WHAT'S NEW?
Loading...

বিখ্যাত ক্রিকেটীয় বচন

                         
 

ক্রিকেটের পাঠকদের কাছে ক্রিকেটীয় বচনের মূল্য অনেক। বিখ্যাত ক্রিকেটার থেকে শুরু করে ধারাভাষ্যকার, ক্রিকেট লেখকদের বিভিন্ন বচন বা উক্তি অনেকের কাছে আলাদা আগ্ৰহের বিষয়। এখানে কিছু বিখ্যাত ক্রিকেটীয় বচন তুলে ধরব।


√এটি বিশ্বকাপ এখানে এক লাফে পঞ্চাশ তলায় উঠার মত সুযোগ নেই। এখানে আপনাকে মাঠে খেলেই উপরে উঠতে হবে। (শচিন টেন্ডুলকার)

√এটি ক্রিকেট এখানে আপনি খুব ছোট কোন ভুলের জন্যও হেরে যেতে পারেন।(স্টিভ ওয়াহ)

√একজন বোলারের বড় গুণ হলো সহজে ব্যাটসম্যানকে প্রলুব্ধ করার ক্ষমতা।(শেন ওয়ার্ন)

√ক্রিকেট আমার কাছে সহজ একটি খেলা। ক্রিকেটকে সহজভাবে দেখুন খেলাটি উপভোগ করতে পারবেন।(শেন ওয়ার্ন)

√শেন ওয়ার্নের কাছে ব্যালেন্স ডায়েট হচ্ছে সবাই মিলে চিজবারগার খাওয়া।(ইয়ান হিলি)

√কোন দলই এক বা দুজনের ওপর নির্ভর করে মাঠে নামেনা, পুরো দল নিয়ে জেতার জন্য নামে।(বিরাট কোহলি)

√ক্রিকেট সম্পূর্ণ ১১জনের খেলা।এক বা দুজনের খেলা নয়।(গৌতম গম্ভীর)

√ক্রিকেটে উওেজনা বেড়েছে।এখন আপনাকে শুধু ফিল্ডিং নিয়ে ভাবলে চলবে না, ব্যাটসম্যানের মাইন্ডসেটও বুঝতে হবে।(এমএস ধোনি)


√ভালো ক্রিকেটার কখনও হাল ছেড়ে দেয়না।সে নিজের কাজটি ঠিকঠাক মত করে যায়।(এন্থনি টি হিংকস)

√ক্রিকেটে এমন বোদ্ধার অভাব নেই যারা মূহূর্তে আপনাকে বাতিলের খাতায় ফেলে দিতে পারবে।(ইয়ান বোথাম)

√একদিনের ক্রিকেট অনেকটা প্রদর্শনীর মত। টেষ্ট ক্রিকেট একটি পরীক্ষা।(হেনরি ব্লুফিল্ড।

√ক্রিকেট এখন নিশ্চিতভাবে একটি পেশাদার খেলায় পরিণত হয়েছে।(গ্লেন ম্যাকগ্রা)

√ক্রিকেট একদিকে যুদ্ধ ও কাজ অন্যদিকে খেলা ও শিল্প।(ডগলাশ জারডিন)

√একদিনের ক্রিকেট অনেকটা ফাষ্ট ফুডের মত কেউ নিজে এর আয়োজন করতে চায় না।(ভিভ রিচার্ডস)

√ক্রিকেট একটি চাপের খেলা এবং ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে তা দ্বিগুণ হয়ে যায়।(ইমরান খান)

√শচিনের মত তিন মিটার চওড়া ব্যাট নিয়ে যখন কেউ মাঠে নামে তখন ক্রিকেট সত্যিই এক কঠিন যুদ্ধে পরিণত হয়।(মাইকেল হাসি)

√একজন পারফেক্ট ব্যাটসম্যানকে তার স্টোক খেলা দেখে চেনা যায়।(নেভিল কারডাস)

√দ্রাবিড় চাইলে আমার মত আটাকিং ক্রিকেট খেলতে পারবে তবে আমি চাইলেই তার মত খেলতে পারবনা।(ক্রিস গেইল)

√টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ক্লাসের  কদর নেই।(অর্জুনা রানাতুঙ্গা)

√তুমি জিমি এন্ডারসনকে একটি নারকেল দাও সে সুয়িং করাতে পারবে।(মাইকেল হোল্ডিং)

√ভালো ব্যাটিংয়ের প্রথম শর্ত হল নিজের ব্যাটকে ঠিকভাবে ব্যবহার করা।(ফাফ ডু প্লেসিস)
Written by provakar chowdhury.

সরস্বতী পূজার শুভেচ্ছা

                 
PRIO CRICKET.COMএর পক্ষ থেকে
সবাইকে সরস্বতী পূজার শুভেচ্ছা। বিশ্বজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায় মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজার আয়োজন করে থাকেন। সরস্বতী দেবীকে বিদ্যা ও সংগীতের দেবী হিসেবে পূজা করা হয়।
বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও হিন্দু শিক্ষার্থীরা সরস্বতী পূজার আয়োজন করে থাকেন।

Written by provakar chowdhury.

শীতের শাকসবজির গুণাগুণ জানুন

           

কথায় আছে রোগ নিরাময় অপেক্ষা প্রতিরোধ উওম। কিন্তু এ প্রতিরোধ শুধু আর্টিফিসিয়াল ফুড থেকে পাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে শীতকালিন সবজি এক দারুণ উপাদান যা আমাদের দেহ ও মনের জন্য খুব উপকারী। সুস্থ দেহের জন্য শীতকালিন সবজি খাওয়ার বিকল্প নেই। আসুন জেনে নিই শীতকালিন বিভিন্ন শাকসবজির গুণাগুণ।

                        গাজর


গাজর একটি সুস্বাদু শীতকালিন সবজি। শীতকালে উৎপন্ন হলেও প্রায় সারা বছরই গাজর পাওয়া যায়। গাজর কাঁচা ও রান্না দুউপায়েই খাওয়া যায়।সালাদ হিসেবে গাজরের বহুল ব্যবহার রয়েছে।গাজরে আছে ভিটামিন এ,সি,কে, পটাশিয়াম প্রভৃতি পুষ্টি উপাদান।গাজর চোখ ভালো রাখে।এটি মানুষের ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। ত্বককে সজীব করে তুলে। গাজরের বাহারি স্বাদের সুনাম রয়েছে। কাঁচা গাজর হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। শরীরের ওজন কমাতে গাজর কার্যকর।

                         টমেটো


টমেটো শীতের জনপ্রিয় সবজি।তবে এখন  বাজারে সারা বছরই টমেটো দেখা যায়। প্রচুর ক্যালরি সমৃদ্ধ এ সবজি মানুষের শরীরের জন্য খুবই উপকারী।এটি কাঁচা এবং পাকা দুঅবস্থায়ই খাওয়া যায়। ভিটামিন সি থাকায় এটি শীতকালিন জ্বর, সর্দি প্রতিরোধে খুব কার্যকর। টমেটো শরীরের মাংসপেশীকে মজবুত করে। দাঁতকে শক্তিশালী করে টমেটো।এটি চোখের পুষ্টি জোগায়। টমেটো হাড়কে সুস্থ রাখে। টমেটো মানুষের দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এবং হ্নদরোগ প্রতিরোধে কাজ করে। টমেটো কাঁচা খাওয়া বেশি উপকারি।

                        ফুলকপি


শীতের জনপ্রিয় সবজি ফুলকপি। খুব সুস্বাদু এ শীতকালিন সবজি মানুষের রোগ প্রতিরোধেও সক্ষম। ফুলকপিতে আছে ভিটামিন সি,কে,বি২সহ বহু খনিজ উপাদান। ফুলকপি মানুষের পরিপাকতন্ত্র ভালো রাখে।হাড়কে সুস্থ রাখতে এর ভূমিকা আছে। ফুলকপিতে কোন চর্বি নেই। ফুলকপি আয়রনের এক ভালো উৎস।এটি আমাদের শীতকালিন জ্বর, সর্দি কাশি প্রতিরোধ করে ও টনসিল ভালো রাখে। ফুলকপি চোখের জন্য উপকারী।তবে পুষ্টিবিদেরা গ্যাস্ট্রিকের রোগীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফুলকপি না খাওয়ার পরামর্শ দেন।

                         শিম


শীতে শিমের জুড়ি নেই অভাব নেই। কিন্তু আমরা এর পুষ্টিগুণ নিয়ে অনেকেই জানি না। অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি শিম। শিমের বিচি থেকে ডাল হয়।শিম পরিপাকে সাহায্য করে। ডায়রিয়ার প্রকোপ কমায়।শিম রক্তের কোলেস্টেরল হ্রাস করে ও হ্নদরোগের ঝুঁকি কমায়। যারা মাছমাংস কম খেতে চান তাদের জন্য শিমের বিচি প্রোটিনের দারুণ এক বিকল্প।

                         মূলা


শীতের জনপ্রিয় সবজি মূলা।মূলা কাঁচা ও রান্না উভয় প্রক্রিয়ায় খাওয়া যায়।মূলায় আছে ভিটামিন সি।মূলা শরীরের ওজন কমাতে কার্যকর।মূলা হ্নদরোগের ঝুঁকি কমায়।মূলা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। ত্বক সজীব রাখতে মূলা উপকারী।মূলা আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।written by provakar chowdhury.

সাকিব আল হাসান

                       

 সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটার। বিস্ময়বালক বললে ভুল হবে না।টেপড টেনিস বলের ক্রিকেট শুরু করে পরবর্তীকালে হয়ে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে সেরা অলরাউন্ডার। নিঃসন্দেহে সাকিব আল হাসান ক্রিকেটের এক অনন্য রাজপুত্র। এখানে ক্রিকেটার সাকিবের অজানা গল্প জানানোর চেষ্টা করব।


                জন্ম ও শৈশব


সাকিব আল হাসান ১৯৮৭সালে  বাংলাদেশের মাগুরায় জন্মগ্ৰহন করেন। মূলত বামহাতি ব্যাটসম্যান।স্লো বামহাতি অর্থোডক্স বোলার।দলে অলরাউন্ডার হিসেবে খেলে থাকেন। ২০০৬সালে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে তার অভিষেক হয়।প্রথমে ব্যাটসম্যান হিসেবে দলভুক্ত হন সাকিব।

              ক্রিকেটার হবার গল্প


১.সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ ক্রিড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান(বিকেএসপি)এর সাবেক ছাএ।
২.২০০৬সালে বাংলাদেশ জাতীয় দলে অভিষিক্ত হন।
৩.২০১৫সালে সাকিব তিন ধরনের ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার নির্বাচিত হন।
৪.তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ক্রিকেটে ৪০০০রান করেন।
৫.সাকিব প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ১০০০রান পূর্ণ করেন।
৬.তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় অলরাউন্ডার হিসেবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ১০০০রান ও ৫০উইকেট নেবার কৃতিত্ব দেখান।

               আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার


মোট টেষ্ট              রান            সেঞ্চুরি
৫৫                      ৩৮০৭          ৫
মোট অডিআই       রান           সেঞ্চুরি
 ২০৬                   ৬৩২৩          ৯
মোট টি২০            রান              ফিফটি
 ৭২                       ১৪৭১ ‌          ৬

 মোট টেষ্ট উইকেট          :২০৫
 মোট  অডিআই উইকেট :২৬০
 মোট টি২০উইকেট         :৮৮ 

               ডমেষ্টিক ক্রিকেট

  ‌
 সাকিব আল হাসান ডমেষ্টিক ক্রিকেট খেলছেন বহু নামী টিম ও লিগের হয়ে।
খুলনা বিভাগ      :২০০৪
অরচেষ্টারশায়ার   :২০১০/১১
কলকাতা নাইট রাইডার্স:২০১১-২০১৭
খুলনা রয়েল বেঙ্গলস:২০১২/১৩
ঢাকা ডায়নামাইটস:২০১৩/১৬
লিচেষ্টারশায়ার:২০১৩
বার্বাডোর্স ট্রাইডেন্টস:২০১৩
আডিলেড স্টাইকার্স:২০১৪
মেলবোর্ন রেনেগেডস:২০১৫
রংপুর রাইডার্স:২০১৫
করাচি কিংস:২০১৬
পেশোয়ার জালমি:২০১৭
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ:২০১৮

          সাকিবের অজানা কথা


১.সাকিব শৈশব থেকে খেলা পাগল।
২.সাকিবের বাবা খুলনা বিভাগের হয়ে ফুটবল খেলতেন।
৩.লোকাল ক্রিকেটের এক আম্পায়ার সাকিবের খেলা দেখে তাকে মাগুরা ক্রিকেট লিগে খেলার সুযোগ করে দেন।
৪.মাগুরায় খেলার আগে সাকিব টেপড টেনিস বলে ক্রিকেট খেলতেন।
৫.মাএ ১৫বছর বয়সে সাকিব অনূর্ধ্ব ১৯ দলে খেলার সুযোগ পান।
৬.২০০৮সালের নিউজিল্যান্ড সফরের আগে সাকিব মূলত ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন।
৭.টেষ্টে সাকিব ব্যাটিং করতেন ৭নম্বরে।
৮.তৎকালিন কোচ জেমি সিডন্স সাকিবকে স্পেশালিষ্ট টেষ্ট বোলার হিসেবে দলভুক্ত করেন।
৯.২০০৯সালে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিদেশে প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে জয়লাভ করে।
১০.২০০৯সালে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে সাকিব আইসিসি টেস্ট প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হন।
১১.২০১৭সালে সাকিব এমসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির সদস্য মনোনীত হন।
১১.যুবরাজ সিংয়ের পর তিনি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় অলরাউন্ডার হিসেবে এক ম্যাচে অর্ধশত রান ও ৫উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখান।

Written by provakar chowdhury.

কিংবদন্তি বাস্কেটবল প্লেয়ার কোবি ব্রায়ান্ট নিহত

               
   
কিংবদন্তি বাস্কেটবল প্লেয়ার কোবি ব্রায়ান্টের আকস্মিক মৃত্যু ক্রিড়া জগতের জন্য একটি দুঃসংবাদ ।ব্রায়ান্ট আজ যুক্তরাষ্ট্রে এক মর্মান্তিক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। মাইকেল জর্ডানের পর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রতিভাবান বাস্কেটবল প্লেয়ার বলা হয় তাকে।এনবিএতে খেলা সবচেয়ে বিপজ্জনক স্কোরার বলা হয় তাকে।বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী ব্রায়ান্ট স্কুল জীবন থেকেই বাস্কেটবলের সাথে জড়িত ছিলেন।

    কোবি ব্রায়ান্টের সংক্ষিপ্ত জীবনী

          জন্ম:২৩আগষ্ট,১৯৭৮
          মৃত্যু:২৬জানুয়ারী,২০২০
          খেলোয়াড়ী জীবন:১৯৯৬-২০১৬
          পজিশন:স্যুটিং গার্ড
           নম্বর:৮,২৪

     ব্রায়ান্টের  উল্লেখযোগ্য অর্জন

  ১.পাচঁবার এনবিএ চ্যাম্পিয়ন।
  ২.এনবিএ মোষ্ট ভেলিয়েবল প্লেয়ার          (২০০৮)।
   ৩.১৮বার  এনবিএ অলষ্টার হন।
   ৪.২ বার এনবিএ স্কোরিং চ্যাম্পিয়ন
    হন।

    Written by provakar
     Chowdhury.

এসএসসি পরীক্ষা২০২০ এর চূড়ান্ত প্রস্তুতি

                     
এসএসসি পরীক্ষা ২০২০এর আর খুব বেশি দিন হাতে নেই।তাই চূড়ান্ত প্রস্তুতি বিষয়ে বিভিন্ন শিক্ষাবিষয়ক অনলাইন পেজ ও গবেষকদের বিভিন্ন লেখা থেকে এখানে কিছু পরামর্শ তুলে ধরছি।

পরীক্ষা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা বাদ দিন: 


সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ না করেও ভালো লেখা সম্ভব। এজন্য সবচেয়ে জরুরি খাতায় প্রশ্নের উত্তর উপস্থাপনায় সতর্ক হওয়া। প্রশ্নে যা চাওয়া হয়েছে  উওরে তা উপযুক্ত যুক্তি দিয়ে বোঝানো মূল কাজ।এজন্য উওর করুন পয়েন্ট আকারে । লিখুন স্পষ্ট অক্ষরে।লেখা যেন বুঝা যায়।খাতা পরিছন্ন রাখুন।

বারবার রিভিশন দিন:

পরীক্ষা যেহেতু খুব নিকটে তাই এসময়ে নতুন কিছু না পড়াই ভালো।যারা কোন বিশেষ কারণে আগে কম পড়েছেন তারা বিভিন্ন  সাজেশনের সম্ভাব্য প্রশ্নগুলো বারবার রিভিশন দিন।

নিজে নিজে পরীক্ষা দিন:

বিভিন্ন বোর্ডের বিগত পরীক্ষার প্রশ্নগুলো নিয়ে নিজে নিজে পরীক্ষা দিন।তবে পরীক্ষা দিয়ে ঐ পেপার আর পড়ার প্রয়োজন নেই। শুধু খেয়াল করুন কমন প্রশ্নের উত্তর ঠিক দিয়েছেন কিনা । নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শেষ হল কিনা কাছে ঘড়ি রেখে চেক করুন।

স্মার্ট স্টাডি:

পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে স্মার্ট স্টাডির কথা গবেষকরা বলে থাকেন। অর্থাৎ অহেতুক প্রশ্ন না পড়ে বেশি সম্ভাব্য গুলো বারবার রিভিশন দিন।

সুস্থ থাকুন: 

পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে সুস্থ থাকা খুবই জরুরি।তাই শরীরের দিকে খেয়াল রাখুন।সিজনাল কোন অসুখ হলে ওষুধ খান।

পরিমিত ঘুম: 

পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে অধিক রাতজাগা উচিত নয়।এতে অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। তাই দিনে পড়ুন।রাতে ঠিক সময়ে ঘুমুতে যান।

হাতের লেখা: 

যাদের হাতের লেখা ভালো নয় তাদের উচিত স্পষ্ট অক্ষরে খাতায় উওর লেখা।মনে রাখুন পরীক্ষক আপনার হাতের লেখার চাইতে ভালো উওর বেশি প্রত্যাশা করেন।

পরীক্ষার খাতা:

 পরীক্ষার খাতায় পেন্সিল দিয়ে মার্জিন দেয়া ভালো।পেজ নম্বর দেয়া উচিত।

তাত্ত্বিক বিষয় লেখা:

তাত্ত্বিক বিষয়ে পয়েন্ট আকারে আন্ডারলাইন করে উওর করুন।

কঠিন বিষয়ের প্রস্তুতি:

কঠিন বিষয় নিয়ে অহেতুক চিন্তা বাদ দিন। প্রস্তুতি ভালো হলে পরীক্ষার দিন দেখবেন প্রশ্ন ভালোই হয়েছে।

বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন: 

পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে বাইরের খাবার না খাওয়া ভালো।এতে আপনার প্রস্তুতির ব্যাঘাত ঘটার সম্ভাবনা থাকবে না।

যারা পিছিয়ে পড়েছেন:

যারা বিভিন্ন বাস্তবতায় ভালো প্রস্তুতি নিতে পারেননি তারা হতাশ হবেন না।এ কদিন স্মার্ট স্টাডি চালিয়ে যান।

Written by provakar chowdhury.


ক্রিকেটে এবি ডিভিলিয়ার্সের আবেদন কেন বেশি

                   
 ক্রিকেটে খুব কম প্লেয়ার আছে যারা একই সাথে ব্যাটিং-ফিল্ডিং ও অন্যান্য টোটাল স্কিলে সমান পারদর্শী। এবি ডিভিলিয়ার্স এমনই এক প্লেয়ার।ইনোভেটিভ শট, ব্যাটিংয়ে আধিপত্য বিস্তার করে খেলা, ফিল্ডিংয়ে অসাধারণ দক্ষতা সবকিছু মিলে ডিভিলিয়ার্স ক্রিকেটের এক বিরল প্রতিভা। বর্তমান ক্রিকেটে বিরাট কোহলিই শুধু তার সাথে  তুলনার যোগ্য।আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে দিয়েছেন।তবে ক্রিকেটভক্তদের কাছে তার আবেদন সামান্য কমেনি।এখানে উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য অনলাইন মিডিয়ার সৌজন্যে এবি ডিভিলিয়ার্সের ভালো ,মন্দ , আবেদন ইত্যাদির খোঁজ করব।

ইনোভেটিভ ব্যাটসম্যান:

ডিভিলিয়ার্সের বড় গুণ নতুন নতুন শট আবিষ্কার করা। যখন ফিল্ডিংয়ে গ্যাপ খোঁজে খোঁজে ব্যাটসম্যানরা ক্লান্ত সেখানে ডিভিলিয়ার্স বেশকিছু নতুন ধাচের শট আবিষ্কার করেছেন।যা তাকে চৌকস ব্যাটসম্যানের স্বীকৃতি দিয়েছে।

সবধরণের শট খেলার কৃতিত্ব:

ডিভিলিয়ার্স সবধরণের ক্রিকেটিং শট খেলতে পারঙ্গম ছিলেন। শুধু বিরাট কোহলি এক্ষেত্রে তার সাথে তুলনীয়।

অডিআই ক্রিকেটে দ্রুততম শতক: 

ডিভিলিয়ার্স অডিআই ক্রিকেটে দ্রুততম শতকের মালিক।২০১৫খ্রিষ্টাব্দে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩১বলে ১০০রান করে তিনি এ রেকর্ড গড়েন ।

ক্রিকেটে তিন ফরম্যাটেই সফল:

ডিভিলিয়ার্স ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে সফল এক ব্যাটসম্যান। তিনি টেষ্ট ক্রিকেটে ২২সেঞ্চুরি,অডিআই ক্রিকেটে ২৫ সেঞ্চুরির পাশাপাশি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ১০হাফসেঞ্চুরির রূপকার।

অসাধারণ এক ফিল্ডার:

 ডিভিলিয়ার্স ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ফিল্ডারদের অন্যতম। যদিও উইকেটরক্ষক হিসেবে তার ফিল্ডিং ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল।পরে উইকেটের পেছনের দায়িত্ব ছেড়ে গ্ৰাউন্ড ফিল্ডিং শুরু করেন।ক্ষিপ্রতার জন্য তিনি ফিল্ডিংয়ে স্মরণীয়।

টানা তিনবারের বিশ্বসেরা অডিআই ক্রিকেটার:

এবি ডিভিলিয়ার্স টানা তিনবার আইসিসি অডিআই প্লেয়ার অব দা ইয়ার নির্বাচিত হন।যা ক্রিকেটের ইতিহাসে বিরল।

বিশ্বসেরা মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান:

 সর্বকালের সেরা মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ডিভিলিয়ার্সের নাম থাকবেই। দ্রুত রান তুলে ব্যাটিংয়ে সহজেই আধিপত্য বিস্তারের ক্ষমতা ছিল তার।

Written by provakar chowdhury.

শীতে সজীব থাকার উপায়

                     
 শীত একটি বিশেষ ঋতু। শীত এলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বেশ পরিবর্তন ঘটে থাকে।একটু আলস্য ভর করে দেহ ও মনে। শীতের পোশাক একটি বিশেষ বিষয়। বাইরে একধরণের পোশাক। ঘরের জন্য লাগবে অন্যরকম পোশাক। অর্থাৎ শীতকে উপভোগ করতে হলে কিছু সচেতনতা প্রয়োজন। সবকিছু ছাপিয়ে শীতের সুস্থতা এক বড় চ্যালেঞ্জ। এখানে বেষ্টলাইফ'এর সৌজন্যে  শীতে সজীব থাকার কিছু উপায় জেনে নেব।

  দৈনন্দিন কাজের রুটিন তৈরি করুন


দৈনন্দিন সব কাজের রুটিন তৈরি করুন। শীতে আলস্য এলেও নিজেকে সজীব রাখতে পারবেন।খাওয়া ,ঘুমানো , ঘুম থেকে উঠা সবকিছুর জন্য একটি রুটিন তৈরি করুন।এতে শীতে জীবন থাকবে সজীব।

     গ্ৰীষ্মের পোশাক শীতে নয়


গ্ৰীষ্মের জীবনযাত্রা শীতে এড়িয়ে চলুন।গ্ৰীষ্মকালে অগোছালো হলে শীতে একটু নিয়মের ভেতর চলুন। রাতের খাবারে গরমকালে যেমন দেরি হয় শীতে রাতের খাবার সামান্য আগেভাগেই নিন।
       

        প্রচুর পানি পান করুন


শীতে দিনে অন্তত পাঁচ লিটার পানি পান করুন। এতে দেহ সজীব থাকবে।

       দিনে একবার বাইরে হাঁটুন


শীতে সব সময় অফিস কিংবা বাসায় কাজে থাকবেন না। রুমের বাইরে বেরিয়ে সামান্য হাঁটুন। এতে একঘেয়েমি ভাব চলে যাবে।মন সজীব থাকবে।

   সন্ধ্যার আগেই অফিস শেষ করুন


শীতে অনেকে অফিসে অতিরিক্ত কাজ করেন।এটি শীতে উচিত নয়। সন্ধ্যার আগেই অফিস থেকে ফেরার চেষ্টা করুন।এতে শীতে নিজেকে সজীব রাখতে পারবেন।
   

          প্রকৃতির কাছে যান


শীতে মাঝেমাঝে প্রিয় প্রকৃতির সান্নিধ্যে যান। অন্যরকম অনুভূতি পাবেন। নিজের কর্মস্পৃহা বাড়বে।

        ব্যয়াম করা ভালো


শীতে ব্যয়াম বা ইনডুর গেম খেলুন।শরীর চাঙ্গা থাকবে। প্রতিদিন কিছু সময় ছাদে বা উঠোনে হাঁটতে পারেন। কিছু সময় দৌড়াতে পারেন।

       খাওয়া দাওয়া ঠিক রাখুন


যা-ই খান শীতে খাওয়ার ক্ষেত্রে হঠাৎ কোন পরিবর্তন আনতে যাবেন না।যা অন্য সময় খান তাই খান।

        শীতে নিয়মিত শাকসবজি খান


শীতে শাকসবজি খুব উপকারী। শীতে প্রচুর শাকসবজি পাওয়া যায়। শীতে শাক ও সবজি দেহ ও ত্বক দুইই সুস্থ রাখে।
     

        এলকোহল বর্জন করুন


এলকোহল শরীরের জন্য ক্ষতিকর। শীতে এলকোহল বেশি বিপজ্জনক। শীতে এলকোহল থেকে দূরে থাকুন।

     ঠান্ডাজনিত রোগে হেলা নয়


শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।তবে এসব নিয়ে বসে থাকবেন না। ডাক্তারের পরামর্শমত ওষুধ নিন।

      বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রাখুন


 শীতে অনেকে শুধু নিজ পরিবার ও কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।এর সাথে বন্ধুদের সাথে সোশাল মিডিয়া ও অন্য মাধ্যমে যোগাযোগ  রাখুন। শীতে আরাম পাবেন।

         ত্বক সুস্থ রাখতে রূপচর্চা করূন


শীতে ত্বক সুস্থ রাখা উচিত। এসময়  কিছু রূপচর্চা জীবনকে সজীব রাখতে সাহায্য করবে।কারণ ত্বক সুস্থ থাকলে আপনার মন ভালো থাকবে।

        শীত ভ্রমণের সময়


বিশেষজ্ঞরা বলেন শীতে ভ্রমণ সারা বছর মন ভালো রাখে।তাই শীতে প্রিয় কোন স্থানে ঘুরে আসুন।সেটি হতে পারে ঐতিহাসিক বা বিখ্যাত ধর্মীয় স্থান।

Written by provakar chowdhury.
       

বাংলাদেশের নতুন বোলিং কোচ ওটিস গিবসনের ক্যারিয়ার ও অন্যান্য

                     
বাংলাদেশ জাতীয়  ক্রিকেট দলের নতুন বোলিং কোচ  নির্বাচিত হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বংশোদ্ভূত ওটিস গিবসন। উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে  সদা হাস্যোজ্জ্বল এ কোচের ক্রিকেট ক্যারিয়ার এবং কোচিং ইতিহাস সম্পর্কে এখানে আলোচনা করব।

               জন্ম ও নিজদেশ


ওটিস গিবসন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বারবাডোসে ১৯৬৯খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্ৰহন করেন।ক্রিকেট ক্যারিয়ার খুব বেশি সমৃদ্ধ নয় তবে তার কোচিং ক্যারিয়ার বেশ আলোচিত। তার অধীনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে।
       

   ওটিস গিবসনের ক্রিকেট ক্যারিয়ার


ওটিস গিবসনের ক্রিকেট ক্যারিয়ার খুব বেশি সমৃদ্ধ নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় টিমের হয়ে কিছুদিন খেলেছেন। তিনি মূলত ছিলেন ডানহাতি ফাষ্ট বোলার। অডিআই ক্রিকেটে বেশ কার্যকর বোলার ছিলেন গিবসন। অডিআই ক্রিকেটে একাধিকবার পাঁচ উইকেট নেবার কৃতিত্ব আছে তার।

     ওটিস গিবসনের কোচিং ইতিহাস


গিবসনের  কোচিং দর্শন হলো "রানরেট থামানো মূখ্য নয় তারচেয়ে দ্রুত উইকেট ফেলা গুরুত্বপূর্ণ।" ২০০৭খ্রিষ্টাব্দে ওটিস গিবসন ইংল্যান্ড জাতীয় দলের বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পান। তার অধীনে ২০০৯ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড সুপার এইটে উঠে। তিনি বোলিং কোচ থাকাকালে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে কোয়ালিফাই করে।২০১০ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে তার কোচিংয়ের অধীনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সুপার এইটে উঠে। তারপর গিবসনের অধীনে নিজদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০১১বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে।  তার কোচিংয়ের মাধ্যমে নিজদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০১২ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জয় করে।২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে গিবসন আবারও ইংল্যান্ডের বোলিং কোচ নির্বাচিত হন। তার অধীনে ইংল্যান্ডের বোলিংয়ের লক্ষ্যণীয় উন্নতি ঘটে।২০১৯বিশ্বকাপে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হেডকোচ ছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

Written by provakar chowdhury.



নির্বাচিত বিখ্যাত উক্তি

                       
বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী থেকে কিছু নির্বাচিত উক্তি :

√সৎকর্ম যত ছোট হোক,তা কখনো বৃথা যায় না- ঈশপ।

√সংসারে কারো ওপর ভরসা করোনা, নিজের হাত এবং পায়ের ওপর ভরসা করতে শেখো- উইলিয়াম শেক্সপিয়ার

√মধ্যবিও পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসলরূপ দেখতে পায়-হূমায়ুন আহমেদ।

√ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জিনিসকে এক করলে তা বিরাট কিছুতে পরিণত হয়। ফোঁটা ফোঁটা পানি দিয়েই প্রলয়ংকরী  বন্যা সৃষ্টি হয়-শেখ সাদি(সূফি ও দার্শনিক)

√সন্দেহপ্রবণ মন এক বৃহৎ বোঝাস্বরূপ-ফ্রান্সিস ফুরালেস।

√জলের দিকে শুধু তাকিয়ে থাকলে তুমি কোনদিন সাগর পাড়ি দিতে পারবে না-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

√কোন এক প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছো না । এজন্য বেশি ভেবো না।"NO"মানে NEXT OPPORTUNITY  অর্থাৎ পরবর্তীসুযোগ- এপিজে আবদুল কালাম।

✓শিক্ষার চূড়ান্ত ফল হচ্ছে সহনশীলতা-হেলেন কেলার।

√মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই রাজনৈতিক জীব-এরিষ্টটল।

√বড় বড় নামকরা স্কুলে বাচ্চারা বিদ্যার চাইতে অহংকারটা বেশি শিক্ষা করে-আহমদ ছফা।

√খারাপ মানুষের সঙ্গের চেয়ে একা থাকাও অনেক ভালো-জর্জ ওয়াশিংটন।

√যত্নকরে কাদানোর জন্য খুব আপন মানুষগুলোই যথেষ্ট-হুমায়ুন আহমেদ।

√সফল হওয়ার চেষ্টার চাইতে দক্ষ হওয়ার চেষ্টা করো। সাফল্য এমনিতেই আসবে- আলবার্ট আইনস্টাইন।

√চুরি এবং ফাঁকিবাজি চলে রাজনীতি ব্যবসা ও অর্থনীতিতে, সংগীত,শিল্প ও সাহিত্যে নয়- আবুল ফজল।

√তুমি যদি টাকা ধার করো তবে তুমি ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ।আর যদি টাকার মালিক হও তবে ব্যাংক তোমার কাছে দায়বদ্ধ-অষ্ট্রিয়ান প্রবাদ।

Written by provakar chowdhury.


পাকিস্তানের সাথে টিটুয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশের সম্ভাবনা

               
পাকিস্তানে বহুদিন পর বাংলাদেশ টিটুয়েন্টি খেলতে যাচ্ছে।তবে শক্তিমত্তার দিক থেকে দুদলই সমান অবস্থানে রয়েছে।পাকিস্তান হোমগ্ৰাউন্ডের সুযোগ অবশ্যই নিতে চাইবে। বাংলাদেশ টিমকে মোটামুটি ব্যালেন্সড বলা যায়। সাকিব ও মুশফিকবিহীন বাংলাদেশ টিম কিছুক্ষেত্রে সমস্যা ফিল করবে। মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব থাকবে অনেক বেশি।অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল ,মাহমুদুল্লাহ, মোস্তাফিজ এ তিনজনের দায়িত্ব নিতে হবে বেশি। এখানে বাংলাদেশের পাকিস্তানে টিটুয়েন্টি সিরিজ নিয়ে আলোচনা করব।

                      ব্যাটিং

 বহুদিন পর তামিম টিমের সাথে আছে এটি বড় এক আডডান্টেজ।এ মুহূর্তে বাংলাদেশের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। তামিমের মোট টিটুয়েন্টি রান ১৫৫৭। তামিম ফর্মে থাকলে টিমের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। উইকেটে সেট হয়ে গেলে প্রচুর শট খেলা এবং দ্রুত রান তুলতে সক্ষম তামিম।

যদি লিটন দাস বিপিএলের ফর্ম ধরে রাখতে পারেন তাহলে বাংলাদেশের ব্যাটিং ভালো হবার কথা। লিটনও স্টোক খেলতে পছন্দ করেন। উইকেটের চারপাশে শট খেলায় পারঙ্গম। পাকিস্তানের বোলিংয়ের ধার এখন তেমন আহামরি নয়।সৌম্য, নাইম শেখ,আফিফরা সেট হলে নিশ্চিত ভালো করবে। এজন্য মাহমুদুল্লাহকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে। বর্তমানে মাহমুদুল্লাহর মোট টিটুয়েন্টি রান ১৪৯৭।

                    বোলিং


মোস্তাফিজ বরাবরই বোলিংয়ের ক্ষেত্রে বড় ভরসার নাম। তার মোট টিটুয়েন্টি উইকেট ৫১ যা বর্তমান টিমে সবোর্চ্চ। তারসাথে অন্যরা যোগ্য সঙ্গ দিলে ভালো কিছু করা সম্ভব। স্পিনারদের দায়িত্বশীল বোলিং করতে হবে। পাকিস্তানের নতুন কিছু প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান রয়েছে ।এরা সেট হলে ম্যাচে টিকে থাকা হার্ড হবে।
     

                       ফিল্ডিং

বিপিএলে ন্যাশনাল টিমের কিছু প্লেয়ারের বেশকিছু বাজেফিল্ডিং চোখে পড়েছে। এগুলো পাকিস্তানে চেক দিতে হবে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সামান্য কিছু এক্সট্রা রান বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। সবকিছুর পর পাকিস্তান সফরে বাংলাদেশ টিমের কাছে ভালো ক্রিকেটের প্রত্যাশা থাকলো।

এনডিটিভি স্পোর্টস এর সৌজন্যে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টিটুয়েন্টি সিরিজের
ম্যাচ শিডিউল:
১ম টিটুয়েন্টি-২৪জানুয়ারি২০২০।
২য় টিটুয়েন্টি-২৫জানুয়ারি২০২০।
৩য় টিটুয়েন্টি-২৭জানুয়ারি২০২০।

Written by provakar chowdhury.

অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যানদের রানের পরিসংখ্যান

                   
ক্রিকেটে বাংলাদেশের বড় অর্জনগুলোর প্রায় সবটুকুই অডিআই থেকে পাওয়া। অডিআই ক্রিকেটে ভর করেই বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় টিম হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। আইসিসি ট্রফি থেকে গত বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটের অডিআই রেকর্ড রীতিমতো বিস্ময়কর। ক্রিকেটের এ শাখায় বাংলাদেশ সমীহ জাগানো এক দল। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর সৌজন্যে অডিআই ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের সেরা পারফরমারদের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরব।

তামিম ইকবাল:

একসময় শুধু স্টোকপ্লেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল টিমে এসেছিলেন তামিম ইকবাল। প্রথমে ভাই নাফিস ইকবাল  বাংলাদেশ ন্যাশনাল টিমে বেশ নিয়মিত ছিলেন । তামিম প্রথমে খুব সুবিধা করতে পারেননি। ধীরে ধীরে নিজেকে পরিণত করেছেন। এ মুহূর্তে তিনি  বাংলাদেশের সেরা অডিআই ব্যাটসম্যান ।২০৭অডিআই ম্যাচ খেলে তার রানসংখ্যা ৭২০২।

সাকিব আল হাসান: 

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। এবং বাংলাদেশের সেরা অডিআই ব্যাটসম্যানদের তালিকায় তার নামটি বেশ উপরের দিকেই দেখা যায়। সাকিব পরবর্তী বাংলাদেশের অডিআই ক্রিকেট নতুন যুগের সন্ধান লাভ করে। সাকিব আল হাসান অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে ২০৬ম্যাচ খেলে ৬৩২৩রান করেন।

মুশফিকুর রহিম:

 মুশফিকুর রহিম এ মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা অডিআই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে অডিআই ক্রিকেটে সফল ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম অন্যতম। মিষ্টার ডিপেন্ডেবল হিসেবে পরিচিত মুশফিকুর রহিম অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ম্যাচ খেলে ৬১৭৪রান সংগ্ৰহ করেন।

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ:

এ মুহূর্তে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ব্যাটে ভর করে বহু  অডিআই ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।বিশেষত রান চেজের ক্ষেত্রে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ সবসময় এক সফল ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের সেরা ফিনিশার বলা হয় তাকে। তিনি ১৮৮অডিআই ম্যাচে ব্যাটিং করে ৪০৭০রান করেন।

মোঃ আশরাফুল: 

বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান বলা হয় তাকে। দারুণ টেকনিক ও স্টোকপ্লের জন্য আশরাফুল বহুদিন ক্রিকেটভক্তদের হ্নদয়ে থাকবেন। তিনি ১৭৫অডিআই ম্যাচ খেলে ৩৪৬৮রান করেন।

ইমরুল কায়েস:

বড় ম্যাচে ব্যর্থতার জন্য বিখ্যাত ইমরুল কায়েস। বাউন্সি উইকেটে তার দুর্বলতা সবার জানা।তবে ক্রিকেট পরিসংখ্যানের খাতায় বাংলাদেশের সর্বাধিক রান সংগ্রাহকদের মধ্যে তার নামটি বেশ উপরের দিকে উচ্চারিত হয়। তিনি ৭৮অডিআই ম্যাচ খেলে ২৪৩৪রান করেন।

শাহরিয়ার নাফিস:

বাংলাদেশের সাবেক এ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান অডিআই ক্রিকেটে বেশ সফল। পরিসংখ্যান এখানে তার পক্ষে সায় দেয় । প্রতিভা অনুযায়ী তিনি ক্রিকেট  ক্যারিয়ারকে  সমৃদ্ধ করতে পারেননি। শাহরিয়ার নাফিস একসময় ন্যাশনাল টিমে নিয়মিত ছিলেন। ভালো কিছু ইনিংস আছে তার। তিনি ৭৫অডিআই ম্যাচে ব্যাট করে মোট২২০১রান করেন।

হাবিবুল বাশার সুমন: 

টেষ্ট স্ট্যাটাস পরবর্তী বাংলাদেশের ক্রিকেটের সেরা আবিষ্কার  হাবিবুল বাশার সুমন। দারুণ ধারাবাহিক এ সাবেক অধিনায়ক অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের আরেক সেরা ব্যাটসম্যান। তার সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট নতুন করে প্রেষণা পায়। উইকেটের চারপাশে শট খেলায় বিখ্যাত ছিলেন সুমন। ১১১অডিআই ম্যাচ খেলে ২১৬৮রান করেন।

Written by provakar chowdhury.

কেমন হল বঙ্গবন্ধু বিপিএল ২০২০

                 
সাকিববিহীন বঙ্গবন্ধু বিপিএল ২০২০ প্রথমেই রং হারায়। তখন আমাদের চাওয়া ছিল সাকিবের শূন্যতা কিভাবে পূরণ করে বিপিএল কর্তৃপক্ষ। এক্ষেত্রে সম্ভবত বিপিএল কর্তৃপক্ষ ভেবেছিল গেইল, পোলার্ড,ওয়াটসনের মত তারকা প্লেয়ারদের এনে সাকিবের শূন্যতা দূর করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু বিপিএলে মোটামুটি কম্পিটিটিভ ক্রিকেট হলেও দর্শকসংখ্যা খুবই কম ছিল। গেইল,ওয়াটসন শেষদিকে যোগ দেয়ায় এর কিছু প্রভাব পড়েছিল এটুকু ধারণা করা যায়।তবে এদুজন যোগ দেয়ার পরও দর্শকসংখ্যা সেভাবে বৃদ্ধি পায়নি। যাহোক সবকিছু মিলিয়ে একটি বিপিএল শেষ হলো। এখানে বঙ্গবন্ধু বিপিএলে ব্যাট বলের মূল লড়াইয়ে দেশি-বিদেশি কে কেমন করলেন দেখব।

ব্যাটিং-বোলিংয়ে দেশিদের দাপট:


বঙ্গবন্ধু বিপিএল ২০২০এ একটি বিষয় এবার লক্ষণীয় ছিল বিদেশিদের সাথে দেশিদের  সমান দাপুটে ক্রিকেট। মুশফিক, লিটন,আফিফরা রাসেল, ওয়াটসনদের মতই দাপুটে ক্রিকেট খেলেছেন। সবোর্চ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় উপরের দিকে রয়েছেন মুশফিক ও লিটন। মুশফিক বরাবরই বাংলাদেশের উইকেটে সফল টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান।তিনি মোট ৪৭০রান সংগ্ৰহ করেছেন। লিটনও বেশ সাবলিল ছিলেন।লিটন ৪৩০রান করেছেন। উইকেটের চারপাশে হাতখোলে খেলেছেন। বোলিংয়ে ওয়াল্ড ক্লাস সোয়িং বোলার মোঃ আমিরকে চাপিয়ে মোস্তাফিজ হয়েছেন সেরা।২০উইকেট নিয়ে তিনি রুবেল হোসেনের সাথে যৌথভাবে হয়েছেন সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি।এটি এবারের বিপিএলের বিশেষ ঘটনা।কারণ মোস্তাফিজ এ মুহূর্তে দেশসেরা পেসার।
বিদেশি ব্যাটসম্যানদের কথা বললে রাইলি রুশোর কথা বিশেষকরে বলতে হবে।এ বিপিএলে দারুণ খেলেছেন রূশো। রীতিমতো অবিশ্বাস্য ক্রিকেট খেলেছেন রাইলি রুশো। খুলনা টাইগার্সকে প্রথম থেকেই এগিয়ে রেখেছেন রূশো ও মুশফিক। বিদেশিদের মধ্যে ডেভিড মালাম অসাধারণ খেলেছেন। আন্দ্রে রাসেল এবং পোলার্ড ভালো খেলেছেন। রাসেলের দারুণ অধিনায়কত্ব ক্রিকেটপ্রেমীদের এবার মুগ্ধ করেছে।দেশি সামসুর রহমান ফাইনালে বেশ ভালো একটি ইনিংস খেলেছেন। শেষদিকে পাকিস্তানি প্লেয়াররা ভালো করেছেন। ওয়াহাব রিয়াজ প্রথমদিকে সমীহ জাগানো বোলিং করেছেন।তবে সবকিছু ছাপিয়ে বোলিংয়ে দেশি মোস্তাফিজ এবং রুবেল হোসেনকে এগিয়ে রাখতে হবে।

যারা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি:


এক্ষেত্রে প্রথমে মাশরাফির কথা বলা যায়। বিশ্বের অন্যতম সেরা ওডিআই পেসার মাশরাফির কাছে প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্রিকেট এবার পাওয়া যায়নি।

সাব্বির রহমান খুব হতাশ করেছেন। সাব্বির রহমানের মনঃসংযোগে সমস্যা লক্ষ্য করা গেছে। পুরোপুরি ফ্লপ করেছেন সাব্বির।অথচ টিটুয়েন্টি স্পেশালিষ্ট হিসেবে তার কাছে বড় কিছুর প্রত্যাশা ছিল সাপোর্টারদের।
সৌম্য সরকার সেট হয়ে আউট হয়ে এসেছে বারবার। চেনা উইকেটে তার কাছে বড় কিছুর প্রত্যাশা ছিল দর্শকদের।

           দর্শক মাঠবিমুখ


এবারের বঙ্গবন্ধু বিপিএলে দর্শকরা মাঠবিমুখ ছিলেন।এর কারণ অনুসন্ধান প্রয়োজন।তবে খুব সম্ভবত বিপিএলের টিমগুলো দর্শকদের ঠিক পছন্দ হয়নি। দর্শকরা হয়তো চিন্তা করেছেন অধিকাংশ টিমে  মাঝারি মানের বিদেশি প্লেয়ার খেলছে।টিকেট কেটে পস্তাতে হবে। এদিকে সাকিব নেই তাই ক্রিকেটপ্রেমীরা একটু হোঁচট খেয়েছেন নিশ্চিত।

নতুন চ্যাম্পিয়ন পেল বিপিএল:


ঢাকার আধিপত্য খর্ব করে বিপিএল এবার নতুন চ্যাম্পিয়ন পেল । আন্দ্রে রাসেলের দারুণ ক্যাপ্টেন্সি রাজশাহী রয়ালসকে চ্যাম্পিয়ন হবার পথ করে দেয়।
Written by provakar chowdhury.

জানা অজানার শচিন টেন্ডুলকার





               
 ক্রিকেটকে যারা জনপ্রিয় করেছেন শচিন টেন্ডুলকার তাদের  অন্যতম। শুধু ক্লাস নয় পারফরম্যান্স বিবেচনায় ক্রিকেটের এক বিরল প্রতিভা শচিন টেন্ডুলকার। ক্রিকেটের ব্যাকরণ মেনেও অসাধারণ সব সেঞ্চুরির মালিক তিনি। ভারতের ক্রিকেটকে মধ্যম সারি থেকে ক্রিকেটের পাওয়ারহাউসে পরিণত করার কৃতিত্ব তাকে দেয়া হয়। মাঠের চারপাশে মেরে খেলার অদ্ভুত ক্ষমতার অধিকারী এ ব্যাটসম্যান সম্পর্কে জানা অজানা কিছু তথ্য এখানে তুলে ধরব।

√মাএ ১৬বছর বয়সে টেষ্ট অভিষেক হয় শচিন টেন্ডুলকারের।
√১৭বছর বয়সে প্রথম সেঞ্চুরি করেন।
√অডিআই ক্রিকেটে ১৯৫ছক্কার মালিক তিনি।
√অডিআই ক্রিকেটে সবোর্চ্চ রান তার (১৮৪২৬)।
√ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানদের ক্ষুদ্র তালিকায় তার নাম সবসময় উচ্চারিত হয়।
√রেকর্ড ৬টি বিশ্বকাপ খেলেছেন শচিন টেন্ডুলকার।
√অডিআই ক্রিকেটে রেকর্ড ৬২বার ম্যান অফ দা ম্যাচ হয়েছেন তিনি।
√অডিআই ক্রিকেটে রেকর্ড ১৫বার ম্যান অফ দা সিরিজ হয়েছেন তিনি।
√একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে (অডিআই) প্রথম সেঞ্চুরির জন্য তাকে পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল।
√ক্রিকেটের অভিজাত ২০০টেষ্ট খেলা অন্যতম প্লেয়ার শচিন।
√ফাষ্টবোলার হতে চেয়েছিলেন শচিন কিন্তু এমআরএফ পেস ফাউন্ডেশনে তার বোলিং দেখে ডেনিস লিলি তাকে প্রত্যাখ্যান করেন।
√১৯৮৭বিশ্বকাপে ভারত-জিম্বাবুয়ে ম্যাচে বলবয় ছিলেন তিনি।
√ভারতের প্রথম ক্রিকেটের হিসেবে ইংলিশ কাউন্টিতে খেলার সুযোগ পান শচিন।
√টেনিসবল ক্রিকেট খেলতে পছন্দ করেন শচিন।
√তার প্রিয় শিল্পী কিশোর কুমার।
√শচিন টেন্ডুলকার সবসময় ভারি ব্যাট ব্যবহার করতেন। একমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অলরাউন্ডার ল্যান্স ক্লুজনার তার চেয়ে ভারি ব্যাট দিয়ে খেলতেন।
Written by provakar chowdhury.

আমার এখানে আসা সহজ ছিল না : রোহিত শর্মা

                 
রোহিত শর্মা হালের ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওপেনার। ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল টিমের হয়ে ইতিমধ্যে বেশ কিছু বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন। অডিআই ক্রিকেটে একাধিক ডাবল সেঞ্চুরির মধ্যদিয়ে রীতিমতো তোলপাড় করেছেন ক্রিকেটের সব রেকর্ড বইয়ে।বলা হয় তার দিনে প্রতিপক্ষের  সববোলার সাধারণ মানে নেমে যান।এখানে ক্রিকবাজের সৌজন্যে রোহিত শর্মার (মে,২০১৬)সালের একটি সাক্ষাৎকার তুলে ধরব।

√বর্ষসেরা(২০১৬) অডিআই ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন কেমন লাগছে?

রোহিত শর্মা : হ্যাঁ দিনশেষে একটি অর্জন।তবে আমি এসবের হিসেব করে খেলিনা। স্বীকার করছি এসব স্বীকৃতি ভালো খেলতে উৎসাহ যোগায়। সবকিছুর পর এসবই হলো আপনার কাজের স্বীকৃতি।

√কোনটিকে ক্রিকেটজীবনের অন্যতম বাকবদল বলবেন-ভারতের হয়ে অডিআই ওপেনিং নাকি ২০১৩সালে মোম্বাই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়কত্ব ?

রোহিত শর্মা: ওপেনিংয়ে ব্যাটিংয়ের সুযোগ আমার পুরো ব্যাটিং স্টাইলকে বদলে দিয়েছে। ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করার ফলে ব্যাটিংয়ের প্রতি আমার দায়িত্বশীলতা বেড়েছে। ভারতের হয়ে ওপেনিং করব একথা কখনও ভাবিনি। স্কুল ও কলেজ ক্রিকেটে ওপেনিং করেছি। টিম প্লেয়ার ও ম্যানেজমেন্ট আমার ওপেনিংয়ে ব্যাটিংয়ের যোগ্যতা আছে বলেই সবসময় বলত। তাদের সেই বিশ্বাস আমাকে আত্মবিশ্বাসী করেছে।আমি টেকনিকের চাইতে মানসিকভাবে সেট হতে চেয়েছি।কারণ ভারতের বাইরে ওপেনিং খুব কঠিন। এভাবেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথম সফল হই। এরফলে আমি ধরে নিই যে আমি ওপেনিং পারব।তারপর অষ্ট্রেলিয়ার এগেইনস্টে ডাবল করি।

√কোনটি আপনার প্রিয় ইনিংস - অষ্ট্রেলিয়ার এগেইনস্টে ২০৯ নাকি শ্রীলঙ্কার এগেইনস্টে ২৬৪?

রোহিত শর্মা:এটি বলা মুশকিল কারণ দুটি ইনিংসই ছিল অসাধারণ। এখানে আলাদা করে বলা কঠিন কারণ আপনি প্রতিদিন অডিআই ক্রিকেটে সেঞ্চুরি মারতে পারবেন না।২০৯ছিল প্রথম অডিআই ডাবল আর ২৬৪ছিল অডিআই রেকর্ড।তবে ২৬৪ একটু ভিন্ন ছিল একারণে যে ঠিক এ ম্যাচের আগে আমি বেশ কিছুদিন ফিঙ্গার ইনজুরিতে ছিলাম।এ ম্যাচ ছিল কামব্যাক।

√বিরাট কোহলি দারুণ ফর্মে আছেন।এ মুহূর্তে তাকে বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান বলা হচ্ছে আপনার মত?

রোহিত শর্মা: রবি শাস্ত্রী ইতিপূর্বে বলেছেন কোহলি ভারতের ক্রিকেটকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ক্রিকেটে তুলনায় আমি বিশ্বাসী নই। বর্তমান বিশ্বক্রিকেটের সফল ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সে অন্যতম একথা বলতে পারি।

√ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরি দিয়ে টেষ্ট ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন কিন্তু পরে আর টেষ্টে আপনাকে সেভাবে পাওয়া যায় নি?

রোহিত শর্মা: দেখুন আমি অতীত নিয়ে ভাবিনা।কারণ আমি জানি অতীতকে পরিবর্তন করতে পারবনা। হ্যাঁ টেষ্টে একসময় আমার বাজে সময় গেছে।তবে এখন পারফর্ম করছি এটি আমার কাছে মুখ্য।আর আমি জানি আমার এখানে আসা সহজ ছিল না।

√টিম ম্যানেজমেন্ট আবার আপনার জন্য টেষ্টের দরজা খোলেছে। কিভাবে দেখছেন?

রোহিত শর্মা:টিম ম্যানেজমেন্ট যা করবে তা মানতেই হবে। কখনও পাঁচ বোলার নিয়ে নামলে একজন ব্যাটসম্যান কম খেলাতে পারে। আবার কখনও একজন ব্যাটসম্যান বেশি খেলাতে পারে।তবে আমার টেষ্ট ক্যারিয়ার নিয়ে যারা প্রশ্ন করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট তাদের কথা শুনেনি এটি আমার জন্য সৌভাগ্যের বিষয় ছিল।আমি রান করে ম্যানেজমেন্টকে সহায়তা করেছি।

√ডে-নাইট টেষ্ট সম্পর্কে আপনার মত?

রোহিত শর্মা: দারুণ আইডিয়া। পুরোদমে চালু হলে বাকিটুকু বোঝা যাবে।

Written by provakar chowdhury.

ড্যাসিং অলরাউন্ডার যুবরাজ সিংয়ের ক্রিকেটজীবন ও অন্যান্য


                 
ইউটিউব ও অন্যান্য অনলাইন মিডিয়ার যুগে এখনও ক্রিকেটের দর্শকরা যুবরাজ সিংয়ের ড্যাসিং ইনিংসগুলো দেখতে চায়। ক্রিস গেইলের সাথে   তুলনীয় এ হাডহিটার একসময় ইন্ডিয়ার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বকাপ জয়ে অবদান রাখেন। ক্রিকেটের বহু বিরল রেকর্ডের মালিক এ ইন্ডিয়ান অলরাউন্ডার। ২০০৭ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে স্টুয়ার্ড ব্রডের ৬বলে ৬ ছক্কার রেকর্ড রয়েছে তার। আরও চমকপ্রদ তথ্য হলো তাকে শুধু ওয়ানডে প্লেয়ার হিসেবে ইন্ডিয়ার ন্যাশনাল টিমে নেয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ইন্ডিয়ার সবধরণের ক্রিকেটে তিনি অপরিহার্য হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ক্রিকেটে সফল হাডহিটারদের তালিকায়  তার নাম থাকবেই। ফিল্ডার হিসেবেও তিনি বিশ্বসেরাদের তালিকায় সর্বদা থাকবেন। এখানে যুবরাজ সিংয়ের ক্রিকেটজীবনের খোঁজখবর চলবে।

জন্ম ও ক্রিকেটের শুরু:


যুবরাজ সিং  ১৯৮১খ্রিষ্টাব্দের ১২ডিসেম্বর ভারতের চন্ডীগড়ে জন্মগ্ৰহন করেন। মূলত বাঁহাতি হাডহিটার ব্যাটসম্যান। বোলার হিসেবে তিনি বাঁহাতি অর্থডক্স ঘরানার। তিনি অলরাউন্ডার ও অসাধারণ ফিল্ডার হিসেবে বিশ্বস্বীকৃত। যুবরাজ ইন্ডিয়া তথা বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে সমাদৃত।

যুবরাজ সিংয়ের কিছু ক্রিকেটীয় কীর্তি:


√২০০০খ্রিষ্টাব্দে ওয়ানডে ক্রিকেটার হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু হয়।
√তিনি ২০০৭খ্রিষ্টাব্দে ইন্ডিয়ার টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।সে বিশ্বকাপে স্টুয়ার্ড ব্রডের ৬বলে ৬ছক্কার বিরল রেকর্ড গড়েন।
√আইপিএলে প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি সবোর্চ্চ দামে দলভুক্ত হন।
√২০১১বিশ্বকাপ ক্রিকেটে তার অনন্য পারফরম্যান্স ক্রিকেটামোদীদের মুগ্ধ করে। তার অসাধারণ নৈপুণ্যে ইন্ডিয়া সেবছর বিশ্বকাপ জেতে। যুবরাজ ঐ বিশ্বকাপে অসাধারণ অলরাউন্ডিং নৈপুণ্যের জন্য ম্যান অফ দা টুর্নামেন্ট হবার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
√২০১১বিশ্বকাপে যুবরাজ এক ম্যাচে ৫০রান ও ৫ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন।এটি বিশ্বকাপে তার এক অনন্য রেকর্ড।
√যুবরাজ সিং ওয়ানডে ক্রিকেটে ১৪সেঞ্চুরির পাশাপাশি ১১১টি উইকেট নেন। তার  সবোর্চ্চ অডিআই ইনিংস ১৫০ রানের ও সেরা অডিআই বোলিং ৩১রানে ৫উইকেট(৫/৩১)।

Written by provakar chowdhury.

রেকর্ডের হিসেবে টেষ্ট ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যান


               
ক্রিকেটে সবকিছুর পর ব্যাটসম্যানদের স্থান আলাদা। এ খেলার সৌন্দর্যের সাথে ব্যাটসম্যানদের নাম জড়িয়ে আছে।সেই গাভাস্কার থেকে চেতেশ্বর পূজারা, স্টিভেন স্মিথ যুগের টেষ্ট ক্রিকেটের মূল সৌন্দর্য ব্যাটসম্যানরাই।তবে এখন হয়তো টেষ্টে ব্যাটিংয়ের গতি এবং রানরেট বেড়েছে।শট খেলার প্রবণতা বেড়েছে। বাণিজ্যিক ক্রিকেটের যুগে দর্শকদের চাওয়া পরিবর্তন হয়েছে।এখন সবাই টেষ্টের রেজাল্ট দেখতে চায়। এখানে রেকর্ডের হিসেবে টেষ্ট ক্রিকেটের কিছু সেরা ব্যাটসম্যানের গল্প হবে।

শচিন টেন্ডুলকার:

রেকর্ডের হিসেবে এখনও টেষ্ট ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যান লিটল মাষ্টার শচিন টেন্ডুলকার। অসাধারণ ধারাবাহিকতার জন্য বিখ্যাত শচিনের টেষ্ট রেকর্ড ঈর্ষণীয়। এবং বিশ্বের প্রায় সব ধরনের উইকেটে সফল টেষ্ট ব্যাটসম্যান বলা হয় তাকে।টেষ্ট  ক্রিকেটে শচিনের সেঞ্চুরি সংখ্যা ৫১ এবং মোটরান১৫৯২১ ।কব্জির জোর ও নিখুঁত টাইমিং মিলে শচিন টেষ্ট ক্রিকেটের এক কিংবদন্তি  ব্যাটসম্যান ছিলেন। যদিও শচিনের ট্রিপল সেঞ্চুরি নেই কিন্তু নিয়মিত রান করার এক অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল তার।

জ্যাক ক্যালিস:

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিসের টেষ্ট ক্যারিয়ার বেশ সমৃদ্ধ। বোলিংয়ের সাথে টেষ্টে নিয়মিত রান করার ক্ষেত্রে ক্যালিস সফল এক নাম। স্টাইলিশ এ প্রোটিয়া অলরাউন্ডার রেকর্ডের হিসেবে টেষ্ট ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। তিনি টেষ্ট ক্রিকেটে ৪৫সেঞ্চুরির সাথে ১৩২৮৯রান করেন।

রিকি পন্টিং:

বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা অয়ানডাউন ব্যাটসম্যান বলা হয় তাকে। পন্টিং টেষ্ট ক্রিকেটের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান। দারুণ টাইমিং ও নিখুঁত শটের জন্য পন্টিং টেষ্ট ক্রিকেটের এক সফল নাম।৪১সেঞ্চুরির সাথে ১৩৩৭৮রানের দারুণ এক টেষ্ট ক্যারিয়ার রয়েছে রিকি পন্টিংয়ের।

কুমার সাঙ্গাকারা:

শ্রীলঙ্কার সর্বকালের সেরা এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান টেষ্ট ক্রিকেটে রেকর্ডের হিসেবে এক বিশেষ নাম। বিশ্বের অন্যতম সেরা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সাঙ্গাকারা বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিংয়ের জন্য বিখ্যাত। তিনিও নিখুঁত শট খেলায় পারদর্শী ছিলেন। সাঙ্গাকারা টেষ্ট ক্রিকেটে ৩৮সেঞ্চুরির সাথে ১৩৪০০রান করেন।

রাহুল দ্রাবিড়:

টেষ্ট ক্রিকেটে বিরলপ্রজ ব্যাটসম্যান বলা হয় তাকে। অসীম ধৈর্য ও নিখুঁত টাইমিং মিলে দ্রাবিড় টেষ্ট ক্রিকেটের সফল এক লিজেন্ড।সব ভালো ব্যাটসম্যান রাহুল দ্রাবিড়ের ক্রিকেট দর্শন ফলো করতে চায়। দ্রাবিড় টেষ্ট ক্রিকেটে ৩৬সেঞ্চুরির সাথে ১৩২৮৮রান করেন।

ব্রায়ান লারা:

ক্রিকেটের বরপুত্র ব্রায়ান লারা টেষ্ট ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে স্বীকৃত। অসাধারণ স্ট্যামিনার অধিকারী লারার টেষ্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড রয়েছে। দারুণ প্রতিভাবান এ ব্যাটসম্যান ৩৪ টেষ্ট সেঞ্চুরির মালিক। টেষ্টে সবোর্চ্চ ৪০০রানের ইনিংস রয়েছে তার। স্টাইলিশ এ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান টেষ্টে অদ্বিতীয়  হিসেবে স্বীকৃত।

Written by provakar chowdhury.

Significant records in cwc19 Worldcup


               
Cwc19 saw some great events.England won CWC19 final cricket  for the first time.Newzealand again lost another Worldcup final cricket.India lost her semifinal against Newzealand. Australia also failed to reach the final. Rohit Sharma became the highest century holder  in Worldcup cricket with his countryman Sachin Tendulkar. Ben stokes kept a great role to win England first Worldcup trophy.wonderful  bowling by Archer was a significant event for cwc19 Worldcup final cricket.He also kept a vital role to win England cwc19 final cricket.Here we discuss the details .

First worldcup final cricket win by England: 

England won cwc19 final cricket for the first time.It was really a great news.Ben Stokes played very well.Basically he was the real hero.Jofra Archer also did well.

India lost the semifinal:

Cricket giant India lost the semifinal.It was another significant event for cwc19 final cricket.

Newzealand lost another worldcup final:

 NZ lost another worldcup final against the host England.Though Newzealand tried her best.

Heroic cricket by Ben stokes: 

English all-rounder Ben stokes played heroic cricket.He kept a superhuman role to win England worldcup final cricket for the first time.


Australia lost the semifinal: 

cricket giant Australia lost the semifinal against England.It was another significant news for cwc19 worldcup final cricket.

Rohit Sharma became highest century holder in worldcup cricket: 

Rohit Sharma became another highest century holder in worldcup cricket with his countryman Sachin Tendulkar.


Jofra Archer's worldcup:


Jofra Archer is one of the best Pacer in present cricker.He also played  great  cricket.Archer kept a great role to win England first worldcup final.

Captain Eion Morgan: 

English captain Eion Morgan became a unique part of English cricket.Because England won  worldcup final Cricket for first time by his significant captaincy.

Written by provakar chowdhury.

বিশ্বের বৃহৎ ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোর খোজখবর

               
ক্রিকেটে ব্যাটসম্যান, রান, বোলিং, ফিল্ডিং এসবের বাইরেও এ খেলার সাথে জড়িত বৃহৎ স্টেডিয়ামগুলো এক আকর্ষণীয় টপিক। রুজ বুল,ইডেন গার্ডেন কিংবা লর্ডসের মত স্টেডিয়ামগুলো ক্রিকেটপ্রেমীদের স্মৃতিতে থাকবেই। এখানে বিশ্বের  বৃহৎ ও দর্শনীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোর কথা বলব।

দি লর্ডস, ইংল্যান্ড:

দি হোম অব ক্রিকেট হিসেবে পরিচিত দি লর্ডস স্টেডিয়াম ইংল্যান্ডে অবস্থিত।১৮১৪খ্রি.নির্মিত এ স্টেডিয়াম ক্রিকেটের ইতিবৃওের সাথে জড়িত।২৮০০০ দর্শক ধারণক্ষমতার এ মাঠে ২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ইংল্যান্ড তাদের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে।

এমসিজি, অষ্ট্রেলিয়া:

 পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এ স্টেডিয়াম নির্মিত হয় ১৮৫৪খ্রিষ্টাব্দে।এ মাঠে ৯৬০০০ দর্শক একসাথে বসে খেলা দেখতে পারে।

ইডেন গার্ডেনস,ভারত:

১৮৬৪খিষ্টাব্দে নির্মিত ইডেন গার্ডেনস  পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ক্রিকেট মাঠ। এখানে ৬৬০০০দর্শক আসন রয়েছে।

শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, বাংলাদেশ:

২০০৬খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রিকেটের বহু রেকর্ডের সঙ্গী।২৫০০০দর্শক ধারণক্ষমতার এ মাঠে বাংলাদেশ প্রথম অডিআই ক্রিকেটে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে। শচিন টেন্ডুলকার তার শততম সেঞ্চুরি এ মাঠে করেন।

দি ওভাল, ইংল্যান্ড:

১৮৪৫খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত ক্রিকেটের অন্যতম সুপরিচিত মাঠ দি ওভাল।এখানে ২৩৫০০দর্শক একসাথে খেলা উপভোগ করতে পারে।

রুজ বুল, ইংল্যান্ড:

ইংল্যান্ডের সুপরিচিত ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড রুজ বুল।শীতগ্ৰীষ্ম সব ঋতুতেই এখানে সমান আয়েশে খেলা দেখা যায়।২০০১খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত এ মাঠের দর্শক ধারণক্ষমতা ২০০০০।

দি গাবা, অষ্ট্রেলিয়া:

১৮৯৫খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত এ মাঠ অষ্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের জন্য অপয়া হিসেবে স্বীকৃত।৪২০০০দর্শক ধারণক্ষমতার এ মাঠের উইকেট ব্যাটিং স্বর্গ হিসেবে পরিচিত।

ওল্ড ট্র্যাফোর্ড, ইংল্যান্ড:

১৮৫৭খ্রিষ্টাব্দে  নির্মিত ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ২৬০০০ দর্শক ধারণক্ষমতা রয়েছে । ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় পুরাতন টেষ্ট গ্ৰাউন্ড এটি।

এডিলেড ওভাল, অষ্ট্রেলিয়া:

 ক্রিকেটের সুপরিচিত মাঠ অষ্ট্রেলিয়ার এডিলেডে ওভাল নির্মিত হয় ১৮৭৩খ্রিষ্টাব্দে।বৃহৎ এ মাঠে একসাথে ৫৩০০০দর্শক খেলা দেখতে পারেন।

করাচি  ক্রিকেট স্টেডিয়াম, পাকিস্তান: 

পাকিস্তানে  অবস্থিত করাচি ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি হয় ১৯৫৫খ্রিষ্টাব্দে।এ মাঠে পাকিস্তান খুব কম টেষ্ট হেরেছে।এর দর্শক ধারণক্ষমতা ৩৪০০০।

কিংস্টন ওভাল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ:

১৮৮২খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত কিংষ্টন ওভাল পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় ক্রিকেট মাঠ। এখানে খেলা দেখার বিষয়টি বিশেষ ঘটনা হিসেবে দর্শকদের কাছে স্বীকৃত।এর দর্শক ধারণক্ষমতা ২৮০০০।

ফিরোজ শাহ কোটলা,ভারত:

১৮৮৩খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত ও ৪০০০০ দর্শক ধারণক্ষমতার ফিরোজ শাহ কোটলা ক্রিকেটের বহু ইতিহাসের সাথে জড়িত।এ মাঠে অনিল কুম্বলে এক ইনিংসে ১০উইকেট নেবার কৃতিত্ব দেখান।

গল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, শ্রীলঙ্কা: 

১৮৭৬খ্রিষ্টাব্দে তৈরি শ্রীলঙ্কার নয়নাভিরাম এ মাঠের দর্শক ধারণক্ষমতা ৩৫০০০।এ মাঠে কিংবদন্তি স্পিনার মুরালিধরন ১১ম্যাচে ৮৭উইকেট নেবার কৃতিত্ব অর্জন করেন।

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম,ভারত:

ভারতের এ স্টেডিয়াম নির্মিত হয় ১৯৭৪খ্রিষ্টাব্দে।এর দর্শক ধারণক্ষমতা ২৪৫০০। রবি শাস্ত্রী এ মাঠে ৬বলে ৬ছক্কা হাকান ।এখানেশচিন টেন্ডুলকার তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন।

নিউল্যান্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকা:

১৮৮৯খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয় এ স্টেডিয়াম।২৫০০০দর্শক ধারণক্ষমতার এ মাঠে ১২৫বছর ধরে ক্রিকেট খেলা হচ্ছে। ঘরের ছেলে জ্যাক ক্যালিস এ মাঠে ৯টি সেঞ্চুরি করেন।

এজবাষ্টন, ইংল্যান্ড:

১৮৮২খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত এজবাস্টনের দর্শক ধারণক্ষমতা ২৫০০০। এখানে ক্রিকেটের বরপুত্র ব্রায়ান লারা প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অপরাজিত ৫০১রান করেন।

ওয়াকা, অষ্ট্রেলিয়া:

১৮৯০খ্রিষ্টাব্দে তৈরি  ওয়াকার উইকেটকে পৃথিবীর সবচেয়ে গতিময় উইকেট বলা হয়।এর দর্শক ধারণক্ষমতা ২৪৫০০। এখানে গ্লেন ম্যাকগ্রা পাকিস্তানের বিপক্ষে একম্যাচে ২৪রানে ৮উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখান।


Written by provakar chowdhury.

ক্রিকেটের ছক্কা বিশেষজ্ঞ


                 
 ক্রিকেটে ছক্কা এক বিশেষ শট। একটি বলে ছয়টি রান ক্রিকেটে বড় বিষয়।  এমনকি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের গোড়াপওনের পূর্বেও ছক্কা বিশেষজ্ঞ একেবারে কম না ক্রিকেটে।তবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের পর ছক্কার গুরুত্ব বেড়েছে একথাও ভুলে গেলে চলবে না। ক্রিকেটে একটি বলে ছয়টি রান অবশ্যই একটি বিশাল বিষয়। এমনকি একজন ছক্কা বিশেষজ্ঞ যেকোন ক্রিকেটম্যাচে ব্যাপক পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।একজন গেইল কিংবা ম্যাককালামের মত ছক্কা বিশেষজ্ঞ যেকোন ম্যাচের গতিপথকে মুহূর্তে  ভিন্ন দিকে নিয়ে যেতে পারে। ক্রিকেটে এরূপ ঘটনা অসংখ্য।ছক্কার ফুলঝুরি ফুটানো সহজ কাজ না। এজন্য যেমন উন্নত টেকনিক প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন কব্জির জোর ও গুড সেন্স বা টাইমিং। এখানে ক্রিকেটের ছক্কা বিশেষজ্ঞদের একটু সন্ধান করব।

শহীদ আফ্রিদি:

ক্রিকেটের ছক্কা বিশেষজ্ঞ খোজলে সব পরিসংখ্যানে আফ্রিদির নাম বেশ জোরেশোরেই উচ্চারিত হয়। সে এ তালিকায় সবার ওপরে আছে। তার ছক্কা:৩৫১।

ক্রিস গেইল:

ইউনিভার্স বস গেইল ক্রিকেটের ইতিহাসে এক ছক্কা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত। তার ছক্কা:৩৩১।

সনাৎ জয়সুরিয়া:

শ্রীলঙ্কার এ ড্যাসিং ওপেনার আরেক সর্বাধিক ছক্কা অধিকারী ব্যাটসম্যান। তার ঝুলিতে ছক্কা:২৭০।

রোহিত শর্মা:

বর্তমান ক্রিকেটের সবচাইতে বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান বলা হয় তাকে। রোহিত শর্মার ছক্কা সংখ্যা:২৩৮।

এমএস ধোনি:

ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ক্রিকেটের এক ছক্কা বিশেষজ্ঞ। তার ছক্কা সংখ্যা:২২৯।

এ মরগান:

ইংল্যান্ডের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মরগান ক্রিকেটের অভিজাত ছক্কা বিশেষজ্ঞ তালিকায় বেশ ওপরে আছেন।তিনি মোট ছক্কা হাকান:২১১।

এবি ডিভিলিয়ার্স:

ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্সও ছক্কা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত। তার ছক্কা:২০৪।

ব্রেন্ডন ম্যাককালাম:

সাবেক মারকুটে ওপেনার ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ছক্কা মারতে সিদ্ধহস্ত ছিলেন। তিনি সহজেই বল বাতাসে ভাসিয়ে সীমানাছাড়া করতেন। এমনকি ভালো বলকে বিগশটে রূপ দিতে তিনি অতুলনীয় ছিলেন। তার ছক্কা:২০০।

শচিন টেন্ডুলকার:

সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান শচীন রমেশ টেন্ডুলকার ক্রিকেটের অভিজাত ছক্কা বিশেষজ্ঞ তালিকায়ও আছেন। অসাধারণ টেকনিকের অধিকারী টেন্ডুলকার বিপুল সংখ্যক ছক্কা হাঁকান।তা ছক্কা:১৯৫।

সৌরভ গাঙ্গুলী:

ভারতের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক এবং মারকুটে ওপেনার সৌরভ গাঙ্গুলীর ছক্কা সংখ্যা নেহাত কম না। তিনি ছক্কা হাঁকান:১৯০।

Written by provakar chowdhury.

ক্রিকেটে বাংলাদেশের কিছু বড় জয়



               
 বাংলাদেশ ক্রিকেটের আঙ্গিনায় মোটামুটি সমীহ জাগানো এক টিম হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে।তাই স্বাভাবিকভাবে কৌতুহল জাগে বাংলাদেশ টিমের বড় কিছু জয়ের খোঁজ নেবার। এবং বাংলাদেশ টিমের বড় জয়ের সংখ্যা বাড়ছে।এ তালিকায় নিরানব্বই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাথে জয় থেকে গেল বিশ্বকাপের দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে জয়ের হিসেব আসবে। এছাড়াও বড় স্কোর করেও হারতে হয়েছে বহুম্যাচ। এবং সেসব ম্যাচে কিছু অসাধারণ ইন্ডিভিজুয়াল পারফরম্যান্স ছিল। সবকিছুর পর এখানে আমরা খুজবো বাংলাদেশের কিছু বড় ও গুরুত্বপূর্ণ জয়।

১৯৯৯বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাথে জয়: 

নিঃসন্দেহে
বলা যায় ৯৯বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জয় এদেশের ক্রিকেটের এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল। অসাধারণভাবে ঐ ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছিল।এ জয়ের ফলে এ দেশের ক্রিকেট নতুন এক সম্ভাবনার সন্ধান পায়।সে ম্যাচের স্কোর:
বাংলাদেশ ২২৩, পাকিস্তান ১৬১।পাকিস্তান হেরেছিল ৬২রানে।

২০০৫সালে কার্ডিফে অষ্ট্রেলিয়ার সাথে জয়:

মোঃআশরাফুলের এক অতিমানবীয়  ইনিংসের বদৌলতে বাংলাদেশ ২০০৫ এ কার্ডিফে অষ্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল। বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ম্যাচ হিসেবে বহুদিন এ ম্যাচের কথা মনে থাকবে ক্রিকেটফ্যানদের স্মৃতিরডায়রিতে। স্কোর: অষ্ট্রেলিয়া ২৪৯/৫, বাংলাদেশ ২৫০/৫। ফলে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে জয়লাভ করে।

২০০৭বিশ্বকাপে ভারতের সাথে জয়:


২০০৭বিশ্বকাপে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে ক্রিকেটামোদীদের বেশ অবাক করে দেয় বাংলাদেশ। তামিম, সাকিব ও মুশফিকের দারুণ ব্যাটিং এ ম্যাচে সবার নজর কাড়ে।সে ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল খুবই কম রানে ভারতকে বেঁধে ফেলা। স্কোর:ভারত১৯১, বাংলাদেশ ১৯২/৫। অর্থাৎ বাংলাদেশ পাঁচ উইকেটে জয় পায়।

২০১৫বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সাথে ১৫রানের জয়:

 বাংলাদেশের বড় জয়গুলোর মধ্যে ২০১৫বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সাথে ছয়টি থাকবে। সেদিন অসম্ভব সুন্দর ক্রিকেটের দেখা পেয়েছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট। ইংল্যান্ডের সঙ্গে সে ম্যাচের দাপুটে ক্রিকেট ক্রিকেটের ফ্যানদের জন্য সত্যিই এক বিশেষ ঘটনা। স্কোর: বাংলাদেশ ২৭৫/৭, ইংল্যান্ড ২৬০। অর্থাৎ বাংলাদেশ ১৫রানে জয়লাভ করে ।এ ম্যাচে মুশফিকুর রহিম ৮৯রান করেন।

২০১৯বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে জয়:

২০১৯বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে দারুণ এক জয় পায় বাংলাদেশ টিমকে।এ ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান ভালো ভাবেই দেয় বাংলাদেশ। এ ম্যাচে বাংলাদেশ অসাধারণ ব্যাটিং উপহার দেয়।স্কোর: বাংলাদেশ ৩৩০/৭, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০৯/৮।ফলে এ ম্যাচে বাংলাদেশ ২১রানের এক ঐতিহাসিক জয় পায় ।

Written by provakar chowdhury.




বিশ্বসেরা ফিল্ডার

             

ক্রিকেটে  ব্যাটসম্যানরা সবচেয়ে জনপ্রিয় একথা আমরা ধরে নেই। কিছু ক্ষেত্রে কোন বোলার হয়ে ওঠেন নায়ক।ডেল স্টেইন,শেন ওয়ার্নের মত বোলাররা ক্রিকেটের জনপ্রিয় ফিগার। সর্বকালের ক্রিকেট এদের মনে রাখবে। কিন্তু এখানে কথা হবে ফিল্ডারদের নিয়ে। ক্রিকেটে বেশকজন ফিল্ডার রয়েছেন যারা এ খেলার ইতিহাসে জনপ্রিয়।কারণ এরা ফিল্ডিংয়ে থাকলে যেকোনো ব্যাটসম্যান ব্যাটিংয়ে সতর্ক হতে বাধ্য। অসাধারণ বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ও সেন্স মিলে ক্রিকেটে এ ফিল্ডাররা হয়ে ওঠেছেন অনন্য। তেমনি আলোচিত কজন ফিল্ডারের কথা এখানে বলব। নামগুলো যথাক্রমে জন্টি রোডস, রিকি পন্টিং,হার্সেল গিবস, এন্ডু সাইমন্ডস, যুবরাজ সিং, মোঃ কাইফ, সুরেশ রায়না,পর কলিংউড, স্টিভ স্মিথ,তিলকেরত্ন দিলসান, রবীন্দ্র জাদেজা, এবি ডিভিলিয়ার্স, বিরাট কোহলি,কিয়েরন পোলার্ড।

জন্টি রোডস:

জন্টি রোডসকে ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ফিল্ডার বলা হয়। অসাধারণ ক্ষিপ্র গতিতে বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারতেন তিনি।

রিকি পন্টিং:

রিকি পন্টিং ক্রিকেটের আরেক সেরা ফিল্ডার। পন্টিং ভালো ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি সেই সাথে অসম্ভব বুদ্ধিমান ফিল্ডার ছিলেন তিনি।

হার্সেল গিবস:

সতীর্থ রোডসের মত তিনিও অসাধারণ ফিল্ডার ছিলেন। বলের পেছনে পারফেক্ট এথলেটের মত মুভ করে নিয়ন্ত্রণ নিতেন গিবস।

এন্ডু সাইমন্ডস:

অষ্ট্রেলিয়ার স্বর্ণযুগের প্রতিনিধি এন্ডু সাইমন্ডস প্রতিভাবান ফিল্ডার ছিলেন।

মোঃ কাইফ:

ইন্ডিয়ার ফিল্ডিং দুর্বলতার মধ্যে কাইফ ব্যতিক্রম।হালকা দৈহিক গড়নের এ ক্রিকেটার দারুণ ফিল্ডিং করতেন।
যুবরাজ সিং: যুবরাজ সিংয়ের ফিল্ডিং ক্রিকেটের এক আলাদা আকর্ষণীয়  টপিক। দ্রুত বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে তিনি খুব পারঙ্গম ছিলেন।

সুরেশ রায়না:

সুরেশ রায়না ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফিল্ডার। দারুণ সেন্সের জন্য তিনি ফিল্ডিংয়ে সহজেই প্রভাব বিস্তার করতে পারতেন।

পল কলিংউড:

ইংল্যান্ডের এ সাবেক অলরাউন্ডার অসাধারণ ফিল্ডার হিসেবে পরিচিত। নিখুঁত ডাইভের জন্য বিখ্যাত।

স্টিভ স্মিথ:

অষ্ট্রেলিয়া তথা ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা ওয়ানডাউন ব্যাটসম্যান স্টিভ স্মিথ ফিল্ডার হিসেবেও দারুণ। বলের পেছনে দ্রুততার সাথে ডাইভে তিনি সফল।

তিলকেরত্ন দিলসান:

শ্রীলঙ্কার সর্বকালের সেরা ফিল্ডার বলা হয় তাকে। অসাধারণ ক্ষিপ্রতার জন্য ফিল্ডারদের এক আইডল দিলসান।

রবীন্দ্র জাদেজা:

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা ফিল্ডার হিসেবেও দারুণ। জাদেজা ফিল্ডিংয়ে গুড এথলেট হিসেবে স্বীকৃত।

এবি ডিভিলিয়ার্স:

বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্স ফিল্ডার হিসেবেও বিশ্বসেরা। দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত ফিল্ডিংয়ের জন্য তিনি স্মরণীয়।

বিরাট কোহলি:

বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি ফিল্ডার হিসেবেও অসাধারণ।ক্ষিপ্রতার সাথে বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে তিনিও সিদ্ধহস্ত।

কিয়েরন পোলার্ড:

পোলার্ড  বর্তমান সময়ের সবচেয়ে কার্যকর হার্ডহিটার বলা হয়।ফিল্ডির হিসেবেও পোলার্ড বিশ্বসেরা। দারুণ গ্ৰিফের জন্য তিনি স্মরণীয়।

Written by provakar chowdhury.