WHAT'S NEW?
Loading...

জনপ্রিয় ক্রিকেট ধারাভাষ্যকারদের কথা

                                                         
                                 


ক্রিকেটে ধারাভাষ্যকারদের জনপ্রিয়তা একটি বিশেষ বিষয়। খেলাটির মান বাড়াতে এবং প্লেয়ারদের দুর্বলতা সম্ভাবনা সবকিছু নিয়ে ধারাভাষ্যকাররা আলোচনা করেন। আবার খেলা চলাকালিন অবস্থা বর্ণনা করেন । সবকিছু মিলিয়ে ধারাভাষ্যকাররা ক্রিকেটকে আলাদা ফ্লেভার দেন। বিশ্বের জনপ্রিয় কিছু ধারাভাষ্যকারের কথা এবং সেইসাথে বাংলাদেশের দুজন বাংলা ধারাভাষ্যকারের গল্প এখানে তুলে ধরছি।

মাইকেল হোল্ডিং


ওয়েষ্ট ইন্ডিজের সাবেক বর্ষীয়ান ক্রিকেটার মাইকেল হোল্ডিং ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার হিসেবেও জনপ্রিয়। অসাধারণ বিশ্লেষণক্ষমতার অধিকারী এ ধারাভাষ্যকার। তার ধারাভাষ্যের প্রধান গুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের নিখুঁত বর্ণনা।

মাইকেল ভন


সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক ও সফল ব্যাটসম্যান মাইকেল ভন ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার হিসেবেও সুপরিচিত। তিনি সাহসী ক্রিকেট সমালোচক হিসেবে জনপ্রিয়।ক্রিকেটে ধারাভাষ্যের ক্ষেএে তার বড় গুণ সহজে তিনি প্লেয়ারদের দুর্বলতা সম্ভাবনা তুলে ধরতে পারেন। এক্ষেত্রে তিনি নিখুঁত বিশ্লেষণের জন্য বিখ্যাত।

ইয়ান বিশপ


সাবেক উইন্ডিজ লিজেন্ড ইয়ান বিশপ এক জনপ্রিয় ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার।দরাজ গলা ও চমৎকার বাচনভঙ্গির জন্য তিনি ওয়েষ্ঠ ইন্ডিজের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার। কার্যকর  ও গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট বিশ্লেষণের জন্য তিনি সুপরিচিত।বলা হয় ক্রিকেট সম্প্রচারকদের কাছেও তিনি ওয়েষ্ঠ ইন্ডিজের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার।

চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত


স্বতন্ত্র বাচনভঙ্গির জন্য বিখ্যাত বাংলা ধারাভাষ্যকার চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত।বাংলা ধারাভাষ্যের জগতে বিখ্যাত নাম চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যখন বিদ্যুৎ ছিল না তখন রেডিওতে সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে শারাফাতের ধারাভাষ্য এক অন্যরকম অনুভুতি ছিল। তার ধারাভাষ্য ঠিক যেন মাঠে বসে খেলা দেখার অনুভূতির মত ছিল।

খোদাবক্স মৃধা


বাংলাদেশের সাবেক জনপ্রিয় বাংলা ধারাভাষ্যকার খোদাবক্স মৃধা । তিনিও স্বতন্ত্র বাচনভঙ্গি ও অপূর্ব বর্ণনা কৌশলের জন্য বিখ্যাত। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যখন সরাসরি খেলা দেখার সুযোগ ছিলনা তখন রেডিওতে খোদাবক্স অপূর্ব বাচনভঙ্গিতে ক্রিকেটের ধারাভাষ্য দিতেন। ২০১০ সালে বাংলাদেশের এ খ্যাতিমান ধারাভাষ্যকার মৃত্যুবরণ করেন। ক্রিকেটপ্রেমীদের হ্নদয়ে খোদাবক্স মৃধা বহুদিন থাকবেন।

Written by provakar chowdhury.

বিশ্বব্যাপী করোনারোগী ১১ কোটি ছাড়িয়েছে

                                     

                                                       

           

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব এখনও চলছে। তবে আশার বিষয় হল বিশ্বব্যাপী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক করোনা আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠছেন।প্রথম আক্রান্ত রাষ্ট্র চীনে করোনা এখন প্রায় নিস্ক্রিয়। ইউরোপে সংক্রমণ কমেছে।উওর আমেরিকার রাষ্ট্রগুলোতে করোনা সংক্রমণের গতি কমছে। ব্রাজিলে করোনায় মৃত্যুর হার কমছে।সর্বশেষ করোনা চিএ   এখানে তুলে ধরছি।(উল্লেখ্য বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার একাধিক ভ্যাকসিনের প্রয়োগ শুরু হয়েছে)।

 করোনা আক্রান্ত মোট  রাষ্ট্র ও বিশেষ অঞ্চল সংখ্যা   ২১৮।
বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১কোটির বেশি মানুষ।
বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ২৫লাখের বেশি মানুষ।
বিশ্বে সর্বাধিক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আমেরিকায়।
বিশ্বে করোনায় সুস্থ হয়েছেন ৯কোটির বেশি মানুষ।
করোনায় সর্বাধিক মৃত্যুবরণ করেছেন  আমেরিকায়।

ইউরোপ মহাদেশের করোনা চিএ


ইতালিতে করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৯৭হাজারের বেশি মানুষ।
ফ্রান্সে করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৮৬হাজারের বেশি মানুষ।
নেদারল্যান্ডে করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ১৫হাজার  জনের  বেশি মানুষ।

এশিয়া মহাদেশের করোনা চিএ


চীনে করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ হাজারের  বেশি মানুষ।
ভারতে করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ১ লাখের বেশি মানুষ।
ইরানে করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৬১হাজার  জনের বেশি মানুষ।
দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনায়  মৃত্যুবরণ করেছেন ১হাজার জনের বেশি মানুষ।
বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫লাখের বেশি মানুষ।
বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৮হাজার  জনের বেশি।
ইন্দোনেশিয়ায় করোনায় মৃত্যুবরণ করেছে ৩৬হাজার জনের বেশি মানুষ।

আফ্রিকা মহাদেশের করোনা চিএ

গণতান্ত্রিক রিপাবলিক অব কঙ্গোয় করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৭০৭জন।


ওশেনিয়া মহাদেশের করোনা চিএ


অষ্ট্রেলিয়ায় করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৯০৯জন।

উওর আমেরিকা মহাদেশের করোনা চিএ

আমেরিকায় করোনায়় মৃত্যুবরণ করেছেন ৫লাখের বেশি মানুষ।

মেস্কিকোয় করোনায়   মৃত্যুবরণ করেছেন ১লাখের বেশি মানুষ।

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের করোনা চিএ

ব্রাজিলে করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ২লাখের বেশি মানুষ।

আপডেট: ২৮/০২/২০২১

লিখেছেন:প্রভাকর চৌধুরী



স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

                                                 

                                                 

PRIO CRICKET.COM এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। এবং এ তথ্যগুলো উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন পরিচিত অনলাইন মিডিয়া থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

সর্বাধিনায়ক


বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

প্রধান সেনাপতি


বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম এ জি ওসমানী।

সেক্টর


বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা ১১।

শহীদ ও আহত


সামরিক ও বেসামরিক মিলে মোট ৩০ লক্ষ মানুষ শহীদ হন। দেশের প্রায় ১,৫২৫ জন সৈন্য শহীদ হন। দেশের প্রায় ৪,০৬১ জন সৈন্য আহত হন।

স্বাধীনতার শত্রু মিত্র


বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থন দানকারী বৃহৎ রাষ্ট্র ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, শ্রীলঙ্কা,তুরস্ক প্রভৃতি রাষ্ট্র।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি


ভূটান ও ভারত প্রথম পর্যায়ক্রমে  বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতি দিয়েছে মোট ১৫০টি রাষ্ট্র।

প্রথম স্বীকৃতিদাতা আমেরিকান রাষ্ট্র বার্বাডোস।
প্রথম স্বীকৃতিদাতা  সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র পূর্ব জার্মানি ও মঙ্গোলিয়া।
প্রথম স্বীকৃতিদাতা মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র ইরাক।
প্রথম স্বীকৃতিদাতা উপসাগরীয় রাষ্ট্র কুয়েত।
প্রথম স্বীকৃতিদাতা ইউরোপীয় রাষ্ট্র পূর্ব জার্মানি।
প্রথম স্বীকৃতিদাতা আফ্রিকান রাষ্ট্র সেনেগাল।
প্রথম স্বীকৃতিদাতা এশীয় মুসলিম রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া।

Written by provakar chowdhury.

বেন স্টোকসের অজানা গল্প

                                                 
       

ইংল্যান্ডের প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক বেন স্টোকস। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার স্টোকস বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবনের অধিকারী।জন্ম নিউজিল্যান্ডে অথচ তিনি ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের রূপকার।বেন স্টোকসের কিছু অজানা গল্প নিয়ে এ লেখা।

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী অলরাউন্ডারের জন্ম নিউজিল্যান্ডে


বেন স্টোকসের জন্ম নিউজিল্যান্ডে।তবে তাঁর ক্রিকেটের সব অর্জন ইংল্যান্ডের হয়ে । ইংল্যান্ডের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের নায়কও বেন স্টোকস ।

বেন স্টোকস রাগবি খেলায় পারঙ্গম


বেন স্টোকস বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।ক্রিকেটের পাশাপাশি তিনি রাগবি খেলায় পারঙ্গম। স্কুল জীবন থেকেই তিনি রাগবি খেলতে পছন্দ করেন।

ক্রিকেটের জন্য রাগবি ছাড়তে হয়


একসময় রাগবি খেলায় বেশ পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন।তবে পরবর্তীতে ক্রিকেটের জন্য রাগবি ছেড়ে দেন।

ভাগ্য তাঁর পক্ষে ছিল


একসময় অর্থাভাবে খেলাধুলা ছেড়ে দেয়ার উপক্রম হয়েছিল স্টোকসের।এমন বিপর্যয়ের সময় জন গিবসন নামের এক ভদ্রলোক স্টোকস প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ান।

স্টোকস খুব কম বয়সে বিয়ে করেন


স্টোকস খুব কম বয়সে বিয়ে করেন।

স্টোকসের বিচিত্র ডাকনাম রয়েছে


বেন স্টোকসের বিচিত্রসব ডাকনাম আছে। তার দুটি ডাকনাম যথাক্রমে ' রকি' ও 'দি হার্ট লকার'।

ট্যাটু আঁকতে পছন্দ করেন স্টোকস


শরীরে বিচিত্রসব ট্যাটু আঁকতে পছন্দ করেন স্টোকস। এবং তার শরীরে অসংখ্য ট্যাটু রয়েছে।

স্টোকসের প্রিয় ব্যাটসম্যান ও বোলার


বেন স্টোকসের প্রিয় ব্যাটসম্যান কেভিন পিটারসেন এবং প্রিয় বোলার ডেল স্টেইন।

Written by provakar chowdhury.



নিয়ম জেনে মাস্ক ব্যবহার করুন

                                                           
                                               

যেকোন ধরণের ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য মাস্ক পরা উচিত। তবে সঠিক নিয়ম না জেনে মাস্ক ব্যবহার করা বোকামি।মাস্ক সঠিকভাবে ব্যবহার করলে সবচেয়ে বেশি লাভ হয় নিজের ও নিজের কাছের মানুষদের। এ লেখায় বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের মতের আলোকে সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে ধারণা দেবার চেষ্টা করব।

কেন মাস্ক ব্যবহার করবেন


১.নিজে সুস্থ কিন্তু কোন ভাইরাস আক্রান্ত বা করোনা রোগীর শুশ্রূষা করার সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
২.হাঁচি, কাশি থাকলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।
৩.নিয়মিত মানুষের ভিড়ের মধ্যে কাজ করতে, হাঁটাচলা করতে মাস্ক ব্যবহার করুন।

 মাস্ক ব্যবহারের নিয়ম


১.মাস্ক পরার আগে হাত সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে ২০ সেকেন্ড যাবত পরিস্কার করুন।
২.মাস্ক ব্যবহারের সময় এর সামনের অংশ স্পর্শ করবেন না।
৩.মাস্ক দিয়ে নাক মুখ ভালো করে ঢেকে নিন যেন কোন ফাঁক না থাকে।
৪.ব্যবহারের সময় মাস্ক স্পর্শ করা যাবে না। স্পর্শ করলে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে।
৫.ব্যবহ্নত মাস্ক ভেজা বা স্যাতস্যাতে মনে হলে বদলে ফেলতে হবে।
৬.ডিসপোজিবল মাস্ক একবারের বেশি ব্যবহার করবেন না।
৭.মাস্ক খোলার পর এর সামনের অংশ স্পর্শ করবেন না। খোলার পর ঢাকনা দেয়া ময়লার বাস্কে ফেলে দিন।
৮.মাস্ক খোলার পর হাত ভালো করে সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিস্কার করুন।

Written by provakar chowdhury.

চায়ের উপকার অপকার

                                               

চা পৃথিবীর সর্বত্র একটি জনপ্রিয় পানীয়।চা বহুকাল যাবত মানুষের ঘরে ঘরে সমাদৃত। এবং চায়ের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাপক। শরীরকে চাঙ্গা রাখতে চা এক দারুণ পানীয়। অফিস,আড্ডা,বিভিন্ন অনুষ্ঠান সবখানে চায়ের কদর ব্যাপক। বিভিন্ন পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের মতের আলোকে এখানে চায়ের উপকার অপকার ইত্যাদি সম্পর্কে কিছু ধারণা দিচ্ছি।

চায়ের উপকার


পানীয় হিসেবে চা যেমন জনপ্রিয় তেমনি এর রয়েছে বেশকিছু উপকারিতা।

১.চা শরীরের ক্লান্তি দূর করে শরীরকে চাঙ্গা রাখে।
২.স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলেন  চা রক্তনালী পরিস্কার রেখে হার্টের জটিলতা হ্রাস করে।
৩.চা মানুষের দাঁত ভালো রাখে।
৪.চা বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
৫.চা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৬.পানীয় হিসেবে কফির চেয়ে চা ভালো কেননা কফির চাইতে চায়ে ক্যাফেইন অনেক কম।
৭.যাদের মাইগ্ৰেন আছে তাদের জন্য কফির বিকল্প চা।
৮.স্বাস্থ্যগবেষকদের মতে চা মাইগ্ৰেনের কষ্ট কমাতে সাহায্য করে।
৯.চা আমাদের নার্ভকে শান্ত রাখে।

চায়ের অপকার


১.অতিরিক্ত চা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
২.অতিরিক্ত চা ক্ষুধামন্দা তৈরি করতে পারে।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়

                                         ‌‌‌           
   

                                                     

পৃথিবীতে নিত্যনতুন রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।তাই বিশ্বব্যাপী পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলছেন। এবং কিছু বিষয় নিয়মিত মেনে চললে বহু সংক্রামক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে এ লেখা।

রোগ প্রতিরোধে করণীয়


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত সবুজ শাকসবজি ও মাছ খেতে হবে।ফল এবং বেশকিছু মশলা আমাদের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়া শরীরচর্চা শরীরের শক্তি বাড়ায় ও ভারসাম্য ঠিক রাখে।

নিয়মিত সবুজ শাকসবজি ও মাছ খেতে হবে


শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সবুজ শাকসবজি ও মাছের বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে করলা,গাজর, টমেটো, গোলমরিচ ও বিভিন্ন মৌসুমী শাক খেলে শরীরে সহজে রোগ প্রবেশ করতে পারে না।

মৌসুমী ফল উপকারী


নিয়মিত মৌসুমী ফল খেলে শরীরে সহজে রোগ প্রবেশ করতে পারে না।

কিছু মশলা শরীরের রোগ প্রতিরোধ করে


বেশকিছু মশলা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধে কার্যকর।যেমন রসুন,আদা, হলুদ , দারুচিনি শরীরের জন্য উপকারী।

টকদই ও দুধ শরীরের জন্য উপকারী


টকদই ও দুধ শরীরের শক্তি বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।তাই পুষ্টিবিদেরা নিয়মিত টকদই ও দুধ খেতে বলেন।

পানীয় হিসেবে চা উপকারী


শরীরের সতেজতা ধরে রাখতে চা এক দারুণ পানীয়। চা শরীরে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

নিয়মিত ব্যায়াম ও প্রার্থনা শরীরকে সবল করে


নিয়মিত ব্যায়াম, প্রার্থনা  আমাদের শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে ও ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

ভালো ঘুমের বিকল্প নেই


ভালো ঘুম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

রোগপ্রতিরোধে যা বর্জন করবেন


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। যেমন

১.সবধরণের ধূমপান কমাতে হবে।কোল্ড ড্রিংকস ,জর্দা ,সাদা ত্যাগ করতে হবে।
২.অ্যালকোহল ত্যাগ করতে হবে।
৩.আইসক্রিম,  চিনি কম খাওয়া ভালো।

Written by provakar chowdhury.






এভিন লুইসের অজানা গল্প

                                                     
                             

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় ফিগার এভিন লুইসের খেলা দেখার জন্য ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে দারুণ আগ্ৰহ থাকে। এবং সঙ্গতকারণেই ডেষ্ট্রোয়ার হিসেবে পরিচিত লুইস এক ভাইটাল ব্যাটসম্যান। বিধ্বংসী এ ব্যাটসম্যান সবধরণের উইকেটেই স্বভাবসুলভ ব্যাটিং করে থাকেন। ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্ৰহের কথা বিবেচনা  করে এভিন লুইসের অজানা গল্প নিয়ে এ আয়োজন।

লুইসের গুরু ক্রিস গেইল


লুইস শুরু থেকেই ক্রিস গেইলকে অনুসরণ করেন। এবং গেইলকে তিনি গুরু হিসেবে মানেন। লুইস নিজে বলেছেন তিনি গেইলের মত বিগশট খেলতে পছন্দ করেন।

এিনিদাদ এন্ড টোবাগোর ক্রিকেটে সুযোগ পেতে লড়াই করেন


যদিও লুইস শুরু থেকেই ক্রিকেটে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন তবু একদা এিনিদাদ এন্ড টোবাগোর ক্রিকেট এসোসিয়েশন তাকে দলে রাখেনি। তবু তিনি থেমে থাকেননি। নিজের প্রতিভাকে ঠিকই শানিত করেছেন।

লুইসের প্রথম শতরান বিপিএলে


এভিন লুইস ওয়েষ্ঠ ইন্ডিজের বিভিন্ন ঘরোয়া লিগে নিয়মিত রান করলেও প্রথম টিটুয়েন্টি সেঞ্চুরির দেখা পান বিপিএলে। এভিন লুইস টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম শতরান করেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল)।

একদা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক ছিলেন


লুইস বেশকিছুদিন টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক ছিলেন। ২০১৭ সালে ভারতের বিপক্ষে একটি টিটুয়েন্টি ম্যাচে তিনি ১২৫ রান করেন।যা তখন টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান ছিল।

২০০৮সালে এিনিদাদ এন্ড টোবাগোর সেরা খেলোয়াড় মনোনিত হন


২০০৮সালে এিনিদাদ এন্ড টোবাগোর দ্বিতীয় বিভাগ স্কুল ক্রিকেট লিগে টানা তিন সেঞ্চুরি করে বছরের সেরা খেলোয়াড় মনোনিত হন।

Written by provakar chowdhury.

অনলাইন কেনাকাটার জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস

                                                           

জীবনের ব্যস্ততার সাথে পৃথিবীব্যাপী অনলাইনে কেনাকাটার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ঘরে বসে পছন্দের জিনিস ক্রয় করতে অনেকেই বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস বেছে নেন। অনলাইন মার্কেটিং পলিসি এখন আরও বেশি সহায়ক হয়েছে। কারণ এখন আপনি (ক্যাশ অন ডেলিভারি) ভিওিতে পছন্দের জিনিস হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধ করতে পারছেন। অথবা ক্রেডিটকার্ডের সাহায্যে পেমেন্টের সুযোগ রয়েছে। সেইসাথে  রিটার্ন করার সুযোগও পাচ্ছেন।

অনলাইন কেনাকাটার আগে কোন বিষয়গুলো দেখবেন


অনেকেই অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেএে বিভিন্ন অভিযোগ করেন। তাই অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেএে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।
অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেএে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকলে সহজেই নিজের পছন্দের জিনিস কিনতে পারবেন।

১.সঠিক জিনিস কেনার জন্য ভেবেচিন্তে জিনিসটির বৈশিষ্ট্যগুলো আগে পড়ুন।
২.কাপড়, ফার্নিচার ইত্যাদি কেনার ক্ষেএে রং,সাইজ সিলেক্ট করে অর্ডার দিন।
৩.ইলেকট্রনিক্সের ক্ষেএে পছন্দের জিনিসটির সুবিধা দেখে নিন। প্রয়োজনে পছন্দের ব্রান্ডের মূল ওয়েবসাইট দেখে অনলাইনে অর্ডার দিন।
৪.বিক্রয়োওর সেবা সম্পর্কে জেনে নিন।
৫.ওয়ারেন্টি,গ্যারান্টি দেখে নিন।
৬.বিক্রয় রশিদ দেবে কিনা জেনে নিন।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস


বাংলাদেশের বেশকিছু অনলাইন মার্কেটপ্লেস তৈরি হয়েছে। এবং এসব মার্কেটপ্লেসে আপনি আপনার পছন্দের জিনিসটি কিনতে পারবেন। এখানে  বাংলাদেশের কিছু জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসের কথা বলছি।

আজকেরডিল

( Ajkerdeal.com)
আজকেরডিল বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস।

 দারাজ

(Daraz.com)
বাংলাদেশের অন্যতম সুপরিচিত অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ।

পিকাবো

(Pickaboo.com)
বাংলাদেশের একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস পিকাবো।

রকমারি

(Rokomari.com)
রকমারি ডটকম খুব জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস।

ওথবা

(Othoba.com)
বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত অনলাইন মার্কেটপ্লেস ওথবা।

বাগডোম

(Bagdoom.com)
বাগডোম বাংলাদেশের একটি সুপরিচিত অনলাইন মার্কেটপ্লেস।


Written by provakar chowdhury.


আইপিএলের ইতিহাসে সেরা দশ বোলার

                                                       

আইপিএল নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আগ্ৰহের শেষ নেই।আর এমন বিশ্বমানের ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণীয়। আইপিএল ইতিহাসে সেরা বোলারদের সম্পর্কে জানার আগ্রহও কম নয়। আইপিএলের ইতিহাসে সেরা বোলারদের পরিসংখ্যান এ লেখায় তুলে ধরার চেষ্টা করব।

লাসিথ মালিঙ্গা


শ্রীলঙ্কার গ্ৰেট পেসার লাসিথ মালিঙ্গা আইপিএলের ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেটের মালিক।ইয়র্কার মাষ্টার হিসেবে পরিচিত মালিঙ্গা  বরাবরই আইপিএলে সফল। তার উইকেট সংখ্যা ১৫৭।

অমিত মিশ্র


আইপিএলের অন্যতম সফল বোলার অমিত মিশ্র। অমিত মিশ্র মোট ১৪৯ উইকেটের মালিক।

পিজুষ চাওলা


ভারতের তারকা লেগ স্পিনার পিজুষ চাওলা আইপিএল ইতিহাসের সেরা বোলারদের অন্যতম। তার উইকেট সংখ্যা ১৪৩।

ডিজে ব্রাভো


ওয়েষ্ঠ ইন্ডিজের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার ডিজে ব্রাভো যথারীতি আইপিএলেও সফল। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এ জনপ্রিয় অলরাউন্ডার আইপিএলে ১৪৩ উইকেট দখল করেন।

হরভজন সিং


ভারতের সাবেক বিশ্বসেরা অফস্পিনার হরভজন সিং আইপিএলেও সফলতার সাক্ষর রেখেছেন। তিনি আইপিএলে মোট ১৩৭ উইকেট দখল করেন।

ভুবনেশ্বর কুমার


ভারতের সুইং বোলার ভুবনেশ্বর কুমার আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা বোলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার উইকেট সংখ্যা ১২০।

সুনীল নারাইন


ওয়েষ্ঠ ইন্ডিজের বিখ্যাত স্পিনার সুনীল নারাইন আইপিএলেও সফল। তার দখলে আইপিএলের ১১২ উইকেট।

রবিচন্দন অশ্বিন


রবিচন্দন অশ্বিন ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সেরা স্পিনার হিসেবে স্বীকৃত। আইপিএলের ইতিহাসেও তিনি সফল বোলার হিসেবে সমাদৃত। তার উইকেট সংখ্যা ১১১।

উমেশ যাদব


ভারতীয় পেসার উমেশ যাদব আইপিএলের অন্যতম সফল বোলার। তার উইকেট সংখ্যা ১১১।

আশিষ নেহরা


ভারতের সাবেক পেস সেনসেশন আশিষ নেহরা আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সফল বোলার হিসেবে স্বীকৃত। তার মোট উইকেট সংখ্যা ১০৫ ।

Written by provakar chowdhury.

আইপিএল ইতিহাসে সেরা দশ ব্যাটসম্যান

                                                       


ক্রিকেটের বাজারে আইপিএল বেশ দামি এক টুর্নামেন্ট। এবং দিন যত গড়াচ্ছে আইপিএলের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।আর ক্রিকেটীয় সৌন্দর্য এবং বিশ্বসেরা ক্রিকেটারদের সংযোগে আইপিএলের আবেদন এমনিতেই অনেক বেশি।সব ক্রিকেটপ্রেমীর  আগ্ৰহ থাকে আইপিএলের ক্রিকেট উপভোগ করার। আর এসব বিষয় বিবেচনা করে এখানে আইপিএলের সেরা ব্যাটসম্যানদের নিয়ে একটি পরিসংখ্যান দিচ্ছি।

আইপিএল পরিসংখ্যানে সেরা ব্যাটসম্যান


আইপিএল পরিসংখ্যানে বিশ্বের বহু বড়বড় ব্যাটসম্যানের নাম পাওয়া যায়।তবে অনেকে নিয়মিত আইপিএল খেলতে পারেননি তাই চূড়ান্ত পরিসংখ্যানে তাদের নাম পাওয়া যায় না। আবার অনেকে খেলেছেন কিন্তু নিয়মিত পারফর্ম করতে ব্যর্থ হয়েছেন। আইপিএলের পরিসংখ্যানে সেরা দশ ব্যাটসম্যানের ব্যাটিং পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

বিরাট কোহলি


আইপিএলে যথারীতি সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি। ক্রিকেটের এ বিরল প্রতিভা আইপিএলেও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করেছেন। আইপিএলে বিরাট কোহলি ১৭৭ ম্যাচ খেলে ৫৪১২ রান করেছেন। সেঞ্চুরি ৫ ও হাফসেঞ্চুরি সংখ্যা ৩৬।

সুরেশ রায়না


ভারতের সাবেক এ সফল ব্যাটসম্যান আইপিএলের ইতিহাসেও অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। সুরেশ রায়না যদিও অডিআই ক্রিকেটের জনপ্রিয় ফিগার তবে আইপিএলেও তিনি মেধার সাক্ষর রেখেছেন। রায়না আইপিএলে ১৯৩ ম্যাচ খেলে ৫৩৬৮ রান করেন। তার সেঞ্চুরি ১ ও হাফসেঞ্চুরি সংখ্যা ৩৬।

রোহিত শর্মা


বর্তমান ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত ও জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা। আইপিএলেও রোহিত সফলতার সাক্ষর রেখেছেন। তিনি ১৮৮ ম্যাচ খেলে ৪৮৯৮ রান করেন।তার সেঞ্চুরি ১ ও হাফসেঞ্চুরি সংখ্যা ৩৬।

ডেভিড ওয়ার্নার


আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বলা হয় তাকে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জ্বলে উঠে তার ব্যাট। ওয়ার্নার আইপিএলে ১২৬ ম্যাচ খেলে ৪৭০৬ রান করেন।তার সেঞ্চুরি ৪ ও হাফসেঞ্চুরি সংখ্যা ৪৪।

শিকর ধাওয়ান


আইপিএলের ইতিহাসে সফল নাম শিকর ধাওয়ান। তিনি আইপিএলে মোট ১৫৯ ম্যাচ খেলে ৪৫৭৯ রান করেন।তার সেঞ্চুরি নেই। হাফসেঞ্চুরি সংখ্যা ৩৭।

ক্রিস গেইল


বিশ্বের অন্যতম সেরা হার্ডহিটার ক্রিস গেইল আইপিএলেও সফল। আইপিএলের ইতিহাসে সর্বাধিক সেঞ্চুরি তার। তিনি মোট ১২৫ ম্যাচ খেলে ৪৪৮৪ রান করেন।তার সেঞ্চুরি ৬ ও‌ হাফসেঞ্চুরি সংখ্যা ২৮।

এমএস ধোনি


ভারতের সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক এমএস ধোনি আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। তিনি ১৯০ ম্যাচ খেলে ৪৪৩২ রান করেন। তার সেঞ্চুরি নেই । হাফসেঞ্চুরি সংখ্যা ২৩। ধোনি আইপিএলে ২০০ চার ও ২০০ ছক্কার বিরল রেকর্ডের অধিকারী।

রবিন উথাপ্পা


আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান রবিন উথাপ্পা। তিনি ১৭৭ ম্যাচ খেলে ৪৪১১ রান করেন। সেঞ্চুরি নেই, হাফসেঞ্চুরি সংখ্যা ২৪।

এবি ডিভিলিয়ার্স


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্স আইপিএলেও সফল।বলা হয় আইপিএলকে ভিন্নমাত্রা দিয়েছেন তিনি।১৫৪ ম্যাচ খেলে ৪৩৯৫ রান করেন এবি। তার সেঞ্চুরি ৩ ও হাফসেঞ্চুরি সংখ্যা ৩৩।

গৌতম গম্ভীর


ক্রিকেটে টেকনিক্যালি খুব উঁচুদরের ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত গৌতম গম্ভীর আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। তিনি ১৫৪ ম্যাচ খেলে ৪২১৭ রান করেন। অধিনায়ক হিসেবে দু'বার আইপিএল শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব আছে তার।তার সেঞ্চুরি নেই, হাফসেঞ্চুরি সংখ্যা ৩৬।

Written by provakar chowdhury.






কেন একাধিক ভাষা শিখবেন

                                                         

পৃথিবী এখন অনেক বেশি আন্তর্জাতিক। কারণ প্রযুক্তির সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন কালচার ও বিচিত্র ভাষার মানুষের মধ্যে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ স্থাপিত হচ্ছে। তাই  বিশ্বব্যাপী মাতৃভাষার পাশাপাশি একাধিক ভাষা শেখার প্রবণতা ও প্রয়োজন বাড়ছে। এবং একাধিক ভাষা শেখার ফলে মানুষের আয় বাড়ছে একথা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামও স্বীকার করেছে। বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ভাষাগুলো হল ইংরেজি, স্পেনিশ,কোরিয়ান, জার্মান, চাইনিজ,জাপানি।এসব ভাষা শেখার হার বিশ্বব্যাপী বাড়ছে। বাংলাদেশেও এসব বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ রয়েছে। এমনকি ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ার সাহায্যে অনেকে এখন একাধিক ভাষা শিখছে।

কেন শিখবেন একাধিক ভাষা


বিবিধ কারণে একাধিক ভাষা শেখার প্রবণতা বাড়ছে। একাধিক ভাষা শেখার কিছু সুবিধার কথা এখানে তুলে ধরছি।

১.নিজেকে আপডেট রাখা।
২.বৈশ্বিক সমাজের সাথে যোগাযোগ স্থাপন।
৩.ব্যবসায়িক স্বার্থ।
৪.বিদেশে উচ্চশিক্ষা।
৫.বিদেশে কর্মসংস্থান।
৬.বিশ্বায়নের ইতিবাচক গুণ আয়ত্ত্ব  করা।
৭.জ্ঞান ও মেধার উৎকর্ষ সাধন।
৮.বৈশ্বিক জব মার্কেটের সুফল লাভ।
৯.কর্মক্ষেএে সৃজনশীলতা অর্জন।

Written by provakar chowdhury.

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

                                                       
         

বিশ্বব্যাপী এক আলোচিত বিষয় করোনা ভাইরাস। ইতিপূর্বে বেশকিছু বিপজ্জনক ভাইরাস বিশ্বব্যাপী ব্যাপক ক্ষতি করেছে। তেমনি করোনা একটি বিপজ্জনক ভাইরাস যা চীন, ইতালির মত রাষ্ট্রকে বেশ নাড়া দিয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক এখনও তৈরি হয়নি তাই ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বেশকিছু রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন।তবে আশার বিষয় হল বিভিন্ন দেশের বেশকিছু করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। যেহেতু করোনার কোন কার্যকর প্রতিষেধক বাজারে আসেনি তাই বিশেষজ্ঞরা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে কিছু মতামত দিয়েছেন সেগুলো এখানে তুলে ধরছি।

করোনা ভাইরাসের লক্ষণ


১.করোনা রোগীর জ্বর এবং শুকনো কাশি হতে পারে।
২.শ্বাস নিতে কষ্ট হবে।
৩.গলাব্যথা থাকতে পারে।
৪.নিউমোনিয়া হতে পারে।
৫.হাঁচি থাকতে পারে।
৬.শরীরে ঠান্ডা লাগার অনুভূতি হবে।
৭.মাথাব্যথা হতে পারে।
৮.শরীরে অবসাদ দেখা দেবে।

করোনা প্রতিরোধে করণীয়


১.কারো মধ্যে উপরিউক্ত লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারের সরণাপন্ন হোন।
২.বারবার হাত ধোতে হবে।
৩.বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন।
৪.মানুষের ভিড় এড়িয়ে চলুন।
৫.মাংস ডিম ভালোভাবে রান্না করে খেতে হবে।

Written by provakar chowdhury.

বাংলাদেশের সফল অধিনায়কদের অর্জন

                                                       

বাংলাদেশের ক্রিকেটের বয়স খুব কম নয়।ইতিমধ্যে এদেশের ক্রিকেট বেশকজন অধিনায়কের দেখা পেয়েছে। সবাই সমানভাবে সফল নন। আবার অনেকে খুব কম সময়ের জন্য অধিনায়কত্ব করেছেন। আকরাম খান,হাবিবুল বাশার সুমন, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান,মাশরাফি বিন মর্তুজা অধিনায়ক হিসেবে বেশি পরিচিতি ও সাফল্য পেয়েছেন। এদের সময়ে দেশের ক্রিকেটের অর্জনও উল্লেখযোগ্য। এখানে বাংলাদেশের সফল অধিনায়কদের অর্জন, তাদের অধীনে বাংলাদেশের জয় পরাজয় সম্পর্কে কিছু ধারণা দেবার চেষ্টা করব।

সর্বাধিক জয়ের রেকর্ড অধিনায়ক মাশরাফির


বাংলাদেশের ক্রিকেটের সফলতম অধিনায়ক নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত মাশরাফি বিন মর্তুজা। ক্রিকেটের পরিসংখ্যান, নেতৃত্ব গুণ, জয়পরাজয়ের হিসেব সবকিছু মিলিয়ে মাশরাফি সবচেয়ে সফল অধিনায়ক। বাংলাদেশকে সর্বাধিক ম্যাচে নেতৃত্ব দেয়ার রেকর্ডও মাশরাফির ঝুলিতে জমা হয়েছে।
মোট নেতৃত্ব ৮৯ম্যাচ
মোট জয়    ৫০
মোট পরাজয় ৩৬


অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমনের সাফল্য কম নয়


বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস পরবর্তী সময়ের সফল অধিনায়কদের মধ্যে হাবিবুল বাশার সুমনের নামটি থাকবেই। নিজে ভালো ব্যাটসম্যান ছিলেন। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে তিনি সফল। ঠান্ডা মাথার প্লেয়ার এবং চৌকস অধিনায়ক হিসেবে তাকে স্মরণ করা হয়।
মোট নেতৃত্ব  ৬৯ম্যাচ
মোট জয়  ২৯
মোট পরাজয় ৪০

অধিনায়ক সাকিবের সাফল্যও উল্লেখযোগ্য


বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ইতিপূর্বে অধিনায়কত্ব করেছেন। এবং অধিনায়ক হিসেবে তার সাফল্য উল্লেখযোগ্য। সাকিবের নেতৃত্ব গুণ প্রশংসিত হয়েছে।তার অধীনে বাংলাদেশ টিম বেশকিছু জয় পেয়েছে। তিনিও সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য বিখ্যাত।

মোট নেতৃত্ব  ৫০ম্যাচ
মোট জয়      ২৩
মোট পরাজয় ২৬

অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের নামটি বলতেই হবে


অধিনায়ক হিসেবে মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ দলকে ভালো কিছু জয় উপহার দিয়েছেন।বিশেষত দেশের মাটিতে টেষ্টে তার অধীনে বাংলাদেশ বেশকিছু সাফল্য পেয়েছে। তিনি নিজে অধিনায়ক থাকাকালীন ভালো খেলে টিমকে সাপোর্ট দিয়েছেন। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে দলকে নেতৃত্ব দেয়ার মতো কঠিন কাজ করেছেন।
মোট নেতৃত্ব  ৩৭ ম্যাচ
মোট জয়     ১১
মোট পরাজয়  ২৪


Written by provakar chowdhury.

এশিয়ার পাঁচ আলোচিত ওপেনার

                                                       
 
       

ক্রিকেট শেষপর্যন্ত এগারো জনের খেলা। ক্রিকেটে সব প্লেয়ারের কিছুনাকিছু অবদান থাকে। তবু কোন কোন ব্যাটসম্যান কিংবা বোলার অন্যরকম ছাপ রেখে যান ক্রিকেটে। এশিয়ার ক্রিকেটে বেশকজন আলোচিত ওপেনার জন্ম নিয়েছেন।যাদের জন্য ক্রিকেট পেয়েছে এক অন্যরকম গল্প। এশিয়ার পাঁচ আলোচিত ওপেনারকে স্মরণ করব এখানে।

সনাৎ জয়াসুরিয়া


এশিয়ার সবচেয়ে আলোচিত ওপেনারের তালিকায় জয়সুরিয়ার নাম থাকবেই। সাবেক এ ডেসিং ওপেনার মারকুটে ব্যাটিংয়ের জন্য বিখ্যাত। অফসাইড ও অনসাইডে  একই ধরণের আগ্ৰাসী ব্যাটিং জয়সুরিয়াকে দিয়েছে বিশিষ্ট স্থান।তবে অনসাইডে হুক ও অফসাইডে স্কয়ার কাট,স্কয়ার ড্রাইভের জন্য জয়সুরিয়া বেশি সমাদৃত।অডিআই ক্রিকেটে প্রথম পনের ওভারে সবচেয়ে কার্যকর ব্যাটসম্যান হিসেবে তার নাম এখনও উচ্চারিত হয়।

শচিন টেন্ডুলকার


ক্রিকেটের লিটল মাষ্টার হিসেবে পরিচিত শচিন টেন্ডুলকার এশিয়ার অন্যতম আলোচিত ওপেনার। শচিন ওপেনিং ব্যাটিংয়ে রক্ষণাত্মক ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের মিশেলে দারুণ এক ওপেনার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। এবং দারুণ টাইমিংয়ের জন্যও এ ওপেনার বিখ্যাত। শচিন প্রায় সবধরণের শট খেলায় পারঙ্গম ছিলেন।

রোহিত শর্মা


রোহিত শর্মা এ মূহুর্তে এশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আলোচিত ওপেনার। পাওয়ারফুল হিটার হিসেবে তিনি বেশি পরিচিত।অডিআই ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক এ ভারতীয় ওপেনার।অডিআই ক্রিকেটে একাধিক ডাবল সেঞ্চুরি আছে এ মারকুটে ব্যাটসম্যানের। রোহিত শর্মা সবধরনের শট খেলতে পারঙ্গম।

বীরেন্দর শেবাগ


এশিয়া তথা বিশ্বের অন্যতম আলোচিত ওপেনার বীরেন্দর শেবাগ। দারুণ সব স্ট্রোকপ্লের জন্য বিখ্যাত এ ভারতীয় ওপেনার ক্রিকেটের আলোচিত ওপেনারদের তালিকায় সবসময় থাকবেন। টেস্ট ক্রিকেটে একাধিক ট্রিপল সেঞ্চুরির মালিক শেবাগ।শেবাগ অডিআই ক্রিকেটেও করেছেন ডাবল সেঞ্চুরি।


তামিম ইকবাল


ক্রিকেটের আলোচিত ওপেনারের তালিকায় তামিম ইকবালের নামটিও উচ্চারিত হয়। তামিম ইকবাল বর্তমান সময়ের এশিয়ান ক্রিকেটে  অন্যতম সেরা বাঁহাতি ওপেনার। তিনিও স্ট্রোকমেকার হিসেবে পরিচিত। নিখুঁত টাইমিং তামিম ইকবালের এক অনন্য গুণ। তামিম ইকবাল ১২ অডিআই সেঞ্চুরির মালিক।

Written by provakar chowdhury.

ক্রিকেটের বিখ্যাত তিন ফিনিশার

                                                           


ক্রিকেট প্রধানত ব্যাটসম্যান ও বোলারের খেলা। দিনশেষে এদের স্টাইল এদের রেকর্ডই বেশি আলোচিত হয় ক্রিকেটে।তবে এদের বাইরে ক্রিকেটে একজন ভালো ফিনিশারের গুরুত্ব অনেক।ম্যাক্সওয়েল , এমএস ধোনি,ডিভিলিয়ার্সের মত ফিনিশার খুব বেশি নেই ক্রিকেটে।এরা একাই যেকোন ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলাতে পারেন।ডি সিলভা এবং  ধোনির বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে। এছাড়াও ক্রিস কেয়ার্নস, রাসেল আরনল্ড, মাইকেল বেভানের নাম ক্রিকেটের স্মরণীয় ফিনিশাদের তালিকায় থাকবেই। এখানে বিখ্যাত ফিনিশারদের গুণাবলী এবং ক্রিকেটের  তিন সফল ফিনিশারের গল্প বলব।


বিখ্যাত ফিনিসারদের গুণাবলী


বিখ্যাত ফিনিশারদের বড় গুণ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়ার গুণ।এমএস ধোনি,ডিভিলিয়ার্স ,ম্যাক্সওয়েল এদের সবার মধ্যে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করার অদ্ভুত দক্ষতা দেখা যায়।বড় ম্যাচকে প্রায় হার থেকে জয়ে পরিণত করতে এরা স্মরণীয়। শচীন টেন্ডুলকার,ক্রিস গেইল,বিরাট কোহলি এরা জনপ্রিয় ও সফল ক্রিকেটার কিন্তু ফিনিশার হিসেবে ততটা সফল নন। এক্ষেত্রে ধোনি,ম্যাক্সওয়েল,ডিভিলিয়ার্স ফিনিশার হিসেবে বেশি সফল। এরা প্রায় একাই ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিতে সফলতা দেখিয়েছেন।

মহেন্দ্র সিং ধোনি


ভারতের সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ক্রিকেটে সফল ফিনিশার হিসেবে খুবই সমাদৃত। ধোনি বহু বড় বড় ম্যাচে প্রায় একা ব্যাট করে দলকে জয় এনে দিয়েছেন । এমনকি অধিনায়ক থাকাকালীন ভারতকে বিশ্বকাপ  শিরোপা এনে দিয়েছেন । তার ফিনিশিং কোয়ালিটি ক্রিকেটের এক অন্যরকম গল্প।'ক্যাপ্টেন কুল' হিসেবে পরিচিত ধোনি দাঁড়িয়ে গেলে  দলের জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। ধোনির জন্য সব প্রতিপক্ষের আলাদা পরিকল্পনা করতে হয়েছে। ফিনিশার হিসেবে তার সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের হয়ে ৯১ রানের ইনিংস।এবং এ ইনিংসে ভর করে ভারত বিশ্বকাপ ফাইনালে জয়লাভ করে।

এবি ডিভিলিয়ার্স


ডিভিলিয়ার্স ক্রিকেটের এক বিরল প্রতিভা।ইনোভেটিভ এ ওপেনার ফিনিশার হিসেবেও বিখ্যাত। ক্রিকেটের সেরা  ফিনিশারদের খুব ছোট তালিকায়ও তার নাম দেখা যায়।দ্রুত রান তোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ক্ষেত্রে তার তুলনা খুব কম। তার সবচেয়ে বড় গুণ ইনোভেটিভ শট ও অসাধারণ কবজির জোর।ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দেয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা তার মাঝে দেখা যায়।রান তাড়া করে ম্যাচ জেতানোর ক্ষেএে তিনি মাষ্টার ফিনিশার হিসেবে পরিচিত।

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল


ক্রিকেটের অভিজাত ফিনিশারদের তালিকায় গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের নাম রাখতেই হবে। দুর্দান্ত সব স্ট্রোক প্লের জন্য ম্যাক্সওয়েল বিখ্যাত। তাকে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফিনিশার বলা হয়।ম্যাচকে যেকোন পজিশন থেকে নিয়ন্ত্রণে নেয়ার ক্ষমতা আছে তার। মারকুটে এ অলরাউন্ডারের মধ্যে নিখুঁত বিগশট খেলার এক অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে।তার প্রিয় শট সুইচ হিট, রিভার্স সুইপ,লপটেড প্যাডোল হুইপ।ম্যাক্সওয়েল ইতিমধ্যে সর্বকালের সফল ফিনিশারদের তালিকায় নিজের নামটি লিখে ফেলেছেন।

Written by provakar chowdhury.