WHAT'S NEW?
Loading...

মাছ খেলে যেসব উপকার পাবেন


                                                               

মাছ বিশ্বব্যাপী এক জনপ্রিয় আমিষ।সবাই মাছ খেতে পছন্দ করেন।মাছ খুব সুস্বাদু এক খাদ্য।এসবকিছুর সাথে মাছের রয়েছে বিপুল স্বাস্থ্যগত উপকারিতা।নিয়মিত মাছ খেলে যেমন শরীর সুস্থ থাকে তেমনি এর আছে বহুমাএিক গুণ।এ লেখায় মাছের বিভিন্ন উপকারিতা জানানোর চেষ্ঠা করব।

মাছ শরীরের জন্য খুব উপকারী


মাছের স্বাদ যেমন তুলনাহীন তেমনি এটি আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী।মাছে ফ্যাট খুব কম।ফলে মাছ শরীরের ক্ষতি করেনা।এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন।মাছ রক্তকে বিশুদ্ধ রাখতে সহায়তা করে।

বিভিন্ন জটিল রোগে উপকারী


সবার পরিচিত ও প্রিয় এ আমিষ আমাদের শরীরকে বিভিন্ন জটিল রোগ থেকে নিরাপদ রাখে।যেমন প্রষ্টেট ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল ক্যান্সার প্রতিরোধে মাছ কাজ করে।তাই পুষ্টিবিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যবিদেরা নিয়মিত মাছ খেতে উৎসাহ দেন।

চোখ ও মস্তিষ্ক ভালো রাখে 


নিয়মিত মাছ খেলে আমাদের চোখ ও মস্তিষ্ক ভালো থাকে।এমনকি মাছ মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

হ্নদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধে সহায়ক


স্বাস্থ্যবিদদের মতে নিয়মিত মাছ খেলে হ্নদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।মাছ রক্তজমাট বাঁধা নিয়ন্ত্রণ করে।উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে মাছ খুব কার্যকর।মাছ হ্নদযন্ত্র ভালো রাখে।

শিশুদের শ্বাসযন্ত্রের রোগ প্রতিরোধ করে


মাছ শিশুদের জন্য খুব উপকারী ।স্বাস্থ্যবিদদের মতে যেসব শিশু নিয়মিত মাছ খায় তাদের বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের রোগ তুলনামূলকভাবে কম হয়।

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী





বর্ষায় সুস্থ থাকুন

                                                                 


বর্ষা এলে হঠাৎ রোদ হঠাৎ বৃষ্টির মধ্যে চলে প্রকৃতির রূপান্তর।বাইরে বেরিয়েছেন রোদ দেখে হঠাৎ এসে পড়ছে বৃষ্টি।আর সামান্য অসতর্ক হলে বর্ষায় অনেকেই আক্রান্ত হন বিভিন্ন ভাইরাস ব্যাকটিয়াজনিত রোগে।এর ফলে স্বাভাবিক জীবনযাপনে ঘটে ছন্দপতন ।তাই বর্ষায় সুস্থ থাকতে চাই কিছু সতর্কতা।আসুন জেনে নিই বর্ষায় সুস্থ থাকার উপায়।

মেনে চলুন ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি


বর্ষায় সুস্থ থাকার জন্য মেনে চলুন ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি।স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের মতে বর্ষায় জীবাণু দ্রুত ছড়ায়।তাই এ সময়ে পরিছন্ন থাকতে হবে।খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধোতে হবে।বাহির থেকে ফিরে সাবান দিয়ে হাত পা ধোয়ে ফেলুন।বৃষ্টিতে ভিজে গেলে স্নান করে ফেলুন।

বাইরে ছাতা রেইনকোট ব্যবহার করুন


বর্ষায় বৃষ্টিতে ভিজে গেলে হতে পারে টাইফয়েড,ইনফ্লুয়েঞ্জার মত জ্বর।তাই বাইরে গেলে এসময়ে ছাতা রেইনকোট ইত্যাদি সাথে রাখুন।

বাড়িতে তৈরি খাবার খান


বর্ষায় পানিবাহিত রোগ ছড়ায়।এ থেকে মুক্তি পেতে এড়িয়ে চলুন বাইরের খাবার।আর যথাসম্ভব বাড়িতে তৈরি খাবার খান।

যথেষ্ট পানি পান করুন


স্বাস্থ্যবিদদের মতে বর্ষায় পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত।পানি শরীরের দূষিত জীবাণু বের করে দিতে সাহায্য করে।বিশুদ্ধ পানি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ঘরের চারপাশ পরিছন্ন রাখুন


বর্ষায় ঘরের চারপাশ পরিছন্ন রাখুন। এ সময়ে ঘরের পাশে বাসা বাধতে পারে ক্ষতিকর জীবাণুবাহী কীটপতঙ্গ।

ফুটপাতে কাটা ফল এড়িয়ে চলুন


বর্ষায় বেড়ে যায় ডায়রিয়া,টাইফয়েড,কলেরার প্রকোপ ।আর এসবের এক প্রধান বাহক ফুটপাতের কাটা ফল।তাই বর্ষায় ফুটপাতের কাটা ফল খাওয়া উচিত নয়। এ সময়ে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন আম,লিচু ,আমড়া বাসায় কেটে খেতে পারেন।

ব্যয়াম করুন


করোনার এ সময়ে প্রতিদিন  বাইরে যেতে না পারলে বাড়িতে  অন্তত  একবেলা ব্যয়াম করার চেষ্ঠা করুন।



written by provakar chowdhury.

এশিয়াকাপেও সফল বোলার সাকিব

                                                                 



এশিয়াকাপকে এশিয়ার বিশ্বকাপ হিসেবে ধরা যায়।এশিয়া কাপের একধরণের আলাদা সৌন্দর্যও রয়েছে।কারণ এটি হচ্ছে এশিয়ার ক্রিকেট পরাশক্তিগুলোর শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। এসবকিছুর জন্য এশিয়াকাপ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বিশিষ্ট এক টুর্নামেন্ট।এশিয়াকাপের ইতিহাসে সফল বোলারদের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।বিষয়টি নিশ্চিতভাবে সাকিবের ভক্তদের জন্য দারুণ খবর।আসুন দেখে নেই এশিয়াকাপের সফল পাঁচ বোলারের রেকর্ড ও অন্যান্য।ছবি:সাকিব আল হাসান।

লাসিথ মালিঙ্গা


বিশ্বসেরা পেসার লাসিথ মালিঙ্গা এশিয়াকাপেও সফলতার চূড়ায় অবস্থান করছেন।এশিয়ার ফ্ল্যাট উইকেটেও মালিঙ্গা নিজের বোলিং নৈপূণ্য দেখিয়েছেন  এবং এশিয়াকাপ তার উজ্জল প্রমাণ। এশিয়াকাপে ২০০৪ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত অংশ নিয়েছেন।এশিয়াকাপের ১৫ ম্যাচে বোলিং করেছেন মালিঙ্গা।এ টুর্নামেন্টে  তিনি মোট ৩৩টি উইকেট নিয়েছেন।এশিয়াকাপে মালিঙ্গার সেরা পারফরমেন্স ৫/৩৪।

মুওিয়া মুরালিধরণ


শ্রীলংকার সর্বকালের সেরা অফস্পিনার মুওিয়া মুরালিধরণ এশিয়াকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সফল বোলার।মুরালিধরণ এশিয়ার স্পিন সহায়ক উইকেটে বরাবরই সফল ছিলেন।এশিয়াকাপেও তিনি স্পিনের জাদুতে ব্যাটসম্যানদের কাবু করেছেন।এবং এশিয়াকাপে ২৪ ম্যাচ খেলে তার উইকেট সংখ্যা ৩০।এশশিয়াকাপে মুরালিধরণের সেরা বোলিং ফিগার ৫/৩১।

অজন্তা মেন্ডিস


অবিশ্বাস্য ঘটনা হল এশিয়াকাপের সফল বোলারদের তালিকায় তৃতীয় স্থানটিও এক শ্রীলংকান বোলারের দখলে।শ্রীলংকার অজন্তা মেন্ডিস এশিয়াকাপের ইতিহাসে তৃতীয় সফল বোলার।এ টুর্নামেন্টে অজন্তা মেন্ডিস বিশাল সফলতা দেখিয়েছেন।এশিয়াকাপে মাএ ৮ ম্যাচ খেলে মেন্ডিসের উইকেট সংখ্যা ২৬।তার সেরা বোলিং ফিগার ৬/১৩।

সৈয়দ আজমল


পাকিস্তানের সৈয়দ আজমল এশিয়াকাপে দারুণ সফল এক বোলার।এ স্পিনার এশিয়াকাপে মোট ১২ ম্যাচে বোলিং করেছেন।এশিয়াকাপে তার মোট উইকেট সংখ্যা ২৫।সেরা বোলিং ফিগার ৩/২৬।

সাকিব আল হাসান


এশিয়াকাপেও সফল বোলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।সাকিব তার বুদ্ধিদীপ্ত স্পিন দিয়ে বড় বড় ব্যাটসম্যানদের কাবু করেছেন বারবার।এশিয়ার বিশ্বকাপখ্যাত এশিয়াকাপে সাকিব ১৮ম্যাচে বোলিং করেছেন ।তার মোট উইকেট সংখ্যা ২৪।সেরা বোলিং ফিগার ৪/৪২।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

এশিয়া কাপের ইতিহাসে সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

                                                               


এশিয়াকাপ এশিয়ার ক্রিকেটের জনপ্রিয় টুনামেন্ট।এশিয়াকাপকে এশিয়ার বিশ্বকাপ বলা যায়।এবং ক্রিকেটীয় উওেজনা , দর্শকদের আগ্ৰহ ইত্যাদি বিবেচনায় এ অঞ্চলে এশিয়াকাপ খুব ভাইটাল টুনামেন্ট।এশিয়ার প্রায় সব বিখ্যাত ক্রিকেেটার এ টুনামেন্ট খেলেছেন।এ অঞ্চলে ক্রিকেটের প্রসারের ক্ষেএে এশিয়াকাপের অবদান অস্বীকার করা যাবেনা।আজকের এ লেখায় এশিয়াকাপের ইতিহাসে সেরা ১০ ব্যাটসম্যানের সন্ধান করব।ছবি:মুশফিকুর রহিম।

সনাৎ জয়সুরিয়া


এশিয়াকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান  শ্রীলংকার সাবেক ড্যাসিং ওপেনার সনাৎ জয়সুরিয়া।এশিয়াকাপের সর্বাধিক রান সংগ্ৰহকারী ব্যাটসম্যান জয়সুরিয়া। এ মারকুটে ওপেনার এশিয়াকাপে অবিশ্বাস্য সাফল্য দেখিয়েছেন।এশিয়াকাপের ইতিহাসে ২৪ইনিংসে ব্যাটিং করে জয়সুরিয়া ১২২০ রান সংগ্ৰহ করেন।এশিয়াকাপে তার  ৬টি সেঞ্চুরির কৃতিত্ব রয়েছে।

কুমার সাঙ্গাকারা


শ্রীলংকার সাবেক উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান কুমার সাঙ্গাকারার এশিয়াকাপ রেকর্ড ঈর্ষণীয়।এশিয়াকাপের ইতিহাসে সফল ব্যাটসম্যানদের তালিকায় তার নামটি বেশ উপরের দিকেই রয়েছে।সাঙ্গাকারা এশিয়াকাপে ৪ সেঞ্চুরিসহ মোট ১০৭৫ রান করেন।

শচীন টেন্ডুলকার


ক্রিকেটের লিটলমাষ্টার শচীন টেন্ডুলকার এশিয়াকাপেও সফলতা দেখিয়েছেন।এ টুনামেন্টের ইতিহাসে অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান শচীন।তিনি ২ সেঞ্চুরিসহ এশিয়াকাপে  ২১ ইনিংসে ব্যাটিং  করে৯৭১ রান সংগ্ৰহ করেন।

শোয়েব মালিক


পাকিস্তানের সফল ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিক এশিয়াকাপে বেশ ভালো রেকর্ড রেখেছেন।এশিয়াকাপে মোট ১৯ইনিংসে ব্যাটিং করে ৯০৭ রান সংগ্ৰহ করেন ।এশিয়াকাপে শোয়েব মালিকের ৩টি সেঞ্চুরি রয়েছে।

রোহিত শর্মা


ভারতের হার্ডহিটার রোহিত শর্মার এশিয়াকাপ রেকর্ডও ভালো।রোহিত শর্মা এশিয়াকাপের ইতিহাসে ২৬ইনিংসে ব্যাটিং করে ১ সেঞ্চুরিসহ মোট ৮৮৩ রান সংগ্ৰহ করেন।

বিরাট কোহলি


বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি এশিয়াকাপেও সফলতার ছাপ রেখেছেন।কোহলি এশিয়াকাপে মোট ১৪ ইনিংসে ব্যাটিং করে মোট ৭৬৬ রান করেন।এশিয়াকাপে তার ৩টি সেঞ্চুরি রয়েছে।

অর্জুনা রানাতুঙ্গা


শ্রীলংকার সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা এশিয়াকাপের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান।এ টুনামেন্টে মোট ৭৪১ রান সংগ্ৰহ করেছেন রানাতুঙ্গা।এশিয়াকাপে তার ১টি সেঞ্চুরিও আছে।

মুশফিকুর রহিম


বাংলাদেশের মিষ্টার ডিফেন্ডডেবল খ্যাত মুশফিকুর রহিম এশিয়াকাপের ইতিহাসে সেরা ১০ ব্যাটসম্যানের মধ্যে আছেন।মুশফিক এশিয়াকাপে বরাবরই সফলতা দেখিয়েছেন।তিনি ইতিমধ্যে এ টুনামেন্টে ২৬ ইনিংসে ব্যাটিং করে মোট ৭৩৯ রান করেছেন।এশিয়াকাপে মুশফিকের ২টি সেঞ্চুরি রয়েছে।

এম এস ধোনি


ভারতের সাবেক সফল অধিনায়ক এম এস ধোনি এশিয়াকাপে  বেশ সাফল্যের ছাপ রেখেছেন।ধোনি এশিয়াকাপের ইতিহাসে সেরা ১০ ব্যাটসম্যানের অন্যতম।ধোনি এশিয়াকাপে ২০ইনিংসে ব্যাটিং করে ১ সেঞ্চুরিসহ মোট ৬৯০ রান সংগ্ৰহ করেন।

মাহেলা জয়াবর্ধনে


শ্রীলংকার সাবেক গ্ৰেট ব্যাটসম্যান মাহেলা জয়াবর্ধনে এশিয়াকাপের ইতিহাসে সফল ব্যাটসম্যানদের অন্যতম।জয়াবর্ধনে এশিয়াকাপে ২৬ইনিংসে ব্যাটিং করে মোট ৬৭৪ রান সংগ্ৰহ করেন।এ টুনামেন্টে তার কোন সেঞ্চুরি নেই।

written by provakar chowdhury.



শশার উপকারী গুণ জেনে নিন

                                                               



শশা খুব পরিচিত এক সবজি।এটি কাঁচা খাওয়া যায় আবার রান্না করেও খাওয়া হয় ।সালাদ হিসেবে শশার সমাদর সর্বএ।এসবের বাইরে ত্বক পরিচর্যা,পরিপাক,অতিরিক্ত মেদ কমাতে শশা কার্যকর।শশার বিভিন্ন গুণ নিয়ে এ লেখা।

গ্যাষ্ট্রিকের সমস্যা দূর করে


শশা আমাদের পাকস্তলিতে দ্রুত খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।ফলে গ্যাষ্ট্রিকের রোগীদের জন্য শশা উপকারী।

শরীর ঠান্ডা রাখে


নিয়মিত শশা খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে।এটি আমাদের শরীরের তাপমাএা ঠিক রাখে।

ওজন কমাতে কার্যকর


শশা খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমে।তাই পুষ্টিবিদেরা স্থূলকায় মানুষদের নিয়মিত শশা খাওয়ার পরামর্শ দেন।শশা আমাদের শরীরের মোটিয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

ত্বকের জন্য উপকারী


শশা আমাদের ত্বকের জন্য উপকারী।শশা আমাদের চুলের উজ্জলতা বাড়াতে সহায়তা করে।

উচ্চরক্তচাপ ও কোলেষ্টেরল নিয়ন্ত্রণ


শশা উচ্চরক্তচাপ ও কোলেষ্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

লেবু খান সুস্থ থাকুন

                                                                   

সবাই লেবু খেতে পছন্দ করেন।লেবুর সুগন্ধ সবার জানা।লেবু হজমে সাহায্য করে।খাদ্যের স্বাদ বাড়াতে লেবু অতুলনীয়।তবে  এসবের বাইরে লেবুর রয়েছে বহুমাএিক উপকারী গুণ।স্বাদের মত গুণেও লেবু অনন্য।আসুন জেনে নিই লেবুর বহুমাএিক গুণের খবর।

লেবু কোলেষ্টেরল ও রক্তস্বল্পতা দূর করে


সুগন্ধের সাথে লেবু আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী।লেবু মানুষের রক্তের অতিরিক্ত কোলেষ্টেরল কমাতে সহায়তা করে।শরীরের রক্তস্বল্পতা কমাতে কাজ করে লেবু।

ওজন কমাতে লেবু খান


লেবুতে এমনকিছু ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে যা আমাদের অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।ফলে নিয়মিত লেবু খেলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ত্বক ভালো রাখে


লেবুর বিভিন্ন ভিটামিন আমাদের ত্বকের জন্য উপকারী।নিয়মিত লেবু খেলে ত্বক ভালো থাকে।

ঠান্ডা সর্দিকাশি প্রতিরোধ করে


লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা মানুষের শরীরের ঠান্ডা সর্দিকাশি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

মাইগ্ৰেনে উপকারী


লেবু মাইগ্ৰেনের জন্য উপকারী।

গরমে  লেবুর শরবত স্বাস্থ্যকর


তীব্র গরমে শরীরের পানিশূণ্যতা ও ক্লান্তি দূর করতে লেবুর শরবত এক অতুলনীয় পানীয়।


written by provakar chowdhury.

পেশা হিসেবে মাকেটিং

                                                             


                                                                   


বিশ্বায়নের যুগে মাকেটিং খুব গুরুত্বপূর্ণ এক পেশা।সরকারী বেসরকারী সবক্ষেএে এর প্রয়োজন ব্যাপক।আর এসবের বাইরে পেশার জগতেও মাকেটিং বেশ বড় এক জায়গা দখল করে আছে।মাকেটিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে বেশ কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন হয় যা শুধু সার্টিফিকেট দিয়ে সম্ভব নয়।আর এক্সপার্টদের মতে মার্কেটিংয়ে সফল হলে ভালো বেতন,দ্রুত পদোন্নতি,ইনসেনটিভ সবই সম্ভব।আসুন জেনে নেই পেশা হিসেবে মাকেটিংয়ের আদ্যোপান্ত।

চ্যালেঞ্জিং পেশা


মার্কেটিং এক্সপার্টদের মতে মার্কেটিং খুব চ্যালেঞ্জিং এক পেশা।এটি আবার বিশ্বব্যাপী এক জনপ্রিয় পেশা।তাই যারা চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসেন তাদের জন্য যুতসই পেশা মার্কেটিং।নতুন পরিবেশে নতুন নতুন মানুষের সাথে কাজ করার সামর্থ্য যাদের বেশি তাদের জন্য মার্কেটিং এক আদর্শ পেশা।

সততা ও আস্থা জরুরী


এক্সপার্টদের মতে মার্কেটিংয়ে সফল হতে সততা ও আস্থা জরুরী।এখানে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য ক্রেতার নিকট নিজেকে সৎ ও আস্থাভাজন হিসেবে  প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।মার্কেটিং এক্সপার্টদের মতে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার ক্ষমতা একজন মার্কেটিং অফিসারের বড় গুণ।আর এজন্য সবার আগে প্রয়োজন সততা ও ক্রেতার আস্থা অর্জন করা।ক্রেতার পরাতৃপ্তিই এ পেশার আনন্দ।

মেধা ও দূরদৃষ্টি


মার্কেটিং পেশায় ভালো করার জন্য মেধা ও দূরদৃষ্টি খুব প্রয়োজনীয়।এখানে ক্রেতার আস্থা অর্জনের জন্য মেধা ও দূরদৃষ্টি থাকতে হবে।তাই আজকাল সব প্রতিষ্ঠান মেধাবী ও চৌকস মার্কেটিং অফিসারের খোজ করে।

সেবার মানসিকতা


এক্সপার্টরা বলেন মার্কেটিং পেশায় সাফল্য পেতে চাইলে সেবার মানসিকতা থাকতে হবে।তাদের মতেপণ্যের পাশাপাশি সেবাও মার্কেটিংয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।কারণ হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা থেকে পর্যটন সেবা সবই এখন মার্কেটিং করতে হয়।

অভিজ্ঞতার মূল্য বেশি


মার্কেটিং পেশায় অভিজ্ঞতা খুব প্রয়োজনীয় ।মার্কেটিং পেশায় অভিজ্ঞদের সফলতার সুযোগ বেশি।তবে সব প্রতিষ্ঠান মার্কেটিংয়ে চৌকস ফ্রেশদেরও নিয়োগ দিয়ে থাকে।

স্মার্টনেস জরুরী


মার্কেটিংয়ে সফলতার জন্য স্মার্টনেস জরূরী।এ পেশায় পরিছন্নতা,সুন্দর বাচনভঙ্গি,আকর্ষণীয় উপস্থাপনা কৌশল,সৃজনশীলতা ইত্যাদি গুণের খুব প্রয়োজন।এছাড়া গভীর বিশ্লেষণী ক্ষমতা,মানুষের সাথে মেশার ক্ষমতাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।সোশাল নেটওয়ার্কিং,উন্নত যোগাযোগ দক্ষতাও এ পেশার জন্য খুব ভাইটাল।

আত্ত্ববিশ্বাস ও ব্যক্তিত্ব


মার্কেটিং এক্সপার্টদের মতে মার্কেটিং পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার জন্য আত্ত্ববিশ্বাসী ও ব্যক্তিত্ববান হতে হবে।এখানে আত্ত্ববিশ্বাস মানে অন্যের কাছে নিজেকে সহজ ও সাবলিলভাবে প্রকাশের ক্ষমতা।বলা হয় এ পেশায় পণ্যের চেয়ে নিজের ব্যক্তিত্ব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

অনলাইনে দক্ষতা অর্জন

                                                                             
                                                               

                   


অনলাইন ছাড়া এখন চলা মুশকিল।সবকাজে অনলাইনের প্রয়োজন বাড়ছে।সেইসাথে ক্যারিয়ার ডেভোলাপমেন্টেও অনলাইনের প্রয়োজন বাড়ছে।তবে অনলাইনে কাজ করার আগে দক্ষতা অর্জন জরুরী।বিখ্যাত ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতামত থেকে অনলাইনে দক্ষতা বিষয়ক কিছু টিপস এখানে তুলে ধরছি।

লাভজনক পথ খুজুন


অনলাইনে বিভিন্ন ধরণের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে।কিন্তু সবাই সবকিছু পারবেনা।ফলে বিশেষজ্ঞদের মত হলো নিজের সঠিক পথ বেছে নিতে হবে।আপনি যে কাজে আগ্ৰহী সেই কাজটি শেখার চেষ্ঠা করুন।এবং যেখানে লাভের সম্ভাবনা আছে সেই কাজটি ভালোভাবে শিখুন।

ছোট করে শুরু করুন


অনলাইনে যে কাজ বা দক্ষতা শিখতে চান তা প্রথমে ছোট করে শুরু করুন।বিশেষজ্ঞরা বলেন অনলাইনে রাতারাতি দক্ষতা অর্জনের পথ নেই।তাই তাদের মত হলো প্রথমে প্রতিদিন ৩০/৪০ মিনিট কাজ করার চেষ্ঠা করুন।ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখতে পারেন।

সহায়তা নিতে হবে


অনলাইনে দক্ষ হতে গেলে অবশ্যই  ইউটিভব ও পরিচিত এক্সপার্টদের সহায়তা নিন।কারণ সহায়ক ছাড়া অনলাইনে দক্ষ হওয়া খুব কঠিন।যেখানে সমস্যা আসবে সেখানে ইউটিউউব বা পরিচিত বন্ধুর সহায়তা নিন।মনে রাখবেন এখানে দক্ষতা অর্জনের জন্য অনুশীলন জরুরী।

লেগে থাকার ক্ষমতা থাকতে হবে


অনলাইনে রাতারাতি সফলতা পাওয়ার উপায় নেই বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।এখানে দক্ষতা অর্জনের জন্য ধৈর্য ও লেগে থাকার ক্ষমতা থাকা লাগবে।নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে।সমস্যা আসলে সলভ করা শিখতে হবে।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী





এই সময়ে অফিস ও ব্যবসা

                                                                       


করোনায় কাবু পুরো বিশ্ব।তবু জীবনের প্রয়োজনে আমাদের বেরোতে হচ্ছে।অফিস ব্যবসা প্রভৃতি কাজে যারা বাইরে যাচ্ছেন তাদের জন্য কিছু টিপস।

একাধিক মাস্ক ব্যবহার করুন


এ সময়ে যারা বাইরে যাচ্ছেন তাদের অবশ্যই মাস্ক পরা উচিত।আর অবশ্যই
 একাধিক মাস্ক ব্যবহার করুন।প্রতিদিন এক মাস্ক পরবেন না।

পলিথিনের গ্লাভস ব্যবহার করুন


এ সময়ে বাইরে গেলে হাতে পলিথিনের গ্লাভস পরা উচিত।

ভিড় এড়িয়ে চলুন


ভিড় এড়িয়ে চলার চেষ্ঠা করুন।কারণ ভিড়ে করোনার ঝুঁকি বেশি।

জ্বর কাশি নিয়ে বাইরে যাবেন না


জ্বর কাশি থাকলে আপাতত বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকার চেষ্ঠা করুন।বাইরের কাজ ফোনে বা অনলাইনে সেরে ফেলুন।

অফিসের কাজ দ্রুত শেষ করুন


এ সময়ে অফিসের কাজ দ্রুত শেষ করুন।

বাসায় ফিরে পরনের কাপড় ধোয়ে ফেলুন


অফিস বা অন্যকাজের পর বাসায় ফিরে পরনের সব কাপড় সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধোয়ে ফেলুন।

written by provakar chowdhury.

অষ্ট্রেলিয়ার সেরা তিন অধিনায়ক এলানবোর্ডার,স্টিভ ওয়াহ ও রিকি পন্টিং


                                                                 

বলা হয় ক্রিকেটে অধিনায়কের গুরুত্ব খুব বেশি।কারণ   এখানে দল সিলেক্ট,স্কোয়াড সিলেকশন সবকিছুতে  অধিনায়কের মত নেয়া হয়।এবং মাঠের সব সিদ্ধান্ত অধিনায়ক নিয়ে থাকেন।টস,ব্যাটিংঅর্ডার,বোলিং অর্ডার সিলেকশন ক্রিকেটে  এসব কাজও অধিনায়ক করে থাকেন।আজ তুলে ধরছি অষ্ট্রেলিয়ার সেরা তিন অধিনায়ক এলান বোর্ডার,স্টিভ ওয়াহ ও রিকি পন্টিংয়ের গল্প।ক্রিকেট অধিনায়কত্বের ইতিহাসে এ তিন অষ্ট্রেলিয়ান বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়।ছবি:স্টিভ ওয়াহ।

এলান বোর্ডার:১৯৮৭ বিশ্বকাপজয়ী  অধিনায়ক


এলান বোর্ডার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধিনায়ক হিসেবে স্মরণীয়।অষ্ট্রেলিয়া তার অধীনে  প্রথমবারের  মত  বিশ্বকাপ(১৯৮৭)শিরোপা জয় করে।তবে এখানে থেমে থাকেনি তার জার্নি।বোর্ডারের অধীনে অষ্ট্রেলিয়া ৯৩ টেষ্ট খেলে ৩২টেষ্টে জয় পায়।তার অধীনে অষ্ট্রেলিয়া ১৭৮ অডিআই খেলে ১০৭টিতে জয়লাভ করে।অষ্ট্রেলিয়া তার অধীনে ১৯৮৭ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ জয় করে।

স্টিভ ওয়াহ :অষ্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে সফল এক অধিনায়ক


স্টিভ ওয়াহ ক্রিকেটের ইতিহাসে এক কিংবদন্তী।অষ্ট্রেলিয়ার সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়ক হিসেবে তার নামটিসবসময়  উচ্চারিত হয় ।তার দৃঢ়চেতা নেতৃত্বে অষ্ট্রেলিয়া ১৯৯৯বিশ্বকাপ জয় করে।তার অধিনায়কত্বে অষ্ট্রেলিয়া টানা ১৬টেষ্টে অপরাজিত থাকার গৌরব অর্জন করে।স্টিভ ওয়াহের নেতৃত্বে ৫৭টেষ্টে অংশ নিয়ে ৪১টিতে জয়লাভ করে।স্টিভ ওয়াহর সময়ে অষ্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট নতুন এক আদর্শ লাভ করে।

রিকি পন্টিং:অষ্ট্রেলিয়ার সফলতম অধিনায়ক



রিকি পন্টিং  ক্রিকেটের সব অধিনায়কের জন্য এক রোলমডেল।পন্টিংয়ের অধীনে অষ্ট্রেলিয়া  একাধিক বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে।পন্টিংয়ের অধীনে অষ্ট্রেলিয়া একাধিকবার চ্যাম্পিয়নস ট্রফি  শিরোপা জেতার গৌরব লাভ করে।পন্টিংয় অষ্ট্রেলিয়া দলকে ৩২৪ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে রেকর্ড গড়েন।ক্রিকেট ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি ম্যাচে অধিনায়কত্বের রেকর্ড আছে শুধু ভারতের এমএস ধোনির।

written by provakar chowdhury.