াঙ্ক আগারওয়াল ৭ ম্যাচ খেলে সংগ্রহ করেছেন ২৬০ রান।জস বাটলার ৭ ম্যাচ খেলে করেছেন ২৫৪ রান। রোহিত শর্মা ৭ ম্যাচে করেছেন ২৫০ রান।জনি বেয়ারস্টো এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে ৭ ম্যাচ খেলে করেছেন ২৪৮ রান। এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে যতগুলো খেলা হয়েছে তাতে দশম সর্বোচ্চ রানকারী গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ম্যাক্সওয়েল ৭ ম্যাচে করেছেন ২২৩ রান।

বল হাতে শীর্ষে হার্শাল প্যাটেল

এই (২০২১)আইপিএলে ইতিমধ্যে যতগুলো খেলা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে বল হাতে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন হার্শাল প্যাটেল।এই পেসার ৭ ম্যাচ খেলে ১৭টি উইকেট নিয়েছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন আভিস খান। তিনি ৮ ম্যাচে মোট ১৪ উইকেট নিয়েছেন।ক্রিস মরিচ ৭ ম্যাচে নিয়েছেন ১৪ উইকেট। রাহুল চাহার ৭ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়েছেন। রশিদ খান রয়েছেন বোলারদের মধ্যে পঞ্চম স্থানে।এই লেগি ৭ ম্যাচে ১০টি উইকেট নিয়েছেন।সাম কারেন ৭ ম্যাচে নিয়েছেন ৯টি উইকেট।প্যাট কামিন্স ৭ ম্যাচে নিয়েছেন ৯ উইকেট।কাইল জেমিসন ৭ ম্যাচে নিয়েছেন ৯টি উইকেট।দীপক চাহার ৭ ম্যাচে নিয়েছেন ৮টি উইকেট। স্থগিত এবারের আইপিএলে সেরা বোলারদের মধ্যে দশম স্থানে রয়েছেন মোঃ সামি।সামি ৮ ম্যাচে ৮টি উইকেট নিয়েছেন।


ছক্কায় এগিয়ে কেএল রাউল

এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে যতগুলো খেলা মাঠে গড়িয়েছে তাতে সর্বাধিক ছক্কা মেরেছেন কেএল রাউল।রাউল ৭ ম্যাচে ১৬টি ছয় মেরেছেন।বেয়ারস্টো ৭ ম্যাচে ১৫ ছক্কা।আম্বাতি রাইডু ৭ ম্যাচে ১৩ ছক্কা।জস বাটলার ৭ ম্যাচ ১৩ ছক্কা।ডুপ্লেসিস ৭ ম্যাচে ১৩ ছক্কা।পোলার্ড ৭ ম্যাচে ১৩ ছক্কা।আন্দ্রে রাসেল ৭ ম্যাচ ১৩ ছক্কা।মঈন আলী ৬ ম্যাচে ১২ ছক্কা। পৃথিবী শাহ ৮ ম্যাচে ১২ ছক্কা।মায়াঙ্ক আগারওয়াল এই তালিকায় দশম স্থানে রয়েছেন। আগারওয়াল ৭ ম্যাচে ১১ছক্কা মেরেছেন।

পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি 

এবারের আইপিএলে ইতিমধ্যে যেসব খেলা হয়েছে তাতে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে রয়েছে ১. দিল্লি ক্যাপিটালস(৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট)। ২.চেন্নাই সুপার কিংস (৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট)।৩.রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট)।৪.মোম্বাই ইন্ডিয়ান্স (৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট)।৫. রাজস্থান রয়্যালস (৭ ম্যাচ ৬ পয়েন্ট)।৬.পাঞ্জাব কিংস (৮ ম্যাচ ৬ পয়েন্ট)।৭.কেকেআর (৭ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট)।৮.সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ( ৭ ম্যাচে ২ পয়েন্ট)।

আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০ তম জন্মজয়ন্তী

                                                                   

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ ২৫শে বৈশাখ,বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০ তম জন্মজয়ন্তী।জন্মজয়ন্তীতে কবিগুরুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং সেইসাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও সৃষ্টি সম্পর্কে কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্য এখানে তুলে ধরছি।


রবীন্দ্র জীবন ও সৃষ্টির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য


রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে কবির জীবন ও সৃষ্টি সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে তুলে ধরছি।

১.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ২৫শে বৈশাখ,১২৬৮ বঙ্গাব্দ (৭ই মে ,১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ)।


২.রবীন্দ্রনাথ একাধারে - কবি,ঔপন্যাসিক,প্রাবন্ধিক, গীতিকার,নাট্যকার, অভিনেতা,চিএকর, কন্ঠশিল্পী, দার্শনিক,ভাষাবিদ।


৩.রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার পান- ১৯১৩ সালে।

৪.কবিগুরুর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্ৰন্থ - বনফুল।

৫.বিশ্বকবির বিখ্যাত 'সাজাহান' কবিতা মে কাব্যে স্থান পেয়েছে - বলাকা।

৬.রবিঠাকুরের যে উপন্যাসের উপজীব্য ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতি - ঘরে বাইরে।

৭.. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের  উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক উপন্যাস - গোরা।

৮.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত গদ্যগ্ৰন্থ - য়ুরোপ প্রবাসীর পএ।

৯.রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত নাটক - বাল্মীকি প্রতিভা।

১০.রবীন্দ্রনাথের আত্মজীবনী গ্ৰন্থ - জীবনস্মৃতি।


ক্রিকেটের পাঁচ বিস্ময়কর বোলারের কথা

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃপ্রায় একাই ম্যাচকে নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য রাখেন এমন বোলার ক্রিকেটে কালেভদ্রে দেখা যায়।সেই শেন ওয়ার্ন , মুরালিধরন থেকে হালের মিশেল স্টার্ক,বুমরা পর্যন্ত ক্রিকেটে তেমন বোলার খুব কমই পাওয়া যায়।আবার অনেক প্রতিভাবান বোলার  ইনজুরি বা অন্য কারণে শেষপর্যন্ত সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।তবু যারা ক্যারিয়ার জুড়েই ক্রিকেট মাঠে অসংখ্য ম্যাচজয়ের নায়ক হয়েছেন ক্রিকেটের তেমনি পাঁচ বিস্ময়কর  বোলারের গল্প এখানে তুলে ধরব।

                                                                      

শেন ওয়ার্ন

ক্রিকেটে একজন বোলারের ভালো বোলিংয়ের সাথে বুদ্ধিমওাও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এবং ক্রিকেটে সবচেয়ে বুদ্ধিমান ও চৌকস বোলারের প্রসঙ্গ এলে শেন ওয়ার্নের নামটি বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হয়। দুর্দান্ত লেগস্পিন সেইসাথে দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত ভেলিভারি এই বোলারকে দিয়েছে সর্বকালের সেরা লেগস্পিনারের খ্যাতি।অষ্ট্রেলিয়ার তুলনামূলক বাউন্সি এবং গতির উইকেটে শেন ওয়ার্নের এমন বিশ্বমানের স্পিন সত্যিই এক ধাঁধা।অবশ্য ক্রিকেট অনিল কুম্বলে,শহিদ আফ্রিদির মত আরো বেশকিছু মেধাবী লেগস্পিনার দেখেছে ।তবে শেন ওয়ার্নের মত বিচিত্র প্রতিভার লেগস্পিনার ক্রিকেটে খুবই কম।ওয়ার্নের উইকেটসংখ্যা এক্ষেত্রে স্মরণযোগ্য। ব্যাটসম্যানের দুর্বলতা বোঝে সঠিক জায়গায় বল ফেলার দক্ষতা ওয়ার্নের বোলিংয়ের বড় বিশেষত্ত্ব ছিল।  লারা, শচীন, জয়াসুরিয়া, দ্রাবিড়ের মত সেরা টেকনিকের ব্যাটসম্যানরা শেন ওয়ার্নকে সমীহ করে খেলতেন এবং এখনও এসব ব্যাটসম্যানের বিভিন্ন কথপোকথনে বিষয়টি জানা যায় ।ব্যাটসম্যানকে প্রলুব্ধ করার মাধ্যমে উইকেট নিতে পছন্দ করতেন ওয়ার্ন।এছাড়া লেগস্পিনকে রীতিমতো একটি নিজস্ব স্টাইল তৈরি করেছিলেন এই কিংবদন্তি লেগস্পিনার।

শেন ওয়ার্নের ক্যারিয়ার

শেন ওয়ার্ন তাঁর  ক্যারিয়ারে ১৪৫টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন  যেখানে তাঁর উইকেটসংখ্যা ৭০৮।৩৭বার ম্যাচে ৫ উইকেট ও ১০ বার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন এই তারকা বোলার।
শেন ওয়ার্ন ১৯৪টি ওয়ানডে খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ২৯৩।১বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন এই তারকা লেগস্পিনার।তবে শেন ওয়ার্ন কোন আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেননি।

                                                                 





মুওিয়া মুরালিধরন


ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত অফস্পিনারদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার মুওিয়া মুরালিধরন এক বিশিষ্ট নাম।বিশেষ অ্যাকশনের জন্য ক্রিকেটে আলোচিত ছিলেন এই তারকা বোলার।  যতদিন খেলেছেন ততদিন সব প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানের জন্য এই তারকা স্পিনার বড় মাথাব্যথার কারণ ছিলেন। কার্যকর স্পিনের সাথে বলের উপর চমৎকার নিয়ন্ত্রণ রাখার অপূর্ব দক্ষতা ছিল মুওিয়া মুরালিধরনের বোলিংয়ে। এসবের ফলে ব্যাটসম্যানরা তাঁর বল খেলতে সমস্যায় পড়তেন। মুরালিধরন শ্রীলঙ্কাকে বহু ম্যাচে একাই জিতিয়েছেন। মুরালিধরনের মত সফল অফস্পিনার ক্রিকেটে খুব কমই পাওয়া যাবে। নিখুঁত টাইমিং ও টেকনিক এ দুটি বৈশিষ্ট্য ছিল এই লংকান গ্ৰেটকে খেলার সবচেয়ে বড় যোগ্যতা । রেকর্ডের দিকে তাকালে দেখা যায় শচীন,লারা, পন্টিং,দ্রাবিড়, আশরাফুলের মত উন্নত টেকনিকের ব্যাটসম্যানরাই শুধু মুরালিকে খেলতে সফল হয়েছেন।মুরালিধরনের মত প্রতিভাবান অফস্পিনার ক্রিকেটে সহসা পাওয়া যায় না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মুরালিধরনের মত  ম্যাচকে একাই  নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য ক্রিকেটে খুব কম বোলারই পেরেছেন।

মুওিয়া মুরালিধরনের ক্যারিয়ার

মুওিয়া মুরালিধরন তাঁর ক্যারিয়ারে ১৩৩টি টেস্ট খেলে ৮০০ উইকেট নিয়েছেন।যেখানে ৬৭বার ম্যাচে ৫ উইকেট ও ২২বার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন।
মুরালিধরন ৩৫০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে মোট ৫৩৪টি উইকেট নিয়েছেন যেখানে ১০বার ম্যাচে ৫ উইকেট নেয়ার রেকর্ড রয়েছে। মুরালিধরন ১২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ১৩ উইকেট নেন।


                                                                    



লাসিথ মালিঙ্গা 

বলা হয় ক্রিকেটে নিখুঁত ইয়র্কারের জন্য বিখ্যাত বোলারদের মধ্যে লাসিথ মালিঙ্গা এক অনন্য উদাহরণ।কারণ লাসিথ মালিঙ্গার বলে অন্য সবগুণের মধ্যে ইয়র্কারের কার্যকারিতা সবচেয়ে বেশি। এবং ইয়র্কারের ক্ষেএে সঠিক জায়গায় বল ফেলার এক অপূর্ব দক্ষতা মালিঙ্গার বোলিংয়ে লক্ষ করা যায়। তাছাড়া ব্যাটসম্যানের দুর্বলতা বোঝে সঠিক ডেলিভারি মালিঙ্গার বোলিংয়ের এক বড় বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বীকৃত। ক্রিকেটের ইতিহাসে অসাধারণ গতিতারকার সংখ্যা নেহাত কম নয় তবু মালিঙ্গার মত পেস বলের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ খুব কম বোলারই দেখাতে পেরেছেন।ব্রেট লি,মিশেল জনসন, শোয়েব আখতার,শেন বন্ড,ডেল স্টেইনের মত অসাধারণ সব পেসার ক্রিকেটে এসেছেন তবু মালিঙ্গার মত কার্যকর ভেরিয়েশন ও নিখুঁত ইয়র্কার খুব কম পেসার দেখাতে পেরেছেন। এবং  লাসিথ মালিঙ্গার মত একাই ম্যাচকে নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা খুব কম পেসারের বেলায় দেখা যায়।আর এসব কিছু বিবেচনায় এই লংকান পেসারকে ক্রিকেটের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার বলা যায়।

লাসিথ মালিঙ্গার ক্যারিয়ার

লাসিথ মালিঙ্গা ৩০টি টেস্ট খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ১০১ উইকেট।এই তারকা বোলার ৩বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন। মালিঙ্গা ২২৬টি ওয়ানডে খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ৩৩৮ উইকেট। ওয়ানডে ক্রিকেটে এই পেসার ৮বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া লাসিথ মালিঙ্গা ৮৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১০৭টি উইকেট নিয়েছেন যেখানে ২বার ম্যাচে ৫ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব রয়েছে।

                                                                  

মিশেল স্টার্ক

ক্রিকেটের ইতিহাসে অষ্ট্রেলিয়ার বেশকজন পেসার তাদের অনন্য প্রতিভার জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। এক্ষেত্রে গ্লেন ম্যাকগ্রা,ব্রেট লি, মিশেল জনসন, মিশেল স্টার্ক,প্যাট কামিন্সের কথা বিশেষভাবে বলতে হয়।তবে বুদ্ধিদীপ্ত ভেলিভারি ও কার্যকর ভেরিয়েশন বিবেচনায় মিশেল স্টার্ক এক্ষেত্রে বিশিষ্ট এক পেসার। তাছাড়া ম্যাচকে একাই নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য বিবেচনায় মিশেল স্টার্ক এক অতুলনীয় পেসার।তাই ক্রিকেটের বিস্ময়কর প্রতিভার পেসারদের প্রসঙ্গ এলে মিশেল স্টার্কের নামটিও উচ্চারিত হয়। একজন ফাস্টবোলারের মূল শক্তি গতি ও সুইং এবং এক্ষেত্রে সফল উদাহরণ হিসেবে মিশেল স্টার্কের নাম করা যায়। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো স্টার্ককে খেলতে হলে ভালো টেকনিকের সাথে নিখুঁত ডিফেন্স খুব গুরুত্বপূর্ণ।


মিশেল স্টার্কের ক্যারিয়ার

মিশেল স্টার্ক ইতিমধ্যে ৬১টি টেস্ট খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ২২৫টি।ম্যাচে ১৩ বার ৫ উইকেট নিয়েছেন এবং ২বার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন।
মিশেল স্টার্ক ৯৬টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর সংগ্রহ ১৮৪ উইকেট।৭বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন এই তারকা পেসার। এছাড়া ৩৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৪৭টি উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক।

                                                                      

জাসপ্রিত বুমরা

হিসেবী পেসবোলার ক্রিকেটে খুব কম দেখা যায়।আর পেসারদের ক্ষেএে সবসময় হিসেবী হওয়ার উপায় নেই। ভারতীয় ক্রিকেটের দীর্ঘদিনের একটি শূন্যতা ছিল যে তাদের বিশ্বসেরা ফাষ্টবোলার নেই। কিন্তু সেই শূন্যতাকে পূরণ করেছেন এবং সেই সাথে ভারতকে পেস বোলিং দিয়ে দারুণ সাফল্য এনে দিয়েছেন দুজন পেসার। এর প্রথমজন জাসপ্রিত বুমরা ও দ্বিতীয় জন মোঃ সামি।তবে বলের গতি ,ম্যাচকে নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা, অসাধারণ সব ইয়র্কার ইত্যাদি বিবেচনায় জাসপ্রিত বুমরার কথা বিশেষভাবে বলতে হয়। বুদ্ধিদীপ্ত ভেলিভারির প্রসঙ্গ এলে এ সময়ের ক্রিকেটে জাসপ্রিত বুমরা এক অতুলনীয় নাম।আমরা বুমরার বোলিং বিশ্লেষণ করলে বেশকিছু বৈশিষ্ট্য পাই যা সত্যিই অবিশ্বাস্য।বুমরার বোলিংয়ের মূলশক্তি গতি, সঠিক ভেলিভারি এবং আত্মবিশ্বাস। এসবকিছুর  সমন্বয়ে জাসপ্রিত বুমরাকে ক্রিকেটের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

জাসপ্রিত বুমরার ক্যারিয়ার

জাসপ্রিত বুমরা ইতিমধ্যে ১৭টি টেস্ট খেলেছেন এবং তাতে তাঁর সংগ্রহ ৭৯ উইকেট।৫বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন।
বুমরা ৬৭টি ওয়ানডে খেলেছেন যেখানে তাঁর উইকেটসংখ্যা ১০৮।এই তারকা পেসার ওয়ানডে ক্রিকেটে ১বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন।বুমরা ৪৯টি টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর উইকেটসংখ্যা ৫৯।

ক্রিকেট থেকে থিসারা পেরেরার অবসর

                                                                 

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার  থিসারা পেরেরা সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।(সূত্র; বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)।এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর থিসারা পেরেরার ব্যাটবলের অসাধারণ নৈপুণ্য দেখা যাবে না।তবে এই তারকা অলরাউন্ডার ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।থিসারা পেরেরা সীমিত ওভারের ক্রিকেটে খুবই জনপ্রিয় ও কার্যকর অলরাউন্ডার হিসেবে পরিচিত। শ্রীলঙ্কার হয়ে ৭টি বিশ্বকাপ খেলার কৃতিত্ব রয়েছে থিসারা পেরেরার । শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের পাশাপাশি আইপিএল ও বিশ্বের সব বড় টিটুয়েন্টি লিগেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এই লংকান অলরাউন্ডারের। যদিও বেশ কিছুদিন ধরে তিনি জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন।থিসারা পেরেরার অবসর জীবন সুন্দর হোক এই প্রত্যাশা করছি।


টেস্ট ক্রিকেটে থিসারা পেরেরা


থিসারা পেরেরার টেস্ট ক্যারিয়ার খুব দীর্ঘ নয়। তিনি মাএ ৬টি টেস্ট খেলেছেন।এই তারকা অলরাউন্ডার সর্বশেষ ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার হয়ে টেস্ট খেলেছেন।৬ টেস্টে তাঁর ব্যাট হাতে সংগ্রহ ১ ফিফটিসহ মোট ২০৩ রান। টেস্ট ক্রিকেটে থিসারা পেরেরা ১১টি উইকেট নিয়েছেন।

ওয়ানডে ক্রিকেটে থিসারা পেরেরা

টেস্ট ক্রিকেট ক্যারিয়ার দীর্ঘ নাহলেও ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেকে উজ্জলরূপে মেলে ধরতে সক্ষম হন এই তারকা অলরাউন্ডার। শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে ইতিহাসে অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে তাঁর নামটিও উচ্চারিত হয়।মূলত মিডিয়াম পেসার ও মিডলঅর্ডারে কার্যকর গেমচেঞ্জার হিসেবে দারুণ সফল এই লংকান অলরাউন্ডার।থিসারা পেরেরা তাঁর অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স দিয়ে বহু ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে জয়ী করেছেন।থিসারা পেরেরা শ্রীলঙ্কার হয়ে ১৬৬টি ওয়ানডে খেলেছেন । তাঁর ওয়ানডে রানসংখ্যা ২৩৩৮। সেইসাথে ওয়ানডে ক্রিকেটে থিসারা পেরেরার ১টি শতক ও ১০টি অর্ধশতক রয়েছে। ওয়ানডে ক্রিকেটে বল হাতে মোট ১৭৫টি উইকেট নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার যেখানে ৪বার ম্যাচে ৫উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব রয়েছে।

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে থিসারা পেরেরা

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় আইকনদের মধ্যে ইতিমধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন এই লংকান অলরাউন্ডার। বিশ্বজুড়ে সব বড় টিটুয়েন্টি লিগেই তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়ে থিসারা পেরেরা মোট ৮৪টি টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর ব্যাট হাতে সংগ্রহ ৩ফিফটিসহ ১১০২ রান। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই অলরাউন্ডার ৫১টি উইকেটের মালিক।২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে থিসারা পেরেরার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
এসব ছাড়াও আইপিএলে থিসারা পেরেরা ইতিমধ্যে ব্যাট হাতে ৪২২ রান ও বল হাতে ৩১টি উইকেট নিয়েছেন।

থিসারা পেরেরার অসাধারণ কিছু ম্যাচ

থিসারা পেরেরা শ্রীলঙ্কার সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে স্বীকৃত।এই অলরাউন্ডারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে দারুণ সব ম্যাচ রয়েছে যেখানে তাঁর অসাধারণ নৈপুণ্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।থিসারা পেরেরার এমনই কিছু ম্যাচের তথ্য এখানে তুলে ধরছি (সূত্র; ইএসপিএন ক্রিকইনফো)।

পাকিস্তানের বিপক্ষে পাল্লেকেলে ওডিআই

থিসারা পেরেরার অসাধারণ সব ম্যাচের একটি হচ্ছে ২০১২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে এক ওয়ানডে ম্যাচে ব্যাট হাতে ২৪ রান ও বল হাতে ৬ উইকেট লাভের মাধ্যমে শ্রীলংকার জয়কে নিশ্চিত করার নৈপুণ্য।

২০১৪ সালে হাম্মানটোটা ওডিআই 

থিসারা পেরেরা ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার হাম্মানটোটায় পাকিস্তানের বিপক্ষে এক ওডিআই ম্যাচে দারুণ অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন। সেই ম্যাচে থিসারা ব্যাট হাতে ৩৬ বলে ৬৫ রানের পাশাপাশি বল হাতে ১৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে প্রায় একাই পাকিস্তানকে পরাজিত করেন।

২০১৯ সালে কিউইদের বিপক্ষে ১৪০ রান

থিসারা পেরেরার অনবদ্য ইনিংসগুলোর একটি ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪০ রান। সেই ম্যাচে যদিও শ্রীলঙ্কা পরাজিত হয়েছিল কিন্তু প্রায় খাদ থেকে দলকে দারুণ লড়াইয়ে অবতীর্ণ করার ক্ষেএে থিসারার ইনিংসটি স্মরণীয় হয়ে রয়েছে।

কিম্বার্লির ৬৯ রান ও ২ উইকেট

থিসারা পেরেরার অলরাউন্ডিং আরেক উজ্জল স্মারক ২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬৯ রানের দারুণ ম্যাচজয়ী ইনিংস। এছাড়া তিনি সেই ম্যাচে বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ২টি উইকেটও নেন।

সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                                  

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারের কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য এখানে তুলে ধরছি।

বিসিআইসিতে নিয়োগ

শিল্পমন্ত্রণালয়ের অধীন বিসিআইসিতে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সহকারী হিসাব/অর্থ/নিরিক্ষা কর্মকর্তা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক, বিদ্যুৎ,সিভিলে, কেমিক্যাল) ইত্যাদি পদ।

পদসংখ্যা : ৩১৭

যোগ্যতা : পদভেদে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্ৰি থেকে স্মাতকোওর।

অভিজ্ঞতা : সকল পদের ক্ষেএে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বেতন : গ্ৰেড-১০

কর্মস্থল : বাংলাদেশের যেকোন স্থান

বয়স : ১৮ থেকে ৩০ বছর।বিশেষক্ষেএে ১৮ থেকে ৩২ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন ( www.bcic.teletalk.com.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ : ০৩ জুন,২০২১ রাত ১২টা।

সূত্র : দৈনিক শিক্ষা

ডেলটা ব্র্যাক হাউজিং ফাইনান্সে নিয়োগ

ডেলটা ব্র্যাক হাউজিং ফাইনান্সে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: এসিস্ট্যান্ট অফিসার/অফিসার (লোন)

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : যেকোন বিষয়ে স্মাতক ডিগ্রি।

দক্ষতা : চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা।

বয়স: ২১থেকে ৩০ বছর।

চাকরির ধরণ :পূর্ণকালীন

কর্মস্থল : ঢাকা

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন: ভিজিট; www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ :১১/০৫/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


ল্যাবএইড ক্যান্সার হসপিটালে নিয়োগ

ল্যাবএইড ক্যান্সার হসপিটালে ম্যানেজার/সিনিয়র ম্যানেজার (কষ্টিং এন্ড বাজেট) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: ম্যানেজার/সিনিয়র ম্যানেজার (কষ্টিং এন্ড বাজেট)
পদসংখ্যা:অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : একাউন্টিং , ফিনান্স বা এ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

চাকরির ধরণ:পূর্ণকালীন

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন ( ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ:৩০/০৫/২০২১

সূত্র:বিডিজবস ডটকম


নিটল মটরস লিমিটেডে নিয়োগ

নিটল মটরস লিমিটেডে সিনিয়র অফিসার/এক্সিকিউটিভ (একাউন্টস) পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: সিনিয়র অফিসার/এক্সিকিউটিভ (একাউন্টস)

পদসংখ্যা:অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা: একাউন্টিং বিষয়ে স্মাতকোওর বা এমবিএ (একাউন্টিং) ডিগ্ৰি।

চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন

বয়স: ২৫ থেকে ৩০ বছর

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন(ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ:২০/০৫/২০২১

কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোন স্থান

সূত্র : বিডিজবস ডটকম