WHAT'S NEW?
Loading...

মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা

                                                      

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ ২৬শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস।১৯৭১ সালের এই দিনটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয় এবং চূড়ান্ত লড়াই শুরু হয়। এই বিশেষ দিনটিতে একাওরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী  সকল শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি এবং সেইসাথে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে তুলে ধরছি।


স্বাধীনতা যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি

এখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরছি।

১.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্ৰেপ্তার করা হয় ১৯৭১সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে।

২.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে স্বাধীনতার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে যান ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে (২৫শে মার্চ রাত ১২টার পর)।

৩.১৯৭১সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সামরিক অভিযানের নাম ছিল অপারেশন সার্চ লাইট।

৩.মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সমগ্ৰ বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর ও ৬৪টি সাবসেক্টরে ভাগ করা হয়।

৪.বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট  ৬৭৬ জনকে বিভিন্ন খেতাবে ভূষিত করা হয়।

৫.বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

৬.স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয় ৩ মার্চ,১৯৭১ (পল্টন ময়দানে)।

৭.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র  স্থাপন করা হয় ২৬ মার্চ,১৯৭১ (চট্টগ্ৰামের কালুরঘাটে)।

৮.বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাজধানী ছিল মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে।

৯.মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

১০.মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।

১১.জেনারেল ওসমানী সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল তারিখে।

১২.ভারত-বাংলাদেশ যৌথবাহিনী গঠিত হয় ১৯৭১সালের ২১ নভেম্বর তারিখে।

১৩.মুক্তিবাহিনী গঠিত হয় ১৯৭১সালের ১১জুলাই।

১৪.মুক্তিবাহিনীর নিয়মিত বাহিনী ছিল মুক্তিফৌজ।

১৫.মুক্তিযুদ্ধে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হন।

১৬.১৯৮০ সালে ২৬শে মার্চকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৭.বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহীদ হন মোস্তফা কামাল ।

১৮.মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম শত্রুমুক্ত হয় যশোর জেলা।

১৯.১৯৭১সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন উ থান্ট।

২০.মুক্তিযুদ্ধের সময় অপারেশন জ্যাকপটে ৬০টি পাকিস্তানী জাহাজ ধ্বংস করা হয় ।