WHAT'S NEW?
Loading...

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

                                                             


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম:  আজ ১৬ ডিসেম্বর , মহান বিজয় দিবস।১৯৭১সালের এই দিনে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় লাভ করে।প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'র পক্ষ থেকে এই বিজযদিবসে একাওরের সকল শহীদ ও নিপীড়িত মানুষের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। এবং সেই সাথে মুক্তিযুদ্ধের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর পরিচিতি

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্ৰ দেশকে এগারটি সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া প্রায় প্রতিটি সেক্টরে সাবসেক্টর ছিল। এবং প্রতি সেক্টরে আলাদা আলাদা সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।দশ নম্বর সেক্টর কিছুটা ব্যতিক্রমী ছিল। এখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার বা সদরদপ্তর ছিলনা। আসুন মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরগুলো সম্পর্কে জেনে নিই(তথ্যসূএ:বাংলাপিডিয়া ও উইকিপিডিয়া)।


মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর


বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর ছিল চট্টগ্ৰাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশ পর্যন্ত।

সদরদপ্তর -  হরিণা

সাবসেক্টর- এই সেক্টরের অধীনে সাবসেক্টর ছিল ৫টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে ঋষিমুখ,শ্রীয়নগর,মনুঘাট,ডিমাগিরী।


মুক্তিযুদ্ধের ২নং সেক্টর


বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ২নং সেক্টর ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর ও নোয়াখালি জেলার এক অংশ নিয়ে গঠিত।

সদরদপ্তর - মেলাঘর

সাবসেক্টর - এই সেক্টরের অধীনে ৬টি সাবসেক্টর ছিল। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে মতিনগর,শালতানদী,নির্ভয়পুর। 


মুক্তিযুদ্ধের ৩নং সেক্টর


মুক্তিযুদ্ধের ৩নং সেক্টর উওরে চূড়ামনকাঠি থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাম্মণবাড়িয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

সদরদপ্তর - কলাগাছি

সাবসেক্টর - এই সেক্টরের সাথে ১০টি সাবসেক্টর ছিল। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে সিমলা,মনতলা,কালাছড়া।


মুক্তিযুদ্ধের ৪নং সেক্টর


বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৪নং সেক্টর উওরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

সদরদপ্তর - প্রথমে করিমগঞ্জ পরে আসামের মাসিমপুর।

সাবসেক্টর - ৬টি । উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে জালালপুর,আমলসিদ,কৈলাশ শহর।


মুক্তিযুদ্ধের ৫নং সেক্টর


মুক্তিযুদ্ধের ৫নং সেক্টর সিলেট জেলার দূর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্ব সীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।

সদরদপ্তর - বাঁশতলা

সাবসেক্টর - ৬টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে ডাউকি,শেলা, ভোলাগঞ্জ,বড়ছড়া।


মুক্তিযুদ্ধের ৬নং সেক্টর


মুক্তিযুদ্ধের ৬নং সেক্টর সমগ্ৰ রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত হয়। শুধু এই সেক্টরের সদরদপ্তর ছিল দেশের অভ্যন্তরে।

সদরদপ্তর - পাটগ্ৰামের নিকটবর্তী বুড়ীমারীতে।

সাবসেক্টর - ৫টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে পাটগ্ৰাম,সাহেবগঞ্জ, চিলাহাটি।


মুক্তিযুদ্ধের ৭নং সেক্টর



রাজশাহী,পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে ৭নং সেক্টর গঠিত হয়।

সদরদপ্তর - তরঙ্গপুর

সাবসেক্টর - ৮টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর মেহেদীপুর, শেখপাড়া,হামজাপুর।


মুক্তিযুদ্ধের ৮নং সেক্টর


কুষ্টিয়া,যশোর, খুলনা, বরিশাল ,ফরিদপুর, পটুয়াখালী নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৮নং সেক্টর গঠিত হয়।

সদরদপ্তর - বেনাপোল

সাবসেক্টর - ৭টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর বয়রা,ভোমরা, বেনাপোল,শিকারপুর।


মুক্তিযুদ্ধের ৯নং সেক্টর



বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।

সদরদপ্তর - বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে

সাবসেক্টর - ৩টি। সাবসেক্টর যথাক্রমে টাকি,হিঙ্গলগঞ্জ ও শমসেরনগর।


মুক্তিযুদ্ধের ১০নং সেক্টর



বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী সেক্টর এটি। শুধু নৌকমান্ড নিয়ে এই সেক্টর গঠিত  হয়।এই সেক্টরের কোন আঞ্চলিক সীমানা ছিল না।এই সেক্টরে কোন সাবসেক্টর ছিলনা। নিয়মিত সেক্টরকমান্ডারও ছিলনা এই সেক্টরে।


মুক্তিযুদ্ধের ১১নং সেক্টর


টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত তৎকালিন সমগ্ৰ ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।

সদরদপ্তর - মহেন্দ্রগঞ্জ

সাবসেক্টর - ৮টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর মহেন্দ্রগঞ্জ,ঢালু,বাগমারা।