WHAT'S NEW?
Loading...

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ

                                                                

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম :   এটি সবারই জানা  বাংলাদেশ ক্রিকেটের ওয়ানডে ফরম্যাটে তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তিশালী।এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের উত্থানের ইতিহাসে ফিরে গেলে ওয়ানডের জয়গানই অধিক শুনা যায়।সেই আইসিসি ট্রফি এবং পরবর্তীতে বিশ্বকাপের বিভিন্ন মাইলফলক বাংলাদেশ ওয়ানডের মাধ্যমে অর্জন করেছে। এছাড়া ওয়ানডে ক্রিকেটের বদৌলতে বাংলাদেশ একজন মাশরাফি বিন মুর্তজাকে পেয়েছে। তামিম, সাকিবের উত্থান মূলত ওয়ানডে ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে। এ লেখায় বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটের বর্তমান হালচাল নিয়ে কথা হবে(তথ্যসূএ: ইএসপিএন ক্রিকইনফো)।


ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের জয়পরাজয়

আগেই বলা হয়েছে বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে একটি সমীহ জাগানো শক্তি।এবং বলা হয়  বাংলাদেশ কখনো বিশ্বকাপ জিতলে আগে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতবে।কারণ ৫০ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশ দিনদিন উন্নতি করছে। এছাড়া টাইগারদের বড় ভরসা সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ।সাকিব আল হাসানের উত্থানের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতির পারদ আরো বেগবান হয়েছে। আসুন ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের জয়পরাজয়ের হিসেব দেখে নিই।
বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জিতেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে (৪৭ ম্যাচ) এবং বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে হেরেছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে (৩৯ম্যাচ)। বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৮ম্যাচ খেলে ৫ ম্যাচে জয় পেয়েছে।অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে রেকর্ড খুব সুখকর নয় ।অসিদের বিপক্ষে বাংলাদেশ ২১টি ওয়ানডে খেলে মাএ ১টি জয় পেয়েছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ ২১টি ওয়ানডে খেলে ৪টি জয় পেয়েছে। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৩৬টি ওয়ানডে খেলে ৫টি জয় পেয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৫টি ওয়ানডে খেলে টাইগাররা ১০টি ম্যাচে জয়লাভ করেছে।ওয়েষ্টইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৩৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে যাতে টাইগাররা ১৬টি ম্যাচে জয়ী হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ ২১টি ওয়ানডে খেলে ৪ম্যাচে জয়ী হয়েছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টাইগাররা ৪৮টি ওয়ানডে খেলে ৭টি ম্যাচে জয়ী হয়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৩৭টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৫ম্যাচে জয় পেয়েছে টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে জিতেছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭৫টি ওয়ানডে খেলে ৪৭টিতে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশ।


বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়কদের রেকর্ড

বাংলাদেশ দল ইতিপূর্বে বেশকজন সফল ওয়ানডে অধিনায়ক পেয়েছে।তবে সবহিসেবের শেষে বলা যায়  বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়কদের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে অধিনায়ক গাজী আশরাফ।গাজী আশরাফ বাংলাদেশকে ৭টি ওয়ানডে ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন যেখানে কোন জয় ছিলনা।তারপর বাংলাদেশ দল ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে পেয়েছে মিনহাজুল আবেদীন নান্নুকে ।নান্নুর অধীনে বাংলাদেশ ২টি ওয়ানডে ম্যাচ খেললেও কোন জয় ছিলনা।তারপর বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক হন আকরাম খান।আকরামের অধীনে বাংলাদেশ ১৫টি ওয়ানডে খেলে ১টি ম্যাচে জয় পায় এবং বাকিগুলোতে পরাজিত হয়। আকরামের পর টাইগারদের ওয়ানডে নেতৃত্বে আসেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বুলবুলের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৬টি ওয়ানডে খেলে ২ ম্যাচে জয় পায়। বুলবুলের পর বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক নিযুক্ত হন নাইমুর রহমান দুর্জয়।দুর্জয় বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টেও অধিনায়ক ছিলেন।দুর্জয়ের অধীনে বাংলাদেশ ৪টি ওয়ানডে খেলে কোন জয় পায়নি।তারপর খালেদ মাসুদ পাইলট ওয়ানডেতে বাংলাদেশের অধিনায়ক নিযুক্ত হন। পাইলটের অধীনে বাংলাদেশ ৩০ওয়ানডে খেলে চারটিতে জয় পায়।তারপর ওয়ানডে নেতৃত্বে আসেন খালেদ মাহমুদ সুজন।সুজন ১৫টি ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেন তবে কোন জয় ছিলনা।সুজনের পর বাংলাদেশের ওয়ানডে নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা ঘটে। ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে টাইগাররা পায় দেশের প্রথম বিচক্ষণ ক্রিকেট অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমনকে।সুমন দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সাথে দারুণ নেতৃত্বের জন্য স্মরণযোগ্য। সুমনের অধীনে বাংলাদেশ ৬৯টি ওয়ানডে খেলে ২৯টিতে জয়লাভ করে। সুমনের পর রাজিন সালেহ ২টি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেন তবে ২টি ম্যাচেই বাংলাদেশ পরাজিত হয়।তারপর দেশের প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান মো: আশরাফুল ওয়ানডে নেতৃত্বে আসেন। আশরাফুলের অধীনে বাংলাদেশ ৩৮টি ওয়ানডে খেলে ৮ম্যাচে জয় পায়। আশরাফুলের পর দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক নিযুক্ত হন। সাকিবের অধীনে বাংলাদেশ ৫০টি ওয়ানডে খেলেছে যাতে ২৩টি ম্যাচে টাইগাররা জয়ী হয়। সাকিব অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিলে টাইগারদের দলপতি নিযুক্ত হন দেশসেরা পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজা। মাশরাফির অধীনে বাংলাদেশ ৮৮টি ওয়ানডে খেলে ৫০ ম্যাচে জয়লাভ করে।এছাড়া মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ দলকে ৩৭টি ওয়ানডে ম্যাচে নেতৃত্ব দেন যাতে ১১টি ম্যাচে বাংলাদেশ জয়ী হয়। বর্তমান ওয়ানডে দলপতি তামিম ইকবাল বাংলাদেশ দলকে ইতিমধ্যে মোট ৪টি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছেন যেখানে ১টি জয় ও ৩টি পরাজয় রয়েছে।


বর্তমান ওয়ানডে রেঙ্কিং ও বাংলাদেশ

বর্তমান ওয়ানডে রেঙ্কিংয়ের হিসেবে বাংলাদেশ বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।এই মুহূর্তে আইসিসি ওয়ানডে রেঙ্কিংয়ে সবার উপরে আছে ১.ইংল্যান্ড। তারপর রয়েছে ২. ভারত । ভারতের পর ওয়ানডে রেঙ্কিংয়ে রয়েছে ৩. নিউজিল্যান্ড। ওয়ানডে রেঙ্কিংয়ে নিউজিল্যান্ডের পর ৪.অষ্ট্রেলিয়ার অবস্থান। এছাড়া ওয়ানডে রেঙ্কিংয়ে অষ্ট্রেলিয়ার পরে ৫. দক্ষিণআফ্রিকার অবস্থান। ওয়ানডে রেঙ্কিংয়ের ছয় নম্বর অবস্থানে রয়েছে ৬.পাকিস্তান। আইসিসির সর্বশেষ ওয়ানডে রেঙ্কিংয়ে  সাতে রয়েছে ৭. বাংলাদেশ। এছাড়া আইসিসির ওয়ানডে রেঙ্কিংয়ে৮,৯ ও ১০ নম্বর অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা,ওয়েষ্টইন্ডিজ ও আফগানিস্তান। 

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যান

ওয়ানডে ক্রিকেটের সর্বশেষ পরিসংখ্যান ঘাটালে দেখা যায় সর্বাধিক রানের হিসেবে বাংলাদেশের সেরা ওয়ানডে ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল (৭২৪৬রান)। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সেরা ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান (৬৩৪২রান)।তারপর তৃতীয় সেরা টাইগার ওয়ানডে ব্যাটসম্যান হিসেবে রয়েছেন মুশফিকুর রহিম (৬১৯৩রান)। ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের চতুর্থ সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে রয়েছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (৪০৭৯রান)। বাংলাদেশের পঞ্চম সেরা ওয়ানডে ব্যাটসম্যান হিসেবে রয়েছেন মো: আশরাফুল (৩৪৬৮রান)।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা পাঁচ বোলার

ওয়ানডে বোলিংয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলারদের পরিসংখ্যানে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায় সর্বাধিক ওয়ানডে উইকেট শিকারি মাশরাফি বিন মুর্তজা
 (২৬৯ উইকেট), মাশরাফির পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওয়ানডে উইকেট সাকিব আল হাসানের (২৬৪উইকেট),তারপর বাংলাদেশের হয়েছে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম সর্বোচ্চ ওয়ানডে উইকেট নিয়েছেন যথাক্রমে আব্দুর রাজ্জাক (২০৭উইকেট),রুবেল হোসেন (১২৬উইকেট),মোঃ.রফিক(১১৯উইকেট) ।

সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                                

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম :সম্প্রতি বেশকিছু নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এখানে তেমনি সাম্প্রতিক কিছু নিয়োগের আবেদনের যোগ্যতা ,শর্ত এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য তুলে ধরা হলো।

এনএসআইয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ

এনএসআইয়ের বিভিন্ন শূন্যপদে নিয়োগের জন্য সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ :গ্ৰেড ০৯ থেকে গ্ৰেড ১৪ পর্যন্ত বিভিন্ন পদ।
পদসংখ্যা : ৯৯০
যোগ্যতা : পদভেদে এসএসসি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্ৰি।
বেতন : গ্ৰেড ০৯ থেকে গ্ৰেড ১৪ পর্যন্ত পদ অনুযায়ী।
প্রার্থীর ধরণ : নারী ও পুরুষ
আবেদনের মাধ্যম : অনলাইন
আবেদনের লিংক: http://cnp.teletalk.com.bd 
আবেদনের শেষ সময় : ২৩ জানুয়ারী,২০২১ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
আবেদনের শর্ত ও পদ্ধতি জানতে ভিজিট  করুন: http://cnp.teletalk.com.bd/doc/instructions.pdf

সূএ : বাংলাদেশ জার্নাল

প্রকৌশল অধিদপ্তরে নিয়োগ

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বেশকিছু স্থায়ী শূন্যপদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
পদ :কার্যসহকারী
পদসংখ্যা :৪০০
যোগ্যতা : এইসএসসি বা সমমানের ডিগ্ৰি।
বেতনস্কেল : ৯,৩০০ - ২২,৪৯০ টাকা
বয়স: ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেএে বয়স ৩২ বছর
আবেদনের মাধ্যম: অনলাইন
আবেদনের লিংক : http://lged.teletalk.com.bd
আবেদনের শেষ সময় : ৩১জানুয়ারী,২০২১ বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

সূএ:প্রথম আলো

যমুনা ব্যাংকে চাকরি

যমুনা ব্যাংকে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি/প্রবেশনারী অফিসার পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
পদ: ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি/প্রবেশনারী অফিসার
পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট
বেতন :৫০,০০০টাকা
চাকরির ধরণ : ফুলটাইম
যোগ্যতা : ১.ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত যেকোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪বছর মেয়াদী স্নাতকসহ এমবিএ/এমবিএম/মাষ্টার্স ডিগ্ৰি।২.বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্ৰি ।
বয়স:৩১জানুয়ারী,২০২১তারিখে সর্বোচ্চ ৩০ বছর।
কর্মস্থল : বাংলাদেশের যেকোন স্থান
আবেদনের মাধ্যম : অনলাইন (www.jamunabankbd.com/career)
আবেদনের শেষ সময় :৩১জানুয়ারী,২০২১।

সূত্র :বিডিজবস ডটকম(www.bdjobs.com)






উইন্ডিজ সিরিজের টাইগার ওয়ানডে স্কোয়াড ও অন্যান্য

                                                            

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম:  উইন্ডিজ সিরিজের জন্য টাইগারদের প্রাথমিক ওয়ানডে দল আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।এবার ওয়ানডে সিরিজের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করা হলো। এবারের ওয়ানডে স্কোয়াডে কিছু চমক আছে। একাধিক নতুন পেসার চূড়ান্ত স্কোয়াডে স্থান করে নিয়েছেন। আবার একাধিক  অভিজ্ঞ  প্লেয়ার বাদ পড়েছেন।সম্ভবত নির্বাচকদের দৃষ্টি পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত ছিল ফলে তারা দলের মধ্যে যথেষ্ট ব্যাকআপ প্লেয়ার তৈরি করতে চেয়েছেন।হয়তো এসবকিছু বিবেচনা করে একাধিক নতুন পেসারকে চূড়ান্ত স্কোয়াডে সুযোগ দেয়া হয়েছে।

ব্যাটিং- বোলিংয়ে পুরনোরাই ভরসা

আমরা যদি উইন্ডিজ সিরিজের জন্য টাইগারদের চূড়ান্ত ওয়ানডে স্কোয়াড দেখি তাহলে দেখবো নির্বাচকরা পুরনোদের উপর যথারীতি আস্থা রেখেছেন। ওপেনিংয়ে যথারীতি তামিম ইকবাল,লিটন দাস  রয়েছেন। ওপেনিংয়ে নতুন করে নাজমুল হোসেনকে নেয়া হয়েছে। মিডল অর্ডারে যথারীতি রয়েছেন মুশফিক, সাকিব,মাহমুদুল্লাহ,সৌম্য, মিঠুন ।লেট অর্ডারে আফিফ, সাইফুদ্দিন,মিরাজই ভরসা। এছাড়া স্পিনে সাকিব,মিরাজ, তাইজুলদের উপর আস্থা রেখেছেন নির্বাচকরা।পেস বোলারদের মধ্যে রুবেল হোসেন, মোস্তাফিজ, তাসকিন আগেই প্রায় নিশ্চিত ছিলেন।আর এদের ছাড়া এ মুহূর্তে বিকল্পও নেই।পেসার হিসেবে একাধিক নতুন মুখ চূড়ান্ত স্কোয়াডে স্থান পেয়েছেন। মাশরাফি দলে নেই তাই হয়তো নির্বাচকরা পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপ বিবেচনায় নিয়ে একাধিক নতুন পেসারকে দেখতে চাইছেন।

যেসব তারকাপ্লেয়ার বাদ পড়লেন

ওয়ানডে র প্রাথমিক স্কোয়াডে অভিজ্ঞ পেসার আল-আমিন হোসেন স্থান পেলেও চূড়ান্ত স্কোয়াডে তাকে রাখা হয়নি।হয়তো তরুণদের সুযোগ দিতেই বাদ পড়েছেন এই পেসার।এছাড়া তারকা অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেনকে চূড়ান্ত স্কোয়াডে রাখা হয়নি।তবে যথারীতি আরেক তারকা অলরাউন্ডার আফিফ হোসেন চূড়ান্ত স্কোয়াডে রয়েছেন।মো:নাঈম শেখকে চূড়ান্ত স্কোয়াডে রাখা হয়নি।এক্ষেএে নির্বাচকদের কৌশল বুঝা যায়নি।

নতুন যারা চূড়ান্ত স্কোয়াডে স্থান পেলেন

আগেই জানা গিয়েছিল বিসিবি পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপ মাথায় রেখে চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করবে। উইন্ডিজ সিরিজের চূড়ান্ত স্কোয়াডে বিসিবির ভবিষ্যতের ভাবনা ফুটে উঠেছে। বর্তমান বয়স হিসেব করলে দেশসেরা পেসার মাশরাফির পরবর্তী বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা খুব কম।আর এসবকিছু বিবেচনা করে সম্ভবত নির্বাচকরা নতুন পেসারদের চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিয়েছেন।এক্ষেএে ২০২০সালের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী পেসার শরিফুল ইসলাম চূড়ান্ত স্কোয়াডে স্থান পেয়েছেন। এছাড়া তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ দেশের বিভিন্ন ঘরোয়া টুর্নামেন্টে বেশ কিছুদিন যাবত ভালো করছেন ফলে তিনিও ওয়ানডের চূড়ান্ত স্কোয়াডে স্থান পেয়েছেন। এছাড়া আরেক তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান চূড়ান্ত স্কোয়াডে রয়েছেন।

অধিনায়ক তামিমের প্রথম আন্তর্জাতিক সিরিজ

এই সিরিজের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়ক তামিম ইকবালের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পূর্ণ অধিনায়কত্ব শুরু হবে। বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব লাভের পর তামিম আর কোন আন্তর্জাতিক সিরিজে নেতৃত্ব দেননি।এবং তামিমের জন্য বড় এক সুখবর হলো এবার নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান দলের সাথে রয়েছেন। তাই তামিম নিজেকে ভাগ্যবান ভাবতেই পারেন।তবে মাশরাফি দলে নেই ফলে ওয়ানডে সিরিজে সাকিব,তামিম, মুশফিক, রিয়াদ,মোস্তাফিজের উপর অনেক বেশি দায়িত্ব থাকবে।

ওয়েষ্টইন্ডিজ-বাংলাদেশ ওয়ানডে রেকর্ড

বাংলাদেশ ও ওয়েষ্ট ইন্ডিজের মধ্যে ইতিপূর্বে ৩৮টি ওয়ানডে খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ ১৫টি ওয়ানডে ম্যাচে জয় পেয়েছে । এছাড়া ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ ২১টি ওয়ানডে হেরেছে। বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দুটি ওয়ানডেতে ফল আসেনি। উল্লেখ্য বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হেরেছে শ্রীলংকার বিপক্ষে (৩৯ম্যাচ) এবং বাংলাদেশ সর্বাধিক ওয়ানডে জিতেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে(৪৭ম্যাচ)।

বাংলাদেশের চূড়ান্ত ওয়ানডে স্কোয়াড

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম,মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ,লিটন দাস,মো: মিঠুন, সৌম্য সরকার,আফিফ হোসেন, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, তাইজুল ইসলাম, নাজমুল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মো:সাইফুদ্দিন, মেহেদী হাসান,হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম

এই সময়ের সাশ্রয়ী ৫ ল্যাপটপ

                                                                

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : এ সময়ের পৃথিবী ব্যাপকভাবে ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর।ডিজিটাল ডিভাইস তাই প্রাত্যহিক জীবনের এক নিত্যসঙ্গী। চাকরি,ব্যবসা কিংবা বিনোদন সবখানে ডিজিটাল ডিভাইস এক প্রয়োজনীয় বন্ধু।শিক্ষিতজনগোষ্টীর জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি দরকারী। এমনকি ঘরে বসে অফিসেরকাজ, অনলাইন ক্লাস, আউটসোর্সিং এসবের জন্য ডিজিটাল ডিভাইসের প্রয়োজন দিনদিন বাড়ছে। আজকের লেখা এই সময়ের সাশ্রয়ী ৫ ল্যাপটপ নিয়ে।

কেন ল্যাপটপ 

ল্যাপটপের ব্যবহার দিনদিন বাড়ছে।এক্ষেএে কারণ হিসেবে বলা যায় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারীযুক্ত ল্যাপটপ এখন আগের চেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া ল্যাপটপ তুলনামূলকভাবে অধিক নিরাপদ ডিজিটাল ডিভাইস।ল্যাপটপ সহজে নষ্ট হয়না।একটি ল্যাপটপ দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়।ল্যাপটপ যত্ন করে রাখলে বহুদিন ব্যবহার করা যায়।একটি ল্যাপটপ অনেকক্ষেএে একটি অফিস হিসেবে ব্যবহার করা যায়।মাঝারিমানের ল্যাপটপেও সাধারণত প্রচুর মেমোরি সুবিধা পাওয়া যায়।আর সবকিছুর পর নিজেকে আপডেট রাখতে একটি ল্যাপটপ হতে পারে আপনার বিশ্বস্ত সহযোগী। 

ল্যাপটপ কেনার আগে

ল্যাপটপ কিনবেন ভালো কথা তবে তার আগে চাই নিজের উদ্দেশ্য ও বাজেট নির্ধারণ করা।আপনি কোন কাজের জন্য ল্যাপটপ কিনতে চান তা আগে জানুন। অফিসের কাজের জন্য বেশি মেমোরি ও ভালো ব্যাটারী ব্যাকআপের ল্যাপটপ কেনা হবে বুদ্ধিমানের কাজ।এক্ষেএে দাম কিছুটা বেশি লাগতে পারে। আবার পড়াশোনা, আউটসোর্সিং ইত্যাদির জন্য মাঝারি মানের ল্যাপটপগুলো যথেষ্ট।আর ল্যাপটপ কেনার আগে এর মেমোরি বাড়ানো যায় কিনা জেনে নিন।ল্যাপটপ কেনার আগে ব্রান্ড এবং ওয়ারেন্টির তথ্য জেনে নিন। ল্যাপটপ কেনার আগে আশপাশের অভিজ্ঞ কাউকে জিজ্ঞেস করে নিন। আসুন জেনে নিই এই সময়ের সাশ্রয়ী ৫ ল্যাপটপের দরদাম ও অন্যান্য(সূএ : ক্লাসিপ্রাইস)।

ওয়ালটন WPR14N33BL


ওয়ালটনের চমৎকার একটি ল্যাপটপ হচ্ছে WPR14N33BL মডেলের ল্যাপটপ।এ ল্যাপটপের সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য :
প্রসেসর: অ্যাপলো লেইক এন৩৩৫০
অপারেটিং সিস্টেম : ইন্টেল এইসডি গ্ৰাফিক্স ৫০০
রেম : ৪ জিবি
মেমোরি :১ টেরাবাইট
ব্যাটারী : ৩৮ ওয়াট
ওয়ারেন্টি : ২ বছর ( আন্তর্জাতিক)
দাম: ১৯,৯৯০ টাকা

ওয়ালটন WPR14N33SL

ওয়ালটনের দারুণ এক ল্যাপটপ হচ্ছে WPR14N33SL মডেলের ল্যাপটপ।এ ল্যাপটপের সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য:
প্রসেসর : ইন্টেল অ্যাপলো লেইক 
অপারেটিং সিস্টেম : উইন্ডোজ ১০ হোম
রেম : ২জিবি
মেমোরি : ১ টেরাবাইট
ব্যাটারী : ৩৮ ওয়াট
ওয়ারেন্টি : ২ বছর (ব্যাটারী ও অ্যাডাপটর ২ বছর)
দাম : ১৯,৯৯০ টাকা

স্যামসাং ক্রোমবুক 3

স্যামসাং ক্রোমবুক 3এই সময়ের সাশ্রয়ী ল্যাপটপের একটি।ল্যাপটপটির সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য:
প্রসেসর : ইন্টেল সেলেরন এন ৩০৬০
অপারেটিং সিস্টেম : ক্রোম 
রেম :৪জিবি
মেমোরি : ৩২ জিবি
ওয়ারেন্টি : ১বছর
দাম :১৮,৮৬০ টাকা

স্যামসাং ক্রোমবুক 3

স্যামসাং ক্রোমবুক 3সিরিজের চমৎকার একটি ল্যাপটপ হচ্ছে ইন্টেল সেলেরন প্রসেসর যুক্ত স্যামসাং ক্রোমবুক 3ল্যাপটপ।
অপারেটিং সিস্টেম : ক্রোম
রেম : ৪ জিবি
মেমোরি : ১৬ জিবি
ব্যাটারী :লিথিয়াম মেটাল ব্যাটারী
ওয়ারেন্টি : ১ বছর
দাম : ১৬,৪০০ টাকা


স্যামসাং ক্রোমবুক3 11

স্যামসাংয়ের সবচেয়ে কমমূল্যের ল্যাপটপ এটি।এই ল্যাপটপের সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য :
প্রসেসর : ইন্টেল সেলেরন প্রসেসর
অপারেটিং সিস্টেম : ক্রোম
রেম : ২ জিবি
মেমোরি : ১৬ জিবি
ওয়ারেন্টি : ১ বছর
দাম : ১৩,১২০ টাকা

সেঞ্চুরিতে শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যান

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : ক্রিকেটের অভিজাত ফিগারগুলোর একটি সেঞ্চুরি। সব ক্রিকেটারই ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেলে সেঞ্চুরি করতে চায়।আর ব্যাটসম্যানদের জন্য স্বপ্নের এক ফিগার সেঞ্চুরি। ক্রিকেটের ইতিহাস ঘাটলে সেঞ্চুরির গল্প শেষ হবে না।প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন ব্যাটসম্যান বিশ্বের কোথাও না কোথাও সেঞ্চুরির দেখা পাচ্ছেন।কত ব্যাটসম্যান তীরে এসে তরী ডোবানোর মত নার্ভাস নাইনটিজে আউট হচ্ছেন এবং পরবর্তীতে নতুন শুরুর অপেক্ষায় নিজেকে সান্ত্বনা দিয়েছেন। এভাবেই বয়ে চলেছে ক্রিকেট ইতিহাসে সেঞ্চুরির অধ্যায়। আবার এসব সাফল্য ও ব্যর্থতার যৌথপ্রচেষ্ঠায় কেউবা সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি ছোয়ে ক্রিকেটকে করেছেন মহীয়ান।তিন ফরমেট মিলিয়ে ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বাধিক সেঞ্চুরির রূপকার শীর্ষ দশ ব্যাটম্যানকে নিয়ে এই লেখা।(তথ্যসূএ : ইএসপিএন ক্রিকইনফো)

শচীনের সেঞ্চুরি সবচেয়ে বেশি

                                                                  


ক্রিকেটের বিস্ময়কর সৃষ্টি শচীন রমেশ টেন্ডুলকার এখনঅব্দি সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির মালিক। ক্রিকেটের লিটলমাষ্টার খ্যাত এই ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ারে বিপুলসংখ্যক রানের মালিক।শচীন তাঁর ক্যারিয়ারে মোট ১০০টি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন।১৯৮৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ক্রিকেটের মাঠে ব্যাট হাতে আধিপত্য করেছেন এই ব্যাটিং জিনিয়াস। ক্রিকেটে সর্বমোট ৩৫৩৫৭ রান করেছেন এই ভারতীয় ব্যাটসম্যান। অসাধারণ টেকনিক , টাইমিং আর ধারাবাহিকতার জন্য ক্রিকেটে একটি নতুন অধ্যায় রচনা করেছেন শচীন টেন্ডুলকার। শচীনের সর্বোচ্চ ইনিংসটি ছিল অপরাজিত ২৪৮ রানের।

রিকি পন্টিং সেঞ্চুরিতে শীর্ষ দশে রয়েছেন

                                                               

ক্রিকেট ইতিহাসে চৌকস ব্যাটিংটেকনিকের জন্য রিকি পন্টিং এক উল্লেখযোগ্য নাম। উইকেটের চারপাশে শট খেলতে সমান পারঙ্গম এই সাবেক অসি গ্ৰেট ক্যারিয়ারে সবমিলিয়ে ৭১টি সেঞ্চুরি করেছেন।অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক এই বিশ্বকাপজয়ী ব্যাটসম্যান ১৯৯৫সাল থেকে ২০১২সাল পর্যন্ত ক্রিকেটে সর্বমোট ৫৬০টি ম্যাচ খেলেছেন।রিকি পন্টিং ক্যারিয়ারে সর্বমোট ২৭৪৮৩ রান করেছেন। তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংসটি ছিল ২৫৭ রানের।রিকি পন্টিংয়ের মত নিখুঁত ব্যাটসম্যান ক্রিকেটে খুব কমই দেখা যায়।ক্লাসের সাথে পাওয়ারহিটিং মিলিয়ে অসাধারণ এক ব্যাটসম্যান ছিলেন রিকি পন্টিং।

বিরাট কোহলি সেঞ্চুরিতে শীর্ষদশে রয়েছেন

                                                                


 কিছুটা অবাক হলেও বলতে হয় এই সময়ের ব্যাটিং জিনিয়াস বিরাট কোহলি শীর্ষ দশ সেঞ্চুরিয়ানের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।২০০৮সালে ক্রিকেটে পদার্পন করলেও নিজের অসাধারণ ব্যাটিং দিয়ে সেঞ্চুরির সংখ্যায় গ্ৰেটদের অনেককেই ছাড়িয়ে গেছেন। বিরাট কোহলি ইতিমধ্যে ৭০টি সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। বিরাট কোহলি ক্যারিয়ারে মোট ৪২৩টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন এবং এথেকে তাঁর মোট রান দাঁড়িয়েছে ২২২৮৬।কোহলির এখনপর্যন্ত সর্বোচ্চ ইনিংসটি হচ্ছে অপরাজিত ২৫৪ রান। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কোহলি ক্রিকেটের সেঞ্চুরির অধ্যায়টি আরো রঙিন করবেন বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা।

কুমার সাঙ্গাকারার সেঞ্চুরির গল্প

                                                             

  

শ্রীলঙ্কার সাবেক উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান কুমার সাঙ্গাকারা ক্রিকেটের শীর্ষ দশ সেঞ্চুরিয়ানের তালিকায় উপরের দিকে রয়েছেন। ক্লাসিক্যাল ঘরাণার সেরা ব্যাটসম্যানদের অন্যতম  কুমার সাঙ্গাকারা। সাঙ্গাকারা ক্যারিয়ারে মোট ৫৯৪টি ম্যাচ খেলেছেন। সাঙ্গাকারার মোট সেঞ্চুরি ৬৩টি। সাবেক এই লংকান গ্ৰেট ক্যারিয়ারে সর্বমোট ২৮০১৬ রান সংগ্ৰহ করেন। সাঙ্গাকারার সর্বোচ্চ ইনিংসটি ছিল ৩১৯ রানের। সাঙ্গাকারার ব্যাটিংয়ে ক্লাস ও টাইমিংয়ের দারুণ সমন্বয় ছিল। এছাড়া সাঙ্গাকারার ব্যাটিংয়ে দীর্ঘসময় মনোসংযোগসহকারে বলের গুণাগুণ বিচার করে খেলার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়। এরসাথে সাঙ্গার ব্যাটিংয়ে আরেকটি লক্ষণীয় দিক ছিল সোজাব্যাটে খেলার প্রবণতা।

জ্যাক ক্যালিস সেঞ্চুরিতে শীর্ষ দশে রয়েছেন

                                                                 
ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিস ক্যারিয়ারে ৬২টি সেঞ্চুরি করেছেন। কারষ্টেন,স্মিথ,গিবসদের মত তারকা ব্যাটসম্যানদের সাথে খেললেও সেঞ্চুরির হিসেবে এদেরকে ছাড়িয়ে গেছেন ক্যালিস। সবধরণের উইকেটে সাবলিল ব্যাটিং ছিল জ্যাক ক্যালিসের বড় এক গুণ।তিনিও মূলত ক্লাসিক্যাল ঘরাণার ব্যাটসম্যান।ক্যারিয়ারে ৫১৯ম্যাচ খেলে ২৫৫৩৪ রান করেছেন  দক্ষিণ আফ্রিকার এই অলরাউন্ডার।জ্যাক ক্যালিসের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ২২৪ রানের।

হাসিম আমলার সেঞ্চুরির ইতিহাস

                                                                 

দক্ষিণ আফ্রিকার নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হাসিম আমলা।হার্সেল গিবস,গ্ৰায়েম স্মিথের মত তারকা ব্যাটসম্যান নাহলেও সেঞ্চুরির হিসেবে এদেরকে ছাড়িয়ে গেছেন আমলা।ক্যারিয়ারে ধারাবাহিক ভালো ব্যাটিংয়ের জন্য আলোচিত এক ব্যাটসম্যান আমলা। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে চৌকস ব্যাটিংয়ের জন্য আমলাকে বারবার স্মরণ করা হয়।তিনিও ক্লাসিক্যাল টাইপের ব্যাটসম্যান।তবে উইকেটে সেট হয়ে গেলে টানা শট খেলতে অভ্যস্ত এই ওপেনার।৩৪৯ম্যাচ খেলে আমলা মোট ৫৫টি সেঞ্চুরি করেছেন। তাঁর মোট রানসংখ্যা ১৮৬৭২। সর্বোচ্চ ইনিংস অপরাজিত ৩১১ রান।

মাহেলা জয়াবর্ধনের সেঞ্চুরির গল্প

                                                               

শ্রীলংকার সাবেক গ্ৰেট মাহেলা জয়াবর্ধনে ক্রিকেটের শীর্ষ দশ সেঞ্চুরিয়ানের তালিকায় রয়েছেন। শ্রীলঙ্কার মিডলঅর্ডারের দীর্ঘ সময়ের কান্ডারী ছিলেন জয়াবর্ধনে। সবধরণের ক্রিকেটেই জয়াবর্ধনের ব্যাটিংকৌশল দৃষ্টিনন্দন ছিল । ক্লাসিক্যাল ঘরাণার ব্যাটসম্যান হলেও তাঁর ব্যাটিংয়ে কখনো রানরেট থেমে থাকেনি। চমৎকার গ্যাফশট খেলার বিখ্যাত ছিলেন জয়াবর্ধনে।একসময় জয়সুরিয়া, জয়াবর্ধনে, সাঙ্গাকারা এই ত্রয়ী মিলে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটকে নবজীবন দিয়েছেন। জয়াবর্ধনে ক্যারিয়ারে ৬৫২ম্যাচ খেলেছেন যাতে সেঞ্চুরি ছিল ৫৪টি। জয়াবর্ধনে তাঁর ক্যারিয়ারে মোট ২৫৯৫৭ রান সংগ্রহ করেন। তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ৩৭৪রানের।


ব্রায়ান লারার সেঞ্চুরির গল্প

                                                          

উইন্ডিজ ক্রিকেটের এক বিস্ময়কর প্রতিভা ব্রায়ান চালর্স লারা। ক্রিকেটের বরপুত্র ব্রায়ান লারা ক্যারিয়ারে মোট ৫৩টি সেঞ্চুরি করেছেন। অসাধারণ ধৈর্য ও স্টাইলের জন্য বিখ্যাত এই উইন্ডিজ গ্ৰেট ক্যারিয়ারে বিপুলসংখ্যক ম্যাচ খেলেছেন। ক্রিকেটে অপরাজিত ৪০০রানের ইনিংস খেলে হয়েছেন চিরস্মরণীয়।লারার স্টাইলিশ ব্যাটিং ক্রিকেটের এক অন্যরকম গল্প। দারুণ স্টাইলের সাথে টাইমিং মিলে লারার ব্যাটিং ছিল সত্যিই এক অপূর্ব ঘটনা।ব্রায়ান লারা ক্যারিয়ারে মোট ২২৩৫৮ রান করেন।লারা তাঁর ক্যারিয়ারে মোট ৪৩০টি ম্যাচ খেলেছেন।

সেঞ্চুরির শীর্ষ দশে দ্রাবিড়

                                                              

ভারতের সাবেক গ্ৰেটব্যাটসম্যান রাউল দ্রাবিড় ক্রিকেটের শীর্ষ দশ সেঞ্চুরিয়ানের তালিকায় রয়েছেন। ধৈর্য ও ক্লাস মিলিয়ে দ্রাবিড়ের  মত এমন নিখুঁত ব্যাটসম্যান ক্রিকেটে খুব কম দেখা যায়।।শচীন টেন্ডুলকার,সৌরভ গাঙ্গুলী এবং রাউল দ্রাবিড়ের সমন্বয়ে গড়া  ভারতের টপ অর্ডারকে একসময় বিশ্বসেরা টপ অর্ডার বলা হতো। দ্য ওয়াল খ্যাত দ্রাবিড় মোট ৫০৯টি ম্যাচ খেলেছেন।দ্রাবিড় মোট ৪৮টি সেঞ্চুরি করেছেন। তাঁর মোট রানসংখ্যা ২৪২০৮। সর্বোচ্চ ইনিংস ২৭০ রানের।


এবি ডিভিলিয়ার্সের সেঞ্চুরির গল্প

                                                                 

এ সময়ের ক্রিকেটে এক বিস্ময়কর ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্স।ডিভিলিয়ার্স ক্রিকেটের তিন ফরমেটে নিজের ব্যাটিংপ্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। যদিও তিনি এখন টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে অধিক মনযোগী।  ডিভিলিয়ার্স দারুণ ব্যাটিংস্টাইল ও পাওয়ারহিটিংয়ের জন্য বিখ্যাত।ডিভিলিয়ার্স ৪২০ টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর মোট রান সংখ্যা ২০০১৪।ডিভিলিয়ার্স ক্যারিয়ারে ৪৭টি সেঞ্চুরি করেছেন। তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংসটি ছিল অপরাজিত ২৭৮ রানের।

কাঁচামরিচের গুণ জেনে নিন

                                                              

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম:কাঁচামরিচ সবার কাছে পরিচিত এক সবজি।প্রায় প্রতিদিনই হাতের কাছে পাওয়া যায় এই ঝাঁল সবজি। বাংলাদেশে প্রায় সারাবছরই কাঁচামরিচ পাওয়া যায় তবে এদেশে শীতকালে সবচেয়ে সস্তায় এই সবজি পাওয়া যায়। শীতকালীন কাঁচামরিচ তুলনামূলকভাবে বেশি ঝাঁল ও সুস্বাদু হয়।  কাঁচামরিচ খাবারের স্বাদ ও গন্ধ দুইই বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া এই ঝাঁল সবজিতে রয়েছে বেশকিছু পুষ্টিগুণ। নিয়মিত কাঁচামরিচ খেলে খাবারের স্বাদ যেমন বাড়ে তেমনি এটি আমাদের শরীরের বিভিন্ন পুষ্টিচাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে। কাঁচামরিচে বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন পাওয়া যায়। এছাড়া এ সবজি ত্বক ও শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। কাঁচামরিচের স্বাস্থ্যউপকারিতা নিয়ে এ লেখা (তথ্যসূএ:বিউটিহেলথ)।

খাবারের স্বাদ বাড়ায়

কাঁচামরিচ যেকোন খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া রুচি বাড়াতে কাঁচামরিচ খুব উপকারী। বাজারের গুড়া মরিচের চেয়ে কাঁচামরিচ বেশি উপকারী এবং স্বাদ- গন্ধ তুলনামূলকভাবে বেশি।

গরমে কাঁচামরিচ উপকারী

কাঁচামরিচ বছরের সবসময় খাওয়া যায় তবে গরমকালে এ সবজি বেশি উপকার করে। গরমে কাঁচামরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে। তাই গরমকালে নিয়মিত কাঁচামরিচ খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে।

হ্নদপিন্ডের জন্য উপকারী

কাঁচামরিচ শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় তা নয় সাথে এই সবজি শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হ্নদপিন্ডের উপকার করে। পুষ্টিবিদদের মতে কাঁচামরিচ হ্নদপিন্ডের বিভিন্ন সমস্যা প্রশমনে ব্যাপকভাবে কার্যকর। তাই হ্নদপিন্ড ভালো রাখতে নিয়মিত কাঁচামরিচ খেতে পারেন।

রক্তজমাট রোধে কার্যকর

শুধু খাবারের স্বাদ ও রুচি বাড়ানোই কাঁচামরিচের কাজ নয় সাথে সাথে এই সবজি শরীরের বিভিন্ন অভ্যন্তরিণ কার্যপ্রক্রিয়া সচল রাখে। নিয়মিত কাঁচামরিচ খেলে রক্তজমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।

রক্তের কোলেস্টেরল কমায়

বিশ্বব্যাপী রক্তের কোলেস্টেরল সমস্যা একটি স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত।রক্তের কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে ওষুধ ও বিভিন্ন নিয়মের বেড়াজালে চলতে হয়।আর এক্ষেত্রে সচেতনতা জরুরি। এক্ষেএে নিয়মিত কাঁচামরিচ খেলে কোলেষ্টেরলের মাএা সহজে বাড়বে না। কাঁচামরিচ কোলেষ্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

হাড় এবং দাঁতকে ভালো রাখে

কাঁচামরিচে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা আমাদের হাড় ও দাঁতের জন্য উপকারী। কাঁচামরিচে ভিটামিন সি আছে যা আমাদের দাঁতের মাড়ি ও চুলকে ভালো রাখে। তাই সুস্থ দাঁত ও হাড়কে শক্তিশালী রাখতে নিয়মিত কাঁচামরিচ খেতে পারেন।

নার্ভ ভালো থাকে

যারা নিয়মিত কাঁচামরিচ খান তাদের জন্য একটি সুখবর হল এই ঝাঁল সবজি আমাদের নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তাই যাদের নার্ভের সমস্যা আছে তারা নিয়মিত কাঁচামরিচ খেতে পারেন। এমনকি পুষ্টিবিদদের মতে কাঁচামরিচ দীর্ঘমেয়াদী স্নায়ুরোগে পথ্য হিসেবে কাজ করে।

হজমে সহায়ক


কাঁচামরিচ কিন্তু হজমে সাহায্য করে।যাদের হজমের সমস্যা আছে তাদেরকে তেল-মশলার খাবার কমিয়ে ফেলতে হয়।আর এক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে কাঁচামরিচ খেতে পারেন।এরফলে খাবারের স্বাদ বাড়বে এবং হজম হবে ঠিকঠাক।

ক্যান্সার ক্রনিক অসুখে উপকারী

কাঁচামরিচ ক্যান্সারের মত রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে শরীরকে সাহায্য করে।এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বিভিন্ন ক্রনিক রোগ ও সংক্রমণ থেকে শরীরকে ভালো রাখে।

মস্তিষ্কের জন্য উপকারী

যারা নিয়মিত কাঁচামরিচ খান তাদের মস্তিষ্ক সবসময় সুস্থ থাকে। কাঁচামরিচ খেলে একধরণের সুখী হরমোন আমাদের মস্তিষ্কে নিঃসৃত হয় যা আমাদের মস্তিষ্ককে ভালো রাখতে সহায়তা করে।

স্ট্রেস দূর করে

কাঁচামরিচ আমাদের মনকে চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করে।বলা হয় মন খারাপ থাকলে সাথে সাথে একটি কাঁচামরিচ খেয়ে ফেলুন দেখবেন মন ও শরীর চাঙ্গা হয়ে গেছে। এছাড়া নিয়মিত কাঁচামরিচ খেলে শরীরে সহজে রোগ বাসা বাঁধতে পারে না।


সর্তকতা

নিয়মিত কাঁচামরিচ খেলে বহুমাত্রিক উপকার পাওয়া যায়।তবে কিছু বিষয়ে সতর্ক না হলে কাঁচামরিচের গুণাগুণ পুরোপুরি পাবেন না।

১.কাঁচামরিচ নিয়মিত খেলে প্রচুর উপকার পাওয়া সম্ভব।আর কাঁচামরিচের সবগুণ পেতে চাইলে এই সবজিটি কাঁচা অবস্থায় খাওয়া উচিত।

২.কাঁচামরিচ সেদ্ধ করে খেলে বা ফ্রিজে রেখে খেলে এতে বিদ্যমান বিভিন্ন ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়।

৩.সুতরাং কাঁচামরিচের সবগুণাগুণ পেতে চাইলে এ সবজিটি কাঁচা অবস্থায় খাওয়া উচিত।


৪.গ্যাষ্টিক ও পেট ব্যথায় কাঁচামরিচ কম খাওয়া ভালো।


উইন্ডিজ সিরিজের আরো কিছু খবর

                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : উইন্ডিজ দল ঢাকায় পৌঁছে গেছে।চলছে আইসোলেশন ও অন্যান্য করোনা সুরক্ষার কর্মযজ্ঞ। অর্থাৎ সিরিজের প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে।তবে দর্শকদের জন্য কিছু দুঃসংবাদ আছে।করোনা পজিটিভ হওয়ায় বাংলাদেশ সফরের দল থেকে বাদ পড়েছেন তরুণ উইন্ডিজ অলরাউন্ডার রোমারিও শেফার্ড। এছাড়া বাংলাদেশ দলের জন্য একটি দুর্ভাগ্যজনক খবর হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে চোখধাঁধানো শতক হাঁকানো যুববিশ্বকাপজয়ী ব্যাটসম্যান পারভেজ ইমন ইনজুরির জন্য প্রাথমিক ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়েছেন। এসবের বাইরে নতুন খবর হচ্ছে উইন্ডিজ সিরিজের ওয়ানডে ম্যাচগুলোর সময়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আসুন উইন্ডিজ সিরিজের নতুন খবরগুলো জেনে নিই।

বদলে গেল ওয়ানডের সময়সূচি

বাংলাদেশ ও ওয়েষ্টইন্ডিজের মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজের সময়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে।আগের সূচি অনুযায়ী সব গুলো ওয়ানডে দুপুর ২টায় শুরু হবার কথা ছিল।তবে এখানে সময় কিছুটা এগোনো হয়েছে। সবগুলো ওয়ানডে শুরু হবে বেলা ১১টায়। অর্থাৎ আগে র সময় অনুযায়ী ম্যাচগুলো ডেনাইট হলেও নতুন সিদ্ধান্তহলো সবগুলো ওয়ানডে দিনে অনুষ্ঠিত হবে।উইন্ডিজ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ২০জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।এবং তৃতীয় ও চতুর্থ ওয়ানডে যথাক্রমে ২২ ও ২৫জানুয়ারি  মাঠে গড়াবে।

ইনজুরির জন্য বাদ পড়লেন পারভেজ ইমন

ইনজুরির জন্য উইন্ডিজ সিরিজের প্রাথমিক ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়েছেন তরুণ ব্যাটসম্যান পারভেজ ইমন।যুববিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক এই ব্যাটসম্যান বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে দারুণ ব্যাটিং করে সবার নজর কাড়েন।ফলে নির্বাচকরা উইন্ডিজ সিরিজের প্রাথমিক ওয়ানডে দলে ইমনকে অন্তর্ভুক্ত করেন।তবে শেষপর্যন্ত ইনজুরির কারণে প্রাথমিক ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়লেন পারভেজ ইমন। কুচকির পুরনো ইনজুরি আবার  বেড়ে যাওয়ায় তাকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়।অবশ্য তাঁর বদলে নতুন কাউকে দলে নেয়া হয়নি।

বাদ পড়লেন করোনা পজিটিভ শেফার্ড, নতুন মুখ হার্ডিং

এবার বাংলাদেশ সফরে উইন্ডিজ দল তুলনামূলক তারুণ্যনির্ভর স্কোয়াড নিয়ে এসেছে। তবে এই দলেও বেশকিছু প্রতিভাবান তরুণ স্থান পেয়েছেন আর রোমারিও শেফার্ড তেমনি এক চৌকস অলরাউন্ডার।তবে বাংলাদেশ সফর শুরুর আগেই করোনা পজিটিভ হয়েছেন এই তরুণ অলরাউন্ডার।ফলে তাকে দল থেকে বাদ দিয়েছে উইন্ডিজ ক্রিকেটবোর্ড। এবং শেফার্ডের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তরুণ পেসার কিয়ন হার্ডিং।হার্ডিং এর আগে জাতীয় দলের হয়ে কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেননি।হার্ডিং ১৭টি প্রথমশ্রেণীর ম্যাচ খেলে ৫৪টি উইকেট নিয়েছেন।লিষ্ট এ তে বেশকিছু ম্যাচ খেলেছেন হার্ডিং।






২০২০সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের হালচাল

                                                            

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম :২০২০সালটি অন্যসব স্পোটর্সের মত  ক্রিকেটের জন্যও ছিল বেশ হতাশাজনক।কারণ মাঠের ক্রিকেটে বেশ ছন্দপতন ঘটিয়েছে করোনার অভিঘাত। তবু শেষপর্যন্ত ক্রিকেট থেমে থাকেনি। বেশকিছু ক্রিকেট ম্যাচ ২০২০সালের ক্রিকেট দুনিয়াকে জাগিয়ে রেখেছে।আর এসবের মধ্যে ওয়ানডে ক্রিকেটের ব্যাটবলের লড়াইয়ে কোন তারকা কেমন করলেন তারই হালচাল এ লেখায় তুলে ধরব(সূত্র : ইএসপিএন ক্রিকইনফো)।

ব্যাটিংয়ে সেরা দশ

গেল বছরটি ওয়ানডে ব্যাটসম্যানদের  খুব যে স্বস্তিদায়ক ছিল তা কিন্তু বলা যাবে না।কারণ ম্যাচ কম হয়েছে এবং বছরের প্রায় পুরোটাই লকডাউন আইসোলেশনের জ্বালে বন্দি ছিল বলা যায়।আর ক্রিকেট হচ্ছে ব্যাটবলের আউটডোর গেইম তাই ঘরে বসে ফিটনেস, পারফরম্যান্স সবক্ষেত্রে সবার কিছু না কিছু সমস্যা ছিল । অনেকে ফিটনেসের ঘাটতির কারণে সেরা খেলাটা দেখাতে পারেন নি।তবু যাকিছু ওয়ানডে খেলা হয়েছে তাতে ব্যাট হাতে  সেরা ব্যাটসম্যানের কথাই এখানে বলা হবে ।

স্টিভ স্মিথ

২০২০ সালে স্টিভ স্মিথের ওয়ানডে ব্যাটিং ছিল সবার উপরে। দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন এই অসি ব্যাটসম্যান। গেল বছর স্মিথ মোট ১০টি ওয়ানডে  খেলেছেন যাতে তাঁর সেঞ্চুরি ছিল ৩টি।২০২০সালে স্মিথ ওয়ানডেতে মোট ৫৬৮রান করেন ।গে বছর ওয়ানডে ক্রিকেটে আর কোন ব্যাটসম্যান এতো রান করতে পারেননি।

লাবুসেন

২০২০সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ছিল অসি ব্যাটসম্যান লাবুসেনের ।বলা যায় করোনার শতবাধার মধ্যেও লাবুসেন গেল বছর তবু বেশ ভালোভাবেই নিজের ফর্ম ধরে রেখেছেন ।লাবুসেন ২০২০ সালে ১৩টি ওয়ানডে খেলে ১ সেঞ্চুরিসহ মোট ৪৭৩ রান সংগ্রহ করেন।

ডেভিড ওয়ার্নার

গেল বছরে অসি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ওয়ানডেতে মোটামুটি ভালো ব্যাটিংই করেছেন। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর পরিসংখ্যান বলছে ২০২০সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান ছিল ডেভিড ওয়ার্নারের দখলে। ওয়ার্নার গেল বছর ১২টি ওয়ানডে খেলেছেন যাতে তাঁর সংগ্ৰহ ছিল ১সেঞ্চুরিসহ ৪৬৫ রান।


কেএল রাউল

গেলবছরটি ভারতের স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান কেএল রাউলের জন্য দুর্দান্ত ছিল। আইপিএলে দারুণ ব্যাটিং করেছেন। এছাড়া ওয়ানডে ক্রিকেটে গেল বছরের সেরা দশ ব্যাটসম্যানের একজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।রাউল ২০২০সালে ৯টি ওয়ানডে খেলে ১সেঞ্চুরির সহ ৪৪৩রান সংগ্ৰহ করেন।

বিরাট কোহলি

২০২০সালে বিরাট কোহলি ওয়ানডেতে মোটামুটি ভালো ব্যাটিং করেছেন।এই ব্যাটিং জিনিয়াস গেল বছরে ৯টি ওয়ানডে খেলেছেন যাতে ছিল ৫টি ফিফটিসহ মোট ৪৩১রান।তবে ২০২০সালে কোহলি কোন ওয়ানডে সেঞ্চুরি ছিল না।

আকিব ইলিয়াস

বেশ কাকতালীয়ভাবে ২০২০সালের শীর্ষ দশ ওয়ানডে ব্যাটসম্যানের তালিকায় উঠে এসেছেন ওমানের ব্যাটসম্যান আকিব ইলিয়াস।আকিব ইলিয়াস গেল বছর ৬টি ওয়ানডে খেলে ২সেঞ্চুরিসহ মোট ৪০০রান করেন।

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

অসি হাডহিটার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল গেল বছর ওয়ানডে ক্রিকেটে বেশ ভালো ব্যাটিং করেছেন।ম্যাক্সওয়েল ২০২০সালে ৬টি ওয়ানডে খেলেছেন। গেল বছর ম্যাক্সওয়েল ১সেঞ্চুরিসহ ওয়ানডে ক্রিকেটে মোট ৩৫৩রান করেন।



জনি বেয়ারস্টো

ওয়ানডে ক্রিকেটে বরাবরই এক সফল ব্যাটসম্যান ইংল্যান্ডের জনি বেয়ারস্টো। এই ইংলিশ ব্যাটসম্যান ২০২০সালের ওয়ানডেতে সেরা দশ ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছেন।এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান গেল বছর ৯টি ওয়ানডে খেলে ১টিশতকসহ ৩৪৬রান সংগ্ৰহ করেন।

শ্রেয়াশ আয়ার

শ্রেয়াশ আয়ারের জন্য গেল বছরটি দুর্দান্ত কেটেছে বলা যায়।তার দল আইপিএলে ফাইনাল খেলেছে।এবং সদ্যবিদায়ী বছরের আইপিএলে তিনি নিজেও ক্যাপ্টেনসির পাশাপাশি ভালো ব্যাটিং করেছেন।এসবের সাথে নতুন তথ্য হচ্ছে শ্রেয়াশ আয়ার গেল বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের শীর্ষ দশ রানসংগ্ৰহকারীর তালিকায় রয়েছেন।আয়ার গেলবছর ৯টি ওয়ানডে খেলে ৩৩১রান সংগ্ৰহ করেন।২০২০সালে আয়ার সেইসাথে ১টি ওয়ানডে সেঞ্চুরিও করেছেন।


বলহাতে সেরা দশ

করোনার জন্য ক্রিকেটে ছন্দপতন ঘটলেও গেল বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে ওয়ানডে বোলিংয়ে  মোটামুটি বোলারদের ধারাবাহিক সফলতা ছিল।গেল বছর ওয়ানডে বোলিংয়ে জাম্পা,হার্জেলউড,এনগিদিরা বেশকিছু সাফল্য পেয়েছেন। এখানে গেল বছরের সেরা দশ ওয়ানডে বোলারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হলো।

এডাম জাম্পা

অসি স্পিনার এডাম জাম্পা ওয়ানডে ক্রিকেটে এই সময়ের সেরা এক বোলার। দুর্দান্ত স্পিন ও বুদ্ধিমত্তার জন্য এসময়ে খুবই আলোচিত এই অসি স্পিনার।২০২০সালের ওয়ানডে বোলিংয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারিও ছিলেন এডাম জাম্পা।জাম্পা গেল বছর ওয়ানডেতে ১৩ম্যাচ খেলে ২৭টি উইকেট নেন ।এক্ষেএে জাম্পা গেলবছর ওয়ানডে বোলিংয়ে সবারশীর্ষে ছিলেন।

আলঝারি জোসেফ

২০২০সাল উইন্ডিজ বোলার আলঝারি জোসেফের জন্য একটি অসাধারণ বছর ছিল।কারণ ২০২০সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করেছেন এই উইন্ডিজ তারকা। জোসেফ গেলবছর ৬টি ওয়ানডে খেলে মোট ১৮টি উইকেট নেন।

মার্ক হার্জেলউড

এই সময়ের ক্রিকেটের এক সমীহজাগানো বোলার মার্ক হার্জেলউড। দুর্দান্ত গতি সেইসাথে সুইংয়ের কারুকাজ এসবই  হার্জেলউডের বোলিংয়ের বড় এক বৈশিষ্ট্য।এই অসি পেসার গেলবছর অর্থাৎ ২০২০সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে বেশ ভালো বোলিং করেছেন।হার্জেলউড ২০২০সালে ১০টি ওয়ানডে খেলে ১৬উইকেট দখল করেন।

প্যাট কামিন্স

সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফাষ্টবোলার প্যাট কামিন্স ।গেশল বছরের আইপিএলে সর্বোচ্চ দামে দলভুক্ত হয়েছেন। এসবের বাইরে নিখুঁত ডেলিভারি ও টানা লাইনলেংথ বজায় রেখে বল করতে সদাই সফল এই অসি গতিতারকা।এই সময়ের  ক্রিকেটে সফল বোলারদের অন্যতম প্যাট কামিন্স গেলবছর  ওয়ানডেতে দারুণ বোলিং করেছেন।২০২০সালে কামিন্স ১১টি ওয়ানডে খেলে ১৫উইকেট নেন।

বিলাল খান

২০২০সালে ওমান জাতীয় দলের বেশকজন বোলার ওয়ানডে বোলিংয়ে সফলতা পেয়েছেন এবং এদের মধ্যে বিলাল খান অন্যতম। এটি গেল বছরের ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্য বেশ চমকপ্রদ ঘটনা ছিল ।ওমানের  তারকা বোলার বিলাল খান গেলবছর ওয়ানডেতে ৬ম্যাচ খেলে ১৪ উইকেট শিকার করেন।

জিসান মাকসুদ

২০২০সালটি ওমানের ব্যাটসম্যান ও বোলারদের জন্য ছিল অন্যরকম।কারণ ২০২০সালে ওমানের বেশকজন ব্যাটসম্যান ও বোলার একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দারুণ সাফল্য লাভ করেন।এক্ষেএে জিসান মাকসুদের নামটিও উচ্চারিত হয়।এই বোলার গেল বছর মোট ৬টি ওয়ানডে খেলে ১৩উইকেট শিকার করেন।

লোঙ্গি এনগিদী

নিখুঁত ডেলিভারির জন্য এ সময়ের ক্রিকেটের এক জনপ্রিয় পেসার লোঙ্গি এনগিদী। দক্ষিণ আফ্রিকার এই গতিতারকা গেল বছরের শীর্ষদশ ওয়ানডে বোলারের তালিকায় রয়েছেন।এনগিদী ২০২০ এ ৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ১২উইকেট শিকার করেন।

আদিল রশিদ

ইংল্যান্ডের তারকা স্পিনার আদিল রশিদ ২০২০ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে দারুণ বোলিং করেছেন।এই তারকাস্পিনার তাঁর ঘূর্ণিজাদুদিয়ে গেলবছর ওয়ানডেতে ৭ম্যাচ খেলে মোট ১২উইকেট দখল করেন।

মো:সামি

ভারতের তারকা বোলার মো:সামি ওয়ানডেতে সবসময়ই দুর্দান্ত বোলিং করেন।২০২০সালেও ওয়ানডেতে সামি ভালো বোলিং করেছেন।এই গতিতারকা গেলবছর ৬টি ওয়ানডে খেলে মোট ১২ উইকেট দখল করেন।

মিশেল স্টার্ক

অষ্ট্রেলিয়ার সর্বকালের অন্যতম সেরা ফাষ্টবোলার মিশেল স্টার্ক গেলবছর ওয়ানডেতে ভালো বোলিং করেছেন।অষ্ট্রেলিয়ার এই গতিতারকা তাঁর গতি ও লাইনলেংথের ক্যারিশমা দিয়ে ২০২০ সালে ১১ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ১২টি উইকেট শিকার করেন।

 
























সাকিবের ক্রিকেট একাডেমি

                                                       

 

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : বিশ্বের অন্য  অনেক  ক্রিড়া তারকার মত সাকিব আল হাসান এবার খেলোয়াড় তৈরির জন্য বিশ্বমানের একাডেমি করছেন। বাংলাদেশে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ক্রিড়াশিক্ষার এক সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিকেএসপি। এছাড়া আরো কিছু প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিউদ্যোগে গড়ে উঠেছে।তবে বাংলাদেশে ব্যক্তিউদ্যোগে এমন বিশ্বমানের ক্রিড়াশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই প্রথম।ঢাকার অদূরে রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভায় সাকিবের  একাডেমির কাজ দ্রুতলয়ে চলছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো সাকিবের একাডেমিতে দেশের পাশাপাশি বিদেশের তরুণ-তরুণীরাও ভর্তির সুযোগ পাবে।

সাকিব আল হাসানের একাডেমি পরিচিতি

সাকিব আল হাসান তাঁর ক্রিকেট একাডেমি গড়ে তুলছেন ঢাকার অদূরে রূপগঞ্জে। উল্লেখ্য এর আগে সাকিব ২০২০ সালের মার্চে নিজের একটি বিশ্বমানের একাডেমি করার কথা জানিয়েছিলেন।সে সময় সাকিব জানিয়েছিলেন তিনি সময় ও সুযোগ পেলে একটি বিশ্বমানের একাডেমি করতে চান। এছাড়া সাকিব বলেছিলেন তিনি তাঁর একাডেমিকে দেশি ও বিদেশি উভয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত করে সেই মানের করতে চান। সাকিবের সেই একাডেমি আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।

যেসব সুবিধা থাকছে সাকিবের একাডেমিতে

সাকিব আল হাসানের ক্রিকেট একাডেমিতে বেশকিছু অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকছে। সাকিবের ক্রিকেট একাডেমির বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদি এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

পূর্ণাঙ্গ মাঠ

সাকিবের একাডেমিতে থাকছে পূর্ণাঙ্গ মাঠ। এছাড়া পূর্ণাঙ্গ মাঠের সাথে তৈরি হচ্ছে কয়েকটি অনুশীলন মাঠ। সেইসাথে এই একাডেমিতে থাকছে সর্বাধুনিক সুবিধাসহ চমৎকার ইনডোর মাঠ। এসবের সাথে আধুনিক জিমনেসিয়ামের ব্যবস্থা থাকছে এই মাঠে।থাকছে ভার্চুয়াল বোলিং মেশিন।

আবাসিক ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা

সাকিব আল হাসানের স্বপ্নের একাডেমিতে আবাসিক ভবন তৈরি হচ্ছে। সেইসাথে এই অত্যাধুনিক ক্রিকেট একাডেমিতে তৈরি হচ্ছে আধুনিক সুবিধা সম্বলিত প্রশাসনিক ভবন। এরসাথে থাকবে আবাসিক হোষ্টেল সুবিধা।

কোচ ও সাপোর্ট স্টাফ

সাকিব আল হাসান তাঁর একাডেমির জন্য দেশের শীর্ষ কোচদের নিয়োগ করবেন। এছাড়া একাডেমির জন্য একজন শীর্ষ কোচ থাকবেন।এর বাইরে থাকবেন কয়েকজন বয়সভিত্তিক কোচ এবং এদের অধীনে থাকবেন বিশেষায়িত ব্যাটিং, বোলিং , ফিল্ডিং ও উইকেটরক্ষক কোচ। এসবের সাথে এই একাডেমিতে সার্বক্ষণিক ফিজিও ও বিশ্লেষক থাকবেন। এছাড়া সাকিব সময় পেলেই নিজে যুক্ত থাকবেন একাডেমির সাথে। ইতিমধ্যে এই একাডেমির জন্য গ্ৰাউন্ডসম্যান ও পিচকিউরেটর নিয়োগ করা হয়েছে।আর একাডেমি দেখভালের মূলদায়িত্বে থাকছেন দেশসেরা কোচ সালাউদ্দিন।

ভর্তিপ্রক্রিয়া

সাকিবের একাডেমিতে দেশ ও বিদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তির সুযোগ থাকছে। এছাড়া কোয়ালিটি নিয়ে কোন ছাড় দিতে রাজি নন সাকিব।তাই তিনি জানিয়েছেন যে তাঁর একাডেমিতে ভর্তি হবার জন্য কিছু বেশি ব্যয় হতে পারে।প্রথমে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ১৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে সাকিবের ক্রিকেট একাডেমিতে।তবে এই একাডেমিতে ভর্তির ক্ষেএে যাচাই-বাছাই হবে বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে।ভর্তির পর সবাইকে আলাদা আলাদা গ্ৰুপে ভাগ করে ক্লাস নেয়া হবে।

চলছে নির্মাণকাজ

সাকিবের অত্যাধুনিক ক্রিকেট একাডেমির কাজ দ্রুতলয়ে চলছে।জানা যায় একাডেমির ভেতরের নির্মাণাধীন দৃষ্টিনন্দন কারুকাজ আর স্থাপত্যশৈলী যে কারো নজর কাড়বে।প্রায় ১৬ বিঘা জমির উপর নির্মিত হচ্ছে এই ক্রিকেট একাডেমি।

একাডেমিক কার্যক্রম

সাকিব আল হাসানের অত্যাধুনিক ক্রিকেট একাডেমির ভর্তি ও অন্যান্য একাডেমিট কার্যক্রম শুরু হবে এই বছরের ফেব্রুয়ারির দিকে।

পৃষ্টপোষক কোম্পানী

দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ক্রিকেট একাডেমির মূল পৃষ্টপোষক প্রতিষ্ঠান মাসকো গ্ৰুপ।এ একাডেমি করতে মূল বিনিয়োগ করছে দ্যা সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন ও মাসকো গ্ৰুপ।

পরিশেষে সাকিব আল হাসানের ক্রিকেট একাডেমির সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।









সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                           

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : নতুন বছরের শুরুতে বেশকিছু নতুন জব সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে। এমনি কিছু জব সার্কুলারের তথ্য এখানে তুলে ধরা হল।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ

পদ‌ : সর্বশেষ জাতীয় বেতলস্কেলের ১০ম গ্ৰেড থেকে ২০ তম গ্ৰেডের স্থায়ী/অস্থায়ী বিভিন্ন পদ।
পদসংখ্যা :৮৪০টি
যোগ্যতা : যোগ্যতাসংশ্লিষ্ট সব তথ্য জানতে www.army.mil.bd এই ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
প্রার্থীর ধরণ : নারী-পুরুষ
কাজের ধরণ : অসামরিক
বেতন : পদ অনুযায়ী সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম থেকে ২০তম গ্ৰেড।
আবেদনের মাধ্যম : ডাক
আবেদনের শেষ তারিখ : ৬ফেব্রুয়ারি,২০২১।
বিস্তারিত তথ্য: www.army.mil.bd

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে চাকরি

পদ : সিনিয়র অফিসার/অফিসার/অফিসার ক্যাশ
মোট পদসংখ্যা :২৭৯ টি।
যোগ্যতা: যেকোন বিষয়ে চারবছর মেয়াদী স্নাতক / স্নাতকোত্তর ডিগ্ৰি।সিনিয়র অফিসার পদে আবেদনের জন্য শিক্ষাজীবনে যেকোন দুটি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ বা সমমানের জিপিএ থাকতে হবে। অফিসার এবং অফিসার ক্যাশ পদের জন্য নূন্যতম  একটি প্রথম বিভাগ  থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোন পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ থাকলে আবেদন করা যাবে না।
বয়স: ১৮ -৩০বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
বেতন : সিনিয়র অফিসার ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
            অফিসার/অফিসার ক্যাশ : ১৬,০০০-৩৮৬৪০ টাকা।
আবেদনের শেষ তারিখ : ২১/০১/২০২১ রাত ১১.৫৯ টা।
আবেদনের মাধ্যম : অনলাইন(https://erecruitment.bb.org.bd)
আবেদন ফি : ২০০ টাকা।

বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক সংস্থায় সহকারী প্রোগ্ৰামার নিয়োগ

সোনালী ব্যাংক,জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন,প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক,পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে সহকারী প্রোগ্ৰামার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : সহকারী প্রোগ্ৰামার
পদসংখ্যা : ৭৬টি।
যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্স বিষয়ে চারবছর মেয়াদী স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। শিক্ষাজীবনে যেকোন দুটি পরীক্ষায় প্রথমবিভাগ বা সমমানের জিপিএ থাকতে হবে।কোন পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ থাকলে আবেদন করা যাবে না।

বেতন : ২২,০০০- ৫৩,০৬০ টাকা।
বয়স : ১৮- ৩০বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান  এবং প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
আবেদনের মাধ্যম : অনলাইন (https://erecruitment.bb.org.bd)
আবেদন ফি : ২০০ টাকা।
আবেদনের শেষ তারিখ : ১৪/০১/২০২১ রাত ১১.৫৯টা।

এনজিওতে চাকরি

জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার(রিক)এ বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।
পদ: ১.জোনাল ম্যানেজার ২.এরিয়া ম্যানেজার ৩.শাখা ব্যবস্থাপক ৪.শাখা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ৫.ক্রেডিট অফিসার
পদসংখ্যা : জোনাল ম্যানেজার - ২০টি/ এরিয়া ম্যানেজার - ৭৫টি / শাখা ব্যবস্থাপক - ৩০০টি / শাখা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা - ৩০০টি / ক্রেডিট অফিসার - ১০০০টি।

যোগ্যতা : জোনাল ম্যানেজার এবং এরিয়া ম্যানেজার পদে আবেদনের যোগ্যতা কোন তৃতীয় বিভাগ ছাড়া যেকোন বিষয়ে স্নাতকোত্তর।শাখা ব্যবস্থাপক পদে যোগ্যতা নূ্যনতম স্নাতকোত্তর।শাখা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা পদে যোগ্যতা ন্যূনতম বাণিজ্যে স্নাতক।ক্রেডিট অফিসার পদের জন্য যোগ্যতা  স্নাতক।

অভিজ্ঞতা : পদভেদে  ১-২ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা। এছাড়া সবপদের ক্ষেএে এমএস অফিসে দক্ষ হতে হবে।

বেতন : পদভেদে  ২৪,৭৫০ টাকা থেকে ৫৭,০০০টাকা পর্যন্ত।

বয়স : জোনাল ম্যানেজার সর্বোচ্চ ৪৫ বছর।এরিয়া ম্যানেজার সর্বোচ্চ ৪০ বছর।শাখা ব্যবস্থাপক সর্বোচ্চ ৩২ বছর।শাখা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা সর্বোচ্চ ৩২ বছর।ক্রেডিট অফিসার সর্বোচ্চ ৩০ বছর।
অতিরিক্ত যোগ্যতা : সকল পদের প্রার্থীদের মটরসাইকেল চালনায় দক্ষ হতে হবে। এছাড়া মটরসাইকেল চালনার বৈধ লাইসেন্স থাকতে হবে।
কর্মক্ষেএ : বাংলাদেশের যেকোন স্থান।
আবেদনের তথ্য : আগ্ৰহীরা সংস্থাযর ঠিকানায় ডাকযোগে  বিস্তারিত অভিজ্ঞতার বিবরণসহ সিভি পাঠাতে পারবেন। এছাড়া পিডিএফ ফাইল করে সিভি সংস্থার ইমেইলে(cvdrop@ric-bd-info) পাঠাতে পারবেন।এছাড়া বিস্তারিত তথ্যের জন্য ভিজিট করতে পারেন সংস্থার ওয়েবসাইটে (www.ric-bd.org)। 

আবেদনের মাধ্যম : ডাক /অনলাইন




















উইন্ডিজ সিরিজের দল ও অন্যান্য

                                                             


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম :  বেশ লম্বা এক বিরতির পর বাংলাদেশে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আসর বসছে।ওয়েষ্ঠইন্ডিজের বিপক্ষে হোম সিরিজ জানুয়ারির শেষদিকে শুরু হবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এই সিরিজের জন্য প্রাথমিক টেষ্ট ও ওয়ানডে দল ঘোষণা করেছে।ওয়েষ্টইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডও বাংলাদেশ সফরের জন্য চূড়ান্ত টেষ্ট ও ওয়ানডে দল ঘোষণা করেছে।১০জানুয়ারি উইন্ডিজ ক্রিকেট দল বাংলাদেশে আসবে।তারপর চারদিনের কোয়ারেন্টিন শেষে অনুশীলনে নামবে দলটি। বাংলাদেশ দল ১০জানুয়ারি বায়োবাবলে চলে যাবে এবং ঐদিন টাইগারদের আনুষ্ঠানিক অনুশীলন শুরু হবে।

সিরিজের সূচি

সিরিজ শুরুর আগে ১৮জানুয়ারি বিকেএসপিতে একটি প্রস্তুতিম্যাচ(ওয়ানডে) অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ  ও ওয়েষ্টইন্ডিজের মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে ২০জানুয়ারি, ঐদিন প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ।ভেন্যু শেরেবাংলা স্টেডিয়াম, মিরপুর। দ্বিতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ২২জানুয়ারি,ভেন্যু শেরেবাংলা স্টেডিয়াম, মিরপুর। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ২৫জানুয়ারি,ভেন্যু জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, চট্রগ্রাম।তারপর দুদলের মধ্যে একটি চারদিনের প্রস্ততি ম্যাচ(২৮-৩১জানুয়ারি) এম এ আজিজ স্টেডিয়াম, চট্রগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ ও ওয়েষ্টইন্ডিজের মধ্যকার প্রথম টেস্ট ৩-৭জানুয়ারি,ভেন্যু জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, চট্রগ্রাম। দ্বিতীয় টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ১১-১৫ফেব্রুয়ারি,ভেন্যু শেরেবাংলা স্টেডিয়াম, মিরপুর।

বাংলাদেশের প্রাথমিক ওয়ানডে দল


তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, সৌম্য সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন,মো: মিঠুন,লিটন দাস, নাজমুল হোসেন,আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন,ইয়াসির আলী,মো:নাঈম,আল আমিন হোসেন, শরীফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, মোঃ সাইফুদ্দিন, তাইজুল ইসলাম,নাসুম আহমেদ, পারভেজ হোসেন, মেহেদী হাসান।

বাংলাদেশের প্রাথমিক টেষ্ট দল


মুমিনুল হক (অধিনায়ক),সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম,লিটন দাস, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, সাদমান ইসলাম, নাজমুল হোসেন, মোঃ মিঠুন,ইয়াসির আলী,সাইফ হাসান,আবু জায়েদ,খালেদ আহমেদ, হাসান মাহমুদ, নুরুল হাসান,নাঈম হাসান,ইবাদত হোসেন।

ওয়েষ্টইন্ডিজ ওয়ানডে দল


জেসন মোহাম্মদ (অধিনায়ক), সুনীল আমব্রিস,রুমাহ বোনার,জশুয়া ডি সিলভা,জামার হ্যামিল্টন,চেমার হোল্ডার,আকিল হোসেন,আলঝারি জোসেফ,জাইল মায়ের্স,আন্দ্রে ম্যাকক্যার্থি,কর্ন ওটলে,রবম্যান পাওয়েল,রেমন রেইফার, রোমারিও শেফার্ড,হেইডেন ওয়ালশ জুনিয়র।

ওয়েষ্টইন্ডিজ টেষ্ট দল


ক্রেইগ ব্রাথওয়েট(অধিনায়ক),জ্যার্মেইন ব্ল্যাকউড,রুমাহ বোনার,জন ক্যাম্পবেল,রেখিম কর্নওয়াল,জশুয়া ডি সিলভা,শ্যানন গ্ৰ্যাভিয়েল,কাভেম হজ,আলঝারি জোসেফ,কাইল মায়ের্স,শেন মোসলে,ভেরাসার্মি পেরমল,কেমার রোচ,রেমন রেইফার,জোমেল ওয়ারিক্যান।

সম্প্রচার


বেশ কয়েক মাস বিরতির পর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক সিরিজের খেলাগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে দেশের প্রথম স্পোটর্সভিওিক টিভিচ্যানেল টি-স্পোটর্স।

বাদ পড়লেন মাশরাফি ও মাহমুদুল্লাহ


বাংলাদেশ ও ওয়েষ্টইন্ডিজের মধ্যকার হোমসিরিজের দলে জায়গা হয়নি সাবেক সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার।এক্ষেএে মাশরাফির বয়স ও ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের কথা বিবেচনা করা হয়েছে বলে মিডিয়াসূএে জানা যায়। বর্তমানে ৩৭ বছরের একজন ফাষ্টবোলার ২০২৩ বিশ্বকাপে ঠিক কতটুকু ফিট থাকতে পারবেন সেটি বেশি বিবেচনা করা হয়েছে। এছাড়া এই সিরিজেও টেষ্ট দলে জায়গা পাননি জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।তবে ওয়ানডে দলে রয়েছেন এই ফিনিশার। এদের বাইরে এবারও জাতীয় দলের প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পাননি দেশের একসময়ের তারকা ব্যাটসম্যান মোঃ আশরাফুল, নাসির হোসেন ও সাব্বির রহমান। জিম্বাবুয়ে সিরিজে খেললেও এই সিরিজের কোন দলে জায়গা পাননি ফাষ্টবোলার শফিউল ইসলাম। উল্লেখ্য  করোনার জন্য ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দলের বেশকজন নিয়মিত প্লেয়ারও এই সফরের দলে নেই যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ক্রিস গেইল, জেসন হোল্ডার,কিয়েরন পোলার্ড,ডারেন ব্রাভো,রোষ্টন চেজ,শেলডন কটরেল,এভিন লুইস,শাইহোপ,হেটমায়ার,নিকোলাস পুরান,ফ্যাবিয়ান এলেন।






উইন্ডিজ সিরিজের বাংলাদেশ দল মূল্যায়ন

                                                                 



অবশেষে ঘোষিত হলো ওয়েষ্ঠইন্ডিজের বিপক্ষে হোম সিরিজের বাংলাদেশ দল। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া মোটামুটি প্রত্যাশিত দলই করা হয়েছে।ব্যতিক্রম হচ্ছে  মাশরাফি কোন দলেই স্থান পাননি।অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহকে টেষ্টের জন্য বিবেচনা করা হয়নি।মাশরাফির বয়স ৩৭হয়ে গেছে এবং কোচরা তাকে দলে রাখার পক্ষে মত দেননি মিডিয়াসূএে তেমনটাই জানা যায়।তবে মাহমুদুল্লাহকে কেন টেষ্টদলে নেয়া হয়নি সেটি জানা যায়নি।সম্ভবত টেষ্টে তাঁর ধারাবাহিক বাজে ফর্ম এক্ষেএে একটি কারণ ছিল।  টেষ্টের মিডল  অর্ডারে মাহমুদুল্লাহকে তবু মিথুনের চেয়ে বেশি দরকারি বলেই মনেহয়। যাহোক শেষপর্যন্ত টিমম্যানেজমেন্ট নিশ্চয় ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ব্যাটিং লাইনআপ ঠিক আছে

টেষ্টের ব্যাটিংয়ের জন্য দল সিলেকশন ভালো হয়েছে।তবে কথা হলো যদি কেমার রোচ বা শ্যানন গ্ৰ্যাভিয়েল বিপদজনক হয়ে উঠেন তখন কেমন করবে টাইগারদের টপ অর্ডার।এক্ষেএে মাহমুদুল্লাহবিহীন টেষ্টদলে নাইম শেখকে  নিলে হয়তো আরো ভালো হতো।অবশ্য সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় এই টিম সিলেকশন ঠিকই আছে।ঢাকা ও চট্টগ্রামের উইকেট বিবেচনায় টেষ্ট ও ওয়ানডের জন্য এই দল সিলেকশনকে  সঠিক বলতে হবে।আর সবকিছুর পর মূলকথা হলো বিগত কয়েক মাসের বিরতির পর বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কিভাবে আবার  পুরনো ফর্ম খোঁজে পায়।আর একটি বিষয় সত্য যে  উইন্ডিজ দলের বোলিং আক্রমণে অভিজ্ঞ কেমার রোচ,শ্যানন গ্ৰ্যাভিয়েল যেকোন উইকেটে ঝড় তোলার সামর্থ্য রাখেন।শ্যানন গ্ৰ্যাভিয়েলের গুডলেনথ ও শটপিচ বলগুলো বাংলাদেশের টপঅর্ডারে সমস্যা সৃষ্টির যথেষ্ট যোগ্যতা রাখে। এরসাথে রোচের সুইং ও ফুললেনথ ডেলিভারি টাইগার টপঅর্ডারের পরীক্ষা নিতেই পারে।যদিও আশার কথা হলো তামিম,মুশফিক, সাকিব,লিটন দাস এই মূল চার টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান দলে রয়েছেন।আর সাথে যদি মুমিনুল সেট হয়ে যান তাহলে বাংলাদেশ টেষ্টে ভালো কিছুই করবে। মাহমুদুল্লাহ দলে নেই তাই টেষ্টের ব্যাটিংয়ে মুশফিকের উপর বাড়তি দায়িত্ব থাকবে। এছাড়া টেষ্টের মূল একাদশে সুযোগ পেলে মোঃমিথুনকে আরও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করতে হবে। বাংলাদেশের ওয়ানডে দল ভালো হয়েছে। তামিম ইকবাল অধিনায়ক হিসেবে নতুন এক যাএা শুরু করবেন। এছাড়া অভিজ্ঞ মুশফিক এবং সাকিব রয়েছেন দলে। সাইফুদ্দিন, মাহমুদুল্লাহ,লিটন, মোসাদ্দেক,সৌম্য ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ে মূল দায়িত্ব পালন করবেন।আর ওয়েষ্টইন্ডিজের এবারের ওয়ানডে বোলিং লাইন কিছুটা দুর্বল একথা আপাতত ধারণা করা যাচ্ছে।



বোলার সিলেকশন ভালো হয়েছে

টেষ্টের বোলার সিলেকশন নিয়ে বড় কোন প্রশ্ন নেই।তবে আল আমিন হোসেনকে কেন রাখা হয়নি সেটি স্পষ্ট নয়।আল আমিন সোজা বল বেশ ভালো করেন যা টেষ্টে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যাদের জন্য বেশ চিন্তার কারণ হয়ে থাকে। তাই তাকে দলে সুযোগ দিলে হয়তো টেষ্টে সুফল মিলতো।যদিও স্মরণযোগ্য যে তাসকিন আহমেদ টেষ্ট দলে স্থান পেয়েছেন। তাসকিন সোজা বল ও রাইজিং ডেলিভারি বেশ ভালোই করেন। টেষ্টে তাসকিনের ইফেকটিভ রাইজিং ডেলিভারি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।বিশেষত তাসকিনের গুডলেনথ ও ফুললেনথ ডেলিভারি বেশ কার্যকর হতে পারে। মোস্তাফিজ যদি ফর্মে থাকেন তাহলে অবশ্যই নতুন বলে ভালো কিছুই করবেন।ওয়েষ্টইন্ডিজের এবারের দলটি যদিও তারুণ্যনির্ভর তবু এদের বেশকজনের ফাষ্টক্লাশ ক্যারিয়ার বেশ সমৃদ্ধ।এছাড়া ব্রাথওয়েট বেশ অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। তিনি সামনে থেকে ব্যাটিংয়ে নেতৃত্ব দেবেন।ফলে বাংলাদেশের বোলারদের খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী হওয়ার সুযোগ নেই।টেষ্টেদলে ইবাদত ও রাহি আছেন।বিগত কিছু সিরিজে এরা দুজন ছিলেন টেষ্টবোলিংয়ের মূলকান্ডারি।তবে আমাদের কথা হচ্ছে টেষ্টের বোলিংয়ে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেল প্রয়োজন।আর এক্ষেএে তাসকিনকে টেষ্টের মূল একাদশে রাখা উচিত।কারণ টেষ্টে বেশি তারুণ্যনির্ভর বোলিং শেষে বুমেরাং হতে পারে।আর টেষ্ট ও ওয়ানডেতে বাংলাদেশের মূল বোলিংকান্ডারি শেষপর্যন্ত সাকিব এবং মোস্তাফিজ।আর ওয়ানডেতে এদুজনের সাথে সাইফুদ্দিন হবেন মূল বোলার।


মাহমুদুল্লাহর রিপ্লেসমেন্ট 

তিনি বল ও ব্যাট দুক্ষেএেই পারঙ্গম এবং প্রয়োজনীয়। এছাড়া বাউন্স ও গতির বিপক্ষে মাহমুদুল্লাহ ভালো ব্যাটিং করেন। স্টোকমেকার হিসেবে গতি ও বাউন্সের বিপক্ষে সফল এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।মাহমুদুল্লাহকে টেষ্টের দলে রাখা হয়নি এবং এর পেছনে সম্ভবত তাঁর ধারাবাহিক বাজে ফর্ম দায়ি ছিল।এখন মাহমুদুল্লাহর অনুপস্থিতিতে সাকিব, মুমিনুলের উপর ব্যাটিংয়ের বাড়তি দায়িত্ব থাকবে। নতুনদের মধ্যে নাইম শেখকে টেষ্টে সুযোগ দেয়া যেত। কারণ ইনফর্ম নাইম শেখ  নিয়ন্ত্রিত স্টোক খেলায় পারদর্শী যা উইন্ডিজ বোলারদের বিপক্ষে বেশি কার্যকর হতো।তবে ওয়ানডে দলে নিইম শেখ সুযোগ পেয়েছেন এটি অবশ্যই ইতিবাচক।

মাশরাফি নেই , সাইফুদ্দিন আছেন

 বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের বড় এক ভরসার জায়গা নিঃসন্দেহে মোঃ সাইফুদ্দিন।বল,ব্যাট দুই ক্ষেএেই ওয়ানডেতে সাইফুদ্দিন দুর্দান্ত এক প্লেয়ার।এই সিরিজে দেশের একসময়ের সবচেয়ে দ্রুতগতির বোলার ও সাবেক সফলতম অধিনায়ক মাশরাফিকে ছাড়া খেলতে হবে।আর সাইফুদ্দিন ফর্মে থাকলে ওয়ানডেতে অলরাউন্ডার-মাশরাফি'র অভাব অনেকটাই পূরণ হতে পারে।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী




সুস্বাস্থ্যের জন্য সাঁতার

                                                             


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : শরীর সুস্থ রাখার জন্য জন্য দুনিয়াজুড়ে কতশত কসরত আর আয়োজন চলছে।কেউ সুস্থ শরীরের জন্য জগিং করছেন।কেউ আবার ডায়েট কন্ট্রোল করে সুস্থ শরীর গড়তে ব্যস্ত।আর এসব ফর্মুলার প্রায় প্রতিটিই সময়সাপেক্ষ।তাই শরীরকে সুস্থ রাখতে সাঁতারকে বেছে নিতে পারেন।সুস্থ শরীর গঠন ও মনকে ভালো রাখার জন্য সাঁতার খুব উপকারী।বলা হয় সাঁতার এক শ্রেষ্ঠ ব্যায়াম। বিশেষজ্ঞরা বলেন,দিনের একটি সময় সাঁতার কাটলে এটি এক চমৎকার ব্যায়াম হিসেবে স্বীকৃত হয়। সাঁতার বিভিন্ন জটিল রোগ থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এখানে শরীরের সুস্থতার জন্য সাঁতারের উপকারিতা তুলে ধরছি(সূত্র :সানন্দা)।

সাঁতারের যত উপকার

সাতারের বহুমাত্রিক স্বাস্থ্যগত উপকারিতা রয়েছে।এরমধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা নিয়ে এখানে আলোচনা করছি।
১.এখনকার সময়ে অনেকেই শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি নিয়ে চিন্তিত।আর অতিরিক্ত ক্যালরি শরীরে বিভিন্ন জটিল রোগ তৈরি করে।আর এক্ষেত্রে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি ঝরাতে চাইলে সাঁতার হতে পারে চমৎকার উপায়।
২.সাঁতার হ্নদপিন্ড ভালো রাখে ও ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।যারা নিয়মিত সাঁতার কাটেন তাদের হার্টের সমস্যা কমে।
৩.মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাঁতার খুব কার্যকর এক ফর্মুলা।ডিমেনসিয়া জাতীয় নানা মানসিক সমস্যায় মন ও মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে সাঁতার খুব কার্যকর ।
৪.হাড়ের বিভিন্ন রোগ সারাতে সাঁতার উপকারী উপায়।
৫.আর্থাইটিস জাতীয় হাঁটুর ব্যথা, পায়ের ব্যথায় সাঁতার উপকারী। অনেক ক্ষেত্রে এসব রোগে ব্যায়াম করতে সমস্যা হয় আর এক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে সাঁতার বেশ উপকারী।
৬.বয়সবাড়ার সাথে সাথে বাধ্যর্কজনিত ঘুমের সমস্যা হয়ে থাকে আর এক্ষেত্রে সাঁতার বেশ উপকারী। এমনকি নিয়মিত সাঁতার কাটলে ইনসোমনিয়ার মত অনিদ্রারোগ কমে যায়।
৭.সাঁতার আমাদের শরীরের পেশীকে শক্তিশালী করে।
৮.এছাড়া নিয়মিত সাঁতার কাটলে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায় এবং ভালো কোলেস্টেরল বেড়ে যায়।
৯.ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে সাঁতার উপকারী।
১০.শরীরের বাড়তি ওজন অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিল রোগ সৃষ্টি করে।আর এসবক্ষেএে নিয়মিত সাঁতার কাটলে উপকার পাবেন।

সাঁতার কাটার নিয়ম

সাঁতার কাটার আগে এর নিয়মগুলো জেনে রাখা ভালো। সাঁতার কাটার বিভিন্ন পদ্ধতি প্রচলিত আছে। তবে সাঁতার কাটার সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে বাটারফ্লাই।বাটারফ্লাই সাঁতারের সময় সারা শরীরের ভারসাম্য রেখে এক হাত সামনের দিকে ও অন্য হাত পেছনের দিকে দিয়ে সাঁতার কাটতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে সপ্তাহের একাধিক দিন অন্তত ৩০মিনিট সাঁতার কাটলে সবচেয়ে ভালো সুফল পাওয়া সম্ভব।

সাঁতারের সময়

দিনের যেকোন সময় সাঁতার কাটা যায় তবে সাঁতার কাটার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো সকালবেলা।আর সাতার কাটার আগে প্রস্ততি গুরুত্বপূর্ণ। সাঁতারের আগে পর্যাপ্ত পানি পানি পান করে নিতে হবে।এবং বিশেষজ্ঞদের মতে সাঁতারের আগে কোনভাবেই ভারি খাবার খাওয়া উচিত নয়।

সাতারের আদর্শ পোশাক

সাঁতারের সময় সুতির পোশাক এড়িয়ে চলা ভালো। এবং সাঁতারের সময় ভারি পোশাক পরা উচিত নয়। 

সর্তকতা 

১.হাঁপানি, সাইনোসাইটিস ইত্যাদি রোগীদের সাঁতারে সর্তকতা প্রয়োজন।
২.গর্ববতী নারীদের জন্য সাঁতার কাটা ঝুঁকিপূর্ণ।
৩.কখনোই দূষিত পানিতে সাঁতার কাটা উচিত নয়।
৪.অত্যধিক ক্লান্ত থাকলে কিংবা হঠাৎ গরম থেকে ফিরে সাথে সাথে সাঁতার কাটতে নামবেন না।গরম থেকে ফিরে কিংবা ক্লান্ত থাকলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে তারপর সাঁতার কাটুন।
৫.সাঁতারের সময় মুখে চুইংগাম জাতীয় কিছু রাখবেন না।
৬.সাঁতার কাটার আগে লাইফগার্ডের নিয়মকানুন জেনে নিন।









২০২০সালে তামিম লিটনের নতুন মাইলফলক

                                                           


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : ২০২০ সালে ক্রিকেটেও করোনার আঘাত লেগেছে।বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটে বেশ ছন্দপতন ছিল বছরজুড়েই।তবু এসবের মধ্যে ক্রিকেট শেষপর্যন্ত চলেছে। দেশের ক্রিকেটের জন্যও গেল বছরটি খুব যে ভালো গেছে সেটি বলা যাবেনা। কিছু হোম এন্ড এওয়ে সিরিজ বাতিল হয়েছে।এক্ষেএে শ্রীলঙ্কা সিরিজের কথা বলা যায়। তবে বাতিল হওয়া কিছু সিরিজ এ বছর হতে পারে।আর এসব দুটানা, দোলাচলের মধ্যেও দেশের ক্রিকেটের জন্য একটি সুখবর আছে।২০২০সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বাধিক সেঞ্চুরিয়ানের শীর্ষপাঁচে স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশের দুই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল এবং লিটন দাস(সূত্র: আইসিসি)।২০২০ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের সর্বাধিক সেঞ্চুরিয়ান শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে তামিম ইকবাল এবং লিটন দাস। খবরটি নিঃসন্দেহে দেশের ক্রিকেট অনুরাগীদের জন্য বড় এক আনন্দের বিষয়।

২০২০সালে ওয়ানডের শীর্ষ পাঁচ সেঞ্চুরিয়ান


করোনা বিপর্যয় তবু  ক্রিকেটের রাশ পুরোপুরি টেনে ধরতে পারেনি এটি ২০২০সালে ছিল এক স্বস্তির ঘটনা।মাঠের ক্রিকেট তবু কিছু কিছু চলেছে। বেশকিছু দেশ হোম এন্ড এওয়ে সিরিজ খেলেছে।ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্য গেল বছরটি মোটামুটি স্বস্তিদায়ক ছিল বলা যায়।২০২০সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বাধিক সেঞ্চুরিয়ানের তালিকা সম্প্রতি আইসিসি তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। 

স্টিভ স্মিথ সবার শীর্ষে

স্টিভ স্মিথের জন্য ২০২০সালটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে একথা বলা যায়। বর্তমান সময়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় এই ব্যাটসম্যান গেল বছর ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি (৩) সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। এবং সঙ্গতকারণেই ২০২০সালের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বাধিক সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে তিনি শীর্ষে অবস্থান করছেন।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে তামিম- লিটন


২০২০সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বাধিক সেঞ্চুরিয়ানের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তামিম ইকবাল। তামিম গেল বছর ওয়ানডে ক্রিকেটে ২টি সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া লিটন দাসও ২০২০সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে ২টি সেঞ্চুরি করে সর্বাধিক সেঞ্চুরিয়ানের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আকিব-ফিন্স


২০২০সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি হাঁকানো ব্যাটসম্যানের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিয়েছেন ওমানের ব্যাটসম্যান আকিব ইলিয়াস।আকিব গেল বছর ওয়ানডেতে ২টি সেঞ্চুরি করেছেন।আর শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের এই তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন অষ্ট্রেলিয়ার টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান অ্যারন ফিন্স।ফিন্স গেলবছর ওয়ানডে ক্রিকেটে ২টি সেঞ্চুরি করেন।

কোহলির বিরল দুর্ভাগ্য

বিরাট কোহলি গেল দশকের ওয়ানডে ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত ব্যাটসম্যান।বিরাট কোহলি মানে সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরি। এবং এই ব্যাটিং সেনসেশনের জন্য ওয়ানডে ক্রিকেট এক প্রিয় ফরমেট। টাইমিং ও স্কিলের  প্রয়োগ যেহেতু ওয়ানডেতে তুলনামূলক ভালো ভাবে সহজ হয় ফলে বিরাট কোহলির জন্য ওয়ানডে বরবরাই প্রিয়।তবে ২০২০ সালে বিরাট কোহলি ওয়ানডেতে কোন সেঞ্চুরি করতে পারেননি।এটি গেল বছরের ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্য একটি অদ্ভুত ঘটনা বলা যায়। উল্লেখ্য বিরাট কোহলি তাঁর ওয়ানডে অভিষেকের বছরেও (২০০৮) এরূপ দুর্ভাগ্যের শিকার হয়েছিলেন।২০০৮সালেও কোহলি ওয়ানডে ক্রিকেটে সেঞ্চুরিবঞ্ছিত ছিলেন।

বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ ওয়ানডে সেঞ্চুরিয়ান

বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তির জায়গা ওয়ানডে ক্রিকেট।এটি ক্রিকেটবিশ্বে স্বীকৃত। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি করেছেন তামিম ইকবাল (১৩সেঞ্চুরি)। সাকিবের ওয়ানডে সেঞ্চুরির সংখ্যা ৯টি।তারপর মুশফিকের অবস্থান। মুশফিকের ওয়ানডে সেঞ্চুরি ৭টি। শাহরিয়ার নাফিস ওয়ানডেতে ৪টি সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া ইমরুল কায়েস ওয়ানডে ক্রিকেটে ৪টি সেঞ্চুরি করেছেন।








সাম্প্রতিক চাকরির খবর

                                                      

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : দেশের চাকরির বাজারে বেশকিছু নতুন চাকরির আবেদন চলছে।সরকারী চাকরির পাশাপাশি বেশকিছু প্রাইভেট চাকরির আবেদনও চলছে। এছাড়া ৪৩তম বিসিএসের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বেশকিছু ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের আবেদনও চলছে।এই সময়ের কিছু চাকরির তথ্য এখানে তুলে ধরছি।

চলছে ৪৩তম বিসিএসের আবেদন

যারা বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে ৪৩তম বিসিএসের নিয়োগের আবেদন চলছে।যারা ফ্রেশ গ্ৰেজুয়েট ও যাদের বয়স ২১- ৩০ বছর তারা এই বিসিএসের আবেদন করতে পারবেন।আর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ,নাতি-নাতনি , প্রতিবন্ধী ও স্বাস্থ্যক্যাডারে আবেদনের যোগ্যদের জন্য বয়স সর্বোচ্চ ১৮- ৩২ বছর।৪৩তম বিসিএসের সার্কুলার পাবেন বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশনের ওয়েবসাইটে(bpsc.gov.bd)।

আবেদনের মাধ্যম: অনলাইন

আবেদনপত্র জমাদান শুরুর তারিখ :৩০/১২/২০২০ (সকাল ১০.০০)


আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ : ৩১/০১/২০২১(সন্ধ্যা ৬.০০)

পদসংখ্যা :১৮১৪টি

আবেদনের পদ্ধতি


৪৩ তম বিসিএসে যারা আবেদন করতে ইচ্ছুক তারা http://bpsc.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে অথবা বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশনের ওয়েবসাইট www.bpsc.gov.bd এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত অনলাইন আবেদনপত্র (BPSC form 1)পূরণ করে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম এবং ফি জমাদান সম্পন্ন করতে পারবেন।

আবেদন ফি জমাদান

প্রথম এসএমএস (sms) : টাইপ BCS<space>user id লিখে send করুন 16222 নম্বরে।
দ্বিতীয় এসএমএস (sms): টাইপ BCS <space>yes <space>pin  লিখে send করুন 16222 নম্বরে।

আবেদন ফি:৭০০টাকা।তবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ,প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের ক্ষেএে আবেদন ফি ১০০টাকা।


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে চাকরি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন চলছে।
পদসংখ্যা : ১৪০টি
আবেদনের যোগ্যতা : কোন স্বীকৃত বোর্ড থেকে অন্যূন দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএসহ এইসএসসি সার্টিফিকেট বা সমমানের ডিগ্ৰি।
অন্যান্য যোগ্যতা: কম্পিউটার টাইপে বাস্তব অভিজ্ঞতা।
বেতন :৯,৩০০ - ২২,৪৯০ টাকা।
বয়স: ১৮-৩০বছর।
আবেদনের মাধ্যম : অনলাইন।
আবেদনের শেষতারিখ : ৩০/০১/২০২১(বিকাল ৫.০০)
আবেদন করতে ভিজিট করুন : http://ddmr.teletalk.com.bd

এনসিসি ব্যাংকে চাকরি

দেশের সুপরিচিত প্রাইভেট কমার্সিয়াল ব্যাংক" এনসিসি ব্যাংক" এ "ক্রেডিট অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন অফিসার "পদে আবেদন চলছে।

পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা : যেকোন বিষয়ে মাষ্টার্স ডিগ্ৰি।
অভিজ্ঞতা : ২-৭বছরের অভিজ্ঞতা।
বয়স : সর্বোচ্চ ৪০ বছর।
চাকরির ধরণ : ফুলটাইম।
চাকরিস্থল : বাংলাদেশের যেকোন স্থান।
আবেদনের মাধ্যম : অনলাইন
আবেদনের শেষদিন: ৭ জানুয়ারি,২০২১।
সূত্র:বিডিজবস ডটকম(www.bdjobs.com)

সোশাল ইসলামী ব্যাংকে চাকরি

সোশাল ইসলামী ব্যাংকে" প্রবেশনারী অফিসার "পদে নিয়োগের জন্য আবেদন চলছে।
পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা: এমবিএ/এমবিএম/ইউজিসি অনুমোদিত প্রাইভেট বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোন বিষয়ে মাষ্টার্স ডিগ্ৰি। এছাড়া সব একাডেমিক পরীক্ষায় উচ্চতর জিপিএসহ প্রথম বিভাগ থাকতে হবে।
অন্যান্য দক্ষতা : বেসিক কম্পিউটার স্কিল বিশেষত এমএস অফিসে দক্ষ হতে হবে।
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর।
চাকরির ধরণ : ফুলটাইম
চাকরিস্থল : বাংলাদেশের যেকোন স্থান।
বেতন : মাসিক বেতন ৪০ হাজার টাকা ।
আবেদনের শেষতারিখ: ১০ জানুয়ারি,২০২১
আবেদনের মাধ্যম : অনলাইন (ভিজিট: www.siblbd.com/career)
সূএ : বিডিজবস ডটকম (www.bdjobs.com)










খ্রিষ্টীয় নতুন বছরের শুভেচ্ছা

            ‌                                               



প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: প্রিয় ক্রিকেট ডটকমের সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি খ্রিষ্টীয় নতুন বছরের (২০২১)শুভেচ্ছা।২০২০ সালে সবকিছুকে প্রায় হারিয়ে বিশ্বব্যাপী করোনার রাজত্ব ছিল।তবে নতুন বছরে অর্থাৎ ২০২১সালে করোনার প্রাদুর্ভাব কমে যাক এমনটিই আমাদের প্রত্যাশা।২০২১সালে ক্রিড়াক্রেএে বিশেষত দেশের ক্রিকেটে আরো যাকিছু দেখতে চাই তার একটি খসড়া এখানে দিচ্ছি।

সাকিব আবার ফর্ম ফিরে পাক

২০২০সালে করোনার সাথে দেশের ক্রিড়াক্ষেএে একটি দুঃখজনক খবর ছিল সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞা।তবে সবকিছুর পর আশার খবর হলো সাকিব আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন।যদিও পুরনো ফর্মে এখনো তাকে পাওয়া যায়নি।২০২১ সালে প্রত্যাশা থাকবে সাকিব তাঁর পুরনো রূপে জ্বলে উঠুক। টেষ্টের ব্যাটিংয়ে আরো মনোযোগী হোক।আর বোলিং তাঁর ঠিকই আছে।

টাইগারদের কাছে আরো কিছু ডাবল সেঞ্চুরির প্রত্যাশা


বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ঐতিহাসিকভাবে শক্তির জায়গা ক্লাস ও টাইমিং আর বোলিংয়ে স্পিননির্ভরতা।আর এশিয়ার কন্ডিশনে লংঘার ভার্সনের ব্যাটিংয়ের মূলমন্ত্র হচ্ছে ক্লাস ও টাইমিং।২০২১সালে প্রত্যাশা থাকবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা আরো কিছু ডাবল সেঞ্চুরি করুক।এক্ষেএে মুমিনুল, মুশফিক ও লিটনের কাছে প্রত্যাশা কিছুটা বেশি থাকবে।

বোলারদের কাছে প্রত্যাশা

২০২১সালে বোলারদের আরো নিখুঁত দেখতে চাই। রুবেল হোসেন,আল আমিন হোসেন, তাসকিনের মধ্যে আরো ক্ষিপ্রতা ও ক্ষুরধার বোলিং দেখতে চাই। রুবেল বহুদিন হলো ভালো ফর্মে নেই। মুস্তাফিজের আগের ধার কমে গেছে।এক্ষেএে ২০২১সালে মুস্তাফিজকে আরো সফলরূপে দেখার প্রত্যাশা থাকবে।



তিন অধিনায়কের কাছে প্রত্যাশা

বাংলাদেশ ক্রিকেটে তিন অধিনায়কের যুগে প্রবেশ করেছে।২০২১ এ তিন ফরমেটের তিন অধিনায়ক মুমিনুল,তামিম এবং রিয়াদের কাছে বিচক্ষণ অধিনায়কত্ব প্রত্যাশা করব।কারণ এখন বাংলাদেশের জাতীয় দল অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে শক্তিশালী।আর এর সাথে চাই অধিনায়কত্বে সময়োপযোগী বিচক্ষণতা ও মেধার সমন্বয়। অবশ্যই অতীতের দুর্বলতাগুলো অধিনায়কদের গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে এবং এখনই এগুলো সমাধান করতে হবে। সবকিছুর পর প্রত্যাশা থাকলো ২০২১সালে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক রেঙ্কিংয়ে আরো এগিয়ে যাক।