WHAT'S NEW?
Loading...

যারা টাকা জমাতে চান

                                                        ‌‌     


টাকা ছাড়া এখনকার জীবন প্রায় অচল।একসময় দ্রব্যের বিনিময়ে দ্রব্য পাওয়া যেত।তবে এখন এসব প্রায় অসম্ভব।এই সময়ের জীবনে লেনদেনের ক্ষেত্রে টাকাই সবচেয়ে বেশি দরকারি।আর টাকা রোজগারের সাথে এর ব্যয়ের সামঞ্জস্য থাকা উচিত।আয়-ব্যয়ের সামঞ্জস্য করার জন্য  টাকা জমানোর কৌশল জানার বিকল্প নেই।টাকা জমানোর কিছু টিপস এখানে তুলে ধরছি (সূত্র:ওয়েলথসিম্পল ডটকম)।

অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে

অনেকের অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের প্রবণতা রয়েছে।কারো নতুন বাইক বা গাড়ী কেনার বাতিক আছে।কারো ঘনঘন ভ্রমণের প্রবণতা রয়েছে। কেউবা আবার নিয়মিত কাপড়,জুতা কিনতে চান। টাকা জমাতে চাইলে বিশেষজ্ঞরা বলেন এসব প্রবণতা কমাতে হবে।এক্ষেএে বছরে দুই বা তিনবারে সারাবছরের কাপড়,জুতা ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্ৰী কেনার অভ্যাস করুন।এর ফলে বারবার এসবের জন্য টাকা খরচ লাগবে না এবং টাকা জমানোর উপায় পেয়ে যাবেন।

সেভিংস একাউন্ট খোলে ফেলুন

টাকা জমানোর জন্য যেকোন ব্যাংকে একটি সেভিংস একাউন্ট খোলে ফেলুন। খরচের পর নিয়মিত কিছু টাকা সেভিংস একাউন্টে রেখে দিন।

সপ্তাহের বাজার একবারে করুন

লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞদের মতে টাকা সেভ করতে চাইলে সপ্তাহের বাজার একবারে করা উচিত। এরসাথে তাদের পরামর্শ হচ্ছে যেসব দোকানে বিভিন্ন অফার,ছাড় থাকে সেখানে বাজার করা বুদ্ধিমানের কাজ।এতে টাকা সেভ হয়।আর এ প্রক্রিয়া মেনে চললে টাকা জমাতে সুবিধা হয়।

ঘরে তৈরি খাবার খান

বিশেষজ্ঞরা বলেন  বাইরে খেলে সাধারণত বেশি টাকা খরচ হয় ।আর নিয়মিত এভাবে ব্যয়বহুল বাইরের খাবার খেলে টাকা বাঁচানো কঠিন। এছাড়া নিয়মিত বাইরের খাবারে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি রয়েছে।আর এক্ষেত্রে ঘরে তৈরি খাবার খেলে বেশকিছু টাকার অপচয় রোধ করা যায় এবং টাকা জমানো সহজ হয়।

বাইরের ফাষ্টফুড কফি এড়িয়ে চলুন

অনেকে নিয়মিত বাইরের ফাষ্টফুড,কফিতে বেশি মনোযোগ দেন। এগুলো টাকার অপচয় করে।এবং লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞদের মতে নিয়মিত বাইরে ফাষ্টফুড খেলে অতিরিক্ত খরচের ঝুঁকি বাড়ে।তাই টাকা জমাতে চাইলে এসব অভ্যাস কমাতে হবে।

ঝোঁকের বশে খরচ নয়

অনেকে ঝোঁকের বশে অহেতুক টাকা খরচ করেন। টাকা জমাতে চাইলে ঝোঁকের বশে হঠাৎ অপ্রয়োজনীয় খরচের অভ্যাস বন্ধ করতে হবে।তা নাহলে টাকা জমাতে সমস্যা হবে।

প্রতিদিন ব্যাংক নয়

অনেকে ব্যাংক থেকে প্রায় প্রতিদিন টাকা তুলে তারপর খরচ করেন।তবে বিশেষজ্ঞদের মতে এটি বরং টাকাখরচ বাড়িয়ে দেয়। তাদের পরামর্শ হচ্ছে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে ব্যাংক থেকে টাকা তুলা বুদ্ধিমানের কাজ।আর টাকা খরচের হিসাব কোথাও লিখে রাখুন। টাকা খরচের হিসাব লিখে রাখলে কোথায় বেশি খরচ হচ্ছে সেটি বুঝতে সুবিধা হবে।এরফলে টাকা  জমানো সহজ হবে।

বাসে যাতায়াত করুন

অফিস কিংবা অন্যকাজে বাইরে বের হলে বাসে চলাচলের চেষ্টা করুন।এতে করে অহেতুক টাকা খরচ থেকে বেঁচে যাবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে পাবলিক বাসে চড়ার অভ্যাস করলে টাকা সেভ করা সহজ হয়।

ঘনঘন ভ্রমণ বাদ দিন

ভ্রমণ খুব ভালো অভ্যাস।তবে ঘনঘন দূরে ভ্রমণে বেরোলে অহেতুক টাকা খরচের ঝুঁকি বেড়ে যায়।আর টাকা জমাতে চাইলে এ অভ্যাসে লাগাম টানতে হবে।এর চেয়ে বছরের নির্দিষ্ট এক সময়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা করুন।

হুট করে বিশেষ খাবার নয়

কেউ কেউ হুট করে পার্টি বা বিশেষ কোন খাবারের প্ল্যান করে বসেন ফলে নিজের পকেটের টাকা হুট করে শেষ হয়ে যায়।আর টাকা জমাতে চাইলে এ প্রবণতা ছাড়তে হবে।কোন পার্টি বা বিশেষ খাবারের প্ল্যান থাকলে তা আগে থেকে গুছিয়ে নিতে হবে।এজন্য আলাদা করে কিছু  টাকা রেখে দিন। সাপ্তাহিক বাজারের সাথে ঐ বাজারটিও করে ফেলতে পারেন।

কত টাকা জমাবেন প্ল্যান করুন

লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞদের মতে শুধু একাউন্ট খোলাই শেষ নয় টাকা জমাতে চাইলে কতদিনে কতটাকা জমাতে চান তার একটি লক্ষ্য স্থির করুন। লক্ষ্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন ।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী






সমকালে অলরাউন্ডার সাকিব

                                                                 


বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অর্জন সাকিব আল হাসান।কথাটি নিঃসন্দেহে বলা যায়।কারণ বাংলাদেশ ক্রিকেটে যা অর্জন করেছে এর ভেতরে বড় একটি স্থান জুড়ে রয়েছেন সাকিব। অসাধারণ ব্যাটসম্যান আবার স্পিনার হিসেবে নিজেকে বিশ্বসেরাদের কাতারে নিয়ে গেছেন সাকিব। দুর্দান্ত ফিটনেস ও পারফরম্যান্স মিলিয়ে বর্তমান ক্রিকেটে সাকিবের তুলনা নেই বললেই চলে।আর এটি এদেশের ক্রিকেটের এক বিশাল স্বীকৃতি।তবে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের পরই সাকিবের ক্যারিয়ারে কালমেঘ জেগে উঠে।কারণ ক্রিকেট জুয়াড়িদের সাথে কথপোকথনের তথ্য গোপনের অভিযোগে আইসিসি সাকিবকে সবধরণের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে। পরবর্তীতে অবশ্য আইসিসি সাকিবের সাজার মেয়াদ কমিয়ে দেয়। সবকিছুর পর সুসংবাদ হলো সাকিবের ক্রিকেটে ফেরার আর কোন বাধা নেই।এখন থেকে সবধরণের ক্রিকেট খেলতে পারবেন এই সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। সাকিবের প্রত্যাবর্তনের সাথে তাঁর অসাধারণ ক্রিকেটীয়প্রতিভার সন্ধানে এ লেখা।

তিনফরমেটে বিশ্বসেরার বিরল কীর্তি

ক্রিকেট ইতিহাসের এক বিশেষ রেকর্ডের মালিক সাকিব আল হাসান আর তাহলো ক্রিকেটের তিনফরমেটে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার খেতাব অর্জন করেছেন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার।এবং টেষ্ট ,অডিআই ও টিটুয়েন্টি মিলিয়ে সেরা অলরাউন্ডারের এ স্বীকৃতি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এক বিশাল অর্জন।এক্ষেএে সাকিবের অসাধারণ ব্যাটিং এবং দুর্দান্ত স্পিনের কথা বিশেষভাবে বলতে হয়। সাকিবের বড় গুণ সবধরণের উইকেটে সফলতার এক বিরল কৌশল। সাকিবের সাথে এই সময়ের ইংল্যান্ডের সেরা অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের তুলনা করা যায়।বেন স্টোকস ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম রূপকার।বেন স্টোকস তাঁর ক্যারিয়ারে একটি ডাবল সেঞ্চুরিসহ টেষ্টে ১০ সেঞ্চুরির মালিক।টেষ্ট ক্রিকেটে স্টোকস ১৫৮টি উইকেট নিয়েছেন।অডিআই ক্রিকেটে স্টোকস ৩টি সেঞ্চুরি ও ৭০ উইকেটের মালিক। টিটুয়েন্টি তে স্টোকস ৩০৫ রান ও ১৪ উইকেটের রূপকার।এবার সাকিবের ক্যারিয়ার দেখা যাক। সাকিব টেষ্টে একটি ডাবল সেঞ্চুরিসহ ৫টি সেঞ্চুরির মালিক। এছাড়া টেষ্টে ২১০ টি উইকেট নিয়েছেন এই সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।অডিআই ক্রিকেটে সাকিব ৯টি সেঞ্চুরির সাথে ২৬০টি উইকেটও নিয়েছেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সাকিব ৯টি ফিফটির সাথে ৯২টি উইকেট নিয়েছেন।


টেষ্টক্রিকেটে ডাবলসেঞ্চুরি ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার

বলা হয় ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ফরমেট হচ্ছে টেষ্টক্রিকেট।আর টেষ্টক্রিকেটে যিনি ভালো তিনিই আসল ক্রিকেটার।কারণ টেষ্টক্রিকেটে ভালো করার জন্য ক্রিকেটীয় মেধার বিকল্প নেই।এখানে শটকাট ভালো করার পথ নেই। সাকিব টেষ্ট ক্রিকেটে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের স্বীকৃতি পেয়েছেন যা রীতিমতো অবিশ্বাস্য ঘটনা। বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এটিও এক বড় অর্জন।এই সময়ের সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্যে বেন স্টোকস টেষ্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। বাংলাদেশের আর মাএ দু'জন ব্যাটসম্যানের ডাবল সেঞ্চুরি রয়েছে।তামিম ইকবাল এবং মুশফিকুর রহিম টেষ্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন।


ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স

সাকিব আল হাসান ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সাফল্য দেখিয়েছেন।এই সময়ের অলরাউন্ডারদের মধ্যে ব্যাট হাতে সাকিবের মত  সফলতা খুব কম আছে।টেষ্টে সাকিব ৩হাজারের বেশি রানের মালিক।অডিআই ক্রিকেটে সাকিবের ব্যাটিংরেকর্ডও দুর্দান্ত। অডিআই ক্রিকেটে ব্যাটহাতে ৬হাজারের বেশি রান করেছেন সাকিব।টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দেড় হাজারের বেশি রান করেছেন এই ক্রিকেট লিজেন্ড।


 সময়ের সেরা স্পিনার

সাকিবের স্পিনবোলিং এই সময়ের ক্রিকেটের জন্য এক বিশেষ ধাঁধা।তাঁর স্পিনের বিশেষত্ত্ব কুইক ডেলিভারির সাথে ব্যাটসম্যানের দুর্বল জায়গায় বল ফেলার বুদ্ধিমত্তা।এর ফলে সাকিবের বলে ব্যাটসম্যানদের জায়গা বের করতে সমস্যা হয়। এই সময়ের অন্যতম সেরা স্পিনার রবীন্দ্র জাদেজা টেষ্ট,অডিআই ও টিটুয়েন্টি মিলিয়ে ৪৩৯ উইকেটের মালিক।সাকিব ক্রিকেটের তিন ফরমেট মিলিয়ে ৫৬২টি উইকেটের মালিক।বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন তিন ফরমেট মিলিয়ে ৫৬৪ উইকেট নিয়েছেন।তাই সবকিছু মিলিয়ে সাকিবকে সময়ের সেরা স্পিনার বলাই যায়।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

এই আইপিএলের অসাধারণ কিছু বোলিং ফিগার

করোনার কারণে এবার আইপিএলে মাঠের দর্শকছড়াই চলছে খেলা।তবে দর্শকরা টিভি ও সোশালমিডিয়ার বদৌলতে ঘরে বসে খেলা দেখছেন।আর মাঠের লড়াইও বেশ ভালো চলছে বলাই যায়।পুরনো কেউকেউ ফর্ম হারিয়েছেন।আবার অনেকেই আগের চেয়েও  দুর্দান্ত খেলছেন। নতুনদের অনেকে ভালো করছেন।মহেন্দ্র সিং ধোনি, ব্রাভোর মত পুরনোরা এবার ব্যর্থ।ভুবনেশ্বর কুমারের মত বোলার বাজেফর্ম ও ইনজুরির আঘাতে ছিটকে পড়েছেন।ডেল স্টেইনের মত গতিতারকা এবার প্রায় নিস্ত্রিয়। এদিকে  নবদ্বিপ  সাইনি ,অর্শদ্বিপ সিংহের মত তরুণরা ভালো করছেন।আইপিএল২০২০ এর কিছু সেরা বোলিং ফিগারের খোঁজে এ লেখা।

                                                             


আইপিএল২০২০ এর  কিছু সেরা বোলিং ফিগার

এবার আইপিএলের বোলিংয়ে বেশকিছু চমক দেখা যাচ্ছে।বহু পুরনো নক্ষএ এবার ব্যর্থ হয়েছেন।ডেল স্টেইন এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য নাম। নতুনদের অনেকে ভালো করছেন। আসুন দেখে নিই এবার আইপিএলের কিছু চমকপ্রদ বোলিং ফিগার(সূত্র:ক্রিকেটটাইমস ডটকম, আইপিএল টিটুয়েন্টি জোন)।

১।ভরুন চক্রবর্তী আবুধাবিতে দিল্লি ক্যাপিট্যালসের বিপক্ষে মাএ ২০রানে ৫ উইকেট দখল করেন।ভরুণের বোলিং ফিগার ৪-২০-৫।

২।ট্রেন্ট বোল্ট শারজায় চেন্নাইয়ের বিপক্ষে এক অসাধারণ বোলিংয়ের নজির গড়েন।তাঁর বোলিং ফিগার ৪-১৮-৪।

৩।জাসপ্রিট বুমরা আবুধাবিতে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে মাএ ৪ওভার বল করে ২০ রানের বিনিময়ে ৪ট উইকেট নেন।

৪।রাবাদা দুবাইয়ে ব্যঙ্গালুরুর বিপক্ষে অসাধারণ বোলিং করেন।তাঁর বোলিং ফিগার ৪-২৪-৪।


৫। দুবাইয়ে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ক্রিস মরিস ২৬রানে ৪উইকেট নেন।

৬। আবুধাবিতে মো.সিরাজ কেকেআরের বিপক্ষে মাএ ৮রান দিয়ে ৩উইকেট দখল করেন।

৭। রশিদ খান দুবাইয়ে পাঞ্জাবের বিপক্ষে ৪ওভার বোলিং করে ১২ রান দিয়ে ৩উইকেট নেন।

৮। আবুধাবিতে রশিদ খান দিল্লি ক্যাপিটেলসের বিপক্ষে ১৪ রানে ৩উইকেট নেন।

৯। হায়দারাবাদের বিপক্ষে আবুধাবিতে লুকি ফার্গুসন ৪ওভারে ১৫রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন।

১০। দিল্লি ক্যাপিটেলসের বিপক্ষে দুবাইয়ে মোঃ শামি ৪ ওভার বোলিং করে ১৫ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী




আইপিএল ২০২০ এর শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যান

                                                              


আইপিএল২০২০ বেশ জমে উঠেছে। উইকেট বিচিত্র আচরণ করছে।কখনো ব্যাটসম্যান এডভান্টেজ পাচ্ছেন কখনো বোলাররা ভালো করছেন।তবে এই আইপিএলে মোটামুটি ব্যাটসম্যান-বোলার সবারই স্ট্রাগুল করতে হচ্ছে।ইতিমধ্যে আইপিএলে সবদলই কমপক্ষে ৯টি ম্যাচ খেলে ফেলেছে।এর ভিতরে বহু বড় ব্যাটসম্যান/বোলার ব্যর্থ হয়েছেন অনেকে আবার প্রত্যাশার চেয়ে ভালো করছেন।ধোনি,আন্দ্রে রাসেল,ম্যাক্সওয়েলের মত ব্যাটসম্যান এবার প্রায় নিস্ত্রিয় ।আবার ডুপ্লেসিস,আগারওয়াল প্রত্যাশার চেয়েও সফলতা পাচ্ছেন।বিরাট কোহলি প্রথমদিকে প্রায় ব্যর্থ হন তবে যতই সময় যাচ্ছে তত তিনি নিজের আসল রূপে বেরিয়ে আসছেন। কেএল রাউল অসাধারণ ব্যাটিং করছেন। অধিনায়কত্বের পাশাপাশি ব্যাটিংয়ে দারুণভাবে নিজেকে মেলে ধরছেন রাউল।ক্রিস গেইলকে প্রথমদিকে নামানো হয়নি। তবে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েই নিজের নামের প্রতি সুবিচার করছেন গেইল । এবারের আইপিএলে সবচেয়ে লক্ষ্যণীয় বিষয় উইকেটের আচরণ।উইকেট দ্রুতগতির পেসারদের  বেশি সাহায্য করছে বলেই মনে হচ্ছে।   আর এক্ষেত্রে শিকর ধাওয়ান,ডুপ্লেসিসের মত যারা ক্লাস ও টেকনিক দিয়ে খেলেন তারা ভালো করছেন।ধাওয়ান ব্যাকটুব্যাক সেঞ্চুরি করেছেন।ডুপ্লেসিস চেন্নাইকে দারুণ সাপোর্ট দিচ্ছেন।কেএল রাউল ভালো করছেন।শ্রেয়ার আয়ার ভালো করছেন।বিরাট কোহলি দেরিতে হলেও ফর্মে ফিরেছেন।

আইপিএল ২০২০ এ এখন পর্যন্ত শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান

আইপিএল২০২০ এ প্রায় সবদল ইতিমধ্যে কমপক্ষে ৯টি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে।আর এ পর্যায়ে এসে সেরা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় খুব বেশি ব্যতিক্রম ঘটেনি।কে এল রাউল ১০ম্যাচ খেলে ৫৪০ রান সংগ্রহ করে সবার উপরে রয়েছেন।রাউল একটি সেঞ্চুরিও করেছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন শিকর ধাওয়ান । তিনি ১০ ম্যাচ খেলে করেছেন ৪৬৫ রান সাথে রয়েছে দুটি সেঞ্চুরি।মায়াঙ্ক আগারওয়াল শীর্ষ ব্যাটসম্যানদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। তিনি ১০ ম্যাচে ১সেঞ্চুরিসহ ৩৯৮ রান করেছেন।সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যানের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন ডুপ্লেসিস।তিনি ১০ ম্যাচে ৪টি হাফসেঞ্চুরিসহ ৩৭৫ রান করেছেন।আইপিএলের এই পর্যায়ে পঞ্চম  সেরা ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছেন বিরাট কোহলি।তিনি ১০ ম্যাচে ৩৬৫ রান করেছেন। বিরাটের ২টি হাফসেঞ্চুরিও রয়েছে।


লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

শারদীয় শুভেচ্ছা

                                                               

       

'প্রিয় ক্রিকেট ডটকম' এর পক্ষ থেকে সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এবারের দূর্গাপূজা সবার ভালো কাটুক।

আইপিএলে পেসাররাই শীর্ষে

এবারের আইপিএলে বোলারদের মধ্যে গতিতারকারা ভালো করছেন। তুলনামূলক স্লো উইকেটে গতির বোলাররা বাউন্স,সুয়িং আর ইয়র্কার দিয়ে বেশ ভালো আউটপুট পাচ্ছেন।আর গতিতারকাদের কৌশল যে সফল হচ্ছে এর প্রমাণ মিলছে এবারের আইপিএলের টপ বোলারদের পরিসংখ্যানে।এই পর্যন্ত আইপিএলে শীর্ষ বোলারদের তালিকায় প্রথম তিনটি স্থানে পেসারদের নামই রয়েছে। চতুর্থ শীর্ষ বোলারের স্থানটি একজন স্পিনারের দখলে রয়েছে।আবার পঞ্চম শীর্ষ বোলার একজন পেসার।

                                                           



আইপিএলে এখনো পেসাররাই শীর্ষে

এই আইপিএলে বোলারদের শীর্ষ তিনে রয়েছেন পেসাররাই।এক্ষেএে রাবাদা আছেন সবার উপরে।তাঁর  উইকেট সংখ্যা ১০ম্যাচে ২১টি।রাবাদা তাঁর সহজাত গতি ও বাউন্স দিয়ে প্রতি ম্যাচেই ভালো করছেন।এবং এবারের আইপিএলে রাবাদা দারুণভাবে লাইনলেংথ  বজায় রেখে বল করছেন। ভালো বোলিংয়ের সুফলও পাচ্ছেন এই বিশ্বসেরা ফাষ্টবোলার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মো.শামি । শামি বরাবরই ফ্ল্যাট উইকেটে সফল। এবং  নিজেরসহজাত ভ্যারিয়েশন ও সুয়িং দিয়ে বেশ ভালো করছেন এবারের আইপিএলে। ১০ম্যাচে ১৬উইকেট নিয়েছেন শামি। আইপিএলের  এ পর্যায়ে এসে শীর্ষ বোলারদের তৃতীয় স্থানটিতে রয়েছেন জাসপ্রিট বুমরা।বুমরা ৯ম্যাচে ১৫উইকেট নিয়েছেন।এবারের আইপিএলে বুমরা তাঁর সহজাত গতি ও ইয়র্কার দিয়ে ব্যাটসম্যানদের বেশ সমস্যায় ফেলছেন।আর এর ফলাফলও হাতেনাতে পাচ্ছেন এই গতিতারকা। উল্লেখ্য আইপিএলে শীর্ষবোলারদের তালিকায় এই পর্যন্ত চতুর্থ স্থানে রয়েছেন স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল।চাহাল ৯ম্যাচে ১৩ উইকেট দখল করেছেন।তবে শীর্ষবোলারদের তালিকায় পঞ্চম স্থানে আবার এক গতিতারকার অবস্থান। এবারের আইপিএলে শীর্ষবোলারদের তালিকায় পঞ্চমস্থানে রয়েছেন জোফরা আরচার।আরচার ১০ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়েছেন।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

এই সময়ের চার ব্যাটিং লিজেন্ড

                                                              


                                                          

ক্রিকেট প্রায়  সবকালেই কিছু অসাধারণ ব্যাটসম্যান দেখেছে। এবং এসব ব্যাটসম্যান ক্রিকেটকে করেছেন মহীমান্বিত। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো এরা নিজেদের দিনে খেলাটিকে 'ওয়ান ম্যান গেম'এ পরিণত করতে সক্ষম । তবে ক্রিকেটের ইতিহাসে এরকম ব্যাটসম্যান খুব বেশি নেই।এবং এরূপ ব্যাটসম্যান কদাচিৎ দেখা যায়। ক্রিকেটের ইতিহাসে ব্যাটসম্যান হিসেবে যারা এরূপ অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্রায়ান লারা, শচীন টেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়, সাঈদ আনোয়ার,জ্যাক ক্যালিস,রিকি পন্টিং,কুমার সাঙ্গাকারা।এরা প্রত্যেকে ক্রিকেটব্যাটিংয়ের ইতিহাসে লিজেন্ড হিসেবেই পরিচিত।তবে হাল আমলের ক্রিকেটেও কিছু ব্যাটসম্যান নিজেদের ক্রিকেটীয় মেধার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন।এই সময়ের এমনই  চার ব্যাটিং লিজেন্ড  ডেভিড ওয়ার্নার,বিরাট কোহলি,স্টিভ স্মিথ এবং এবি ডিভিলিয়ার্স।আর এই চার ব্যাটিং লিজেন্ডকে নিয়েই এ লেখা।

বিরাট কোহলি; টেকনিক যার মূল সৌন্দর্য

টেকনিকের দিকথেকে শচীনপরবর্তী এশিয়ার ক্রিকেটে সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি। কোহলির বড়শক্তি তাঁর দুর্দান্ত টেকনিক।এবং টেকনিকের জোরে কোহলি ভালো বলকে বিগশটে পরিণত করার ক্ষমতা রাখেন।এটি নিঃসন্দেহে এক অসাধারণ গুণ।বিরাট কোহলির ব্যাটিংয়ের আরো যে বিষয়টি লক্ষণীয় তাহলো দুর্দান্ত টাইমিং। খেয়াল করলে দেখা যাবে কোহলির টাইমিং যেকোন বোলারের জন্য এক ভাবনার বিষয়।কারণ তাঁর টাইমিং এতো উন্নত যে যেকোন বলকে তিনি সহজে বানিয়ে নিতে পারেন।এটি শুধু কোহলির মত কিছু হাতেগোনা  ব্যাটসম‌্যানের পক্ষেই সম্ভব।টেকনিক এবং টাইমিংয়ের জোরে তিনি প্রচুর গ্যাপশট খেলতে পারেন যা তাঁর শক্তির এক বিশেষ জায়গা।খেয়াল করলে দেখা যাবে বিখ্যাত সব ব্যাটসম্যান গ্যাপশট খেলায় পারঙ্গম এক্ষেত্রেও বিরাট কোহলি এগিয়ে।বিরাট কোহলি অসাধারণ ক্রিকেটীয় রেকর্ডেরও অধিকারী।তিনি টেষ্ট ক্রিকেটে ২৭ সেঞ্চুরি ও ৭ ডাবল সেঞ্চুরির মালিক।এছাড়া অডিআই ক্রিকেটে রয়েছে ৪৩ সেঞ্চুরি।


ডেভিড ওয়ার্নার;বেসিক ও টেকনিকের অপূর্ব মিশেল

অষ্ট্রেলিয়ার সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নার।দারুণ বেসিক এবং টেকনিকের জন্য বিখ্যাত এই অজি ওপেনার।এই সময়ের ক্রিকেটের এক সত্যিকারের লিজেন্ড ওয়ার্নার। ওয়ার্নার উইকেটে সেট হয়ে গেলে যেকোন ভালো বোলারই সমস্যায় পড়তে পারেন।আর এজন্য ওয়ার্নারের কিছু গুণের কথা বলতেই হয়।বিশেষত টাইমিং ও বেসিকের সমন্বয়ে উইকেটের চারপাশে শট খেলায় খুই পারঙ্গম এই অজি লিজেন্ড।প্রায় সবধরণের শট খেলায় সমান সক্ষমতা আছে ওয়ার্নারের। ওয়ার্নারের টাইমিং ও বেসিক এতো স্ট্রং যে যেকোন উইকেটে তিনি রান করতে সক্ষম।দ্রুত রান তোলার ক্ষেত্রেও ওয়ার্নার দারুণ সফল। রানিং বিটুইন দ্য উইকেটেও দারুণ সফল এই ব্যাটিং লিজেন্ড।  ওয়ার্নারের ব্যাটিংয়ের বিশেষত্ব হচ্ছে তিনি স্ট্রোকপ্লের সাথে গ্যাপশট খেলায়ও সমান পারঙ্গম। ক্যারিয়ারে ২৪ টি টেষ্ট সেঞ্চুরি আছে। টেষ্টে তাঁর ২টিডাবল সেঞ্চুরি এবং ১টি ট্রিপল সেঞ্চুরিও রয়েছে। তাঁর ক্যারিয়ারে ১৮ অডিআই সেঞ্চুরি রয়েছে।


স্টিভ স্মিথ; আত্মবিশ্বাসী ব্যাটসম্যান

স্টিভ স্মিথ বর্তমান ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ।স্টাইল,টেকনিক ও টাইমিং মিলে দারুণ এক ব্যাটসম্যান স্মিথ।স্মিথের বড় শক্তি ব্যাটিং স্টাইল। স্টাইলিশ এই ব্যাটসম্যান সহজে উইকেটে সেট হতে পারেন।এক্ষেএে তাঁর বড় গুণ আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং স্টাইল।স্মিথকে বল করা যেকোন বোলারের জন্যই চ্যালেঞ্জিং।সব ধরণের শট খেলায় দক্ষ এই অজি গ্ৰেট। উপরন্তু অসাধারণ টেকনিক তাঁর এক বড় শক্তি।দ্রুত রানরেট বাড়াতেও তাঁর দক্ষতা রয়েছে।স্মিথের যেগুণটির কথা বলতেই হয় সেটি হলো তাঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ। অসাধারণ বডি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য তিনি সহজেই ব্যাটিংয়ে আধিপত্য বিস্তার করতে পারেন।স্মিথের ক্যারিয়ারে ২৬টি টেষ্ট সেঞ্চুরি রয়েছে।টেষ্টে ৩টি ডাবল সেঞ্চুরির রূপকার এই অজি লিজেন্ড।অডিআই ক্রিকেটে স্মিথের ৯টি সেঞ্চুরি আছে।


এবি ডিভিলিয়ার্স; টাইমিং ও টেকনিকে অনন্য

এই সময়ের ক্রিকেট নিয়ে কথা বললে এবি ডিভিলিয়ার্সের নামটি আসবেই।টেকনিক ও টাইমিংয়ের সমন্বয়ে অসাধারণ ব্যাটসম্যান এবি।রয়েছে সহজে উইকেটে সেট হওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা। এবং এবি  উইকেটের চারপাশে শট খেলতে পারেন।রয়েছে সহজাত স্ট্রোকপ্লের দারুণ দক্ষতা।এবি ইনোভেটিভ শটের জন্য বিখ্যাত।দ্রুত রান বাড়াতে এবির তুলনা নেই।এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এবি ডিভিলিয়ার্স উইকেটে সেট হয়ে গেলে প্রচুর শট খেলতে সক্ষম।ভালো বলকে বিগশটে পরিণত করার ক্ষমতা রয়েছে এই ব্যাটিং লিজেন্ডের।এবি ডিভিলিয়ার্স ২২টি টেষ্ট সেঞ্চুরির মালিক।টেষ্টে তাঁর ২টি ডাবল সেঞ্চুরি রয়েছে।অডিআই ক্রিকেটে এবি ২৫সেঞ্চুরির রূপকার।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী


ওয়ার্নারের নতুন আইপিএল রেকর্ড

                                                            


ডেভিড ওয়ার্নার নিঃসন্দেহে ক্রিকেটের এক বিচিত্র প্রতিভা।দীর্ঘসময় যাবত অষ্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে নিজের অবস্থান বেশ ভালো ভাবেই ধরে রেখেছেন । টেকনিকের দিক থেকে বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান আইপিএলে নতুন এক রেকর্ড স্পর্শ করেছেন।কেকেআরের বিপক্ষে গতকালকের ম্যাচে আইপিএলে নিজের ৫হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন ওয়ার্নার।মাএ ১৩৫ ইনিংসে ব্যাটিং করে আইপিএলে এই নতুন রেকর্ড স্পর্শ করলেন ওয়ার্নার।এরআগে আরো তিনজন ব্যাটসম্যান আইপিএলে ৫হাজার রান করেছেন তবে এতো কম ইনিংস খেলে কেউ ৫হাজার রান করতে পারেননি।

ওয়ার্নারের ৫হাজার রানের মাইফলক স্পর্শকরার মধ্যদিয়ে আইপিএলে ৫হাজার রানকারী ব্যাটসম্যানের সংখ্যা হলো চার।ওয়ার্নার ছাড়া বাকি তিন ব্যাটসম্যান হলেন বিরাট কোহলি,রোহিত শর্মা এবং সুরেশ রায়না। উল্লেখ্য ওয়ার্নার আইপিএলে  সর্বমোট৫০৩৭রান করেছেন।আইপিএলে তাঁর মোট ৪টি সেঞ্চুরি রয়েছে।

আইপিএলে দ্রুততম  ৫হাজার রানকারী ব্যাটসম্যানদের তালিকা

আইপিএলে মোট চারজন ব্যাটসম্যান ৫হাজার রান করেছেন।এক্ষেএে ডেভিড ওয়ার্নার সবচেয়ে কম ইনিংস খেলে ৫হাজার রান করলেন।আইপিএলে ওয়ার্নার মাএ ১৩৫ ইনিংস খেলে ৫হাজার রান করলেন।বিরাট কোহলি আইপিএলে ১৫৭ ইনিংস খেলে ৫হাজার রান করেন।সুরেশ রায়না আইপিএলে ১৭৩ ইনিংস খেলে ৫হাজার রান করেন।রোহিত শর্মা আইপিএলে ৫হাজার রান করতে খেলেন ১৮৭ইনিংস।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

বিস্ময়কর ডিভিলিয়ার্স !

                                                             


 ক্রিকেটে এবি ডিভিলিয়ার্সকে একটি ব্রান্ড বলা যায়। এবি দুর্দান্ত এক উইকেটরক্ষক।এবি আবার দারুণ এক গেমচেঞ্জার। ক্রিকেটে এরকম প্রতিভাবান ও ইনোভেটিভ প্লেয়ার কালেভদ্রে দেখা যায়।এবি মানেই এক টোটাল ক্রিকেটারের ছবি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল ডিভিলিয়ার্স শুধু উঁচু মানের ব্যাটসম্যানই নন  ক্রিকেট ছাড়াও তিনি আরো বহু খেলায় জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন যা সত্যিই চমকপ্রদ।এবি ডিভিলিয়ার্সের বিস্ময়কর প্রতিভার কিছু তথ্য এখানে পাবেন। তথ্যসূত্র:স্পোর্টসউইকি।

জাতীয় পর্যায়ে হকি খেলেছেন এবি

এবি ডিভিলিয়ার্স ক্রিকেটের পাশাপাশি হকি খেলায়ও দক্ষ ছিলেন। সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হচ্ছে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় জুনিয়র হকি দলে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন।

ফুটবলেও সমান দক্ষ

হয়তো ক্রিকেটার নাহলে এবি ডিভিলিয়ার্স ফুটবলার হতেন একথা বলাই যায় কারণ এবি ফুটবলে এতোটাই ভালো ছিলেন যে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় জুনিয়র ফুটবল টিমে ডাক পেয়েছিলেন ।

জুনিয়র রাগবি দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন

এবি ক্রিকেটের মত রাগবি খেলায়ও সফলতা পেয়েছেন। ডিভিলিয়ার্স রাগবি খেলায় খুব ভালো ছিলেন।তিনি রাগবিতে এতোটাই সফলতা দেখান যে তাকে দক্ষিণ আফ্রিকার জুনিয়র রাগবি দলের ক্যাপ্টেন মনোনিত করা হয়।

দুর্দান্ত এক সাঁতারু এবি

এবি ডিভিলিয়ার্স মানে চারছয়ের ফুলঝুরি।এবি উইকেটে থাকলে ব্যাটিং হয়ে উঠে এক অন্যরকম শিল্প।জানলে অবাক হবেন এসবের বাইরেও এবি ডিভিলিয়ার্স দুর্দান্ত এক সাঁতারু ছিলেন।তিনি ৬বার দক্ষিণ আফ্রিকার স্কুল সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।

ছিলেন সেরা দৌড়বিদ

এবি শুধু ক্রিকেটে নিজেকে বেধে রাখেননি এর বাইরে অসাধারণ দৌড়বিদ হিসেবেও তাঁর সুনাম রয়েছে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার জুনিয়র অ্যাথলেট হিসেবে ১০০মিটার দৌড়ে সেরা হবার গৌরব অর্জন করেন।

জাতীয় জুনিয়র টেনিস টিমের সদস্য

এবি ডিভিলিয়ার্স প্রায় সব খেলায় দক্ষ ছিলেন। ক্রিকেটে এবি ডিভিলিয়ার্সের তুলনা খুব বেশি নেই। মজার বিষয় হল এবি ক্রিকেটের পাশাপাশি অসাধারণ এক টেনিস প্লেয়ার ছিলেন। তিনি একসময় দক্ষিণ আফ্রিকার জুনিয়র ডেভিসকাপ টেনিস টিমের সদস্য ছিলেন। 

ছিলেন জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন

ব্যাটমিন্টন খেলায়ও দারুণ দক্ষতা দেখান এবি। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার আন্ডারনাইটিন ব্যাডমিন্টনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী




স্টিভ স্মিথের গল্প

 স্টিভ স্মিথ ক্রিকেটের এক অবিশ্বাস্য আবিষ্কার।অষ্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানের তালিকায় নিঃসন্দেহে তাঁর নামটি থাকবে।স্টাইল এবং ক্লাসের দিকথেকে এরকম নিখুঁত ব্যাটসম্যান ক্রিকেটে কদাচিৎ দেখা যায়।অথচ স্টিভ স্মিথ সম্পর্কে বহুগল্প আমাদের অজানা। আসুন স্টিভ স্মিথের কিছু অজানা গল্প জেনে নিই। সূত্র: ক্রিকেট ট্র্যাকার

                                                      


স্কুলজীবনে  ভালো ক্রিকেটার হিসেবে সুনাম

স্টিভ স্মিথের সম্পর্কে একটি অজানা তথ্য হলো স্কুলজীবনে ভালো ছাএ এবং মেধাবী ক্রিকেটার হিসেবে তাঁর সুনাম ছিল।তবে তিনি ক্রিকেটে এতোটাই মনোনিবেশ করেন যে  শেষপর্যন্ত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশ নেননি।

ক্রিকেটের জন্য স্কুল ছেড়ে দেন

স্টিভ স্মিথ কৈশোর থেকেই ক্রিকেটকে এনজয় করতে শুরু করেন।এবং বিস্ময়কর তথ্য হলো ক্রিকেটের জন্য উচ্চমাধ্যমিকের সার্টিফিকেট না নিয়েই পড়াশোনায় ইতি টানেন।যদিও তাঁর ক্রিকেটপ্রীতি তখন স্কুল কর্তৃপক্ষকে অবাক করেছিল। এমনকি প্রথমে কর্তৃপক্ষ তাকে পড়াশোনা ছাড়ার অনুমতি দিতে চায়নি।

উঠতি লেগস্পিনার হিসেবে স্মিথের শুরু

স্টিভ স্মিথ মূলত লেগস্পিনার হিসেবে সবার নজর কাড়েন।এবং ক্রিকেটের শুরুতে লেগস্পিনে দারুণ সাফল্য পান।এমনকি তাঁর লেগস্পিনকে শের্ন ওয়ার্নের সাথে তুলনা করা হতো।

টানা ৪ টেষ্টে সেঞ্চুরির বিরল রেকর্ড

স্টিভ স্মিথের ব্যাটিং প্রতিভার অসংখ্য নিদর্শন রয়েছে।টেষ্টে টানা চার ম্যাচে সেঞ্চুরির কৃতিত্ব রয়েছে স্মিথের যা ব্রাডম্যান,হেইডেনের মত হাতেগোনা কয়েকজন গ্ৰেট ব্যাটসম্যানের ঝুলিতে রয়েছে।

অধিনায়কত্বের শুরুতেই রেকর্ড

স্টিভ স্মিথ ২০১৪সালে অষ্ট্রেলিয়ার টেষ্ট অধিনায়ক মনোনিত হন।এবং অধিনায়কত্ব শুরুর প্রথম তিন ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন যা এর আগে কোন অষ্ট্রেলীয় অধিনায়ক করতে পারেননি। উল্লেখ্য দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক তারকা অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিস এ রেকর্ডের অধিকারী।

এলান বোর্ডারের পরে সবচেয়ে জটিল অধিনায়ক

অধিনায়ক হিসেবে স্টিভ স্মিথ ছিলেন একরোখা ও জটিল প্রকৃতির।এজন্য তাকে অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক এলান বোর্ডারের সাথে তুলনা করা হতো।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

গেইল অবশেষে স্বরূপে

                                                           


পাঞ্জাবের এবারের আইপিএল ভালো যাচ্ছিলনা একথা জানাই ছিল। এছাড়া বড় অভিযোগ ছিল ইউনিভার্স বস গেইলকে পাঞ্জাবের মূল একাদশে দেখা যাচ্ছেনা।তবে সবপ্রশ্নের উওর কাল পাওয়া গেল।ক্রিস গেইল অবশেষে মাঠে ফিরলেন।আইপিএলে বহুদিন পর একটি গেইলঝড় দেখা গেল।কেএল রাউলকে নিয়ে পাঞ্জাবকে প্রায় জয়ের বন্দরে নিয়ে যান গেইল।আর সাথে ছিল চিরচেনা ক্লিনহিট।স্টেইট এবং লেগসাইডেই কাল বেশি মেরেছেন গেইল।এবং কোন জড়তা ছিলনা। জায়গায় দাঁড়িয়ে চিরচেনা ভঙ্গিতে বলকে সীমানাছাড়া করছিলেন।কোন বোলারই গেইলকে বিব্রত করতে পারছিলেননা।ফলে বেঙ্গালুরুর ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি বারবার বোলারদের সাথে কথা বলছিলেন।এমনকি বেঙ্গালুরুর দলে বেশকজন বিশ্বসেরা প্লেয়ার মাঠে থেকেও গেইলঝড় থামাতে প্রায় ব্যর্থ হন। শেষমেশ পাঞ্জাব ম্যাচে জয়লাভ করে।

গেইলের আইপিএল রেকর্ড

ক্রিস গেইলের আইপিএল রেকর্ড এখানে তুলে ধরছি।সূএ: আইপিএল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

সেঞ্চুরি - ৬টি

হাফসেঞ্চুরি - ২৯টি

সর্বোচ্চ- ১৭৫(অপরাজিত)

মোট ছক্কা- ৩৩১টি

মোট চার- ৩৭০টি

মোটরান- ৪৫৩৭

মোট উইকেট- ১৮টি

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

করোনাকালে পূজার মার্কেটিং

                                                            


হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মার্কেটিং শুরু হয়ে গেছে।তবে করোনার এই সময়ে অনেকেই নিরাপদে পূজার মার্কেটিং নিয়ে হয়তো ভাবনায় পড়ে গেছেন।আর এ অবস্থায় নিরাপদে পূজার মার্কেটিং করার জন্য কিছু টিপস তুলে ধরছি।

সবাই মাস্ক ব্যবহার করুন

এই সময়ে পূজার মার্কেটিং করার ক্ষেএে সবার মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।আর হ্যাঁ সবারই মাস্ক পরে মার্কেটে যাওয়া উচিত।দেখা গেল বয়স্করা মাস্ক পরেছেন কিন্তু শিশুদের মুখে মাস্ক নেই তখন কিন্তু বিপত্তি ঘটতে পারে।

বারবার হাত ধোয়া উচিত

এসময়ে পূজার মার্কেটিংয়ে বেরোলে সাথে স্যানিটাইজার রাখুন।সুযোগ পেলে বাইরে হাত ধোতে পারেন।এক্ষেএে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া উচিত।

ঘরে ফিরে কাপড়চোপড় ধোয়ে ফেলুন

মার্কেটিং সেরে দ্রুত ঘরে ফেরার চেষ্টা করুন।ঘরে ফিরে সাবান দিয়ে কাপড়চোপড় ধোয়ে ফেলুন।

ভিড় এড়িয়ে চলুন

পূজার বাজারে ভিড় হবেই তবে চেষ্টা করুন অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে চলার।কারণ ভিড়ের মধ্যে করোনাসংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক বেশি। সবচেয়ে ভালো হয় যদি সকালের দিকে মার্কেটিং করেন।

ভিড়ের মধ্যে গাড়িতে চড়বেননা

অবশ্যই পূজার বাজারে বেরোলে অতিরিক্ত ভিড়ের গাড়ি এড়িয়ে চলা ভালো।কারণ গাড়িতে ভিড়ের মধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। তুলনামূলকভাবে কমভিড়ের গাড়িতে চড়ার চেষ্টা করুন।

ঘরে ফিরে স্নান করে ফেলুন

পূজার মার্কেটিং সেরে ঘরে ফিরে অবশ্যই স্নান করা উচিত।আর এক্ষেত্রে সাবান দিয়ে ভালো করে স্নান করে ফেলুন।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী


রাবাদার নতুন আইপিএল রেকর্ড

                                                            


কাগিসো বাবাদা,এই সময়ের ক্রিকেটের এক বড় আইকন।রাবাদারক্রিকেটীয় রেকর্ডের তালিকায় নতুন এক অধ্যায় রচিত হয়েছে এবারের আইপিএলে।নিখুঁত ডেলিভারি ও গতির জন্য বিখ্যাত এই পেসার আইপিএলে টানা ২১ ম্যাচে উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েছেন।অর্থাৎ আইপিএলে নিজের ২১ ম্যাচের প্রতিটিতে উইকেট নিয়েছেন এ বোলার(সূএ:বিডিনিউজ২৪ ডটকম)।এর আগে ইন্ডিয়ার বিনয় কুমার আইপিএলে টানা ১৯ ম্যাচে উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখান।এছাড়া শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা আইপিএলে টানা ১৫ ম্যাচে উইকেট নিয়ে রেকর্ড গড়েন।

কাগিসো রাবাদার আরো কিছু অজানা রেকর্ড

অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী রাবাদা ইতিমধ্যে ক্রিকেটবুকে  এক অনন্য আসন লাভ করেছেন।গতি,সুয়িং আর বুদ্ধিমওার মিশেলে দারুণ কিছু রেকর্ড গড়েছেন।২০১৫ সালে নিজের অডিআই অভিষেকে এই ফাষ্টবোলার হ্যাটট্রিকসহ ১৬ রানে ৬ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখান।উল্লেখ্য অডিআই অভিষেকে হ্যাটট্রিককারী প্রথম বোলার ছিলেন বাংলাদেশের তাইজুল ইসলাম।

রাবাদা ২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বকনিষ্ঠ বোলার হিসেবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এক টেষ্টে ১০ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েন।পরবর্তীতে রাবাদা ২০১৮ সালে  শ্রীলংকার বিপক্ষে সর্বকনিষ্ঠ বোলার হিসেবে টেষ্টে ১৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন।সেইসাথে এই প্রতিভাবান ফাষ্টবোলার ২০১৮ সালে আরেকটি রেকর্ড গড়েন।রাবাদা ২০১৮ সালে মোট ৫২টি টেষ্ট উইকেট দখল করেন যা এক বছরে কোন বোলারের সর্বাধিক উইকেট নেয়ার রেকর্ড হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী

বাতিল এবারের বিপিএল

                                                              


 অবশেষে বাতিল হয়ে গেল এবারের বিপিএল(সূএ:যুগান্তর)।রবিবার বিসিবি সভাপতি জানিয়ে দেন  এবারের বিপিএল হচ্ছেনা।মূলত এবারের বিপিএল বাতিলের কারণ হিসেবে করোনা ভাইরাসের  কথাই বলা হয়।কারণ বিপিএলে বিদেশি প্লেয়ারদের আসতে হয়।এখন করোনার কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্লেয়ার আসতে চাইবে না। এছাড়া বিদেশি মিডিয়াকর্মী,টিভি ব্রডকাষ্টকর্মীরা সমস্যায় পড়বে।এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আপাতত করোনা পরিস্থিতির উন্নতি নাহলে বিপিএল হচ্ছেনা বলে জানিয়ে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু কিছু ক্রিকেট শুরু হয়েছে।তবে সেখানেও দর্শকদের সরাসরি খেলা দেখার সুযোগ নেই।বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেটলিগ আইপিএল এবার ভারতের মাঠে হচ্ছেনা।এবারের আইপিএল ব্যাপক জৈব সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হচ্ছে।এবং এবারের আইপিএলে দর্শকদের সরাসরি খেলা দেখার সুযোগ নেই।

বিপিএলের চ্যাম্পিয়নদের তালিকা

২০১২ - ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স

২০১৩ - ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স

২০১৫ - কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস

২০১৬ - ঢাকা ডায়নামাইর্টস

২০১৭ - রংপুর রাইডার্স

২০১৯ - কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী

উচ্চশিক্ষার বিষয়

                                                            


আশা করা যায় এইসএসসি পরীক্ষার ফলাফল আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে প্রকাশিত হবে।আর নিশ্চয় সব শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা নিয়ে ভাবতে শুরু করেছেন।পছন্দের বিষয়ে সবাই উচ্চশিক্ষা নিতে চায়।তবে এবার যেহেতু সবাই পাস করবে তাই উচ্চশিক্ষায় কম্পিটিশনও বেশি হবে।তাই এখনই ভাবতে হবে কোন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে চান।আর এক্ষেএে কিছু টিপস এখানে তুলে ধরছি।

নিজের পছন্দের বিষয় অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ

সব শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখে।আর এক্ষেএে সবার পছন্দের বিষয় রয়েছে।কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চায়।কেউ ডাক্তার হতে চায়।কেউ আবার শিক্ষক হতে আগ্ৰহী।কিছু শিক্ষার্থী আবার গবেষক হতে চায়।আবার অনেকেই আইন,জার্নালিজম,মিডিয়া স্টাডিজ ইত্যাদি পড়তে আগ্ৰহী।কিছু শিক্ষার্থীর স্বপ্ন আবার বিবিএ পড়া।

বিকল্প বিষয় হাতে রাখুন

সবাই যে পছন্দের বিষয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন একথা বাস্তবসম্মত নয়।আবার পছন্দের বিষয়ে সুযোগ পেলেই দক্ষ ও সফল হয়ে যাবেন সেবিষয়েও কোন গ্যারান্টি নেই।তাই প্রতিযোগিতার এ যুগে বিকল্প বিষয় হাতে রাখুন।যেমন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বহু বিষয় রয়েছে ।এক্ষেএে পছন্দের একাধিক বিষয় হাতে রাখুন।আর্টস/কমার্স ফ্যাকাল্টিতে পড়তে চাইলে একাধিক পছন্দের বিষয় সম্পর্কে ধারণা রাখুন।

বিষয় সম্পর্কে অজ্ঞতা দূর করুন

এখন কর্মের বাজারে উচ্চশিক্ষার বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়।চাকরী ,ব্যবসা,গবেষণা যেদিকে যান আপনার কিছু বিশেষ দক্ষতাই শেষপর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।যেমন অনেক ইঞ্জিনিয়ারকে কর্মজীবনের প্রয়োজনে এমবিএ করতে হয়।আবার অনেকে ক্রিয়েটিভিটি বাড়ানোর জন্য অবসরে সাহিত্য পাঠ করেন। উচ্চশিক্ষার ক্ষেএে সব বিষয়ই শেষপর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনেককিছুই আপনার হাতে নেই

আপনার সার্টিফিকেট আপনার যোগ্যতার দলিল।আপনি পছন্দের বিষয়ে ভর্তি হলেই যে দক্ষ ও সফল হবেন তার কোন নিশ্চয়তা নেই।পছন্দের ডিগ্ৰি দিয়ে  আপনি সবকাজ পারবেন এমন নিশ্চয়তাও নেই।তাই উচ্চশিক্ষায় বিষয়ের চেয়ে আপনার অর্জন ও দক্ষতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী


আইপিএল তারকাদের খবর

                                                             



আইপিএল২০২০ এর চূড়ান্ত লড়াই চলছে।করোনার জন্য মাঠে দর্শকদের সরাসরি খেলা দেখার সুযোগ নেই।তবু আইপিএলে তারকারা দ্যুতি ছড়াচ্ছেন ।কেউ কেউ ব্যর্থ হচ্ছেন।আবার গেইলের মত তারকা এখনো মাঠে নামেননি।ডেল স্টেইন ,রাসেলের মত প্লেয়ার কিছুটা নিষ্প্রভ।আসুন দেখে নেই এবারের আইপিএলে তারকারা কেমন খেলছেন(সূএ:নিউজ18)।

বিরাট কোহলি

প্রথমদিকে কিছুটা নিষ্কিয় দেখালেও সময় যত গড়াচ্ছে ততই নিজের পুরনো ফর্ম ফিরে পাচ্ছেন বিরাট কোহলি।শেষ দুই ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করে দলকে জিতিয়েছেন।২২৩ রান করে কোহলি এবারের আইপিএলে বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছেন।

ডেভিড ওয়ার্নার

অষ্ট্রেলিয়ার ড্যাসিং ওপেনার এবার আইপিএলে কৌশলী অধিনায়কত্বের পাশাপাশি দারুণ ব্যাটিং করছেন।ওয়ার্নার ইতিমধ্যে ২২৭ রান করেছেন।

কে এল রাউল

কেএল রাউল এবার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে হাতখোলে খেলছেন।সাফল্যও পাচ্ছেন।এবারের আইপিএলে এখন পর্যন্ত ৩৮৭ রান করে সবার উপরে রয়েছেন।

ফাফ ডুপ্লেসিস

চেন্নাইয়ের টানা হারের মধ্যে ব্যতিক্রম শুধু ফাফ ডুপ্লেসিস।স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে উইকেটে সেট হয়ে হাত খোলে খেলছেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা।ডুপ্লেসিস ইতিমধ্যে ৩০৭ রান সংগ্ৰহ করেছেন।

এবি ডিভিলিয়ার্স

এবি ডিভিলিয়ার্স এখনো পুরোপুরি জ্বলে উঠতে পারেননি।তিনি করেছেন ১৫৫ রান।

রোহিত শর্মা

রোহিত শর্মা মোটামুটি ভালোই খেলছেন।তবে এখনো পুরোপুরি জ্বলে উঠতে পারেননি।রোহিত ইতিমধ্যে ২১১ রান করেছেন।

স্টিভ স্মিথ

অষ্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটসম্যান স্টিভ স্মিথ এবারের আইপিএলে মোটামুটি ভালোই খেলছেন।তবে ধারাবাহিক নন।স্মিথ ৬ম্যাচ খেলে ১৫৭ রান সংগ্ৰহ করেছেন।

জোফরা আরচার

আইপিএলে এবার গতির ঝড় তুলছেন জোফরা আরচার।এবং শেষদিকে ব্যাটিংয়ে নেমে দলকে ভালো সাপোর্ট দিচ্ছেন।আরচার ইতিমধ্যে ৮উইকেট সংগ্ৰহ করেছেন।এছাড়া ৮৮ টি রানও করেছেন।

রাবাদা

রাবাদা এবারের আইপিএলে দুর্দান্ত বোলিং করছেন।এখনো বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক উইকেট তাঁর দখলে।রাবাদা ইতিমধ্যে ১৫টি উইকেট সংগ্ৰহ করেছেন।

মো:সামি

এই আইপিএলে ভারতের পেসতারকা মো:সামি দারুণ বোলিং করছেন।ইতিমধ্যে ১০উইকেট নিয়ে বোলারদের শীর্ষ দশে রয়েছেন।

রশিদ খান

বেশ ভালো বোলিং করছেন তারকা লেগস্পিনার রশিদ খান।এবার আইপিএলে নিজের স্পিনজাদুর সাথে বুদ্ধিমওার সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটাতে চাচ্ছেন রশিদ।ইতিমধ্যে ৮উইকেট নিয়ে বোলারদের শীর্ষ দশে রয়েছেন রশিদ খান।

পেট কামিন্স

সর্বোচ্চ দামে বিক্রিত পেট কামিন্স এখনো নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি।তার উইকেট সংখ্যা ২।

আন্দ্রে রাসেল

দীর্ঘদেহী অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল এখনো নিজের স্বরূপে ফিরতে পারেননি।রাসেল এখনপর্যন্ত ৫৫রান ও ৫ টি উইকেট নিয়েছেন।

রবীন্দ্র জাদেজা

তারকা অলরাউন্ডার জাদেজা এখনো নামের প্রতি পূর্ণ সুবিচার করতে পারেননি।৭ম্যাচ খেলে জাদেজা ১০১ রান করেছেন।উইকেট নিয়েছেন ৩টি।


শেলডন কটরেল

তারকা পেসার শেলডন কটরেল এখনো পুরোপুরি জ্বলে উঠতে পারেননি।প্রথমদিকে দারুণ বোলিং করলেও তিনি ধারাবাহিক নন।কটরেল ৬উইকেট নিয়েছেন।


সুনীল নারাইন

প্রথমদিকে এলোমেলো মনে হলেও ধীরে ধীরে বোলিংয়ে ভালো করছেন নারাইন।ইতিমধ্যে ৫টি উইকেট তিনি সংগ্ৰহ করেছেন।তবে ব্যাটিংয়ে নারাইন এখনো ব্যর্থতার বৃওেই রয়েছেন।


ব্যর্থ তারকাদের কথা

এবারের আইপিএলে এখনো ব্যর্থতার বৃওে আটকে আছেন বেশকজন তারকা ।এক্ষেএে ম্যাক্সওয়েল , এম এস ধোনি,ডেল স্টেইন,ডোয়াইন ব্রাভোর কথা বলা যায়।ধোনি তার দলের সাথে নিজেও ব্যর্থ হচ্ছেন।স্টেইনকে আনফিট মনে হচ্ছে।ব্রাভোও নিজের সেরা ছন্দ খোজে পাচ্ছেননা।ম্যাক্সওয়েল এবারের আইপিএলে এখনো ফ্লপ।ম্যাক্সওয়েল ৭ ম্যাচ খেলে মাএ ৫৮ রান করেছেন।

 এখনো মাঠে নামেননি গেইল

এখনো মাঠে নামেননি ক্রিস গেইল।আইপিএল দর্শকদের জন্য দুঃসংবাদ হলো তিনি(গেইল)পেটের পীড়ায় ভোগছেন।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী


বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে মাঠে ফিরছে দেশের ক্রিকেট ,সূচি দেখে নিন

                                                            


শ্রীলঙ্কা সিরিজ স্থগিত হয়ে গেছে।তবু ক্রিকেটাররা ক্যাম্পে রয়েছেন।আর এক্ষেএে ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও পারফরমেন্স দেখার জন্য দারুণ টুনামেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে বিসিবি।আর টুনামেন্টের নাম দেয়া হয়ে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ।তিনটি দল ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে।তিন দলে অধিনায়ক থাকবেন তামিম ইকবাল,নাজমুল হাসান শান্ত ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।টুনামেন্টের সবগুলো ম্যাচ হবে ডেনাইট।বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে শুধু ওয়ানডে খেলা হবে।এই টুনামেন্টের জন্য ইতিমধ্যে ১৫জন করে ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।প্রতি ম্যাচে থাকবে রিজার্ভ ডে।বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২৩অক্টোবর।বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের সবগুলো ম্যাচ হবে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে।

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ মূলকোচ ডমিঙ্গোর জন্য নতুন ও পুরনো ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও পারফরমেন্স দেখার এক দারুণ সুযোগ ।করোনার বিরতিতে ক্ষতিগ্ৰস্ত ক্রিকেটের জন্য এটি এক বিশাল সুখবর বলা যায়।

ম্যাচসূচি

১১ অক্টোবর - মাহমুদুল্লাহ একাদশ বনাম নাজমুল একাদশ

১৩অক্টোবর - তামিম একাদশ বনাম মাহমুদুল্লাহ একাদশ

১৫অক্টোবর- নাজমুল একাদশ বনাম তামিম একাদশ

১৭অক্টোবর- নাজমুল একাদশ বনাম মাহমুদুল্লাহ একাদশ

১৯অক্টোবর- তামিম একাদশ বনাম মাহমুদুল্লাহ একাদশ

২১অক্টোবর- নাজমুল একাদশ বনাম তামিম একাদশ

২৩অক্টোবর- ফাইনাল

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী


অবশেষে গেইলের বিষয়ে কথা বললেন পাঞ্জাবের কোচ কুম্বলে

এবারের আইপিএলে টানা হারছে কিংস ইলিভেন পাঞ্জাব।কেএল রাউল,ম্যাক্সওয়েল,সামিদের নিয়ে গড়া পাঞ্জাব খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি।উপরন্তু  প্রায় মাঝারি মানের বোলিং নিয়ে গতকাল হায়দারাবাদ সহজেই পাঞ্জাবকে হারিয়ে দিয়েছে।ফলে সবার মুখে আবারো ঘুরছে গেইলকে খেলানো হচ্ছেনা কেন।

                                                            


অবশেষে পাঞ্জাবের কোচ অনিল কুম্বলে গেইলের না খেলার কারণ জানিয়ে দিলেন।কুম্বলে জানিয়েছেন গেইল ফুড পয়জনিংয়ে ভোগছেন।অবশ্য শুরু থেকেই পাঞ্জাবের অধিনায়ক কেএল রাউল গেইলের না খেলার কারণ স্পষ্ট করে জানাতে চাননি।ফলে গেইলের বিষয়ে সবাই জানতে চাইছিলেন।

গেইলবিহীন পাঞ্জাব গতকালকের ম্যাচে হায়দারাবাদের কাছে শোচনীয়ভাবে হারে।সামি,ম্যাক্সওয়েলরা হায়দারাবাদের ব্যাটসম্যানদের লাগাম টানতে ব্যর্থ হন।ফলে হায়দারাবাদ বড় স্কোর করার সুযোগ পায়।এবং ব্যাটিংয়ে নেমে পাঞ্জাবের ব্যাটসম্যানরা হায়দারাবাদের দারুণ গেমপ্ল্যান ও ফিল্ডিংয়ের কাছে হেরে যায়।হায়দারাবাদের বোলারদের হিসেবি বোলিং পাঞ্জাবকে কোনঠাসা করে ফেলে।পাঞ্জাবের হয়ে যাকিছু ব্যতিক্রম ছিলেন নিকোলাস পুরাণ।পুরাণ বেশকিছু বিগহিটের মাধ্যমে দ্রুত রান তুলতে শুরু করেন।তবে অপরপাশে কোন ব্যাটসম্যান দাড়াতে পারেনননি।ফলে পাঞ্জাব বিপুল ব্যবধানে হেরে যায়।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী

এবারের এইসএসসি ও সমমানের রেজাল্ট বিকল্প উপায়ে

                                                             


 

অবশেষে এবারের এইসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল ঘোষিত হল(সূএ:সমকাল)।এবারের এইসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল নির্ধারিত হবে বিকল্প পদ্ধতিতে।আর এক্ষেএে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল গড় করে চূড়ান্ত ফলাফল দেয়া হবে।এর ফলে এবারের এইসএসসি পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের উৎকন্ঠা কিছুটা কমলো বলা যায় ।

এবারের এইসএসসি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ১২লাখ।বিকল্প উপায়ে এইসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার রেজাল্ট ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রকাশ করতে চায় সরকার।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী

নিয়মিত দই খেলে যেসব উপকার পাবেন

 দই প্রাচীনকাল থেকে জনপ্রিয় এক খাবার।স্বাদ ও রুচির দিক থেকে দইয়ের তুলনা নেই।আবার বিভিন্ন অঞ্চলের দইয়ের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদ ও ইতিহাস।দই শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার জন্য উপকারী এক খাবার।দই মিষ্টি ও টক দুইধরণের আছে।তবে পুষ্টিগত দিক থেকে দুইধরণের দইই প্রায় কাছাকাছি মানের।এ লেখার উদ্দেশ্য দইয়ের স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে ধারণা দেয়া।আসুন জেনে নেই নিয়মিত দই খাওয়ার উপকারিতা।

                                                            


দই হজমশক্তি বাড়ায়

নিয়মিত দই খেলে হজমশক্তি বাড়ে।প্রাচীনকাল থেকে দই হজমের জন্য উপকারীহিসেবে পরিচিত।তাই যাদের হজমের সমস্যা আছে তাদের জন্য দই খুব উপকারী এক খাবার।

উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে

আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে নিয়মিত দই খেলে উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত হবার হার কমে যায়।তাই উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত দই খাওয়ার বিকল্প নেই।

দই ত্বকের জন্য উপকারী

দই ত্বকের সতেজতা বাড়াতে সাহায্য করে।অনেকেই ত্বকের সতেজতা নিয়ে চিন্তিত এবং তাদের জন্য নিয়মিত দই খাওয়া উপকারী।দই ত্বককে পুষ্টি যোগায়।

হাড়কে ভালো রাখে

দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে যা আমাদের হাড়কে ভালো রাখে।হাড়কে ভালো রাখার জন্য তাই নিয়মিত দই খাওয়া উচিত।

কোষ্টকাঠিন্যে উপকারী দই

কোষ্টকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা আর এ থেকে বাচতে নিয়মিত দই খেতে পারেন।দই হজম ও পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।

জটিল রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম

গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত দই খেলে শরীর ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের বিরুদ্ধে সহজে প্রতিরোধ গড়তে পারে।তাই নিয়মিত দই খান ভালো থাকুন।

সর্তকতা:

বয়স্কদের ক্ষেএে রাতে দই না খাওয়াই ভালো।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী




প্রথমবারের মত এলপিএলের নিলামে উঠছেন রুবেল, মিরাজ

                                                              


প্রথমবারের মত বিদেশী কোন লিগের নিলামে উঠতে যাচ্ছেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও রুবেল হোসেন।প্রথমবারের মত লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগের নিলামে উঠছেন মিরাজ  এবং রুবেল হোসেন।উল্লেখ্য মিরাজ ও রুবেলের সাথে এলপিএলের নিলামে উঠবেন বাংলাদেশের আরো তিন ক্রিকেটার।লঙ্কান গণমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।মিরাজ ও রুবেলের সাথে নিলামে উঠছেন সাকিব,তামিম ও মুশফিক।সাকিব এলপিএলের নিলামে উঠবেন একথা আগেই জানা গিয়েছিল।তবে অন্যদের খবর কিছুটা বিলম্বে জানা গেল।

নিলামে মুশফিক উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান কোটায় থাকবেন।তামিম থাকবেন ব্যাটসম্যান কোটায়।অলরাউন্ডার কোটায় থাকবেন সাকিব ও মিরাজ।আর জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন এলপিএলের নিলামে থাকবেন পেসার কোটায়।

এবার এলপিএলের প্রথম আসর বসবে।মোট ৫টি দল মূল টুনামেন্টে খেলবে।তিনটি ভেন্যুতে খেলাগুলো হবে।প্রতিটি দলে সর্বোচ্চ ৬জন বিদেশী প্লেয়ার দলভুক্ত হতে পারবেন।মূল টুনামেন্ট মাঠে গড়াবে এ বছরের ১৪ নভেম্বর।এর আগে নিলাম হবে ১অক্টোবর।এলপিএল সমাপ্ত হবে ৬ডিসেম্বর।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী


আইপিএলের সর্বোচ্চ রান এখন কোহলির

 এবারের আইপিএলে শুরুর দিকে বিরাট কোহলি সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি।তবে ধীরে ধীরে স্বরুপে ফিরছেন এই ব্যাটিং লিজেন্ড।আর ইতিমধ্যে তিনি আইপিএলে নতুন এক রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন ।আইপিএলে সবচেয়ে বেশি রান এখন কোহলির।এছাড়া প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে আইপিএলে সাড়ে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই বিশ্বসেরা ওয়ানডাউন ব্যাটসম্যান।

                                                              


 আইপিএলের শুরুতে নিস্ত্রিয় ছিলেন কোহলি

এবার আইপিএল শুরুর পর সবাই কোহলিকে নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা শুরু করেন কারণ কোহলি  প্রথমদিকে রান পাননি।তবে গত শনিবারের ম্যাচে রাজস্থান রয়ালসের বিপক্ষে তাঁর ব্যাট জ্বলে উঠে ।৫৩ বলে ৭২ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন কোহলি।

আইপিএলে নতুন রেকর্ড

রাজস্থানের বিপক্ষে ম্যাচে অনবদ্য ব্যাটিং করে আইপিএলে নতুন এক রেকর্ড গড়েন এই ব্যাটিং লিজেন্ড।রাজস্থানের বিপক্ষে ম্যাচে ৭২ রান করার মধ্যদিয়ে কোহলি আইপিএলে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাড়ে পাঁচ হাজার রান করার গৌরব অর্জন করেন।উল্লেখ্য আইপিএলে মাএ তিনজন ব্যাটসম্যান পাঁচ হাজার রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।রাজস্থানের বিপক্ষে ম্যাচজয়ী ইনিংসের পর আইপিএলে কোহলির রান সাড়ে পাঁচ হাজার অতিক্রম করে।আইপিএলে কোহলির ৫টি সেঞ্চুরি ও ৩৭টি হাফসেঞ্চুরি আছে।

আইপিএলে সর্বোচ্চ রানকারী তিন ব্যাটসম্যান

বিরাট কোহলি -৫৫৪৫ রান।

সুরেশ রায়না-   ৫৩৬৮ রান।

রোহিত শর্মা -    ৫০৭৪ রান।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী

আজ মাশরাফির জন্মদিন

                                                             


    

আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সফল অধিনায়ক ও একসময়ের দেশসেরা পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজার  জন্মদিন।১৯৮৩ সালের ৫অক্টোবর মাশরাফি নড়াইলে জন্মগ্ৰহন করেন।আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় ২০০১ সালে।আসুন মাশরাফির জন্মদিনে তাঁর ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য  কিছু তথ্য জেনে নেই।

                                                    

মাএ ১৮ বছর বয়সে টেষ্ট অভিষেক হয় মাশরাফির

মাশরাফি বিন মুর্তজা মাএ ১৮ বছর বয়সে টেষ্টে অভিষিক্ত হন।তাঁর টেষ্ট অভিষেক হয় ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

বারবার ইনজুরিতে ক্ষতিগ্ৰস্থ হয়েছে ক্যারিয়ার

মাশরাফির ক্যারিয়ারে বারবার ইনজুরি হানা দিয়েছে।মাশরাফির হাঁটুতে সাতবার অপারেশন হয়েছে।

ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েন

২০১১ বিশ্বকাপে মাশরাফির নেতৃত্বে বাংলাদেশ দলের খেলার কথা ছিল।কিন্ত হঠাৎ ইনজুরির কারণে তিনি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যান।তাঁর পরিবর্তে সাকিব আল হাসান ২০১১ বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেন।

তবু দারুণ এক ক্যারিয়ার উপহার দেন

মাশরাফি ইনজুরিতে পিছিয়ে গেলেও দারুণ এক ক্যারিয়ার গড়েছেন একথা নিদ্ধিধায় বলা যায়।তিন ফরমেট মিলিয়ে তাঁর উইকেট সংখ্যা ৩৯০।ব্যাটহাতে আছে চার ফিফটিসহ ২,৯৬১ রান।

অধিনায়ক হিসেবে অসামান্য সাফল্য

বাংলাদেশের সাবেক এই সফল অধিনায়ক ৮০টি অডিআই ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৫০টিতে জয় উপহার দিয়েছেন।তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২৮টি টিটুয়েন্টি খেলে ১০টিতে জয় পেয়েছে।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী

ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হলেন মুশফিকুর রহিম

                                                       



ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশের সফল উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম।নিজের ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় মুশফিক এ খবরটি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য ইতিপূর্বে সাকিব ও মিরাজ ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত মনোনিত হন।

এ বছর সর্বাধিক বিক্রিত ১০ স্মার্টফোন

                                                             


অ্যানালিটিক্স কোম্পানী ওমডিয়া ২০২০ সালে বিশ্বে সর্বাধিক বিক্রিত ১০ স্মার্টফোনের নাম প্রকাশ করেছে।এবছর বিশ্বজুড়ে এ স্মার্টফোনগুলোর চাহিদা ছিল সর্বাধিক।অর্থাৎ গ্ৰাহকদের পছন্দের শীর্ষে ছিল এ স্মার্টফোনগুলো।বছরের সর্বাধিক বিক্রি হওয়া ১০ স্মার্টফোন নিয়ে এ লেখা।

অ্যাপল আইফোন১১

এ বছর বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে অ্যাপলের আইফোন১১ স্মার্টফোনটি।এ ফোনটির ৩.৭৭ কোটি পিস বিক্রি হয়েছে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এ ৫১

এ বছর জনপ্রিয় মোবাইল নির্মাতা স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এ৫১ ফোনটি বিক্রির দিক থেকে শীর্ষ দশে ছিল।এটি বিক্রি হয়েছে মোট ১.১৪কোটি পিস।

শাওমি রেডমি নোট৮

২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাহিদা ছিল শাওমির রেডমি নোট৮ ফোনটির।ফোনটির ১.১০কোটি পিস বিক্রি হয়েছে।

শাওমি রেডমি নোট৮প্রো

এই বছর শাওমির রেডমি নোট৮প্রো ফোনটি ছিল বিক্রির দিক থেকে শীর্ষ দশে।

অ্যাপল আইফোন এসই

অ্যাপল আইফোন এসই এবার বিক্রির দিক থেকে ভালো অবস্থানে(শীর্ষ দশে) ছিল।

অ্যাপল আইফোন ১০আর

এ বছর বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক বিক্রি হওয়া দশ ফোনের তালিকায় রয়েছে অ্যাপলের আইফোন১০ আর।

অ্যাপল আইফোন১১ প্রো ম্যাক্স

অ্যাপল আইফোন১১ প্রো ম্যাক্স ফোনটির চাহিদা ছিল ব্যাপক।বিক্রির দিক থেকে শীর্ষ দশে রয়েছে ফোনটি।

শাওমি রেডমি৮এ

২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিক্রি হয়েছে শাওমির রেডমি৮ ফোনটি।এটিও বিক্রির হিসেবে শীর্ষদশে ছিল।

শাওমি রেডমি৮

স্মার্টফোনের বাজারে এ বছর বেশ ভালো বিক্রি হয়েছে শাওমি রেডমি৮ ফোনটি।বিক্রির ক্ষেএে ফোনটি শীর্ষ দশে ছিল।

অ্যাপল আইফোন১১ প্রো

এ বছর বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক বিক্রি হওয়া দশ ফোনের তালিকায় ছিল অ্যাপল আইফোন১১ প্রো।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী