WHAT'S NEW?
Loading...

করোনাকালের পড়াশোনা

                                           

করোনা মহামারীর এ সময়ে সবধরণের একাডেমিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।তবে মানুষের জীবনতো থেমে থাকে না। তাই আমাদের পড়াশোনা বন্ধ করার কোন সুযোগ নেই। বরং এ সময়ে পুরো সিলেবাস ভালো করে পড়ে ফেলার একটি সুযোগ। আমাদের ফলাফল নির্ভর পড়াশোনার জন্য প্রায়শ পুরো সিলেবাস শুধু ক্লাসে পড়া হয় কিন্তু নিজে ভালো করে পড়ি না। তাই পুরো সিলেবাস পড়ে ফেলুন। আসুন করোনা কালের পড়াশোনার একটি ধারণা জেনে নিই।

√লকডাউনকে ছুটি ভাববেন না।

√টেলিভিশনে প্রাথমিক, মাধ্যমিকও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণীর অনলাইন ক্লাস চলছে সেগুলো নিয়মিত দেখুন।

√এছাড়াও বিভিন্ন  অনলাইন একাডেমিক মিডিয়ায় ক্লাস করতে পারেন।

√ সেইসাথে লিখুন। হাতের লেখা সুন্দর হবে।এই সময়ে স্পষ্ট অক্ষরে লেখার অভ্যাস করুন।

√উচ্চতর শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য এসময় খুবই কঠিন। কারণ শিক্ষাজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে করোনা আঘাত করেছে।

√তবে এক্ষেত্রে এসময়ে নিজেকে আরও পরিণত করার চেষ্টা করুন। নিজের পড়া ও শেখার পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করুন।  সৃষ্টিকর্তারউপর বিশ্বাস রাখুন।

√পড়ার সাথে নতুন কিছু শিখতে পারেন।ফাষ্টফুড তৈরি, ঔষধ সম্পর্কে জানা, কৃষি বাজারজাতকরণ কৌশল, অনলাইন আর্নিং, বিভিন্ন ধরণের ব্যবসায়িক আইডিয়া ইত্যাদি। এক্ষেত্রে ইউটিউবের সহায়তা নিন।

√লকডাউনে পুরো সিলেবাস দেখে নিন। কারণ উচ্চতর শ্রেণীর সিলেবাস খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

√পড়ে নিতে পারেন  সাহিত্য ,রাষ্ট্রচিন্তা, ইতিহাস, অর্থনীতি,ব্যবস্থাপনা , সমাজকল্যাণ  ইত্যাদি বিষয়ক বিখ্যাত লেখকদের বইগুলো। এক্ষেত্রে পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করে পড়তে পারেন।

√উচ্চতর স্তরের শিক্ষার্থীরা ইউটিউবে বিভিন্ন ভাষা শেখার চেষ্টা করতে পারেন।

√বিখ্যাত মনীষীদের জীবনী অনলাইনে পড়তে পারেন।

√তবে অবশ্যই একাডেমিক পড়াশোনা বন্ধ রাখা যাবে না।

Written by provakar chowdhury.





রমজানের জীবনযাপন

PRIO CRICKET এর পক্ষ থেকে পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। রমজান সবার ভালো কাটুক। এবং সেইসাথে বিভিন্ন পুষ্টিবিদ ও লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞের মতামত থেকে  রমজানের সময় জীবনযাপনকে সহজ করতে কিছু পরামর্শ তুলে ধরছি।

√করোনা মহামারীর এ সময়ে পুরো রমজান মাসের বাজার একসাথে করতে যাবেন না।কারণ এ রমজানে সবাই একসাথে বেশি বাজার করলে বহু দিনমজুর ও দরিদ্র মানুষ বিপাকে পড়তে পারেন।

√করোনাকালে যেহেতু শারীরিক পরিশ্রম কম হচ্ছে তাই ইফতার ও সেহরিতে আমিষ, শর্করা ও চর্বি সবধরণের খাবার ব্যালান্স করে খান।

√যাদের ডায়াবেটিস ও অন্য জটিল রোগ রয়েছে তাদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মত চলা উচিত।

√রমজানে সবক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন।

√ভাজাপোড়া যত কম খাবেন তত ভালো।

√এসময়ে নিজের ঘরে তৈরি খাবারে প্রাধান্য দিন।

√করোনার এ সময়ে জনসমাগম যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।

√মিষ্টিজাতীয় খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে খান।তবে মিষ্টিজাতীয় খাবার অতিমাত্রায় খাবেন না।

√করোনাকালে বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিষয়ক টেলিমেডিসিন সেবা চালু হয়েছে সেগুলোর নম্বর সংগ্ৰহে রাখুন।

√ইফতার ও সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। সারাদিনের পানির অভাব পূরণ করুন। খেতে পারেন শরবত।

Written by provakar chowdhury.

করোনা কালে পড়ে নিন কিছু বিখ্যাত উক্তি

                                           

করোনা মহামারীর জন্য পৃথিবীব্যাপী মানব সভ্যতা একপ্রকার স্থবির হয়ে আছে।আর এ বিপদের সময় কিশোর ও তরুণদের পড়াশোনার পাশাপাশি এক বড় সহায়ক হতে পারে মনীষী উক্তি। নিচে এমনি কিছু উক্তি তুলে ধরছি।

√দুঃসময়ের বাস্তবিক মূল্য রয়েছে। এবং একজন বুদ্ধিমান মানুষ এ থেকে সবচেয়ে বেশি শেখে।(রালফ ওয়াল্ড ইমারসন)

√আমি ভালো সময়ে জীবনকে যাপন করেছি আবার খারাপ সময়েও জীবনকে যাপন করেছি।(আলেকজান্ডার ম্যাককুইন )

√খারাপ সময়ের মুখোমুখি নাহলে তুমি ভালো সময়ের মূল্য বুঝবেনা।
(জো টরি)

√আমরা হয়ত অসংখ্যবার হতাশ হব, কিন্তু তারপরও অসংখ্যবার আমাদের আশা করতে হবে।(মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র)

√যতক্ষণ জীবন আছে ততক্ষণ আশা আছে।(মার্কাস টালিয়াস)

√আমি সবচেয়ে খারাপটার জন্য প্রস্তুত থাকি কিন্তু সবসময় সবচেয়ে ভালোটার জন্য প্রার্থনা করি।(বেঞ্জামিন ডিসরেইলি)

√তোমার জীবনের প্রতিটি আনন্দময় মুহূর্তের মূল্য লাখ টাকা।(জন বেল)

√মানুষই একমাত্র সৃষ্টি যাকে ঈশ্বর হাসার শক্তি দিয়েছেন।(গ্ৰি ভাইল)

√ধৈর্য হল জগতের সবচেয়ে শক্তিমান যোদ্ধা।(লিও টলস্টয়)

√আজ কেউ ছায়ায় বসে আছে , কারণ বহু আগে সেখানে কেউ একটা গাছ লাগিয়েছিল।(ওয়ারেন বাফেট)

√ যত অতিরিক্ত আহার করবে ততবেশি ঔষধের প্রয়োজন পড়বে।(ফ্রান্সিস বেকন)


লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

                        ‌‌‌‌‌‌‌   


PRIOCRICKET .COM এর পক্ষ থেকে সবাইকে  বাংলা নববর্ষ ১৪২৭ এর শুভেচ্ছা। নতুন বছর সবার ভালো কাটুক।    ‌‌‌‌‌‌‌‌‌       ‌                             ‌‌‌‌‌‌‌‌‌                         

বিশ্ববিখ্যাত চিকিৎসকদের করোনা পরামর্শ

                                                 

                       


করোনা মহামারীতে  বিপর্যস্ত মানুষের  জন্য বিশ্বের বিখ্যাত চিকিৎসকরা নিয়মিত বিভিন্ন মিডিয়ায় পরামর্শ দিচ্ছেন। এখানে তেমন কয়েকজন বিখ্যাত চিকিৎসকের করোনা পরামর্শ তুলে ধরছি। এখানে ব্যবহৃত ছবিটি ডাঃ রিচার্ড মার্টিনিলোর।

ডাঃ জানতজি তালজার্দের পরামর্শ


বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক ডাঃজানতজি তালজার্দ করোনা মহামারী মোকাবেলায় কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।
১.ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লুতেও গলাব্যথা থাকে।তাই আগে পর্যবেক্ষণ করুন।
২.আবার করোনায় শ্বাসকষ্ট থাকে যা ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লুতে থাকে না।

ডাঃ রিচার্ড মার্টিনিলোর করোনা পরামর্শ


বিশ্ববিখ্যাত চিকিৎসক ডাঃরিচার্ড মার্টিনিলো করোনা মোকাবেলায় কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

১.করোনাকালে শিশুদের সর্বদা অভয় দিন।
২. বাসা বা হাসপাতালের বেড যেখানে থাকুন ফোনে প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ রাখুন।
৩.করোনা রোগীর নিউমোনিয়াও হতে পারে।

ডাঃ ফ্রাঙ্ক গার্নারের করোনা পরামর্শ


বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক ডাঃফ্রাঙ্ক গার্নারের করোনা পরামর্শ।
১.পোষা পশুপাখি অসুস্থ হলে দূরে রাখুন।
২.জনসমাগম এড়িয়ে চলুন।
৩.আতঙ্কিত নয় সাবধান হোন।
৪.এ রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হলেও প্রচলিত অন্যান্য  চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় অধিকাংশ করোনা রোগীর জটিলতা কমানো সম্ভব।
৫.তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

ডাঃ ওজেডের পরামর্শ


বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক ডাঃ ওজেড কিছু করোনা পরামর্শ দিয়েছেন।
১.করোনা মোকাবেলায় মানসিক শক্তি অনেক বেশি জরুরি।
২.করোনাকালে বন্ধু ও স্বজনদের সাথে সোশাল মিডিয়া,ফোন ইত্যাদির মাধ্যমে যোগাযোগ রাখুন।

Written by provakar chowdhury.


করোনা সহায়তায় ক্রিকেট

                                                         



বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস আক্রান্ত বিপর্যস্ত মানবতার সেবায় এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটার ও ক্রিকেটসংশ্লিষ্ট মানুষেরা। আসুন জেনে নিই ক্রিকেট করোনায় কেমন সহায়তা করছে।

ভারতের ক্রিকেটারদের সহায়তা


ভারতের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা করোনার সংগ্ৰামে বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। শচীন, রোহিত শর্মা,কোহলি, ধোনি, যুবরাজ, হরভজন,রায়না সহ অন্যান্য ক্রিকেটাররা করোনা মোকাবেলায় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ৫১কোটি রুপি সহায়তা দিয়েছেন।

বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের করোনা সহায়তা


বাংলাদেশের ৯১জন সিনিয়র ও জুনিয়র ক্রিকেটার করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় নিজেদের পনের দিনের বেতন রাষ্ট্রীয় কোষাগারে দিয়েছেন।

করোনা সহায়তায় দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন

করোনা বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্ৰস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন।দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন ২ হাজার দুঃস্থ মানুষকে সাহায্য করেছে।

শচিন টেন্ডুলকারের করোনা সহায়তা


ভারতের লিটল মাষ্টার শচিন টেন্ডুলকার করোনায় বিপর্যস্ত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। শচিন ৫ হাজার মানুষকে ১ মাসের খাবার দিচ্ছেন।

ইংলিশ ক্রিকেটার জস বাটলার এগিয়ে এসেছেন


বিশ্বকাপ জয়ী ইংলিশ ক্রিকেটার জস বাটলার তার বিশ্বকাপ ফাইনালের জার্সি করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের সহায়তায় নিলাম করেছেন।

করোনা সহায়তায় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট


করোনা সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন শ্রীলংকার ক্রিকেটার ও ক্রিকেট বোর্ড। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ড করোনা মোকাবেলায় তাদের সরকারকে দিচ্ছে ২৫ মিলিয়ন লংকান রুপি।

করোনা মোকাবেলায় পাকিস্তান ক্রিকেট


করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতাভুক্ত ক্রিকেটাররা দিচ্ছে ৫ মিলিয়ন রুপি। ভারতের ক্রিকেট লিজেন্ড যুবরাজ সিং পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।আন্তর্জাতিক আম্পায়ার আলিম দার করোনা আক্রান্তদের জন্য তার রেষ্টুরেন্ট থেকে ফ্রি খাবার দিয়েছেন।

Written by provakar chowdhury.