WHAT'S NEW?
Loading...

সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                                    

 

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারে কিছু নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এখানে তেমনি কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য তুলে ধরছি।


বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়োগ

পদ : বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, নিরাপত্তা কর্মকর্তা, সায়েন্টিফিক এসিস্ট্যান্ট, অফিস সহায়ক সহ বেশকিছু পদ।

পদসংখ্যা:৩৩

যোগ্যতা: পদভেদে পঞ্চম শ্রেণী পাস থেকে এমএসসি ডিগ্ৰি।

বেতন: পদভেদে গ্ৰেড-৯ থেকে গ্ৰেড-২০।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (http://bjri.teletalk.com.bd)

বয়স: বর্তমান সরকারী নিয়োগ বিধি অনুযায়ী ।

আবেদনের শেষ তারিখ : ০৯/০৫/২০২১ বিকাল ০৫:০০ ঘটিকা।

সূত্র: বিডিজবস ডটকম

ইষ্টার্ন ব্যাংকে নিয়োগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট ব্যাংক ইষ্টার্ন ব্যাংকে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্মাতক ডিগ্রি।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৬ মাসের অভিজ্ঞতা। এছাড়া কম্পিউটারের বিভিন্ন বেসিক প্রোগ্ৰাম সম্পর্কে ধারণা।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৪/০৪/২০২১

সূত্র:প্রথম আলো

ব্র্যাক ব্যাংকে নিয়োগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে কিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।


১.পদ : অফিসার (ইন্টার ব্রাঞ্চ ক্র্যাশ ম্যানেজমেন্ট)

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্মাতক ও স্মাতকোওর ডিগ্ৰি। এছাড়া এফআই অপস,রিটেল ও এসএমই ব্যাংকিং সম্পর্কে ধারণা।

চাকরির ধরণ:পূর্ণকালীন
কর্মক্ষেত্র : ঢাকা

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন (ভিজিটwww.bdjobs.com)


আবেদনের শেষ তারিখ: ২০/০৪/২০২১
সূত্র:বিডিজবস ডটকম

২.পদ : ম্যানেজার, রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স রিস্ক ম্যানেজমেন্ট

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা: সন্তোষজনক ফলাফলসহ স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্মাতক/স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

অভিজ্ঞতা:৭-১০ বছর

চাকরির ধরণ:পূর্ণকালীন

কর্মক্ষেত্র : ঢাকা

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন (www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০/০৪/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম

প্রিমিয়ার লিজিং এন্ড ফাইনান্স লিমিটেডে নিয়োগ

পদ : এসিস্ট্যান্ট অফিসার (একাউন্টস এন্ড ফাইনান্স ডিপার্টমেন্ট)

পদসংখ্যা:অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন

অভিজ্ঞতা:২বছর

বয়স: সর্বোচ্চ ৩২

আবেদন প্রক্রিয়া:ডাক (বিস্তারিত www.bdjobs.com)
আবেদনের শেষ তারিখ:০২/০৫/২০২২

সূত্র : বিডিজবস ডটকম


ব্র্যাক এনজিওতে নিয়োগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।
পদ: ১.ডেপুটি ম্যানেজার, কমিউনিকেশন এন্ড এলামনি এনগেজমেন্ট,ব্র্যাক ইয়ুথ প্লাটফর্ম
২.ডেপুটি ম্যানেজার, ট্রেনিং এন্ড ডেভোলাপমেন্ট,ব্র্যাক ইয়ুথ প্লাটফর্ম

যোগ্যতা : উভয় পদের ক্ষেএে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে সিজিপিএ ৩ সহ স্মাতক/স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

অভিজ্ঞতা: ২ বছর

চাকরির ধরণ : পূর্ণকালীন

কর্মক্ষেত্র: ঢাকা

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ: ১৯/০৪/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম

বেন স্টোকসের আইপিএল হিস্ট্রি

                                                       

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা অলরাউন্ডারদের একজন বেন স্টোকস।বিশ্বের সব বড় বড় টিটুয়েন্টি লিগে এই তারকা অলরাউন্ডারের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।ব্যাট হাতে যেমন সফল তেমনি বল হাতেও একই ধরণের দক্ষতা রয়েছে এই ইংলিশ অলরাউন্ডারের মধ্যে। এবং অসাধারণ ফিল্ডার হিসেবেও স্টোকসের সুনাম রয়েছে। আইপিএলে এই ইংলিশ অলরাউন্ডারের  অসাধারণ সব রেকর্ড রয়েছে । এখানে বেন স্টোকসের আইপিএল ক্যারিয়ার সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরছি।


যেসব ফ্রাঞ্চাইজিতে খেলেছেন

বেন স্টোকস ২০১৭ সালে প্রথম আইপিএলে খেলার সুযোগ পান। প্রথমবার এই ইংলিশ অলরাউন্ডার রাইজিং পুনে সুপারজায়েন্টের হয়ে আইপিএলে অংশগ্ৰহন করেন। এবং নিজের প্রথম আইপিএলে দারুণ পারফরম্যান্স দেখান স্টোকস।  ২০১৮সাল থেকে বর্তমান (২০২১) আইপিএল পর্যন্ত  এই ইংলিশ অলরাউন্ডার রাজস্থান রয়্যালসের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

স্টোকসের আইপিএল ক্যারিয়ার

বেন স্টোকস নিজের প্রথম আইপিএল(২০১৭) থেকেই অসাধারণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে চলেছেন।ব্যাট হাতে ইতিমধ্যে আইপিএলে একাধিক শতক হাঁকিয়েছেন। এছাড়া আইপিএলে বল হাতে দারুণ সব রেকর্ড গড়েছেন স্টোকস।বেন স্টোকস আইপিএলের ইতিহাসে ইতিমধ্যে ৪৩টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট রান ৯২০। আইপিএলে স্টোকস দুটি শতক ও ২টি ফিফটি  করেছেন।ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে  স্টোকস ১১৩.৫ ওভার বল করেছেন যেখানে তাঁর নামের পাশে ২৮টি উইকেট রয়েছে। আইপিএলে স্টোকসের সেরা বোলিং ১৫রানে ৩ উইকেট।

আইপিএল ২০১৭

 সর্বপ্রথম স্টোকস ২০১৭ সালে  রাইজিং পুনে সুপারজায়েন্টের হয়ে আইপিএলে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। এবং সেই আসরে তিনি ১২ম্যাচ খেলে ৩১৬ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়া নিজের প্রথম আইপিএলে স্টোকস ১টি শতক ও ১টি ফিফটি করেন এবং বল হাতে ১২ ম্যাচে  ১২টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০১৮

২০১৮ সালের আইপিএলে স্টোকস নতুন ফ্রাঞ্চাইজির(রাজস্থান রয়্যালস) হয়ে মাঠে নামেন। এবং সেই বছর আইপিএলে স্টোকস ১৩ ম্যাচ খেলে ১৯৬ রান সংগ্রহ করেন।বল হাতে নেন ৮টি উইকেট।

আইপিএল ২০১৯

২০১৯ সালের আইপিএলেও স্টোকস রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএলে অংশগ্রহণ করেন এবং ৯ ম্যাচ খেলে ১২৩ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়া স্টোকস সেই আইপিএলে বল হাতে ৬টি উইকেটও নেন।

আইপিএল ২০২০

২০২০ সালের আইপিএলে বেন স্টোকস দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। সেই আইপিএলে ৮ম্যাচ খেলে এই ইংলিশ অলরাউন্ডার ১টি শতক ও ১ফিফটিসহ ২৮৫ রান সংগ্রহ করেন।বল হাতে ২টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০২১

আইপিএলের বর্তমান আসরে ইতিমধ্যে একটি ম্যাচ খেলেছেন তবে ব্যাট ও বল হাতে তেমন কিছু করতে পারেননি যদিও দুর্দান্ত কিছু ফিল্ডিং উপহার দিয়েছেন। সবশেষে একটি দুঃখজনক তথ্য হলো রাজস্থান রয়্যালসের প্রথম ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় হাতে চোট পেয়ে এবারের আইপিএল থেকে ছিটকে পড়েছেন এই ইংলিশ অলরাউন্ডার।

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

                                             

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ (১৪২৮)।প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'এর পক্ষ থেকে সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। নতুন বছর সবার ভালো কাটুক।

রমজানের জীবনযাপন

                                                       

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এসে গেছে পবিত্র রমজান।'প্রিয় ক্রিকেট ডটকম 'এর পক্ষ থেকে সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে পবিএ রমজানের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। রমজান সবার ভালো কাটুক।এবং সেই সাথে এখানে বিভিন্ন লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞের মতের আলোকে  রমজানের জীবনযাপন নিয়ে কিছু টিপস তুলে ধরছি।

সর্বএ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করুন

এখনও চারদিকে করোনার প্রাদুর্ভাব চলছে।তাই বাজারসওদা বা ধর্মীয় কাজের সময় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।এর ফলে নিজে যেমন সুস্থ থাকবেন তেমনি আশপাশের সবাইও সুস্থ থাকবে।বাইরে বেরোলে মাস্ক ব্যবহার করুন।বাহির থেকে ফিরে ভালো করে হাত মুখ সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

সব বাজার একবারে নয়

সমস্ত রমজানের বাজার একবারে না করে সপ্তাহের বাজার একসাথে করুন।এর ফলে বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়ার প্রবণতা কম হবে যা সবার জন্যই মঙ্গলজনক। তাছাড়া গরম পড়ে গেছে ফলে একসাথে অনেক দ্রব্য কেনার কারণে বহু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকবে।


খাবারে চিনি ,ভাজা পোড়া কমিয়ে দিন

এই সময়ে চিনি, অতিরিক্ত লবণ ,ভাজা ও মশলাদার খাবার কম খাওয়ার চেষ্টা করুন।ভাজা ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন। বিস্কুট,কেক,চিপস,সফট ড্রিংকস এড়িয়ে চলুন।এর ফলে হজমশক্তি বাড়বে এবং মুডও ভালো থাকবে।

ধীরে ধীরে খাবার খান

এই সময়ে ধীরে ধীরে খাবার গ্ৰহনের অভ্যাস করুন।কারণ ধীরে ধীরে সময় নিয়ে খাবার গ্ৰহন করলে হজম ভালো হয় এবং শরীর-মন ভালো থাকে।

বাইরের মুখরোচক খাবার এড়িয়ে চলুন

রমজানের এই সময়ে কোন প্রলোভনে পা দিয়ে বাইরে যেখানে সেখানে খাবার খাবেন না।কারণ এই সময়ে বাজারে মানহীন মুখরোচক খাবারের ছড়াছড়ি থাকে। এসবের অধিকাংশই অস্বাস্থ্যকর।আর এসব খাবার খেলে অসুস্থ হবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

নিয়মিত স্নান করুন

নিয়মিত স্নান করুন। পরিস্কার পানিতে নিয়মিত স্নান করলে এই সময়ে শরীর যেমন হালকা থাকবে তেমনি মানসিক প্রশান্তিও বেড়ে যাবে।

সুস্থ জীবনযাপন চর্চা করুন

এই সময়ে সুস্থ জীবনযাপনের কৌশল আয়ত্ত করতে পারেন।ঠিক সময়ে ঠিক কাজটি করার চেষ্টা করুন।এর ফলে সারাবছর সঠিক জীবনযাপন সম্ভব হবে।এই সময়ে প্রতিবেশি আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করুন।

দরিদ্রদের সহায়তা করুন

রমজান মাস বছরের অন্য সময়ের চেয়ে আলাদা তাই এই সময়ে মানসিক সন্তুষ্টি লাভের জন্য দরিদ্রদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করতে পারেন।

জটিল রোগীরা ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন

যাদের শরীরে বিভিন্ন জটিল রোগ রয়েছে তাদেরকে অবশ্যই এই সময়ে ডাক্তারের  পরামর্শ মেনে চলা উচিত।তা নাহলে যেকোন সময় অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন।

সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন

সবক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার চেষ্টা করুন। চারদিকে করোনার প্রাদুর্ভাব চলছে তাই যথাসম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। বিভিন্ন টেলিমেডিসিন সার্ভিসের নম্বর হাতের কাছে রাখুন।

ডিভিলিয়ার্সের আইপিএল হিষ্ট্রি

                                                       

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এক জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্স।আর টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় আসর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এবি শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের একজন। দুর্দান্ত ফিনিশার এবং স্ট্রোকমেকার হিসেবে আইপিএলে দীর্ঘদিন যাবত সফলতার শীর্ষে রয়েছেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান। আইপিএলে ক্রিস গেইলের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানো এই ব্যাটসম্যানের আইপিএল হিষ্ট্রি এখানে তুলে ধরছি।


আইপিএলে ডিভিলিয়ার্স

এবি ডিভিলিয়ার্স সম্পর্কে জানতে এমনিতেই ক্রিকেটপ্রেমীদের ব্যাপক আগ্ৰহ দেখা যায়।আর এমন প্রতিভাধর ক্রিকেটার (তিন ফরম্যাটেই জনপ্রিয়)ক্রিকেটে যেহেতু খুব কম দেখা যায় তাই দর্শকদের মধ্যে তাকে  জানার আগ্ৰহ থাকা স্বাভাবিক। এখানে শুধু এই তারকা ব্যাটসম্যানের আইপিএল ক্যারিয়ারচিএ তুলে ধরব।ডিভিলিয়ার্স সর্বপ্রথম ২০০৮ সালের আইপিএলে খেলার সুযোগ পান। এবং তারপর থেকে বর্তমান(২০২১)আসর পর্যন্ত এবি আইপিএলে খেলে চলেছেন। তাছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এই মহাযজ্ঞে ডিভিলিয়ার্স নিজের প্রতিভার যথার্থ স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এবি ১৭০টি ম্যাচ ইতিমধ্যে খেলেছেন যেখানে তাঁর নামের পাশে ৩টি শতক ও ৩৮টি ফিফটিসহ মোট ৪৮৯৭ রান যুক্ত হয়েছে।

যেসব ফ্রাঞ্চাইজিতে খেলেছেন

আইপিএলে ডিভিলিয়ার্সের আবেদন সবসময়ই ব্যাপক। তাঁর ইনোভেটিভ স্ট্রোকপ্লে ও গেমচেঞ্জার হিসেবে সফলতা আইপিএলের এক অন্যরকম ইতিহাস। তাছাড়া মাষ্টারক্লাস টেকনিক এই ব্যাটসম্যানকে আইপিএলে দিয়েছে ভিন্ন এক স্থান।এবি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ২০০৮ সাল থেকে ২০১১সাল পর্যন্ত দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছেন। এবং এই জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান ২০১১সাল থেকে বর্তমান (২০২১) আইপিএল পর্যন্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর প্রতিনিধিত্ব করছেন।

আইপিএল ২০০৮

এবি ডিভিলিয়ার্স সর্বপ্রথম ২০০৮সালের আইপিএলে খেলার সুযোগ পান। সেই আসরে তিনি ৬ ম্যাচ খেলে ৯৫ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০০৯

আইপিএল ২০০৯ এ ডিভিলিয়ার্স মোট ১৫ ম্যাচ খেলে ৪৬৫ রান সংগ্রহ করেন।সেবার এবি ১ শতক ও ৩ ফিফটিসহ দারুণ ব্যাটিং করেন।

আইপিএল ২০১০

২০১০ সালের আইপিএলে ৭ ম্যাচ খেলে এবি ডিভিলিয়ার্স ১১১ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০১১

২০০৮সালের পর থেকে প্রায় প্রতি আইপিএলেই এবি ডিভিলিয়ার্স তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংয়ের জাদু দেখিয়ে চলেছেন।২০১১সালের আইপিএলে এবি ১৬ ম্যাচ খেলে ২ ফিফটিসহ ৩১২ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০১২

২০১২ সালের আইপিএলে এবি ১৬ ম্যাচ খেলে ৩১৯ রান করেন এবং সাথে ৩টি ফিফটিও ছিল।

আইপিএল ২০১৩

২০১৩ সালের আইপিএলে দারুণ ব্যাটিং করেন এবি ডিভিলিয়ার্স। সেই আসরে এই তারকা ব্যাটসম্যান ১৪ ম্যাচ খেলে ২ ফিফটিসহ ৩৬০ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০১৪

২০১৪ সালের আইপিএলে এবি মোট ১৪ ম্যাচ খেলে ৩৯৫ রান সংগ্রহ করেন। এবং সেই আইপিএলে তাঁর ৩টি ফিফটিও ছিল।

আইপিএল ২০১৫

ডিভিলিয়ার্স ২০১৫ সালের আইপিএলে ১৬ ম্যাচ খেলে ৫১৩ রান সংগ্রহ করেন যাতে ১টি শতক ও ২টি ফিফটি ছিল।

আইপিএল ২০১৬

২০১৬ আইপিএলে এবি ১৬ ম্যাচে মাঠে নেমেছেন এবং সেই আইপিএলে তিনি ১টি শতক ও ৬ ফিফটিসহ মোট ৬৮৭ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০১৭

২০১৭ সালের আইপিএলে ডিভিলিয়ার্স মোট ৯ ম্যাচ খেলে ২১৬ রান সংগ্রহ করেন যাতে ১টি ফিফটিও ছিল।

আইপিএল ২০১৮

এবি ডিভিলিয়ার্স আইপিএলে বরাবরই পারফর্ম করেছেন।২০১৮ সালের আইপিএলে এই তারকা ব্যাটসম্যান মোট ১২ম্যাচ খেলে ৬ফিফটিসহ ৪৮০ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০১৯

২০১৯ এর আইপিএলে এবি ডিভিলিয়ার্স মোট ১৩টি ম্যাচ খেলেছেন যাতে তাঁর সংগ্ৰহ ছিল ৫টি ফিফটিসহ ৪৪২ রান।

আইপিএল ২০২০

২০২০ সালের আইপিএলে এবি ১৫ ম্যাচ খেলে ৫টি ফিফটিসহ ৪৫৪ রান সংগ্রহ করেন।

আইপিএল ২০২১

আইপিএল ২০২১ এ ইতিমধ্যে এবি ডিভিলিয়ার্স  একটি ম্যাচ খেলেছেন এবং সে ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ৪৮রান করে বেঙ্গালুরুকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।

আন্দ্রে রাসেলের আইপিএল হিষ্ট্রি

                                                       


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এক জনপ্রিয় আইকন আন্দ্রে রাসেল ।এই উইন্ডিজ হাডহিটার আইপিএলে এবার নবমবারের মত অংশগ্রহণ করেছেন।২০১২ সালের আইপিএলে অভিষেক হয় রাসেলের।বয়স ৩২ পেরিয়ে গেছে তবু থেমে নেই তাঁর অসাধারণ অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স।মূলত কার্যকরী মিডিয়াম পেস ও লোয়ার মিডলঅর্ডারে গেমচেঞ্জার ব্যাটসম্যান হিসেবে রাসেল বিশ্বের সব টিটুয়েন্টি লিগেই জনপ্রিয়। এছাড়া ফিল্ডার হিসেবে অসাধারণ এই উইন্ডিজ গ্ৰেট। আইপিএলেও অসাধারণ সব রেকর্ডের রূপকার এই অলরাউন্ডার। আসুন দেখে নেই আন্দ্রে রাসেলের আইপিএল আদ্যোপান্ত।

আইপিএলে আন্দ্রে রাসেল

আইপিএলে জনপ্রিয় অলরাউন্ডারদের অন্যতম আন্দ্রে রাসেল। কার্যকরী মিডিয়াম পেস এবং সাথে লোয়ার মিডলঅর্ডারে ফিনিশার হিসেবে অতুলনীয় এই উইন্ডিজ অলরাউন্ডার। আইপিএলে আন্দ্রে রাসেল সর্বপ্রথম ২০১২ সালে খেলার সুযোগ পান। এবার নিয়ে মোট নয়বার আইপিএলে অংশ নিলেন রাসেল। এবং প্রায় প্রতিটি আসরেই নজরকাড়া পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন এই উইন্ডিজ লিজেন্ড। আইপিএলে আন্দ্রে রাসেলের সেরা ইনিংস অপরাজিত ১৮৮ রান। এছাড়া বল হাতে সেরা পারফরম্যান্স ছিল ২০ রানে ৪ উইকেট।

আইপিএল ২০১২

আইপিএলে ২০১২ সালে প্রথম অংশগ্ৰহনের সুযোগ পান আন্দ্রে রাসেল। সেবার ব্যাট হাতে ৪ ম্যাচ খেলে ৩টি চার ও ৪টি ছক্কাসহ ৪৭ রান সংগ্রহ করেন।বল হাতে ১টি উইকেটও নেন রাসেল।

আইপিএল ২০১৩

২০১৩ সালের আইপিএলে রাসেল ৩ ম্যাচ খেলে ১১ রান সংগ্রহ করেন তবে বল হাতে কোন উইকেট পাননি।

আইপিএল  ২০১৪


আইপিএলের ২০১৪ আসরে বিরাট হাতে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি রাসেল ।২ম্যাচ খেলে ২ রান করেন এবং বল হাতে ১টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০১৫ 

২০১৫ সালের আইপিএলে আন্দ্রে রাসেল দারুণ পারফর্ম করেন।১৩ ম্যাচ খেলে ৩ ফিফটিসহ ৩২৬ রান সংগ্রহ করেন যাতে ১৯টি ছয় ও ৩৫টি চারের মারও ছিল। এবং বল হাতে ১৪টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০১৬ 

২০১৬ আইপিএলে ১২ ম্যাচ খেলে রাসেল ১০টি চার ও ১৫টি ছক্কাসহ ১৮৮ রান করেন।বল হাতে ১৫উইকেট নেন।

আইপিএল ২০১৮

আইপিএলের ২০১৮ সালের আসরে রাসেল ১৬ ম্যাচ খেলে ১ ফিফটিসহ ৩১৬ রান সংগ্রহ করেন।সাথে ১৭টি চার এবং ৩১টি ছয়ের মারও ছিল। এছাড়া বল হাতে ১৩টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০১৯

২০১৯ সালের আইপিএলে আন্দ্রে রাসেল দারুণ পারফর্ম করেন। ২০১৯ সালের আইপিএলে রাসেল ১৪ ম্যাচ খেলে ৪ফিফটিসহ ৫১০ রান সংগ্রহ করেন।সে বছর আইপিএলে ৩১টি চার এবং ৫২টি ছক্কা হাঁকান।

আইপিএল ২০২০

২০২০ এর আইপিএলে রাসেল ১০ ম্যাচে অংশ নিয়ে ১১৭ রান সংগ্রহ করেন যাতে ৯চার ও ৯টি ছক্কাও ছিল। এছাড়া বল হাতে ৬টি উইকেট নেন।

আইপিএল ২০২১

আইপিএলের এবারের আসরে রাসেল ইতিমধ্যে ১টি ম্যাচে অংশ নিয়েছেন যাতে ৫ রান ও বল হাতে ১টি উইকেট নিয়েছেন ।

যেমন দেখছি এবারের আইপিএল

অবশেষে বহু জল্পনাকল্পনার পর আইপিএলের ১৪তম আসর মাঠে গড়ালো।ক্রিকেটামুদী হিসেবে শেষপর্যন্ত বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছি। এবং এবারের আইপিএলেও করোনার কারণে দর্শকবিহীন ক্রিকেট চলছে। যদিও দর্শকহীন ক্রিকেট কিছুটা হলেও উওাপ হারাতে বাধ্য। তবে বাস্তবতা হচ্ছে এবারের আইপিএলের একাধিক খেলা ইতিমধ্যে হয়ে গেছে।ম্যাচগুলো মোটামুটি জমজমাট হচ্ছে। উদ্ভাবনী ম্যাচে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স পরাজিত হয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচে ধোনির সিএসকেও পরাজিত হয়েছে ।আর এসবের মধ্যে যে বিষয়গুলো চোখে লেগেছে তা এখানে তুলে ধরছি।

                                                              


বড় টোটালই যথেষ্ট নয়

গত আইপিএলে মাঝারি টোটাল দিয়েও লড়াই করেছে দলগুলো ।তবে এবার আর সেটি সম্ভবত হচ্ছে না। এবারের আইপিএলে একটি বিষয় খুবই লক্ষণীয় যা ইতিমধ্যে দেখা গেছে এবং সেটি হচ্ছে এবার বড় টোটালই ম্যাচ জেতার জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। এবার বড় ইনিংস টোটালের পাশাপাশি ভালো ও বিচক্ষণ বোলারও হাতে থাকতে হবে। আইপিএলের অন্যতম ফেবারিট টিম চেন্নাই সুপারকিংস দিল্লির বিপক্ষে ১৮০ প্লাস রান করেও কিন্তু ম্যাচ জিততে পারেনি।তাই এবারের আসরে শুধু বেশি রান করলেই চলছে না এরসাথে কৌশলী বোলার আর বিচক্ষণ গেমপ্ল্যানও লাগবে।তারকা বোলার দলে থাকলেই ম্যাচ জয় নিশ্চিত একথাও সম্ভবত এবার বলা যাবেনা। চেন্নাই এবং মুম্বাইয়ের হার এক্ষেত্রে বড় উদাহরণ।

গেমচেঞ্জার ব্যাটসম্যানরা গুরুত্বপূর্ণ

আইপিএলের বিগত আসরগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে যে এখানে গেমচেঞ্জার ব্যাটসম্যানরা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ।এবারও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না।প্রথম ম্যাচে বেঙ্গালুরুর প্রায় নিশ্চিত হারকে একাই রুখে দেন এবি ডিভিলিয়ার্স তাঁর দৃঢ়চেতা ব্যাটিং দিয়ে।আর ডিভিলিয়ার্স না দাঁড়ালে হয়তো বেঙ্গালুরু ম্যাচ থেকে ছিটকে যেত। এছাড়াও  প্রথম ম্যাচে মুম্বাইয়ের ব্যাটসম্যানদের নিয়ে বেঙ্গালুরুর ক্যাপ্টেন কোহলির গেমপ্ল্যান যথার্থ ছিল একথাও স্বীকার করতে হচ্ছে। কারণ এই ম্যাচে রোহিতকে শুরুতে রান আউট করার ফলে মুম্বাইকে মাঝারি রানে থামানো সম্ভব হয়েছিল। তবু শেষপর্যন্ত বেঙ্গালুরুর জয়ের ক্ষেএে এবি ডিভিলিয়ার্সের অপূর্ব ইনিংসের কথা বলতেই হচ্ছে। প্রতিপক্ষ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে তারকা বোলারের (বোল্ট,বুমেরাং, পোলার্ড)ছড়াছড়ি তবু এবি নিজস্ব দক্ষতায় প্রায় একাই কিন্তু বেঙ্গালুরুকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।এবির ম্যাচজয়ী ইনিংসটি দেখে তাই মনে হচ্ছে এবার এবি ডিভিলিয়ার্স,পন্ত, সাকিব, পোলার্ড,রায়নার মত গেমচেঞ্জারদের ভূমিকা সব দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

ব্রেকথ্রু বোলাররা গুরুত্বপূর্ণ

আইপিএলের প্রতিটি আসরেই বোলিংয়ের ক্ষেএে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল টিমগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।কখনো স্পিনাররা কখনোবা আবার গতিতারকারা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেন।তেমনি এবারের আইপিএলে ব্রেকথ্রু বোলাররা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন। এক্ষেত্রে ম্যাচের গতি নির্ধারণে বুমরা,জেমিসন,রাবাদা,চাহাল, সাকিব,জাদেজার মত বোলার বেশি সাফল্য পেতে পারেন । কারণ দলগুলোর  ব্যাটিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দ্রুত টপঅর্ডারের উইকেট ফেলে দিয়ে ব্রেকথ্রু বোলাররা ম্যাচকে পুরোপুরি বদলে দিচ্ছেন। বেঙ্গালুরুর প্রথম ম্যাচ বা মুম্বাইয়ের প্রথম ম্যাচের উদাহরণ এক্ষেত্রে দেয়া যায়।

গতি নয় কৌশলী বোলিং গুরুত্বপূর্ণ

এই আইপিএলে সাফল্য পেতে চাইলে পেসারদের শুধু গতি দিয়ে কাজ নাও হতে পারে বরং গতির পাশাপাশি বুদ্ধিমওা ও কৌশলী বোলিং গুরুত্বপূর্ণ হবে।অবশ্য আইপিএলে সবসময়ই কৌশলী বোলিং সফলতা পেয়েছে।গত আসরে বুমরা ও বোল্টের কথা এক্ষেত্রে বলা যায়।এই আসরে কাইল জেমিসন,মোঃ:সিরাজদের বোলিং দেখেও তা-ই মনে হচ্ছে। এবারের আইপিএলে প্রথম ম্যাচে দুদলের বোলাররাই কৌশলী বোলিংকে গুরুত্ব দিয়েছেন যদিও  দিনটি ডিভিলিয়ার্স শেষপর্যন্ত তাঁর মাষ্টারটেকনিক দিয়ে নিজের করে নিয়েছেন ।

গেমপ্ল্যানের গুরুত্ব স্বীকার করতেই হবে


আইপিএলের মত হাইভোল্টেজ ক্রিকেটে গেমপ্ল্যান সবসময় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।ভালো গেমপ্ল্যান ছাড়া আইপিএলে ম্যাচজয় ম্যাচে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব। চেন্নাই সুপারকিংস আইপিএলের সফল দলগুলোর মধ্যে অন্যতম।আর চেন্নাইয়ের সাফল্যের পেছনে অধিনায়ক ধোনির অসাধারণ গেমপ্ল্যানের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।প্রথম ম্যাচে কোহলির গেমপ্ল্যান ভালো ছিল এবং সে শুরুতেই মুম্বাইয়ের টপঅর্ডারকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া দ্বিতীয় ম্যাচে দিল্লির অধিনায়ক রিসভ পন্তের গেমপ্ল্যানও যথার্থ ছিল।

তারুণ্যনির্ভর টিমগুলোর সম্ভাবনা বেশি

যদিও একসময় চেন্নাইয়ের মত টিম বুড়োদের নিয়ে আইপিএলে সফলতা পেয়েছে তবু গত দুই আইপিএলে কিন্তু তাঁরা খুব বেশি সাফল্য পায়নি ।বরং গত দুই আইপিএলে তারুণ্যনির্ভর মুম্বাই,দিল্লি,পাঞ্জাব বেশি সাফল্য পেয়েছে।এবারও আইপিএল মনে হচ্ছে সেই পথে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দিল্লি,মুম্বাই , বেঙ্গালুরুর তরুণরা এবার ভালো খেলছেন। বেঙ্গালুরুর প্রথম ম্যাচে  জেমিসন , মোঃ সিরাজের মত তরুণ ক্রিকেটাররা  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দিল্লির প্রথম ম্যাচেও তেমনটাই দেখা গেছে। চেন্নাইয়ের প্রথম ম্যাচে কিন্তু রায়না ছাড়া আর কোন সিনিয়র ব্যাটসম্যানকে সেভাবে পাওয়া যায়নি। আর এসব কিছু বিবেচনায় বলা যায় এবারও তারুণ্যনির্ভর টিমগুলোকে এগিয়ে রাখতে হবে।

শুধু তারকাবহুল টপঅর্ডার যথেষ্ট নয়

তারকাবহুল টপঅর্ডার সবাই চায় কিন্তু এবারের আইপিএলে এই টোটকা কাজ নাও দিতে পারে। মুম্বাইয়ের প্রথম ম্যাচে রোহিত শর্মা শুরুতে রানআউট হবার পর লিন ছাড়া আর কোন তারকা ব্যাটসম্যানই সেভাবে দাড়াতে পারেননি। এমনকি বেঙ্গালুরুর ইনিংসেও তাদের তারকা ব্যাটসম্যানরা প্রায় ব্যর্থ হন(ব্যতিক্রম ডিভিলিয়ার্স)। চেন্নাই সুপারকিংসের প্রথম ম্যাচে রায়না প্রায় একাই দলকে সম্মানজনক টোটাল এনে দেন এবং তাদের আর কোন তারকা ব্যাটসম্যানকে সেভাবে খোঁজে পাওয়া যায়নি। ঠান্ডামাথার ও কৌশলী ব্যাটসম্যানরা এবার আইপিএলে বেশি সাফল্য পাবেন বলে মনে হচ্ছে অন্তত দিল্লির প্রথম ম্যাচে ধাওয়ানের দারুণব্যাটিং তেমন কিছুরই ইঙ্গিত দেয়।

লিখেছেনঃপ্রভাকর চৌধুরী

যেখানে বাবর আজম এখন এশিয়ায় শীর্ষে

                                                       

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বর্তমানে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে বাবর আজমের নামটিও উচ্চারিত হয়। ধারাবাহিকতা,স্বতন্ত্র ব্যাটিং টেকনিক ইত্যাদি মিলিয়ে বাবর ক্রিকেট বিশ্বের এক আলোচিত নাম।সম্প্রতি পাকিস্তানের এই তরুণ ব্যাটসম্যান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম সময়ে(১৬৫ ইনিংস) ৬ হাজার রানের ক্লাবে এশিয়ার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষস্থান লাভ করেছেন বাবর।এর পূর্বে এ তালিকায় এশিয়ার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষস্থানে ছিলেন ভারতের ব্যাটিং লিজেন্ড বিরাট কোহলি(১৮৪ ইনিংস)। উল্লেখ্য স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম (১৬২ইনিংস) ৬ হাজার রানকারীদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন উইন্ডিজ গ্ৰেট ক্রিস গেইল।


বাবর আজমের ক্যারিয়ার তথ্য

বাবর আজম এই সময়ের ক্রিকেটে এক আলোচিত ব্যাটসম্যান। অসাধারণ ধারাবাহিকতা ও রেকর্ডের জন্য এই ব্যাটসম্যান বিশিষ্ট।বাবর আজম ইতিমধ্যে ৩১টি টেস্ট খেলেছেন যেখানে ২১৬৭ রানের পাশাপাশি ৫টি শতক রয়েছে। ওয়ানডে ক্রিকেটে বাবর আজম ইতিমধ্যে ৮০ টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে ৩৮০৮ রান এবং ১৩টি শতক রয়েছে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এই পাক ব্যাটসম্যান ৪৮ ম্যাচ খেলেছেন যেখানে ১৭৪৪ রানের পাশাপাশি ১৬টি ফিফটি রয়েছে।

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে (স্বীকৃত) দ্রুততম ৬ হাজার রানকারী দশ ব্যাটসম্যান


স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম (সবচেয়ে কম ইনিংস) ৬ হাজারের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন উইন্ডিজ গ্ৰেট ক্রিস গেইল। গেইল স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ১৬২ ইনিংস থেকে ৬ হাজার রান সংগ্রহ করেন। গেইলের পর এ তালিকায় দ্বিতীয় শীর্ষস্থান লাভ করলেন বাবর আজম।বাবর ১৬৫ ইনিংস থেকে ৬ হাজার রান সংগ্রহ করেন।বাবরের পর স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম ৬ হাজার রানের মালিক শন মার্শ (১৮০ ইনিংস)। মার্শের পর স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম ৬ হাজার রানের মালিক বিরাট কোহলি (১৮৪ইনিংস)। বিরাট কোহলির পর স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে দ্রুততম ৬ হাজার রান কারী ব্যাটসম্যান অ্যারন ফিঞ্চ (১৯০ ইনিংস)। এছাড়া ডিকক ( ১৯৪ ইনিংস),ডেভিড ওয়ার্নার (২০০ ইনিংস), মার্টিন গাপটিল (২০১ইনিংস),ব্রাড হজ (২০৬ ইনিংস),ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (২০৭ ইনিংস) খেলে স্বীকত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ৬ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।


আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে শীর্ষ রান

বর্তমানে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে শীর্ষ রানের মালিক ভারতের বিরাট কোহলি (৩১৫৯ রান)। এছাড়া মার্টিন গাপটিলের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের রান সংখ্যা ( ২৯৩৯)। রোহিত শর্মা আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে তৃতীয় শীর্ষ রানকারী ব্যাটসম্যান (২৮৬৪রান)।অ্যারন ফিঞ্চ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের চতুর্থ শীর্ষ রানকারী ব্যাটসম্যান (২৩৪৬ রান)। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে শীর্ষ রানকারী ব্যাটসম্যানদের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন মোঃ হাফিজ (২৩৩৬ রান)।

সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                      

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারে কিছু নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এখানে তেমনি কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য তুলে ধরা হলো।


নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে নিয়োগ

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ : ব্যক্তিগত সহকারী, অফিস সহকারী প্রভৃতি পদ।
পদসংখ্যা : ৪১

যোগ্যতা : পদভেদে উচ্চমাধ্যমিক থেকে স্মাতক ডিগ্রি। এছাড়া স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

বেতন : ২২,৪৯০ টাকা থেকে ২৪,৬৮০ টাকা।
আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (http://bfsa.teletalk.com.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ : ১১/০৫/২০২১

সূত্র : প্রথম আলো

বেপজায় নিয়োগ

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) য় বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : উপ-সহকারী প্রকৌশলী,স্টোরকিপার, সার্ভেয়ার প্রভৃতি পদ।

পদসংখ্যা : ৩০

যোগ্যতা : পদভেদে অষ্টম শ্রেণী পাস থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্ৰি।

বেতন : পদভেদে সর্বনিম্ন ২০,০১০ টাকা থেকে ৩৮,৬৪০ টাকা।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (http://bepza.teletalk.com.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ : ২০/০৫/২০২১
সূত্র: ঢাকাপোষ্ট

সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে নিয়োগ

সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ : প্রভাষক, সহকারী শিক্ষক,নার্স(মহিলা),ড্রাইভার প্রভৃতি পদ।

পদসংখ্যা : ৯

যোগ্যতা : পদভেদে এসএসসি থেকে স্মতকোওর ডিগ্ৰি।

বেতন : পদভেদে  ২১,৩১০ টাকা থেকে ৫৩,০৬০ টাকা।
বয়স: পদভেদে ৩০/৩৫/৪০ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া : ডাক

আবেদনের শেষ তারিখ : ২৯/০৪/২০২১
সূত্র: নিউজবাংলা ২৪


ব্র্যাক ব্যাংকে নিয়োগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট ব্যাংক' ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে' সিনিয়র ম্যানেজার ( ভেলিভারি ম্যানেজমেন্ট) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : সিনিয়র ম্যানেজার ( ভেলিভারি ম্যানেজমেন্ট)
পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে বিএসসি (সম্মান) ডিগ্ৰি।

অভিজ্ঞতা :৮-১২ বছর

চাকরির ধরণ:পূর্ণকালীন

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (www.bdjobs.com)
আবেদনের শেষ তারিখ : ১৫/০৪/২০২১

সূত্র :বিডিজবস ডটকম

ব্র্যাক এনজিওতে নিয়োগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় এনজিও ব্র্যাকে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ: ১.ম্যানেজার, জেন্ডার জাষ্টিস এন্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্ৰাম ২.স্ট্র্যাটেজিক এসিস্ট্যান্ট (অপারেশন) ৩.ম্যানেজার (ইন্টারনাল অডিট)৪.ম্যানেজার ,স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ (পিআরএল)
পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা : পদভেদে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্মাতক/স্মাতকোওর/এমবিএ ডিগ্ৰি।

অভিজ্ঞতা: পদভেদে ৩-৫বছর

কর্মক্ষেত্র: ঢাকা

চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন

আবেদন প্রক্রিয়া:অনলাইন (www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ: ১নং পদ ১২ এপ্রিল,২নং পদ ১৫ এপ্রিল,৩নং পদ ১৪ এপ্রিল,৪নং পদ ১৮ এপ্রিল।

সূত্র: বিডিজবস ডটকম

অধিনায়ক কোহলির আইপিএল ব্যর্থতা ও অন্যান্য

                                                                



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে  কঠিন কাজগুলোর একটি অবশ্যই অধিনায়কত্ব। আর এমন দর্শকপ্রিয় ক্রিকেটযজ্ঞে এসব বিষয় খুবই স্বাভাবিক।তবে আইপিএলের শতচাপ আর উওেজনাকে অতিক্রম করে বেশকজন অধিনায়ক সফলও হয়েছেন। অধিনায়ক ধোনি, অধিনায়ক শচীন টেন্ডুলকার, অধিনায়়ক রোহিত শর্মা, অধিনায়ক শেন ওয়ার্নেের মত বেশকজন সফল অধিনায়ক পেয়েছে আইপিএল। আবার আইপিিএলে বহু তারকা অধিনায়কের কম সফলতার গল্পও রয়়েছে। আইপিএলে তুলনামূলক বিচারে অধিনায়ক বিরাট কোহলিও এক ব্যর্থ অধিনায়কের নাম। আসুন দেখে নেই আইপিএলের শীর্ষ অধিনায়কদের রেকর্ড এবং সেই সাথে দেখে নিন এবারের আইপিএলের বিভিন্ন টিমের কোচদের নাম।


 আইপিএলের শীর্ষ অধিনায়কদের রেকর্ড


আইপিএলে বহু ক্রিকেটার অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। এখানে অধিনায়ক হিসেবে সর্বনিম্ন ১ ম্যাচ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৭৭ ম্যাচে দায়িত্ব পালনের রেকর্ড রয়েছে। আসুন দেখে নেই আইপিএলের শীর্ষ অধিনায়কদের রেকর্ড (সর্বনিম্ন ৫০ ম্যাচে নেতৃত্বের হিসেবে)।

অধিনায়ক এম এস ধোনি 

আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে নেতৃত্বের রেকর্ড রয়েছে অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির ঝুঁলিতে। এবারো চেন্নাই সুপার কিংসের দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এই ক্রিকেট লিজেন্ড। ধোনি আইপিএলে মোট ১৭৭টি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন যেখানে ১০৫টি জয় ও ৭৭টি পরাজয় রয়েছে( সাফল্যের হার ৫৯.৬৫%)


অধিনায়ক শচীন টেন্ডুলকার

সাফল্যের হার বিবেচনায় শচীন টেন্ডুলকার আইপিএলের সেরা অধিনায়ক হিসেবে অন্যতম। শচীন আইপিএলে মোট ৫১টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন যেখানে ৩০ম্যাচে জয় ও ২১ ম্যাচে হার রয়েছে (সাফল্যের হার ৫৮.৮২%)।

অধিনায়ক রোহিত শর্মা

রোহিত শর্মা আইপিএলে অধিনায়ক হিসেবে বেশ সফল।এই ব্যাটিং লিজেন্ড আইপিএলে মোট ১০৬টি নেতৃত্ব দিয়েছেন যাতে ৬১ জয় ও ৪৩ ম্যাচে হারের রেকর্ড রয়েছে (সাফল্যের হার ৫৮.৪৯%)।

অধিনায়ক শেন ওয়ার্ন

অসি গ্ৰেট শেন ওয়ার্ন আইপিএলে অধিনায়ক হিসেবে বহুদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।শেন ওয়ার্ন আইপিএলে মোট ৫৫ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন যেখানে ৩০ জয় ও ২৪ পরাজয় রয়েছে ( সাফল্যের হার ৫৫.৪৫%)।

অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর

সাবেক ভারতীয় ওপেনার গৌতম গম্ভীর আইপিএলে বিপুলসংখ্যক ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন।এই ভারতীয় লিজেন্ড আইপিএলে ১২৯ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৭১ টিতে জয় ও ৫৭ টিতে পরাজিত হয়েছেন (সাফল্যের হার ৫৫.৪২%)।

 অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার

ডেভিড ওয়ার্নার আইপিএলে বহুসংখ্যক ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন। তাঁর সফলতার হারও বেশ সন্তোষজনক। ওয়ার্নার আইপিএলে ইতিমধ্যে ৬৩ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যাতে ৩৪ ম্যাচে জয় ও ২৮টিতে পরাজয়ের রেকর্ড রয়েছে (সাফল্যের হার ৫৪.৭৬%)।

অধিনায়ক শেবাগ

ভারতের সাবেক মারকুটে ওপেনার বীরেন্দর শেবাগ আইপিএলে ৫৩টি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন যেখানে তাঁর টিম ২৮টি ম্যাচে জয়ী ও ২৪ টিতে পরাজিত হয়েছে ( সাফল্যের হার ৫৩.৭৭%)।

অধিনায়ক গিলক্রিস্ট

অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক উইকেট-রক্ষক ব্যাটসম্যান এডাম গিলক্রিস্ট আইপিএলে বিপুল সংখ্যক ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন। গিলক্রিস্ট আইপিএলে মোট ৭৪ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন যেখানে ৩৫টি জয় ও ৩৯টি পরাজয় রয়েছে (সাফল্যের হার ৪৭.২৯%)।

অধিনায়ক বিরাট কোহলি

আইপিএলে অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলির সাফল্য তুলনামূলক বিচারে খুব বেশি উৎসাহব্যঞ্জক নয়।এই ব্যাটিং লিজেন্ড আইপিএলে শতাধিক ম্যাচে(১১২) অধিনায়কত্ব করেছেন যেখানে ৫০টিতে জয় ও ৫৬টিতে পরাজয়ের রেকর্ড রয়েছে (সাফল্যের হার ৪৭.২২%)। 

১৪তম আইপিএলে কে কোন টিমের কোচ দেখে নিন

চেন্নাই সুপার কিংস

হেডকোচ - স্টিফেন ফ্লেমিং
ব্যাটিং কোচ - মাইকেল হাসি
বোলিং কোচ- লক্ষ্মীপতি বালাজি
ফিল্ডিংকোচ - রাজিব কুমার

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

হেডকোচ - মাহেলা জয়াবর্ধনে
ব্যাটিংকোচ - রবিন সিং
বোলিং কোচ- শেন বন্ড
ফিল্ডিংকোচ - জেমস পামেন্ট

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

হেডকোচ - সাইমন ক্যাটিচ
ব্যাটিং কোচ - এস শ্রীরাম
বোলিং কোচ- এডাম গ্ৰিফিথ
ফিল্ডিং কোচ - শংকর বসু

দিল্লি ক্যাপিটালস

হেডকোচ - রিকি পন্টিং
ব্যাটিং কোচ - মোহাম্মদ কাইফ
বোলিং কোচ- স্যামুয়েল বাডরি,রায়ান হ্যারিস
ফিল্ডিংকোচ - রজনীকান্ত শিবাগনানম

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

হেডকোচ - ট্রেভর ব্যালিচ
ব্যাটিং কোচ - ব্রাড হার্ডিন
বোলিং কোচ- মুওিয়া মুরালিধরন
ফিল্ডিংকোচ - বিজু জর্জ

কেকেআর

হেডকোচ - ব্রেন্ডন ম্যাককালাম
ব্যাটিং কোচ- অভিষেক নাহার
বোলিং কোচ-কার্ল ক্রো, কাইল মিলস
ফিল্ডিংকোচ - জেমস ফষ্টার


পাঞ্জাব কিংস

হেডকোচ - অনিল কুম্বলে
ব্যাটিং কোচ - ওয়াসিম জাফর
বোলিং কোচ- ডেমিয়েন রাইট
ফিল্ডিং কোচ - জন্টি রোডস

রাজস্থান রয়্যালস

হেডকোচ - কুমার সাঙ্গাকারা
ব্যাটিং কোচ- অমল মজুমদার
বোলিং কোচ- সাইরাজ বহুটুলে,রব কেসেল
ফিল্ডিংকোচ- ডিসান্ত ইয়াগনিক

আইপিএলে সর্বাধিক ছক্কা ও অন্যান্য

                                                     

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আইপিএল মানে ধুমধাড়াক্কা ক্রিকেটের বড় এক মহোৎসব।আর বিশ্বের সব তারকা ক্রিকেটারকে এরকম খুব কম  প্লাটফর্মেই একসাথে দেখার সুযোগ হয়। সেই সাথে উওেজনার কথা এলেও এরকম ক্রিকেট লড়াই খুব কম টুর্নামেন্টেই দেখা যায়। এছাড়া আরও এক সত্য হচ্ছে বিশ্বের আর কোন ক্রিকেটলিগে আইপিএলের মত এতো বেশি চার ছয়ের মার দেখা যায় না।আর এসবকিছু বিবেচনায় দর্শক ও ক্রিকেটভক্তদের মধ্যে আইপিএল নিয়ে আগ্ৰহের শেষ নেই। আসুন দেখে নেই আইপিএলের ইতিহাসে কোন ব্যাটসম্যান সবচেয়ে বেশি ছয় মেরেছেন এবং সেই সাথে এবারের আইপিএলে কোন টিমের নেতৃত্বে কে রয়েছেন তাও এখানে দেখে নিতে পারেন।


গেইল সর্বাধিক ছয় মেরেছেন

উইন্ডিজ লিজেন্ড ক্রিস গেইল আইপিএলে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মেরেছেন।এই উইন্ডিজ হাডহিটার আইপিএলের ইতিহাসে ৩৪৯টি ছয়ের মার মেরেছেন। আইপিএলে এই ব্যাটসম্যান চার হাজারের বেশি রানের সাথে  ৬টি শতক ও ৩১টি ফিফটিও করেছেন।

ডিভিলিয়ার্সের  ছক্কার পরিসংখ্যান

আইপিএলের জনপ্রিয়তার পেছনে এর বিপুল চার-ছক্কার কীর্তি  বড় এক কারণ। আইপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কা মেরেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্স (২৩৫টি)। এছাড়া এই টিটুয়েন্টি লিজেন্ড আইপিএলে চার সহস্রাধিক রান করেছেন। আইপিএলে ডিভিলিয়ার্সের তিনটি শতক ও ৩৮টি ফিফটিও রয়েছে।

ধোনির আইপিএল ছক্কার রেকর্ড

আইপিএলেও নিজের ব্যাটকে বেশ ভালোভাবে ব্যবহার করেছেন ভারতীয় ব্যাটিং লিজেন্ড এম এস ধোনি । আইপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ছয়(২১৬টি) এসেছে এই ভারতীয় ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকে। এছাড়া ধোনি আইপিএলে চার সহস্রাধিক রানের পাশাপাশি ২৩টি ফিফটিও করেছেন।

রোহিত শর্মার আইপিএল ছক্কা

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও নিজের আগ্ৰাসী ব্যাটিংয়ের নজির রেখে চলেছেন রোহিত শর্মা। আইপিএলে এখনো চতুর্থ সর্বোচ্চ ছয়ের(২১৩টি) মালিক এই ভারতীয় হাডহিটার। এছাড়া রোহিত শর্মা আইপিএলে পাঁচ সহস্রাধিক রানের পাশাপাশি ১টি শতক ও ৩৯টি ফিফটি করেছেন।

বিরাট কোহলি পঞ্চম সর্বোচ্চ ছয়ের রূপকার

আইপিএলের ইতিহাসে সর্বাধিক রানের মালিক (২০২০ আইপিএল পর্যন্ত) বিরাট কোহলি(৫৮৭৮রান)। এছাড়া এই ব্যাটিং লিজেন্ড আইপিএলে সবচেয়ে বেশি রানের সাথে পঞ্চম সর্বোচ্চ ছয়েরও(২০১টি) রূপকার।  কোহলি আইপিএলে ৫টি শতক ও ৩৯টি ফিফটিও
 করেছেন।

পোলার্ডের আইপিএল ছক্কা

উইন্ডিজ অলরাউন্ডার কিয়েরন পোলার্ড আইপিএলে বরাবরই সফল এক নাম।এই উইন্ডিজ হাডহিটার আইপিএলের ইতিহাসে সর্বাধিক ছয়ের পরিসংখ্যানে ৬ নম্বর(১৯৮টি) অবস্থানে রয়েছেন। এছাড়া পোলার্ড ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে তিন হাজারের বেশি রান করেছেন। আইপিএলে পোলার্ডের ১৫টি ফিফটিও রয়েছে।

ডেভিড ওয়ার্নারের আইপিএল ছয়

ডেভিড ওয়ার্নার আইপিএলে সর্বাধিক ছয়ের পরিসংখ্যানে সপ্তম স্থানে (১৯৫টি) রয়েছেন।এই অসি গ্ৰেট আইপিএলে পাঁচ সহস্রাধিক রান করেছেন যেখানে ৪টি শতক ও ৪৮টি ফিফটি রয়েছে।

সুরেশ রায়নার আইপিএল ছক্কা

সুরেশ রায়না আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যানদের একজন ।যদিও এই ভারতীয় লিজেন্ড গত আইপিএলে অংশ নেননি । আইপিএলে সর্বাধিক ছক্কার পরিসংখ্যানে সুরেশ রায়নার অবস্থান অষ্টম(১৯৪টি)। এছাড়া রায়না আইপিএলে পাঁচ সহস্রাধিক রান করেছেন যাতে ১টি শতক ও ৩৮টি অর্ধশতকও রয়েছে।

শেন ওয়াটসনের আইপিএল ছক্কার পরিসংখ্যান

আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যানদের একজন শেন ওয়াটসন।ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে দারুণ সব ইনিংস রয়েছে ওয়াটসনের নামের পাশে।এই অসি গ্ৰেট আইপিএলে নবম সর্বোচ্চ ছয়েরও (১৯০টি)রূপকার। ওয়াটসন আইপিএলে তিন হাজারের বেশি রান করেছেন যেখানে ৪টি শতক ও ২১টি অর্ধশতক রয়েছে।

রবিন উথাপ্পার আইপিএল ছয়

রবিন উথাপ্পা আইপিএলের ইতিহাসে সফল ব্যাটসম্যানদের অন্যতম। রবিন উথাপ্পা আইপিএলে সর্বাধিক ছক্কার রেকর্ডে দশম স্থানে(১৬৩টি) রয়েছেন। রবিন উথাপ্পা এর পাশাপাশি আইপিএলে চার সহস্রাধিক রানও করেছেন যেখানে ২৪টি ফিফটিও রয়েছে।


২০২১ আইপিএলে  কে কোন টিমের ক্যাপ্টেন দেখে নিন

আর মাএ ১দিন পর (৯এপ্রিল)আইপিএলের এবারের আসর শুরু হবে। ইতিমধ্যে সবগুলো ফ্রাঞ্চাইজি তাদের প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। এবার মাঠের লড়াইয়ের অপেক্ষা। আসুন দেখে নিই এবারের আইপিএলে কোন টিমের নেতৃত্বে কে রয়েছেন।

চেন্নাই সুপার কিংস - অধিনায়ক - এম এস ধোনি

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স       - অধিনায়ক - রোহিত শর্মা

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু - অধিনায়ক - বিরাট কোহলি

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ - অধিনায়ক - ডেভিড ওয়ার্নার

রাজস্থান রয়্যালস - অধিনায়ক - সঞ্জু স্যামসন

পাঞ্জাব কিংস - অধিনায়ক - কে এল রাউল

দিল্লি ক্যাপিটালস - অধিনায়ক - ঋষভ পন্ত

কেকেআর - অধিনায়ক - এউইন মরগান

ওডিআই ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরির যত রেকর্ড

                                                                  


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ একসময় ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরিসেঞ্চুরি পাওয়াই ছিল কঠিন এক কাজ। শুধু টেষ্ট ক্রিকেটেই কালেভদ্রে ডাবলসেঞ্চুরির দেখা মিলতো।তবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রসারের পর ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি ও বড় বড় ব্যক্তিগত ইনিংসের সংখ্যা বেড়ে যায়।আর এক্ষেত্রে বড় এক কারণ হিসেবে বলা যায় টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের বদৌলতে ক্রিকেটব্যাটিংয়ে যেনতেন ভাবে রান করাকে একটি মডেলে রূপান্তর করার ইতিহাস। যদিও এসব প্রবণতার জন্য ক্রিকেটব্যাটিংয়ের মানে প্রভাব পড়েছে বলে বহু বিশ্লেষক মত দেন।তবে যাহোক ওডিআই ক্রিকেটে বিগত এক-দেড় দশকে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড কিন্তু একেবারে কম না(৮টি)। এবং এসব ডাবল সেঞ্চুরি সাম্প্রতিককালের ওডিআইক্রিকেটের এক বিস্ময়কর গল্প।এ লেখায় ওডিআই ক্রিকেটে দুশো ছাড়ানো ইনিংসগুলোর কথা তুলে ধরছি।

শচীনের অপরাজিত ২০০ (২০১০)

ওডিআই ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরির প্রথম কীর্তি গড়েন ক্রিকেটের লিটলমাষ্টার শচীন টেন্ডুলকার।২০১০সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শচীন ওডিআই ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরির নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেন।১৪৭ বল খেলে শচীন ২০০ রানের অপরাজিত  ইনিংস উপহার দেন শচীন।ওডিআই ক্রিকেটে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির পথে শচীন ২৫ টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান।

শেবাগের ২১৯ (২০১১)

ভারতের সাবেক তারকা ওপেনার বীরেন্দর শেবাগের আগ্ৰাসী ব্যাটিংয়ের গল্প ক্রিকেটের এক অন্যরকম ইতিহাস।আর শেবাগের আগ্ৰাসী ব্যাটিংয়ের উল্লেখযোগ্য এক স্মারক হয়ে আছে ২০১১সালে ওয়েস্টইন্ডিজের বিপক্ষে এক ওডিআই ম্যাচে ২১৯ রানের ইনিংসটি।সেটি ছিল ওডিআই ক্রিকেটে দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড। সেই ম্যাচে শেবাগ ১৪৯ বল খেলে ২১৯ রান করেন যেখানে ২৫টি চার ও ৭টি ছক্কার মার ছিল।


রোহিত শর্মার ২০৯ (২০১৩)

রোহিত শর্মা ওডিআই ক্রিকেটে সর্বাধিক ডাবল সেঞ্চুরির রূপকার।এই ভারতীয় তারকা ব্যাটসম্যান তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম ওডিআই ডাবল সেঞ্চুরি করেন ২০১৩ সালে অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচে। রোহিত সেই ম্যাচে ১৫৮ বল খেলে ২০৯ রান সংগ্রহ করেন যাতে ১২টি চার ও ১৬ ছয়ের মার ছিল।


রোহিত শর্মার ২৬৪ (২০১৪)

২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ওডিআই ম্যাচে রোহিত তাঁর ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওডিআই ডাবল সেঞ্চুরি করেন। সেই ম্যাচে এই মারকুটে ব্যাটসম্যান ১৭৩ বল খেলে ২৬৪ রানের অবিশ্বাস্য এক ইনিংস উপহার দেন। রোহিতের সেই ইনিংসে ৩৩টি চার ও ৯টি ছক্কার মার ছিল।


গেইলের ২১৫ (২০১৫)

উইন্ডিজ লিজেন্ড ক্রিস গেইল ওডিআই ক্রিকেটে একটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। গেইল ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক ওডিআই ম্যাচে ১৪৭ বলে ২১৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন । সেই ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরির পথে গেইল ১০টি চার ও ১৬টি ছয় মারেন।


গাপটিলের অপরাজিত ২৩৭ (২০১৫)

ওডিআই ক্রিকেটে মার্টিন গাপটিল এক ব্রান্ড হিসেবে পরিচিত।ক্যারিয়ারে দুর্দান্তসব ইনিংস খেলার জন্য বিখ্যাত এই কিউই ব্যাটসম্যান।ওডিআই ক্রিকেটে গাপটিল ২০১৫ সালে অসাধারণ এক ডাবল সেঞ্চুরি করেন।ওয়েষ্টইন্ডিজের বিপক্ষে গাপটিল ১৬৩ বলে ২৩৭ রানের অপরাজিত এক ইনিংস উপহার দেন। সেই ম্যাচে গাপটিল ২৪টি চার ও ১১টি ছক্কা হাঁকান।

রোহিত শর্মার অপরাজিত ২০৮ (২০১৭)

 ওডিআই ক্রিকেটে  সবচেয়ে বেশি ডাবল সেঞ্চুরির রূপকার রোহিত শর্মা ক্যারিয়ারের তৃতীয় ওডিআই ডাবল সম্পন্ন করেন ২০১৭ সালে।২০১৭ সালে  শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ওডিআই ম্যাচে রোহিত ১৫৩ বল খেলে ২০৮ রানের এক টর্নেডো ইনিংস উপহার দেন। সেই ম্যাচে এই ভারতীয় লিজেন্ড ১৩টি চার ও ১২ টি ছক্কা হাঁকান।

ফখর জামানের অপরাজিত ২১০ (২০১৮)

পাকিস্তানের তরুণ ব্যাটসম্যান ফখর জামান ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওডিআই ক্রিকেটে নিজের  ক্যারিয়ার ও নিজ দেশের হয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন। এটি ছিল পাকিস্তানের  কোন ব্যাটসম্যানের প্রথম ওডিআই ডাবল। সেই ম্যাচে ফখর জামান ১৫৬ বল খেলে ২১০ রান সংগ্রহ করেন যাতে ২৪টি চার ও ৫টি ছয়ের মার ছিল।

সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                       

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারের নতুন কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য এখানে তুলে ধরা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়োগ

বাংলাদেশ ব্যাংকে 'সহকারী পরিচালক (পরিসংখ্যান)' পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : সহকারী পরিচালক (পরিসংখ্যান)
পদসংখ্যা : ২৬

যোগ্যতা : যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি, পরিসংখ্যান বা ফলিত পরিসংখ্যান বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি স্মাতক (সম্মান) বা স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

বেতন :২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (http://erecruitment.bb.org.bd)
আবেদনের শেষ তারিখ : ২২/০৪/২০২১

সূত্র: প্রথম আলো

বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক,প্রভাষক পদে নিয়োগ


দেশের বেসরকারী স্কুল কলেজ মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক,প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

পদ: সহকারী শিক্ষক, প্রভাষক 
পদসংখ্যা : মোট ৫৪,৩০৪ ( ৪৮,১৯৯ টি শূন্যপদ এবং ৬১০৫টি সৃষ্টপদ)

আবেদন প্রক্রিয়া : অনলাইন (বিস্তারিত তথ্যের জন্য ভিজিট করুন www.ntrca.gov.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ : ৩০/০৪/২০২১

সূত্র : কালেরকণ্ঠ

মধুমতি ব্যাংকে নিয়োগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট ব্যাংক মধুমতি ব্যাংকে একাধিক পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ : ট্রেজারি ফ্রন্ট অফিসার, ট্রেজারি ব্যাক অফিসার,ম্যানেজার(ব্রান্ড কমিউনিকেশন এন্ড পাবলিক রিলেশন)

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে (কোন পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ ছাড়া) স্মাতক ডিগ্রি।

অভিজ্ঞতা : পদভেদে ৩-১০ বছর

কর্মক্ষেত্র : ঢাকা

বেতন : আর্কষণীয় বেতন-ভাতা।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন ( www.bdjobs.com)
আবেদনের শেষ তারিখ : ১৫/০৪/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম

ট্রাষ্ট ব্যাংকে নিয়োগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট ব্যাংক ' ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড' এ অডিটর ( অডিট ফাংশন) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ : অডিটর (অডিট ফাংশন)

পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোন বিষয়ে স্মাতক ডিগ্রি।সিএ ডিগ্ৰিধারীদের অগ্ৰাধিকার।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৫ বছর।  কম্পিউটারের এমএস ওয়ার্ড,এমএস এক্সেল,পাওয়ার পয়েন্ট সম্পর্কে ধারণা।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (https://career.tblbd.com)

আবেদনের শেষ তারিখ : ১০/০৪/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম



এডিবুল ওয়েল লিমিটেডে নিয়োগ

বাংলাদেশ এডিবুল ওয়েল লিমিটেডে 'এরিয়া সেলস ম্যানেজার' পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : এরিয়া সেলস ম্যানেজার

যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ/এমবিএ/ মাষ্টার্স ডিগ্ৰি।
অভিজ্ঞতা : কোন মাল্টিন্যাশনাল এফএমসিজি কোম্পানিতে ৫-৭ বছর কাজের অভিজ্ঞতা।

কর্মক্ষেত্র: বাংলাদেশের যেকোন স্থান করে

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (www.bdjobs.com)
আবেদনের শেষ তারিখ : ০৭/০৪/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম

কড়া নাড়ছে আইপিএল, দেখুন টিম মূল্যায়ন

                                                     

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ক্রিড়াবিশ্বের জনপ্রিয় ইভেন্টগুলোর অন্যতম ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)এর ১৪তম আসর শুরু হতে আর খুব বেশি দিন হাতে নেই। আগামী ৯এপ্রিল শুরু হবে আইপিএলের মাঠের লড়াই। ইতিমধ্যে সবগুলো ফ্রাঞ্চাইজি নিজেদের টিম গুছিয়ে নিয়েছে। এছাড়া দর্শক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে আইপিএল নিয়ে আলোচনা সমালোচনা চলছে।কোন টিম কেমন হল,কে জিতবে এবারের আইপিএল শিরোপা এসব প্রশ্ন সবার মনে কমবেশি ঘোরপাক খাচ্ছে ।এই লেখায়  বুঝতে চেষ্টা করব কেমন হলো এবারের আইপিএল টিমগুলো। এক্ষেত্রে তিনটি মাপকাঠিতে এবারের আইপিএল টিমগুলোকে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করব (টপঅর্ডারের শক্তি,দক্ষ অলরাউন্ডার , বোলিংয়ের শক্তি)।


আইপিএল শিরোপা জয়ের মূলভিত্তি

আইপিএলের ইতিহাসে চোখ দিলে বোঝা যায় এখানে শিরোপা জয় খুব সহজ কাজ নয়। এখানে শুধু তারকাবহুল দল নিয়ে সবসময় সমানভাবে সফলতা আসেনি । আবার খুব দুর্বল দলও আইপিএল শিরোপা জিতেছে এমনটিও সত্য নয়।খেয়াল করলে দেখা যায় প্রতিটি আইপিএলে ফ্রাঞ্চাইজিগুলো ভিন্ন ভিন্ন টিম,স্ট্র্যাটেজি ও গেমপ্ল্যান নিয়ে আসে।আর এক্ষেত্রে প্রতিবছর আইপিএল নিলামে ফ্রাঞ্চাইজিগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে সম্ভাব্য সেরা প্লেয়ারটিকে কিনতে চায়। এবারের নিলামেও সব ফ্রাঞ্চাইজি নিজেদের প্লেয়ারদের ইতিমধ্যে দলভুক্ত করেছে।তবু শেষপর্যন্ত বলতে হয় আইপিএলে শিরোপা জয়ের জন্য যেমন তারকা প্লেয়ার প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান, বোলার ও অলরাউন্ডার। সাধারণত দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ আইপিএলে শুধু ধুন্ধুমার ব্যাটিং দিয়ে সবসময় শিরোপা জয়ের উপায় নেই যেটি গত আইপিএলে পাঞ্জাবের খেলায় দেখা গেছে। আবার শুধু অভিজ্ঞ প্লেয়ার নিয়েও সবসময় এখানে সমান সাফল্য মেলেনি যেটি গত আইপিএলে চেন্নাইয়ের ভরাডুবি দেখে স্পষ্ট হয়েছে।


টপঅর্ডার মূল্যায়ন; কেকেআর

গত আইপিএলে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স।তাই এবার দল গড়তে কিছুটা সতর্ক ছিল কেকেআরের ম্যানেজমেন্ট। এবারের কেকেআরের টপঅর্ডারের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় দলটির টপঅর্ডারে এউইন মরগান,শুভমান গিল,দিনেশ কার্তিক,সাকিব আল হাসানের মত তারকা ব্যাটসম্যান রয়েছেন। তবে কেকেআরের ব্যাটিংয়ের মূলভার অধিনায়ক মরগান সেইসাথে অভিজ্ঞ দিনেশ কার্তিক  এবং তরুণ শুভমান গিলের হাতেই থাকবে। যদিও এরা ব্যর্থ হলে শেষপর্যন্ত কেকেআর কিভাবে বাকিটুকু সামাল দেবে সেটি খেলা মাঠে গড়ালে বোঝা যাবে।


টপঅর্ডার মূল্যায়ন; রাজস্থান রয়্যালস

রাজস্থান রয়্যালস এবার অভিজ্ঞ ও তারকা ব্যাটসম্যানদের নিয়ে টিম করেছে। এবং শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে দলটিকে নিয়ে আলোচনা হতেই পারে। রাজস্থান রয়্যালসের টপঅর্ডারের দায়িত্বে থাকবেন সঞ্জু স্যামসন , জস বাটলার ,বেন স্টোকস,ডেভিড মিলার,শিবম দুবের মত তারকা ব্যাটসম্যান। এবং রাজস্থান রয়্যালসের টপঅর্ডারকে বেশ শক্তিশালী হিসেবেই দেখতে হচ্ছে।


টপঅর্ডার মূল্যায়ন; পাঞ্জাব কিংস

বলিউড তারকা প্রীতি জিনতার মালিকানাধীন পাঞ্জাব কিংস এবারো ভালো একটি টিম করেছে।গত আইপিএলের মত এবারো পাঞ্জাব শিবিরে কেএল রাউল,ক্রিস গেইলের মত তারকা ব্যাটসম্যান রয়েছেন। এছাড়া নির্ভরযোগ্য টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে পাঞ্জাবে রয়েছেন গতি আইপিএলে দারুণ খেলা মায়াঙ্ক আগারওয়াল, নিকোলাস পুরান ও ডেভিড মালান। গেইলের অভিজ্ঞতার সাথে কেএল রাউলের দৃঢ়চেতা ব্যাটিং পাঞ্জাবকে অবশ্যই এগিয়ে রাখবে।এবং সেইসাথে যেকোন মুহুর্তে ম্যাচকে নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য বিবেচনায় দলে থাকা আগারওয়াল, পুরান ও মালানকে নিয়ে গড়া পাঞ্জাবকে অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচনা করাই যায়।


টপঅর্ডার মূল্যায়ন;রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

বেঙ্গালুরুর টপঅর্ডারে রয়েছেন সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি। এছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের আরেক কিংবদন্তি এবি ডিভিলিয়ার্সও রয়েছেন বেঙ্গালুরুর টিমে। গত আইপিএলে খুব বেশি সাফল্য পাননি তবে এবার হয়তো জ্বলে উঠবেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এবারের আইপিএলে বেঙ্গালুরুর সাফল্য ম্যাক্সওয়েলের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করবে। দলটির টপঅর্ডারে জশ ফিলিপকেও দেখা যাবে।আর এসবকিছু বিবেচনায় বেঙ্গালুরুর টপঅর্ডারকে বেশ শক্তিশালীই বলা যায়।


টপঅর্ডার মূল্যায়ন; দিল্লি ক্যাপিটালস

এবারের আইপিএলে শক্তিশালী দলগুলোর একটি দিল্লি ক্যাপিটালস।কারণ হিসেবে দলটির টপঅর্ডারে দারুণ ব্যালান্সের কথা বলা যায়। দিল্লির টপঅর্ডারে শিখর ধাওয়ান, আজিঙ্কা রাহানে,ঋষভ পন্ত ,স্টিভেন স্মিথ, মার্কাস স্টয়নিস,শিমরন হেটমায়ারের মত অভিজ্ঞ ও প্রতিভাবান টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান রয়েছেন। এবং গত আইপিএলেও এদের সবাই দারুণ ক্রিকেট উপহার দিয়েছেন।আর এসব কিছু বিবেচনায় দিল্লি ক্যাপিটালসের টপঅর্ডার নিয়ে এবার বাজি ধরাই যায়।



টপঅর্ডার মূল্যায়ন; মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

বর্তমান আইপিএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স গত আসরে দারুণ ক্রিকেট উপহার দিতে সক্ষম হয়েছিল।বলা যায় গত আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে প্রায় কোন দলই সুবিধা করতে পারেনি। এবার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের টপঅর্ডারে রয়েছেন রোহিত শর্মা,ডিকক,ক্রিস লিন, ঈশান কিষাণ,জিমি নিশাম, পোলার্ড ও হ্নাদিক পান্ডিয়ার মত তারকা ব্যাটসম্যান। এবং এদের প্রায় সবাই গত আইপিএলেও দিল্লির টিমে ছিলেন ফলে এবারো দিল্লি ক্যাপিটালসের টপঅর্ডার নিয়ে আশাবাদী হওয়ার যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে।


টপঅর্ডার মূল্যায়ন; চেন্নাই সুপারকিংস

একাধিকবারের আইপিএল শিরোপাজয়ী  চেন্নাই সুপারকিংস এবারো মোটামুটি ব্যালান্সড টিমই করেছে। চেন্নাইয়ের টপঅর্ডারে অভিজ্ঞ এমএস ধোনির সাথে রয়েছেন ডুপ্লেসিস,সুরেশ রায়না,মঈন আলী,চেতেশ্বর পূজারার মত তারকা ব্যাটসম্যান। এবং চেন্নাই এবারো যথারীতি অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের উপর আস্থা রেখেছে এখন বাকিটুকু বোঝা যাবে খেলা মাঠে গড়ালে।


টপঅর্ডার মূল্যায়ন; হায়দরাবাদ

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ টপঅর্ডারে দেখা যাবে জনি বেয়ারস্টো, ডেভিড ওয়ার্নার,কেন উইলিয়ামসন মত সময়ের সেরা ব্যাটসম্যানদের। এছাড়া বেশকিছু তরুণ ও প্রতিভাবান ব্যাটসম্যানকে হায়দরাবাদ শিবিরে দেখা যাবে।আর এসব কিছু বিবেচনায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের টপঅর্ডারকে বেশ সমীহ জাগানো হিসেবে স্বীকার করতেই হচ্ছে।


অলরাউন্ডার মূল্যায়ন; কেকেআর

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে অলরাউন্ডারদের ব্যাপক।আর আইপিএলের মত তুমুল উত্তেজনাপূর্ণ টুর্নামেন্টে অলরাউন্ডারদের ভূমিকা আরো বেশি। কেকেআরের হয়ে এবার দেখা যাবে সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান,উইন্ডিজ লিজেন্ড আন্দ্রে রাসেল ছাড়াও সুনীল নারাইন,হরভজন সিং,প্যাট কামিন্সের মত তারকা অলরাউন্ডারদের।আর এক্ষেত্রে কেকেআরকে বেশ খানিকটা এগিয়ে রাখতে হবে।

অলরাউন্ডার মূল্যায়ন; রাজস্থান রয়্যালস

রাজস্থান রয়্যালসে অলরাউন্ডার হিসেবে ইংলিশ তারকা অলরাউন্ডার বেন স্টোকসকে দেখা যাবে। এছাড়া আরেক তারকা অলরাউন্ডার ক্রিস মরিচও রয়েছেন দলটিতে।এ দুজনের সাথে রিয়ান পরাগ,শ্রেয়াশ গোপালের মত তরুণ অলরাউন্ডার ও রাজস্থান রয়্যালসে রয়েছেন।

অলরাউন্ডার মূল্যায়ন; পাঞ্জাব কিংস

অলরাউন্ডার মূল্যায়ন করতে গেলে পাঞ্জাব কিংসকে বেশ শক্তিশালী হিসেবেই দেখতে হবে।কারণ পাঞ্জাবের হয়ে ক্রিস জর্ডান,ফ্যাবিয়ান এলেন, অশ্বদীপ সিংয়ের মত প্রতিভাবান অলরাউন্ডার এবার মাঠে নামবেন। তাছাড়া ক্রিস গেইলকেও হিসেবের মধ্যে রাখতে হবে।

অলরাউন্ডার মূল্যায়ন; বেঙ্গালুরু

আইপিএলের মত ক্রিকেট যুদ্ধে সফলতার জন্য যেমন সেরা ব্যাটসম্যান, সেরা বোলার ও সেরা ফিল্ডার প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন দক্ষ অলরাউন্ডার। বেঙ্গালুরু দলে এবার তারকা অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল রয়েছেন। অবশ্য বেঙ্গালুরুর দলে আর কোন তারকা অলরাউন্ডার নেই।

অলরাউন্ডার মূল্যায়ন; দিল্লি ক্যাপিটালস

দিল্লি ক্যাপিটালসে এবার একাধিক তারকা অলরাউন্ডার খেলবেন। এক্ষেত্রে স্টয়নিস, ক্রিস ওকস,হেটযমায়ারের কথা বিশেষভাবে বলা যায়। এবং আইপিএলের ইতিহাস দেখলে এদের সফলতার হার বেশ সমৃদ্ধই বলা যায়।

অলরাউন্ডার মূল্যায়ন; মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

এবার আইপিএলে একাধিক তারকা অলরাউন্ডার নিয়ে মাঠে নামবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। মুম্বাইয়ে অলরাউন্ডার হিসেবে দেখা যাবে হ্নাদিক পান্ডিয়া,কিয়েরন পোলার্ড,জিমি নিশাম,ক্রুনাল পান্ডিয়ার মত তারকাদের।আর এক্ষেত্রে মুম্বাইকে বেশ কৌশলী টিম হিসেবে ধরা যায়।

অলরাউন্ডার মূল্যায়ন; চেন্নাই সুপারকিংস

আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল টিমগুলোর একটি চেন্নাই সুপারকিংস। চেন্নাই এবার অলরাউন্ডার মূল্যায়নে সবচেয়ে বেশি নম্বর পাবে বলেই মনে হচ্ছে।কারণ আইপিএলের অতীত ইতিহাস এবং উইকেট বিবেচনায় চেন্নাই এবার সবচেয়ে সেরা অলরাউন্ডারদের দলে ভিড়িয়েছে। চেন্নাই সুপারকিংসের হয়ে এবার অলরাউন্ডার হিসেবে খেলবেন সুরেশ রায়না,মঈন আলী, রবীন্দ্র জাদেজা,ডোয়াইন ব্রাভো,মিশেল স্যান্টনার,শ্যাম কুরানের মত বিখ্যাত তারকারা।

অলরাউন্ডার মূল্যায়ন; হায়দরাবাদ

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবার অলরাউন্ডার হিসেবে একাধিক তারকা ক্রিকেটারকে দলভুক্ত করেছে। হায়দরাবাদের হয়ে অলরাউন্ডার হিসেবে এবার মাঠে নামবেন জেসন হোল্ডার, মোহাম্মদ নবি,মিশেল মার্শ, অভিষেক শর্মার মত তারকারা।


বোলিংশক্তি; কেকেআর

কেকেআর এবার পেসবোলার হিসেবে প্যাট কামিন্স,লুকি ফার্গুসন,আন্দ্রে রাসেলের মত তারকা পেসারকে নিয়েছে। কামিন্স ও ফার্গুসনের গতির সাথে আন্দ্রে রাসেলের মিডিয়াম পেস মিলে গেলে কেকেআর এবার দারুণ কিছু করতেও পারে। এছাড়া কেকেআরে বেশকিছু তারকা স্পিনার রয়েছেন যেমন সাকিব আল হাসান, হরভজন সিং, নারাইন,বরুণ চক্রবর্তী।


বোলিং শক্তি; রাজস্থান রয়্যালস

রাজস্থান রয়্যালসের বোলিং অ্যাটাকের মূল দায়িত্বে থাকবেন ক্রিস মরিচ,বেন স্টোকস, মোস্তাফিজুর রহমান,রিয়ান পরাগ, শ্রেয়াশ গোপালের মত তারকারা। অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণ বোলাররা জ্বলে উঠলে রাজস্থানের বোলারদের পক্ষে অনেক কিছু সম্ভব।


বোলিংশক্তি; পাঞ্জাব কিংস

পাঞ্জাবে এবার বেশকজন তারকা বোলার রয়েছেন এক্ষেত্রে মোঃ সামি,ক্রিস জর্ডান, অশ্বদীপ সিং,ফ্যাবিয়ান এলেনের কথা বিশেষভাবে বলতে হয়। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এদের প্রত্যেকেই সফল বোলার হিসেবে স্বীকৃত।

বোলিংশক্তি; বেঙ্গালুরু

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু টিমে এবার বেশকিছু তারকা বোলারকে দেখা যাবে। কাইল জেমিসন, নবদ্বীপ সাইনি, মোঃ সিরাজ,এডাম জাম্পা,যুজবেন্দ্র চাহালের মত তারকা বোলাররা এবার বেঙ্গালুরুর প্রতিনিধিত্ব করবেন। এক্ষেত্রে আইপিএলের ইতিহাস ও উইকেট বিবেচনায় বেঙ্গালুরুকে বেশ এগিয়ে রাখতে হচ্ছে।

বোলিংশক্তি;দিল্লি ক্যাপিটালস

আইপিএলে ম্যাচজয় এবং শিরোপা জয়ের অন্যতম ভিওি হচ্ছে ভালো বোলিং অ্যাটাক। দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলিং অ্যাটাককে এবার বেশ ব্যালান্সড হিসেবে স্বীকার করা যায়।কারণ দিল্লির পেস অ্যাটাকে রয়েছেন রাবাদা,নর্টজে, স্টয়নিস, ইশান্ত শর্মার মত সফল ও সেরা বোলার। এছাড়া স্পিনার হিসেবে দিল্লিতে রয়েছেন রবিচন্দন অশ্বিন,অমিত মিশ্রের মত অভিজ্ঞ বোলার।এরফলে দিল্লির বোলিং অ্যাটাককে এই আইপিএলের অন্যতম সেরা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া যায়।

বোলিংশক্তি; মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

গত আইপিএলের শিরোপাজয়ী মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবারো তারকা বোলারদের নিয়ে টিম করেছে।পেস ও স্পিন দুই বিভাগেই দারুণ সব বোলারকে দলভুক্ত করেছে মুম্বাই। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে এবার যেসব তারকা বোলার মাঠে নামবেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন জাসপ্রিত বুমরা,ট্রেন্ট বোল্ট,হ্নাদিক পান্ডিয়া,কিয়েরন পোলার্ড,পিযুষ চাওলা,ক্রুনাল পান্ডিয়া।

বোলিংশক্তি; চেন্নাই সুপারকিংস

চেন্নাই সুপারকিংস এবারের আইপিএলে বোলিং অ্যাটাক বিবেচনায় বেশ শক্তিশালী টিম করেছে বলা যায়। চেন্নাইয়ের হয়ে এবার বেশকিছু তারকা বোলারকে দেখা যাবে যেমন হার্জেলউড,এনগিদি, ডোয়াইন ব্রাভো,শার্দুল ঠাকুর,দীপক চাহার, রবীন্দ্র জাদেজা, ইমরান তাহির এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য নাম।

বোলিংশক্তি; সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

এবারের আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বোলিং অ্যাটাকের মূল দায়িত্বে থাকবেন ভুবনেশ্বর কুমারের মত সফল টিটুয়েন্টি বোলার। এছাড়া হায়দরাবাদের হয়ে জেসন হোল্ডার হাত ঘোরাবেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদে রশিদ খান, মোহাম্মদ নবির মত তারকা স্পিনারকেও দেখা যাবে।

টিটুয়েন্টির শীর্ষ বোলারদের খোঁজে

                                                     

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেট তুলনামূলকভাবে টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অনেকটাই ভিন্ন ফরম্যাটের ক্রিকেট।আর অন্য ফরমেটে চেয়ে এখানে বোলারদের চাপ আরো বেশি। কারণ এখানে ব্যাটসম্যানরা স্বভাবতই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের চেষ্টা করে।আর এরফলে বোলারদের জন্য অনেক বেশি চাপ ও সূক্ষ হিসেব নিকেশ থেকে যায়। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে শক্তিশালী (বাংলাদেশ)দলও কিছু সূক্ষ হিসেবের ভুলে হেরে যেতে পারে আবার আনকোরা(আফগানিস্তান) দলও অনেকসময় এগিয়ে যায় । তবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বোলারদের হাতে অনেককিছু নির্ভরশীল।তাই টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বিচক্ষণ ও কৌশলী বোলারের জন্য সব টিমই ইনভেষ্ট করে। আসুন দেখে নিই কারা এ সময়ের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শীর্ষ বোলার।(তথ্যসূএ: ইএসপিএন ক্রিকইনফো)

টিটুয়েন্টির শীর্ষ উইকেটশিকারি


এই সময়ের ক্রিকেটে টিটুয়েন্টি এক জনপ্রিয় ভার্সন।'কমসময় ও কম ওভারে একটি ম্যাচ আয়োজন' টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির বড় এক কারণ।আর দর্শকদের জন্য এটি ধুমধাড়াক্কা ক্রিকেট উপভোগের চমৎকার এক উপলক্ষ।  টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শীর্ষ উইকেটশিকারি বোলারদের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

১.লাসিথ মালিঙ্গা - ৮৪ ম্যাচ -১০৭ উইকেট
২.টিম সাউদি - ৮৩ ম্যাচ - ৯৯উইকেট
৩.শহিদ আফ্রিদি - ৯৯ম্যাচ - ৯৮ উইকেট
৪.রশিদ খান - ৫১ ম্যাচ - ৯৫ উইকেট
৫.সাকিব আল হাসান - ৭৬ ম্যাচ - ৯২ উইকেট

সর্বাধিক পাঁচ উইকেট

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বাধিক পাঁচ উইকেট নিয়েছেন এমন শীর্ষ বোলারদের পরিসংখ্যান ।

১.শ্রীলংকার লাসিথ মালিঙ্গা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের অন্যতম সেরা বোলার হিসেবে স্বীকৃত। মালিঙ্গা টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ারে দুবার পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।
২.আফগানিস্তানের তারকা স্পিনার রশিদ খান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দুবার পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।
৩.পাকিস্তানের উমর গুল টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দুবার পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।
৪.শ্রীলংকার তারকা বোলার অজন্তা মেন্ডিস টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দুবার পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।
৫.দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা স্পিনার ইমরান তাহির টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দুবার পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।

সবচেয়ে বেশি মেডেন বুমরার

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসের সেরা বোলারদের তালিকায় ভারতের জাসপ্রিত বুমরার নামটি বেশ জোরের সাথে উচ্চারিত হয়। এক্ষেত্রে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে  বুমরার সফল ও কৌশলী বোলিং বিশেষভাবে স্মরণযোগ্য। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি মেডেন ওভারের মালিকও এই গতিতারকা।

১.জাসপ্রিত বুমেরা - ১৭৯.১ ওভার - ৭ মেডেন
২.কুলাসেকারা - ২০৫.১ ওভার - ৬ মেডেন
৩.হরভজন সিং -১০২ ওভার - ৫ মেডেন
৪.ডি জনসন - ৯৯ ওভার -৫মেডেন
৫.অজন্তা মেন্ডিস - ১৪৭.৩ ওভার -৫ মেডেন
৬.মোহাম্মদ আমির -১৭৯.৫ ওভার -৫ মেডেন
৭.মোহাম্মদ নবি -২৬৯.৪ ওভার-৫ মেডেন
৮.মোহাম্মদ নাভিদ -১১৪.৪ ওভার - ৫ মেডেন
৯.সুলতান আহমেদ - ৭২ ওভার -৫ ওভার
১০.আব্দুর রাজ্জাক - ১২১.৪ ওভার - ৪ মেডেন