WHAT'S NEW?
Loading...

বর্তমান অডিআই ক্রিকেটের টপ উইকেটটেকার

                 
বর্তমান অডিআই ক্রিকেট বোলারদের জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জিং।কারণ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ছোঁয়ায় অডিআই ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানরা আগ্ৰাসী ব্যাটিং করছে।  আনকোরা শটে ভালো বলকেও বিগশটে পরিণত করছে। এরফলে অডিআই ক্রিকেটে বোলারদের অধিক শ্রম দিতে হচ্ছে। এখানে বর্তমান অডিআই ক্রিকেটে সফল বোলারদের খোঁজ করব । মালিঙ্গা থেকে ট্রেন্ট বোল্ট এখানে থাকবে।

             লাসিথ মালিঙ্গা  

এ মুহূর্তে বেষ্ট অডিআই বোলার এবং ইয়র্কারমাষ্টার  লাসিথ মালিঙ্গা। তার অডিআই উইকেট সংখ্যা ৩৩৮।

           মাশরাফি বিন মুর্তজা

বাংলাদেশের অডিআই ক্যাপ্টেন মাশরাফি বিন মুর্তজা এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন। তার উইকেট সংখ্যা ২৭০।


             সাকিব আল হাসান

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের অডিআই উইকেট সংখ্যা ২৬০।

              ডেল স্টেইন

বিশ্বসেরা গতিতারকা ডেল স্টেইনের অডিআই উইকেট সংখ্যা ১৯৬।

              টিম সাউদি

এ সময়ের অন্যতম সফল ফাষ্ট বোলার ও নিউজিল্যান্ডের স্পিডস্টার টিম সাউদির অডিআই উইকেট সংখ্যা ১৯০।

           রবীন্দ্র জাদেজা 

ভারতীয় বিশ্বসেরা স্পিনার ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজার অডিআই উইকেট সংখ্যা ১৮৭।

            ইমরান তাহির 

বর্তমান অডিআই  ক্রিকেটের অন্যতম সেরা স্পিনার ইমরান তাহিরের অডিআই উইকেট সংখ্যা ১৭৩।

              মিশেল স্টার্ক

এ সময়ের সবচেয়ে সফল ও কার্যকর ফাষ্ট বোলার মিশেল স্টার্কের অডিআই উইকেট সংখ্যা ১৭৮।

             থিসারা পেরেরা

শ্রীলঙ্কার অন্যতম সেরা মিডিয়াম পেসার ও জনপ্রিয় অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরার অডিআই উইকেট সংখ্যা ১৭২।

                 ট্রেন্ট বোল্ট

বর্তমান অডিআই ক্রিকেটের এক টাফ পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। তার অডিআই উইকেট সংখ্যা ১৬৪।

Written by provakar chowdhury.

সফল ও জনপ্রিয় আম্পায়ারদের কথা

                 
ক্রিকেট যদিও ব্যাটসম্যান বোলারদের খেলা তবু আম্পায়ারদের ভূমিকা কম নয় এখানে। নতুন নতুন প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আম্পায়ারদের ভুলের হার কমছে। অন্যদিকে ক্রিকেটের নতুন নতুন আইনের প্রয়োগ বাড়ছে। স্বাভাবিকভাবে আম্পায়ারদের দায়িত্ব বেড়েছে।একসময় মাঠের ডিসিশন ছিল চূড়ান্ত।এখন রিভিউ সিষ্টেম চালু হয়েছে।এ সবকিছুর বাইরে আম্পায়ারদের সফল ও জনপ্রিয়তা একটি বিশেষ বিষয়। ক্রিকেটের জনপ্রিয় ও সফল কয়েকজন আম্পায়ারের কথা বলব এখানে।

              স্টিভ বাকনার

দীর্ঘদেহী ও সদা হাস্যজ্জল স্টিভ বাকনার ক্রিকেটের এক সফল আম্পায়ার।বাকনার একসময়  ফুটবল রেফারি ছিলেন এবং পরে ক্রিকেটে আসেন। নিখুঁত সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষেত্রে তিনি ক্রিকেট আম্পায়ারিংয়ে সবার সেরা।১২৮ টেষ্ট ও ১৮১ অডিআই ম্যাচ পরিচালনার কৃতিত্ব রয়েছে তার।

             ডেভিড শেফার্ড

ক্রিকেটের অন্যতম সেরা আম্পায়ার শেফার্ড। তিনিও নিখুঁত সিদ্ধান্ত দেয়ার জন্য বিখ্যাত।১৭২টেষ্টও ৯২অডিআই ম্যাচে তিনি আম্পায়ারিং করেন।

              বিলি বাউডেন

ক্রিকেটের জনপ্রিয় আম্পায়ার বিলি বাউডেন।আউট কিংবা চার ছয়ের সিদ্ধান্ত দেয়ার বেলায় অদ্ভুত ভঙ্গির জন্য তিনি আলোচিত।৮৪টেষ্টও ২০০অডিআই ম্যাচ পরিচালনা করেন বাউডেন।

              রুডি কোয়ের্জেন

সফল আম্পায়ার কোয়ের্জেন ১০৮টেষ্টও ২০৯ অডিআই ম্যাচ পরিচালনা করেন।

              ডেরিল হারপার

ক্রিকেটের জনপ্রিয় ও সফল আম্পায়ার ডেরিল হারপার। তিনিও নিখুঁত সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষেত্রে সফল। হারপার ৯৪টেষ্ট ও ১৭৪অডিআই ম্যাচে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন।

           শ্রীনিবাসভেঙ্কটরাঘবন

সফল ও জনপ্রিয় এ আম্পায়ার ৭৩টেষ্ট ও ৫২অডিআই ম্যাচে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

               সাইমন টাফেল  

সাইমন টাফেল নিখুঁত আম্পায়ারিংয়ের জন্য বিখ্যাত।এই সুদর্শন  আম্পায়ার সফল ও জনপ্রিয় আম্পায়ার।টাফেল সাফল্যের সাথে ৭৪টেষ্ট ও ১৭৪অডিআই ম্যাচ পরিচালনা করেন।

               কুমার ধর্মসেনা

কুমার ধর্মসেনা ক্রিকেটের এক সফল আম্পায়ার। তিনি ৬০টেষ্ট ও৯৬অডিআই ম্যাচে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন।

               আলিম দার 

আলিম দার ক্রিকেটের অন্যতম সফল আম্পায়ার। তিনি ১০৫টেষ্ট ও ১৮১অডিআই ম্যাচ পরিচালনা করেন।

Written by provakar chowdhury.

অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের টপ ব্যাটসম্যানদের সেঞ্চুরি ও অন্যান্য

                     
বাংলাদেশ ক্রিকেটের পথচলার দূরত্ব বহুদূর চলে গেছে।সেই কেনিয়া, স্কটল্যান্ডের সাথে তুলনা আজ আর নেই।এখন সাকিবের মত বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার বাংলাদেশের প্রতিনিধি। সাকিবের নামে ক্রিকেটের নতুন অধ্যায় রচিত হয়েছে।বাংলাদেশ ক্রিকেটের  পথচলায় বেশকিছু প্রতিভাবান ব্যাটসম্যানের জন্ম হয়েছে। যেমন তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, শাহরিয়ার নাফিস, ইমরুল কায়েস,আনামুল হক বিজয়, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মোঃ আশরাফুল,সৌম্য সরকার, লিটন দাশ, সাব্বির রহমান অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের সফল কয়েকজন ব্যাটসম্যান।

             তামিম ইকবাল

বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল ওপেনার তামিম ইকবাল। মারকুটে ব্যাটসম্যান। দারুণ স্টোকমেকার তামিম অডিআই ক্রিকেটে ১৩সেঞ্চুরি এবং৪৭ হাফসেঞ্চুরির মালিক।

           সাকিব আল হাসান

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব অসাধারণ ব্যাটসম্যানও।উন্নত টেকনিকের অধিকারী এ ব্যাটসম্যান অডিআই ক্রিকেটে  ৯সেঞ্চুরি এবং ৪৭ হাফসেঞ্চুরির রূপকার।

            মুশফিকুর রহিম

মুশফিক বাংলাদেশের সফল উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।গুড টেকনিক ও অসাধারণ টাইমিং মিলে তিনি লড়াকু ব্যাটসম্যান। তার ৭অডিআই সেঞ্চুরি এবং ৩৮হাফসেঞ্চুরি রয়েছে।

           শাহরিয়ার নাফিস

একসময়ের দারুণ প্রতিভাবান ওপেনিং ব্যাটসম্যান শাহরিয়ার নাফিস। তার ৪অডিআই সেঞ্চুরি এবং ১৩ হাফসেঞ্চুরি রয়েছে।

          মোঃ আশরাফুল

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান বলা হয় তাকে । দারুণ কিছু ইনিংসের জন্য ক্রিকেটে তিনি স্মরণীয়। আশরাফুলের ৩ অডিআই সেঞ্চুরি এবং ২০হাফসেঞ্চুরি রয়েছে।

             ইমরুল কায়েস

 বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ওপেনার ইমরুল কায়েস। তিনি ৪অডিআই সেঞ্চুরি এবং ১৬ হাফসেঞ্চুরির রূপকার।

           আনামুল হক বিজয়

প্রতিভাবান ওপেনিং ব্যাটসম্যান আনামুল হক বিজয় ৩অডিআই সেঞ্চুরি এবং ৩হাফসেঞ্চুরির মালিক।

               সৌম্য সরকার

অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী এ স্টাইলিশ ওপেনার বাংলাদেশের সফল এক ব্যাটসম্যান। সৌম্য ২অডিআই সেঞ্চুরি এবং ১১হাফসেঞ্চুরির মালিক।

                মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ

বাংলাদেশের সফল ফিনিশার বলা হয় তাকে।অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তিনি ৩অডিআই সেঞ্চুরি এবং ২১ হাফসেঞ্চুরি করেছেন।

                    লিটন দাশ

প্রতিভাবান ওপেনিং ব্যাটসম্যান লিটন দাশ বরাবরই অডিআই ক্রিকেটে সফল। তিনি ৩ অডিআই সেঞ্চুরি এবং ৩হাফসেঞ্চুরির মালিক।লিটন দাশ অডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের  সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক। তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিলেটে ১৭৬ রান করেন।

          সাব্বির রহমান

সাব্বির রহমান অয়ানডাউনে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। তিনি ১অডিআই সেঞ্চুরি এবং ৬হাফসেঞ্চুরির রূপকার।

Written by provakar chowdhury.

Top fastest bowlers in cricket

   
Cricket saw some great fast bowlers.And They made this game more exciting.Here we remember these great fastbowlers,Andy Roberts, curtly Ambrose, Shane bond, Shoaib akhter, Brett Lee, Fidel Edwards, Mitchell  starc,Dale Steyn are the fastest bowlers in cricket.All of them are notable for their great bowling Speed and variation.

               ‌Andy Roberts

He is one of the best fastbowlers in cricket.He is a pioneer of fast bowling.He is notable for his great bowling Speed .And it's a special topic for cricket.

            Curtly Ambrose         

Ambrose was a great fast bowler.This windies fastbowler is a great character for cricket. His great bowling style and height is a great topic for cricket.

               Shane Bond    

Shane Bond is a top fastest bowlers in cricket.This kewis speedstar left cricket very early due to rapid injuries.

                 Brett Lee

Brett Lee is another top fastest bowlers in cricket.He is notable for his great run-up & speed. He is a great speedstar of cricket.

             Shoaib akhter

Shoaib akhter is one of the fastest bowlers in cricket. His great bowling Speed & run-up is a top story  for cricket.

            Fidel Edwards

Fidel Edwards is a great speedstar of windies cricket.He is noteable for his great bowling Speed & extra bounce.

             Mitchell  Starc

Mitchell starc is one of fastest bowlers in cricket.Starc is really a great bowler.He is noteable mostly for his quick delivery & valuable Yorker.

               Dale Steyn

He is one of the best fastbowlers in cricket.He is noteable mostly for his speed & variation.His quick delivery is extra story of cricket.

Written by provakar chowdhury

ক্রিকেটের টাফেষ্ট স্পিনারদের নাম

                       
 ক্রিকেটে  ব্যাটসম্যান বা গতির বোলারদের পাশাপাশি কখনও কখনও স্পিনার হয়ে গেছেন আলোচিত। তুখোড় উইকেটটেকিং ক্যাপাসিটি সেইসাথে দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং দুই মিলে এরা হয়ে ওঠেছেন স্টার । তেমনি কিছু নাম স্মরণ করা যায়।যেমন শেন ওয়ার্ন, মুরালিধরন,অনিল কুম্বলে, সাকলাইন মুশতাক,হরভজন সিং এক্ষেত্রে প্রধানত স্মরণীয়।


শেন ওয়ার্ন:

বিশ্বের সর্বকালের সেরা লেগস্পিনার বলা হয় তাকে। বুদ্ধিমত্তা ও নিখুঁত ডেলিভারি মিলে ক্রিকেটে এরুপ স্পিনার খুব কম দেখা যায়।সব বড় বড় ব্যাটসম্যান তাকে সমীহ করে খেলতেন।

মুওিয়া মুরালিধরন:

অদ্ভুত বোলিং স্টাইল ও টানা লাইন ঠিক রেখে বলল করার জন্য ক্রিকেটে তিনি স্মরণীয়। দুর্দান্ত এ অফস্পিনার ছিলেন ব্যাটসম্যানদের এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম।তার বোলিং প্রায় সব তারকা ব্যাটসম্যানদেরই খেলতে সমস্যা হত।

অনিল কুম্বলে: 

বিশ্বসেরা লেগস্পিনার অনিল কুম্বলেকে বলা হয় সর্বকালের অন্যতম সেরা লেগস্পিনার।লেগ স্পিনের সাথে বুদ্ধিদীপ্ত ডেলিভারির জন্য ক্রিকেটে তিনি স্মরণীয়।টেষ্ট ক্রিকেটে এরুপ লেগস্পিনার খুব কম দেখা যায়।

হরভজন সিং:

এ দুর্দান্ত অফস্পিনার ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সেরা স্পিনার হিসেবে পরিচিত।কুইক স্পিন ও ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতা বোঝে বল করতে পারঙ্গম ছিলেন হরভজন।

সাকলাইন মুশতাক:

ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা অফস্পিনারের তালিকায় সাকলাইন মুশতাকের নাম পাওয়া যায়। বুদ্ধিমত্তা ও নিখুঁত স্পিন মিলে তিনি এক সফল স্পিনার ছিলেন।

Written by provakar chowdhury

ক্রিকেটের সমীহজাগানো পেসারদের কথা

       
যদিও বলা হয় ক্রিকেট ব্যাটসম্যানদের খেলা তবু দিনশেষে বোলারদের কৃতিত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই।এর মধ্যে কিছু বোলার আবার সবসময় ক্রিকেটে আধিপত্য বিস্তার করে গেছেন। তাদের ম্যাচজেতানো বোলিং,খোরধার বোলিং ক্যারিশমা চিরকালের ক্রিকেটে রেখে গেছে এক অদ্ভুত সৌন্দর্য।এরা টিমে থাকা মানে প্রতিপক্ষের আলাদা মাথাব্যথার কারণ।তেমনি কয়েকজন পেস বোলার হলেন কাটলি আমব্রোস,কোটনিওয়ালস, কপিল দেব ,ওয়াসিম আকরাম,চামিন্ডাভাস,গ্ৰেন ম্যাকগ্ৰা, শন পোলক,এনাল্ড ডোনাল্ড,শেন বন্ড, ব্রেট লি, শোয়েব আখতার, মিশেল স্টার্ক,ডেল স্টেইন ।

কাটলি আমব্রোস:

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দীর্ঘদেহী এ পেসার ছিলেন ক্রিকেটের এক সফল পেসার। নিখুঁত ডেলিভারি ও  বোলিংয়ের বৈচিত্র্যের জন্য ক্রিকেটে তিনি চিরপরিচিত।

কোটনি ওয়ালস:

ওয়েস্ট ইন্ডিজের আরেক দীর্ঘদেহী পেসার কোনটি ওয়ালস। সঠিক লাইন লেংথের জন্য ব্যাটসম্যানরা তাকে সমীহ করত।

কপিল দেব:

ইন্ডিয়ার প্রথম সফল পেসার বলা হয় তাকে। লড়াকু এ পেসার ক্রিকেটের ইতিহাসে সবসময় আলোচিত।

ওয়াসিম আকরাম:

ওয়াসিম আকরাম ক্রিকেটে সোয়িংয়ের সেরা বোলার হিসেবে খ্যাত। উইকেটের দু'পাশে সমানভাবে বল সোয়িং করাতে পারতেন ওয়াসিম আকরাম। গতির সাথে ছিল ভেরিয়েশন।

চামিন্ডা ভাস:

চামিন্ডা ভাস ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা পেসারদের অন্যতম। নিখুঁত ডেলিভারি এবং সোয়িং মিলে ভাস ছিলেন ক্রিকেটের এক ভয়ংকর বোলার।

গ্লেন ম্যাকগ্রা:

নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পুরোধা বলা হয় তাকে। অসাধারণ বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ের জন্য ক্রিকেটে তিনি চিরস্মরণীয় নাম।
শন পোলক: দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক পোলক ক্রিকেটের এক সফল পেসার। নিখুঁত লাইন এবং ভেরিয়েশন মিলে এক অসাধারণ বোলার ছিলেন পোলক।

এনান্ড ডোনাল্ড:

দক্ষিণ আফ্রিকার এ গতি তারকা ক্রিকেটের আরেক সফল নাম। তিনিও নিখুঁত ডেলিভারির জন্য বিখ্যাত।

ওয়াকার ইউনুস:

রিভার্স সুইংয়ের জন্য বিখ্যাত এ বোলার ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার।

ব্রেট লি:

ব্রেট লি বিশ্বসেরা গতিতারকা হিসেবে চিরস্মরণীয়।একটানা দ্রুত গতিতে বোলিং করার অপূর্ব কৃতিত্ব ছিল তার।

শোয়েব আখতার:

ক্রিকেটের দ্রুততম এ বোলারের নাম ক্রিকেটের ইতিহাসে থাকবেই। লম্বা রানআপ ও গতি ছিল তার একটি বিশেষ দিক।

ডেল স্টেইন:

ক্রিকেটের টাপেষ্ট পেসারদের শটলিষ্টে স্টেইনের নামটি আসবেই। গতির সাথে সোয়িং মিলে এক দারুণ পেসার স্টেইন।

মিশেল স্টার্ক:

ক্রিকেটের এক জীবন্ত কিংবদন্তি মিশেল স্টার্ক।গতি ও ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতা বোঝে বোলিং করার অপূর্ব ক্ষমতা আছে তার।

Written by provakar chowdhury

ছোট টিমের বড় ক্রিকেটারদের গল্প

                 
ক্রিকেটে বহু ক্রিকেটার নিজে বড় খেলোয়াড় ছিলেন কিন্তু নিজের দেশের টিম ছিল ছোট।এ প্রসঙ্গে জিম্বাবুয়ের এন্ডি ফ্লাওয়ারের নাম আগে আসে। কেনিয়ার স্টিভ টিকলোও তার সহযোগী হবেন। আফগানিস্তানের রশিদ খান এ তালিকায় থাকবেন। বাংলাদেশের সাকিব এ দলেই পড়বেন। জিম্বাবুয়ের এলটন চিগুম্বুরার নামটিও এ প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য।এরা প্রত্যেকেই স্বস্ব ক্ষেত্রে প্রতিভাবান । বিশ্বসেরাদের বিভিন্ন শটলিষ্টে এদের নাম আসবেই। রশিদ খান এবং সাকিব বর্তমান ক্রিকেটের দুই বিস্ময়কর প্রতিভা।বলা হয় এরা আরও স্ট্রং কোন ক্রিকেটপ্লেয়িং টিমে খেললে বেটার রেজাল্ট পেতেন।

এন্ডিফ্লাওয়ার:

জিম্বাবুয়ের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বলা হয় এন্ডিফ্লাওয়ারকে। এন্ডিফ্লাওয়ারের মত ট্যাকনিক্যালি স্ট্রং ব্যাটসম্যান ক্রিকেটে হাতেগোনা দেখা যায়। কিন্তু জিম্বাবুয়ে টিমে তাকে যথার্থ রূপে ব্যবহার করার সুযোগ কম ছিল। অসাধারণ স্ট্যামিনার অধিকারী এন্ডি বেশ কিছু বিগ ইনিংসের মালিক।

স্টিভ টিকলো:

স্টিভ টিকলো কেনিয়ার সর্বকালের সেরা অধিনায়ক। প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান ও অকেশনাল বোলার হিসেবেও সফল ছিলেন তিনি। লড়াকু এ ব্যাটসম্যানের দুর্ভাগ্য যে তাকে কেনিয়ার মত দুর্বল টিমে খেলতে হয়েছে।বলা হয় অন্যকোন উন্নত টিমে খেললে ক্রিকেট তার কাছথেকে আরও ভালো কিছু পেত।

রশিদ খান:

ক্রিকেটে আফগানিস্তানের যাকিছু অর্জন এর অন্যতম স্থপতি অবশ্যই রশিদ খান। অসাধারণ লেগ স্পিনার।চৌকস ডেলিভারি ও বুদ্ধিমত্তায় বর্তমান ক্রিকেটে তার সমপর্যায়ের স্পিনার খুব রেয়ার। রশিদ খান ভালো কোন টিমে খেললে ক্রিকেটকে আরও ভালো কিছু দিতে পারতেন।

সাকিব আল হাসান:

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে বলা হয় এ যুগের ক্রিকেটের বিস্ময়। অসাধারণ ব্যাটসম্যান এবং চৌকস উইকেটটেকিং স্পিনার হিসেবে ক্রিকেটে তার তুলনা খুব কম।

এলটন চিগুম্বুরা:

বুদ্ধিমান মিডিয়াম পেসার ও গুড ফিনিশার হিসেবে এলটন চিগুম্বুরা এক বিশিষ্ট নাম। জিম্বাবুয়েতে না খেললে তিনি ক্রিকেটকে আরও বেশি কিছু দিতে পারতেন। লড়াকু ক্রিকেটার হিসেবে তার পরিচিত ব্যাপক।

Written by provakar chowdhury

ক্রিকেটের সফল অধিনায়কদের কথা





             
অধিনায়কত্ব ক্রিকেটের একটি বিশেষ দিক। ক্রিকেটে মাঠ ও মাঠের বাইরে অধিনায়কের ব্যাপক ভূমিকা থাকে।টিম সিলেকশন থেকে ফিল্ড সিলেকশন সবক্ষেত্রে একজন সফল অধিনায়ক বিচক্ষণ হন।এবং বলা হয় একজন বিচক্ষণ অধিনায়ক যেকোন টিমকে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরতে পারেন। এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে কপিল দেব,রানাতুঙ্গা, ইমরান খান, সৌরভগাঙ্গুলী, স্টিভ ওয়াহ, মরগান ,ডারেনসামির নাম উচ্চারিত হয়। এদের প্রত্যেকের বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে। এবং সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্বকাপ জয়ে অবদান রেখেছেন।

                 কপিল দেব

ইন্ডিয়ার প্রথম সফল অধিনায়ক কপিল দেব। তাদের প্রথম সফল অধিনায়ক সে-ই। অসাধারণ বোলার এবং লড়াকু ব্যাটসম্যান হিসেবে তার কৃতিত্ব রয়েছে ক্রিকেটে।

                 অর্জুনা রানাতুঙ্গা

শ্রীলঙ্কার সর্বকালের সেরা অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা  ক্রিকেটেরএক সার্থক নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি লড়াকু ক্রিকেটার ছিলেন ।
ইমরান খান: ইমরান খান পাকিস্তানের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার হিসেবে স্বীকৃত।

                  সৌরভ গাঙ্গুলী

ইন্ডিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় অধিনায়ক বলা হয় সৌরভ গাঙ্গুলীকে। ইন্ডিয়ার সবচেয়ে সফল অধিনায়কও তিনি।

                  স্টিভ ওয়াহ

অষ্ট্রেলিয়ার সফলতম অধিনায়ক বলা হয় তাকে। ক্রিকেটে বিচক্ষণ নেতৃত্বের মডেল বলা হয় তাকে।

                  ডারেন সামি

ওয়েস্ট ইন্ডিজের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ডারেন সামি নেতৃত্বের জন্য স্মরণীয়।

               এউইন মরগান

ইংল্যান্ডের প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেট ট্রফি জয়ের নেতৃত্বের জন্য মরগান সফল অধিনায়ক হিসেবে সমাদৃত।

Written by provakar chowdhury

ক্রিকেটের তুলনা কালচার

               
ক্রিকেট  অবশ্যই একটি জনপ্রিয় খেলা। এটি নির্ঝঞ্ঝাট গেম । এবং এখানে বহু প্রকারের রোমান্স উওেজনা আছে। সেই সাথে ক্রিকেটের গায়ে কলঙ্ক আছে। এক্ষেত্রে ক্রিকেট ফুটবল থেকে একটু এগিয়ে আছে। ব্রায়ান লারা, শচিন, কোহলিরা যেমন ক্রিকেটের লিজেন্ড তেমনি হ্যান্সিক্রনিয়ের মত স্ক্যান্ডালও আছে এখানে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ক্রিকেটের মজার একটি বিশ্লেষণ পদ্ধতি হল তুলনা।কোন তারকা অন্য কোন তারকার মত এসব আলোচনা ক্রিকেটে খুব জনপ্রিয়।এমনি কিছু তুলনা খোঁজবো এখানে।

                  শচিন-লারা

লারা ও শচিন দুজনই গ্ৰেট ক্রিকেটার।লারা ক্লাসিক্যাল ধারার স্টাইলিশ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। শচিন ক্রিকেটের লিটল মাষ্টার হিসেবে খ্যাত। শচিনের আছে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি করার অপূর্ব ধারাবাহিকতা। আবার লারার আছে লংগারভার্সনে দীর্ঘতম ইনিংস খেলেও অপরাজিত থাকার ইতিহাস। অসাধারণ টেকনিকের জন্য দুজনই বিশ্বক্রিকেটে অতুলনীয়।

            জয়সুরিয়া - গিলক্রিস্ট

সনাৎ জয়সুরিয়া ওডিআই ক্রিকেটের ইতিহাসে টাপেষ্ট ওপেনারদের মধ্যে অন্যতম।এগ্ৰেসিভ ওপেনার হিসেবে তার তুলনা খুব কম আছে ক্রিকেটে। আবার অষ্ট্রেলিয়ার এককালের বিধ্বংসী ওপেনার গিলক্রিস্টের সাথে অনেকে জয়সুরিয়ার তুলনা করে থাকেন।তবে দুজনের ব্যাটিং স্টাইল ঠিক একরকম ছিলনা। গিলক্রিস্ট ভালো বলকে বিগশটে পরিণত করতেন  তবে জয়সুরিয়া বলের গুণাগুণ বিচার করে নিখুঁত শট খেলায় ছিলেন সিদ্ধহস্ত।একটি ক্ষেত্রে দুজনের মিল ছিল যা হল দুজনই ছিলেন পাওয়ারফুল হিটার।

           ক্রিসগেইল-রোহিত শর্মা

ক্রিস গেইল এবং রোহিত শর্মার মধ্যে তুলনা করা হয়।কারণ দুজনই সেট হয়ে গেলে দুর্দান্ত স্টোকপ্লের জন্য পারঙ্গম।গেইল যেমন ভালো হিটার রোহিতও তাই। এদের দিনে প্রতিপক্ষের বোলারদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

           ডেল স্টেইন-মিশেল স্টার্ক

ডেল স্টেইন ও মিশেল স্টার্ককে বলা হয় ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা পেসারদের অন্যতম। নিখুঁত ডেলিভারি ও বুদ্ধিমত্তা মিলে দুজনই অনন্য।ডেল স্টেইন গতির সাথে ভেরিয়েশন দিয়ে ব্যাটসম্যানদের ঘায়েল করেন। আবার স্টার্ক গতি,সুয়িং  ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ব্যাটসম্যানদের বিব্রত করেন। বর্তমান ক্রিকেটে এ দুজনকে সবচেয়ে টাফ পেসার হিসেবে গণ্য করা হয়।

             অশ্বিন-তাহির

বর্তমান ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল দুজন স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও ইমরান তাহির। অশ্বিন কিছুটা গতি সেই সাথে স্পিন দিয়ে ব্যাটসম্যানদের কাবু করেন। আবার তাহির বুদ্ধিদীপ্ত স্পিনের জন্য বিখ্যাত।

             কোহলি-ডিভিলিয়ার্স

নিঃসন্দেহে বিরাট কোহলি ও এবি ডিভিলিয়ার্স এসময়ের ক্রিকেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান।এ দুজনের অদ্ভুত কিছু মিল রয়েছে । দুজনই ইনোভেটিভ ব্যাটসম্যান এবং ভালো ফিল্ডার। দুজনই ম্যাচ উইনার।তাই এ দুজনের মধ্যে তুলনা কালচার ক্রিকেটে খুব প্রচলিত।

ক্রিকেটে একসময় অনিল কুম্বলে এবং শেন ওয়ার্নের মধ্যে তুলনা চলত।ব্রেটলির সাথে সুয়েব আক্তারের গতির তুলনা চলত।এখনো যেমন চলে কোহলির সাথে ডিভিলিয়ার্সের কিংবা দেবেন্দ্র বিশুর সাথে জাম্পার।আসলে ক্রিকেটে তুলনা একটি মজার বিষয় যেখানে শেষে কারো সাথে কারো মিল পাওয়া যায় না।
Written by provakar chowdhury

ক্রিকেটের স্মরণীয় ওপেনারদের কথা

               
ওপেনিং  ক্রিকেটের এক প্রধান আকর্ষণ। গিলক্রিস্ট থেকে রোহিত শর্মা যুগের ক্রিকেটেও ওপেনারদের প্রতি দর্শকদের আকর্ষণে খুব একটা ভাটা পড়েনি।কোন ওপেনার ক্লাস দিয়ে মুগ্ধ করেছেন আবার কেউ আগ্ৰাসী হয়ে তুমুল আনন্দ দিয়েছেন। আসুন ক্রিকেটের কিছু স্মরণীয় ওপেনারের সন্ধান করি।

গিলক্রিস্ট :

অষ্ট্রেলিয়ার ওপেনার এডাম গিলক্রিস্ট  বহু বোলারের দুঃসহ স্মৃতির এক সঙ্গী হয়েছেন।তার দিনে বোলারদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে । অসাধারণ টাইমিং, নিখুঁত শট সিলেকশন,এগ্ৰেসিভ বডি ল্যাঙ্গুয়েজ সবকিছু মিলে এক দারুণ ওপেনার ছিলেন এডাম গিলক্রিস্ট।

ম্যাথু হেইডেন:

এগ্ৰেসিভ ব্যাটিংয়ের জন্য ক্রিকেট বিশ্বে এক স্মরণীয় ওপেনার হয়ে আছেন ম্যাথু হেইডেন। টাইমিং এবং স্ট্যামিনার দিক থেকেও অনন্য ছিলেন হেইডেন।

হার্সেল গিবস:

মারকুটে ব্যাটসম্যান হার্সেল গিবস ছিলেন ক্রিকেটের এক স্মরণীয় ওপেনার।গিবসের ব্যাটিংয়ের মেজাজ দর্শকদের জন্য ছিল বিশেষ কিছু। নিখুঁত স্টোকপ্লে আবার ডাউনদাউইকেট দুই ক্ষেত্রেই অসাধারণ ওপেনার ছিলেন গিবস।

সনাৎ জয়সুরিয়া:

ওডিআই ক্রিকেটে সনাৎজয়সুরিয়ার ওপেনিং ঝড় যারা দেখেছেন তাদের পক্ষে তা ভুলে যাওয়া প্রায় মুশকিল। অফসাইডে দুর্দান্ত ছিলেন জয়সুরিয়া।তার হুক ছিল দেখার মত।

দিলসান:

তিলকেরত্নে দিলসান ওপেনিং ব্যাটিংয়ের এক সৌন্দর্যের নাম।এগ্ৰেসিভ স্টোকমেকার  হিসেবেতার তুলনা খুব কম আছে ক্রিকেটে।

বীরেন্দর শেবাগ:

আগ্ৰাসী ওপেনার বীরেন্দর শেবাগের নাম ক্রিকেটের এক বিশিষ্ট স্থানে থাকবে। তার ওপেনিং ব্যাটিংয়ে একধরণের আভিজাত্য ছিল । জায়গায় দাঁড়িয়ে তার মত নিখুঁত বিগশট খেলা ক্রিকেটে সব ওপেনারের পক্ষে সম্ভব না।

ক্রিস গেইল:

ক্রিস গেইলের তুলনা ক্রিকেটে নেই।এই ওপেনার আগ্ৰাসী ব্যাটিংয়ের জন্য ক্রিকেটে বিশিষ্ট স্থান জুড়ে আছেন। ইনিংসের শুরুতে বোলারদের মনবল ভেঙ্গে দেয়ার ক্ষেত্রে তিনি অতুলনীয়।

রোহিত শর্মা:

উইকেটে সেট হয়ে গেলে প্রতিপক্ষের বোলিং তুলোধুনো করে দেয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা আছে ওপেনার রোহিত শর্মার। তিনি দুর্দান্ত স্টোকপ্লের ফুলঝুরি ছড়িয়ে বেশকিছু বিগ ইনিংস ইতিমধ্যে ক্রিকেটকে দিয়েছেন।তার দিনে যেকোন রেকর্ড ভাঙার যোগ্যতা আছে রোহিত শর্মার।

ডেভিড ওয়ার্নার:

ক্রিকেট বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় ওপেনারদের তালিকা করলে ওয়ার্নারের নাম আসবেই। দুর্দান্ত স্টোকপ্লের জন্যই ডেভিড ওয়ার্নার ক্রিকেটের এক অভিজাত ওপেনার হিসেবে পরিচিত। সবধরণের উইকেটে রান করার যোগ্যতা আছে তার।

Written by provakar chowdhury

বাংলাদেশ ক্রিকেটের কিছু স্মরণীয় নাম

                 
বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রকৃত অধ্যায়ের সূচনা হয় আইসিসি ট্রফি জয়ের পর থেকেই মূলত।তবে তার আগে কিছু ইন্ডুভিজুয়াল টেলেন্ট কিন্তু ছিল এদেশের ক্রিকেটে। যতদূর জানা যায় রকিবুল হাসান,হীরা,লিপু এরাও মেধাবী প্লেয়ার ছিলেন। কিন্তু টিম হিসেবে প্রথম সফল টিম বলা যায় অবশ্যই বুলবুল, নান্নু,আকরাম,পাইলট,রফিক,অপি,মনিদের সময়ের টিমকে। এবং এ টিম আইসিসি ট্রফি জেতার গৌরব অর্জন করে।আসলে আইসিসি ট্রফি জয়ের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটের নবজাগরণ ঘটে বলা যায়।কারণ এখান থেকেই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হয়।
এবং নিরানব্বই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ নেয়।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের কিছু সফল নাম: 


মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, আকরাম খান,খালেদ মাহমুদ সুজন,মোঃ রফিক, খালেদ মাসুদ পাইলট, মেহরাব হোসেন অপি, এনামুল হক মনি, হাসিবুল হোসেন শান্ত , হাবিবুল বাশার সুমন,মোঃ আশরাফুল,অলক কাপালি, মাশরাফি, সাকিব এ নামগুলো বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রতি পদক্ষেপে উচ্চারিত হয়। বুলবুল অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করে লিজেন্ড হয়ে আছেন। নান্নু নিরানব্বই বিশ্বকাপে অসাধারণ ব্যাটিং করে ইতিহাস হয়ে আছেন।মো: রফিক তার বাঁহাতি স্পিনের জাদু দিয়ে বহুদিন সেবা করেছেন এদেশের ক্রিকেটের।সুমন বাংলাদেশ ক্রিকেটের টেষ্ট স্ট্যাটাস পরবর্তী নবযুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে সুপরিচিত। পাইলট দীর্ঘদিন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে বাংলাদেশ টিমকে সাপোর্ট দিয়েছেন।খালেদ মাহমুদ সুজন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সফলতম বোলিং অলরাউন্ডার। দীর্ঘদিন সুজন তার বুদ্ধিদীপ্ত  মিডিয়াম পেস দিয়ে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন।লেটঅর্ডারে ভালো ব্যাটিংও করতেন সুজন। ইদানিং সাইফুদ্দিনের মধ্যে সুজনের কিছু ছাপ দেখা যায়।

মোঃ আশরাফুল এদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। কনিষ্ঠতম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেষ্ট ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করেন। অসাধারণ সব ইনিংসের জন্য এদেশের ক্রিকেটে আইডল হয়ে আছেন।

সাকিব আল হাসান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হবার গৌরব অর্জন করে এদেশের ক্রিকেটকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। ধারাবাহিকতা এবং একাগ্ৰতার দিক থেকে বিশ্বক্রিকেটে সাকিব ইতিমধ্যে আইডল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

দেশসেরা পেসার মাশরাফি দেশসেরা ক্যাপ্টেন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।তার অধিনায়ক থাকাকালীন সময়ে বাংলাদেশ সর্বাধিক ৫০ ম্যাচে জয়লাভ করে। এবং তিনি  বিশ্বের অন্যতম সেরা অডিআই বোলার হিসেবে স্বীকৃত।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবঅর্জনের সাথে এসব নাম চিরকাল উচ্চারিত হবে।


Written by provakar chowdhury

ফ্রাঞ্চাইজি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে কোন প্লেয়ারদের চাহিদা বেশি

               
 ফ্রাঞ্চাইজিজিভিওিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে যদিও চারছক্কার জন্য দর্শকদের বেশি আগ্ৰহ থাকে তবু খেলাটি যখন ক্রিকেট তখন আপনি সব সময় চারছয় মেরে খেলতে পারবেন না। এখানে উইকেটের অবস্থা, প্রতিপক্ষের বোলিংয়ের মান, উইকেট হিসেব করে খেলতে হবে। তবু বিশ্বের বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজি বিগ স্কোর ও আগ্ৰাসী ক্রিকেট চায়।তাই সেটির উপযোগী প্লেয়ারদের টিমে নেয়ার জন্য সবাই জোর চেষ্টা চালায়।

ওপেনিং: ওপেনিং টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে আগ্ৰাসী হলে বড় স্কোরের সম্ভাবনা থাকে।

এটি বিবেচনা করে টিমগুলো গেইল, দিলসান,গাপটিল ডিভিলিয়ার্স,ওয়ার্নার,কুশল পেরেরা, সিমেন্সের মানের প্লেয়ারদের প্রতি বেশি আগ্ৰহ দেখায়।তবে ধাওয়ান কিংবা তামিমের মত ব্যাটসম্যানের চাহিদাও টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে আছে। উইকেট আচরণ পাল্টালে টিমগুলো এদের কাছ থেকে সুবিধা পায়। তখন নিখুঁত শট খেলায় পারঙ্গম এধরণের ওপেনারের ভূমিকা বেশি দেখা যায়।

ওয়ানডাউন:ওয়ানডাউন ক্রিকেটের একটি অভিজাত এরিয়া।

এখানে সবাই ব্যাটিংয়ের সুযোগ পায় না।রিকি পন্টিং, সাঙ্গাকারা,রাউলদ্রাবিড়, বিরাট কোহলির মানের প্লেয়াররা ওয়ানডাউনে খেলে থাকেন।ওয়ানডাউন ষ্ট্রং করতে ফ্রাঞ্চাইজিভিওিক টিটুয়েন্টি  টিমগুলো তাই সামুয়েলস,বিরাট কোহলির মত ষ্ট্রং ব্যাটসম্যানদের চায়।

মিডলঅর্ডার: মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে যারা উইকেটের

চারপাশে হাতখোলে খেলতে পারেন তাদের চাহিদা বেশি থাকে।যেমন জয়াবর্ধনে,কিয়েরন পোলার্ড,মরগান, সাকিব,ডুপ্লেসিস, মুশফিক এক্ষেত্রে পারফেক্ট নাম।

লেটঅর্ডার:লেট অর্ডারের ওপর টিটুয়েন্টি ফ্রাঞ্চাইজির সতর্ক দৃষ্টি থাকে। 

এখানে ম্যাক্সওয়েল,হ্নাদিক পান্ডিয়া,ডারেন সামির মত প্লেয়ারদের খোঁজ করে টিমগুলো।

অলরাউন্ডার: টিটুয়েন্টি ক্রিকেট প্রকৃত অর্থে অলরাউন্ডারদের খেলা।


কারণ এখানে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে অলরাউন্ডারদের অবদান থাকবেই। এক্ষেত্রে ম্যাক্সওয়েল,ডুমিনি, স্টোকস,সাকিব,বারলে,ব্রাভো, রাসেলের মত প্লেয়ারদের চাহিদা ব্যাপক।

বোলার: ফ্রাঞ্চাইজি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বোলিংয়ের ক্ষেত্রে বুদ্ধিমান বোলারদের চাহিদা বেশি থাকে।

গতি ও সুইংয়ের সমন্বয়ে যারা বোলিং করেন এখানে তাদের চাহিদা বেশি। যেমন স্টেইন,স্টার্ক,বোল্ট,শামি, রাবাদাআমিরের চাহিদা এখানে বেশি। স্পিনারদের ক্ষেত্রে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে একটু দ্রুতগতির এবং বুদ্ধিমান স্পিনারদের খোঁজা হয়।যেমন অশ্বিন, জাদেজা, সাকিব, নারাইন এক্ষেত্রে পপুলার চয়েস।

Written by provakar chowdhury

চাকরির পরীক্ষার রিটেন প্রস্তুতি

                 

এখন বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রথমশ্রেণির জবের রিটেন চলছে।রিটেন যেকোন জব ইন্টারভিউর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্ট।রিটেনে পাস করলেই শুধু হবেনা এখানে  ভালো মার্কস না পেলে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা অসম্ভব।তাই শুধু পড়লে হবে না কিছুটা সেলফিস হতে হবে। অপ্রয়োজনীয় টপিক বাদ দিতে হবে।লেখায় মাধুর্য থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট জবের বিগত পরীক্ষার প্রশ্নগুলো দেখে একটি ম্যাপ তৈরি করতে হবে।

বাংলা:বাংলা সবধরণের জব এক্সামে থাকে।

এক্ষেত্রে ব্যাকরণ ও ফ্রিহ্যান্ড দুই ভাগে এটি বিভক্ত। ব্যাকরণের জন্য বেষ্ট বই হায়াত মামুদের ভাষাশিক্ষা।আর ফ্রি হ্যান্ডের জন্য তথ্যবহুল ও মাধুর্যপূর্ণ লেখা প্রাকটিস করতে হবে। এজন্য বিভিন্ন বাংলা পএিকার শুক্রবারের সাময়িকীর বাংলা আর্টিকেলগুলো নিয়মিত পড়লে উপকার হবে। ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ের জন্য আকর্ষণীয়' ভূমিকা' অর্থাৎ শুরুটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। সরল বাক্যে যেকোন কিছু লেখা ভালো।

ইংরেজি: ইংরেজির ক্ষেত্রে গ্ৰামাটিকেল এরর দূর করার জন্য ইন্টারনেট থেকে প্রাকটিসের

বিকল্প নেই।
ফ্রি হ্যান্ড ইংরেজির জন্য অনুবাদ চর্চা ভালো কাজ দেবে। ইন্টারনেট থেকে ইংরেজি আর্টিকেল নিয়মিত পড়তে হবে। লেখার স্টাইলটি বুঝার চেষ্টা করতে হবে।

গণিত: গণিত যত চর্চা করবেন তত লাভ হবে।

বেসিক বুঝে গণিত চর্চা করা উচিত। মাধ্যমিক গণিত এক্ষেত্রে একটি প্রধান সহায়ক। কিছু ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিক গণিত বইয়ের প্রয়োজনীয় অংশ দেখা উচিত।নিজে নিজে ইন্টারনেট থেকে মডেল টেস্ট দিতে হবে। মূল পরীক্ষা তখন সহজ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়:


বাংলাদেশ  বিষয়াবলি সব জব এক্সামের রিটেনে কাজে লাগে। এখানে অর্থনৈতিক সমীক্ষা নিয়মিত পড়া উচিত। বিভিন্ন ইতিহাস ও সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়মিত পড়তে হবে। সংবিধানের বিভিন্ন আর্টিকেল সবক্ষেত্রে ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ে কাজে লাগাতে হবে।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর  ক্ষেত্রে বিশ্বের বিভিন্ন  ঐতিহাসিক সমস্যার ইতিহাস পড়তে হবে । চলমান বিভিন্ন  আন্তর্জাতিক  সমস্যা সম্পর্কে জানতে হবে। মুখস্থ নয় মূল ফ্যাক্ট বুঝার চেষ্টা করতে হবে। এগুলো ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ে কাজে লাগাতে হবে।

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি: বিজ্ঞান ও  


তথ্যপ্রযুক্তিরপ্রশ্ন সব জবএক্সামে আসে। এক্ষেত্রে ৯ম-১০ম শ্রেণির পাঠ্যবই খুব সহায়ক। এখানেও মুখস্ত নয় বুঝে পড়তে হবে। প্রয়োজনীয় টেবিল গ্ৰাফ ইত্যাদি বাসায় প্রাকটিস করতে হবে ।

সবকিছুর পর যেকোন রিটেন এক্সামে ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ে উপস্থাপনা জরুরি। শুরুটা আকর্ষণীয় করার চেষ্টা করা উচিত। তথ্যবহুল অর্থাৎ প্রশ্নের বিষয়সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য সূত্র উল্লেখ করে লেখাটিকে বিশিষ্ট করে তুলতে হবে।
Written by provakar chowdhury

কেমন হল বঙ্গবন্ধু বিপিএলের শুরু

                   

১১ডিসেম্বর বিপিএলের প্রথম দুই ম্যাচ থেকে বেশ কিছু সম্ভাবনার সন্ধান পাওয়া গেল বলা যায়।সানাকা,মালামের ব্যাটিং তান্ডব সেই সাথে মিঠুন, ইমরুলের দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিং এক দারুণ বিপিএলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই বিপিএলের প্রায় প্রতিটি টিমই সমান শক্তির ।কিছুটা এগিয়ে থাকবে ঢাকা প্লাটুন, কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স । কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের প্রথম ম্যাচের জয়  এ দুই টিমের শক্তিমত্তার জানান দিয়েছে।
একটি জমজমাট বিপিএলের আভাস দিয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স । চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স কোন টিমকেই ছেড়ে কথা বলবে না।টিম কম্বিনেশনও অসাধারণ হয়েছে। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স বিদেশি কোটায় বেষ্ট প্লেয়ারই বেছে নিয়েছে। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সও একটি ভালো টিম করেছে।
এবার ঢাকা প্লাটুন কেমন খেলে সেটি দেখার অপেক্ষা।ঢাকা প্লাটুন সম্ভাব্য সেরা টিম করেছে। তবুও মাঠের খেলায় কি করতে পারে টিমটি সেটি দেখার জন্য দর্শক ও ক্রিকেট বিশ্লেষকরা নিশ্চয় অপেক্ষায় আছেন।
Written by provakar chowdhury

এবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলে কেমন হল টিমগুলো

             
এবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলে প্রায় সব টিমই কাছাকাছি শক্তির হয়েছে। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স,কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স এবং ঢাকা প্লাটুন এ তিন  টিম তুলনামূলকভাবে ষ্ট্রং হয়েছে অর্থাৎ টুর্নামেন্ট জমে ওঠার আগে এগিয়ে আছে। প্লেয়ার সিলেকশনে আরও ভাবতে পারতো টিমগুলো। বোলার ও বোলিং অলরাউন্ডার সিলেকশন ঠিক আছে।তবে ব্যাটিং অলরাউন্ডার সিলেকশনে বিদেশি কেউ কেউ বাদ পড়ে গেল মনে হচ্ছে। তবে খেলা মাঠে গড়ালে ডিটেইলস বুঝা যাবে ।

ঢাকা প্লাটুন: ঢাকা প্লাটুন এবার শক্তিশালী টিম করেছে। তামিম,বিজয়, মাশরাফি,থিসারা,ইভান্স,আফ্রিদি এদের মূল প্লেয়ার।ভালো কিছু করার যোগ্যতা আছে এ টিমের।

রাজশাহী: রয়ালস:লিটন,আফিফ,বোপারা,জাজাইকে নিয়ে মাঝারি টিম করেছে রাজশাহী রয়ালস।তবে ফর্মে থাকলে এরা প্রত্যেকেই বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন।

খুলনা টাইগার্স:মুশফিক,রুশো,ফ্রাইংকলিন,জাদরান, আমিরের সমন্বয়ে গড়া খুলনা টাইগার্স মোটামুটি ভালো টিম বলা যায়।জ্বলে উঠলে এদের যেকেউ ম্যাচের গতি পাল্টে দিতে পারেন।

সিলেট থান্ডার্স: সৈকত, মিঠুন, রাদারফোর্ড,জনসন চালর্স এ টিমের টপ প্লেয়ার। ভালো ক্রিকেট উপহার দেয়ার ক্ষমতা আছে এ টিমের।

রংপুর রেঞ্জার্স: এবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলে ভালো টিম করেছে রংপুর রেঞ্জার্স। মোস্তাফিজ, নাইম শেখ,নবী,শাই হোপ,গ্ৰেগরী এ টিমের প্রধান প্লেয়ার। নাইম শেখ উদীয়মান স্টার।সাই হোপ এদেশে সফল।ভালো কিছু করার ক্ষমতা আছে এ টিমের।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স: মাহমুদুল্লাহ, রুবেল,ইমরুল,গেইল, বার্লে, ওয়াসিমের সমন্বয়ে গড়া এ টিম নিঃসন্দেহে শিরোপার দাবিদার।ভালো কিছু করার যথেষ্ট ক্ষমতা আছে এ টিমের প্রতিটি প্লেয়ারের।

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স: দারুণ টিম করেছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।সৌম্য,আল আমিন,কুশল পেরেরা,মালান,সানাকার মত তারকা প্লেয়ারের ছড়াছড়ি এ টিমে  দেখা যাচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে শিরোপার  জন্যই টিম গড়েছে কুমিল্লা।

প্রায় সব টিমই এখানে শক্তিশালী। তবু খেলা মাঠে গড়ালে পাওয়া যাবে বাকিটুকু।
Written by provakar chowdhury

বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক এক্সাম প্রিপারেশন


বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক পদে পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কিছু পরামর্শ। বাংলাদেশ ব্যাংক যেহেতু কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাই এখানে জব অবশ্যই আলাদা বিষয়। যতদূর জানা যায় এখানে চাপ থাকবে আবার দেশ-বিদেশের আর্থিক খাতের বিভিন্ন সমস্যা সম্ভাবনা সম্পর্কে জানার সুযোগ হবে। সবমিলিয়ে এটিও বিশেষ জব।

ইংরেজি: বাংলাদেশ ব্যাংকের সব রিক্রুটমেন্ট পরীক্ষায় স্ট্যান্ডর্ড কোয়েশ্চন হয়ে থাকে।

তাই এখানে আপনাকে অবশ্যই কৌশলী হতে হবে। আগের প্রশ্ন দেখতে হবে।সলভ করতে হবে। ইংরেজির জন্য চৌধুরী এন্ড হোসেনের উচ্চমাধ্যমিকের বইটি বেসিক হালনাগাদ করতে সহায়ক হবে।আর ফজলুল হকের ইংলিশ ফর কম্পিটিটিভ এক্সাম ভালো সহায়তা করবে। নিয়মিত নিজে নিজে ইন্টারনেট থেকে মডেল টেস্ট দিতে পারেন।

বাংলা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক  যেকোন বই। 

মাহবুবুল আলমের বইই ভালো ডিটেইলস তথ্য পাবেন।
ভাষাশিক্ষা (হায়াত মামুদ) ভালো বই।
গণিত:বেসিক ম্যাথের জন্য মাধ্যমিক গণিত বই ভালো।তবে প্রশ্ন ইংরেজি মিডিয়ামে হবে এজন্য সাথে রাখবেন সাইফুরস এর এমসিকিউ ও রিটেন ম্যাথ বই দুটি।

সাধারণ জ্ঞান: নিয়মিত পেপার  পড়ুন। দেশ ও দেশের বাইরের  সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর


তথ্য খাতায় লিখে রাখতে পারেন। কারেন্ট এফেয়ার্সের ফেসবুক পেজ নিয়মিত দেখতে পারেন।
সবকিছুর পর নিয়মিত বাংলা ও ইংরেজিতে সরল বাক্যে ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং প্রাকটিস করুন ।সবপরীক্ষায় এটি কাজ দেবে।
Written by provakar chowdhury

৪১তম বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতির প্রিপারেশন

                 
বিসিএস তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্র বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষিত ছাএদের জন্য দেশসেবার এক বড়  চান্স।চান্স এজন্য বললাম যে বিসিএস ক্যাডার এবং নন ক্যাডারগুলো মিলেই এখানে সরকারের মেরুদন্ড গড়ে ওঠে।তাই রাষ্ট্রের সিষ্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ায় এর ভেতর দিয়ে সহজে অংশগ্রহণ করা যায়।তবে এ প্রসঙ্গে মনে রাখা প্রয়োজন যে এ রাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বেসরকারি সেক্টরের  অবদানকোন অংশেই কম নয় বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশি। তবুও বিসিএস পরীক্ষায় পাস করা মানে সরাসরি সরকারের অংশ হয়ে মানবসেবার এক বড় চান্স । এখানে বিগত বিভিন্ন বিসিএস পরীক্ষার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু বইয়ের তালিকা দিচ্ছি।

বাংলা:বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস

(মাহবুবুল আলম)

ভাষাশিক্ষা (হায়াত মামুদ)

ইংরেজি:English for competitive exam(Md.Fazlul Haque)


যেকোন প্রকাশনীর একটি প্রিলির ইংরেজি বই।
ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস (সৈয়দ সাজ্জাদ হোসাইন)

গণিত: গণিত আসলে কমন পড়ার চিন্তা বাদ দিতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক গণিত বইয়ের প্রয়োজনীয় গণিতগুলো প্রাকটিস করতে হবে।এটি রিটেনে কাজ দেবে।


বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি: বিজ্ঞানে আসলে কোন নির্দিষ্ট বই দিয়ে কাজ হবেনা।


মাধ্যমিক সাধারণবিজ্ঞান (৯ম-১০ম) পূর্ণাঙ্গ রিডিং পড়তে হবে।
তথ্যপ্রযুক্তির জন্য মাধ্যমিক আইসিটি মূল বই পড়লে ভালো হবে। সাথে easy computer বইটি পড়লে ভালো হবে।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি:  বাংলাদেশ বিষয়াবলির জন্য ( মাধ্যমিক বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়) বইটি  পড়তে হবে।


স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস/যেকোন লেখকের একটি বই। আর এ বিষয়ে  তিনজন লেখকের বই  পড়া প্রয়োজন । লেখক তিনজন হচ্ছেন  আবুল মাল মুহিত,আনু মুহাম্মদ এবং আব্দুল আউয়াল মিন্টু।সারা জীবন কাজে লাগবে। হোসেন জিল্লুর রহমানের গবেষণামূলক বইগুলোও পড়া উচিত।


আন্তর্জাতিক:এখানে নিয়মিত বিভিন্ন পএিকায় প্রকাশিত আন্তর্জাতিক রাজনীতি

ও কনফ্লিক্ট সম্পর্কে নিউজ পড়তে হবে।এ সম্পর্কিত বাজারে প্রচলিত কোন বই পড়তে হবে।এ বিষয়ক তারেক শামসুর রহমানের বই সহায়ক।
Written by provakar chowdhury










টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে টাপেষ্ট টিম কোনগুলো

               

প্রশ্নটি কঠিন যে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে টাপেষ্ট টিম কোনগুলো। এবং কাজটি খুব সহজ নয়। বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ এক্ষেত্রে যেরূপ হবে ক্রিকেট ফ্যানদের উওর নিশ্চয় ভিন্ন হবে। এবার দেখে নেয়া যাক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে টাপেষ্ট টিম কোনগুলো।

ভারত:ভারত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সবসময়ই টাফ টিম। উপরন্তু তাদের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা আছে । বিরাট কোহলি নিশ্চিতভাবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এক বড় ব্যাটসম্যান। গুড হিটার, হার্ড হিটার দুই গুণ মিলে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে কোহলি সবপ্রতিপক্ষের বিপক্ষেই সফল।শিকর ধাওয়ান উইকেটের চারপাশে শট খেলায় পারঙ্গম।পান্ডিয়া গুড ফিনিশার এবং বুদ্ধিমান বোলার হিসেবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে পরিচিত।জাদেজা,বুমরা শামি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের  টাফ বোলার। সবমিলে ভারত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এক টাপেষ্ট টিম।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: গেইল, পোলার্ড,কটরেল পুরান, লুইসের সমন্বয়ে গড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিঃসন্দেহে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য এক বড় টিম।এই টিমের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে। এবং তাদের দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোন টিমকে হারানোর ক্ষমতা রাখে।

অষ্ট্রেলিয়া: ওয়েস্ট ইন্ডিজ পরে অবধারিতভাবে অষ্ট্রেলিয়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে টাপেষ্ট টিম। ডেভিড ওয়ার্নার,ফিন্স,  ম্যাক্সওয়েল, স্টার্কের সমন্বয়ে গড়া অষ্ট্রেলিয়া টিম টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বড় প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত।

ইংল্যান্ড: টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে টাপেষ্ট টিমের সন্ধান করলে ইংল্যান্ডের নাম আসবেই।রয়, বাটলার,মরগান, স্টোকসদের নিয়ে গড়া ইংল্যান্ড টিম যেকোন প্রতিপক্ষের জন্যই এক বড় ফ্যাক্টর। ইংল্যান্ড টিম জলে ওঠলে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোন টিমকে মাটিতে নামাতে সক্ষম।

আসলে টিটুয়েন্টি ক্রিকেট মুহূর্তের ক্রিকেট এখানে স্টাইল টাইমিং টেকনিকের চেয়ে রান এবং উইকেট মূখ্য বিষয়।আর এক্ষেত্রে উপরের চার টিমকে এগিয়ে রাখতে হবে।
Written by provakar chowdhury


যে উইকেটরক্ষকদের মনে রাখবে সর্বকালের ক্রিকেট

                 

ক্রিকেট   প্রধানত ব্যাটসম্যান ও বোলারের খেলা ।তবে উইকেটরক্ষকদের  গুরুত্বও  যে ক্রিকেটে অনেকবেশি তা বোঝা যায় বিশ্বসেরা কয়েকজন উইকেটরক্ষকের দিকে তাকালে।কুমার সাঙ্গাকারা,এডাম গিলক্রিস্ট,ব্রান্ডন ম্যাককালাম,মার্ক বাউচার, এন্ডি ফ্লাওয়ার,এমএস ধোনি এমনই কিছু নাম যারা শুধু উইকেটরক্ষক নন বিশ্বক্রিকেটের একেকজন লিজেন্ড।
কুমার সাঙ্গাকারা: কুমার সাঙ্গাকারাকে শুধু উইকেটরক্ষক বললে সম্ভবত খাটো করা হবে। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের এক বিশিষ্ট নাম হয়ে ওঠা সাঙ্গাকারা সব ধরণের ক্রিকেটের এক শ্রেষ্ঠ আইডল। উইকেটের পেছনে সফল। ব্যাটসম্যান হিসেবে ধ্রুপদী ও আধুনিক ধারা দুয়ের এক দারুণ মিশেল ছিলেন।

এডাম গিলক্রিস্ট:

অষ্ট্রেলিয়ার ষ্টিভ ওয়াহ যুগের এক সার্থক প্রতিনিধি গিলক্রিস্ট। মারকুটে ওপেনার ছিলেন। উইকেটরক্ষক হিসেবে ছিলেন আস্থার প্রতীক। হেইডেনের সাথে ওপেন করতে নেমে গিলক্রিস্ট বহু বোলারকে বির্ধস্ত করেছেন।

মার্ক বাউচার:

ঠান্ডা মাথার ফিনিশার হিসেবে পরিচিত মার্ক বাউচার সাউথ আফ্রিকা ক্রিকেটের  স্বর্ণযুগের অন্যতম পুরোধা। বাউচার দীর্ঘদিন আস্থার সাথে সাউথ আফ্রিকা ক্রিকেটের হাল ধরে ছিলেন।

এন্ডি ফ্লাওয়ার:

এক ধরণের দুর্ভাগ্য বলতে হবে জিম্বাবুয়ের গ্ৰেট উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান এন্ডি ফ্লাওয়ারের জিম্বাবুয়ে টিমে খেলা। অসাধারণ টেকনিক ও স্ট্যামিনার অধিকারী এন্ডি ফ্লাওয়ার ক্রিকেটের আরেক সর্বকালের সেরা উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। এন্ডিফ্লাওয়ার কুল এবং ক্লাসিক্যাল ধারার ব্যাটসম্যান ছিলেন । উইকেটের পেছনে ছিলেন সমানভাবে সফল। তিনি ক্রিকেট কোচিংয়ের বাজারেও দামি ।

ব্যান্ডন ম্যাককালাম:

মারকুটে ওপেনার ব্যান্ডন ম্যাককালাম ক্রিকেটবিশ্বে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানদের এক স্বপ্নের আইডল। ব্যান্ডন ব্যাটিং করতেন আগ্ৰাসী ভঙ্গিতে আবার উইকেটের পেছনে ছিলেন সমানভাবে আস্থার প্রতীক।

এমএস ধোনি:

ইন্ডিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক এমএস ধোনি উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে এক ইউনিক ক্যারেক্টার। ধোনি উইকেটের পেছনে ছিলেন সফল আবার কুল ফিনিশার হিসেবে ছিলেন অতুলনীয়।
Written by provakar chowdhury

ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের কথা

                 

 ক্রিকেটে অলরাউন্ডারের গুরুত্ব সবসময়ই ছিল। আবার এদের কেউ ব্যাটিং অলরাউন্ডার আবার কেউবা বোলিং অলরাউন্ডার। ব্যাটিং অলরাউন্ডার ব্যাটিংয়ে বেশি পারদর্শী তবে বোলিং করেন দলের প্রয়োজনে।এদের মধ্যে ক্রিস কেয়ার্নস,সনাৎ জয়সুরিয়া, এন্ডু ফ্লিনটফ, আব্দুর রাজ্জাক,তিলকেরত্ন দিলসান, ল্যান্স ক্লুজনার,রাসেল আর্নল্ড,জ্যাক ক্যালিস,বেনস্টোকস,শেনওয়াটসন, সাকিব আল হাসান অন্যতম।তবে বোলিং অলরাউন্ডারের নাম এলে তালিকা বড় হবে কিন্তু মজার বিষয় হলো উপরের প্রত্যেকে সে তালিকায় থাকবেন। বোলিং অলরাউন্ডারের মধ্যে অনেকেই আছেন বিশ্বকাপ জয়ী কপিল দেব, ইমরান খান,শন পোলক, ক্লুজনার,সাইমন্ডস, ইরফান পাঠান,ব্রাভো, পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেল , সাকিব,বেনস্টোকসের নাম এক্ষেত্রে উল্লেখ করা যায়। এবার এদের কয়েকজনের কথা তুলে ধরব।


কপিল দেব: কপিল দেবের সম্পর্কে এখন খুব আলোচনা নেই।তবে তার কৃতিত্ব হিসেবে ইন্ডিয়ার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্বের কথাই আসে।

ইমরান খান: ইমরান খান লড়াকু অলরাউন্ডার হিসেবে পরিচিত।তারও বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে।

ক্রিস কেয়ার্নস: নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের নতুন যুগের সূচনা যাদের হাতে ক্রিস কেয়ার্নস তাদের অন্যতম। কেয়ার্নস লড়াকু অলরাউন্ডার ছিলেন। ভালো ফিনিশার।

সনাৎ জয়সুরিয়া: জয়সুরিয়া মারকুটে ওপেনার হিসেবে পরিচিত।তবে বোলিং ভালো করতেন। ভালো ফিল্ডার ছিলেন। জয়সুরিয়া শ্রীলঙ্কার সর্বকালের অন্যতম সেরা ওপেনার হিসেবে পরিচিত।

এন্ড্রু ফ্লিনটফ: ফ্লিনটফ হার্ড হিটার এবং ভালো বোলার ছিলেন। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ক্ষমতা ছিল।

জ্যাক ক্যালিস: সুঠাম দেহের অধিকারী জ্যাক ক্যালিস  আরেক গ্ৰেট ব্যাটিং অলরাউন্ডার।কুল ফিনিশার হিসেবে তার তুলনা খুব কম আছে ক্রিকেটে।

আব্দুর রাজ্জাক: ক্রিকেটবিশ্বে স্ট্রং হিটার এবং বুদ্ধিমান বোলার হিসেবে পরিচিত ছিলেন ।তিনিও ম্যাচের নিয়ন্ত্রক হতে পারতেন।
ল্যান্স ক্লুজনার: ক্লুজনার গুড হিটিং এবং বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ের জন্য ক্রিকেটে সমাদৃত।

শন পোলক: সাউথ আফ্রিকা টিমের সফল অধিনায়ক পোলক মূলত বোলিং অলরাউন্ডার ছিলেন।তবে ব্যাটিংয়ের হাত ভালো ছিল।

বেন স্টোকস:বেন স্টোকস বর্তমানে ক্রিকেটের এক বড় আইকন। ইংল্যান্ডের ২০১৯বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম রূপকার এই অলরাউন্ডার। টেকনিক এবং স্টামিনা মিলে অসাধারণ এক ক্রিকেটার স্টোকস।

সাকিব আল হাসান: বাংলাদেশের ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান টেকনিক এবং ধারাবাহিকতার দিক থেকে বিশ্বক্রিকেটে অতুলনীয়। ব্যাটিং এবং বোলিং দুই দিক বিবেচনায় তিনিও টোটাল অলরাউন্ডার হিসেবে পরিচিত।


এদের বাইরেও বেশকজন ওয়ার্ল্ড ক্লাস ব্যাটসম্যান রয়েছেন যারা বল হাতেও সফল।সচিন,গাঙ্গুলী, গেইল, হাফিজ এ তালিকায় থাকবেন।
Written by provakar chowdhury



ব্রায়ান লারা থেকে ম্যাক্সওয়েল-পোলার্ড যুগের ক্রিকেটের অদলবদল


 ব্যাট  হাতে স্টাইলিশ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান যাকে ক্রিকেটের বড়পুএ বলা হয় সে উইকেটে দাঁড়িয়ে আছে । বোলারদের সেকি টেনশন তা শুধু বোলাররা জানতেন। হ্যাঁ ব্রায়ান লারার এমনি ব্যাটিং প্রতিভা ছিল।অথচ লারা কিন্তু কোনকালেই মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত না। তবে তার অসাধারণ স্টাইলিশ বডিলাঙ্গুয়েজ ছিল এক অদ্ভুত দৃশ্য। তার অপূর্ব ক্লাসিক্যাল টেকনিক ও নিখুঁত শট সিলেকশন এখনো এক ধাঁধা।লারা কিংবা সচিনদের সময়ে এদের বিপক্ষে খেলার আগের রাতে প্রতিপক্ষের খুব কম বোলারই নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পেরেছে এটিও তাদের ক্রিকেটীয় শ্রেষ্ঠত্বের এক দলিল। দীর্ঘ সময় ক্রিজে টিকে থাকা । টেকনিক এবং স্টাইলকে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত টেনে নেয়া এটিও তাদের সময়ের ক্রিকেটের স্পেশাল কোয়ালিটি ছিল।
ক্রিকেট আজ আর সেখানে নেই ।এখন ক্লাসিক্যাল ও শৈল্পিক ক্রিকেট খুব দেখা যায় না। উপরন্তু রানের জন্য ব্যাটসম্যানরা ভালো বলকে যেনতেন ভাবে বিগশটে পরিণত করছেন। টিটুয়েন্টির পর এসে গেছে টি-টেন  ক্রিকেট।পোলার্ড-ম্যাক্সওয়েলদের যুগে ক্রিকেট আজ রানের খেলা । ওপেনিং থেকে লেটওর্ডার সবাই ছক্কা মারতেইআর চারের জন্য ব্যস্ত ।বোলাররা এখন উইকেট নিয়ে ভাববে নাকি রান থামাবে তা নিয়ে রীতিমত দ্বিধান্বিত। ব্যাটসম্যানদের এগ্ৰেসিভ ব্যাটিং একদিকে ভুলে যাচ্ছে শৈল্পিক ক্রিকেট এদিকে বোলাররা ঘাম ঝরাচ্ছে ঠিক কোথায় বল ফেললে ব্যাটসম্যান একটু থামবে।
Written by provakar chowdhury