WHAT'S NEW?
Loading...

২০২০ সালে ক্রিড়াবিশ্বের হালচাল

                                                                


ক্রিড়াবিশ্বের ক্যালেন্ডার থেকে আরো একটি বছর চলে গেল।২০২০ সালে বৈশ্বিক ক্রিড়াজগতের জন্য বড় হতাশার কারণ ছিল করোনা মহামারী।ট্রাম্পের পরাজয় , চীনের করোনা নিয়ে লুকোচুরি কিংবা লাদাকে চীন-ভারত সংঘর্ষ সবকিছুর চেয়ে এবার বিশ্বের আলোচিত ঘটনা করোনা।করোনার ছোবলে বিশ্বের সব মানবজাতির জন্য এই বছরটি ছিল চ্যালেঞ্জের।আর এসবকিছুর ভিড়ে ক্রিড়াবিশ্বে ছিল সুখদুঃখের দোলাচল।এ বছর বিশ্বের বেশকজন তারকা ক্রিড়াবিদ পৃথিবী ছেড়ে গেছেন চিরতরে। দেশ-বিদেশের বেশকজন তারকা ক্রিড়াবিদ এবছর পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নিয়েছেন। ফুটবলের সুপারম্যান দিয়োগো ম্যারাডোনা, সাবেক ক্রিকেটতারকা ডিন জোন্স , বাস্কেটবল কিংবদন্তি কোবি ব্রায়েন্ট, বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার ও ক্রিড়াসংগঠক বাদল রায় এ বছর মৃত্যুবরণ করেছেন।আর এসবের সাথে ক্রিড়াবিশ্বের জন্য বেশকিছু সুখবরও ছিল। আইপিএলের মত জনপ্রিয় ক্রিকেট লিগ শেষপর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া এলপিএল,বিগব্যাশ, বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ,পিএসএলসহ দেশ-বিদেশের বেশকিছু ক্রিকেট ইভেন্ট মাঠে গড়িয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এ বছর মাঠে ফিরেছেন।।২০২০সালের ক্রিড়াবিশ্বের সুখদুঃখের গল্প নিয়ে এই লেখা।

চলে গেলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা

নিঃসন্দেহে ২০২০সালের ক্রিড়াবিশ্বের সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা ছিল আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্য। এ বছর বিশ্বের কোটি কোটি দর্শককে শোকসাগরে ভাসিয়ে পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার।আর ক্রিড়াবিশ্ব হারায় তার এক শ্রেষ্ঠ বন্ধুকে।২৫নভেম্বর,২০২০ ম্যারাডোনা চলে যান পরপারে।৮৬বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপাজয়ের মূল নায়ক ছিলেন ম্যারাডোনা।৯০বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এই কিংবদন্তি।

কোবি ব্রায়ান্টের চিরবিদায়

২০২০ সালের ক্রিড়াবিশ্বের জন্য একটি দুঃখজনক খবর ছিল বিখ্যাত বাস্কেটবল খেলোয়াড় কোবি ব্রায়ান্টের হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত্যু।বছরের শুরুতে এটি ছিল ক্রিড়াবিশ্বের জন্য এক বেদনাদায়ক খবর।কোবি ব্রায়ান্ট ছিলেন পাঁচবারের এনবিও চ্যাম্পিয়ন । এছাড়া কোবি ২০০৮ ও ২০১২ সালের অলিম্পিক বাস্কেটবলে স্বর্ণপদক জয় করেন।

ডিন জোন্সের চলে যাওয়া

অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা ক্রিকেটার ডিন জোন্স এ বছর মৃত্যবরণ করেন। তিনি জনপ্রিয় ভাষ্যকার হিসেবে ক্রিকেটবিশ্বে সুপরিচিত ছিলেন। এছাড়া জোন্স ১৯৮৭ সালের অষ্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন।  আইপিএলের ধারাভাষ্য দিতে জোন্স মুম্বাইয়ে অবস্থান করছিলেন এবং সেখানে এ বছরের ২৪সেপ্টেম্বর তিনি আকস্মিক স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেন।জোন্সের আকস্মিক মৃত্যু ক্রিকেটের জন্য ছিল বছরের এক বড় ধাক্কা।

চেতন চৌহানের বিদায়

২০২০ সালে ক্রিকেটের আরেক নক্ষএ ঝরে যান।আর সেই নক্ষএ হচ্ছেন ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান চেতন চৌহান। ভারতের হয়ে ৪০টি টেষ্ট ও ৭টি ওয়ানডে খেলেছেন এই ব্যাটসম্যান।

পাওলো রসির চলে যাওয়া

ইতালির সাবেক তারকা ফুটবলার পাওলো রসিও না ফেরার দেশে চলে গেছেন ২০২০ সালে। এবং ক্রিড়াবিশ্বের জন্য এটিও ছিল বেদনাদায়ক সংবাদ।

রেসলার লুক হারপারের চিরবিদায়

রেসলিং জগতের জন্য ২০২০ সাল ছিল বেদনাদায়ক।কারণ এ বছর রেসলিং জগত হারিয়েছে তাদের জনপ্রিয় রেসলার লুক হারপারকে।২০২০ সালে মাএ ৪১ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে যান এই কিংবদন্তি রেসলার।

আরো যারা পৃথিবী ছেড়ে গেলেন

২০২০সালে দেশ ও বিদেশের বেশকিছু তারকা ক্রিড়াবিদ নাফেরার দেশে চলে গেছেন।এক্ষেএে সাবেক উইন্ডিজ গ্ৰেট এডভারটন উইকস, বাংলাদেশের প্রথম বাঁহাতি স্পিনার রামচাঁদ গোয়ালা , বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার নওশেরুজ্জামান,বাদল রায়,রেফারি আব্দুল আজিজ অন্যতম। এদের বিদায়ে ২০২০ সালে ক্রিড়াবিশ্ব ছিল শোকাহত।

স্থগিত টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ, বাতিল বিপিএল

২০২০ সালে ক্রিকেট বিশ্বের জন্য এক বড় ধাক্কা ছিল টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষপর্যন্ত স্থগিত হয়ে যাওয়া। ক্রিকেটের এই জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক আসর প্রতি দুই বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়।তবে এবার করোনা জটিলতার কারণে শেষপর্যন্ত টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ স্থগিত করা হয়।২০২০ সালের বিপিএল শেষপর্যন্ত বাতিল করা হয়।

তবু যা ছিল ইতিবাচক

তবু ২০২০ সালে করোনা আর বেশকিছু তারকার মৃত্যুর পরও ক্রিড়াবিশ্বের জন্য বেশ কিছু ইতিবাচক সংবাদও ছিল।করোনার বাঁধার মধ্যেও বিশ্বব্যাপী  ক্রিড়ার প্রবাহ শেষপর্যন্ত আবার চালু হয়েছে। এবং ধীরে ধীরে ক্রিড়াবিশ্ব সচল হচ্ছে। এছাড়াও আরো যা ছিল ইতিবাচক তেমন কিছুই এখানে তুলে ধরছি।

অবশেষে অনুষ্ঠিত হলো আইপিএল

অনেক জল্পনা কল্পনার পর করোনার মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হলো আইপিএল।তবে এ বছরের আইপিএল স্মরণীয় হয়ে থাকবে দর্শকবিহীন ক্রিকেটের জন্য।কারণ ২০২০সালের আইপিএলে দর্শকরা সরাসরি মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাননি।প্রতিটি ফ্রাঞ্ছাইজির জন্য ছিল আলাদা আলাদা থাকা খাওয়া ও স্বাস্থ্যসুরক্ষার ব্যবস্থা। ২০২০সালে আইপিএলের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও কিছু কিছু মাঠে গড়িয়েছে।

বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ এবং সাকিবের ফেরা

এ বছর দেশের ক্রিড়ার বড় খবর ছিল বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ আয়োজন এবং দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ক্রিকেটে ফেরার ঘটনা। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে দেশের নবীন ও অভিজ্ঞ প্লেয়ারদের সমন্বয়ে চমৎকার ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়।আর এর মধ্যে সাকিব আল হাসানের ফেরা ছিল বাড়তি পাওয়া।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী
















জাতীয় দলের নতুন ব্যাটিংকোচ জন লুইস

                                                                   


 প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন ব্যাটিংকোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইংলিশ কাউন্টি দল ডারহামের প্রধান কোচ জন লুইস(সূএ: সমকাল)।লুইস এর আগে ২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য দেশের মাটিতে সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়।এরপর তৎকালিন ব্যাটিংকোচ নীল ম্যাকেঞ্জি জাতীয় দলের দায়িত্ব ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলের সাবেক তারকা ক্রিকেটার ক্রেইগ ম্যাকমিলানকে ব্যাটিংকোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় বিসিবি।তবে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে শেষপর্যন্ত ম্যাকমিলান বাংলাদেশে আসেননি। অবশেষে তামিম সাকিবদের ব্যাটিংকোচ হিসেবে নিয়োগ পেলেন জন লুইস।

৪৫বছর বয়সী জন লুইস বর্তমানে ইংল্যান্ড কাউন্টিদল ডারহামের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করছেন।এর আগে শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের ব্যাটিংকোচ ছিলেন এই ইংলিশ কোচ। শ্রীলঙ্কার ২০১৯ বিশ্বকাপদলের ব্যাটিংকোচ ছিলেন জন লুইস।বলা হয় উপমহাদেশের কন্ডিশন সম্পর্কে জন লুইসের ভালো ধারণা রয়েছে যেজন্য বিসিবি তাকে বেছে নিয়েছে।

জন লুইস তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ১৪৬টি প্রথমশ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন।প্রথমশ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর  প্রায় ৮হাজার রান রয়েছে। উল্লেখ্য ওয়েষ্ঠইন্ডিজের বিপক্ষে জানুয়ারির হোম সিরিজে র আগেই জন লুইসের বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাথে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে।

আইসিসির দশকসেরা ওয়ানডে একাদশে সাকিব

                                                          




প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি প্রতিদশকের ন্যায় এই দশকের (২০১০-২০২০) ক্রিকেটের তিন ফরমেটের দশকসেরা একাদশ ঘোষণা করেছে।এসব তালিকায় আগের দশকের অনেকেই স্থান পাননি। আবার বেশকিছু নতুন নাম যুক্ত হয়েছে এ দশকের আইসিসির সেরা টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি একাদশে। আইসিসির দশকসেরা ওয়ানডে একাদশে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান। উল্লেখ্য আইসিসির দশকসেরা একাদশ ক্রিকেটের অত্যন্ত প্রেস্টিজিয়াস দলিল। এখানে সাধারণত তিন ফরমেটের ক্রিকেটে দশকের সবচেয়ে সেরাদের নিয়ে একাদশ তৈরি করা হয়। আসুন এ দশকে আইসিসির তিন ফরমেটের দশকসেরা একাদশে কারা স্থান পেলেন দেখে নেই(সূত্র: উইজডেন)।

আইসিসির দশকসেরা টেষ্ট একাদশে যারা স্থান পেলেন

বিরাট কোহলি(অধিনায়ক),কেন উইলিয়ামসন,ডেভিড ওয়ার্নার,আলিস্টার কুক,স্টিভ স্মিথ, কুমার সাঙ্গাকারা,বেন স্টোকস,ডেল স্টেইন,স্টুয়াড ব্রড, জেমস এন্ডারসন , রবিচন্দ্রন অশ্বিন।


আইসিসির দশকসেরা ওয়ানডে একাদশে যারা স্থান পেলেন

এম এস ধোনি(অধিনায়ক), রোহিত শর্মা,ডেভিড ওয়ার্নার, বিরাট কোহলি,এবি ডিভিলিয়ার্স, সাকিব আল হাসান,বেন স্টোকস, মিশেল স্টার্ক,ট্রেন্ট বোল্ট, ইমরান তাহির,লাসিথ মালিঙ্গা।

আইসিসির দশকসেরা টিটুয়েন্টি একাদশে যারা স্থান পেলেন

এম এস ধোনি(অধিনায়ক),ক্রিস গেইল, রোহিত শর্মা,অ্যারন ফিঞ্চ,বিরাট কোহলি,এবি ডিভিলিয়ার্স,গ্লেন ম্যাক্সওয়েল,কিয়েরন পোলার্ড, রশিদ খান,জাসপ্রিত বুমরা, লাসিথ মালিঙ্গা।?

তিন ফরমেটেই অধিনায়ক ভারতীয়

আইসিসির দেশসেরা টেষ্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি একাদশে অধিনায়ক হিসেবে  ভারতীয়দের বেছে নেয়া হয়েছে। আইসিসির দশকসেরা টেষ্ট একাদশে অধিনায়ক হিসেবে স্থান পেয়েছেন বিরাট কোহলি। এছাড়া আইসিসির দশকসেরা ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি একাদশে অধিনায়ক হিসেবে রয়েছেন ভারতের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী দলনেতা এমএস ধোনি।

দশকসেরা ওয়ানডে একাদশে সাকিব

সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আইসিসির দশকসেরা ওয়ানডে একাদশে স্থান পেয়েছেন।এটি অবশ্যই নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সদ্য ক্রিকেটে ফেরা সাকিবের জন্য বড় এক সুখবর।আর এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এক অসাধারণ মাইলস্টোন।

তিন ফরমেটেই রয়েছেন কোহলি


আইসিসির তিন ফরমেটের দশকসেরা একাদশে রয়েছেন ভারতের ক্রিকেট আইকন বিরাট কোহলি। দশকজুড়ে ক্রিকেটের তিন ফরমেটেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করা এই ব্যাটিং জিনিয়াস এক্ষেত্রে আরেক অনন্য স্বীকৃতি পেলেন। আইসিসির তিন ফরমেটের দশকসেরা একাদশে স্থান পাওয়া অবশ্যই একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা।

যে তারকারা কোন একাদশে নেই

বেশকিছু তারকা ক্রিকেটার এবার আইসিসির দশকসেরা কোন একাদশেই স্থান পাননি। ইংল্যান্ডের জস বাটলার,জে রুট, দক্ষিণ আফ্রিকার রাবাদা,ডিকক, নিউজিল্যান্ডের সাউদি,গাফটিল,ওয়েষ্ট ইন্ডিজের ডিজে ব্রাভো,কেমার রোচ,জেসন হোল্ডার,সুনিল নারিন, ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা,চাহাল,কেএল রাউল,মো:শামি এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য নাম যারা আইসিসির দশকসেরা কোন একাদশেই স্থান পাননি। উল্লেখ্য টেষ্টপ্লেয়িং দেশগুলোর মধ্যে জিম্বাবুয়ে ও পাকিস্তানের কেউ আইসিসির দশকসেরা কোন একাদশে স্থান পাননি।

যে উপায়ে মোবাইলের চার্জ ধরে রাখবেন

                                                             


 প্রিয় ক্রিকেট ডটকম :এই যুগে মোবাইল ছাড়া জীবন প্রায় অচল।হাটে,মাঠে,অফিস কিংবা বাসায় মোবাইল এক গুরুত্বপূর্ণ সহচর। আমাদের জীবনকে আরো সহজ করে তুলেছে এই মোবাইল নামক বস্তটি।আর ফিচার মোবাইলের সাথে এখন স্মার্টফোনের জয়জয়কার।দেশি বিদেশি ফিচার ও স্মার্টফোন এখন বেশ কম্পিটিটিভ প্রাইসে পাওয়া যাচ্ছে।তবে এসবকিছুর ভিড়ে মোবাইলের চার্জ নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশ অস্বস্তি শুনা যায়।বিশেযত স্মার্টফোনের চার্জ নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই।আর প্রায় নিত্যপ্রয়োজনীয় এই বস্তুটি যদি চার্জের হেরফেরে কাজের ব্যঘাত ঘটায় তবেতো অবশ্যই ভাবনার প্রয়োজন আছে।এখন অনেকেই চার্জসমস্যার জন্য সাথে পাওয়ারব্যাংক রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।তবে টেক স্পেশালিষ্টদের মতে কিছু বিষয়ে সচেতন থাকলে মোবাইলের চার্জ দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখা সম্ভব।টাইমস অব ইন্ডিয়া থেকে মোবাইলের চার্জ দীর্ঘ সময় যাবত ধরে রাখার কিছু উপায় এখানে তুলে ধরছি।


ডিসপ্লের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন


মোবাইলের চার্জ ধরে রাখার জন্য একটি ভালো উপায় হচ্ছে মোবাইলের ডিসপ্লের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখা।ডিসপ্লের আলো বাড়িয়ে রাখলে অতিরিক্ত চার্জ ক্ষয় হয়। এবং অনেকেই এ বিষয়ে বেশ সচেতন।তবে যারা এ বিষয়ে অবগত নন তাদেরকে বলব এখন থেকে এই টিপসটি ব্যবহার করে দেখুন। মোবাইলের ডিসপ্লের ব্রাইটনেস সবসময় কমিয়ে রাখুন।এবং এই কাজটি ল্যাপটপ ও নোটবুকের ক্ষেএেও প্রয়োগ করুন।এতে আপনার প্রয়োজনীয় স্মার্ট ডিভাইসটির চার্জ দ্রুত শেষ হবে না।


লো পাওয়ার মোড ব্যবহার করুন

স্মার্টফোনের পাওয়ার মোড ব্যবহারে সচেতন হলে অনেকক্ষণ যাবত চার্জ ধরে রাখা সম্ভব।এর ফলে প্রিয় স্মার্ট ডিভাইসটি আরো  ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।তাই স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেএে লো পাওয়ার মোড ব্যবহার করুন। এছাড়া ব্যাটারি সেভার অন করে রাখুন। কিছু ডিভাইসে ব্যাটারি সেভার অটোমেটিক সিগন্যাল দেয়। এ ধরণের মোবাইল ব্যবহার করুন।


কালো ওয়ালপেপার ব্যবহার করুন

মোবাইলের চার্জ ধরে রাখার একটি চমৎকার উপায় হলো কালো ও অনুজ্জ্বল ওয়ালপেপার ব্যবহার করা।কারণ কালো ও অনুজ্জল ওয়ালপেপার তুলনামূলকভাবে কম চার্জ খরচ করে। তাই আপনার স্মার্টডিভাইসে অতিউজ্জল ওয়ালপেপার অন থাকলে এখনি সেটি বদলে ফেলুন।


লকস্ক্রিন নোটিফিকেশন অন রাখুন

মোবাইল বা ল্যাপটপের চার্জ নিয়ে যারা চিন্তায় থাকেন তাদের জন্য ডিভাইসের চার্জ ধরে রাখার একটি চমৎকার উপায় হলো এর লকস্ক্রিন নোটিফিকেশন অন করে রাখা।এটি মোবাইল বা স্মার্টডিভাইসের চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে রাখার ক্ষেএে এক অসাধারণ ফর্মুলা।এটি অন থাকলে আপনাকে বারবার লক খুলে নোটিফিকেশন দেখতে হবে না ফলে অতিরিক্ত চার্জ ক্ষয় হবেনা।


কাজের পর অ্যাপস বন্ধ রাখুন


এখন মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা।আর এক্ষেত্রে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করতে হয়।তবে অনেকেই কাজের শেষে বিভিন্ন অ্যাপ চালু রেখে দেন আর এরফলে  অতিরিক্ত চার্জ খরচ হয়। কিন্তু স্মার্টফোনের চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে চাইলে অবশ্যই এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। জিপিএস, ওয়াইফাইয়ের মত অ্যাপ প্রায়ই অন করা থাকে। এধরণের অ্যাপ প্রচুর চার্জ খরচ করে। তাই স্মার্টফোনের চার্জ বাঁচাতে চাইলে বিভিন্ন চালু অ্যাপ কাজের পরে বন্ধ করে দিন।


অ্যাপ ডাউনলোড ও আপডেট


ডাটা ব্যবহার করে অ্যাপ ডাউনলোড বা অ্যাপ আপডেট করলে অতিরিক্ত চার্জ খরচ হয়।এক্ষেএে মোবাইলের চার্জ সংরক্ষণের জন্য অ্যাপ ডাউনলোড বা অ্যাপ আপডেটের মত কাজে দ্রুতগতির ওয়াই-ফাই ব্যবহার করুন।এতে তুলনামূলক কম সময়ে অ্যাপ ডাউনলোড ও আপডেট হবে।আর এ উপায়ে স্মার্টডিভাইসের চার্জ কম খরচ হবে। 

চার্জের সময় অ্যারোপ্লেন মোড


মোবাইলের চার্জ নিয়ে যারা সমস্যায় আছেন তাদের জন্য চার্জ বাঁচানোর একটি চমৎকার উপায় হচ্ছে চার্জের সময় মোবাইলের অ্যারোপ্লেন মোড অন রাখা।এ প্রক্রিয়ায় দ্রুত আপনার ডিভাইসটি চার্জ হবে।


অরিজিনাল ব্যাটারি ব্যবহার করুন


স্মার্টফোনের চার্জের সমস্যার জন্য অনেক ক্ষেত্রে নকল ব্যাটারির ব্যবহার একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়। তাই স্মার্টফোনে ভালো চার্জ সার্ভিস পেতে চাইলে ব্যাটারি বদলের সময় অরিজিনাল ব্যাটারি ব্যবহার করুন।এতে আপনার ফোন ভালো থাকবে এবং চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে থাকবে।



বাসা কিংবা অফিসে ওয়াইফাই ব্যবহার করুন


বাসা কিংবা অফিসে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় মোবাইল ডাটা ব্যবহার করলে তুলনামূলক বেশি চার্জ ক্ষয় হয়। তাই মোবাইলের চার্জ ক্ষয় কমাতে বাসা কিংবা অফিসে ওয়াইফাই ব্যবহার করুন। ওয়াইফাই ব্যবহার করলে মোবাইলের চার্জ তুলনামূলকভাবে কম খরচ হয়।


চার্জের ক্ষেএে সেরা পাঁচ স্মার্টফোন

মোবাইল এই সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ বস্তু।প্রায় সবধরণের যোগাযোগের এক সহজলভ্য মাধ্যম হচ্ছে মোবাইল।তবে মোবাইলের বিশেষত স্মার্টফোনের চার্জ নিয়ে অনেকেই চিন্তায় আছেন।আর স্মার্টফোনের চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে থাকলে সহজে কাজের ব্যাঘাত ঘটে না।এসব বিষয় মাথায় রেখে এই সময়ের চার্জের দিক থেকে সেরা পাঁচ স্মার্টফোনের তথ্য এখানে তুলে ধরছি।


অ্যাপল আইফোন এক্সআর

এই ফোনটি চার্জের জন্য খুবই ভালো।এই ফোনে একবার চার্জ দিলে ১৯ ঘন্টার বেশি চার্জ থাকার নিশ্চয়তা আছে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট টেন প্লাস


এই ফোনটি চার্জের ক্ষেএে ভালো।এতে একবার চার্জে ২১ ঘন্টা চার্জ থাকবে।

মোটরোলা মোটো জি সেভেন পাওয়ার


মোটরোলা মোটো জি সেভেন পাওয়ার ফোনটিতে একবার চার্জ দিলে ২৩ঘন্টা চার্জ থাকার নিশ্চয়তা আছে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস টেন প্লাস 


স্যামসাংয়ের এই ফোনটি দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখার জন্য খুবই জনপ্রিয়।এতে একবার চার্জে ২১ঘন্টা চার্জ থাকবে।

হুয়াওয়ে পি থার্টি প্রো


যারা দীর্ঘ সময় চার্জসুবিধা পেতে চান তাদের জন্য চমৎকার এক ফোন হতে পারে হুয়াওয়ে পি থার্টি প্রো।এতে একবার চার্জে ২২ঘন্টা চার্জ থাকার নিশ্চয়তা রয়েছে।




বড়দিনের শুভেচ্ছা

                                                          

 

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : আজ ২৫ডিসেম্বর শুভ বড়দিন।খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব বড়দিন । বিশ্বজুড়ে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা এদিনটি গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করেন।প্রিয় ক্রিকেট ডটকমের পক্ষথেকে  ক্রিষ্টান ধর্মীবলম্বীদের জানাচ্ছি বড় দিনের শুভেচ্ছা।

বিখ্যাত ব্যাটসম্যানদের প্রিয় শট

                                                                    



 ক্রিকেটের বিখ্যাত ব্যাটসম্যানদের নিয়ে সাপোর্টার ও বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রতিনিয়ত আলোচনা চলে।এ যেন মাঠের বাইরে অন্য এক ক্রিকেট।এই যেমন ভারত এডিলেড টেষ্টে বাজে বাটিং করল আর অতিউৎসাহী দর্শকদের কেউ কেউ এখানে অধিনায়ক বিরাট কোহলির বউকে পর্যন্ত দায়ি করলেন।আসলে ক্রিকেটের বাইরের আলোচনা কখনো কখনো মাঠের মত আলোচিত হয়ে উঠে।তবে আজকের এই লেখা তেমন কিছু নয়।এ লেখার বিষয় হচ্ছে বিখ্যাত ব্যাটসম্যানদের প্রিয়শট কোনটি। অর্থাৎ ঠিক কোন শটটি কোন বিখ্যাত ব্যাটসম্যান ভালো খেলতেন সেটিই এখানে তুলে ধরা হবে।আর এক্ষেত্রে তথ্যসূএ হিসেবে রয়েছে ইন্ডিয়া টাইমস।ছবি:ধোনির হেলিকপ্টার শট।


শচীনের প্রিয়শট স্টেইট ড্রাইভ

যিনি সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি করেছেন তাকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই।আর সেই ব্যাটসম্যানটি হচ্ছেন ক্রিকেটের লিটল মাষ্টারখ্যাত শচীন রমেশ টেন্ডুলকার। শচীনের অন্ধর আর বাইরের খবর নিয়ে সবসময়ই আলোচনা চলে ক্রিকেটপাড়ায়।আর এমন অসাধারণ এক ব্যাটসম্যানের খবর স্বাভাবিকভাবেই সবার আগ্ৰহের কেন্দ্রবিন্দু হবার দাবি রাখে। শচীন টেন্ডুলকার সবচেয়ে নিখুঁত ভাবে খেলতেন স্টেইট ড্রাইভ।আর ক্রিকেট বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে শচীন প্রায় সব ক্লাসিক্যাল শটই ভালো খেলতেন তবু তাঁর ট্রেডমার্ক শট হচ্ছে স্টেইট ড্রাইভ।পেস ও স্পিন দুই ধরণের বলের বিপক্ষেই শচীন দারুণ স্টেইট ড্রাইভ খেলতেন।এই লিটলমাষ্টারের ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রান এসেছে এই শটটি থেকে। টাইমিং ও পাওয়ারের সমন্বয়ে শচীন সবধরণের উইকেটেই দারুণসব স্টেইট ড্রাইভ খেলেছেন।


দ্রাবিড় কভার ড্রাইভ ভালো খেলতেন

রাউল দ্রাবিড়কে ক্রিকেটের ক্লাসিক্যাল ঘরানার সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বলা হয়।রাউল দ্রাবিড়ের টেকনিক ও টাইমিং ক্রিকেটের সবকালের এক উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। দ্রাবিড় যে শটটি খেলতে সবচেয়ে বেশি কমফোর্ট ফিল করতেন সেটি হচ্ছে কভার ড্রাইভ।বলা হয় দ্রাবিড়ের মত নিখুঁত কভার ড্রাইভ খেলতে সক্ষম ব্যাটসম্যান ক্রিকেটে খুব বেশি নেই।আর এই শটটি থেকে ক্যারিয়ারে প্রচুর রান করেছেন দ্য ওয়াল খ্যাত এই ভারতীয় ব্যাটিং লিজেন্ড ।


জয়াসুরিয়ার সেরাশট কভার ড্রাইভ

অডিআই ক্রিকেটের সবসময়ের এক আইকন সনাৎ জয়াসুরিয়া।যারা জয়াসুরিয়ার অডিআই ব্যাটিং দেখেছেন তারা নিশ্চিতভাবে আনন্দ পেয়েছেন।এবং দারুণ টাইমিং দিয়ে অডিআই ওপেনিংয়ে যে ঝড় তুলতেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান তা সত্যিই ক্রিকেটের এক অনন্য অধ্যায়। ক্লাসিক্যাল ক্রিকেটে জয়াসুরিয়ার মত মারকুটে ব্যাটসম্যান আসলেই এক বিস্ময়। কভার ড্রাইভকে জয়াসুরিয়ার সেরাশট বলা হয়। এবং বিশ্লেষকদের মতে জয়াসুরিয়ার প্রিয় ও সেরাশট হচ্ছে কভার ড্রাইভ।


গাঙ্গুলীর অফড্রাইভ স্মরণযোগ্য

ভারতের হয়ে ইনিংস ওপেন করতে নেমে গাঙ্গুলী ও শচীনের বোঝাপড়া এখনো ক্রিকেটের ইতিহাসে আলোচিত উদাহরণ।বলা হয় ভারতের ব্যাটিংয়ে নতুন যুগের সূচনা হয়েছিল গাঙ্গুলীর হাত ধরে।দ্রুত রানরেট বাড়ানোর ক্ষেত্রে গাঙ্গুলী সবসময় ছিলেন এক অসাধারণ ব্যাটসম্যান। এছাড়া লফটেড শট খেলার ক্ষেএেও সৌরভ গাঙ্গুলী বেশ মুন্সিয়ানার পরিচয় দেন। গাঙ্গুলী সবচেয়ে ভালো খেলতেন অফড্রাইভ।



লারার ট্রেডমার্ক শট কভার ড্রাইভ

ক্রিকেটের আলোচনায় কখনো কখনো থামতে হয় বিশেষত যখন কথা উঠে ব্রায়ান লারার মত বিশ্বসেরা কোন ব্যাটসম্যানের প্রিয়শট কোনটি।ব্রায়ান লারা যিনি কিনা টেষ্টক্রিকেটে একইনিংসে চারশ রানের মালিক তাঁর প্রিয়শট খোঁজা অবশ্যই কঠিন এক কাজ। তবু ক্রিকেট বিশ্লেষকরা শেষপর্যন্ত সিদ্ধান্তে এসেছেন যে ব্রায়ান চার্লস লারার ট্রেডমার্ক শট হচ্ছে কভার ড্রাইভ।এই শটটি সবচেয়ে সুন্দরভাবে খেলতেন ক্রিকেটের বরপুত্র  খ্যাত ব্রায়ান লারা।


রিকি পন্টিংয়ের পুলশট

অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক বিশ্বকাপজয়ী ব্যাটসম্যান রিকি পন্টিং ক্রিকেট ইতিহাসের এক অনন্য অর্জন। দুর্দান্ত টাইমিং ও টেকনিকের জন্য পন্টিং সবসময়ই আলোচিত এক ব্যাটিংলিজেন্ড। উইকেটে আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে খুবই পারঙ্গম ছিলেন এই অসি ব্যাটসম্যান।রিকি পন্টিং সবচেয়ে ভালো খেলতেন পুলশট।বিশেষত বাউন্সি উইকেটে পন্টিংয়ের পুলশট পেসবোলারদের জন্য ছিল এক আলাদা ভাবনার বিষয়।


এম এস ধোনির হেলিকপ্টার শট

ভারত তথা বিশ্বের তাবত ক্রিকেটের গল্পে ধোনি এক ধাঁধা। বিশ্বজয়ী উইকেটরক্ষক।আবার অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বজয়ী। এছাড়া নিজের একটি ট্রেডমার্ক শটও তৈরি করেছেন এই লিজেন্ড।এম ধোনির প্রিয়শট হেলিকপ্টার শট। এমনকি শচীন টেন্ডুলকারও  ধোনির উদ্ভাবন করা এই শটটি খেলতে পছন্দ করতেন । হেলিকপ্টার শটকে জনপ্রিয় করে তুলেন ধোনি।


ইমজামামের প্রিয়শট স্কয়ার ড্রাইভ


পাকিস্তানের সাবেক বিখ্যাত মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান ইনজামাম উল হক বহুকারণে আলোচিত।ইনজামাম ক্লাসিক্যাল ঘরানার জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান ছিলেন।যদিও বিশাল বপু ও কুড়ে স্বভাবের জন্য ইনজামাম সবর্দাই ছিলেন সমালোচিত।তবে সবকিছুর বাইরে ইনজামামের ব্যাটিংস্টাইল ও রেকর্ড সবসময়ই আলোচিত এক বিষয়।এই ব্যাটসম্যানের যে শটটি বিশ্লেষকদের কাছে খুবই আলোচিত সেটি হলো স্কয়ার ড্রাইভ।অবশ্য ইনজামাম লফটেড ড্রাইভও চমৎকার খেলতেন।


সাঙ্গাকারার কভার ড্রাইভের কথা

কুমার সাঙ্গাকারা লংঘারভার্সন ক্রিকেটের এক প্রিয়মুখ। সাবেক এই লংকান লিজেন্ডের ব্যাটিং নিয়ে আলোচনার শেষ নেই।আর এমন তুখোড় ও ক্লাসিক ব্যাটসম্যান ক্রিকেটে খুবই হাতেগোনা। সাঙ্গাকারার প্রিয়শট কভার ড্রাইভ। সাঙ্গাকারার ক্যারিয়ারে কভার ড্রাইভ এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।


পিটারসনের সুইচ হিট

 কেবিন পিটারসন ইংল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান।দীর্ঘদেহী এই হাডহিটারের ব্যাটিং ক্রিকেটপ্রিয়দের কাছে সবসময়ই আনন্দের বিষয়। কেবিন পিটারসনের সুইচ হিট ক্রিকেটের এক অনন্য গল্প।বলা বাহুল্য পিটারসনের প্রিয়শট হচ্ছে সুইচ হিট।


দিলসানের দিলস্কুপ

তিলকেরত্নে দিলসান শ্রীলংকার সাবেক বিশ্বসেরা হাডহিটার।দিলসান অসাধারণ ফিল্ডার ।আবার পার্টটাইম স্পিনার হিসেবে ব্যাপক সফল ছিলেন এই লংকান গ্ৰেট।তবে এখানে বলছি দিলসানের প্রিয় ক্রিকেট শটের কথা।দিলসান অফ ও অনসাইডে দুর্দান্ত সব শট খেলতে সক্ষম ছিলেন।এবং তাঁর সবধরণের শট খেলার দক্ষতা ছিল।তবু প্রিয়শট খুঁজলে বলতে হয়  দিলসান সবসময় স্কুপ খেলতে পছন্দ করতেন যাকে বলা হয় 'দিলস্কুপ'।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী



শীতের কিছু আদর্শ খাবার

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : শীতে অন্য অনেককিছুর সাথে খাবারদাবার  নিয়ে সচেতন থাকলে সুন্দরভাবে এ সময়টি কাটানো যায়।আর শীতের খাবারদাবার সম্পর্কে সামান্য সচেতন হলে শীত হয়ে উঠবে আরো আনন্দদায়ক। এছাড়া এই ঋতুতে বিশেষ কিছু খাবার নিয়মিত খেলে শরীর সুস্থ থাকবে এবং বিভিন্ন মৌসুমী রোগবালাই সহজে শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না। তাই পুষ্টিবিদেরা শীতের সুস্থতা ও সতেজতার জন্য কিছু খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। শীতে সুস্থতার জন্য চাই পর্যাপ্ত ঘুম ও মৌসুমী ফল, শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস। চলুন শীতের কিছু আদর্শ খাবারের খবর জেনে নিই (সূত্র:ঢাকাট্রিবিউন)।

পানি পান করুন

শীতে অনেকেই ঠান্ডার জন্য পানি পান করতে চান না। শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে অনেকের মধ্যে পানি পানের প্রবণতা কমে যায়।তবে পুষ্টিবিদদের মতে এটি মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বরং শীতে শরীর ও ত্বককে সুস্থ রাখার জন্য প্রচুর পানি খেতে হবে।যারা ঠান্ডা পানি খেতে পারেন না তাদের উচিত হালকা ও কুসুম গরম পানি পান করা । শীতে ত্বক ও চুলের জন্য পানি পান খুব উপকারী। শীতে ফলের রস,ডাবের পানি ইত্যাদি খুব উপকারী।


সবজির স্যুপ খেতে পারেন

শীতে প্রচুর মৌসুমী সবজি পাওয়া যায়।আর সবজির স্যুপ এ সময়ের এক আদর্শ খাবার। পুষ্টিবিদেরা শীতে সুস্থ থাকার জন্য সবজির স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দেন।আর শীতে সবজির আসল স্বাদ পাওয়া যায়। শীতের বিকেলে সবজির গরম স্যুপ আপনাকে দারুণ প্রশান্তি দেবে। এছাড়া শরীর থেকে ঠান্ডার ভাব সহজে দূর হবে।


মূলজাতীয় সবজি উপকারী

পুষ্টিবিদদের মতে শীতে সতেজ থাকার জন্য মূলজাতীয় সবজি এক দারুণ খাবার।মিষ্টিআলু,গাজর,শালগম ইত্যাদি মূলজাতীয় সবজি শীতে বেশি বেশি খান আর শীতকে সুন্দরভাবে উপভোগ করুন।মূলজাতীয় সবজি রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এছাড়া রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমাতে দারুণ কার্যকর এসব সবজি। শরীরের উষ্ণতা বাড়িয়ে  মূলজাতীয় সবজি শীতে দেহ ও মনকে সতেজ রাখে।


কমলা খান

শীতকালে বাজারে প্রচুর কমলা পাওয়া যায়।আর এই ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। শীতের সর্দিকাশি থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে পুষ্টিবিদেরা তাই নিয়মিত কমলা খেতে বলেন।কমলা শীতে আমাদের ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।


ডিম খান

ডিমে প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে। শীতে শরীরকে সতেজ রাখতে তাই নিয়মিত ডিম খেতে পারেন।ডিমে রয়েছে প্রচুর আয়রন ও ক্যালসিয়াম । ডিম শুধু শীতে নয় সারাবছর শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে সহায়তা করে।


আদা খুব উপকারী

শীতের এক আদর্শ খাবার আদা। শীতের সকালে প্রতিদিন আদার চা খেতে পারেন।এ সময়ে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে আদা খুব কার্যকর।আদা শীতকালে শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া বিভিন্ন ধরণের ফ্লু প্রতিরোধে আদা কার্যকর। এই সময়ে প্রতিদিনের রান্নায় আদা রাখুন।


রসুন উপকারী

শীত আসলে জ্বর ও ঠান্ডাজাতীয় রোগব্যধির প্রকোপ বেড়ে যায়।আর শীতের এসব রোগব্যধি থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে নিয়মিত রসুন খেতে পারেন।আর রসুন কাঁচা খাওয়া বেশি উপকারী।তবে যারা কাঁচা রসুন খেতে পারেন না তাদের জন্য রান্নায় রসুন ব্যবহার করা ভালো।

শীতে পালংশাক খান

শীতের এক আদর্শ খাবার পালংশাক। পালংশাক শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এমনকি পালংশাকে ক্যান্সারপ্রতিরোধী গুণ রয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে শীতে ওজন বেড়ে যায় আর এক্ষেত্রে এসময়ে পালংশাক খাওয়া খুব উপকারী।


টকফল শীতে উপকারী

শীতে ত্বক ও শরীরের সতেজতা বাড়ানোর জন্য টকফল খুব উপকারী।কমলা,বরই ইত্যাদি টকফল এই সময়ে বেশ সহজলভ্য।শীতে দেহ ও মনের সতেজতার জন্য নিয়মিত টকফল খেতে পারেন।

উইজডেন ২০২০এর বর্ষসেরা টেস্ট একাদশ দেখে নিন

                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: ক্রিকেটের সব খবরের এক বিশ্বস্ত মাধ্যম উইজডেন প্রতি বছরের ন্যায় ২০২০ সালের বর্ষসেরা টেস্ট একাদশের নাম ঘোষণা করেছে(সূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো)।এক্ষেএে ওয়েবসাইটটি এ বছরের ১৮টি টেষ্টের পরিসংখ্যান মূল্যায়ন করে এই তালিকা প্রকাশ করল। যদিও এতো কম টেষ্টম্যাচের পরিসংখ্যান এক্ষেত্রে যথেষ্ট কিনা সেটি নিয়ে বিতর্ক আছে।তবে করোনার জন্য এবছর খুব কম টেষ্ট মাঠে গড়িয়েছে।ফলে উইজেডেন জন্য আর বিকল্প কিছু ছিলনা। উইজডেন তাদের ২০২০ এর বর্ষসেরা টেস্ট একাদশে অধিনায়ক হিসেবে নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনকে বেছে নিয়েছে। উইকেটরক্ষক হিসেবে এই বর্ষসেরা একাদশে স্থান পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কুইনটন ডিকক।

উইজডেনের ২০২০ সালের বর্ষসেরা টেস্ট একাদশ

ডম সিবলি(ইংল্যান্ড),শান মাসুদ (পাকিস্তান),কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড, অধিনায়ক),বাবর আজম(পাকিস্তান),মার্নাস লাবুশানে(অষ্ট্রেলিয়া),বেন স্টোকস(ইংল্যান্ড),কুইনটন ডিকক(দক্ষিণ আফ্রিকা),কাইল ডেমিসন(নিউজিল্যান্ড),টিম সাউদি (নিউজিল্যান্ড),স্টুয়ার্ট ব্রড (ইংল্যান্ড), নায়ান লায়ন (অষ্ট্রেলিয়া)।

যেসব তারকা ব্যাটসম্যান স্থান পাননি

উইজডেনের বর্ষসেরা টেস্ট একাদশ নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে বেশ আলোচনা চলছে।কারণ অনেক তারকা ব্যাটসম্যান এই একাদশে স্থান পাননি।তবে যেহেতু এখানে পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়ে একাদশ তৈরি করা হয়েছে তাই উইজডেনের কিছু করার ছিলনা। উইজডেনের বর্ষসেরা টেস্ট একাদশে বেশকিছু তারকা ব্যাটসম্যান স্থান পাননি যেমন অষ্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ ,ডেভিড ওয়ার্নার,ভারতের বিরাট কোহলি,পূজারা,রাহানে,ইংল্যান্ডের জে রুট,বাটলার, দক্ষিণ আফ্রিকার ডুপ্লেসিস,ডোমিনি,ওয়েষ্টইন্ডিজের ডারেন ব্রাভো,শাই হোপ।

বেশকজন তারকা বোলারের জায়গা হয়নি

উইজডেনের ২০২০ সালের বর্ষসেরা টেস্ট  একাদশে বেশকজন তারকা বোলার স্থান পাননি।এক্ষেএে দক্ষিণ আফ্রিকার রাবাদা,অষ্ট্রেলিয়ার মিশেল স্টার্ক, ভারতের বুমরা,অশ্মিন,জাদেজা, নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট,ইংল্যান্ডের জেমস এন্ডারসন,ওয়েষ্টইন্ডিজের কেমার রোচ উল্লেখযোগ্য।

তিনদেশের কোন প্লেয়ার তালিকায় নেই

উইজডেনের ২০২০সালের বর্ষসেরা টেস্ট একাদশে তিন টেষ্টখেলুড়ে দেশের(বাংলাদেশ,ভারত,ওয়েষ্টইন্ডিজ)কোন প্লেয়ার স্থান পাননি।

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

                                                             


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম:  আজ ১৬ ডিসেম্বর , মহান বিজয় দিবস।১৯৭১সালের এই দিনে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় লাভ করে।প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'র পক্ষ থেকে এই বিজযদিবসে একাওরের সকল শহীদ ও নিপীড়িত মানুষের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। এবং সেই সাথে মুক্তিযুদ্ধের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর পরিচিতি

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্ৰ দেশকে এগারটি সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া প্রায় প্রতিটি সেক্টরে সাবসেক্টর ছিল। এবং প্রতি সেক্টরে আলাদা আলাদা সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।দশ নম্বর সেক্টর কিছুটা ব্যতিক্রমী ছিল। এখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার বা সদরদপ্তর ছিলনা। আসুন মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরগুলো সম্পর্কে জেনে নিই(তথ্যসূএ:বাংলাপিডিয়া ও উইকিপিডিয়া)।


মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর


বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর ছিল চট্টগ্ৰাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশ পর্যন্ত।

সদরদপ্তর -  হরিণা

সাবসেক্টর- এই সেক্টরের অধীনে সাবসেক্টর ছিল ৫টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে ঋষিমুখ,শ্রীয়নগর,মনুঘাট,ডিমাগিরী।


মুক্তিযুদ্ধের ২নং সেক্টর


বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ২নং সেক্টর ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর ও নোয়াখালি জেলার এক অংশ নিয়ে গঠিত।

সদরদপ্তর - মেলাঘর

সাবসেক্টর - এই সেক্টরের অধীনে ৬টি সাবসেক্টর ছিল। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে মতিনগর,শালতানদী,নির্ভয়পুর। 


মুক্তিযুদ্ধের ৩নং সেক্টর


মুক্তিযুদ্ধের ৩নং সেক্টর উওরে চূড়ামনকাঠি থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাম্মণবাড়িয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

সদরদপ্তর - কলাগাছি

সাবসেক্টর - এই সেক্টরের সাথে ১০টি সাবসেক্টর ছিল। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে সিমলা,মনতলা,কালাছড়া।


মুক্তিযুদ্ধের ৪নং সেক্টর


বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৪নং সেক্টর উওরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

সদরদপ্তর - প্রথমে করিমগঞ্জ পরে আসামের মাসিমপুর।

সাবসেক্টর - ৬টি । উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে জালালপুর,আমলসিদ,কৈলাশ শহর।


মুক্তিযুদ্ধের ৫নং সেক্টর


মুক্তিযুদ্ধের ৫নং সেক্টর সিলেট জেলার দূর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্ব সীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।

সদরদপ্তর - বাঁশতলা

সাবসেক্টর - ৬টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে ডাউকি,শেলা, ভোলাগঞ্জ,বড়ছড়া।


মুক্তিযুদ্ধের ৬নং সেক্টর


মুক্তিযুদ্ধের ৬নং সেক্টর সমগ্ৰ রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত হয়। শুধু এই সেক্টরের সদরদপ্তর ছিল দেশের অভ্যন্তরে।

সদরদপ্তর - পাটগ্ৰামের নিকটবর্তী বুড়ীমারীতে।

সাবসেক্টর - ৫টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর যথাক্রমে পাটগ্ৰাম,সাহেবগঞ্জ, চিলাহাটি।


মুক্তিযুদ্ধের ৭নং সেক্টর



রাজশাহী,পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে ৭নং সেক্টর গঠিত হয়।

সদরদপ্তর - তরঙ্গপুর

সাবসেক্টর - ৮টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর মেহেদীপুর, শেখপাড়া,হামজাপুর।


মুক্তিযুদ্ধের ৮নং সেক্টর


কুষ্টিয়া,যশোর, খুলনা, বরিশাল ,ফরিদপুর, পটুয়াখালী নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৮নং সেক্টর গঠিত হয়।

সদরদপ্তর - বেনাপোল

সাবসেক্টর - ৭টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর বয়রা,ভোমরা, বেনাপোল,শিকারপুর।


মুক্তিযুদ্ধের ৯নং সেক্টর



বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।

সদরদপ্তর - বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে

সাবসেক্টর - ৩টি। সাবসেক্টর যথাক্রমে টাকি,হিঙ্গলগঞ্জ ও শমসেরনগর।


মুক্তিযুদ্ধের ১০নং সেক্টর



বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী সেক্টর এটি। শুধু নৌকমান্ড নিয়ে এই সেক্টর গঠিত  হয়।এই সেক্টরের কোন আঞ্চলিক সীমানা ছিল না।এই সেক্টরে কোন সাবসেক্টর ছিলনা। নিয়মিত সেক্টরকমান্ডারও ছিলনা এই সেক্টরে।


মুক্তিযুদ্ধের ১১নং সেক্টর


টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত তৎকালিন সমগ্ৰ ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।

সদরদপ্তর - মহেন্দ্রগঞ্জ

সাবসেক্টর - ৮টি। উল্লেখযোগ্য সাবসেক্টর মহেন্দ্রগঞ্জ,ঢালু,বাগমারা।

বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ যেমন দেখছি

                                                                    


করোনা মহামারীর ক্ষতি কাটিয়ে ধীরে ধীরে দেশের ক্রিকেট মূলধারায় ফিরছে। এবং এটি দেশের ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক লক্ষণ।বেশ বড় পরিসরে বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ চলছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপের খেলাগুলো সরাসরি টিস্পোটর্সে দেখা যাচ্ছে এটিও ক্রিকেটপ্রিয়দের জন্য সুখকর সংবাদ। এজন্য টিস্পোটর্সকে ধন্যবাদ দিতেই হয়। দেশের অভ্যন্তরিণ টুর্নামেন্ট টিভিতে দেখানো অবশ্যই বড় বিষয়। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপের একটি বিশ্লেষণ এখানে তুলে ধরছি।


অবশেষে ফিরলেন সাকিব

বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অর্জন সাকিব আল হাসান। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ দিয়ে আবার মাঠে ফিরলেন সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।এটি সবার জন্যই আনন্দের খবর।ব্যাটিংয়ে যদিও কিছুটা জড়তা দেখা যাচ্ছে তবে বোলিংয়ে মোটামুটি আগের মতো প্রভাব বিস্তার করে খেলছেন সাকিব।তবে এসবকিছুর চেয়ে বড় বিষয় হলো সাকিব নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আবার মাঠে ফিরলেন।কারণ সাকিব বাংলাদেশের ক্রিকেটের এক বড় অনুপ্রেরণার নাম।মাঠে সাকিবের উপস্থিতি ক্রিকেটার,দর্শক,ম্যাচ অফিসিয়াল সবারজন্যই এক বড় আনন্দের অনুষঙ্গ।বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ এক মাঠ এবং নির্ধারিত উইকেটে হচ্ছে বলেই হয়তো সাকিবের সমস্যা হচ্ছে কিংবা ক্রিকেট থেকে দীর্ঘ বিরতি তাঁর ফর্মে ফেরাকে বাধাগ্ৰস্ত করছে তবুআমরা আশাবাদী সাকিব শীঘ্রই ফর্মে ফিরবেন, তাকে আবার ব্যাটবলে পুরনো রূপে দেখা যাবে।


নাজমুল,নাইম শেখদের ব্যাটিং ভালো হচ্ছে

বাংলাদেশের ক্রিকেটের এক বড় সংকট হাডহিটারের শূন্যতা। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা টেকনিক ও ক্লাসনির্ভর ক্রিকেট খেলেন। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের শক্তির জায়গা বেসিক ও টেকনিক।এরফলে এখানে টিটুয়েন্টি টুর্নামেন্ট হলে বিদেশি হাডহিটারদের সবাই দেখতে চান।তবে বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে এবার বিদেশি প্লেয়ার নেই। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে বিদেশি হাডহিটার আর গতিতারকাদের দেখা মেলেনি।ডেভিড মিলার,পোলার্ড,পেরেরাদের এবার দেখা  যায়নি।তবু নাজমুল শান্ত,নাইম শেখ,লিটন দাশদের ব্যাটিং অবশ্যই ভালো হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে লিটন,নাইমশেখ,শান্তদের ব্যাটিং ভালোই হচ্ছে।আর ক্রিকেটের দীর্ঘ বিরতির পর এভাবে পারফর্ম করা সহজ কাজ নয়।নাইম শেখের ব্যাটিং এমনিতেই দারুণ। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে দারুণ এক সেঞ্চুরিও করেছে নাইম।


মাঠে ফিরলেন আশরাফুল

‌বাংলাদেশের ক্রিকেটের একসময়ের বড় তারকা মোঃ আশরাফুল বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ দিয়ে আবার মাঠে ফিরলেন। দেশের ক্রিকেটের জন্য এটি অবশ্যই এক আনন্দের সংবাদ। আশরাফুলের মত উঁচু মানের টেকনিক এই দেশের খুব কম ব্যাটসম্যানের মধ্যে দেখা যায়।টেকনিক ও স্ট্রোকপ্লের জন্য একসময় ক্রিকেটবিশ্বে তাঁর দারুণ সুনাম ছিল। দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা,ফর্মহীনতা,বয়স ইত্যাদি মিলিয়ে আশরাফুল দীর্ঘদিন যাবত মাঠের বাইরে।তবু চল্লিশ ছুঁই ছুঁই আশরাফুল বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে খেলছেন সেটি অবশ্যই সুখবর।


দর্শকবিহীন ক্রিকেট

করোনার জন্য বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে দর্শকদের সরাসরি মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ নেই।চারছয়ের উদযাপন তাই টিভির সামনে বসেই দেখতে হচ্ছে।আর এরফলে দেশের ক্রিকেটপাড়া হয়তো কিছুটা নিরব।তবে এসবকিছুর পর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো দেশের ক্রিকেট আবার মাঠে গড়ালো। এবার আইপিএলের মত বড় বাজেটের টুনামেন্টেও দর্শকদের সরাসরি খেলা দেখার সুযোগ ছিল না।তবু আমরা আশাবাদী শীঘ্রই মাঠে বসে ক্রিকেট দেখা যাবে।আপাতত টিস্পোটর্সই ভরসা।

উইকেট এবং একমাএ ভেন্যু প্রসঙ্গ

বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে দেশের প্রায় সেরা সবপ্লেয়ারই খেলছেন।সাকিব ফিরেছেন,তামিম,লিটন,মুশফিক,নাইমশেখ, মোস্তাফিজ,রুবেল,তাসকিনসহ সব বড় বড় তারকাই এই টুর্নামেন্টে খেলছেন। তবু একটু আক্ষেপ হয়তো আছে যে একটি ভেন্যুতে সবখেলা হচ্ছে।তবে করোনার এই সময়ে হয়তো এর বিকল্প কিছু ছিল না।তাই আপাতত এইটুকু মেনে নিতে হচ্ছে।একভেন্যুতে পুরো টুর্নামেন্টের খেলা হলে অনেকসময় উইকেটের মান ঠিক থাকে না।আর উইকেটের মান ঠিক থাকলে ব্যাটসম্যান,বোলার সবার জন্য সুবিধা হয়। দুই ভেন্যুতে খেলা হলে হয়তো আরো প্রাণবন্ত ক্রিকেট দেখা যেত।

করোনাসুরক্ষা ব্যবস্থা প্রশংসশনীয়


করোনার মধ্যে বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ অবশ্যই বড় সিদ্ধান্ত।তেমনি এখানে স্বাস্থ্যসুরক্ষার চ্যালেঞ্জ বড় বিষয়।আর বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে আম্পায়ার থেকে ম্যাচ অফিসিয়াল,প্লেয়ার সবার জন্য যে স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে সেটি অবশ্যই প্রশংসনীয়।আম্পায়াররা মাঠে নামার আগে যেভাবে স্বাস্থ্যসুরক্ষা মেনে চলছেন সেটি খুবই সুখকর।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী






এই শীতে জাফলং

                                                                  


এখন শীতকাল। বাংলাদেশে ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। বাংলাদেশ  বৃষ্টিবহুল দেশ।প্রায় সারাবছরই এখানে বৃষ্টি হয়।ফলে এদেশে নির্ভেজাল  ভ্রমণের উপযুক্ত সময় শীত।তবে বর্ষাকালের ভ্রমণের আনন্দ শীতে পাবেন না।আর বর্ষাকালে নিরাপদ ভ্রমণের সুবিধাও দেশে দিনদিন বাড়ছে। এরসাথে শীতে ভ্রমণের জন্যও এখানে রয়েছে ব্যাপক সুবিধা। শীতকালে এদেশে ভ্রমণের জন্য এক চমৎকার স্থান সিলেটের জাফলং।ব্যস্তজীবনের পাশে প্রকৃতি ও জলরাশির সাথে একান্তে কিছু সময় কাটাতে চাইলে যেতে হবে জাফলং। উঁচু নিচু পাহাড় আর পাহাড়ি পিয়ান নদীর জলরাশি আপনাকে নিরাশ করবে না।পাহাড় ও নদীর এমন অপরূপ মিলন দেশের আর  খুব কম স্থানেই আছে।


জাফলং


জাফলং বাংলাদেশের অন্যতম দর্শনীয় এক প্রাকৃতিক পর্যটনস্পট। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত মিলে জাফলং হয়ে উঠেছে আরো সুন্দর।একে বলা হয় প্রকৃতির কন্যা।সবুজ পাহাড় আর বহমান পিয়ান নদী একে দিয়েছে অন্য এক সৌন্দর্য। জাফলংয়ের বড় সৌন্দর্য এর পথে পথে ছড়ানো পাহাড়, চাবাগান , মেঘালয়ের পাহাড়িদৃশ্য। জাফলং যাবার পথে এসবই আপনাকে আনন্দ দেবে।


স্থানপরিচিতি


জাফলং বাংলাদেশের সিলেট জেলার অন্তর্গত গোয়াইনঘাট উপজেলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত। সিলেট শহর থেকে প্রায় ৬০কিমি দূরে জাফলংয়ের অবস্থান। সিলেট শহর থেকে জাফলং যেতে দেড় থেকে দুই ঘন্টা সময় লাগে।আর যাতায়াতের একমাত্র উপায় সড়কপথ।শীত ও বর্ষা দুই ঋতুতেই সড়কপথে জাফলং  যেতে পারবেন।প্রায় সবধরণের গাড়িতে জাফলং যাওয়া যাবে।


কি দেখবেন জাফলং



প্রকৃতিকন্যা জাফলংয়ে একান্তে কিছু সময় কাটাতে চাইলে এখনই উপযুক্ত সময়। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা ধরে অপরূপ প্রকৃতির সান্নিধ্যে যেতে চাইলে জাফলং এক চমৎকার উদাহরণ। জাফলংয়ের রাস্তাগুলো চওড়া ও সুন্দর। তাই ভ্রমণে ক্লান্ত হওয়ার চিন্তা নেই। জাফলং যাবারপথে সিলেট ক্যান্টনমেন্ট,শাহ পরানের মাজার, উঁচু পাহাড়ের ফাঁকে চাবাগান,লালাখাল, জাফলং-ডাউকি স্থল সীমান্ত, বিশাল সব হাওড় দেখতে পাবেন। জাফলং পৌঁছে দেখা পাবেন পিয়ান নদীর অপূর্ব জলরাশির। এছাড়া জিরো পয়েন্ট,ডাউকির ঝুলন্ত ব্রিজ আপনাকে আনন্দ দেবে।



কখন যাবেন জাফলং



জাফলং ভ্রমণের সবচেয়ে বড় আনন্দ হচ্ছে এখানেসব ঋতুতেই ভ্রমণ করা যায়। ভালো সড়ক যোগাযোগ  ও পাহাড়বেষ্টিত হওয়ায় এই  স্থান যেকোন ঋতুতে ভ্রমণ করা যায়।তবে শীতে জাফলং ভ্রমণের আনন্দ কিছুটা ভিন্ন।বলা হয় জাফলং শীত ও বর্ষায় ভিন্ন ভিন্ন রূপ লাভ করে। তাই শীতে জাফলং ভ্রমণে  ভিন্ন কিছুই পাবেন।মাঝবর্ষায় জাফলংয়ের বড় এক অংশ বন্যায় ডুবে যায়। তাই সেসময় অনেক কিছু দেখা যাবেনা। তাই বর্ষার শুরুতে জাফলং ভ্রমণ করা ভালো।আর শীতের পুরোসময় জাফলং ভ্রমণ করা যায়।জাফলং যেতে চাইলে মে-জুন ভালো সময়।আর শীতে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত জাফলং ভ্রমণ করতে পারেন।

যেভাবে যাবেন


ভ্রমণের আগে যাতায়াত সম্পর্কে জানতে হয়। যেখানে যাবেন সেই স্থানের যোগাযোগব্যবস্থা জেনে তবেই ভ্রমণে যাওয়া উচিত। জাফলং সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত।আর দেশের যেকোন স্থান থেকে সিলেটে আসার জন্য সড়কযোগাযোগ, রেলযোগাযোগ ও বিমান রয়েছে।রাজধানী ঢাকা থেকে ইউনিক,হানিফ,শ্যামলী,এনা,মামুন,গ্ৰিনলাইনের বাসে সিলেট যেতে পারবেন। সকাল ৬টা থেকে  রাত ১২টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে সিলেটে যেতে এসব স্পেশাল বাস পাবেন।ভাড়া পড়বে প্রায় ৬০০থেকে ১৫০০টাকা। এছাড়া ঢাকার কমলাপুর থেকে প্রতিদিন সিলেটের উদ্দেশ্যে একাধিক ট্রেন ছেড়ে যায়।ঢাকা থেকে বিমানেও সিলেটে আসা যায় ।বিমানে ঢাকা থেকে সিলেট আসতে ৪৫ থেকে ৫০মিনিট সময় লাগে।বিমানে ঢাকা থেকে সিলেট যেতে জনপ্রতি ভাড়া লাগবে  ৩ থেকে ৫হাজার টাকা।ঢাকা থেকে সিলেট পৌঁছে লোকাল বাস, প্রাইভেট কার, সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনা ইত্যাদি  করে জাফলং যাওয়া যায়।আর ভ্রমণের উদ্দেশ্যে জাফলং গেলে রিজার্ভ গাড়ি নিয়ে যাওয়াই ভালো।


খাওয়া-দাওয়া


জাফলংয়ে খাওয়ার জন্য মাঝারি মানের রেস্টুরেন্ট পাবেন।তবে উন্নতমানের খাবার পেতে চাইলে সিলেট শহর থেকে খাবার কিনে নিতে হবে।এক্ষেএে সিলেটে বেশকিছু ভালোমানের খাবার রেষ্টুরেন্ট রয়েছে যেখানে আপনি প্রায় সবধরণের খাবার পাবেন। এছাড়া ফুডপান্ডার মত কিছু অনলাইন ফুডসরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও সিলেটে রয়েছে।


হোটেল মোটেল



সিলেট শহরে এখন বেশকিছু আন্তর্জাতিক মানের হোটেল রয়েছে। সেইসাথে মাঝারি মানের হোটেলগুলোতে থাকার সুব্যবস্থা আছে। অনলাইনে সার্স দিয়ে দেখে নিতে পারেন।আর জাফলং ভ্রমণের আগে এসবকিছু আগাম বুক করে রাখা উচিত।কারণ জাফলংয়ে থাকার জন্য ভালো হোটেল পাবেন না। সব ভালো হোটেলই  সিলেট শহরে অবস্থিত।শীতে সিলেটে প্রচুর পর্যটক আসেন তাই আগাম বুকিং না করলে ভালো হোটেল পাওয়া যাবেনা।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী


টিটুয়েন্টির সর্বাধিক ডাকের তালিকায় রয়েছেন সৌম্য, তামিম

                                                                   


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : ব্যাটসম্যানদের জন্য এক নেগেটিভ ফিগার হলো ডাক।ডাক মানে শূন্য রানে আউট হয়ে যাওয়া।আর কেউই চায়না শূন্য রানে আউট হতে। এমনকি ব্যাট করতে নামলে কোন ক্রিকেটার নিজের নামের পাশে ডাক বা শূন্য রান চায় না।তবু এটি যেহেতু ক্রিকেট সুতরাং এখানে  আপনি নাচাইলেও ডাক পেতে পারেন।এবং প্রায় প্রত্যেক বিখ্যাত ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ারে কখনো না কখনো ডাক মেরেছেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বাধিক ডাক পাওয়াদের নিয়েই এ লেখা।

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ডাকের গল্প

ক্রিকেটের নতুন সংস্করণ। এখানে বিশ ওভারের ক্রিকেটের লড়াই চলে।চারছয় আর উওেজনার বহুমাত্রিকতা এই সংস্করণকে দিয়েছে ভিন্ন এক সৌন্দর্য। কিন্তু ডাক বা শূন্যরানে আউট হওয়ার ঘটনা এখানে কম নয়। এমনকি বিখ্যাত কিছু ব্যাটসম্যানও টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ডাক মারাদের তালিকায় বেশ উপরের দিকেই রয়েছেন।যেমন শ্রীলঙ্কার সাবেক গ্ৰেট ব্যাটসম্যান দিলসানের কথাই বলা যায়।দিলসান আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সর্বাধিক ডাক মেরেছেন। এছাড়া পাকিস্তানের উমর আকমল এ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। শ্রীলঙ্কার বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরা, বাংলাদেশের সৌম্য সরকার , তামিম ইকবাল এ তালিকায় রয়েছেন।

সর্বাধিক ডাকপাওয়া দশ ব্যাটসম্যান

টিটুয়েন্টি কিংবা অন্য যেকোন ফরমেটেই ডাক পাওয়া নিশ্চিতভাবে ভালো খবর নয়। তবু বিপুল সংখ্যক ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ারে ডাক মেরেছেন। টিটুয়েন্টিতে একাধিক ডাক মারার ঘটনা একেবারে কম নয়। বেশকজন ব্যাটসম্যান টিটুয়েন্টিতে একাধিক ডাক মেরেছেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বাধিক ডাক মারা দশ ব্যাটসম্যানের কথা এখানে তুলে ধরছি(সূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো)।

সর্বাধিক ডাক দিলসানের

শ্রীলঙ্কার সাবেক বিশ্বসেরা মারকুটে ব্যাটসম্যান তিলকেরত্নে দিলসানের ব্যাটিং প্রত্যেক ক্রিকেটপ্রেমীর জন্য এক অন্যরকম আনন্দের অনুভূতি।দিলসানের দারুণ সব শট এখনো ক্রিকেটের এক প্রাসঙ্গিক অধ্যায়।তবে দিলসানের একটি রেকর্ড অবশ্য তাঁর নামের সাথে বেমানান। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে দিলসান সবচেয়ে বেশি (১০) ডাক মেরেছেন। তাঁর বিখ্যাত দিলস্কুপ সবার প্রিয় এক টিটুয়েন্টি শট।দিলসান ৮০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৮৮৯ রান করেছেন।বিশ ওভারের ক্রিকেটে দিলসানের ১সেঞ্চুরি ও ১৩টি ফিফটি আছে।

উমর আকমল ডাক মারায় বিখ্যাত

পাকিস্তানের মারকুটে ব্যাটসম্যান উমর আকমল ক্যারিয়ারে বেশকিছু ডাক মেরেছেন।উমর আকমল আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি (১০)ডাক মেরেছেন।উমর আকমল ৮৪ম্যাচ খেলে ১৬৯০রান করেছেন। তাঁর ৮টি ফিফটিও রয়েছে।

কেভিন ওব্রায়েন সর্বাধিক ডাক মেরেছেন 

কেভিন ওব্রায়েন টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যানদের অন্যতম।এই হাডহিটারের ব্যাটিং সবসময়ই সুখকর এক অনুভূতি। অসাধারণ স্টাইল ও টাইমিং মিলিয়ে কেভিন ওব্রায়েন নিজেকে  এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।অথচ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক এরিয়ায় এই ব্যাটসম্যান ১০টি ডাক মেরেছেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ৯৬ম্যাচ খেলে ১৬৭২রান করেছেন এই হাডহিটার যাতে রয়েছে ১সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটি।

স্টারলিং তালিকার শীর্ষে রয়েছেন

আয়ারল্যান্ডের বিখ্যাত ব্যাটসম্যান পল স্টারলিং টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বাধিক ডাক মারাদের  তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছেন।স্টারলিং দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য বিশ্বের সব বড় টিটুয়েন্টি লিগের এক অটোমেটিক চয়েছ। আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিংলাইনআপের নির্ভরযোগ্য এই ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ারে ৭৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যাতে রয়েছে ২১২৪রান ও ১৮টি ফিফটি।স্টারলিং তাঁর টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৯টি ডাক মেরেছেন।

সর্বাধিক ডাক মারার তালিকায় রয়েছেন ইংল্যান্ডের এলজে রাইট

ডাক পাওয়া খুব সুখকর ঘটনা নয় তবু বেশকজন বিখ্যাত ব্যাটসম্যান টিটুয়েন্টিতে একাধিক ডাক মেরেছেন। তেমনি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ডাক মেরে বিখ্যাত হয়েছেন ইংল্যান্ডের এলজে রাইট।এলজে রাইট ৫১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন। তাঁর রয়েছে ৭৫৯রান ও ৪টি ফিফটি।রাইট তাঁর টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৯টি ডাক মেরেছেন।

শহীদ আফ্রিদি বেশকিছু ডাক মেরেছেন

পাকিস্তানের তারকা অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের বড় এক বিজ্ঞাপন।তবে ডাক মারার ক্ষেএে বেশ এগিয়ে রয়েছেন এই অলরাউন্ডার। তিনি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৮টি ডাক মেরেছেন।  টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক পরিসরে ৯৯টি ম্যাচ খেলে  ৪ফিফটিসহ ১৪১৬রান সংগ্ৰহ করেছেন আফ্রিদি।

থিসারা পেরেরার ডাকের তালিকাও বেশ দীর্ঘ

শ্রীলঙ্কার দীর্ঘদেহী অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের বিশ্বপরিসরে বেশ জনপ্রিয় এক নাম।থিসারা শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট টিমের নির্ভরযোগ্য এক অলরাউন্ডার। এছাড়া বিশ্বের সব ফ্রাঞ্জাইজি টিটুয়েন্টি লিগেই থিসারা পেরেরার ভালো রেকর্ড আছে।থিসারা পেরেরা ৮১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১২০১রান করেছেন। সেইসাথে থিসারার ৩টি টিটুয়েন্টি ফিফটিও আছে।।থিসারা তাঁর টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৮টি ডাক মেরেছেন।

সৌম্য সরকারও সর্বাধিক ডাকের তালিকায় রয়েছেন

বাংলাদেশের স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সবসময়ই ভালো খেলে থাকেন।প্রচুর শটখেলতে সক্ষম এই ওপেনার টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বাধিক ডাকপাওয়াদের তালিকায়ও শীর্ষে রয়েছেন।সৌম্য তাঁর আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৫০টি ম্যাচ খেলে ২ফিফটিসহ ৮৮৫রান সংগ্ৰহ করেছেন। সেইসাথে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সৌম্য সরকারের ৮টি ডাকও আছে।

কামরান আকমল সর্বাধিক ডাক মারাদের তালিকায় রয়েছেন

পাকিস্তানের উইকেটরক্ষকব্যাটসম্যান কামরান আকমল টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ডাক মারার রেকর্ড গড়েছেন।এই মারকুটে ব্যাটসম্যান ৫৮টি  আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৭টি ডাক মেরেছেন। ৫ ফিফটিসহ তাঁর মোট রান ৯৮৭।

৬টি ডাক মেরেছেন যারা

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে ৬টি করে ডাক মেরেছেন বেশকজন ব্যাটসম্যান ।এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম যথাক্রমে রোহিত শর্মা, তামিম ইকবাল,ডেভিড ওয়ার্নার,রস টেলর,এলটন চিগুম্বুরা,লেন্ডল সিমন্স,জেপি ডোমিনি, মোঃ হাফিজ।

 

অবসরে কিউই হাডহিটার কোরি অ্যান্ডারসন

                                                             


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: নিউজিল্যান্ডের দুর্দান্ত অলরাউন্ডার কোরি অ্যান্ডারসন জাতীয় টিম থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন(সূএ:প্রথমআলো)। আফ্রিদির ওয়ানডের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙে দেয়া এই দীর্ঘদেহী অলরাউন্ডার জাতীয় টিম থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।একসময় কিউই ক্রিকেটের বড় এক বিজ্ঞাপন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন কোরি অ্যান্ডারসন।হাডহিটার হিসেবে সবার নজর কাড়েন। বেশ কিছুদিন ওয়ানডে ক্রিকেটের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড তাঁর দখলে ছিল।তবে জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেও ক্রিকেট পুরোপুরি ছাড়ছেন না এই অলরাউন্ডার। ক্যারিয়ার জুড়ে ইনজুরির হানা কোরি অ্যান্ডারসনকে বেশ ক্ষতিগ্ৰস্ত করেছে।আর ইনজুরির কারণে  প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্যারিয়ারকে বড় করতে পারেননি। যদিও প্রতিভার জন্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারজুড়েই আলোচিত কোরি অ্যান্ডারসন।

কোরি অ্যান্ডারসনের অজানা রেকর্ড

কোরি অ্যান্ডারসন বহুদিন যাবত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের বড় এক বিজ্ঞাপন ছিলেন। দুর্দান্ত টাইমিং ও বিগশট খেলার জন্য বিখ্যাত এই কিউই অলরাউন্ডার।১৭বছর পরে আফ্রিদির দ্রুততম ওয়ানডে সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙে ব্যাপক আলোচিত হন এই কিউই অলরাউন্ডার।ওয়েষ্ঠইন্ডিজের বিপক্ষে  এক ওয়ানডে ম্যাচে মাএ ৩৬বলে সেঞ্চুরি করেন কোরি অ্যান্ডারসন।২০১৫বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠে নিউজিল্যান্ড।আর নিউজিল্যান্ডকে ফাইনালে তুলতে তাঁর বড় অবদান ছিল।২০১৫ বিশ্বকাপে তিনি জাতীয় দলের হয়ে ২৩১রান ও ১৪টি উইকেট নেন।মাএ ১৬বছর বয়সে কোরি অ্যান্ডারসন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত হন।দুটি অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলেছেন এই হাডহিটার।২০১৪সালের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে তিনি অসাধারণ ক্রিকেট উপহার দেন।কোরি অ্যান্ডারসনের প্রিয় ক্রিকেটার ক্রিস কেয়ার্নস।সিডন পার্ক তাঁর প্রিয় মাঠ।

কোরি অ্যান্ডারসনের ব্যাটিং রেকর্ড

অসাধারণ প্রতিভাধর এই ব্যাটসম্যান নামের প্রতি যথার্থ সুবিচার করতে পারেননি। উপরন্তু ইনজুরির কারণে জাতীয় টিমে নিয়মিত খেলতে পারেননি কোরি অ্যান্ডারসন।১১টি টেষ্ট খেলে ১সেঞ্চুরি ও ৪টি ফিফটি করেন।৪৯টি ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন এই হাডহিটিং অলরাউন্ডার। ওয়ানডে ক্রিকেটে তাঁর ১সেঞ্চুরি ও ৪টি ফিফটি রয়েছে। টিটুয়েন্টিতে তাঁর ২টি ফিফটি আছে। আইপিএলে তিন ফিফটির মালিক এই অলরাউন্ডার।

বোলিং রেকর্ড

কোরি অ্যান্ডারসন কিউই জাতীয় দলে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি দারুণ কার্যকর এক পেসার হিসেবে আর্বিভূত হন।হিসেবি বোলিংয়ের সাথে কার্যকর সুয়িং মিলিয়ে বেশকিছু ম্যাচে নজর কাড়েন।কোরি অ্যান্ডারসন ১৩টি টেষ্টে বোলিং করে ১৬টি উইকেট নেন।৪৯টি ওয়ানডেম্যাচে বোলিং করে ৬০টি উইকেট নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। টিটুয়েন্টিতে তাঁর ১৪টি উইকেট রয়েছে। আইপিএলে ১১ উইকেটের মালিক এই হাডহিটার।

সবচেয়ে নিরাপদ স্মার্টফোন ব্রান্ড

                                                                  


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: স্মার্টফোন ছাড়া এখন জীবন যেন চলেই না।ঘর, অফিস,ব্যবসা সবক্ষেত্রে স্মার্টফোনের ব্যবহার এখন এক চরম বাস্তবতা। এছাড়া  দৈনন্দিন জীবনের বহুমাত্রিক ব্যস্ততায় স্মার্টফোন প্রতিনিয়ত এক বড় সহায়ক হয়ে উঠছে।তবে এসবের ভিড়ে প্রায়শ স্মার্টফোনের নিরাপত্তার প্রশ্নটি সেভাবে ভাবাই হয়না। কিন্তু টেকনোলজি বিশেষজ্ঞদের মতে স্মার্টফোনের নিরাপত্তা একটি বড় বিষয়। এবং তাদের মতে এখানে ছাড় দেয়া মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়।কারণ আপনার স্মার্টফোনে যদি নিরাপত্তা ত্রুটি থাকে তাহলে এটি হতে পারে আপনার জন্য এক বড় বিড়ম্বনার কারণ।তাই নিজের মত স্মার্টফোনের নিরাপত্তাও জরুরি। আসুন এই সময়ের সবচেয়ে নিরাপদ স্মার্টফোনগুলোর খবর জেনে নিই।

কোন স্মার্টফোনব্রান্ড বেশি নিরাপদ

স্মার্টফোনের বাজারে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ডিভাইস আর ব্রান্ড আসছে। এমনকি স্মার্টফোনকেন্দ্রিক বহু নতুন কোম্পানি তৈরি হচ্ছে। এছাড়া সব নির্মাতাই নিজের স্মার্টফোনটির ফিচার ও সুবিধার উন্নয়নে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে।এর সাথে বিশ্বজুড়ে এসব স্মার্টফোনকে কেন্দ্র করে বড় এক বিজ্ঞাপনের বাজার তৈরি হয়েছে।আর এসবকিছুর ভিড়ে স্মার্টফোনের নিরাপত্তা নিয়ে সম্প্রতি একটি তথ্য বেরিয়েছে। কাউন্টারপয়েন্ট টেকনোলজি নামক এক বৈশ্বিক (তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যবিষয়ক) বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ স্মার্টফোনের তালিকা প্রকাশ করেছে।

কাউন্টারপয়েন্ট টেকনোলজির ট্রাষ্টর্র্যাংকিং ২০২০শীর্ষক এক প্রতিবেদনে (সূত্র: যুগান্তর) বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ স্মার্টফোনব্রান্ডের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে।আর এক্ষেত্রে তারা সফটওয়্যার, নিরাপত্তা,গঠনগত মান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য উপযুক্ততা এই চার মানদন্ড নিধারণ করে। এবং এই জরিপে দেখা যায় অপারেটিং সিস্টেম ও সিকিউরিটি সফটওয়্যার আপডেটের ক্ষেএে শীর্ষ দশ স্মার্টফোনব্রান্ডের মধ্যে সবার উপরে আছে নোকিয়া তারপরই রয়েছে ওয়ানপ্লাস । এছাড়া সবচেয়ে নিরাপদ স্মার্টফোনব্রান্ডের তালিকায় তিন নম্বর স্থানে রয়েছে স্যামসাং।স্যামসাংয়ের পরেই রিয়েলমি ও শাওমির অবস্থান।

শীর্ষ দশ নিরাপদ স্মার্টফোনব্রান্ড ২০২০

২০২০ সালের নিরাপদ ১০ স্মার্টফোনব্রান্ড যথাক্রমে ১.নোকিয়া,২.ওয়ানপ্লাস,৩.স্যামসাং,৪.রিয়েলমি,৫.শাওমি,৬.হোয়াওয়ে,৭.অপো,৮.লেনোভো,৯.এলজি , ১০.ভিভো।

এই জরিপে কাউন্টারপয়েন্ট টেকনোলজি আরো জানায় যে নিরাপত্তা ব্যাকআপ ও নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেটের দিক থেকে নোকিয়া ও ওয়ানপ্লাস দুটি শীর্ষ স্মার্টফোন ব্রান্ড। এছাড়া জরিপে প্রকাশ নোকিয়া স্মার্টফোন সবচেয়ে বেশিদিন টেকসই সার্ভিসের নিশ্চয়তা দেয়।

তামিমের নতুন টিটুয়েন্টি রেকর্ড

                                                                       




প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল নতুন এক রেকর্ড স্পর্শ করেছেন। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা এই স্ট্রোকমেকার বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপের এক ম্যাচে স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ৬হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো প্রথম  বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে  স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে তামিম এই রেকর্ড স্পর্শ করলেন।

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে যেভাবে তামিমের ৬হাজার রান হলো

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম কোয়ালিটি স্ট্রোকপ্লের সক্ষমতা।আর এই বিশেষ গুণটি তামিমের ব্যাটিংয়ে বেশ ভালোভাবেই রয়েছে। বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি সেঞ্চুরির রূপকারও এই বাঁহাতি ওপেনার।আর এবার স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে ৬হাজার রানের মালিক হলেন তামিম। তামিম ইকবাল ২১২ টি স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬হাজার রানের মালিক হলেন।এই রেকর্ডের পথে তামিম আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির পাশাপাশি বিপিএল,সিপিএল,কাউন্টি ক্রিকেট, বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ,পিএসএলে অংশগ্রহণ করেন।

তামিমের সর্বোচ্চ ইনিংস

স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে তামিমের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ১৪১রানের।২০১৯ সালের বিপিএল ফাইনালে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিরুদ্ধে তামিম মাএ ৬১ বলে ১৪১ রানের এক অসাধারণ  ইনিংস খেলেন। বাংলাদেশের হয়ে এখনো আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান এই বাঁহাতি ওপেনার।২০১৬সালের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানের বিরুদ্ধে তামিম তাঁর একমাত্র আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি সেঞ্চুরি করেন। তামিমের পরেই রয়েছে সাকিবের নাম ।সাকিব স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের মালিক। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান মুশফিকুর  রহিমের ।

আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যান

টিটুয়েন্টি অনেকটা ধাঁধার মত ।কখন কি হবে এই ফরমেটে সেটি বলা বেশ কঠিন এক কাজ।আর শুধু হার্ডহিটার দিয়ে সবসময় এখানে সমান সফলতা সম্ভব নয়।এখানে লাগবে কৌশল,টেকনিক,স্ট্রোকখেলার ক্ষমতা। এছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ভালো বলকে শটে পরিণত করার মত যথেষ্ট মুন্সিয়ানা লাগবে। বাংলাদেশ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এখনো মাঝারি মানের দল। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।
তামিম ইকবাল আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতেও যথারীতি বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে তামিম ৭৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ১সেঞ্চুরিসহ ১৭০১রান করেছেন। তামিম আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ৭টি হাফসেঞ্চুরিও করেছেন। তামিমের পরে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সাকিবের।সাকিব ৭৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৯টি হাফসেঞ্চুরিসহ ১৫৬৭রান করেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের তৃতীয় সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ।মাহমুদুল্লাহ ৮৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৪হাফসেঞ্চুরিসহ মোট ১৪৭৫রান করেন।তারপরেই রয়েছেন মুশফিক। মুশফিক আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের চতুর্থ সেরা ব্যাটসম্যান।এই নির্ভরযোগ্য মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান ৮৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৫টি হাফসেঞ্চুরিসহ ১২৮২ রান করেছেন। উপরিউক্ত তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে সাব্বির রহমানের নাম। সাব্বির রহমান ৪৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৪হাফসেঞ্চুরিসহ ৯৪৬রান করেন।


যারা প্রাথমিকের শিক্ষক হতে চান

                                                           


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: প্রাথমিকে সহকারি শিক্ষক পদে আবেদনের সময় ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।পএিকা মারফত জানা যায় এবার প্রায় ১৩ লাখ প্রার্থী প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করেছেন। এছাড়া এবার নারী-পুরুষ সবপ্রার্থীর  শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করা হয়েছে।অর্থাৎ এবার প্রাথমিকে সহকারি শিক্ষক হতে চাইলে পুরুষের সাথে নারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতাও স্নাতক লাগবে।


কিভাবে প্রস্তুতি নেবেন

এবার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক পদে বিপুল সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেছেন। সুতরাং এবার নিয়োগ পরীক্ষা অনেক বেশি প্রতিযোগিপূর্ণ হবে একথা বলা যায়।আর এবার যেহেতু সবার যোগ্যতা স্নাতক তাই প্রতিযোগিতাও খুব বেশি হবে।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের মান আগের চেয়ে বহুগুণ বেড়েছে।


কোন কোন বিষয়ে প্রশ্ন হয়

সাধারণত প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন বেশ ব্যালান্সড হয়ে থাকে।আর বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় আগের চেয়ে প্রশ্নের মান ধীরে ধীরে আরো উন্নত হচ্ছে।এ নিয়োগের প্রশ্ন সাধারণত এমসিকিউ টাইপের হয়ে থাকে। প্রাথমিকে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ,সমকালিন আন্তর্জাতিক বিষয, গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান) এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশ্ন হয়ে থাকে।তবে প্রস্তুতি শুরুর আগে বিগত বিভিন্ন সময়ের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নগুলো ভালো করে দেখে নেবেন।এক্ষেএে ইন্টারনেটের সহায়তা নিতে পারেন অথবা বাজারে এ সম্পর্কিত বই পাবেন।


বাংলা প্রস্তুতি

প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলা ব্যাকরণ ও বাংলা সাহিত্যের  বিভিন্ন মৌলিক বিষয়ে প্রশ্ন হয়ে থাকে। এক্ষেএে সমাস,সন্ধি,বানান,সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, পারিভাষিক শব্দ,শুদ্ধ বাক্য চিহ্নিত করণ ইত্যাদি টপিক থেকে প্রশ্ন করা হয়।ফলে বাংলা বিষয়ে ব্যাপক প্রস্তুতির বিকল্প নেই। আর  এসব বিষয়ে ভালো ধারণা পেতে যেসব বই পড়তে পারেন তার একটি তালিকা দিচ্ছি।

১.পুথিনিলয় প্রকাশের উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র ।

২.বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা -ড.সৌমিএ শেখর


ইংরেজি প্রস্তুতি

ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্ন আগের চেয়ে এখন আরো ভালো হচ্ছে।ফলে ইংরেজি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বেশ সচেতন হতে হবে।ব্যাপক অনুশীলনের কোন বিকল্প নেই। ইংরেজির ক্ষেএে বিভিন্ন ধরণের গ্ৰামাটিকেল এরর, অনুবাদ ইত্যাদি সম্পর্কে প্রশ্ন হয়ে থাকে।আর এসব বিষয় ব্যাপক অনুশীলন ছাড়া আয়ত্ত্ব করা কঠিন। ইংরেজিতে ভালো প্রস্তুতির জন্য যা পড়তে পারেন তার কিছু টিপস তুলে ধরছি।ইংরেজিতে ভালো প্রস্তুতির জন্য এই বইগুলো পড়তে পারেন-

১.English for competitive exam(writer Md Fazlul haque)

২.ফ্রেন্ডস প্রকাশনির যেকোন একটি গ্ৰামার।


গণিত প্রস্তুতি

গণিত প্রস্তুতি যেকোন সরকারি চাকরির পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।আর গণিতে ভালো করার জন্য ব্যাপক অনুশীলনের বিকল্প নেই। বেশি বেশি গণিত অনুশীলন করলে প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।গণিতে ভালো প্রস্তুতির জন্য অষ্টম ও নবম শ্রেণীর গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় থেকে গণিত অনুশীলন করুন।সূএগুলো আয়ত্ত্ব করুন।


সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়)

সাধারণ জ্ঞান প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রথমেই বাংলাদেশ বিষয়াবলি গুরুত্বপূর্ণ।এক্ষেএে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রশ্ন, সংবিধান বিষয়ক প্রশ্ন , বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা ইত্যাদি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।এসব বিষয়ে ভালো প্রস্তুতির জন্য অষ্টমশ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইটি পড়তে পারেন। বাংলাদেশ ও বিশ্বের সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার জন্য মাসিক ক্যারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়তে পারেন।


সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক , বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি)

সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে সমকালিন আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য কোথাও লিখে রাখুন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংগঠন সম্পর্কে জানতে হবে।এসব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খাতায় লিখে শিখতে পারেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশ্নের জন্য অষ্টমশ্রেণীর বিজ্ঞান বইটি পেন্সিল দিয়ে  দাগ দিয়ে পড়তে পারেন। সাধারণ জ্ঞানে ভালো করার জন্য বিগত বিভিন্ন বিসিএস প্রিলির (৩৫থেকে ৪০তম) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির প্রশ্নগুলো সলভ করতে পারেন।


মডেলটেষ্ট ও কোচিং প্রসঙ্গ

বিপুলসংখ্যক প্রার্থী এবার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক পদে আবেদন করেছেন। এছাড়া প্রশ্নের মান এখন আগের চেয়ে ভালো হচ্ছে।এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে যারা খুব ব্যস্ত থাকেন তাদের ক্ষেএে কোচিং করলে উপকার হতে পারে।বিশেষত কোন ভালো  কোচিংয়ে মডেল টেস্টের জন্য ভর্তি হতে পারেন। এছাড়া ইন্টারনেটের বিভিন্ন ট্রাষ্টেডসাইট থেকেও মডেল টেষ্ট উওরসহ ডাউনলোড করতে পারেন। নিয়মিত মডেলটেষ্ট দিলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং সেইসাথে দুর্বলতা বুঝতে পারবেন।তবে মনে রাখবেন মোবাইল বা ল্যাপটপের পড়া খুব কমই মনে থাকে। তাই ছাপা বইকে গুরুত্ব দিন বা খাতায় লিখে শিখুন।