WHAT'S NEW?
Loading...

সাকিব আল হাসান

                       

 সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটার। বিস্ময়বালক বললে ভুল হবে না।টেপড টেনিস বলের ক্রিকেট শুরু করে পরবর্তীকালে হয়ে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে সেরা অলরাউন্ডার। নিঃসন্দেহে সাকিব আল হাসান ক্রিকেটের এক অনন্য রাজপুত্র। এখানে ক্রিকেটার সাকিবের অজানা গল্প জানানোর চেষ্টা করব।


                জন্ম ও শৈশব


সাকিব আল হাসান ১৯৮৭সালে  বাংলাদেশের মাগুরায় জন্মগ্ৰহন করেন। মূলত বামহাতি ব্যাটসম্যান।স্লো বামহাতি অর্থোডক্স বোলার।দলে অলরাউন্ডার হিসেবে খেলে থাকেন। ২০০৬সালে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে তার অভিষেক হয়।প্রথমে ব্যাটসম্যান হিসেবে দলভুক্ত হন সাকিব।

              ক্রিকেটার হবার গল্প


১.সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ ক্রিড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান(বিকেএসপি)এর সাবেক ছাএ।
২.২০০৬সালে বাংলাদেশ জাতীয় দলে অভিষিক্ত হন।
৩.২০১৫সালে সাকিব তিন ধরনের ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার নির্বাচিত হন।
৪.তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ক্রিকেটে ৪০০০রান করেন।
৫.সাকিব প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ১০০০রান পূর্ণ করেন।
৬.তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় অলরাউন্ডার হিসেবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ১০০০রান ও ৫০উইকেট নেবার কৃতিত্ব দেখান।

               আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার


মোট টেষ্ট              রান            সেঞ্চুরি
৫৫                      ৩৮০৭          ৫
মোট অডিআই       রান           সেঞ্চুরি
 ২০৬                   ৬৩২৩          ৯
মোট টি২০            রান              ফিফটি
 ৭২                       ১৪৭১ ‌          ৬

 মোট টেষ্ট উইকেট          :২০৫
 মোট  অডিআই উইকেট :২৬০
 মোট টি২০উইকেট         :৮৮ 

               ডমেষ্টিক ক্রিকেট

  ‌
 সাকিব আল হাসান ডমেষ্টিক ক্রিকেট খেলছেন বহু নামী টিম ও লিগের হয়ে।
খুলনা বিভাগ      :২০০৪
অরচেষ্টারশায়ার   :২০১০/১১
কলকাতা নাইট রাইডার্স:২০১১-২০১৭
খুলনা রয়েল বেঙ্গলস:২০১২/১৩
ঢাকা ডায়নামাইটস:২০১৩/১৬
লিচেষ্টারশায়ার:২০১৩
বার্বাডোর্স ট্রাইডেন্টস:২০১৩
আডিলেড স্টাইকার্স:২০১৪
মেলবোর্ন রেনেগেডস:২০১৫
রংপুর রাইডার্স:২০১৫
করাচি কিংস:২০১৬
পেশোয়ার জালমি:২০১৭
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ:২০১৮

          সাকিবের অজানা কথা


১.সাকিব শৈশব থেকে খেলা পাগল।
২.সাকিবের বাবা খুলনা বিভাগের হয়ে ফুটবল খেলতেন।
৩.লোকাল ক্রিকেটের এক আম্পায়ার সাকিবের খেলা দেখে তাকে মাগুরা ক্রিকেট লিগে খেলার সুযোগ করে দেন।
৪.মাগুরায় খেলার আগে সাকিব টেপড টেনিস বলে ক্রিকেট খেলতেন।
৫.মাএ ১৫বছর বয়সে সাকিব অনূর্ধ্ব ১৯ দলে খেলার সুযোগ পান।
৬.২০০৮সালের নিউজিল্যান্ড সফরের আগে সাকিব মূলত ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন।
৭.টেষ্টে সাকিব ব্যাটিং করতেন ৭নম্বরে।
৮.তৎকালিন কোচ জেমি সিডন্স সাকিবকে স্পেশালিষ্ট টেষ্ট বোলার হিসেবে দলভুক্ত করেন।
৯.২০০৯সালে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিদেশে প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে জয়লাভ করে।
১০.২০০৯সালে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে সাকিব আইসিসি টেস্ট প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হন।
১১.২০১৭সালে সাকিব এমসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির সদস্য মনোনীত হন।
১১.যুবরাজ সিংয়ের পর তিনি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় অলরাউন্ডার হিসেবে এক ম্যাচে অর্ধশত রান ও ৫উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখান।

Written by provakar chowdhury.