WHAT'S NEW?
Loading...

ফাষ্টফুডের ক্ষতি জেনে নিন

                                                       

বিশ্বব্যাপী ফাষ্টফুডের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। বাংলাদেশের জনপ্রিয় খাবারের তালিকায় ফাষ্টফুড ভালো একটি অবস্থান তৈরি করে ফেলেছে।ফাষ্টফুড  একটি বিশেষ শিল্প হিসেবে গড়ে উঠেছে।ফাষ্টফুডের এতসব গুণ থাকার পরও ইদানিং পুষ্টিবিদ ও ডাক্তাররা ফাষ্টফুডের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করছেন। অতিরিক্ত ফাষ্টফুড আমাদের শরীরে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি করছে। বিখ্যাত পুষ্টিবিদ ও ডাক্তারদের মতামত থেকে ফাষ্টফুডের কিছু ক্ষতিকর দিক নিয়ে এখানে আলোচনা করছি।

ফাষ্টফুড হজমশক্তি হ্রাস করে


হজমশক্তি নিয়ে এ যুগে অধিকাংশ মানুষ বিব্রত।প্রায় সবার হজমের গন্ডগোল আছে। পুষ্টিবিদ ও ডাক্তাররা হজমশক্তি হ্রাসের জন্য অতিরিক্ত ফাষ্টফুডকে দায়ি করছেন।

ফাষ্টফুড ব্রেইনের জন্য ক্ষতিকর


মাএাতিরিক্ত ফাষ্টফুড মানুষের ব্রেইনের ক্ষতি করছে বলে পুষ্টিবিদ ও ডাক্তাররা সতর্ক করছেন ।

ফাষ্টফুড বিষণ্ণতা তৈরি করে ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে


বিশ্বব্যাপী পুষ্টিবিদরা বলছেন অতিরিক্ত ফাষ্টফুড আসক্তি বিষণ্ণতা সৃষ্টির জন্য দায়ী। এমনকি অপরিমিত ফাষ্টফুড মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে পুষ্টিবিদরা  সতর্ক করছেন।

ফাষ্টফুড টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়


অতিরিক্ত ফাষ্টফুড আসক্তি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও পুষ্টিবিদরা মত দেন।

অতিরিক্ত ফাষ্টফুড ওজন বাড়িয়ে দেয় 


অতিরিক্ত ফাষ্টফুড আমাদের শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়। এবং ওজন বেড়ে গেলে শরীরে বিভিন্ন জটিল রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

রক্তের গ্লুকোজ বাড়িয়ে দেয় ফাষ্টফুড


নিয়মিত ফাষ্টফুড খেলে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে ।

শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হয়


নিয়মিত ফাষ্টফুড খেলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।যা শরীরের জন্য হতে পারে বিপজ্জনক।

অতিরিক্ত ফাষ্টফুড উচ্চরক্তচাপ সৃষ্টি করে


অতিরিক্ত ফাষ্টফুড উচ্চরক্তচাপের সৃষ্টি করতে পারে।আর উচ্চরক্তচাপ থেকে শরীরে বিভিন্ন জটিল রোগের জন্ম হয়ে থাকে।

ফাষ্টফুড স্থূলতা বাড়ায় ও কর্মক্ষমতা হ্রাস করে


পুষ্টিবিদেরা নিয়মিত ফাষ্টফুড খেতে নিষেধ করেন।কারণ নিয়মিত ফাষ্টফুড খেলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হয় ও স্থূলতা তৈরি করে।এ থেকে হতে পারে শ্বাসকষ্ট ও কর্মক্ষমতা হ্রাসের মত সমস্যা।

Written by provakar chowdhury.


বাংলাদেশের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান

                                                   
                                             

ক্রিকেটের  অভিজাত ফিগার এক ইনিংসে দুইশত রান বা ডাবল সেঞ্চুরি। সব ব্যাটসম্যানের  থাকে ডাবল সেঞ্চুরির স্বপ্ন। তবে কাজটি খুব সহজ না। এজন্য প্রয়োজন ভালো টেকনিক, উন্নত স্ট্যামিনা, ফিটনেস ইত্যাদি।একসময় ডাবল সেঞ্চুরি শুধু টেষ্ট ক্রিকেটেই দেখা যেত।তবে টিটুয়েন্টির বদৌলতে ধুন্ধুমার ক্রিকেটের এ যুগে অডিআই ক্রিকেটেও বেশ কিছু ডাবল সেঞ্চুরি হয়ে গেছে। সবকিছুর পর ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড জানার আগ্ৰহ  আছে। তাই এ লেখায় বাংলাদেশের ডাবল সেঞ্চুরিয়ানদের গল্প বলছি।

তিন ডাবলের মালিক মুশফিকুর রহিম


মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের অন্যতম সেরা টেস্ট ব্যাটসম্যান। এবং এ নিয়ে কারো দ্বিমত নেই। বাংলাদেশের সবচেয়ে ফিট ব্যাটসম্যান বলা হয় তাকে। অসাধারণ স্ট্যামিনা এবং টেকনিকের সমন্বয়ে মুশফিক ইতিমধ্যে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরির গৌরব অর্জন করেছেন। তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি  এবং অন্যটি করেছেন  শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ডাবলের গল্প


বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান একটি ডাবল সেঞ্চুরির মালিক। প্রতিভাবান এ অলরাউন্ডার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র ডাবল সেঞ্চুরি করেন। সোজা ব্যাটে খেলার জন্য বিখ্যাত এ অলরাউন্ডার অসাধারণ টেকনিকের সমন্বয়ে ২০০৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েলিংটনে এ ডাবল সেঞ্চুরি করেন।

দেশসেরা ওপেনার তামিমের ডাবল সেঞ্চুরির কথা


রেকর্ডের হিসেবে তামিমকে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান বলা হয়। দারুণ টাইমিং ও স্টোকপ্লের জন্য বিখ্যাত এ ওপেনার একটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে এ ডাবল সেঞ্চুরি করেন।

Written by provakar chowdhury.

এইসএসসি পরীক্ষা ২০২০ বিজ্ঞান শাখার প্রস্তুতি

                                                                   

           

এইসএসসি বিজ্ঞান শাখার ভালো প্রস্তুতি অবশ্যই ফলাফলে  প্রভাব ফেলে। এখানে একটি পরিপূর্ণ ও সুন্দর প্রস্তুতি পরবরর্তীতে দারুণ কাজে লাগে। এজন্য প্রয়োজন সুন্দর একটি প্রস্তুতি কৌশল।অনেকে ভালো স্টাডি করে কিন্তু সুন্দর একটি প্রস্তুতি কৌশলের অভাবে কাঙ্ক্ষিত ফল লাভে ব্যর্থ হয়। বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে ভালো নম্বর পাবার ক্ষেত্রে প্রস্তুতিকৌশলের গুরুত্ব অপরিসীম। এইসএসসি বিজ্ঞান শাখার প্রস্তুতি সম্পর্কে বিভিন্ন অভিজ্ঞ শিক্ষকের মতামত থেকে এখানে কিছু পরামর্শ দিচ্ছি।


বিজ্ঞানের মূল পাঠ গুলোর বিষয়বস্তু একই


এইসএসসির বিজ্ঞান শাখার সকল বিষয়ের মূল পাঠগুলোর বিষয়বস্তু পূর্বের মতোই আছে।তাই সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতির পরীক্ষায় ভালো প্রস্ততির বিকল্প নেই।

বিজ্ঞান বুঝে শিখুন


এইসএসসি বিজ্ঞান শাখার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অবশ্যই  গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো বুঝে শিখুন। বুঝে শিখলে পরীক্ষার ভীতি কমে যাবে আবার আত্নবিশ্বাস বাড়বে।এটি পরবর্তীতে সবক্ষেত্রে সাহায্য করবে।

নিয়মিত লিখে অনুশীলনের বিকল্প নেই


বিজ্ঞান শাখার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সৃজনশীল অংশ নিয়মিত অনুশীলন করুন এবং লিখে শিখুন।

পরীক্ষার জন্য সব পড়া লাগবে না


পরীক্ষার জন্য পুরো বইয়ের সব টপিক পড়া লাগবে না।কারণ সব টপিক শিখতে যেয়ে মূল পরীক্ষায় গুলিয়ে ফেলতে পারেন। পরীক্ষার জন্য সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ টপিক গুলো বারবার পড়ুন এবং লিখুন।

বিজ্ঞানের চিএ  ও  সাইডনোট দিতে হবে


এইসএসসি বিজ্ঞান শাখার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তরে অবশ্যই চিএ সহ লিখুন।সাইডনোট অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।চিএ ও সাইডনোট আপনার খাতার মান অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়।

উওর সহজ ভাষায় লিখুন


বিজ্ঞানের সৃজনশীল উওর সহজ ভাষায় লিখুন।এতে আপনার খাতা আকর্ষণীয় হয়ে যাবে।

জটিল টপিক ইন্টারনেট ও একাধিক বই থেকে শিখুন


বিজ্ঞানের সব বিষয় এক সূত্র থেকে পড়তে যাবেন না। একাধিক সূত্র থেকে সৃজনশীল প্রশ্ন পড়ুন । প্রয়োজনে ইন্টারনেটের সাহায্য নিন।

বাসায় মডেল টেস্ট দিন


বিজ্ঞানে ভালো করার ক্ষেত্রে মডেল টেস্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারনেট থেকে ডামি মডেল টেস্ট লোড করুন এবং নিয়মিত পরীক্ষা দিন।এতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে ও টাইম ম্যানেজমেন্ট ঠিক হয়ে যাবে।

শিক্ষকদের পরামর্শ নিন


ভালো শিক্ষকদের পরামর্শ নিন। বিভিন্ন অনলাইন স্টাডি সাইটে বিখ্যাত শিক্ষকদের মতামত আছে সেগুলো ফলো করুন।

বিজ্ঞানে অপ্রাসঙ্গিক কিছু লিখবেন না


বিজ্ঞানে অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক কথা লেখা যাবেনা।এতে নম্বর কমে যাবে।

পুরনো বছরের প্রশ্ন দেখুন


বিজ্ঞানে ভালো প্রস্ততির জন্য পুরনো বছরের প্রশ্ন অবশ্যই দেখতে হবে।

চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য একটি গাইডলাইন করুন


এইসএসসি বিজ্ঞান পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য একটি আলাদা খাতায় সব বিষয়ের  কোন কোন টপিকে গুরুত্ব দেবেন তা লিখে নিন।


বহুনির্বাচনী অংশে মূল বইয়ের বিকল্প নেই


এইসএসসি বিজ্ঞান শাখার সকল বিষয়ের বহুনির্বাচনী অংশে প্রস্তুতির ক্ষেত্রে মূল বই দাগ দিয়ে পড়ুন।

জানা উওর আগে দাগ দিন


বিজ্ঞানে বহুনির্বাচনী প্রশ্নে জানা উওরে আগে দাগ দিন।

বহু নির্বাচনী উওরে সতর্ক হোন


বিজ্ঞানে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তরে সতর্ক হয়ে দাগ দিন।কারণ অসতর্ক হলেই একটি গ্ৰেড মিস হয়ে যেতে পারে।

Written by provakar chowdhury.

একাডেমিক প্রস্ততির বিশ্বস্ত অনলাইন সহায়ক

                                                                     




ব্যস্ত জীবনযাপনের সাথে তাল মিলিয়ে একাডেমিক প্রস্ততির কাজটি এখন আর খুব সহজ নেই। উপরন্তু ভালো শিক্ষকের অভাব ,ভালো প্রতিষ্ঠানের সংকট সবকিছু মিলিয়ে অনেকেই কাঙ্ক্ষিত একাডেমিক প্রস্ততি নিতে পারেন না।আর এসব ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় হিসেবে এখানে কিছু বিশ্বস্ত অনলাইন একাডেমিক সহায়কের সন্ধান দিচ্ছি। অনলাইনে অনেক ভুয়া একাডেমিক সাইট আছে যেগুলো কপি কন্টেন্ট তৈরি করে, সেইসাথে আছে মানসম্মত ম্যাটেরিয়ালসের অভাব। তাই এক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে  বাংলা ভাষায় বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত কিছু  একাডেমিক সহায়কের কথা বলছি।

 ই-শিখন.কম (https://eshikhon.com)


মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের একাডেমিক প্রস্ততির জন্য ই-শিখন.কম একটি জনপ্রিয় অনলাইন সহায়ক। এখানে উন্নত মানের স্টাডিম্যাটেরিয়াল পাবেন। বিজ্ঞান,মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য এ সাইটে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ লেকচার ও হোম ওয়ার্কের ব্যবস্থা। নিজেকে ভালো ভাবে প্রস্তুত করার জন্য এটি সবাই ব্যবহার করতে পারেন।

সৃজনশীল ডটকম (www.srijonshil.com)


বাংলা মিডিয়ামে একাডেমিক প্রস্ততির জন্য সৃজনশীল ডটকম একটি জনপ্রিয় অনলাইন সহায়ক। এখানে বিভিন্ন শ্রেণীর বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ও উওরের ভালো কালেকশন রয়েছে। এখানে আছে ই-বুক সুবিধা।হোম ওয়ার্কের জন্য ভালো মানের মডেল টেস্ট এখানে পাবেন। সৃজনশীল ডটকম বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা ও চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সহায়ক কন্টেন্ট রেখেছে।

শিক্ষক বাতায়ন (www.teachers.gov.bd)


বাংলা মিডিয়ামে একাডেমিক প্রস্ততির এক সুপরিচিত  সহায়ক শিক্ষক বাতায়ন। এখানে দেশসেরা শিক্ষকদের লেকচার ও একাডেমিক নির্দেশনা রয়েছে। এখানে আছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক লেভেলের মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জটিল টপিক গুলোর সহজ আলোচনা ।অভিজ্ঞ শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ পাঠ আলোচনা এখানে রয়েছে। শিক্ষক বাতায়নে সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে ভালো আপডেট পাওয়া যায়।

 10 মিনিট স্কুল (https://10minuteschool.com)


অনলাইনে বাংলা ভাষায় একাডেমিক প্রস্ততি এবং একাডেমিক মোটিভেশনের জন্য বিখ্যাত নাম 10মিনিটস্কুল। এখানে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক ও চাকরির প্রস্ততির জন্য রয়েছে উন্নত মানের স্টাডি ম্যাটেরিয়াল।এটি খুব সুন্দর সাজানো একটি একাডেমিক সাইট। এদের আবার ইউটিউব চ্যানেলও  আছে ।এ একাডেমিক ওয়েবসাইটটি খুব সাজানো গোছানো।


 খান একাডেমি(http://khanacademybangla.com)


বিশ্বব্যাপী অনলাইনে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে একাডেমিক প্রস্ততির পরিচিত নাম খান একাডেমি। এখানে মূলত ইংরেজি, বিজ্ঞান, গণিত, কম্পিউটার ও স্বাস্থ্যবিদ্যা প্রস্তুতির জন্য উন্নত স্টাডি ম্যাটেরিয়ালস রয়েছে। অনলাইনে একাডেমিক সহায়ক হিসেবে এ সাইট সুপরিচিত। বিশ্বের বহু বিখ্যাত মানুষ এ অনলাইন স্টাডি সাইটটির সুনাম করেছেন।

Written by provakar chowdhury.

২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা ও বিশ্বে বাংলাভাষা

                           
PRIO CRICKET.COM  এর পক্ষ থেকে সবাইকে ২১শে  ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা। সেইসাথে সব ভাষাশহীদ এবং ভাষাসৈনিকের প্রতি জানাচ্ছি গভীর  শ্রদ্ধা ।২০২০ এর  একুশে ফেব্রুয়ারির  প্রাক্কালে বিশ্বে বাংলা ভাষার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে কিছু তথ্য শেয়ার করছি।

               বিশ্বে বাংলা ভাষা


বিশ্বে বাংলা ভাষা বেশ ভালো একটি অবস্থান তৈরি করে ফেলেছে। বিশ্বে ছয় হাজারের অধিক ভাষা রয়েছে।এর ভেতর  বাংলা প্রথম দশের মধ্যে রয়েছে। পৃথিবীতে মাতৃভাষা বিবেচনায় বাংলা চতুর্থ প্রধান ভাষা ।


         সংবিধানে বাংলা ভাষা


বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় অনুচ্ছেদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

           বিভিন্ন দেশে বাংলা


বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলা ভাষা স্বীকৃত প্রশাসনিক ভাষা। ভারতের ত্রিপুরা ও কলকাতার প্রশাসনিক ভাষা বাংলা। বাংলা ভারতের অন্যতম তফসিলভুক্ত ভাষা । আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওনের অন্যতম সরকারি ভাষা বাংলা।

     বিশ্বে বাংলাভাষী জনসংখ্যা


বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৩০কোটির উপরে মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে।

     বহির্বিশ্বে বাংলাভাষার ব্যবহার


বহির্বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা ব্যবহৃত হয়।

 বিভিন্ন বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা


বিশ্বের বিভিন্ন বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য পড়ানো হয়। বিশ্বের যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য পড়ানো হয় সেগুলোর মধ্যে মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়, পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়, মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম।

    বিশ্বে বাংলা ভাষার মিডিয়া 


বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলা ভাষার বেশকিছু সংবাদপত্র টেলিভিশন ও রেডিও রয়েছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি প্রভৃতি দেশে বাংলা ভাষার বহু  জনপ্রিয় সংবাদপত্র, রেডিও,টেলিভিশন চ্যানেল ইত্যাদি রয়েছে।

Written by provakar chowdhury.

স্মার্টফোন আসক্তি কমাতে চাইলে

                       


স্মার্টফোন ছাড়া এখনকার জীবন ভাবা যায় না। প্রায় সব কাজের এক উপযুক্ত সহায়ক হিসেবে আমাদের জীবনে প্রতিনিয়ত কাজে লাগছে এ বস্তুটি।তবে মনুষ্যসৃষ্ট সব বস্তুর সুবিধা অসুবিধা দুইই আছে। স্মার্টফোনের ক্ষতিকারক প্রভাব কম না।বিশ্বজোড়ে স্মার্টফোন আসক্তি একটি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।আশার বিষয় হলো স্মার্টফোন আসক্তি থেকে  মুক্তির উপায়ও আছে। বিখ্যাত বিশেষজ্ঞদের মতামত থেকে স্মার্টফোন আসক্তি দূর করার কিছু উপায় বলে দিচ্ছি।

স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করুন


স্মার্টফোন আসক্তি দূর করতে চাইলে প্রয়োজনীয় কথাবার্তা ও সামাজিক যোগাযোগের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন।তা হতে পারে সকালে ব্রেকফাস্টের পর ১০মিনিট ,দুপুরের খাবারের পর ১০ মিনিট , রাতের খাবারের পর ৩০ মিনিট।

স্মার্টফোনের সময় অন্য কাজে লাগান


স্মার্টফোনে অহেতুক  সময় না দিয়ে এ সময়ে অন্য কোন প্রয়োজনীয় কাজ করুন। তা হতে পারে বইপড়া, লেখালেখি কিংবা কোন ক্রিয়েটিভ কিছু শেখার চেষ্টা।

নিজের জরুরি কাজের একটি তালিকা লিখে রাখুন


নিজের জরুরি কাজের একটি তালিকা তৈরি করুন এবং তা স্মার্টফোনের টেবিলে রাখুন।যেন স্মার্টফোনে হাত দিলেই তা চোখে পড়ে।

অনলাইনের লেখা আগে  কাগজে লিখুন


অনলাইনের জন্য কোন স্ট্যাটাস বা লেখা আগে কাগজে লিখে রাখুন।

অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করুন


স্মার্টফোনের অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখুন।এতে স্মার্টফোন আসক্তি কমবে।

      দৃঢ় আত্মপলব্ধি ও ইচ্ছাশক্তি


স্মার্টফোন আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে হলে সময়নষ্ট জেনেও অযথা স্মার্টফোন ব্যবহার কমান। স্মার্টফোনে অহেতুক  সময় কাটানো ক্ষতিকর এটি বিশ্বাস করুন।

স্মার্টফোনে শুধু প্রয়োজনীয় কাজটুকু করুন


স্মার্টফোনের আসক্তি দূর করতে চাইলে শুধু প্রয়োজনীয় কাজের সময়টুকু এখানে থাকুন।অযথা অলস সময় স্মার্টফোনে ব্যয় করবেন না।

কথাবলার জন্য ভালো ফিচার ফোন নিন


যাদের অনেক বেশি কথা বলতে হয় তারা স্মার্টফোনের সাথে ভালো একটি ফিচার ফোন নিন।এতে স্মার্টফোন আসক্তি কমবে।


Written by provakar chowdhury.





এইসএসসি পরীক্ষা ২০২০ বাণিজ্য শাখার প্রস্তুতি

                           

এইসএসসি পরীক্ষার বাণিজ্য শাখার প্রতিটি বিষয় সমান গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ভালো একটি প্রস্তুতি আপনাকে মূল পরীক্ষায় এগিয়ে রাখবে। বাণিজ্য শাখার বিষয়গুলো আমাদের জীবনের সব পর্যায়ের জন্য প্রয়োজনীয়। অতএব প্রতিটি বিষয় সমান গুরুত্ব দিয়ে পড়া উচিত। এইসএসসি পরীক্ষা ২০২০ বাণিজ্য শাখার প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন অভিজ্ঞ শিক্ষকের ধারণা থেকে কিছু পরামর্শ তুলে ধরছি।

সৃজনশীল অংশে নিয়মিত প্র্যাকটিস করুন


বাণিজ্য শাখার সৃজনশীল অংশে নিয়মিত প্র্যাকটিস করুন। এক্ষেত্রে একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করুন।

   বিভিন্ন শিক্ষকের লেখা পড়ুন


সুপরিচিত শিক্ষকদের লেখা থেকে একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করুন। পত্রিকা ও ইন্টারনেটের বিশ্বাসযোগ্য সাইটে এসব গাইডলাইন পাবেন। এছাড়া বাজারে অনেকে প্রস্তুতি সম্পর্কে বই লিখছেন সেগুলো নিতে পারেন।

  সৃজনশীল অংশ বুঝে পড়ুন


সৃজনশীল অংশ বুঝে পড়ুন। কারণ সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরে ভালো করতে চাইলে মূল টপিক আত্মস্থ করার বিকল্প নেই।

    অংকগুলো নিয়মিত করুন


বাণিজ্য শাখার অংকগুলো নিয়মিত করুন। দেখুন কোথায় সমস্যা হচ্ছে।

মডেল টেস্ট দিন এবং শিক্ষকের পরামর্শ নিন


বাণিজ্য শাখার সৃজনশীল অংশে ভালো করার জন্য বাসায় নিয়মিত মডেল টেস্ট দিন। যেখানে দুর্বলতা আছে সেখানে শিক্ষককে জিজ্ঞেস করুন।

 ইন্টারনেট, ইউটিউবের সাহায্য নিন


সৃজনশীল অংশে ভালো প্রস্তুতির জন্য ইন্টারনেট ও ইউটিউবের সাহায্য নিন। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে।


      নিয়মিত প্রশ্ন সলভ করুন


বাণিজ্য শাখায় ভালো করার জন্য নিয়মিত প্রশ্ন সলভ করুন।এতে সাহস ও আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

বহু নির্বাচনী প্রশ্নের জন্য মূল বই পড়ুন


বাণিজ্য শাখার বহু নির্বাচনী প্রস্তুতির জন্য মূল বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিক দাগ দিয়ে পড়ুন।

বহু নির্বাচনী প্রশ্নের মডেল টেস্ট দিন


ইন্টারনেট থেকে বহু নির্বাচনী প্রশ্নের ডামি মডেল টেস্ট উওরসহ লোড করুন। এবং নিয়মিত নিজে নিজে পরীক্ষা দিন। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে, সেই সাথে সমস্যা বুঝতে পারবেন।

Written by provakar chowdhury.





বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি লড়াইয়ে কে এগিয়ে

                           
ক্রিকেটে বাংলাদেশের চিরকালের এক বন্ধুদেশ জিম্বাবুয়ে।আর ক্রিকেটের বেশ পরিচিত লড়াই বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার লড়াই। যদিও জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের গতি ইদানিং ভালো যাচ্ছে না । তবে এটুকু স্বীকার করতে হবে একসময় এন্ডি ফ্লাওয়ার,নীল জনসনের মতো তারকা ক্রিকেটার জিম্বাবুয়ে টিমে খেলেছেন। বর্তমান টিমে টেলর,আরভিন প্রমুখ বিখ্যাত ক্রিকেটার রয়েছেন।

 কে এগিয়ে বাংলাদেশ না জিম্বাবুয়ে


বাংলাদেশও জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি লড়াইয়ে উভয় দলই রেকর্ডের খাতায় কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। অডিআই রেকর্ডের দিক থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দুদলের মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ কিছুটা ভালো অবস্থানে রয়েছে। টেষ্টের খাতায় উভয়ের মুখোমুখি লড়াইয়ে জিম্বাবুয়ের একটি জয় বেশি আছে।
 

টেষ্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ম্যাচ রেকর্ড


টেষ্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ম্যাচ রেকর্ড খুবই কাছাকাছি। জিম্বাবুয়ের একটি জয় বেশি রয়েছে।তবে উভয় দলের মুখোমুখি টেষ্ট লড়াই ও শক্তিমত্তার দিক থেকে দুদলই প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।

         মোট টেষ্ট ম্যাচ    ১৭

            বাংলাদেশ      ৭ জয়            

            জিম্বাবুয়ে        ৭ জয়   

                   ড্র                 ৩


    অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশও        জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ম্যাচ

    রেকর্ড 


অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশ এ মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা দল।গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশের রেকর্ড এর প্রমাণ। বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান হয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। মাশরাফি বিন মুর্তজা অডিআই ক্রিকেটের সেরা বোলারদের অন্যতম। যদিও বর্তমান টিমে এরা নেই তবু বাংলাদেশ এগিয়ে থাকবে।
সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ অডিআই ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের চাইতে ঢের শক্তিশালী। মুখোমুখি লড়াইয়েও বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে।

  মোট অডিআইম্যাচ     ৭৫

    বাংলাদেশ               ৪৭ জয়

     জিম্বাবুয়ে           ‌    ২৮ জয় 

         

    টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশ ও        জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ম্যাচ                  রেকর্ড 


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে উভয়ের মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে।তবে শক্তিমত্তার দিক থেকে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। ব্রেন্ডন টেলর,ক্রেইক আরভিন টিটুয়েন্টি জনপ্রিয় প্লেয়ার।

   মোট টিটুয়েন্টিম্যাচ    ১১

     বাংলাদেশ             ৭জয়

     জিম্বাবুয়ে              ৪জয়



Written by provakar chowdhury.

 

এইসএসসি পরীক্ষা ২০২০ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি চূড়ান্ত প্রস্তুতি

                           
                   
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিষয়টি ভালো করে বুঝলে সারাজীবন কাজে লাগবে।এ যুগে উচ্চশিক্ষা, চাকরি ,ব্যবসা সবকিছুতে ভালো করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খুব প্রয়োজনীয় বিষয়। এইসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে অবশ্যই এক্সট্রা পড়াশোনা করতে হবে। এইসএসসি পরীক্ষা২০২০ এ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে ভালো করার উপায় সম্পর্কে কিছু পরামর্শ দিচ্ছি।

সৃজনশীল প্রশ্ন বুঝে অনুশীলন করুন


তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি পরীক্ষা দুই অংশে বিভক্ত। সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনী।তবে সৃজনশীল অংশে বেশি নম্বর পাওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে সৃজনশীল প্রশ্ন বুঝে পড়ুন।তাতে প্রশ্ন যেমন হোক উওর করতে পারবেন। এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বুঝে পড়লে সারাজীবন সাহায্য করবে।

        বোর্ড বইয়ের বিকল্প নেই


তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়টির জন্য নির্ধারিত বোর্ড বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিক গুলো আয়ত্ত্ব করুন।

বিভিন্ন টপিক শেখার ক্ষেত্রে বোর্ড বইকে প্রাধান্য দিন


পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বোর্ড বইকে প্রাধান্য দিন।অভিজ্ঞ আইসিটি শিক্ষকদের ভাষ্যমতে বোর্ড বইয়ের আলোকে উওর লেখা ভালো। কারণ বোর্ড বই বেশ গবেষণা করে তৈরি করা হয়।

বাস্তব আইসিটি নলেজ কাজে লাগান


তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে ভালো করার জন্য বাস্তব জীবনের আইসিটি জ্ঞান কাজে লাগান।তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা আরও ঝালাই করুন ।

কোথাও সমস্যা হলে শিক্ষককে বলুন


তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে কোন টপিক বুঝতে অসুবিধা হলে আপনার আইসিটি শিক্ষককে জিজ্ঞেস করুন।

      অনলাইনকে কাজে লাগান


তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে ভালো প্রস্তুতির জন্য অনলাইনের সহায়তা নিন। পছন্দ মত বিশ্বস্ত কোন ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় টপিক লোড করুন।

        উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োজন


তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে ভালো করার জন্য উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োজন। উপস্থিত বুদ্ধি আপনাকে এগিয়ে রাখবে।

 বহু নির্বাচনী প্রশ্ন সতর্ক হয়ে দাগ দিন


আইসিটি পরীক্ষায় বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তরে সতর্ক হতে হবে। ভুল দাগ দেয়া যাবে না।

  বিশ্বস্ত অনলাইন সাইট থেকে শিখুন


বিশ্বস্ত অনলাইন সাইট থেকে আইসিটি বহু নির্বাচনী প্রশ্নের ডামি মডেল টেষ্ট লোড করুন।

বোর্ড বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিক দাগ দিয়ে পড়ুন


আইসিটি বহু নির্বাচনী প্রশ্নে ভালো করার জন্য মূল বোর্ড বইয়ের সম্ভাব্য টপিক দাগ দিয়ে পড়ুন।

       নিশ্চিত প্রশ্ন আগে উওর করুন


আইসিটি পরীক্ষায় বহু নির্বাচনী অংশে নিশ্চিত প্রশ্ন অর্থাৎ জানা প্রশ্নের উত্তর আগে করুন।

বাসায় ইন্টারনেট থেকে মডেল টেষ্ট দিন


আইসিটি বিষয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন সাইট থেকে মডেল টেস্ট দিন। অবশ্যই বিশ্বস্ত অনলাইন সাইটের সাহায্য নিন।

Written by provakar chowdhury.

এইসএসসি পরীক্ষা ২০২০ ইংরেজি চূড়ান্ত প্রস্তুতি

                       
পাবলিক পরীক্ষায়  ইংরেজি একটি গুরুত্বপূর্ণ  বিষয়। এইসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার জন্য ইংরেজিতে ভালো প্রস্তুতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে ইংরেজি বিষয়ে আত্মতৃপ্তিতে ভোগে, অনেকে আবার ভীতিতে ভোগে। ইংরেজির এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত অনুশীলনের বিকল্প নেই।বই,ইউটিউব, ইন্টারনেট সবকিছুর সাহায্য নিন। ইংরেজি যত অনুশীলন করবেন তত সহজ মনে হবে।

      নিয়মিত চর্চার বিকল্প নেই


ইংরেজিতে ভালো করার জন্য নিয়মিত চর্চা করুন। প্রথমপত্রে প্রশ্ন বোঝার চেষ্টা করুন।

       প্রশ্ন বুঝে অনুশীলন করুন


বই ইন্টারনেট ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন বুঝতে চেষ্টা করুন। নিয়মিত এটি চালিয়ে যান। ইংরেজি বাক্য বোঝার চেষ্টা করুন। এটি পরীক্ষায়  উওর করতে সাহায্য করবে।

প্রথমপত্রে মূল বইয়ের পাঠগুলো পড়ুন


ইংরেজি প্রথমপত্রে মূল বইয়ের বিভিন্ন পাঠ নিয়মিত পড়ুন।

  ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং প্র্যাকটিস করুন


ইংরেজিতে ভালো করার জন্য নিয়মিত কিছু প্যারাগ্ৰাফ নিজ থেকে সহজ বাক্যে লেখার চেষ্টা করুন।এটি দীর্ঘমেয়াদে ইংরেজি ভীতি কমাবে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।


           বাসায় সেল্পটেষ্ট দিন


ইন্টারনেট থেকে ইংরেজির মডেল টেস্ট ডাউনলোড করে বাসায় পরীক্ষা দিন।এতে ইংরেজি পরীক্ষা আরও ভালো হবে।

 আত্ত্বতৃপ্তি ইংরেজির জন্য ক্ষতিকর


আত্ত্বতৃপ্তিতে ভোগবেন না এতে প্রস্তুতিতে ভাটা পড়বে।

    অতিরিক্ত চিন্তা বাদ দিন


ইংরেজি বিষয়ে ভালো করতে চাইলে অতিরিক্ত চিন্তা বাদ দিন। নিয়মিত অনুশীলন করুন। যখন একঘেয়েমি আসে তখন ফ্রি হ্যান্ড কিছু লিখুন।

ইংরেজি ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং সারাজীবন কাজে লাগবে


ইংরেজিতে সহজ বাক্যে প্রচুর ফ্রি হ্যান্ড লেখার চেষ্টা করুন।এটি পরবর্তীতে খুব কাজে লাগবে।

প্যারাগ্ৰাফ,এ্যাচে ইত্যাদি বুঝে শিখুন


প্যারাগ্ৰাফ,এ্যাচে ইত্যাদি বুঝে শিখুন।এতে একটি টপিক একবার বুঝলে অন্য অংশে ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ে এটি সাহায্য করবে।

নিয়মিত প্র্যাকটিস ইংরেজিভীতি দূর করবে


ইংরেজি নিয়মিত প্র্যাকটিস করুন ভীতি দূর হয়ে যাবে। নিয়মিত ইংরেজি প্র্যাকটিস আত্মবিশ্বাস ও সাহস বাড়িয়ে দেবে।

Written by provakar chowdhury.

বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার কত বেতন পান

     
তারকা প্লেয়ারদের আয় রোজগার জানতে চায় অনেকেই।সেই ডেভিড ব্যাকহাম থেকে লিয়নেল মেসি কিংবা
শচিন টেন্ডুলকার থেকে বিরাট কোহলি প্রত্যেক গ্ৰেট প্লেয়ারের বেতন আয় ইত্যাদি ক্রিড়াবিশ্বের আলোচিত অধ্যায়।সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। সাকিবের মত বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার কাটার মাষ্টার মোস্তাফিজ বাংলাদেশের  হয়ে খেলেন। বিষয়টি ক্রিড়াবিশ্বের জনপ্রিয় টপিক। আসুন জেনে নেই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বেতনের হিসেবনিকেশ।

       "কে কোন ক্যাটাগরিতে " 


বেতনের ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। যারা নিয়মিত পারফরমার তারা উপরের এ+ক্যাটাগরিতে বেতন পান। এভাবে আরও আছেন এ,বি,রুকি ক্যাটাগরি।

এ+ক্যাটাগরির ক্রিকেটার ও তাদের বেতন

এ+ক্যাটাগরিতে রয়েছেন বেশকজন মূল ক্রিকেটার।এ+ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার যথাক্রমে মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।এরা মাসিক ৪লক্ষ টাকা বেতন পান।

এ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার ও তাদের বেতন


এ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার যথাক্রমে ইমরুল কায়েস, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন।এরা মাসিক ৩ লক্ষ টাকা বেতন পান ।

বি ক্যাটাগরির ক্রিকেটার ও তাদের বেতন


বি ক্যাটাগরির ক্রিকেটার যথাক্রমে মুমিনুল হক, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম।এদের মাসিক বেতন ২লক্ষ টাকা।

রুকি ক্যাটাগরির ক্রিকেটার ও তাদের বেতন


রুকি ক্যাটাগরির ক্রিকেটার হলেন আবু হায়দার,আবু জায়েদ, মোঃ সাইফউদ্দিন,নাঈম হাসান, খালেদ আহমেদ। এদের মাসিক বেতন ১ লক্ষ টাকা।

    "কোন ম্যাচের ম্যাচ ফি কত"


প্রতি টেষ্ট ম্যাচে প্রত্যেক ক্রিকেটার ম্যাচ ফি পান ৬লক্ষ টাকা।
প্রতি অডিআই ম্যাচে প্রত্যেক ক্রিকেটার ম্যাচ ফি পান ৩ লক্ষ টাকা।
প্রতি টিটুয়েন্টি ম্যাচে প্রত্যেক ক্রিকেটার ম্যাচ ফি পান ২ লক্ষ টাকা।

Written by provakar chowdhury.

এইসএসসি পরীক্ষা ২০২০ বাংলা চূড়ান্ত প্রস্তুতি


                         
এইসএসসি পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা।এ পরীক্ষায় ভালো ফলাফল পরবর্তীতে বেশ আত্মবিশ্বাস যোগায়।আর যারা মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বেন তাদের জন্য এটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ একটি পাবলিক পরীক্ষা। এইসএসসি পরীক্ষা ২০২০ এর চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পর্কে এখানে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছি।

                     বাংলা 

বাংলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এখানে যেমন অপ্রাসঙ্গিক কিছু লেখার সুযোগ নেই তেমনি সামান্য অবহেলা করলে হয়তো বাংলার জন্য আপনার একটি ভালো গ্ৰেড মিস হয়ে যেতে পারে।
তাই এইসএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রস্তুতি অবশ্যই ভালো হওয়া উচিত।

বাংলায় ভালো করতে এখনই প্রস্তুতি নিন


বাংলায় ভালো মার্কস পেতে চাইলে এখনই প্রস্তুতি নিন। পরীক্ষার খাতায় ভালো উওর করতে হলে এখন থেকে একটি প্ল্যান করুন।

পরীক্ষক আপনার উওর পড়ে নম্বর দেবেন


পরীক্ষক আপনার খাতার উওর পড়ে নম্বর দেবেন।তাই কিভাবে একটি উওর আকর্ষণীয় করে লিখবেন তা এখনই তৈরি করুন।

      মূলবইয়ের বিকল্প নেই


বাংলায় ভালো করতে চাইলে অবশ্যই মূল বইয়ের সম্ভাব্য পাঠগুলো আয়ত্ত্ব করুন।

     নিজে নিজে পরীক্ষা দিন


বাসায় ইন্টারনেট থেকে বিগত পরীক্ষার প্রশ্নগুলো সলভ করুন।

   অহেতুক টপিক গুলো বাদ দিন


বাংলায় অহেতুক  পাঠগুলো পরীক্ষার জন্য বাদ দিতে হবে।যেসব পাঠ থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে সেগুলো বেশি গুরুত্ব দিন।

বহু নির্বাচনীর জন্য মূল বইয়ের বিকল্প নেই


বাংলা প্রথমপত্রে বহু নির্বাচনী অংশে ভালো করার জন্য মূল বইয়ের পাঠগুলো দাগ দিয়ে পড়ুন। মূল বইয়ের বিখ্যাত পাঠগুলো পড়ুন এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দাগ দিয়ে রাখুন।

বাসায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নের সেল্পটেষ্ট দিন


বাসায় ইন্টারনেট থেকে ডামি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন উওরপএসহ ডাউনলোড করে পরীক্ষা দিন।

   বাংলা দ্বিতীয়পত্রে গুরুত্ব দিন


বাংলা দ্বিতীয়পত্রে অনেকেই অবহেলা করে।এটি হতে পারে আপনার জন্য ক্ষতিকর।কারণ এখানে কম নম্বর পেলে আপনি একটি ভালো গ্ৰেড থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

      বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে লিখুন


বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে লেখার অভ্যাস করুন।
     

      নিজে নিজে পরীক্ষা দিন


বাংলা দ্বিতীয়পত্রে বাসায় নিজে নিজে পরীক্ষা দিন।ঘড়ি দেখে পরীক্ষার সময় ম্যানেজমেন্ট ঠিক করুন।

বাংলায় অপ্রাসঙ্গিক কথা লিখবেন না


বাংলায় ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ের ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক কথা বর্জন করুন।

  ফ্রিহ্যান্ড রাইটিং প্র্যাকটিস করুন


বাংলায় মুখস্থকে না বলুন।বাংলা দ্বিতীয়পত্রে প্রচুর ফ্রি হ্যান্ড লিখতে হবে। এক্ষেত্রে পয়েন্ট করে বাসায় ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ের প্র্যাকটিস করুন।এটি ভবিষ্যতে সাহায্য করবে।

Written by provakar chowdhury.

কোন রোগে কোন ডাক্তার দেখাবেন

                         


আমরা কোন রোগে আক্রান্ত হলে চিন্তায় পড়ে যাই কোন ডাক্তার দেখাবো।মাথা ব্যথা হলে মানসিক কারণে হতে পারে আবার নার্ভের সমস্যা থেকে এমনকি অন্য কোন রোগেও এটি হতে পারে। এক্ষেত্রে ডাক্তার নির্বাচন বেশ জটিল কাজ। অন্যান্য দেশে যেকোন রোগে প্রথমে জেনারেল ফিজিশিয়ানের পরামর্শ নিতে হয়। তিনি রোগীর উপযুক্ত বিশেষজ্ঞ নির্ধারণ করেন । তবে আমাদের দেশে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি মানা হয় না।এসব বিড়ম্বনা থেকে কিছুটা মুক্তি দিতেই নিচে সঠিক ডাক্তার নির্বাচনের উপায় বলে দিচ্ছি।

               নেফ্রোলজিষ্ট

সাধারণত কিডনির যেকোন সমস্যার জন্য সঠিক ডাক্তার নেফ্রোলজিষ্ট। প্রস্রাবে সমস্যা,মূএথলির সমস্যা, কিডনির ব্যথা ইত্যাদি রোগে অবশ্যই একজন নেফ্রোলজিষ্ট সঠিক বিশেষজ্ঞ।

               ইউরোলজিষ্ট

মূএনালী বা পুরুষ প্রজনন, বন্ধ্যাত্ব ইত্যাদি সমস্যার সঠিক ডাক্তার ইউরোলজিষ্ট।

           ডার্মাটোলজিস্ট

শরীরের চামড়ার কোন সমস্যা, চুলের সমস্যা, নখের সমস্যা ইত্যাদি ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন ডার্মাটোলজিস্টের কাছে যেতে হবে।

             কার্ডিওলজিস্ট

অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট,হার্টের অসুখ, কোলেস্টেরল ইত্যাদি সমস্যার সমাধান পেতে যেতে হবে কার্ডিওলজিস্টের কাছে।

            ইএনটি স্পেশালিষ্ট

নাক,কান ও গলার যেকোন রোগের চিকিৎসার জন্য সঠিক ডাক্তার ইএনটি স্পেশালিষ্ট।

          অর্থোপেডিক সার্জন

শরীরের যেকোন হাড়ভাঙা,হাড়ের ব্যথার জন্য অর্থোপেডিক সার্জন সঠিক ডাক্তার।তবে কিছু অর্থোপেডিক সার্জন নির্দিষ্ট কিছু স্থানের হাড়ের সমস্যার চিকিৎসা দেন আবার কেউ কেউ শরীরের সব হাড়ের চিকিৎসা ও সার্জারি করে থাকেন।

              অষ্টিওপ্যাথস

হাড়ের ক্ষয়, হাড় ব্যথা,বাতরোগ  ইত্যাদি সমস্যায় অবশ্যই যেতে হবে একজন অষ্টিওপ্যাথসের কাছে।

             অফথালমলজিষ্ট

চোখের যেকোন সমস্যার জন্য উপযুক্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অফথালমলজিষ্ট।

                পেডিয়াট্রিকস

শিশুদের যেকোন রোগে যেতে হবে পেডিয়াট্রিকসের কাছে।

গাইনোকলজিস্ট ও অবষ্টেট্রিশিয়ান

নারীর সন্তান ধারণ ,প্রসব কিংবা প্রজনন সম্পর্কিত সমস্যার সঠিক ডাক্তার গাইনোকলজিস্ট ও অবষ্টেট্রিশিয়ান।

           সাইকিয়াট্রিস্ট

মানসিক রোগ, বিষন্নতা, মাদকাসক্তি, ফোবিয়া ,মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি সমস্যায় সাইকিয়াট্রিস্ট সঠিক ডাক্তার।

             ডেন্টিস্ট

দাঁত ও মাড়ি এবং মুখের ভেতরে রোগ  হলে যেতে হবে ডেন্টিস্টের কাছে। তবে দাঁতের বা মুখের ভেতরে সার্জারির ক্ষেত্রে সুপরিচিত ও অভিজ্ঞ ডেন্টিস্টের কাছে যাবেন।

           নিউরোলজিস্ট

মাথা ব্যথা,মাথা ঘোরানো, স্ট্রোক, ব্রেইনের সমস্যায় যেতে হবে নিউরোলজিস্টের কাছে।

            অনকোলজিষ্ট

যেকোন ধরণের ক্যান্সার বা ক্যান্সারের লক্ষণ দেখা গেলে অবশ্যই অনকোলজিষ্ট সঠিক ডাক্তার।

Written by provakar chowdhury.




বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জয়ী যুবাদের বাড়ির খোঁজে


                           
বাংলাদেশের ক্রিড়াক্ষেত্রে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা এলো যুবাদের হাত ধরে। বাংলাদেশের যুবাদের এ অসাধারণ কৃতিত্ব সত্যিই ঐতিহাসিক ঘটনা।শক্তিশালী প্রতিপক্ষ টিমগুলোকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শিরোপা জয় সহজ ছিল না। priocricket.com এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জয়ী যুবাক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। সেইসাথে  ইতিহাস সৃষ্টিকারী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ টিমের ক্রিকেটারদের বাড়ি ও জন্মস্থান সম্পর্কে এখানে আলোচনা করব।

               আকবর আলী
বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলী। সামনে থেকে নেতৃত্ব  দেয়া এ লড়াকু ক্রিকেটারের বাড়ি রংপুর।
       
              তৌহিদ হ্নদয়
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জয়ী যুবা একাদশের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার তৌহিদ হ্নদয়।এ প্রতিভাবান ক্রিকেটারের বাড়ি বগুড়ায়।

              অভিষেক দাস
বিশ্বসেরা বাংলাদেশ যুবা টিমের অন্যতম সদস্য অভিষেক দাস।এ মেধাবী ক্রিকেটারের জন্ম নড়াইলে।

              রাকিবুল হাসান
রাকিবুল হাসান বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। রাকিবুল হাসানের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুরে।

               হাসান মুরাদ
হাসান মুরাদ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জয়ী যুবা টিমের অন্যতম সদস্য।তার বাড়ি কক্সবাজারে।

           তানজিম হাসান সাকিব
তানজিম হাসান সাকিব এবার বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তার জন্ম সিলেটের বালাগঞ্জে।

          পারভেজ হোসেন ইমন
পারভেজ হোসেন ইমন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ী দলের অন্যতম সদস্য। ইমনের জন্মস্থান নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ।

           মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী
মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। মৃত্যুঞ্জয় জন্মগ্ৰহন করেন সাতক্ষীরার কলারোয়ায়।

            শরিফুল ইসলাম
শরিফুল ইসলাম এবার বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব১৯ বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।তার বাড়ি পঞ্চগড়ে।

           মাহমুদুল হাসান জয়
বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দলের প্রতিভাবান ক্রিকেটার মাহমুদুল হাসান জয়। মাহমুদুল হাসান জয়ের জন্মস্থান চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে।

            শাহীন আলম
এবারের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় শাহীন আলম।তার বাড়ি কুড়িগ্ৰামের পাইকপাড়ায়।
    
           শাহাদাত হোসাইন
বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম সদস্য শাহাদাত হোসাইন। শাহাদাত হোসাইন চট্রগ্ৰামের পটিয়ায়  জন্মগ্ৰহন করেন।

          শামিম হোসাইন
শামিম হোসাইন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ী দলের সদস্য।তার জন্মস্থান চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ।

        প্রান্তিক নওরোজ নাবিল
প্রান্তিক নওরোজ নাবিল এবারের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম ক্রিকেটার।তার বাড়ি খুলনায়।

       তানজিব হাসান তামিম
বাংলাদেশের অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম রূপকার তানজিব হাসান তামিম। তামিমের বাড়ি বগুড়ায়।

Written by provakar chowdhury.

পৃথিবীর বিখ্যাত পাঁচ বইমেলা

                       
বই জ্ঞানার্জনের এক শ্রেষ্ঠ সহচর। একটি ভালো বই কখনও হয়ে যেতে পারে হাজার বন্ধুর চেয়ে দামি।আর বইকে পাঠকদের কাছে পরিচিত করানোর এক জনপ্রিয় উপায় বইমেলা। বহুকাল যাবত পৃথিবীজুড়ে বেশকিছু বিখ্যাত বইমেলা চলছে। কিছু বইমেলার বয়স অর্ধশত বছর অতিক্রম করেছে।

          বইমেলার উদ্দেশ্য


বইমেলার মূল উদ্দেশ্য হল বইয়ের প্রসার, প্রচার বৃদ্ধি। নতুন লেখক ও পাঠক সৃষ্টি।বইমেলা লেখক,প্রকাশক ও পাঠকের মিলনক্ষেত্র হিসেবে স্বীকৃত। বইমেলায় একই সাথে বইয়ের প্রচার হয়। পাঠক লেখকের সরাসরি সাক্ষাৎ ঘটে। বিশ্বব্যাপী বইকেন্দ্রিক অর্থনীতির এক প্রধান চালিকাশক্তি বইমেলা।

   পৃথিবীর বিখ্যাত সব বইমেলা


পৃথিবীতে বহু বিখ্যাত বইমেলা যুগ যুগ ধরে বইয়ের প্রচার ও প্রসারে ভূমিকা রাখছে। তেমনি কিছু বিখ্যাত বইমেলার কথা তুলে ধরছি।

        ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা

পৃথিবীর এক সুপরিচিত বইমেলা ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা । এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বইমেলা। প্রতিবছর অক্টোবর মাসে এ মেলার আয়োজন করা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় শতাধিক দেশের লেখক,প্রকাশক ও পাঠকের সমাগম ঘটে এ মেলায়।এটি পৃথিবীর প্রাচীন মেলাগুলোর অন্যতম।

   বুক এক্সপো আমেরিকা(বিইএ)


আমেরিকার সবচেয়ে বড় বইমেলা বুক এক্সপো আমেরিকা (বিইএ)।প্রতিবছর গ্ৰীষ্মের শুরুতে  চারদিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। আমেরিকার বিভিন্ন বড়
শহরে প্রতিবছর ক্রমান্বয়ে এ বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর পৃথিবীর প্রায় সব প্রান্তের পাঠক প্রকাশক ও লেখক এ মেলায় জড়ো হন।

             হংকং বইমেলা

হংকং বইমেলা বর্তমানে পৃথিবীর একটি প্রধান বইমেলা। প্রতিবছর জুলাই মাসে এ মেলার আয়োজন করা হয়। হংকং বইমেলা এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় বইমেলা।

              লন্ডন বইমেলা

পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন বইমেলা লন্ডন বইমেলা। প্রায় অর্ধশতাধিক বছর যাবত এ মেলা চলছে। লন্ডন বইমেলা পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী বইমেলা।ইউরোপে এ মেলা খুব জনপ্রিয়। ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলার সাথে শুধু এর তুলনা চলে।

    নতুন দিল্লি ওয়ার্ল্ড বুকফেয়ার 


নতুন দিল্লি ওয়ার্ল্ড বুকফেয়ার ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বইমেলা। কলকাতা বইমেলার পরে এটি ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন বইমেলা।১৯৭২ সালে  এ মেলা শুরু হয়।এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম ইংরেজি বইমেলা। প্রতিবছর এখানে সহস্রাধিক প্রকাশকের সমাগম ঘটে।১৮ ভাষার প্রায় ১২হাজার প্রকাশক এ মেলায় অংশ নেন। পৃথিবীর প্রায় সব প্রান্তের পাঠক, লেখক ও প্রকাশক এ মেলায় অংশগ্রহণ করেন।

Written by provakar chowdhury.

বরই ফলের গুণ


                         
বরই খুব সুস্বাদু এক ফল। বাংলাদেশ সহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এবং আফ্রিকায় এ ফলটি বেশি দেখা যায়। জানা যায় বরই মূলত আফ্রিকান ফল। বাংলাদেশের সব এলাকায় বরই পাওয়া যায়।প্রধানত শীতকালে বরই ফলে থাকে।বরই টক ও মিষ্টি দুধরনের হয়।বরই ফলের বহুমাত্রিক পুষ্টিগুণ রয়েছে। ফলটিতে রয়েছে শর্করা,চর্বি,আমিষ, ভিটামিন সি সহ বিভিন্ন উপকারী ভিটামিন ও খাদ্য উপাদান।

       বরই ফলের উপকারিতা

বরই  খুবই স্বাস্থ্যকর ফল।বরই সারাবছর আমাদের দেহকে সুস্থ রাখতে কাজ করে।বরই রক্ত ভালো রাখে। মৌসুমী রোগবালাই থেকে শরীরকে নিরাপদ রাখে। ডায়রিয়া,স্থুলতা প্রভৃতি থেকে আমাদের মুক্ত রাখে।

           বরইয়ের শতগুণ

বরই আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল।নিচে বরইয়ের শতগুণ সম্পর্কে আলোচনা করছি।

√বরই ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
√টনসিল ভালো রাখতে বরই কাজ করে।
√বরই রক্তশূন্যতা দূর করে।
√বরই রক্ত বিশুদ্ধ রাখে।
√মানসিক ক্লান্তি দূর করতে বরই কার্যকর।
√অনিদ্রা বা ইনসোমনিয়া দূর করে।
√রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
√লিভারের জন্য উপকারী ফল বরই।
√স্থুলতা হ্রাস করে।
√মৌসুমী জ্বর সর্দি প্রতিরোধে কাজ করে।
√বরই দাঁত ভালো রাখে।
√বরই মুখের রুচি বাড়ায়।

          বরইয়ের খাদ্যগুণ


বরই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন খাদ্যে ব্যবহূত হয়।
√বরইয়ের আচার খুব সুস্বাদু ও জনপ্রিয়।
√বরই তরকারি হিসেবেও ব্যবহার হয়।

       বরই কারা খাবেন না

পুষ্টিবিদদের ভাষ্যমতে ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বরই ক্ষতিকর।
Written by provakar chowdhury.

আইসিসি অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ২০২০এর চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

   

বড়দের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের পর অডিআই ফরম্যাটের সবচেয়ে প্রেসটিজিয়াস ইভেন্ট অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ। এবার বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হল।আকবর আলীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস রচনা করল। ভারতকে হারিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নেয় ইয়াং টাইগাররা। বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এ এক অসামান্য অর্জন। বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন।

 অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাস


অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হয় ১৯৮৮সালে। বহু বড় বড় স্টার আইসিসির এ বিশ্বআসরে খেলে পরবর্তীতে  হয়েছেন বিশ্বসেরা ক্রিকেটার।লারা, মরগান, ধাওয়ান, ডিভিলিয়ার্স,সাকিবের মত বহু স্টার এ ইভেন্টে খেলে এসেছেন।

এ বিশেষ ইভেন্টের সফল দল ও প্লেয়ার


অনুর্ধ্ব ১৯বিশ্বকাপের বিভিন্ন আসরে খেলেছেন অনেক গ্ৰেট ক্রিকেটার।

সর্বাধিক চ্যাম্পিয়ন:ভারত(৪বার)
সর্বাধিক রান।        :ইয়ন মরগান
সবচেয়ে সফল দল :ভারত
চ্যাম্পিয়ন দলের তালিকা: বাংলাদেশ,ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১বার)/ভারত(৪বার)/অষ্ট্রেলিয়া (৩বার)।

যেসব বিখ্যাত ক্রিকেটার বিগত আসরগুলোতে খেলেছেন


আইসিসি অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের বিগত বিভিন্ন আসরে খেলেছেন বহু বিখ্যাত ক্রিকেটার যাদের আলাদা করে চেনানোর প্রয়োজন নেই যেমন,ব্রায়ান লারা, শিবনারায়ণ চন্দরপল,কোটনি ওয়ালশ, রামনরেশ সারোয়ান,শিকর ধাওয়ান,এবি ডিভিলিয়ার্স,ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম,রস টেলর, মোঃ আশরাফুল, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোস্তাফিজুর রহমান,জে রুট,ইয়ন মরগান,ডিজে ব্রাভোর মত  বিখ্যাত সব ক্রিকেটার।

 


অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের বিভিন্ন ইভেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল


আইসিসি অনুর্ধ্ব ১৯বিশ্বকাপের সব আসরে জয়ী দলের তালিকা তুলে ধরছি।
ইভেন্ট     -    চ্যাম্পিয়ন
২০২০      -   বাংলাদেশ
২০১৮      -   ভারত
২০১৬      -   ওয়েস্ট ইন্ডিজ
২০১৪ ‌     - ‌  দক্ষিণ আফ্রিকা
২০১২ ‌‌‌‌     -    ভারত
২০১০ ‌‌‌     -    অষ্ট্রেলিয়া
২০০৮ ‌     -     ভারত
২০০৬      -     পাকিস্তান
২০০৪      -     পাকিস্তান
২০০২      -      অষ্ট্রেলিয়া
২০০০      -      ভারত
১৯৯৮ ‌     -      ইংল্যান্ড
১৯৮৮      -      অষ্ট্রেলিয়া
Written by provakar chowdhury.

কোন ব্যাংকে টাকা রাখবেন

         ‌  

ব্যাংকে  টাকা জমাতে চাই সবাই।তবু নানা ঝামেলায় অনেকের ব্যাংকে হিসাব খোলা হয়না। আবার অনেকেই জানেন না কোথায় টাকা রাখা লাভজনক ও নিরাপদ।এসব সমস্যা সমাধানের জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবের ক্ষেত্রে প্রদেয় সুদ বা মুনাফার বিবরণ তুলে ধরছি।

  সেভিংস না ফিক্সড ডিপোজিট


ব্যাংকে হিসাব প্রধানত দুই ধরণের  সেভিংস ও ফিক্সড ডিপোজিট ।সেভিংস একাউন্টে যেকোন সময় টাকা জমা এবং উওোলন করা যায়। ফিক্সড ডিপোজিট সাধারণত নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য করতে হয়।এক্ষেএে মেয়াদের পূর্বে টাকা উওোলনের নিয়ম নেই তবে  টাকা জমা করা যায়। সেভিংস একাউন্টে  সুদ বা মুনাফা খুব কম। ফিক্সড ডিপোজিটের ক্ষেত্রে সুদ বা মুনাফা অনেক বেশি। বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক কোন হিসাবে কত সুদ বা মুনাফা দিচ্ছে তা আলোচনা করছি।

        অগ্ৰণী ব্যাংক লিমিটেড

বাংলাদেশের সুপরিচিত সরকারি কমার্শিয়াল ব্যাংক  অগ্ৰণী ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংকটি সেভিংস একাউন্টের ক্ষেত্রে বার্ষিক ৩.৫০ থেকে ৪% সুদ দিচ্ছে। ফিক্সড ডিপোজিটের ক্ষেত্রে ব্যাংকটি ৫.৭৫ থেকে ৬%পর্যন্ত সুদ বা মুনাফা দিচ্ছে।

       রুপালী ব্যাংক লিমিটেড

রুপালী ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় সরকারি কমার্শিয়াল ব্যাংক। ব্যাংকটি সেভিংস একাউন্টে ৩থেকে ৪%মুনাফা দিচ্ছে ।ফিক্সড ডিপোজিটে সুদ দিচ্ছে ৫.২৫থেকে ৬% পর্যন্ত।

       সোনালী ব্যাংক লিমিটেড

সোনালী ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের বৃহত্তম সরকারি ব্যাংক। সোনালী ব্যাংক তার গ্ৰাহকদের সেভিংস একাউন্টে ৩.৫০থেকে ৩.৭৫% সুদ দিচ্ছে। ফিক্সড ডিপোজিটে দিচ্ছে  ৬%পর্যন্ত সুদ।

        বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটি বিশেষায়িত ব্যাংক। ব্যাংকটি সেভিংস একাউন্টে দিচ্ছে ৩.৫০থেকে ৪%পর্যন্ত সুদ। ফিক্সড ডিপোজিটের ক্ষেত্রে ব্যাংকটি সুদ দিচ্ছে ৫.৭৫থেকে ৬%।

   ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের সুপরিচিত ও জনপ্রিয় প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংক । ব্যাংকটি সেভিংস একাউন্টের ক্ষেত্রে তার গ্ৰাহকদের দিচ্ছে বার্ষিক ১থেকে ৪%  পর্যন্ত সুদ। ফিক্সড ডিপোজিটে দিচ্ছে৬থেকে ৭% সুদ।

     পূবালী  ব্যাংক লিমিটেড

পূবালী ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের জনপ্রিয় প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংক।গ্ৰাহকসেবার দিক থেকে ব্যাংকটি ভালো অবস্থানে রয়েছে। পূবালী ব্যাংক লিমিটেড গ্ৰাহকদের সেভিংস একাউন্টের ক্ষেত্রে বার্ষিক ২.৭৫% থেকে ৬%পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে। ফিক্সড ডিপোজিটের ক্ষেত্রে ব্যাংকটি ৪ থেকে ৯% পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে।

  স্টান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক লিমিটেড


স্টান্ডার্ড   চাটার্ড    ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের একটি সফল বিদেশি ব্যাংক।গ্ৰাহকসেবা ও ব্যাংকিং দুই    মিলে ব্যাংকটি বাংলাদেশে বেশ ভালো অবস্থানে আছে। ব্যাংকটি সেভিংস একাউন্টে বার্ষিক ০.৩৫ থেকে ২% পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে।ফিক্সড ডিপোজিটে দিচ্ছে ২থেকে ৬% সুদ।


      ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড

ডাচবাংলা ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের একটি সুপরিচিত ব্যাংক। ব্যাংকটি বেশ সুনামের সাথে বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ব্যাংকটি সেভিংস একাউন্টের ক্ষেত্রে ১থেকে ৩.৫০% সুদ দিচ্ছে। ফিক্সড ডিপোজিটে দিচ্ছে ৪থেকে ৫.৫০% সুদ।

      ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড

ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের একটি ব্যবসাসফল প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংক। ব্যাংকটি সেভিংস একাউন্টে দিচ্ছে ৪% পর্যন্ত সুদ।ফিক্সড ডিপোজিটের ক্ষেত্রে ব্যাংকটি গ্ৰাহকদের দিচ্ছে ২ থেকে ৭.৫০% পর্যন্ত সুদ।
Written by provakar chowdhury.

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবোর্চ্চ দলীয় স্কোরের ম্যাচ

                       
টিটুয়েন্টি ফরম্যাট ক্রিকেটে এনেছে আমূল পরিবর্তন। ব্যাটিং বোলিং ফিল্ডিং তিন ক্ষেত্রেই এসেছে রূপান্তর। ক্রিকেটের  এ বিশেষ ফরম্যাটের  সমালোচনাও হচ্ছে। সাবেক ক্রিকেটাররা এ ফরম্যাটের কিছু প্রবণতা নিয়ে সবসময় সতর্ক করছেন। অনেকে বলছেন টিটুয়েন্টির জন্য ক্রিকেট তার চিরায়ত ভদ্র চেহারা হারাচ্ছে। তবু সবকিছুর পর দিন দিন টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের আবেদন বাড়ছে। এখানে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের কিছু সবোর্চ্চ দলীয় স্কোরের সন্ধান করব ।

আফগানিস্তান- আয়ারল্যান্ড ম্যাচ২০১৯


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এখনও সবোর্চ্চ দলীয় স্কোর আফগানিস্তান-আয়ারল্যান্ড১৯ এর এক ম্যাচে আফগানিস্তানের ২৭৮/৩।

  চেকপ্রজাতন্ত্র - তুরস্ক ম্যাচ ২০১৯


চেকপ্রজাতন্ত্র - তুরস্ক ২০১৯ এর এক ম্যাচে চেকরা সংগ্ৰহ করে ২৭৮/৪।এটি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সবোর্চ্চ দলীয় স্কোরের মধ্যে অন্যতম।

 অষ্ট্রেলিয়া  - শ্রীলঙ্কা ম্যাচ ২০১৬


অষ্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ২০১৬ সালের একটি ম্যাচে অষ্ট্রেলিয়া ২৬৩/৩ দলীয় স্কোর সংগ্ৰহ করে।

       শ্রীলঙ্কা- কেনিয়া ম্যাচ ২০০৭ 

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের নতুন ফরম্যাটের সমীহ জাগানো টিম।শ্রীলঙ্কা ২০০৭ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচে সংগ্ৰহ করে ২৬০/৬।

        ভারত- শ্রীলঙ্কা ম্যাচ ২০১৭

ভারত সাবেক টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী টিম।ভারত ২০১৭সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ম্যাচে ২৬০/৫ রানের দলীয় স্কোর করে।

 স্কটল্যান্ড - নেদারল্যান্ড ম্যাচ ২০১৯


স্কটল্যান্ড ছোট ফরম্যাটের ক্রিকেটের আলোচিত টিম।স্কটল্যান্ড - নেদারল্যান্ড মধ্যকার ২০১৯সালের এক ম্যাচে স্কটল্যান্ড ২৫২/৩ রান সংগ্রহ করে।

   অষ্ট্রেলিয়া- ইংল্যান্ড ম্যাচ২০১৩

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বহু রেকর্ডের মালিক অষ্ট্রেলিয়া।অষ্ট্রেলিয়া ২০১৩সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এক ম্যাচে ২৪৮/৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়।যা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে অন্যতম সবোর্চ্চ দলীয় সংগ্ৰহ।

 অষ্ট্রেলিয়া - নিউজিল্যান্ড ম্যাচ২০১৮

অষ্ট্রেলিয়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শক্তিশালী টিম।২০১৮ সালে অষ্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার এক ম্যাচে অষ্ট্রেলিয়া ২৪৫/৫ রানের বিশাল দলীয় স্কোর করে।

 ওয়েস্ট ইন্ডিজ- ভারত ম্যাচ ২০১৬

সাবেক টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী ওয়েষ্ঠ ইন্ডিজ টিটুয়েন্টি ফরম্যাটের জনপ্রিয় টিম।ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০১৬সালে ভারতের বিপক্ষে এক ম্যাচে ২৪৫/৬ রানের বিশাল দলীয় স্কোর সংগ্ৰহ করে।

 ভারত  - ওয়েষ্ঠ ইন্ডিজ ম্যাচ ২০১৬


ভারত- ওয়েষ্ঠ ইন্ডিজ  ম্যাচ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের বিশেষ আকর্ষণ। টিটুয়েন্টিক্রিকেটের বড় দল হিসেবে পরিচিত ভারত ২০১৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৪৪/৬ রানের বিশাল দলীয় স্কোর করে।
Written by provakar chowdhury.

ক্রিকেটের জনপ্রিয় সব শট

                   
ক্রিকেটে বিচিত্র সব শট রয়েছে । কিছু শট ক্লাসিক্যাল ঘরানার কিছু আবার হাল আমলের। তবে ভালো শট খেলতে হলে শিখতে হয়। এবং কাজটি খুব সহজ নয়। বিখ্যাত সব ব্যাটসম্যান ব্র্যাডম্যান থেকে বিরাট কোহলি সবাই শট খেলতে খুব পারঙ্গম। ক্লাসিক্যাল শটগুলোর সাথে টি২০যুগে ইনোভেটিভ কিছু শট যুক্ত হয়েছে। কারণ চেনা শটগুলো টি২০ বা হাইস্কোরিং অডিআই ম্যাচে সবসময় কার্যকর হয়না।তাই ব্যাটসম্যানরা নতুন শট খেলতে চান।দিলসানের দিলস্কুপ, পরবর্তী সময়ে আশরাফুলের প্যাডল স্কুপ নতুন ধাচের শট। সবকিছু ছাপিয়ে চিরপরিচিত শটগুলোই ক্রিকেটে এখনও মূল আকর্ষণ।

              অফসাইড শট

ক্রিকেটে অফসাইড শট খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বলে ব্যাটসম্যানদের প্রিয় শট অফসাইডের শট।লারা, গিলক্রিস্ট থেকে কোহলি , স্মিথদের যুগেও অফসাইড শটগুলো সমান জনপ্রিয়।

স্কয়ার কাট:

স্কয়ার কাট অফসাইডের জনপ্রিয় শট। ওপেনিং ব্যাটসম্যানদের প্রিয় শট এটি। নতুন বলে ব্যাট এবং টেকনিকের সমন্বয়ে স্কয়ার কাট খেলা সহজ। এবং টাইমিং ঠিক হলে স্কয়ার কাট প্রায়ই চার ছয়ে পরিণত হয়। বীরেন্দর শেবাগ ,বিরাটকোহলি, রোহিত শর্মা, স্টিভ স্মিথ,এবি ডিভিলিয়ার্স স্কয়ার কাট খুব ভালো খেলে থাকেন।

স্কয়ার ড্রাইভ:

স্কয়ার ড্রাইভ ক্রিকেটের জনপ্রিয় অফশট। এটিও মূলত টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানরা খেলে থাকেন। ওপেনারদের প্রিয় শট এটি। নতুন বলে স্কয়ার ড্রাইভ খুব ভালো হয়। স্কয়ার ড্রাইভ থেকে দ্রুত রানরেট বাড়ানো যায়।সনাৎ জয়সুরিয়া, সৌরভ গাঙ্গুলী,ক্রিস গেইল, রোহিত শর্মা, বীরেন্দর শেবাগ, বিরাট কোহলি স্কয়ার ড্রাইভ খেলার জন্য বিখ্যাত।

কভার ড্রাইভ:

কভার ড্রাইভ ক্রিকেটের জনপ্রিয় ক্লাসিক্যাল শট। বিরাট কোহলি,তিলকেরত্মে দিলসান, স্টিভ স্মিথ ভালো কভার ড্রাইভ খেলার জন্য বিখ্যাত।এ শটটি টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানরা বেশি খেলে থাকেন।

স্টেট ড্রাইভ:

স্টেট ড্রাইভ ক্রিকেটের সুপরিচিত একটি শট। সাধারণত বাউন্সি ও স্পোর্টিং উইকেট স্টেট ড্রাইভ খেলার জন্য আদর্শ। শচিন টেন্ডুলকার,হাসিম আমলা,জ্যাক ক্যালিস, রাহুল দ্রাবিড় , রোহিত শর্মা  এ শট খেলার জন্য বিখ্যাত।
     

               অনসাইড শট

ক্রিকেটে বিখ্যাত সব অনসাইড শট রয়েছে।হুক,পুল,সুইপ ইত্যাদি এর মধ্যে অন্যতম।

হুক:

হুক মূলত বাউন্সি উইকেটে ভালো খেলা যায়।অনসাইডে হুক থেকে সহজে বিগশট মেরে থাকেন ব্যাটসম্যানরা। বলের গুণ বিচার করে হুক করলে নিশ্চিত ছয় হয়ে থাকে।সনাৎ জয়সুরিয়া, রোহিত শর্মা হুক খেলার জন্য ক্রিকেটে বিখ্যাত।

পুল:

পুল ক্রিকেটের জনপ্রিয় শট।এটি বিখ্যাত অনশট।পুল শট খেলার জন্য অনসাইডে স্ট্রং হতে হয়। শ্রীলঙ্কার সাবেক ব্যাটিং লিজেন্ড মাহেলা জয়াবর্ধনে, কুমার সাঙ্গাকারা , ভারতের বিরাট কোহলি, দক্ষিণ আফ্রিকার হাসিম আমলা এ শটটি নিখুঁতভাবে খেলে থাকেন।

সুইপ: 

সুইপ অর্থোডক্স ঘরানার শট।সুইপ সাধারণত স্পিন বলে ভালো খেলা যায়।দিলসান, সাঙ্গাকারা, ডিভিলিয়ার্স, ধাওয়ান সুইপ খেলার জন্য বিখ্যাত।

লফটেড ড্রাইভ:

লফটেড ড্রাইভ ক্রিকেটের খুব পরিচিত শট।এটি সাধারণত মিডলঅর্ডার ও লেটঅর্ডার ব্যাটসম্যানরা বেশি খেলে থাকেন।পোলার্ড,পান্ডিয়া, ধোনি, আফ্রিদি লফটেড ড্রাইভ খেলার জন্য বিখ্যাত।
Written by provakar chowdhury.

দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য আদর্শ স্মার্টফোন

                     
স্মার্টফোন ছাড়া এখনকার দৈনন্দিন জীবন কল্পনা করা যায় না। প্রায় সবারই এখন ঘরে বাইরে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে হয়। আমাদের অনেক কাজ সহজ করে দিয়েছে এ বস্তুটি।শুনা যাচ্ছে আগামীতে স্মার্টফোন কম্পিউটারের বাজার দখল করবে।আর কম্পিউটারের ব্যাগ নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। আসুন জেনে নিই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কোন স্মার্টফোন আদর্শ হতে পারে।

         স্মার্টফোন কেনার আগে

স্মার্টফোন কেনার আগে কিছু মৌলিক ধারণা রাখা ভালো।কি কি দেখে আদর্শ স্মার্টফোন চয়েছ করবেন আসুন জেনে নেই। বিভিন্ন টেকনোলজি বিশেষজ্ঞের মতামত থেকে ধারণা নিয়ে দৈনন্দিন জীবনের  আদর্শ স্মার্টফোনের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরছি।

             দাম ও বাজেট

স্মার্টফোন কেনার আগে দাম ও বাজেট নির্ধারণ করা উচিত। দৈনন্দিন কাজের জন্য ১৫হাজার থেকে ২০হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোনগুলো আদর্শ। এখানে এ দামের স্মার্টফোন নিয়ে আলোচনা করব।

                অপারেটিং সিস্টেম

এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম যুক্ত স্মার্টফোন কেনাই ভালো। যদিও টেকনোলজি বিশেষজ্ঞরা এর নিরাপত্তা সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

              ফোন প্রসেসর

স্মার্টফোনের প্রসেসর হিসেবে ইন্টেল,অ্যাপল, স্যামসাং,মিডিয়াটেক,কোয়ালকম অধিক জনপ্রিয়।

                 রেম


স্মার্টফোনের অন্যতম মেমোরি হচ্ছে রেম। রেম যত বেশি হবে তত ভালো।রেম বেশি হলে স্মার্টফোন ভালো কাজ করবে।

                   রম

স্মার্টফোনের স্থায়ী মেমরি রম।রম যত বেশি হবে তত বেশি সুবিধা পাওয়া যায়।
                 

                   ক্যামেরা

স্মার্টফোনের ক্যামেরা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এক্ষেত্রে মেগাপিক্সেল বেশি হলে ভালো ।সেই সাথে বিশেষ ফিচার দেখে নেয়া উচিত।

                    ব্যাটারি


দৈনন্দিন কাজের স্মার্টফোনের ব্যাটারি অবশ্যই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন হলে ভালো। এক্ষেত্রে টেক বিশেষজ্ঞরা ন্যূনতম ৩০০০এমএএইস ক্ষমতার ব্যাটারি যুক্ত স্মাটফোনকে আদর্শ বলেন।

             ওজন ও বডি

অবশ্যই দৈনন্দিন জীবনের আদর্শ স্মার্টফোনের ওজন খুব বেশি হলে সমস্যা হতে পারে।বহন করতে অসুবিধা হবে। এবং বডি মেটাল হলে ভালো।
     

                  ব্রান্ড

স্মার্টফোনের ব্রান্ড একটি বিষয়।তবে যেসব ব্রান্ডের কাষ্টমার সাপোর্ট ভালো ও সহজ সেগুলো আদর্শ।

দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য এ সময়ের আদর্শ স্মার্টফোন


         জিয়াওমি রেডমি নোট ৮
জিয়াওমি রেডমি নোট ৮ ফোনটি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য এ সময়ের একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন।
         জিয়াওমি রেডমি নোট ৭প্রো
এটিও ভালো মানের ব্যাটারি যুক্ত একটি স্মার্টফোন।
        জিয়াওমি রেডমি নোট ৭এস
এটি এ সময়ের একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। উচ্চক্ষমতার ব্যাটারি যুক্ত ফোন এটি।
         অপো এফ৯প্রো
অপো এফ ৯প্রো এ সময়ের একটি আদর্শ স্মার্টফোন।
   স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭এজ
এটি একটি ভালো স্মার্টফোন।
          স্যামসাং গ্যালাক্সি এম২০ 
উচ্চক্ষমতার ব্যাটারি যুক্ত স্মার্টফোন এটি।ভালো মেমোরিযুক্ত।

          স্যামসাং এ৩০এস
স্যামসাং এ৩০এস উচ্চক্ষমতার ব্যাটারি যুক্ত স্মার্টফোন।এর মেমোরিও অনেক বেশি।

          ওয়ালটন প্রিমো এস৭
ওয়ালটন প্রিমো এস৭ এ সময়ের একটি আদর্শ স্মার্টফোন। ব্যাটারি এবং মেমোরি দুইই উন্নত।

         হুয়াওয়ে হনর৯এন
হুয়াওয়ে হনর৯এন একটি আদর্শ স্মার্টফোন।হিউজ মেমরি ও ভালো ক্ষমতার ব্যাটারি আছে এ স্মার্টফোনে।

     আসুস জেনফোন ম্যাক্সপ্রো এম১
এটিও দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। উচ্চক্ষমতার ব্যাটারি যুক্ত স্মার্টফোন এটি। মেমরিও ভালো।

        সিম্ফনি পি১১
স্মার্টফোন হিসেবে সিম্ফনি পি১১ বেশ ভালো। উচ্চক্ষমতার ব্যাটারি আছে এ ফোনে।ফুল এইচডি ভিডিও সুবিধা আছে। মেমরিও ভালো।


Written by provakar chowdhury.

লিয়নেল মেসির রেকর্ডের গল্প

                     
ফুটবলের সুপার বয় লিয়নেল মেসি ৫০০তম গোল করলেন।মেসি সম্পর্কে বড় সত্য হল শুধু বিশ্বকাপ জয় করতে পারেননি আর সব জয় করে ফেলেছেন । অসাধারণ ক্ষিপ্রতা, নিখুঁত প্লেসমেন্ট, দারুণ ড্রিবলিং সবকিছু মিলে মেসি ফুটবলের এক ক্ষণজন্মা সুপার বয়। বিশ্বজুড়ে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তার মূলে শৈল্পিক ফুটবল। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিড়া ব্যক্তিত্বের তালিকায় তার নামটি বহুআগে লিপিবদ্ধ হয়েছে। এখানে মেসির কিছু অনন্য  রেকর্ডের গল্প বলব।

সর্বাধিক ব্যালন ডি অর জয়ের রেকর্ড


মেসি সর্বাধিক ৪বারের ব্যালন ডি অর জয়ী ফুটবলার। তারচেয়ে বেশি ব্যালন ডি অর জয়ী ফুটবলার আর নেই।

ক্লাব ফুটবলে এক মৌসুমে সবোর্চ্চ গোল

লিয়নেল মেসি মানে নতুন কোন রেকর্ড। অপূর্ব ফুটবলের এ কারিগর ক্লাব ফুটবলে এক মৌসুমে সবোর্চ্চ ৭৩গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।

বার্সেলোনার ইতিহাসে সবোর্চ্চ গোল


মেসি মানে গোল। কখনও ডিফেন্স ভেঙ্গে গোল করছেন কখনও নিখুঁত ফ্রিকিক বা হেডে গোল করাছেন।মেসি বার্সেলোনার ইতিহাসে সবোর্চ্চ ৩৬৪ গোল করেন।

এলক্লাসিকোর সবোর্চ্চ গোলদাতা


বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার এলক্লাসিকোর সবোর্চ্চ ২১ গোল লিয়নেল মেসির।

এক মৌসুমে ৫০গোলের রেকর্ড


মেসির এক অনন্য অর্জন এক মৌসুমে সবোর্চ্চ ৫০গোল করার কৃতিত্ব। এবং এমন রেকর্ড শুধু মেসির পক্ষে সম্ভব।

গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড জয়ী গোলদাতা


মেসি ফুটবলের রেকর্ডবুকে নতুন অধ্যায় তৈরি করেছেন।এক বছরে সবোর্চ্চ ৯১ গোল করে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নিজের নাম লিখেছেন।

আর্জেন্টিনার হয়ে এক বছরে সবোর্চ্চ গোল


মেসি আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসকেও করেছেন সমৃদ্ধ। আর্জেন্টিনার পক্ষে এক বছরে সবোর্চ্চ ১২গোল করার রেকর্ড আছে তার।

 লা লিগায় সর্বাধিক হ্যাটট্রিক


লা লিগায় সর্বাধিক হ্যাটট্রিক মেসির।১১/১২ মৌসুমে লা লিগায় মোট ৮ হ্যাটট্রিক করেন এ ফুটবল জাদুকর। 

লিগে সব দলের বিপক্ষে গোলের কৃতিত্ব


মেসির রেকর্ডের খাতায় প্রতি ম্যাচেই লেখা হয়েছে নতুন কিছু। বার্সেলোনার হয়ে এক লিগে সব দলের বিপক্ষে গোল করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন ফুটবলের এ সুপার বয়।

Written by provakar chowdhury.