WHAT'S NEW?
Loading...

চলে গেলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা

                                                               

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: ১৯৮৬সালের আর্জেন্টিনার ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক দিয়েগো ম্যারাডোনা আজ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন(সূত্র: যুগান্তর)।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০বছর। দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। উল্লেখ্য বেশ কিছুদিন যাবত বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এই ফুটবল কিংবদন্তি।

ম্যারাডোনার যত রেকর্ড

ম্যারাডোনা প্রসঙ্গ এলেই রেকর্ড, বিশ্বকাপ, বিতর্ক সবকিছু একাকার হয়ে যায়।আর ক্যারিয়ার জোড়ে এসবই ছিল ম্যারাডোনার নিত্যসঙ্গী। পুরনো ফুটবল রেকর্ডের ভিড়ে একজন ম্যারাডোনা বহুকাল বেঁচে থাকবেন। আবার ফুটবলের সবচেয়ে জনপ্রিয় নামটি খুঁজলে ম্যারাডোনার নামটিও আসবে।ম্যারাডোনা ক্রিড়াজগতের আলোচনায় বহুদিন থেকে যাবেন।অপারে ভালো থাকুন ফুটবল জাদুকর ম্যারাডোনা। আসুন ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য রেকর্ডগুলো সম্পর্কে জেনে নিই।

আর্জেন্টিনার হয়ে যুববিশ্বকাপ জয় করেন

দিয়েগো ম্যারাডোনা ১৯৭৯সালের আর্জেন্টিনার যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন।১৯৭৯সালে জাপানে অনুষ্ঠিত ফিফা যুববিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়।সেই দলে ম্যারাডোনাও ছিলেন।

অধিনায়ক হিসেবে রেকর্ড

ম্যারাডোনা টানা চার ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি ১৯৮২,৮৬,৯০ ও ৯৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন। তিনি ১৬টি বিশ্বকাপ ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা একটি রেকর্ড।

৮৬বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড


ম্যারাডোনা মানেই যেন রেকর্ডের পর রেকর্ড ।আর ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যারাডোনার নামটি সবসময় উচ্চারিত হবে।১৯৮৬সালের ফিফা বিশ্বকাপ তেমনি এক অধ্যায়। সেই বিশ্বকাপে ম্যারাডোনা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে দুটি গোল করেন যার প্রথমটি হাতদিয়ে করেন এবং তারপর ৫জন ইংলিশ প্লেয়ারকে ড্রিবল করে আরো একটি গোল করে দলকে জিতিয়ে দেন।সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ২-১গোলে জয়ী হয়। সেই দ্বিতীয় গোলটি ২০০২সালে ফিফা ডটকমের ভোটে গোল অব দ্য সেঞ্চুরির মর্যাদা পায়।

৮৬বিশ্বকাপে গোল্ডেন গোল


ম্যারাডোনা ১৯৮৬সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বল জয় করেন।


বিশ্বকাপে সর্বাধিক ফাউলের শিকার


ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যারাডোনার নামটি সর্বদা পাওয়া যায়। তাকে থামানোর জন্য বিশ্বকাপে সব প্রতিপক্ষই প্ল্যান নিয়ে নামতো।এক্ষেএে ফাউল ছিল বড় অস্ত্র। ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক ৫৩বার ফাউলের শিকার হয়েছেন এ কিংবদন্তি ফুটবলার।

ক্লাবফুটবলে প্রথম মিলিয়ন ডলারের প্লেয়ার


দিয়েগো ম্যারাডোনা ক্লাবফুটবলের ইতিহাসে প্রথম মিলিয়ন ডলারের ফুটবলার।১৯৮২সালে স্পেনিশ ক্লাব বার্সেলোনা তাকে ৫মিলিয়ন পাউন্ডে কিনে নেয় যা একটি
 ইতিহাস।

ফিফা প্লেয়ার অব দ্য সেঞ্চুরি

২০০২সালে ফিফা কোচ ও অফিসিয়ালদের ভোটে ম্যারাডোনা পেলের সাথে যৌথভাবে ফিফা প্লেয়ার অব দ্য সেঞ্চুরি নির্বাচিত হন।

সঙ্গী ছিল বিতর্ক

সবচেয়ে জনপ্রিয় ফুটবলার হলেও বিতর্ক সবসময় ম্যারাডোনার সঙ্গী ছিল।কখনো ড্রাগ নিয়ে হয়েছেন নিষিদ্ধ।কখনো আবার অপরাধের দায়ে হয়েছেন অভিযুক্ত।১৯৯১সালে নাপোলিতে খেলার সময় কোকেন নেয়ার অপরাধে নিষিদ্ধ হন।১৯৯৪ সালের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে ড্রাগ নেয়ার অভিযোগে নিষিদ্ধ হন।২০১০ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কোচ থাকাকালে সাংবাদিকের পায়ের উপর গাড়ী তুলে দেন।১৯৯৮সালে করফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত হন।