WHAT'S NEW?
Loading...

নিউজিল্যান্ড ,এক আদর্শ ক্রিকেট টিমের প্রতিচ্ছবি

                                                                


ক্রিকেটপ্লেয়িং দেশগুলোর মধ্যে নিউজিল্যান্ড অনেকটা নিরব বিস্ময়ের মত।যতবড় টুর্নামেন্ট হোক কিংবা বিশ্বকাপ হোক নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে আলোচনা কমই হয়।অথচ নিউজিল্যান্ড টিম ক্রিকেটে এক আলাদা সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত।হোক বিশ্বকাপ ফাইনালে কিংবা সেমিফাইনালে হারার জন্য বিখ্যাত তবু ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে নিউজিল্যান্ডের খেলা দেখার জন্য একধরণের বিশেষ আগ্ৰহ থাকে।এর পেছনে বহুকারণ আছে।প্রথমত নিউজিল্যান্ড সবসময় টিম হিসেবে খেলে। এছাড়া নিউজিল্যান্ডের ফিল্ডিং বিশ্বের সেরা। উপরন্তু কিউই ক্রিকেটের অন্য এক গুণ সর্বদা লড়াকুভাব দলটির ভেতরে কাজ করে। প্রতিভাধর অলরাউন্ডারদের যেন এক নিরব খনি রয়েছে ক্রিকেটপ্লেয়িং এই দেশটিতে । নিউজিল্যান্ডের এতো গুণের পেছনে অন্যতম একটি কারণ হলো দলটি সবসময় অলরাউন্ডারনির্ভর।এবং লক্ষ্যণীয় সত্য হলো কিউই ক্রিকেটারদের ফিটনেস সবসময়ই এক অনুকরণীয় বৈশিষ্ট্য। নিউজিল্যান্ডের প্লেয়াররা দুর্দান্ত অ্যাথলেট হিসেবে বিশ্বে সমাদৃত।নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের আরো কিছু গল্প আসুন জেনে নিই।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারদের দল

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের এক চিরন্তন বৈশিষ্ট্য হলো দলটিতে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারদের ছড়াছড়ি। সেই রিচার্ড হ্যাডলি থেকে কোরি এন্ডারসন পর্যন্ত বহু বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার পেয়েছে নিউজিল্যান্ড।ক্রিস কেয়ানর্সের কথা নিশ্চয় সবার মনে থাকবে।কেয়ানর্সের ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং সবকালের সব অলরাউন্ডারের এক অনুকরণীয় বিষয়।কেয়ানর্সের মত ফিনিশার ক্রিকেটে খুব বেশি নেই।কেয়ানর্সের পরে ক্রিস হ্যারিস, কোরি অ্যান্ডারসন,ডেনিয়েল ভেট্টরি,ক্রেইগ ম্যাকমিলান,কাইল মিলস কিউই ক্রিকেটের একেক বিস্ময়কর আবিষ্কার।লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো নিউজিল্যান্ড সর্বদা অলরাউন্ডারনির্ভর দল।

চৌকস ক্রিকেট ক্যাপ্টেনদের দেশ

আমরা নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটে বেশকজন চৌকস অধিনায়কের সন্ধান পাই। স্টিফেন ফ্লেমিং,ব্রেন্ডন ম্যাককালাম,কেন উইলিয়ামস নিউজিল্যান্ডের তিন সফল অধিনায়ক।এরা কোল ও ক্যালকুলেটেড ক্যাপ্টেনসির জন্য বিখ্যাত।ক্রিকেটক্যাপ্টেনসির দিক থেকে সবচেয়ে সফল অষ্ট্রেলিয়া এবং তারপর ভারতের কথা বলতে হয়।তবে চৌকস অধিনায়কত্বের জন্য অবশ্যই নিউজিল্যান্ডকে হিসেবে রাখতে হবে। গত ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে খুব কম লোকই নিউজিল্যান্ডকে হিসেবে ধরেছে কিন্তু ফাইনাল ছাড়া বাকি সবই প্রায় কিউইদের দখলে ছিল। দুর্দান্ত গেমপ্ল্যান দিয়ে লোস্কোরিং ম্যাচকে কিভাবে সহজে নিজেদের মুঠোয় নিতে হয় তা গত বিশ্বকাপে বেশ ভালো ভাবেই দেখিয়েছে দলটি। অর্থাৎ নিউজিল্যান্ডের খেলায় সবসময় গেমপ্ল্যান ও পেশাদারিত্ব দেখা যায়।

এক লড়াকু টিমের প্রতিচ্ছবি

নিউজিল্যান্ড যদিও সেমিফাইনালে হেরে যাওয়ার জন্য বিখ্যাত। এমনকি দুটি বিশ্বকাপ ফাইনালে হেরে গিয়ে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে দলটি। কিন্তু একটি বিষয় খুবই লক্ষ্যণীয় যে নিউজিল্যান্ড সবসময় এক লড়াকু টিম। শুধু ব্যাটিং বোলিং নয় ফিল্ডিংয়েও অসাধারণ পেশাদারিত্ব প্রদর্শনের জন্য বিখ্যাত এই দলটি। প্রচলিত আছে যে নিউজিল্যান্ড শুধু ফিল্ডিং দিয়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে।কিউই ক্রিকেটের মূলশক্তি হচ্ছে ঠান্ডা মাথায়  লড়াই করার অসাধারণ দক্ষতা। ক্রিকেটের বিভিন্ন বৈশ্বিক আসরে সর্বাধিক সেমিফাইনাল খেলুড়ে দেশের তালিকায় নিউজিল্যান্ডের নাম বেশ উপরের দিকে উচ্চারিত হয়।যদিও বৈশ্বিক আসরগুলোতে ফাইনাল জেতার হার দলটির খুবই কম। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল মিলিয়ে অন্তত ১০ বার চূড়ান্ত পর্বে খেলেছে দলটি। নিউজিল্যান্ডের বড় গুণ দলটি টিম হিসেবে খেলে। দক্ষিণ আফ্রিকা,ওয়েষ্ঠইন্ডিজের মত দলও টিম হিসেবে খেলে।তবে নিউজিল্যান্ডের প্রতিটি প্লেয়ার পেশাদারিত্বের জন্য বিখ্যাত।উদাহরণ হিসেবে ২০১৫ ও ২০১৯ বিশ্বকাপের কথা বলা যায়।১৯৯৬বিশ্বকাপে ওয়েষ্ঠইন্ডিজের বিপক্ষে এক ম্যাচে পুরো নিউজিল্যান্ড টিম ম্যান অব দ্য ম্যাচ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। 


দারুণ সব প্রতিভার ছড়াছড়ি

একটি বিষয় স্পষ্ট আর তাহলো নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে কখনো প্রতিভার সংকট হয়নি।এই যেমন গত বিশ্বকাপে বোল্ট,উইলিয়ামস, ফার্গুসনের নৈপুণ্য অনেকের মনে পড়বে ।ব্রেন্ডন ম্যাককালাম,মুনরো,বন্ড, আষ্টল, কেয়ার্নস,ফ্লেমিং,ভেট্টরি,বোল্ট,গাফটিলের মত প্রতিভা সবসময় নিউজিল্যান্ড দলে দেখা গেছে। এবং বিগত কয়েক দশকের ক্রিকেটইতিহাসে নিউজিল্যান্ডের কোন না কোন তারকা ক্রিকেটারকে পাওয়া যায়।ক্রিস কেয়ার্নস ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার ও ফিনিশার।ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ,গাফটিলের মত বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান ক্রিকেটে কালেভদ্রে দেখা যায়। এছাড়া নাথাল আষ্টল,ক্রিস হ্যারিস,ভেট্টরির,কোরি এন্ডারসনের মত প্রতিভা ক্রিকেটে খুব হাতেগোনা।


দারুণ ফিল্ডিংয়ের জন্য বিখ্যাত

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের বড় এক শক্তির জায়গা নিঃসন্দেহে তাদের ফিল্ডিং। নিউজিল্যান্ডের গাফটিল,ভেট্টরি,নাথান ম্যাককালাম,রস টেলর, ভিনসেন্ট প্রত্যেকেই ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ফিল্ডারদের অন্যতম।গাফটিলের দুর্দান্ত সব ডাইভ ক্রিকেটের এক আলাদা গল্প।ক্রিকেটে ফিল্ডিংয়ের গুরুত্ব কত বেশি তা নিউজিল্যান্ডের খেলা দেখলে সহজে অনুধাবন করা যায়।


এটাকিং কিন্তু উপভোগ্য ক্রিকেট

খেয়াল করলে দেখা যায় নিউজিল্যান্ড সবসময় এটাকিং ক্রিকেট খেলতে অভ্যস্ত।এবং দলটি ব্যাটিং, বোলিং,ফিল্ডিং তিন ডিপার্টমেন্টেই সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকে।এসবই নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের এক অন্যরকম সৌন্দর্য।ক্রিকেটে এটাকিং এটিচিউডের সাথে একে উপভোগ্য করে তুলে দলটির চমৎকার পেশাদারিত্ব।আর এটাকিং ক্রিকেটের সাথে উপভোগ্য পেশাদারিত্বের ফলে নিউজিল্যান্ড বারবার সাফল্য পেয়েছে।এসবই ক্রিস কেয়ার্নস থেকে ফার্গুসন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের সৌন্দর্যের স্মারক।


লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী


দেখুন লংকান প্রিমিয়ার লিগ

                                                             


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম:  ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটের জনপ্রিয় আসর লংকান প্রিমিয়ার লিগ। বিশ্বের বিভিন্ন তারকা ক্রিকেটার সেইসাথে লংকান তারকাদের সমন্বয়ে দারুণ এক লিগ লংকান প্রিমিয়ার লিগ।করোনার মধ্যে লংকান প্রিমিয়ার লিগে এবার যথাযথ স্বাস্থ্যসুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।এবং মূল লড়াই ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।লংকান প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচশিডিউল এখানে শেয়ার করছি। উল্লেখ্য প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়।

ফ্রাঞ্চাইজি

এবার করোনাকালিন লংকান প্রিমিয়ার লিগে সবগুলো ফ্রাঞ্চাইজিই মোটামুটি ভালো হয়েছে।এবং ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং মিলিয়ে দলগুলো ব্যালান্সড হয়েছে বলা যায়।প্রায় সব দলেই বিশ্বসেরা তারকা ক্রিকেটারদের দেখা যাবে।এবার লংকান প্রিমিয়ার লিগে মোট পাঁচটি ফ্রাঞ্চাইজি অংশ নিচ্ছে ।ফ্রাঞ্চাইজিগুলো যথাক্রমে ডাম্বুলা ভাইকিং,জাফনা স্ট্যালিয়নস,ক্যান্ডি টাসকার্স,কলম্বো কিংস,গল গ্ল্যাডিয়েটর্স।


                                                                 



কোন তারকা কোথায় খেলছেন


লংকান প্রিমিয়ার লিগে জমজমাট লড়াইয়ের আভাস ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে।এবং সবগুলো দলই তারকাসমৃদ্ধ।কলম্বো কিংসে খেলবেন  লংকান তারকাঅলরাউন্ডার এঞ্জেলো ম্যাথুস । এছাড়া দলটির হয়ে মাঠে নামবেন আন্দ্রে রাসেল।কলম্বো কিংসে দিনেশ চান্দিমালকে দেখা যাবে।ক্যান্ডি টাসকার্সে খেলছেন কুশল পেরেরা,ইরফান পাঠান,মুনাফ প্যাটেল,সুয়েল তানভির,ডেল স্টেইন,ব্রেন্ডন টেলরের মত তারকা প্লেয়ার।ক্যান্ডি এবার ভালো দল গড়েছে বলা যায়।এবার লংকান প্রিমিয়ার লিগে জাফনা স্টেলিয়নস বেশ ব্যালেন্সড টিম করেছে।জাফনা স্টেলিয়নসে খেলছেন শ্রীলংকার জনপ্রিয় অলরাউন্ডার  থিসারা পেরেরা । এছাড়া দলটিতে খেলছেন সুরেন্দ্র লাকমল,জনসন চালর্স,টম মরিচ, সোয়েব মালিক,আভিস্কা ফার্নান্ডো।আর জাফনা স্টেলিয়নস অসাধারণ সব তারকাকে দলে ভিড়িয়েছে।গল গ্ল্যাডিয়েটর্সে দলভুক্ত হয়েছেন মোহাম্মদ সিরাজ,শহিদ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আমির,হজরতউল্লা জাজাইয়ের মত তারকা ক্রিকেটাররা।ডাম্বুলা ভাইকিংস মোটামুটি শক্তিশালী দল গড়েছে।দলে রয়েছেন দাশুন শানাকা,পল স্টারলিং,উপল থারাঙ্গা,লিন্ডল সিমন্স,সেনওয়ারির মত তারকারা।

চলে গেলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা

                                                               

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: ১৯৮৬সালের আর্জেন্টিনার ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক দিয়েগো ম্যারাডোনা আজ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন(সূত্র: যুগান্তর)।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০বছর। দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। উল্লেখ্য বেশ কিছুদিন যাবত বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এই ফুটবল কিংবদন্তি।

ম্যারাডোনার যত রেকর্ড

ম্যারাডোনা প্রসঙ্গ এলেই রেকর্ড, বিশ্বকাপ, বিতর্ক সবকিছু একাকার হয়ে যায়।আর ক্যারিয়ার জোড়ে এসবই ছিল ম্যারাডোনার নিত্যসঙ্গী। পুরনো ফুটবল রেকর্ডের ভিড়ে একজন ম্যারাডোনা বহুকাল বেঁচে থাকবেন। আবার ফুটবলের সবচেয়ে জনপ্রিয় নামটি খুঁজলে ম্যারাডোনার নামটিও আসবে।ম্যারাডোনা ক্রিড়াজগতের আলোচনায় বহুদিন থেকে যাবেন।অপারে ভালো থাকুন ফুটবল জাদুকর ম্যারাডোনা। আসুন ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য রেকর্ডগুলো সম্পর্কে জেনে নিই।

আর্জেন্টিনার হয়ে যুববিশ্বকাপ জয় করেন

দিয়েগো ম্যারাডোনা ১৯৭৯সালের আর্জেন্টিনার যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন।১৯৭৯সালে জাপানে অনুষ্ঠিত ফিফা যুববিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়।সেই দলে ম্যারাডোনাও ছিলেন।

অধিনায়ক হিসেবে রেকর্ড

ম্যারাডোনা টানা চার ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি ১৯৮২,৮৬,৯০ ও ৯৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন। তিনি ১৬টি বিশ্বকাপ ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা একটি রেকর্ড।

৮৬বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড


ম্যারাডোনা মানেই যেন রেকর্ডের পর রেকর্ড ।আর ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যারাডোনার নামটি সবসময় উচ্চারিত হবে।১৯৮৬সালের ফিফা বিশ্বকাপ তেমনি এক অধ্যায়। সেই বিশ্বকাপে ম্যারাডোনা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে দুটি গোল করেন যার প্রথমটি হাতদিয়ে করেন এবং তারপর ৫জন ইংলিশ প্লেয়ারকে ড্রিবল করে আরো একটি গোল করে দলকে জিতিয়ে দেন।সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ২-১গোলে জয়ী হয়। সেই দ্বিতীয় গোলটি ২০০২সালে ফিফা ডটকমের ভোটে গোল অব দ্য সেঞ্চুরির মর্যাদা পায়।

৮৬বিশ্বকাপে গোল্ডেন গোল


ম্যারাডোনা ১৯৮৬সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বল জয় করেন।


বিশ্বকাপে সর্বাধিক ফাউলের শিকার


ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যারাডোনার নামটি সর্বদা পাওয়া যায়। তাকে থামানোর জন্য বিশ্বকাপে সব প্রতিপক্ষই প্ল্যান নিয়ে নামতো।এক্ষেএে ফাউল ছিল বড় অস্ত্র। ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক ৫৩বার ফাউলের শিকার হয়েছেন এ কিংবদন্তি ফুটবলার।

ক্লাবফুটবলে প্রথম মিলিয়ন ডলারের প্লেয়ার


দিয়েগো ম্যারাডোনা ক্লাবফুটবলের ইতিহাসে প্রথম মিলিয়ন ডলারের ফুটবলার।১৯৮২সালে স্পেনিশ ক্লাব বার্সেলোনা তাকে ৫মিলিয়ন পাউন্ডে কিনে নেয় যা একটি
 ইতিহাস।

ফিফা প্লেয়ার অব দ্য সেঞ্চুরি

২০০২সালে ফিফা কোচ ও অফিসিয়ালদের ভোটে ম্যারাডোনা পেলের সাথে যৌথভাবে ফিফা প্লেয়ার অব দ্য সেঞ্চুরি নির্বাচিত হন।

সঙ্গী ছিল বিতর্ক

সবচেয়ে জনপ্রিয় ফুটবলার হলেও বিতর্ক সবসময় ম্যারাডোনার সঙ্গী ছিল।কখনো ড্রাগ নিয়ে হয়েছেন নিষিদ্ধ।কখনো আবার অপরাধের দায়ে হয়েছেন অভিযুক্ত।১৯৯১সালে নাপোলিতে খেলার সময় কোকেন নেয়ার অপরাধে নিষিদ্ধ হন।১৯৯৪ সালের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে ড্রাগ নেয়ার অভিযোগে নিষিদ্ধ হন।২০১০ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কোচ থাকাকালে সাংবাদিকের পায়ের উপর গাড়ী তুলে দেন।১৯৯৮সালে করফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত হন।





কাল বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপের পর্দা উঠছে

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম:আগামীকাল  বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপের পর্দা উঠছে ।মূল লড়াই শুরুর ম্যাচে মাঠে নামবে বেক্সিমকো ঢাকা ও মিনিষ্টার গ্ৰুপ রাজশাহী। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে পাঁচটি দল অংশ নেবে। ইতিমধ্যে  পূর্ণাঙ্গ ম্যাচসূচি প্রকাশিত হয়েছে।লিগপর্বে প্রতিটি দল একে অপরের সঙ্গে দুবার মুখোমুখি হবে। বিরতি রয়েছে একদিন করে।১৮ডিসেম্বর পর্দা নামবে এই টুর্নামেন্টের।১৯ডিসেম্বর ফাইনালের জন্য একটি রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে।

                                                             


কখন হবে খেলাগুলো

বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ হবে।দিনের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে দুপুর দেড়টায়। দিনের অপর ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়।তবে শুক্রবারের ম্যাচগুলো যথাক্রমে দুপুর ২টা ও সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে। সবগুলো ম্যাচ হবে মিরপুর স্টেডিয়ামে।আর বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপের ম্যাচগুলো সরাসরি দেখাবে টি-স্পোটর্স।

মাঠে নামবেন সাকিব

নিষেধাজ্ঞার পর এই টুর্নামেন্ট দিয়ে মাঠে নামছেন সাকিব আল হাসান।সাকিব ভক্তদের জন্য এ এক দারুণ সংবাদ। সাকিব মাঠে নামবেন জেমকন খুলনার হয়ে।এছাড়া মুশফিক,তামিম, মাহমুদুল্লাহ,লিটন, আশরাফুল, মোস্তাফিজসহ সব তারকাপ্লেয়ার বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে অংশ নেবেন।

তারকারা কে কোথায়

তারকা প্লেয়ারদের প্রায় সবাই বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে দল পেয়েছেন।এবং দলগুলো মোটামুটি অসাধারণ হয়েছে বলা যায়।প্রায় প্রতিটি দলে তারকা প্লেয়াররা খেলছেন।জেমকন খুলনায় খেলছেন সাকিব আল হাসান। মুশফিক খেলবেন বেক্সিমকো ঢাকায়।গাজীগ্ৰুপ চট্টগ্ৰামে খেলবেন মোস্তাফিজ। জাতীয় দলের ড্যাসিং ওপেনার তামিম ইকবাল ফরচুন বরিশালের দলভুক্ত হয়েছেন। একসময়ের তারকা ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আশরাফুল মিনিষ্টার গ্ৰুপ রাজশাহীর হয়ে মাঠে নামবেন।ফলে সবকিছু মিলে চমৎকার এক টুর্নামেন্ট হচ্ছে বলা যায়।

                                                               



কিভাবে ভোকাবুলারি বাড়াবেন

                                                                 

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: ভাষা শেখার ক্ষেত্রে ভোকাবুলারি  খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভোকাবুলারি মানে শব্দভান্ডার।বলা হয় ভোকাবুলারি বা শব্দভান্ডার যেকোন ভাষার প্রাণ।যেকোন ভাষা আয়ত্ত্ব করতে হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো সেই ভাষার ভোকাবুলারি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখা।আর কোন বিশেষ ভাষাগত জড়তার পেছনে মূল ফ্যাক্ট হিসেবে সেই ভাষার ভোকাবুলারি সম্পর্কে দুর্বলতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। অর্থাৎ যেকোন ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হলো সেই ভাষার ভোকাবুলারি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখা। যেকোন ভাষার  ভোকাবুলারির ভান্ডার সমৃদ্ধ করতে পারলে সেই ভাষাটি  আয়ত্ত্ব করা সহজ হয়ে যায়।এখানে ইংরেজি ভোকাবুলারি কিভাবে বাড়াবেন সেটি নিয়ে আলোচনা করব।

কেন ভোকাবুলারি বাড়াবেন


এটি ডিজিটালাইজেশনের যুগ।এখন শিক্ষা,বাণিজ্য , যোগাযোগ বহুলাংশে ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর।আর এখনো ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারিক তথ্যের বড় অংশ ইংরেজি ভাষায় লিপিবদ্ধ।আর আমাদের দেশে যেহেতু  আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা ইত্যাদির জন্য মূলভাষা ইংরেজি তাই ইংরেজি ভাষার ভোকাবুলারি বাড়ানোর বিকল্প নেই। এমনকি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য ইংরেজি ভোকাবুলারি বাড়ানোর বিকল্প নেই। আউটসোর্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ই-কমার্সের এ যুগে নিজেকে এগিয়ে রাখতে ইংরেজি ভোকাবুলারি বাড়ানো জরুরি।

কিভাবে ইংরেজি ভোকাবুলারি বাড়াবেন


ইংরেজি ভোকাবুলারি বাড়ানোর বহু উপায় রয়েছে।তবে এসবকিছুর আগে চাই প্রচন্ড একাগ্ৰতা। আপনাকে দৈনিক কিছুসময় অনলাইনে ইংরেজি পএিকা পড়ার অভ্যাস করতে হবে। ইংরেজি মুভি দেখার অভ্যাস করতে পারেন। এমনকি খেলাধুলার ইংরেজি ধারাভাষ্য শুনতে পারেন।মনে রাখবেন ইংরেজি শব্দ মোবাইলেও পড়তে পারেন তবে খাতায় লিখতে হবে তানাহলে সহজে শব্দের অর্থ ভুলে যাবেন।অভিজ্ঞদের মতে মোবাইলের পড়া খুব বেশি মনে রাখা যায়না।এক্ষেএে খাতায় লিখে রাখতে হবে।যেকোন শব্দ শেখার পর সেটির সমার্থক শব্দ জেনে নিন।এভাবে শব্দটি আপনার মনে গেথে যাবে।ভোকাবুলারি খাতায় লিখে শিখলে বেশি মনে থাকে। আসুন ভোকাবুলারি বাড়ানোর আরো কিছু চমৎকার উপায় জেনে নিই।

নিয়মিত পড়তে হবে


ইংরেজি ভোকাবুলারি বাড়াতে চাইলে নিয়মিত পড়তে হবে। নিয়মিত নতুন নতুন শব্দ সিলেক্ট করে লিখে রাখুন।যতদিন পর্যন্ত কোন শব্দ আয়ত্ত্বে আসছে না সেটি ততদিন পর্যন্ত অনুশীলন করতে হবে। বিগত দিনের শব্দটি মাঝেমাঝে স্মরণ করার চেষ্টা করুন। এভাবে বারবার শব্দটি নিয়ে চিন্তা করলে সেটি স্মৃতিতে গেথে যাবে।

বিভিন্ন ক্লাসের ইংরেজি  টেক্সটবই অনুশীলন


নতুন ইংরেজি শব্দ শেখার ক্ষেত্রে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকসহ বিভিন্ন ক্লাসের ইংরেজি টেক্সটবইয়ের পাঠগুলো পড়তে পারেন। এখানে নতুন শব্দগুলোর অর্থ বের করে কোথাও লিখে রাখুন।এটি বেশ সুবিধাজনক এক পদ্ধতি। এছাড়া যারা বিখ্যাত ব্যক্তিদের  জীবনী পড়তে ভালোবাসেন তারা ইংরেজি জীবনী পড়তে পারেন। অজানা শব্দ পেলে গুগলে সার্চ করে অর্থসহ খাতায় লিখে রাখতে পারেন।

অনলাইন ডিকশনারির ব্যবহার


ইংরেজি ভোকাবুলারি বাড়াতে চাইলে প্রচন্ড ইচ্ছার বিকল্প নেই।আর এক্ষেত্রে প্রচুর অনুশীলনের সাথে একটি অনলাইন ডিকশনারি হতে পারে দারুণ  সহায়ক।যখন সময় পান মোবাইলের অনলাইন ডিকশনারিতে চোখ বুলান। পছন্দের শব্দটির অর্থ ও সমার্থক শব্দগুলো জেনে নিন। অনলাইনে বিখ্যাত তারকাদের ইংরেজি জীবনী ডাউনলোড করতে পারেন।এবং সেটি থেকে নতুন শব্দ পেলে তার অর্থ অনলাইন ডিকশনারিতে দেখে নিন এবং খাতায় লিখে রাখুন।

নতুন শব্দটি ব্যবহার করুন


নতুন যে শব্দটি শিখলেন সেটি নিয়ে বাক্যতৈরির চেষ্টা করুন। এমনকি সেই শব্দটির বিপরীত শব্দটিও জেনে নিন।এভাবে নতুন শব্দ নিয়ে চিন্তা করলে সেটি স্মৃতিতে বহুদিন থেকে যাবে। অর্থাৎ ইংরেজি ভোকাবুলারি বাড়াতে চাইলে নতুন শব্দ শেখার সাথে সাথে সেটির নিয়মিত ব্যবহার খুব জরুরি।


যেখানে মার্ক বাউচার অনন্য

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: ক্রিকেটে উইকেটরক্ষকদের গুরুত্ব খুব তাৎপর্যপূর্ণ।আবার অনেকের কাছে এমনটিও মনে হতে পারে যে দল থাকলে একজনতো উইকেটের পেছনে থাকবেই।তবে ক্রিকেটবোদ্ধাদের কাছে একজন উইকেটরক্ষক খুব ভাইটাল।একজন উইকেটরক্ষক ক্রিকেটম্যাচকে যেকোন সময় বদলে দিতে পারেন এরকম উদাহরণ কম নেই। এমনকি একজন সেট ব্যাটসম্যানকে স্টাম্পিং বা ক্যাচের ফাঁদে ফেলে ম্যাচকে বদলে দিতে পারেন একজন চৌকস উইকেটরক্ষক।এবং ক্রিকেটের ইতিহাস ঘাটলে এরকম বেশকজন চৌকস ও সফল উইকেটরক্ষকের সন্ধান পাওয়া যায়।আর তিন ফরমেট মিলিয়ে ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে সফল উইকেটরক্ষক হিসেবে মার্ক বাউচারকে পাওয়া যায়।

তিন ফরমেট মিলিয়ে সর্বকালের পাঁচ সেরা উইকেটরক্ষক

ক্রিকেটের তিন ফরমেট মিলিয়ে বেশকজন সফল উইকেটরক্ষকের সন্ধান পাওয়া যায়।আর এদের প্রথম পাঁচজনকে খুঁজলে সবার আগে মার্ক বাউচারের নামটি আসে।টেষ্ট,অডিআই ও টিটুয়েন্টি মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল বাউচারের।মার্ক বাউচার দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দীর্ঘ সময় উইকেটের পেছনে দায়িত্ব পালন করেছেন।তারপর ক্রিকেটের পাঁচ সেরা উইকেটরক্ষক যথাক্রমে অষ্ট্রেলিয়ার  এডাম গিলক্রিস্ট, ভারতের এম এস ধোনি, শ্রীলঙ্কার  কুমা সাঙ্গাকারা,অষ্ট্রেলিয়ার ইয়ান হিলি(সূএ: ইএসপিএন ক্রিকইনফো)


মার্ক বাউচার (১৯৯৭-২০১২)

                                                            

মার্ক বাউচার দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক উইকেটরক্ষকব্যাটসম্যান।বাউচার টেষ্ট,অডিআই ও টিটুয়েন্টি মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসালের মালিক। বাউচার উইকেটরক্ষক হিসেবে সব ক্রিকেটপ্লেয়িং কন্ডিশনে খেলেছেন।বাউচারের উইকেটের পেছনের ক্ষিপ্রতা , বিচক্ষণতা সত্যিই এক দৃষ্টিনন্দন বিষয় ছিল। এছাড়া দুর্দান্ত সব ডাইভের জন্যও বাউচার ক্রিকেটে স্মরণীয়।বাউচার ৪৬৭ ম্যাচ খেলে মোট ৯৯৮টি ডিসমিসালের মালিক হয়েছেন যেখানে রয়েছে ৯৫২টি ক্যাচ ও ৪৬টি স্টাম্পিং।


এডাম গিলক্রিস্ট (১৯৯৬-২০০৮)

                                                                

এডাম গিলক্রিস্ট অষ্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা উইকেটরক্ষক। গিলক্রিস্ট তাঁর অসাধারণ বুদ্ধিমওা ও বিচক্ষণতার জন্য বিখ্যাত।এবং নিখুঁতপেশাদারিত্ব ছিল গিলক্রিস্টের বড় শক্তি। গিলক্রিস্ট তিন ফরমেট মিলিয়ে মোট ৯০৫টি ডিসমিসালের রুপকার। গিলক্রিস্ট  ৮১৩টি ক্যাচ ও ৯২টি স্টাম্পিং করেছেন।


এম এস ধোনি(২০০৪-২০১৯)

                                                               


এম এস ধোনি ভারতের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী উইকেটরক্ষক।ধোনি বুদ্ধিমান উইকেটরক্ষক ছিলেন। উইকেটের পেছনে ক্ষিপ্রতা ,ব্যাটসম্যানকে পর্যবেক্ষণের দারুণ মনসংযোগ এবং পেশাদারিত্বের জন্য ধোনি উইকেটরক্ষক হিসেবে সবার প্রিয়।ধোনির কারণে বহুম্যাচের রূপ বদলেছে।আর ধোনি উইকেটের পেছনে থাকলে যেকোন ব্যাটসম্যান সতর্ক হতে বাধ্য।ধোনি ৫৩৮ম্যাচে কিপিং করেছেন । তাঁর তিন ফরমেট মিলিয়ে মোট ডিসমিসাল  ৮২৯টি।ধোনি তিনধরণের ক্রিকেটমিলিয়ে ৬৩৪টি ক্যাচ ও ১৯৫টি স্টাম্পিং করেছেন।

কুমার সাঙ্গাকারা (২০০০-২০১৫)

                                                              

শ্রীলঙ্কার সর্বকালের সেরা উইকেটরক্ষকব্যাটসম্যান সাঙ্গাকারা ক্রিকেট ইতিহাসের চতুর্থ সেরা উইকেটরক্ষক। সাঙ্গাকারা দীর্ঘ দিন শ্রীলঙ্কার উইকেটরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।সাঙ্গা ৫৯৪ম্যাচে কিপিং করে তিনফরমেট মিলিয়ে ৬৭৮টি ডিসমিসালের মালিক হয়েছেন।সাঙ্গা এর মধ্যে ৫৩৯টি ক্যাচ ও ১৩৯টি স্টাম্পিং করেছেন।


 ইয়ান হিলি(১৯৮৮-১৯৯৯)

                                                                

অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক গ্ৰেট উইকেটরক্ষক ইয়ান হিলি ক্রিকেটের তিন ফরমেট মিলিয়ে পঞ্চম সেরা উইকেটরক্ষক।ইয়ান হিলি বহু আগে ক্রিকেট ছেড়েছেন কিন্তু মোট ডিসমিসালের হিসেবে তাকে এখনো প্রথম পাঁচজনের মধ্যে রাখতে হচ্ছে।অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক এই উইকেটরক্ষক টেষ্ট ও অডিআই মিলিয়ে ২৮৭ম্যাচে উইকেটের পেছনে দায়িত্ব পালন করেছেন।হিলি মোট ৬২৮টি ডিসমিসালের রূপকার। তিনি ৫৬০টি ক্যাচ ও ৬৮টি স্টাম্পিং করেছেন।


সুস্থ থাকতে কিছু অভ্যাস

 শীত এসে গেছে। অনেকেই ভাবছেন হয়তো শীতে সুস্থতা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।শীতে শুধু ভারী কাপড় পড়লেই শরীর সুস্থ থাকবে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিদ ও পুষ্টিবিদদের মতে শীতে অসতর্ক হলে শরীরে বিভিন্ন মৌসুমী রোগবালাই বাসাবাধতে পারে। এমনকি শীতে কিছু অলসতা আপনাকে বিপদে ফেলতে পারে। তাই শীতে সুস্থ থাকার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস জেনে রাখা ভালো। শীতের সময় অলসতার জন্য শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে।ফলে কোলেষ্টেরল,সুগার ইত্যাদি বেড়ে যেতে পারে।ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর এসব থেকে সুরক্ষার জন্য কিছু অভ্যাস রপ্ত করতে পারেন।

প্রচুর মৌসুমী শাকসবজি খান

                                                               


শীতের সময়ে প্রচুর শাকসবজি পাওয়া যায়। এবং দাম থাকে হাতের নাগালে। শাকসবজি শুধু পুষ্টির চাহিদা মেটায় না সেই সাথে শীতে শরীরের বিপাক ক্রিয়া ভালো রাখে।শাকসবজিতে বিদ্যমান ভিটামিন ত্বকসহ বিভিন্ন অঙ্গেও পুষ্টি যোগায়। সবচেয়ে বড় কথা হলো শীতের মত পুষ্টিকর ও তাজা সবজি বছরের অন্য সময় মেলেনা।তাই এখন সুস্থ থাকতে প্রচুর শাকসবজি খান।

প্রচুর পানি পান করুন

                                                              


অনেকেই শীতে পানি পান করতে চান না। কিন্তু স্বাস্থ্যবিদদের মতে শীতে প্রচুর পানি পান করলে শরীর সতেজ থাকে।ত্বক ভালো থাকে।হজম ভালো হয়।এই সময়ে বেশি বেশি পানি পান করলে ঘুম ভালো হয়।শীতে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়।তাই এই সময়ে প্রচুর বিশুদ্ধ পানি পানের বিকল্প নেই।এ সময়ে পানি পান করলে শরীরের জীবাণু সহজে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। শরীরের আদ্রর্তা বজায় রাখতে শীতে যথেষ্ট পানি পান করুন।

পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন

                                                            


জীবনের ব্যস্ততা বাড়ার সাথে বিভিন্ন জটিলতাও বাড়ছে। উপরন্তু করোনায় জীবনের গতিতে পড়েছে লাগাম। তাই এই সময়ে শরীর সুস্থ রাখার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন।শরীর সুস্থ রাখার জন্য এই সময়ে পর্যাপ্ত ঘুম খুব দরকারি। ঘুম শরীরের এক বড় বিশ্রাম।এই সময়ে শরীরকে কর্মক্ষম ও সতেজ রাখতে চাই পর্যাপ্ত ঘুম। শরীরের সতেজতার জন্য এই সময়ে দৈনিক আট থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। ভালো ঘুম হলে শরীর,মন ও মস্তিষ্ক সবই ভালো কাজ করে।

শরীরচর্চা

                                                             


শীতের কুয়াশামাখা সময়ে অলসতা ভর করে শরীর ও মনে।আর এরফলে শরীরের ওজন বেড়ে যায়। শরীরের স্বাভাবিক গতিতে কিছুটা ছেদ পড়ে।তাই এই সময়ে সুস্থ থাকতে দিনে অন্তত একবার শরীরচর্চা করতে পারেন। কাজের ফাঁকে হাটাহাটি করতে পারেন।এসব অভ্যাস শরীরকে সচল করে। এছাড়া শরীরচর্চা অতিরিক্ত মেদ কমাতে কাজ করে।

প্রিয় খেলা দেখুন

                                                               


মাঝে মাঝে টিভিতে প্রিয় খেলা দেখুন।এমনকি ইউটিউবেও প্রিয় তারকার খেলা দেখতে পারেন। খেলাধুলা দেখলে শরীর ও মনের ক্লান্তি দূর হয়। শরীরের সতেজতা বাড়াতে এই অভ্যাস চর্চা করতে পারেন।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী


আইপিএলের সেরা বিদেশি ব্যাটসম্যান

 আইপিএল নিয়ে ক্রিকেপ্রেমীদের আগ্ৰহের কমতি নেই।আর এর মধ্যে অনেকেই জানতে চান আইপিএলের ইতিহাসে সেরা ব্যাটসম্যান কারা।কোন ব্যাটসম্যানটি সবচেয়ে বেশি রান করেছেন। আবার কে সর্বাধিক ছক্কা মেরেছেন।আর সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আইপিএল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেট লিগ। সেই সাথে এখানে বিশ্বের সবসেরা প্লেয়াররাই খেলার সুযোগ পান। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো বহু বিখ্যাত প্লেয়ার ক্রিকেটের ইতিহাসে নিজের অসাধারণ সব রেকর্ড গড়লেও আইপিএলে খেলার সুযোগ পাননি। বিপরীত ঘটনাও আছে। অনেক তরুণ প্লেয়ার আইপিএলে খেলে বিখ্যাত হয়েছেন।আর এসব বিচিত্র ঘটনাবলির জন্যই মনে হয় আইপিএলের এতো কদর।আইপিএলের পাঁচ সেরা ব্যাটসম্যানকে নিয়ে এ লেখা।

আইপিএলের পাঁচ সেরা ব্যাটসম্যান

আইপিএল মানে ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং আর টাইমিংয়ের অসাধারণ প্রদর্শনী।ফলে আইপিএলের ব্যাটিং দেখার আগ্ৰহ থাকে সবার মধ্যে। এমনকি আইপিএলের জন্য ক্রিকেটব্যাটিংয়ের ধারণায় বহু রূপান্তর ঘটে গেছে। আইপিএল ইতিহাস ঘাটলে বিদেশি ব্যাটসম্যানদের বহুমাত্রিক রেকর্ডের সন্ধান পাওয়া যায়। আইপিএলের সেরা বিদেশি ব্যাটসম্যানদের রেকর্ডের দিকে তাকালে প্রথম পাঁচটি নাম আসে যথাক্রমে ডেভিড ওয়ার্নার,এবি ডিভিলিয়ার্স,ক্রিস গেইল,শেন ওয়াটসন ও কিয়েরন পোলার্ড। আসুন আইপিএলের এই পাঁচ সেরা বিদেশি ব্যাটসম্যানের রেকর্ড ও অন্যান্য জেনে নিই (সূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো)।

ডেভিড ওয়ার্নার: বিদেশিদের মধ্যে সেরা

                                                                


ডেভিড ওয়ার্নার অষ্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে সর্বকালের অন্যতম সেরা ওপেনার। এরকম দুর্দান্ত টেকনিক ও স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান ক্রিকেটের ইতিহাসেই হাতেগোনা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো ওয়ার্নার আইপিএলের অন্যতম সেরা বিদেশি ব্যাটসম্যান। আইপিএলের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় বিদেশিদের মধ্যে ওয়ার্নারের রান সবচেয়ে বেশি। দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিংয়ের জন্য বিখ্যাত এই অসি ওপেনার আইপিএলে ১৪২ ম্যাচ খেলে ৫২৫৪রান করেছেন যা আইপিএলে বিদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ। আইপিএলে ওয়ার্নার ৪টি সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া আইপিএলে বিদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে সর্বাধিক হাফসেঞ্চুরিও এই ব্যাটসম‌্যানের দখলে।


এবি ডিভিলিয়ার্স:আইপিএলেও সফল এই সুপারস্টার

                                                                


এবি ডিভিলিয়ার্স শুধু যে সফল ব্যাটসম্যানই নন সেই সাথে আইপিএলের সেরা এক বিদেশি ব্যাটসম্যান তা হয়ত অনেকের অজানা। রেকর্ড ঘাটলে দেখা যায় গ্লামারাস এই ব্যাটসম্যান আইপিএলেও নিজের ব্যাটিংয়ের ঝাঁজ ধরে রেখেছেন।ডিভিলিয়ার্স আইপিএল ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা বিদেশি ব্যাটসম্যান।চারছয়ের পসরা সাজিয়ে ডিভিলিয়ার্স ১৬৯ম্যাচ খেলে ৪৮৪৯রান করেছেন। আইপিএলে এই ব্যাটসম্যান ৩সেঞ্চুরি ও ৩৮টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন।


ক্রিস গেইল: আইপিএলের তৃতীয় সেরা বিদেশি

                                                           


বলা হয় আইপিএল যদি শুধু ভারতীয় প্লেয়ার নিয়ে চলত তবে নিশ্চয় এই লিগটি এতো   বেশি আকর্ষণ পেত না।আর ক্রিস গেইল না খেললে আইপিএল হয়তো এতো জমজমাট ব্যাটিং রেকর্ড পেত না।। ক্রিস গেইল  আধুনিকক্রিকেটের এক স্বতন্ত্র ব্রান্ড।ক্রিকেটে বহু ইতিহাসের রুপকার এই উইন্ডিজ ওপেনার।আইপিএলে সেরা বিদেশি ব্যাটসম্যানদের তালিকায়ও রয়েছেন গেইল।গেইল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ১৩২ম্যাচ খেলে ৪৭৭২রান করেছেন।আইপিএলে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি (৬)  ও সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের(১৭৫) রেকর্ডও  এই ব্যাটসম্যানের দখলে।


শেন ওয়াটসন:অন্যতম সেরা বিদেশি ব্যাটসম্যান

                                                               


অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক এই মারকুটে ব্যাটসম্যান বরাবরই আইপিএল মাতিয়েছেন এবং নিজের নামের পাশে এক অনন্য রেকর্ডও রেখেছেন।শেন ওয়াটসন সফল বিদেশি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় প্রথম পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন। বিশ্বের সেরা এই লিগে ওয়াটসন ১৪৫ম্যাচ খেলে ৩৮৭৪রান করেছেন। আইপিএলে ৪টি সেঞ্চুরি আছে এই ব্যাটসম্যানের ।


কিয়েরন পোলার্ড:পঞ্চম সেরা বিদেশি

                                                             


উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানরা বরাবরই আইপিএলে সফল।আর টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে হার্ডহিটারদের চাহিদা বেশি হওয়ায় উইন্ডিজরা বরবরাই এখানে সুযোগ পান। এবং আইপিএলের ইতিহাস ঘাটলে সফলদের তালিকায় ওয়েষ্টইন্ডিজের ব্যাটসম্যানদের নাম সবসময়ই মেলে।আইপিএলের সেরা বিদেশি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় রয়েছেন উইন্ডিজ হাডহিটার কিয়েরন পোলার্ড।পোলার্ডের দল মোম্বাই ইন্ডিয়ানস এবারও আইপিএল শিরোপা জিতেছে।পোলার্ড আইপিএলে ১৬৪ম্যাচ খেলে ৩০২৩রান করেছেন। সেইসাথে ১৫টি ফিফটিও আছে এই ব্যাটসম্যানের।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে কে কোন টিমে

                                                             


করোনার কারণে অন্যসব খেলার মত ক্রিকেটবিশ্বেও স্থবিরতা বিরাজ করছে। বিভিন্ন দেশের নির্ধারিত ইভেন্ট স্থগিত ছিল দীর্ঘ কয়েকমাসজুড়ে। বাংলাদেশের শ্রীলংকা সফর বাতিল হয়েছে।।আইপিএলে ছিলনা সেই চিরচেনা উন্মাদনা।বিপিএল বাতিল হয়ে গেছে।অবশ্য কিছু কিছু স্থগিত ট্যুর আবার শুরু হচ্ছে। আশার খবর হলো অন্য অনেক দেশের মত বাংলাদেশের ক্রিকেটও আবার মাঠে গড়াচ্ছে। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ দিয়ে দেশের ক্রিকেট আবার মাঠে ফিরছে।এবং সেইসাথে বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ দিয়ে দেশসেরা  অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও ক্রিকেটে ফিরছেন। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ নিয়ে এ লেখা।

কয়টি টিম অংশগ্রহণ করবে


বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে মোট পাঁচটি টিম খেলবে। ইতিমধ্যে প্লেয়ার ড্রাপট শেষ হয়েছে।প্রতিটি টিম ১৬জন করে প্লেয়ার দলভুক্ত করেছে। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপের টিমগুলো যথাক্রমে বেক্সিমকো ঢাকা,জেমকন খুলনা,মিনিষ্টার গ্ৰুপ রাজশাহী,গাজী গ্ৰুপ চট্টগ্রাম, ফরচুন বরিশাল।

কোন তারকা কোন টিমে


বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে দেশের প্রায় সব তারকাই অংশ নেবেন।সাকিব আল হাসান এ টুর্নামেন্ট দিয়ে ক্রিকেটে ফিরবেন। খেলবেন আশরাফুল, তাসকিন,মুশফিক,তামিম, রুবেল হোসেন,সাইফুদ্দিন,নাঈম শেখসহ প্রায় সব তারকা ক্রিকেটার। সেইসাথে অনুর্ধ১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের বেশকিছু তারকাও এই টুর্নামেন্টে দলভুক্ত হয়েছেন। আসুন জেনে নেই বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপে কোন তারকা কোন টিমে খেলছেন সেই খবর।

জেমকন খুলনা-সাকিব আল হাসান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, আল-আমিন হোসেন, শুভাগত হোম।
বেক্সিমকো ঢাকা-মুশফিক,নাঈম শেখ, সাব্বির রহমান, রুবেল হোসেন
গাজী গ্ৰুপ চট্রগ্রাম- মোস্তাফিজ,লিটন দাস,সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন, শামসুর রহমান
ফরচুন বরিশাল-তামিম ইকবাল,আফিফ, তাসকিন,মিরাজ,আবু জায়েদ চৌধুরী
মিনিস্টার গ্ৰুপ রাজশাহী-আশরাফুল, সাইফুদ্দিন, নাজমুল হোসেন শান্ত


কখন খেলা ও সম্প্রচার


বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ এইবছরের নভেম্বরের শেষসপ্তাহে শুরু হবে।প্রতিটি টিমে কোচিং স্টাফ দেবে বিসিবি।সেইসাথে দলগুলো লোকাল কোচদেরও নিতে পারবে। বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপের জন্য প্রতিটি ফ্রাঞ্চাইজি বিসিবিকে ২কোটি টাকা করে দেবে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য খবর হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপের সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে দেশের নতুন স্পোটর্স টিভিচ্যানেল টি-স্পোটর্স।টি-স্পোটর্স সবগুলো খেলা সম্প্রচার করবে।

মাঠে নামবেন সাকিব


ক্রিকেটভক্তদের জন্য সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো  বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপের জন্য দলভুক্ত হয়েছেন।জেমকন খুলনার হয়ে আবার মাঠে ফিরবেন সাকিব আল হাসান। সবকিছু মিলিয়ে বঙ্গবন্ধু টিটুয়েন্টি কাপ দেশের ক্রিকেটামুদীদের জন্য এক আনন্দের সংবাদ বলা যায়।



ফার্মাসিস্ট;শুধু পেশা নয় সেবাও

                                                            


পেশার বাজারে ফার্মাসিস্ট বহু পুরনো এক পেশা।এবং সময়ের সাথে সাথে পেশাটির কাজ ও প্রসার দুইই বেড়েছে।একসময় ফার্মাসিস্ট বলতে শুধু যারা প্রেসক্রিপসন দেখে ওষুধ বিক্রি করেন তাদের কে বুঝাতো। কিন্তু সময়ের সাথে উচ্চতর ফার্মেসি শিক্ষাও এদেশে চালু হয়েছে। ফার্মাসিস্ট বলতে প্রধানত দুই ধরণের পেশাকে তুলে ধরা হয় এর প্রথমটি হচ্ছে যারা ওষুধ নিয়ে গবেষণা করেন এবং বিভিন্ন রোগের ওষুধ তৈরি করেন।আবার যারা শটটার্ম ফার্মাসিস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে প্রেসক্রিপসন দেখে ওষুধ বিক্রি করেন তাদেরকেও ফার্মাসিস্ট বলা হয়। আমাদের দেশে যারা ফার্মেসি বা ওষুধ বিক্রয়কেন্দ্রে ওষুধ বিক্রি করেন তাদের চাহিদাই বেশি। সময়ের সাথে ফার্মেসিকেন্দ্রিক ফার্মাসিস্ট পেশার কাজের বিস্তৃতি ঘটেছে।এখন আর শুধু ওষুধ বিক্রিই এসব ফার্মাসিষ্টের কাজ নয়। একজন সফল ফার্মাসিস্ট মানুষকে সঠিক চিকিৎসার জন্য তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে পারেন। আবার সঠিক ওষুধ সরবরাহের মাধ্যমে মানুষের উপকার করতে পারেন।

ফার্মাসিস্ট ;যখন  পেশা ও সেবা একসাথে

আমাদের মত জনবহুল দেশে একজন ফার্মাসিষ্টের জন্য বহুমাত্রিক সেবার সুযোগ রয়েছে। মানুষকে সঠিক চিকিৎসার পথ বাতলে দিতে পারেন একজন ফার্মাসিস্ট। আসুন ফার্মাসিস্ট পেশার গুরুত্ব ও কর্মপরিধি জেনে নিই।

সঠিক ওষুধ সরবরাহ

একজন ফার্মাসিস্ট মানুষকে সঠিক ওষুধ সরবরাহের মাধ্যমে উপকার করতে পারেন।তাই ফার্মাসিষ্টকে আগে বাজারের ওষুধ সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে।এজন্য সবচেয়ে জরুরি বিভিন্ন ওষুধ নিয়ে জানার চেষ্টা করা।আর ফার্মাসিস্ট যখন ভালো ওষুধ সম্পর্কে জানবেন তখন মানুষকে সহজে সঠিক তথ্য দিতে পারবেন।এভাবে ফার্মাসিষ্টের মাধ্যমে বহু মানুষ অপচয় ও স্বাস্থহানি থেকে মুক্তি পাবে।

স্বাস্থ্যসেবার অংশ

বলা হয় সুস্বাস্থ্য সকল সুখের মূল।আর মানুষের  সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য রয়েছেন চিকিৎসক।তবে শুধু চিকিৎসক দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পূর্ণতা পায় না এজন্য প্রয়োজন ভালো ফার্মাসিষ্টের।একজন ফার্মাসিস্ট নিত্যনতুন ওষুধ সম্পর্কে কখনো কখনো চিকিৎসককে তথ্য দিয়ে সহায়তা করে থাকেন।ফলে ফার্মাসিস্ট পেশাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক পেশা যেখানে আয়ের সাথে সেবার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

রয়েছে চাকরির সুযোগ

পেশাদার ফার্মাসিস্ট হতে হলে আপনাকে অবশ্যই সার্টিফিকেট নিতে হবে। এছাড়া ব্যবহারিক দক্ষতা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ।একজন আদর্শ ফার্মাসিস্ট হতে হলে শুধু সার্টিফিকেটে কাজ হবেনা তারসাথে চাই বাস্তব অভিজ্ঞতা।আর ফার্মেসি ও ওষুধের বাজার আগের থেকে এখন অনেক বেশি প্রতিযোগিতাপূর্ণ।তাই রিটেল ও হোলসেল ওষুধের বাজার সম্পর্কে জানার জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো ফার্মাসিস্ট হিসেবে সরকারি বেসরকারি চাকরির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে দেশে।তবে এসবের জন্য আগে চাই সার্টিফিকেট ও বাস্তব অভিজ্ঞতা।

অনলাইন ব্যবসার সুযোগ

এখন অনলাইনে ফার্মেসি ব্যবসার বাজার বাড়ছে।তাই রিটেলের পাশাপাশি অনলাইন ফার্মেসি ব্যবসাও শিখতে পারেন।আর অভিজ্ঞদের মতে অনলাইন মার্কেটে ফার্মেসি ব্যবসার জন্য শেখার গুরুত্ব এবং সেইসাথে অনলাইন মার্কেটিং শেখা গুরুত্বপূর্ণ।



সুস্বাদু ফল কমলা

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম:শীতের ফল কমলা বাজারে আসতে শুরু করেছে।যদিও বছরজুড়ে বাজারে কিছু কমলা পাওয়া যায়। কিন্তু শীতের তাজা কমলার স্বাদ সেগুলোতে তেমন একটা মেলে না। তাছাড়া দামের দিক থেকে শীতের কমলা তুলনামূলকভাবে সস্তা। কমলার বড়গুণ ফলটি অত্যন্ত সুস্বাদু।এবং সববয়সের মানুষের জন্য উপকারী এক ফল কমলা।কমলায় রয়েছে বিপুল স্বাস্থ্যকর পুষ্টিউপাদান।কমলার পুষ্টিগুণ নিয়ে এই লেখা(সূএ:বুল্ডস্কাই)।

কমলা দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়

কমলা এক জনপ্রিয় ফল।সবাই কমলা পছন্দ করেন।কমলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে।আর ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। তাই যারা দীর্ঘ দৃষ্টিশক্তি পেতে চান তাদের জন্য কমলা এক আদর্শ ফল।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

সুস্থ থাকতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।আর এক্ষেত্রে পুষ্টিবিদেরা বেশি বেশি মৌসুমী ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন।যারা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চান তাদের জন্য কমলা হতে পারে এক চমৎকার ফল।কমলা আমাদের শরীরের ভিটামিন সি'র ঘাটতি দূর করে।কমলায় ভিটামিন সি ছাড়া আরো বেশকিছু উপকারী পুষ্টিউপাদান রয়েছে।কমলায় বিদ্যমান বিভিন্ন ভিটামিন ও পুষ্টিউপাদান বেশকিছু মৌসুমী রোগবালাই প্রতিরোধে কাজ করে।

ত্বক ভালো রাখে

ত্বকে বয়সের ছাপ নিয়ে অনেকেই চিন্তায় পড়ে যান।আর এক্ষেত্রে পুষ্টিবিদেরা বেশি বেশি কমলা খেতে বলেন।কমলায় বিদ্যমান বিভিন্ন ভিটামিন আমাদের ত্বকের সতেজতা বাড়ায়।কমলা ত্বককে সজীব করে তোলে। কমলা ত্বকের বয়সজনিত ফ্যাকাশে ভাব দূর করে। ত্বককে কোমল রাখতে কমলা কার্যকর।

হ্নদযন্ত্র ভালো রাখে

হ্নদযন্ত্রের জন্য  কমলা খুব উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে কমলায় বিদ্যমান বেশকিছু ভিটামিন ও খনিজ উপাদান আমাদের হ্নদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া শরীরের রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর এক ফল কমলা। তাই হ্নদযন্ত্র ভালো রাখতে নিয়মিত কমলা খাওয়া উচিত।

ডায়বেটিকদের জন্য উপকারী

কমলার উপকারী গুণের শেষ নেই।স্বাদের সাথে এই ফলটি ব্যাপক পুষ্টিউপাদানে ভরপুর।শর্করা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব উপকারী।কমলা আমাদের রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। তাই যারা রক্তের অতিরিক্ত শর্করা নিয়ে চিন্তিত তাদের জন্য আদর্শ এক ফল কমলা।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন।অনেকে কোন উপায়েই শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারছেন না।আর তাদের জন্য কমলা এক দারুণ উপকারী ফল হতে পারে ।কমলায় ক্যালরি নেই তাই নিয়মিত কমলা খেলে বিভিন্ন পুষ্টির ঘাটতি যেমন পূরণ হয় তেমনি ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই যারা অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চিন্তিত তারা নিয়মিত কমলা খেতে পারেন।

কমলা ক্যান্সার প্রতিরোধক

বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব দিনদিন বাড়ছে।ক্যান্সার প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ সহজ।এক্ষেএে পুষ্টিবিদেরা নিয়মিত কমলা খেতে বলেন।কমলায় ক্যান্সারপ্রতিরোধী বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে।

ঘুমের জন্য উপকারী

ঘুম নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। ভালো ঘুম না হলে শরীর সুস্থ রাখা খুবই কঠিন। এমনকি ভালো ঘুম নাহলে স্মৃতিশক্তি কমে যায় এবং সেইসাথে আরো বহুমাত্রিক শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।আর এসব থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত কমলা খেতে পারেন।কমলায় এমনকিছু পুষ্টিগুণ রয়েছে যা আমাদের ভালো ঘুমের জন্য খুব সহায়ক।



এবারের আইপিএলশিরোপা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের

                                                              


 প্রিয় ক্রিকেট ডটকম:  দুর্দান্তই এক আইপিএল উপহার দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।সত্যিই এবারের আইপিএলে অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।যদি পিছনে ফিরে যাই তবে দেখা যায় প্রথম ম্যাচে চেন্নাইয়ের কাছে হারের পর মুম্বাইকে নিয়ে যেসব কথা হয়েছিল তা ভুল ছিল।এবং এবারের আইপিএলের সবচেয়ে পরিণত দল হিসেবে শিরোপা জিতল রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।ব্যাটহাতে ডিকক,ইশান কিশান, রোহিতশর্মারা এবার দারুণভাবে মুম্বাইকে শিরোপা এনে দিলেন।আবার বল হারতে বুমরা,বোল্ট পুরো আইপিএল জুড়ে ছিলেন মুম্বাইয়ের অন্যতম কান্ডারী। আসুন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের এই আইপিএল একটু দেখে আসি।

পরিণত দল হিসেবে শিরোপা জয়

এই আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স পরিণত এক দল হিসেবে শিরোপা জিতল। একাধিক ম্যাচে দু'শোর বেশি রানের স্কোর গড়েছে মুম্বাই।প্রায় সবার ব্যাটিংয়ে ছিল প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন।তরুণ ইশান কিশান সূর্যকুমার যাদব থেকে অভিজ্ঞ ডিকক,রোহিতদের ব্যাটিংয়ে ছিল দায়িত্বশীলতার ছাপ।এই আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স অলআউট হয়নি। এমনকি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিনা উইকেটে ম্যাচজয়ের রেকর্ড আছে এই আইপিএলে।এবং আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ও বোলিং ছিল এবার মুম্বাইয়ের এক লক্ষণীয় চরিত্র।

দুই তরুণ ব্যাটসম্যানের অপূর্ব ব্যাটিং

মুম্বাইয়ের এবারের আইপিএল শিরোপা জয়ে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন দুই তরুণ ব্যাটসম্যান।হ্যাঁ তরুণ ঈশান কিশান এবং সূর্যকুমার যাদব এই আইপিএলে অপূর্ব ব্যাটিং করেছেন। আইপিএলে এবার দুজনেই লিডিং রানস্কোরারের তালিকায় রয়েছেন। বাঁহাতি ইশান কিশানের ব্যালান্স সত্যিই অসাধারণ ছিল।আবার নিখুঁত শট খেলতেও সক্ষমতা দেখিয়েছেন এই তরুণ।

চার সিমারের মুম্বাই

এই আইপিএলে দেখা যায় ব্যাটিং ট্র্যাকে চার সিমার নিয়েও সফল মুম্বাই।বুমরা ও বোল্টের সাথে পোলার্ড ও হার্দিক পান্ডিয়ার হিসেবি মিডিয়াম পেস সত্যিই দৃষ্টিনন্দন ছিল।বুমরা ও বোল্ট এবারের লিডিং উইকেটটেকারের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন।বুমরার গতির সাথে বোল্টের ভ্যারিয়েশন মুম্বাইকে এবার চ্যাম্পিয়ন হবার পথে দারুণ সহায়তা করেছে।পোলার্ড প্রায় প্রতিটি ম্যাচে তাঁর মিডিয়াম পেস দিয়ে প্রতিপক্ষের রানের গতি কমিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন।পান্ডিয়ার মিডিয়াম পেসের সাথে দারুণ লাইনলেংথ সত্যিই অসাধারণ ছিল।

দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারের মুম্বাই

এই আইপিএলে অভিজ্ঞ অন্য অনেকের চেয়ে বেশ এগিয়ে ছিলেন মুম্বাইয়ের অলরাউন্ডার কিয়েরন পোলার্ড ও হার্দিক পান্ডিয়া। এই দুই অলরাউন্ডার ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং তিন ক্ষেএেই মুম্বাইকে দারুণ সহায়তা করেছেন।ম্যাচের ফল বের করে নিতে এরা এবার মুম্বাইকে দারুণ সাহায্য করেছেন।পোলার্ড এই আইপিএলে ২৬০এর  বেশি রান করেছেন। এদিকে হার্দিক পান্ডিয়া ২৮০এর বেশি রান করেছেন। এবারের আইপিএলে পোলার্ড চারটি উইকেটও পেয়েছেন।

মুম্বাইয়ের টানা শিরোপা 

আইপিএলে টানা দুবার আইপিএল শিরোপা জেতার গৌরব অর্জন করল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।২০১৯এর আইপিএলেও মুম্বাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।সেবারও দুই পেসার বুমরা ও বোল্ট মুম্বাইয়ের শিরোপা জয়ে ভূমিকা রাখেন। এবার শিরোপা জেতার মধ্যদিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স মোট পাঁচবার আইপিএল শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করল।


আইপিএল২০২০ এর চ্যাম্পিয়নদৌড়

                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম:অবশেষে এবারের আইপিএলের দুই ফাইনালিস্ট পাওয়া গেল।আর এবারের আইপিএলের দুই ফাইনালিস্ট যথাক্রমে দিল্লি ক্যাপিটালস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। যোগ্য টিম হিসেবেই ফাইনালে উঠেছে এই দুদল।  দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে মাঠে নামবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।দিল্লি এবারের আইপিএলে ১৪ ম্যাচ খেলে ৯জয় পেয়ে ফাইনালে উঠেছে।মুম্বাই ১৪ ম্যাচ খেলে ৮জয় পেয়ে ফাইনালে উঠেছে।তবে ফাইনালে পেছনের এসবের গুরুত্ব খুবই কম।চ্যাম্পিয়ন হবার জন্য ফাইনালে জয়ের বিকল্প নেই। আসুন এই আইপিএলে কে চ্যাম্পিয়ন হবে তার একটি আগাম আলোচনা করে নেই।

ব্যাটিংয়ে কাদের উপর দৃষ্টি থাকবে

এই আইপিএলে শেষপর্যন্ত ব্যাটিং বেশি গুরুত্বপূর্ণ।কারণ স্লো উইকেটে ব্যাটিংয়ে যথেষ্ট রান না করলে ম্যাচজয় কঠিন।তাই যেদল ব্যাটিংয়ে ভালো করবে তারা নিঃসন্দেহে এগিয়ে থাকবে। আবার আইপিএল ফাইনালে যেকোন দুই বা তিন ভালো ব্যাটসম্যান দাড়িয়ে গেলে ম্যাচ হয়ে যেতে পারে অয়ান বা টুম্যান গেইম। দিল্লির ব্যাটিংয়ে মূল কান্ডারি অবশ্যই শিকর ধাওয়ান। এবার আইপিএলে দুর্দান্ত ব্যাটিং করছেন দিল্লির এই ওপেনার। এছাড়া দিল্লির শ্রেয়াস আয়ার,রিশব পন্ত,স্টয়নিস,হেটমায়ার ব্যাটিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে পারেন । মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ব্যাটিংয়ে ডিকক,ইশান কিশান,রোহিত শর্মা,পোলার্ড,হার্দিক পান্ডিয়া মূল চালিকা হবেন।রোহিত এই আইপিএলে খুব বেশি কিছু করতে পারেননি। তিনি হয়তো ফাইনালে জ্বলে উঠবেন। 

বোলিংয়ে কারা বাজিমাত করবেন

এই আইপিএলে বোলিং হতে পারে বিশেষ নিয়ামক। দিল্লির জয়রথকে এবার রাবাদা,নর্টজে ,স্টয়নিস এবং অশ্বিন দারুণ বোলিং করে এগিয়ে নিচ্ছেন।রাবাদা এখনো এই আইপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি।নর্টজে গতি ও লাইনলেংথের দারুণ কারুকাজ দেখিয়েছেন।স্টয়নিস ব্যাটিংয়ের মত বোলিংয়ে দুর্দান্ত করছেন। দিল্লির এক প্রধান কান্ডারি এবার স্টয়নিস। মুম্বাইয়ের বোলিংয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন বুমরা ও বোল্ট।সাথে রয়েছেন পোলার্ড,প্যাটিনসন,কোনাল পান্ডিয়া।বুমরা নিজের গতি ও সুইং দিয়ে এই আইপিএলে সবটিমকেই ভুগিয়েছেন।প্যাটিনসন খুবই বুদ্ধিমান বোলার।কোনাল পান্ডিয়া স্পিনে ভালো করছেন।

টস হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ

এই আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে টস।টস জিতলে অধিকাংশ ম্যাচে আগে ব্যাটকরা দল ভালো করছে।আর ডিউফ্যাক্টরের জন্য টসজেতা গুরুত্বপূর্ণ।টস জিতলে দিল্লির ধাওয়ান,আয়ার,হেটমায়াররা দিতে পারেন বড় টার্গেট। আবার মুম্বাই টস জিতলে ডিকক,রোহিত,ইশান কিশান ,পোলার্ডরা গড়তে পারেন বড় স্কোর।তাই এবারের আইপিএল ফাইনালে টস এক বড় ফ্যাক্টর হতে পারে।

কারা হবেন টার্নিং প্লেয়ার

আইপিএল ফাইনালে এবার অনেক প্লেয়ার হয়ে উঠতে পারেন ম্যাচের টার্নিং প্লেয়ার।এসব প্লেয়ার যেকোন সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। দিল্লির টার্নিং প্লেয়ার হতে পারেন হেটমায়ার,স্টয়নিস,রাবাদা। আবার মুম্বাইয়ের টার্নিং প্লেয়ারের তালিকায় থাকবেন হার্দিক পান্ডিয়া,কিওরেন পোলার্ড,বুমরা।

পেসার না স্পিনার কারা মূল নিয়ন্ত্রক

এই আইপিএলের ফাইনালে বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু পয়েন্ট রয়েছে যেখানে পেসার বা স্পিনারের হাত ধরে ম্যাচের ভাগ্য বদলে যেতে পারে।এই আইপিএলের ম্যাচগুলো দেখে ধারণা করাযায় মুম্বাইয়ের পেসার বুমরা ও বোল্ট ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।আবার মুম্বাইয়ের স্পিনার কোনাল পান্ডিয়া হয়ে উঠতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লির পেসারদের মধ্যে রাবাদা ও নর্টজে যেকোন কিছু করতে সক্ষম।আবার দিল্লির অভিজ্ঞ স্পিনার অশ্বিন ফাইনাল নিজের করে নিতে পারেন।

অলরাউন্ডারদের ভূমিকা

দিল্লি ক্যাপিটালস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মধ্যকার এবারের আইপিএল ফাইনালে অলরাউন্ডাদের হাতে উঠতে পারে ম্যাচের চাবি।এক্ষেএে পেসঅলরাউন্ডার স্টয়নিস দিল্লিকে এগিয়ে দিতে পারেন।আবার মুম্বাইয়ের বোলিং অলরাউন্ডার পোলার্ড,হার্দিক পান্ডিয়া ব্যাটেবলে জ্বলে উঠতে পারেন।

বাউন্ডারিলাইন ফিল্ডিং

আইপিএলে বরাবরই বাউন্ডারিলাইন ফিল্ডিং গুরুত্বপূর্ণ।কারণ বিগশটের আসর আইপিএলের ফাইনালে দু-একটি বাউন্ডারিলাইন ক্যাচ ম্যাচকে বদলে দিতে পারে।বাউন্ডারিলাইন ফিল্ডিংয়ে মুম্বাইয়ের পোলার্ড,পান্ডিয়া,বোল্ট খুবই ভালো। আবার দিল্লির স্টয়নিস,হেটমায়ার,ধাওয়ান বাউন্ডারিলাইনে দুর্দান্ত ফিল্ডিং করেন।



ব্রাড হজের চোখে সেরা পাওয়ারপ্লে বোলার

                                                       

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: অষ্ট্রেলিয়ারসাবেক লেগস্পিনার ব্রাড হজ ।এখন ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ  করছেন।ব্রাড হজ আইপিএল ইতিহাসের সেরা পাওয়াপ্লে বোলারের একটি তালিকা দিয়েছেন। তাঁর চোখে এরা বিগত আইপিএল ইতিহাসের সেরা পাওয়ারপ্লে বোলার। এখানে ব্রাড হজের চোখে  আইপিএলইতিহাসের সেরা পাওয়ারপ্লে বোলারদের কথা তুলে ধরছি(সূত্র:হিন্দুস্থানটাইমস)।

জহির খান

ব্রাড হজ আইপিএলের ইতিহাসে সেরা পাওয়ারপ্লে বোলার হিসেবে সবার উপরে রেখেছেন জহির খানকে। তাঁর মতে জহির খানের আইপিএলে করা প্রথম ৬ওভারের কাটারগুলো  আইপিএলের সেরা পাওয়ারপ্লে ভেলিভারি।

মুনাফ প্যাটেল

হজের দৃষ্টিতে আইপিএলে পাওয়ারপ্লের সেরা বোলার হিসেবে মুনাফ প্যাটেল অন্যতম।ব্রাড  হজ মনে করেন বিশেষত দৈহিক উচ্চতার সাথে লাইন লেংথের দারুণ সমন্বয়  মুনাফের পাওয়ারপ্লে বোলিংকে করেছে অনন্য।

মরনি মরকেল

ব্রাড হজের মতে মরনি মরকেল আইপিএল ইতিহাসে এক সেরা পাওয়ারপ্লে বোলার।হজের দৃষ্টিতে আইপিএলের পাওয়ারপ্লে মরকেলের বাউন্সগুলো খুবই কার্যকর এক অস্ত্র।

সুনিল নারাইন

সুনিল নারাইন ব্রাড হজের চোখে আইপিএলের আরেক সেরা পাওয়ারপ্লে বোলার। তাঁর মতে নারাইন উইকেটের দুইপাশে সুইং করাতে পারেন যা আইপিএলে পাওয়ারপ্লের ব্যাটসম্যানদের জন্য বিব্রতকর।

রবিচন্দ্রন অশ্বিন

অশ্বিন বরাবরই পাওয়ারপ্লেতে দারুণ কার্যকর এক বোলার।ব্রাড হজের চোখে আইপিএলের ইতিহাসে সেরা পাওয়ারপ্লে বোলারদের মধ্যেও অশ্বিনের নামটি থাকবে। তাঁর মতে অশ্বিনের বল আইপিএলের পাওয়ারপ্লেতে ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের ক্ষেএে খুবই কার্যকর।

হরভজন সিং

হরভজন সিংকে হজ তাঁর তালিকায় রেখেছেন।হজের দৃষ্টিতে হরভজন সিং আইপিএলে পাওয়ারপ্লে বোলিংয়ের ক্ষেএে সফলদের একজন।এক্ষেএে হরভজনের সুইং ছিল এক বড় অস্ত্র।

শেন ওয়াটসন


ব্রাড হজের চোখে আইপিএলের ইতিহাসে সেরা পাওয়ারপ্লে বোলারদের একজন শেন ওয়াটসন। ওয়াটসনের গতি ও সাথে কার্যকর সুইং আইপিএলের পাওয়ারপ্লেতে এক উদাহরণ বলেই মনে করেন হজ।



করোনাকালে শীতের প্রস্তুতি

                                                               


শীত এসে গেছে। তাই শীতের প্রস্ততির এখনই সময়।তবে এবার যেহেতু করোনার প্রাদুর্ভাব চলছে তাই এই শীতে কিছু বাড়তি প্রস্তুতির প্রয়োজন পড়বে।আর ইতিমধ্যে জানা গেছে শীতে করোনার সংক্রমণ বেশি হতে পারে। তাছাড়া শীতের সময়ে বিভিন্ন মৌসুমী রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে।ফলে এবার শীতের প্রস্তুতি ভালো হওয়া প্রয়োজন।করোনাকালে শীতের প্রস্তুতি নিয়ে এ লেখা।

একাধিক মাস্ক কিনে ফেলুন

শীতে যেহেতু করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে তাই আগেই একাধিক মাস্ক কিনে ফেলা ভালো।তবে অনেকে হয়তো ভারি কাপড়ের মাস্কের কথা ভাবছেন । কিন্তু ভারি কাপড়ের মাস্ক কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত তা জেনে তারপর ব্যবহার করুন।

শীতের পোশাকের যত্ন

ঘরে রাখা শীতের পোশাকটি বের করে রোদে শুকাতে দিন।প্রয়োজনে লন্ড্রি করে নিন।তবে অবশ্যই শীতের পোশাক রোদে শুকিয়ে ব্যবহার করা উচিত।আর শীতে পোশাক নষ্ট হয়ে গেলে সময়ক্ষেপন না করে নতুন পোশাক কেনার ব্যবস্থা করুন।

শীতে ভারি জুতা আরামদায়ক

শীতের প্রস্তুতির অন্যতম অনুষঙ্গ জুতা।তবে শীতে সাধারণ স্যান্ডেলে কাজ নাও হতে পারে।তাই চেষ্টা করুন ভারি কাপড়ের জুতা কেনা যায়কিনা।আর যাদের জুতার ক্ষেএে অফিসিয়াল কোড মানতে হয় তাদের জন্য অফিসিয়াল সুজুতাই যথেষ্ট।এখন বিভিন্ন দেশি কোম্পানির সুজুতা মোটামুটি রিজনেবল দামে পাওয়া যায়।আর যারা ব্রান্ড সচেতন তাদের জন্য বাটা,এপেক্স,লোটোর জুতাই উওম।

শীতে মোজা অতিপ্রয়োজনীয় 

জেনে রাখবেন শীতে মোজা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বস্তু। শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে মোজার ব্যবহার ও প্রয়োজন দুইই বেড়ে যায়।আর শীতে সাধারণ কিছু জুতার সাথেও মোজা পরা যায়।আর শিশু ও বয়স্ক মানুষদের জন্য শীতে মোজাপরা বাধ্যতামূলক।

মৌসুমী অসুখবিসুখ

শীতের তীব্রতা বেড়ে গেলে বিভিন্ন মৌসুমী অসুখবিসুখ হানা দেয়।তাই আগে থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। অতিরিক্ত ঠান্ডা থেকে সুরক্ষার জন্য শীতের প্রয়োজনীয় পোশাক আগেই প্রস্তত রাখুন।শীতে এ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট , সর্দিকাশির প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।তাই আগে থেকেই সচেতন থাকার বিকল্প নেই।

শীতকালীন ভ্রমণে সতর্কতা প্রয়োজন

 শীত এলে অনেকেই ভ্রমণ, পিকনিকের আয়োজন করেন। তবে এবার যেহেতু করোনার প্রভাব রয়েছে তাই শীতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সচেতনতা প্রয়োজন।ভ্রমণে বেরলে পর্যাপ্ত মাস্ক,প্লাষ্টিকের হ্যান্ডগ্লাভস,সাবান,স্যানিটাইজার ইত্যাদি সাথে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের যত্নে রাখুন

করোনাকালিন এই শীতে শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্নে রাখুন।



লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী



আইপিএলে তারকা বোলারদের ব্যর্থতা

                                                              



  এবারের আইপিএলে সেই চিরচেনা উন্মাদনা নেই।করোনার কারণে সবকিছুতেই কিছুটা বাঁধাধরা নিয়মের মধ্যে চলছে চূড়ান্ত লড়াই। দর্শকদের জন্য মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ নেই।ঘরে কিংবা ক্যাফেতে বসে তাই এবার আইপিএল দেখতে হচ্ছে।চারছয়ের পর যাকিছু উল্লাস সবই ড্রেসিংরুমে সীমাবদ্ধ।মাঠে তবু চলছে আইপিএলের দামামা। এবার আইপিএলে সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনার একটি হচ্ছে পুরনো তারকা বোলারদের ব্যর্থতা। এক্ষেত্রে ডেল স্টেইন,কটরেল,রবীন্দ্র জাদেজা,নারাইন, রাসেল,স্টোকসের কথা বিশেষভাবে বলতে হয়। আবার নতুনবোলারদের মধ্যে কয়েকজন নজরকাড়া বোলিং করেছেন। নতুন বোলারদের মধ্যে বরুণ চক্রবর্তী,অশ্বদিপ সিং, মোঃ সিরাজের কথা বলতে হয়।। আইপিএল ২০২০এ ব্যর্থ তারকা বোলারদের নিয়েই এ লেখা।

ডেল স্টেইন

এই আইপিএলে ব্যর্থ বোলারদের মধ্যে সবার আগে আসবে স্টেইনের নাম। এবারের স্লো উইকেটে স্টেইনের মত গতিতারকাদের যখন ঝড় তোলার কথা তখন অভিজ্ঞ এই বোলার ব্যর্থ হলেন। এমনকি ব্যাঙ্গালুরু তাকে তিন ম্যাচের বেশি মাঠে নামানোর সাহস করেনি।৩ম্যাচে বোলিং করে স্টেইন মাএ ১টি উইকেট পেয়েছেন।

শেলডন কটরেল

পাঞ্জাবের এই গতি তারকা প্রথমদিকে বেশ আশা জাগালেও পরে ব্যর্থ হন।কটরেল যেখানে গতি ও বাউন্সের সাহায্যে তুলনামূলক স্লো উইকেটে সফল হতে পারতেন সেভাবে কিছু করতে পারেননি।ফলে ৬ম্যাচে মাএ ৬উইকেট নিয়েই তাকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

রবীন্দ্র জাদেজা

এবারের আইপিএলের বড় ট্র্যাজেডি হল বিগত আইপিএলগুলোর টপফেবারিটটিম চেন্নাইয়ের চরম ব্যর্থতা। রবীন্দ্র জাদেজাও যথারীতি তাঁর টিমের মতই ব্যর্থ।  আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সফল বোলার রবীন্দ্র জাদেজা এবার নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি।জাদেজা ১৪ম্যাচ খেলে মাএ ৬টি উইকেট পেয়েছেন।

বেন স্টোকস

কিছুটা দেরিতে এবার আইপিএলে জয়েন করেন স্টোকস।তবে বোলিংয়ে খুব বেশিকিছু করতে পারেননি রাজস্থানের এই অলরাউন্ডার।৮ম্যাচে বোলিং করে মাএ ২টি উইকেট নিয়েছেন।

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

পাঞ্জাব এবার ভালো দল ও ভালো অধিনায়ক নিয়ে দল গড়লেও কিছু ভুলের জন্য শেষপর্যন্ত পিছিয়ে পড়েছে একথা বলতেই হবে।পাঞ্জাবের বড় ভুল ছিল গেইলকে প্রথমদিকের ম্যাচগুলোতে বসিয়ে রাখা।পাঞ্জাব দ্বিতীয় ভুল করেছে ম্যাক্সওয়েলের উপর অতিরিক্ত আস্থা রেখে।ম্যাক্সওয়েল প্রদথমদিকে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন।ব্যাটিংয়ে আগের ধার দেখা যায়নি। বোলিংয়েও যথারীতি ব্যর্থ এই অলরাউন্ডার।ম্যাক্সওয়েল এই আইপিএলে ১৩ম্যাচে বোলিং করে মাএ ৩টি উইকেট পেয়েছেন।

আন্দ্রে রাসেল

আইপিএলে এবার ব্যর্থ তারকাদের তালিকায় আন্দ্রে রাসেলের নামটিও থাকবে। এবার কেকেআরের ব্যর্থতার জন্য রাসেলের বাজে পারফরম্যান্সের দায় রয়েছে। কেকেআরের বোলিং আক্রমণের বড় ভরসা এই উইন্ডিজ তারকা আশানুরূপ বল করতে ব্যর্থ হন।অথচ ভাবা হয়েছিল এবারের আইপিএলে রাসেলের মত অভিজ্ঞ মিডিয়াম পেসাররা ভালো করবেন।  ১৪ম্যাচে বোলিং করে মাএ ৬টি উইকেট পেয়েছেন  রাসেল।

সুনিল নারাইন

কেকেআরের তারকা স্পিনার নারাইন এবার ব্যর্থ হয়েছেন। উপরন্তু বিতর্কিত বোলিং অ্যাকশনের জন্য হয়েছেন আলোচিত।নারাইন ১০ম্যাচ খেলে ৫উইকেট নিতে পেরেছেন।

সফল তরুণ বোলাররা

এবারের আইপিএলে বেশকজন তরুণ বোলার নজর কেড়েছেন।এক্ষেএে বরুণ চক্রবর্তী,অশ্বদিপ সিং ও মোঃ সিরাজের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়।বরুণ দারুণ বোলিং করেছেন ১০ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন এই তরুণ বোলার।অশ্বদিপ সিং গতি ও বাউন্সের সাহায্যে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন।অশ্বদিপের বড় গুণ উইকেটের অবস্থা বুঝে বল করার ক্ষমতা।অশ্বদিপের বলে প্রায় প্রতিম্যাচেই চমকজাগানো গতি ও ভেরিয়েশন ছিল।হালকাগড়নের এই তরুণ ৮ম্যাচ খেলে ৯উইকেট নিয়েছেন। মোঃ সিরাজকে এই আইপিএলের নতুন আবিস্কার বলা যায়।বলে ভালো গতি আছে।সিরাজের বলে সুইংও আছে।।মো.সিরাজ ৮ম্যাচে বোলিং করে ৯টি উইকেট নিয়েছেন।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী


অবসরে স্যামুয়েলস

                                                                



ওয়েষ্টইন্ডিজের দীর্ঘদেহী হাডহিটার মারলন স্যামুয়েলস পেশাদার ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন (সূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো)। ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ফিনিশারদের একজন হিসেবে তাকে মনে করা হয়।ওয়েষ্টইন্ডিজের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা ছিল স্যামুয়েলসের। অসাধারণ টাইমিং ও স্টাইলের জন্য বিখ্যাত এই উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান ক্রিকেটের এক আলাদা ব্রান্ড হিসেবে খ্যাত।তিনধরণের ক্রিকেটেই সামুয়েলসের দারুণ সফলতা রয়েছে।যদিও বিচিত্র সব কান্ডকীর্তির জন্য বারবার আলোচিত হয়েছেন তবু দুর্দান্ত এক ফিনিশার হিসেবে স্যামুয়েলসকে মনেরাখতে হবে।স্যামুয়েলসের সবচেয়ে বড় গুণ ছিল চাপের মুহূর্তে নিজেকে মেলে ধরা।স্যামুয়েলস দাঁড়িয়ে গেলে ম্যাচের গতিপথ পাল্টে যেত নিমেষে। এবং তাঁর এসব গুণের ফলে ওয়েষ্টইন্ডিজ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায়।বলা হয় স্যামুয়েলস,সামি,ব্রাভো,পোলার্ড, গেইলের সমন্বয়ে গড়া ওয়েষ্টইন্ডিজ দলটি ছিল টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা দল। আসুন মারলন স্যামুয়েলসের ক্যারিয়ারের খবর জেনে নিই।

স্যামুয়েলসের অনন্য কীর্তি

ওয়েষ্টইন্ডিজের প্রথম টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক স্যামুয়েলস। মারকুটে এই ব্যাটসম্যানের হাতধরে বহুদিন পর ওয়েষ্টইন্ডিজ পুরনো রূপে ফিরে আসে।স্যামুয়েলস অডিআই ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পার্টনারশিপের অন্যতম রুপকার।ক্রিকেটপ্রতিভার নিরব খনি ওয়েষ্টইন্ডিজের এক উজ্জ্বল আবিস্কার নিঃসন্দেহে স্যামুয়েলস।স্যামুয়েলস দুটি বিশ্বকাপ ফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচের অনন্য গৌরব অর্জন করেন।স্যামুয়েলস উইকেটে সেট হয়ে গেলে যেকোন প্রতিপক্ষের জন্য এক বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে যেতেন।এবং এটি তাঁর বিশেষত্ব।স্যামুয়েলসের প্রতিভার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে ২০১২বিশ্বকাপ ফাইনালে মালিঙ্গাকে মারা ৫ছক্কার গল্প।এবং এই দৃষ্টান্ত ক্রিকেটের ইতিহাসে বহুদিন টিকে থাকবে।স্যামুয়েলস ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি অফস্পিনার হিসেবেও দারুণ কার্যকর ছিলেন।বিশেষত ব্র্যাকথ্রো স্পিনার হিসেবে তিনি খুবই সফলতা দেখিয়েছেন।

স্যামুয়েলসের বিতর্কিত ঘটনাবলি

স্যামুয়েলস যেমন প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন তেমনি বিতর্কও চিরকাল সঙ্গী ছিল তাঁর। কখনো ম্যাচের মধ্যে মেজাজ হারিয়ে হয়েছেন বিতর্কিত কখনোবা সংবাদসম্মেলনে টেবিলের উপর পা তুলে হয়েছেন কলংকিত। এমনকি বিগব্যাশে শেনওয়ার্নের সাথে মাঠে প্রকাশ্য ঝগড়ায় জড়িয়েছেন এই উইন্ডিজ হাডহিটার।

স্যামুয়েলসের ক্যারিয়ার

স্যামুয়েলসের প্রতিভা নিয়ে কারো প্রশ্ন নেই তবে তাঁর ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা আছে।বলা হয় ধারাবাহিকতার অভাবে প্রত্যাশাঅনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি এই দীর্ঘদেহী ব্যাটসম্যান।তবু ক্রিকেটের রেকর্ডবুকে নিজের নামের পাশে বেশকিছু সম্মানজনক নিদর্শন রেখেছেন স্যামুয়েলস।স্যামুয়েলস ২০৭টি অডিআই খেলে ৫হাজারের বেশি রান করেছেন। তাঁর ১০টি অডিআই শতক রয়েছে।স্যামুয়েলস ৭১টি টেষ্ট খেলেছেন যেখানে ৭টি সেঞ্চুরির সাথে ১টি ডাবলসেঞ্চুরিও আছে। টেষ্টে স্যামুয়েলস সাড়ে তিন হাজারের বেশি রান করেছেন। টিটুয়েন্টিতে স্যামুয়েলস দেড়হাজারের বেশি রান করেছেন।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী


অডিআই হ্যাটট্রিক এবং বাংলাদেশ

                                                             


ক্রিকেটের অভিজাত ফিগারগুলোর একটি হচ্ছে হ্যাটট্রিক। বোলারদের স্বপ্নের ফিগার এই হ্যাটট্রিক যার মানে হলো পরপর তিন বলে উইকেট। এবং হ্যাটট্রিক বলে কয়ে হয়না কদাচিৎ এই ফিগারের দেখা কোন কোন বোলার পেয়েযান। ক্রিকেটের ইতিহাসে শতশত বোলার এসেছেন। অনেকেই গতি,ভেরিয়েশন ইত্যাদির জন্য বিখ্যাত হয়েছেন।তবে সবাই হ্যাট্রটিক করতে পারেননি।এসবকিছু বিবেচনায় হ্যাটট্রিককে ক্রিকেটের স্পেশাল ফিগার বলাই যায়।এখানে অডিআই ক্রিকেটে প্রথম হ্যাটট্রিকের গল্প এবং বাংলাদেশের বোলারদের হ্যাটট্রিকের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করব।

অডিআই হ্যাটট্রিকের ইতিহাস

অডিআই ক্রিকেট মানে পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেট।অডিআই ক্রিকেটে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন পাকিস্তানের জালাল উদ্দিন। এবং একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম হ্যাটট্রিকের ঘটনা ঘটে ১৯৮২সালে।১৯৮২সালে পাকিস্তানের জালাল উদ্দিন হায়দারাবাদে অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক অডিআই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন। পরবর্তীতে অডিআই ক্রিকেটে বেশকজন বোলার হ্যাটট্রিক করেন। এমনকি একজন বোলারের একাধিক হ্যাটট্রিকের ঘটনাও অডিআই ক্রিকেটের ইতিহাসে রয়েছে।অডিআই ক্রিকেটের ইতিহাসে ৪৯টি হ্যাটট্রিক রয়েছে।অডিআই ক্রিকেটে সর্বশেষ হ্যাটট্রিক করেন ভারতের স্পিনার কুলদ্বিপ যাদব।যাদব ২০১৯সালে ওয়েষ্টইন্ডিজের বিপক্ষে বিশাখাপত্তনমে অডিআই ক্রিকেটের সর্বশেষ হ্যাটট্রিকটি করেন।

অডিআই হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশ

অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। বাংলাদেশ বরাবরই অডিআই ক্রিকেটের সমীহজাগানো দল।গত অডিআই বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ দারুণ ক্রিকেট খেলেছে।অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের একাধিক বোলার দুইশোর বেশি উইকেট নিয়েছেন।

বাংলাদেশের পাঁচ জন বোলার অডিআই ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করেছেন।বাংলাদেশের হয়ে অডিআই ক্রিকেটে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন পেসার শাহাদাত হোসেন রাজিব।২০০৬সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক অডিআই ম্যাচে শাহাদাত হ্যাটট্রিকের গৌরব অর্জন করেন। অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয়  হ্যাটট্রিকটি করেন স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক।২০১০সালে রাজ্জাক মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন। বাংলাদেশের হয়ে পেসার রুবেল হোসেন অডিআই  ক্রিকেটে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড গড়েন ২০১৩সালে।রুবেল মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক অডিআই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন। বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুল ইসলাম ২০১৪ সালে অডিআই ক্রিকেটে হ্যাটট্রিকের দেখা পান। তাইজুল মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাঁর একমাত্র অডিআই হ্যাটট্রিকটি করেন। পেসার তাসকিন আহমেদ বাংলাদেশের হয়ে সর্বশেষ অডিআই হ্যাটট্রিকের রূপকার।২০১৭সালে তাসকিন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ডাম্বুলায় এক অডিআই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী