WHAT'S NEW?
Loading...
                                                               

 প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারে কিছু নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।


পল্লী বিদ্যুতে নিয়োগ

পল্লী বিদ্যুতে "লাইন শ্রমিক "পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ:লাইনশ্রমিক

পদসংখ্যা: ২২০০

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের ডিগ্ৰি। এছাড়া বিদ্যুৎ বিভাগের রেপুলার ইলেকট্রিশিয়ান কোর্স সম্পন্ন এবং বিদ্যুৎ লাইসেন্সিং বোর্ড কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত।

বেতন : দৈনিক ৮০০টাকা।

বয়স : ৪০ বছর

আবেদনের প্রক্রিয়া: অনলাইন  (www.reb.gov.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ: ১৫ মার্চ,২০২১।

সূত্র: প্রিয়জবস (www.priojob.com)

মার্কেন্টাইল ব্যাংকে নিয়োগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট ব্যাংক মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডে" ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার" পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ: ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্মাতক/স্মাতকোওর (এমবিএ/এমবিএম/ফিনান্স/একাউন্টিং/ ম্যানেজমেন্ট/ কম্পিউটার সায়েন্স/ ইকোনমিক্স ইত্যাদি বিষয় অগ্ৰাধিকার)

দক্ষতা: কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা

বয়স:৩০ বছর

কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোন স্থান

আবেদনের প্রক্রিয়া : অনলাইন (www.mblbd.com)

আবেদনের শেষ তারিখ : ১৪/০৩/২০২১

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো

                                                     

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বিশ্বক্রিকেটের জনপ্রিয় তারকাদের একজন ডেল স্টেইন।এই দক্ষিণ আফ্রিকান স্পিডস্টারের বলের কারিকুরিতে মুগ্ধ হন বিশ্বের কোটি ক্রিকেট ভক্ত। টেস্ট ক্রিকেটে ৪৩৯টি উইকেটের মালিক এই বোলারের উইকেটে গতির ঝড় তোলার পাশাপাশি  সুন্দর একটি মনও রয়েছে একথা হয়তো অনেকের অজানা । ক্রিকেটের পাশাপাশি ডেল স্টেইন প্রকৃতি,পোষা প্রাণী এগুলোও খুব পছন্দ করেন। পছন্দ করেন ভিক্টোরিয়া ফলসের মত অপার প্রাকৃতিক সৃষ্টিকে।আর এসবকিছুই উঠে এসেছে ডেল স্টেইনের বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে। উইজডেন থেকে ডেল স্টেইনের একটি সাক্ষাৎকার এখানে বাংলায় ভাষান্তর করে প্রকাশ করা হলো। ভাষান্তর: প্রভাকর চৌধুরী।


উইজডেন: নিজের সম্পর্কে বলতে বললে একবাক্যে কি বলবেন ?

স্টেইন     : মহাসাগর।

উইজডেন: কোন শব্দ বা উপমা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন ?

স্টেইন     : শেইম।শেইম শব্দটি আমি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি।

উইজডেন: যদি বলি নিজের অতীতের কোন বিষয়টি পরিবর্তন করতে চান?

স্টেইন      : তেমন কিছু না। কারণ অতীতে যেমন ব্যর্থতা আছে তেমনি অর্জনও আছে।

উইজডেন: "সুখ" সম্পর্কে আপনার ধারণা কি ?

স্টেইন     : সুখ বলতে আমার কাছে অনেক কিছু আছে।যেমন ট্র্যাভেল করতে আমি সুখ পাই। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় উপভোগ করে সুখ পাই। এছাড়া আমার পোষা কুকুর আমার কাছে এক অন্যরকম সুখ।

উইজডেন: মানুষের কোন দিকটি অপছন্দ করেন ?

স্টেইন     :অসততা।

উইজডেন: আত্মীয় পরিজনের মধ্যে আপনার সবচেয়ে প্রিয় কে ?

স্টেইন     : আমার দাদা আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ।তার বয়স যখন ৭৮বছর তখন তিনি আমাকে দারুণ কিছু পরামর্শ দিয়ে যান।

উইজডেন: আপনার সবচেয়ে বড় নাপাওয়া ও ব্যর্থতা কোনটি ?

স্টেইন      : আমার অনেক নাপাওয়া ও ব্যর্থতা রয়েছে।

উইজডেন: জীবন থেকে পাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ?

স্টেইন      : আপনি সবসময় যা চাইবেন তা নাও পেতে পারেন। তবে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং চেষ্টা চালিয়ে গেলে আপনি আপনার উপযুক্ত উপহার ঠিকই পাবেন।

উইজডেন: আপনার দেখা সবচেয়ে সুন্দর জিনিস কোনটি ?

স্টেইন      : প্রকৃতি আমাকে টানে। ভিক্টোরিয়া ফলস আমার খুব প্রিয়।ক্যারিবিয়ান ও মৌরিতাস আমার প্রিয় জায়গা।

উইজডেন: পৃথিবীতে সবচেয়ে ভুল ?

স্টেইন      : লোভ ।

উইজডেন :অন্য আর কোনকালে জন্মগ্ৰহন করলে খুশি হতেন?

স্টেইন       : আমি বর্তমানকেই ভালবাসি।


ডেল স্টেইনের টেস্ট ক্যারিয়ার

৯৩টি টেস্ট খেলেছেন। টেস্ট উইকেট ৪৩৯টি। ইনিংসে ১০উইকেট নিয়েছেন ৫বার। ইনিংসে ৫উইকেট নিয়েছেন ২৬বার।

ডেল স্টেইনের ওয়ানডে ক্যারিয়ার

১২৫টি ওয়ানডে খেলেছেন ডেল স্টেইন। তাঁর ওয়ানডে উইকেট ১৯৬টি।৫উইকেট নিয়েছেন ৩বার।

ডেল স্টেইনের টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার

ডেল স্টেইন ৪৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর উইকেট সংখ্যা ৬৪টি।

ডেল স্টেইনের উল্লেখযোগ্য টিম

দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় টিম, রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু,ডেকান চার্জার্স,টাইটানস।

                                                                   

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ভারতের তারকা অলরাউন্ডার ইউসুফ পাঠান সবধরণের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ভারতের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের অন্যতম নায়ক এই অলরাউন্ডার ক্রিকেট মাঠে দুর্দান্ত সব পারফরম্যান্সের জন্য স্মরণীয়। এবং বিদায়ের ক্ষণে ইউসুফ পাঠান তাকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য পরিবার,বন্ধু,সমর্থক,কোচ ও দলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন । সেই সাথে ভারতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করেন একথাও জানান ইউসুফ পাঠান (সূত্র:ক্রিকবাজ)।

ইউসুফ পাঠানের ক্যারিয়ার ও অন্যান্য

ইউসুফ পাঠান ভারতের জাতীয় দলের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ  সাফল্যের অন্যতম সহযোগী। তিনি টেস্ট ক্রিকেট খেলেননি তবে ভারতের হয়ে ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দারুণ সময় কাটিয়েছেন।২০০৭এ ভারতের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে ইউসুফ পাঠানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে  । এছাড়া ২০১১ সালে ভারতের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এই অলরাউন্ডার। ইউসুফ পাঠান জাতীয় দলের পাশাপাশি ফাস্টক্লাস ক্রিকেটেও দারুণ সব পারফরম্যান্স উপহার দেন। আইপিএলের ইতিহাসে সেরা অলরাউন্ডারদের একজন ইউসুফ পাঠান। আইপিএলে এই অলরাউন্ডারের মাএ ৩৭বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড রয়েছে।২০১০সালে আইপিএলে মাএ ৩৭বলে সেঞ্চুরির অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়েন এই অলরাউন্ডার।

যেসব দলে খেলেছেন

ইউসুফ পাঠান ভারতের জাতীয় দল ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লিগে খেলেছেন। ইউসুফ পাঠান ক্রিকেট ক্যারিয়ারে আইপিএল টিম রাজস্থান রয়্যালস, কেকেআর, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ,কাউন্টি দল এস্যাক্স প্রভৃতির হয়ে খেলেছেন।

ওয়ানডে ক্যারিয়ার

ইউসুফ পাঠান ভারতের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে দারুণ একটি সময় কাটিয়েছেন। ভারতের ২০১১ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম এক কান্ডারি ছিলেন এই অলরাউন্ডার। ইউসুফ পাঠান ভারতের হয়ে ৫৭টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। ওয়ানডেতে তাঁর ২টি শতক ও ৩টি ফিফটি আছে। ওয়ানডে ক্রিকেটে বল হাতে ৩৩টি উইকেটও নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার

ইউসুফ পাঠান ক্যারিয়ারে ২২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে মোট ২৩৬ রান করেছেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বল হাতে ২২ম্যাচে ১৩টি উইকেট নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

আইপিএল ক্যারিয়ার

আইপিএলে ইউসুফ পাঠানের অসাধারণ কিছু ইনিংস রয়েছে। এবং পাওয়ারহিটার হিসেবে দীর্ঘদিন আইপিএলকে মাতিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।বল হাতেও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে তাঁর ভালো রেকর্ড রয়েছে। আইপিএলে ইউসুফ পাঠান মোট ১৭৪টি ম্যাচ খেলেছেন । এবং আইপিএলে ইউসুফ পাঠানের নামের পাশে ১টি শতক,১৩টি ফিফটিসহ মোট ৩২০৪ রান রয়েছে।

ইউসুফ পাঠানের উল্লেখযোগ্য কিছু রেকর্ড

ইউসুফ পাঠানের বিধ্বংসী ব্যাটিং জাতীয় দলের বাইরে আইপিএল ও ভারতের ফাস্টক্লাস ক্রিকেটেও অব্যাহত ছিল। ইউসুফ পাঠানের পাওয়ারফুল হিটিংগুলো ক্রিকেট দর্শকদের জন্য অন্যরকম আনন্দের অনুসঙ্গ হয়ে আছে।এর কিছু কিছু অংশ এখনো ইউটিউব এবং স্পোটর্স টিভিগুলোর পর্দায় ঝড় তুলে দর্শকদের আন্দোলিত করে। ইউসুফ পাঠানের ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য কিছু রেকর্ড এখানে তুলে ধরছি।

রঞ্জি ট্রফিতে ১৮বলে ফিফটি 

ইউসুফ পাঠান জাতীয় দলের পাশাপাশি ভারতের প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটেও জনপ্রিয় এক নাম।রঞ্জি ট্রফিতে বেশকিছু রেকর্ড রয়েছে এই অলরাউন্ডারের নামের পাশে।এমনই এক কীর্তি হচ্ছে ২০১২সালে রঞ্জি ট্রফির এক ম্যাচে মাএ ১৮ বলে হাফসেঞ্চুরি করে সবার নজর কাড়েন।

দুলিপ ট্রফিতে ৫১বলে শতক

ভারতের জনপ্রিয় সব লিগেই ইউসুফ পাঠান খেলেছেন।তেমনি দুলিপ ট্রফিতে ইউসুফ পাঠানের অসাধারণ কিছু রেকর্ড রয়েছে। ইউসুফ পাঠান দুলিপ ট্রফিতে ২০০৮/০৯ সেশনে এক ম্যাচে মাএ ৫১বলে সেঞ্চুরি করেন ।

আইপিএলে ১৫বলে ফিফটি

আইপিএলের জনপ্রিয় এক তারকা ইউসুফ পাঠান। আইপিএলে সেঞ্চুরিসহ বেশকিছু রেকর্ড রয়েছে এই অলরাউন্ডারের নামের পাশে। ইউসুফ পাঠান ২০১৪সালের আইপিএলে কেকেআরের হয়ে এক ম্যাচে ১৫বলে ফিফটি হাঁকান।

ভারতীয়দের মধ্যে আইপিএলে দ্রুততম সেঞ্চুরি

ইউসুফ পাঠান ২০১০সালে আইপিএলের এক ম্যাচে মাঠে ৩৭ বলে শতক হাঁকান যা ভারতীয় হিসেবে আইপিএলে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড।

বিজয়হাজারে ট্রফিতে ৪০বলে শতক

ইউসুফ পাঠান ভারতের প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটেও দুর্দান্ত সব পারফরম্যান্স করেছেন।২০১০সালে বিজয়হাজারে ট্রফির এক ম্যাচে  ইউসুফ পাঠান মাএ ৪০ বলে শতক হাঁকান।

                                                                    



বাংলাদেশে ভ্রমণের সেরা সময় শীতকাল।সারাবছরের ব্যস্ততার মাঝে একটু শীতকালিন ভ্রমণ হতে পারে সারা বছরের  সঞ্জিবনী শক্তি। এছাড়া শীতকালিন ভ্রমণ এ অঞ্চলের পুরনো বৈশিষ্ট্য। উপরন্তু শীতকালিন ভ্রমণের স্বাস্থ্যগত উপকার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।আর শীতে যাপিত জীবনের শত ব্যস্ততার ভিড়ে কিছু সময় প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে চাইলে যেতে পারেন লাউয়াছড়ায়। সিলেট বিভাগের অন্তর্গত মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান অবস্থিত। প্রতিদিন শতশত পর্যটকের আনাগোনায় মুখর থাকে এই জাতীয় উদ্যান।আর শীতে মেঘ-কুয়াশার পাশাপাশি অরণ্যের সুবাস নিতে লাউয়াছড়া হতে পারে শ্রেষ্ঠ ভ্রমণগন্তব্য। নিশ্চিতভাবে বলা যায় শীতে ভ্রমণের তৃপ্তি মেটাতে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে।


লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান পরিচিত

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সিলেট বিভাগের অন্তর্গত মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে অবস্থিত। বিশাল বিশাল গাছ আর বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর কোলাহলে পূর্ণ এক প্রাকৃতিক পর্যটনস্পট এই লাউয়াছড়া। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের দূরত্ব প্রায় ১০কিলোমিটার।১৯৯৭সালে সরকার এই বনকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রায় ৪৬০প্রজাতির দুর্লভ উদ্ভিদ ও প্রাণী রয়েছে। লাউয়াছড়ায় বিরল প্রজাতির বেশকিছু বৃক্ষের দেখাও পাবেন।

যা কিছু দেখা যাবে

শীতে মেঘ কুয়াশা আর রোদের মিশ্র প্রাকৃতিক পরিবেশে কিছু সময় কাটাতে চাইলে যেতে পারেন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে যখন লাউয়াছড়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন তখন অপূর্ব সুন্দর সব চাবাগানের দৃশ্য আপনাকে আনন্দ দেবে।চাবাগানগুলোর মাঝ দিয়ে বয়ে চলেছে আঁকাবাঁকা পথ যা দেখলে যে কারো  চোখ জুড়াবে।সারি সারি চাবাগান আর বনের ভেতর দিয়ে লাউয়াছড়ার পথে যতই আগাবেন ততই একধরণের ভিন্ন আনন্দ পাবেন। লাউয়াছড়ায় হয়তো এমন কিছু গাছ গাছালির দেখা পাবেন যা আগে কখনো নিজচোখে দেখা হয়নি এবং যা শুধু বইয়ের পাতায় কিংবা টিভিতে দেখেছেন। লাউয়াছড়া উদ্যানের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা রেলপথের পাশ দিয়ে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করলে ভালোই লাগবে। এছাড়া রেলপথ পেরিয়ে উদ্যানের ভেতর দিয়ে আঁকাবাঁকা পথে অরণ্যের ভেতরে বিভিন্ন পাখির ডাক শুনে  ঘন্টা দেড়েক হেঁটে  গেলে যেকারো ভালোই লাগবে। লাউয়াছড়া উদ্যানের বনের ভেতর প্রবেশের তিনটি পথ রয়েছে।যেকোন পথ ধরে বনের শেষ সীমানায় যেতে পারেন।তবে বনের ভেতর কিছুটা অন্ধকারাচ্ছন্ন তাই সবসময় সাবধান থাকতে হবে। বনের ভিতরে বিভিন্ন পশুপাখি চোখে পড়বে তবে ভুলেও এদের দিকে ঢিল ছুঁড়বেন না বা উচ্চঃস্বরে আওয়াজ করবেন না। লাউয়াছড়া বনের ভেতরে বেশ সুন্দর লেবুবাগান রয়েছে যা দেখলে ভিন্ন অভিজ্ঞতা হবে।


ফিরতি পথে  সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা

লাউয়াছড়া ভ্রমণের পর ফিরতি পথে শ্রীমঙ্গল শহরের পাশে সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানায় ঘুরে যেতে পারেন।সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন নামে পরিচিত। বইয়ে পড়া বিভিন্ন পশুপাখি দেখতে পারবেন এই চিড়িয়াখানায়। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে রিকশায় সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানায় মেতে ১৫থেকে ২০ মিনিট সময় লাগবে।সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানায় বাঘ,ভাল্লুক,অজগর,সঙ্কিনী সাপ,কচ্ছপ, কাঠবিড়ালী,ধনেশসহ বিভিন্ন পশুপাখির দেখা পাবেন। নিরিবিলি পরিবেশে চিড়িয়াখানায় কিছু সময় কাটাতে পারেন।তবে সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানায় প্রবেশের জন্য টিকেট ক্রয় করতে হবে।এই চিড়িয়াখানা সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকে।

কেন শীতে লাউয়াছড়া যাবেন

লাউয়াছড়া ভ্রমণের জন্য শীতে এক ভিন্ন ধরণের আনন্দ পাবেন। শীতে লাউয়াছড়া উদ্যানের প্রকৃতি এক ভিন্ন ছবি ধারণ করে। তাছাড়া পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় শীতে বৃষ্টির ঝামেলায় পড়তে হবে না।আর এসবকিছু বিবেচনায় শীতে শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া উদ্যান হতে পারে এক শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ গন্তব্য। শীতে শ্রীমঙ্গলের পরিবেশ বেশ শীতল থাকে তাই ভ্রমণে এক অন্যরকম অনুভুতি পাবেন।

হোটেল রিসোর্ট

কোথাও ভ্রমণে যাওয়ার আগে সেই এলাকার হোটেল রিসোর্ট সম্পর্কে আগাম জেনে নিতে হয়। শ্রীমঙ্গলে থাকা ও খাওয়ার জন্য বেশকিছু ভালোমানের হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে।রয়েছে কটেজ ও সরকারী রেষ্টহাউস। আপনার চাহিদা ও বাজেট অনুযায়ী যেকোন হোটেল বা রিপোর্টে উঠতে পারেন।তাছাড়া চাবাগান ঘেঁষা ইকো রিসোর্টগুলোতে উঠতে পারেন। 

কোথায় খাবেন

লাউয়াছড়া উদ্যানের পাশে খাওয়ার খুব ভালো কোন সুব্যবস্থা নেই।তাই ভালো খাবার পেতে চাইলে যেতে হবে শ্রীমঙ্গল শহরে। শ্রীমঙ্গল শহরে মানসম্মত খাবার পাবেন।

প্রবেশ টিকিট

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রবেশের জন্য টিকিটের মূল্য (প্রাপ্তবয়স্ক জনপ্রতি ৫০টাকা  এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ও শিক্ষার্থী জনপ্রতি ২০টাকা)। এছাড়া বিদেশি পর্যটকদের জন্য প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৫০০টাকা।গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য আপনাকে গুনতে হবে ২৫টাকা।ভ্রমণগাইড চাইলে নিতে পারবেন ।

যেভাবে লাউয়াছড়া যাবেন

বাংলাদেশের যেকোন স্থান থেকে বাস অথবা ট্রেনযোগে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নামতে হবে।ঢাকা থেকে বাসে শ্রীমঙ্গল পৌঁছতে ৪ ঘন্টা সময় লাগবে। সিলেট শহর থেকে শ্রীমঙ্গল পৌঁছাতে ২ঘন্টা সময় লাগবে। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে সিএনজি অটোরিকশায় লাউয়াছড়া যেতে ২০ থেকে ২৫মিনিট সময় লাগবে।

লিখেছেনঃ প্রভাকর চৌধুরী

                                                                   


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ভারতের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান নতুন ক্রিকেট প্রতিভা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি ক্রিকেট একাডেমি করেছেন। ইরফান পাঠানের ক্রিকেট একাডেমির নাম " পাঠান ক্রিকেট একাডেমি (সিএপি)"। ইরফান পাঠান তাঁর ক্রিকেট একাডেমিটি গড়ে তুলেছেন ভারতের হায়দারাবাদে। উল্লেখ্য ক্রিকেটতারকাদের একাডেমি তৈরির ঘটনা এটিই প্রথম নয়।এর আগেও বেশকজন তারকা ক্রিকেটার একাডেমি তৈরি করেছেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, ভারতের সুরেশ রায়নার কথা বলা যায়(তথ্যসূএ: যুগান্তর অনলাইন)।

পাঠান ক্রিকেট একাডেমি

ইরফান পাঠান মূলত বিশ্বমানের অবকাঠামো ও কোচিং সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভারতের হায়দারাবাদে তাঁর পাঠান ক্রিকেট একাডেমি (সিএপি) গড়ে তুলেছেন। ইরফান পাঠান এই একাডেমি করতে পেরে খুবই আনন্দিত বলে জানিয়েছেন। ভারতের সাবেক এই অলরাউন্ডার একথাও জানিয়েছেন যে তিনিও হায়দারাবাদে একসময় খেলেছেন। এছাড়া এই একাডেমিতে সুবিধাবঞ্চিত ক্রিকেটারদের জন্য দশ শতাংশ আসন বরাদ্দের ব্যবস্থা রাখবেন এমন কথাও বলেছেন ইরফান পাঠান। ইরফান পাঠান বলেছেন এমন একটি ক্রিকেট একাডেমি গড়ে তোলার পেছনে তাঁর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নতুন প্রতিভাবান ক্রিকেটার খুঁজে বের করা। এসবকিছুর সাথে আরো একটি সুঃসংবাদ হলো ইরফান পাঠান ভারতে আরো ২৫টি একাডেমি তৈরির পরিকল্পনা করছেন।

পরামর্শক গ্ৰেগ চ্যাপেল 

ইরফান পাঠানের পাঠান ক্রিকেট একাডেমির মূল পরামর্শক হিসেবে রয়েছেন অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক গ্ৰেগ চ্যাপেল।

ইরফান পাঠানের ক্রিকেট ক্যারিয়ার

ইরফান পাঠান ভারতের হয়ে একসময় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন।বিশেষত ব্যাট ও বল হাতে অসাধারণ ক্রিকেটীয় দক্ষতা ইরফান পাঠানকে দিয়েছে দারুণ এক অলরাউন্ডারের স্বীকৃতি। ভারতের হয়ে টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি তিন ধরণের ক্রিকেটে দারুণ সব ম্যাচ উপহার দিয়েছেন ইরফান পাঠান।বিশেষত বল হাতে উইকেটের দুই পাশে সুইং দিয়ে ব্যাটসম্যানদের কাজকে সবসময়ই কঠিন করে তুলতেন এই বাঁহাতি মিডিয়াম পেসার। ইরফান পাঠানকে একসময় ওয়াসিম আকরামের সাথে তুলনা করা হতো।তরুণ বয়সে দুর্দান্ত অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সের জন্য তাকে কপিল দেবের সাথে তুলনা করা হতো।

টেস্ট ক্যারিয়ার

ব্যাটিং- ২৯টেষ্ট- ১১০৫রান-সেঞ্চুরি(১)/হাফসেঞ্চুরি (৬)।
বোলিং- ২৯টেষ্ট - ১০০উইকেট- ১০উইকেট(২বার)/৫উইকেট(৭বার)।

ওয়ানডে ক্যারিয়ার

ব্যাটিং- ১২০ ওয়ানডে- ১৫৪৪ রান- হাফসেঞ্চুরি (৫)।
বোলিং- ১২০ ওয়ানডে - ১৭৩উইকেট - ৫উইকেট(২বার)।

টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার

ব্যাটিং - ২৪ টিটুয়েন্টি- ১৭২ রান।
বোলিং- ২৪টিটুয়েন্টি - ২৮উইকেট।

                                                         

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: দেশের চাকরির বাজারে  কিছু নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে সাম্প্রতিক কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য জানিয়ে দিচ্ছি।

সরকারি ৮ ব্যাংকে নিয়োগ

সরকারি ৮ ব্যাংকে অফিসার পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ: অফিসার (২০১৯সালভিওিক)
প্রতিষ্ঠান: সোনালী, রূপালী,জনতাসহ মোট ৮ টি সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
পদসংখ্যা :২৪৭৮

যোগ্যতা: যেকোন বিষয়ে স্মাতকোওর বা ৪ বছরমেয়াদি স্মাতক ডিগ্রি। এছাড়া শিক্ষাজীবনের যেকোন একটি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে।তবে শিক্ষাজীবনে কোন তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি থাকলে আবেদন করা যাবে না।

বেতনস্কেল:১৬,০০০-৩৮,৬৪০টাকা ও বিধিমোতাবেক অন্যান্য সুবিধা।
বয়স: গত বছরের ১  মার্চ বয়স সর্বোচ্চ ৩০বছর। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে গত বছরের ১ মার্চ বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের প্রক্রিয়া: অনলাইন (erecruitment.bb.org.bd এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।)
আবেদনের শেষ সময়:১১ মার্চ,২০২১ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।
আবেদন ফি:২০০টাকা।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো


সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে নিয়োগ

পদ: সার্ভেয়ার,কার্য সহকারী, ইলেকট্রিশিয়ান সহ বেশকিছু পদ।
পদসংখ্যা:৪০৫
যোগ্যতা: পদভেদে এসএসসি পাস থেকে ডিপ্লোমা ভিগ্ৰি।
বেতন স্কেল: পদভেদে সর্বশেষ জাতীয় বেতনস্কেল অনুসারে ১৪তম গ্ৰেড থেকে  ২০তম গ্ৰেড।
বয়স:১৮থেকে ৩০বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে বয়স সর্বোচ্চ ১৮থেকে ৩২ বছর।
আবেদনের প্রক্রিয়া: অনলাইন ( http://rhd.teletalk.com.bd এই লিংকে ক্লিক করে আবেদন করা যাবে।)
আবেদনের শেষ সময়:৩১/০২/২০২১ বিকাল ৫.০০টা।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

টিএমএসএসে নিয়োগ

জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা টিএমএসএসে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ: সহকারী প্রকল্প সমন্বয়কারী,ইউনিট ব্যবস্থাপক, হিসাবরক্ষক সহ বেশকিছু পদ।
পদসংখ্যা:১৯৪৬টি

যোগ্যতা: পদভেদে স্মাতক/স্মাতকোওর।
বেতনস্কেল: পদভেদে ৮,৪৪৮ থেকে ৫০,০০০টাকা।
আবেদন প্রক্রিয়া:ডাক
আবেদনের শেষ সময়: কিছু পদের ক্ষেএে ০৮/০৩/২০২১ এবং কিছু পদের ক্ষেএে ৩১/০৩/২০২১পর্যন্ত।
বিস্তারিত:www.tmss-bd.org (ফোন:০৫১-৬৫৭১৯)

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো



                                                                     


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বর্তমানে বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের অন্যতম দক্ষিণ আফ্রিকার ফাফ ডুপ্লেসিস। অসাধারণ টেকনিক ও স্টাইলের জন্য ক্রিকেটামুদীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় এই ব্যাটসম্যান। তাছাড়া তিন ফরম্যাটে সমানভাবে কার্যকর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন এই ব্যাটসম্যান।এর প্রমাণ হিসেবে বিশ্বের সবলিগে ডুপ্লেসিসের অংশগ্রহণ এবং দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের কথা বলা যায়।তবে তাঁর ভক্তদের জন্য একটি  দুুঃসংবাদ হচ্ছে এই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান সম্প্রতি টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নেয়ার কথা জানিয়েছেন। অর্থাৎ ফাফ ডুপ্লেসিসকে আর টেষ্ট ক্রিকেটে দেখা যাবে না।ডুপ্লেসিস টেস্ট ক্রিকেট থেকে নিজের বিদায়ের কারণ হিসেবে পরবর্তী দুটি টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা এবং ওয়ানডে ক্রিকেটে আরো মনোযোগী হওয়ার কথা বলেন। উল্লেখ্য করোনার কারণে আগামী দুই বছরে দুটি টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে আইসিসি।(তথ্যসূএ:বিডিক্রিকটাইম)

ডুপ্লেসিসের ব্যাটিংয়ের গল্প

এই সময়ের ক্রিকেটে স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান হিসেবে ডুপ্লেসিসের নাম বলতেই হয়।এই সময়ের ক্রিকেটে যাদের ব্যাটিং চোখের জন্য অন্যরকম আনন্দ নিয়ে আসে ফাফ ডুপ্লেসিস তাদের অন্যতম। চমৎকার টেকনিক এবং কুল ক্রিকেটের জন্য ডুপ্লেসিসের প্রশংসা করতেই হয়।ডুপ্লেসিসের ব্যাটিংয়ের যে দিকটি সবচেয়ে বেশি আনন্দদায়ক তা হচ্ছে তাঁর চমৎকার বডিল্যাঙ্গুয়েজ এবং সেই সাথে সময়োপযোগী ব্যাটিংয়ের দক্ষতা। এসবের বাইরে উইকেটে সেট হলে আধিপত্য বিস্তার করে খেলার দারুণ মুন্সিয়ানা দেখা যায় এই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটিং লিজেন্ডের মধ্যে।হোক ন্যাশনাল টিমের খেলা কিংবা কোন ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট সবক্ষেত্রে ডুপ্লেসিসের ব্যাটিংয়ে একধরণের নিজস্বতা দেখা যায়।

কুল ও ক্যালকুলেটেড ক্রিকেটে দক্ষতা

এই সময়ের ক্রিকেটে ঠান্ডামাথায় যেকোন প্রতিপক্ষকে তুলোধুনো করার প্রসঙ্গ এলে কিয়েরন পোলার্ড,থিসারা পেরেরা,হ্নাদিক পান্ডিয়াদের সাথে ডুপ্লেসিসের নামটিও আসবেই।হোক দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে মাঠে নামা কিংবা আইপিএল,বিগব্যাশের ধুন্ধুমার লড়াই সবক্ষেত্রেই ডুপ্লেসিস কুল ও ক্যালকুলেটেড ক্রিকেটের জন্য বিখ্যাত। চমৎকার শটসিলেকশন, দারুণ রানিং বিটুইন দ্য উইকেট এবং বিগশট-গ্যাপশটে সমান দক্ষতা এসবকিছুর মিশেলে ডুপ্লেসিসের ব্যাটিংয়ে এক ভিন্ন আমেজ ফুটে উঠে। একধরণের আভিজাত্য বজায় রেখে ব্যাটিংয়ের কৌশল ডুপ্লেসিসের মধ্যে দেখা যায়। এবং সবকিছু মিলিয়ে ডুপ্লেসিসের ব্যাটিংয়ে একটি বিশেষ মেজাজ ফুটে উঠে।।

দুর্দান্ত এক ফিনিশার

এ সময়ের ক্রিকেটব্যাটিংয়ে সফল  ফিনিশারদের মধ্যে ডুপ্লেসিসের নামটি রাখতে হবে।হোক ন্যাশনাল টিমের খেলা কিংবা আইপিএল প্রভৃতি ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট সবক্ষেত্রেই  ডুপ্লেসিস দ্রুততম সময়ে উইকেটে সেট হয়ে ম্যাচকে নিয়ন্ত্রণ করার আশ্চর্য ক্ষমতা রাখেন।ডুপ্লেসিস আসার পর দক্ষিণ আফ্রিকার টপঅর্ডারে  দারুণ পরিবর্তন ঘটে। এসময়ের ক্রিকেটে একাই ম্যাচকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা খুব কম ব্যাটসম্যানের মধ্যে দেখা যায় এক্ষেত্রে বিরাট কোহলি,স্টিভেন স্মিথ, রোহিত শর্মা, সাকিব আল হাসান , ডুপ্লেসিসের কথা বিশেষভাবে বলতে হয়।

সব ফ্রাঞ্চাইজি লিগেই জনপ্রিয়

বিশ্বের সব ক্রিকেট লিগেই ডুপ্লেসিস অটোমেটিক চয়েছ হিসেবে পরিচিত।আর এক্ষেত্রে সবধরণের উইকেটে এই ব্যাটসম্যানের অসাধারণব্যাটিং দক্ষতাকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়। এসবের সাথে নিখুঁত শটসিলেকশন এবং শটকে সার্থকভাবে এক্সিকিউট করার আশ্চর্য এক ক্ষমতা রয়েছে এই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানের ব্যাটিংয়ে।গত আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে প্রায় একাই তাঁর দুর্দান্ত ব্যাটিং নিশ্চয় অনেকের মনে থাকবে। উল্লেখযোগ্য তথ্য হচ্ছে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আইপিএলে সবচেয়ে সফল বিদেশি ব্যাটসম্যানের একজন ডুপ্লেসিস। আইপিএলের ইতিহাসে সফল বিদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ডুপ্লেসিস অন্যতম।

তবু কিছু ব্যর্থতা-সমালোচনা

যদিও ডুপ্লেসিস এসময়ের ক্রিকেটের এক সুপারম্যান  হিসেবে পরিচিত তবু কিছু ব্যর্থতা , অভিযোগ নিজের ইতিহাসের সাথে যুক্ত করে নিয়েছেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটিং লিজেন্ড।গত ওয়ানডে বিশ্বকাপে তাঁর অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকার শোচনীয় পারফরম্যান্সের জন্য অধিনায়ক হিসেবে ডুপ্লেসিসের ব্যর্থতাকে দায়ী করা হয়। এমনকি গত বিশ্বকাপে না খেলা স্বদেশি ডিভিলিয়ার্সের সাথে তাঁর দ্বন্দ্বের খবর প্রকাশিত হলে  ডুপ্লেসিস ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন ।

ডুপ্লেসিসের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

এ সময়ের জনপ্রিয় ক্রিকেটারদের একজন ফাফ ডুপ্লেসিস।ফাফ ডুপ্লেসিসের ক্যারিয়ার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য এখানে তুলে ধরছি। 

টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি

ফাফ ডুপ্লেসিসের টেস্টে অভিষেক হয় ২০১২ সালে অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। এবং সেই অভিষেক টেস্টে এই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান ১১০ রান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফাফ ডুপ্লেসিস অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। অভিষেক টেস্টে ডুপ্লেসিসের শতকটি ক্রিকেট বোদ্ধাদের নজর কেড়েছিল।এরপর ডুপ্লেসিস আরো ৯টি টেস্ট শতক হাঁকান।

অধিনায়ক হিসেবে তিনফরম্যাটে সেঞ্চুরি

শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক তিলকেরত্নে দিলশানের পর ডুপ্লেসিস দ্বিতীয় ক্রিকেটার যিনি অধিনায়ক হিসেবে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করেছেন।


একই মাঠে তিন ফরম্যাটে সেঞ্চুরি

ফাফ ডুপ্লেসিস সেই বিরল ব্যাটসম্যান যিনি একই মাঠে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করেছেন।

 আইপিএলে দ্রুততম দুই হাজার রান


আইপিএলে বরাবরই জনপ্রিয় এক ব্যাটসম্যান ফাফ ডুপ্লেসিস। আইপিএলে তাঁর বেশকিছু রেকর্ড রয়েছে। আইপিএলে ডুপ্লেসিসের অন্যতম এক রেকর্ড হলো ফাফ ডুপ্লেসিস আইপিএলে চতুর্থ বিদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্রুততম সময়ে ২ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।এই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান আইপিএলে মাএ ৬৭ইনিংস খেলে ২ হাজার স্পর্শ করেন।

বল টেম্পারিং করে সমালোচিত

ক্রিকেটের মাঠে চমৎকার সব ইনিংস খেলে সুনাম কুড়ানোর পাশাপাশি ডুপ্লেসিসের নামের পাশে কিছু কলংকও  যুক্ত হয়েছে।বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে ডুপ্লেসিস দু'বার অভিযুক্ত হন ।২০১৩সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে বল টেম্পারিংয়ের অপরাধে ডুপ্লেসিস অভিযুক্ত হন ।পরবর্তীতে ২০১৬সালে আবারো অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বল টেম্পারিং করে অভিযুক্ত হন।

ডুপ্লেসিসের ক্রিকেট ক্যারিয়ার

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০১১সালে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে ডুপ্লেসিসের অভিষেক হয়। টেস্ট অভিষেক ২০১২সালে এবং টিটুয়েন্টি অভিষেকও ২০১২সালে।

টেস্ট ক্যারিয়ার- ৬৯টেষ্ট-৪,১৬৩রান-সেঞ্চুরি(১০)/হাফসেঞ্চুরি (২১)

ওয়ানডে ক্যারিয়ার-১৪৩ ওয়ানডে-৫,৫০৭ রান-সেঞ্চুরি(১২)/হাফসেঞ্চুরি (৩৫)

টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার-৫০ টিটুয়েন্টি- ১,৫২৮রান-সেঞ্চুরি(১)/হাফসেঞ্চুরি (১০)



                                                         

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আদা সবার কাছে প্রিয় এবং পরিচিত  এক মশলা। বিভিন্ন ধরণের খাদ্য তৈরির ক্ষেএে যেমন আদার ডাক পড়ে তেমনি এ মশলার মধ্যে প্রচুর পুষ্টিকর উপাদানও রয়েছে।ফলে আদা খাবারের স্বাদ যেমন বাড়িয়ে দেয় তেমনি সারাবছর শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে আদার তুলনা নেই। আদার বহুমাত্রিক গুণাগুণ নিয়েই এ লেখা(তথ্যসূএ:বাংলাহেলথ২৪)। 

আদার ব্যবহার

বিশ্বব্যাপী খাদ্যশিল্পে আদা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। আদাকে  খাদ্যশিল্পের এক অত্যাবশ্যকীয় মশলা বলা যায়।বিভিন্ন মুখরোচক খাবার তৈরিতে আদা ব্যবহার করা হয়। রন্ধনশিল্পে আদার চাহিদা ব্যাপক। পানীয় তৈরিতে আদার ব্যবহার হয়। বিভিন্ন ধরণের আচার তৈরিতে আদা ব্যবহ্নত হয়। ওষুধশিল্পে আদা ব্যবহ্নত হয়। সুগন্ধি তৈরিতে আদার প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

শরীরকে শীতল রাখে

যারা নিয়মিত আদা খান তাদের শরীর সবসময় শীতল থাকে। নিয়মিত আদা খেলে শরীর শীতল থাকে।

হার্ট ভালো রাখে

হার্টকে ভালো রাখার জন্য নিয়মিত আদা খেতে পারেন।রক্তের অনুচক্রিকা এবং হ্নদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে আদা খুব কার্যকর।

আদা ব্যথানাশক

হাড়ের বিভিন্ন ক্ষয়জনিত ব্যথায় আদা উপকারী। বিশেষত আথ্রাইটিস প্রভৃতি হাড়ের রোগে হাড়ের জোড়ায় ব্যথা হয় ।আর হাড়ের জোড়ার ব্যথায় আদা খেতে পারেন। এসবের বাইরে শরীরের যেকোন ধরণের ব্যথা প্রশমনে আদা উপকারী।তবে আদার গুণাগুণ পুরোপুরি পেতে চাইলে এটি কাঁচা অবস্থায় খেতে হবে।

মৌসুমী জ্বর, কাঁশিতে উপকারী

ঋতু পরিবর্তন জনিত বিভিন্ন রোগ যেমন জ্বর,কাঁশি, গলাব্যথা,মাথাব্যথায় আদা উপকারী। নিয়মিত আদা খেলে এসব মৌসুমী রোগব্যধি সহজে শরীরে প্রবেশ করতে পারে না। এছাড়া আদায় রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল  উপাদান যা শরীরের রোগ জীবাণু ধ্বংস করে।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

আদা আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।তাই শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে আদা খাওয়ার বিকল্প নেই।

ডায়াবেটিস,মাইগ্ৰেনে উপকারী

আদা শুধু মশলা হিসেবে কাজ করে তাই নয় সেই সাথে আদা মাইগ্ৰেনজনিত ব্যথা ও ডায়াবেটিস জনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা প্রশমনে সাহায্য করে।

রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে

নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে আদা খেলে শরীরের রক্তাসঞ্চালন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়।আদায় বিদ্যমান ম্যাগনেশিয়াম,জিংক প্রভৃতি শরীরের রক্তপ্রবাহের প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখে।

আমাশয়,জন্ডিসে উপকারী

আমাশয়ের সমস্যায়,জন্ডিস,পেটফাঁপা প্রভৃতি জটিলতায় আদার রস খুব উপকারী। এছাড়া গলা পরিষ্কার রাখতে আদা খুব কার্যকর।

শরীরের ক্ষত শুকাতে আদা

শরীরের কোথাও ক্ষত থাকলে তা দ্রুত শুকাতে আদা খুব কার্যকর। আদায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা কাঁটাছেড়া,ক্ষত দ্রুত ভালো করে।

মুখের রুচি বাড়ায়

আদা খেলে বদহজম দূর হয় এবং মুখের রুচি বেড়ে যায় তাই যারা মুখের রুচি নিয়ে চিন্তিত তাদের জন্য নিয়মিত আদা খাওয়া খুব উপকারী।

বমিভাব নিয়ন্ত্রণ করে

অনেকে যানবাহনে চলাফেরার সময়ে বমি করে থাকেন।আর বমিবমি ভাব দূর করার জন্য আদা খুব উপকারী। বমিভাব হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

ঠান্ডাজ্বরে আদা উপকারী

ঠান্ডাজ্বর ও ভাইরাসজনিত জ্বর প্রতিরোধে আদা খুবই উপকারী।আদার রস হালকা গরম করে সমপরিমাণ মধুর সাথে মিশিয়ে দিনে কয়েকবার খেলে ঠান্ডা জনিত জ্বর ও ভাইরাসজনিত জ্বরে উপকার পাওয়া যায়।

পেটের পীড়ায় উপকারী

পেটের পীড়া খুবই কষ্টদায়ক একটি সমস্যা।আর পেটের পীড়ায় বা পেটের অস্বস্তিতে আদা আদা একটি আদর্শ পথ্য।হজমে সহায়তার পাশাপাশি খাবারের গুণাগুণ শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দিতে আদা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া পেটে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধে আদা উপকারী।

ফুসফুসের জন্য উপকারী

ফুসফুসের যেকোন সাধারণ সংক্রমণ বা রোগের ক্ষেত্রে আদা বেশ উপকারী।আদা সর্দিকাশি , শ্বাস-প্রশ্বাসের সাধারণ সমস্যা দূর করে।

আদা ওজন কমায়

যারা অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চিন্তিত তাদের জন্য আদা উপকারী।আদা আমাদের অতিরিক্ত খিদে নিয়ন্ত্রণে দারুণ ভূমিকা পালন করে।রোজ সকালে আদা কুঁচি লবণ মাখিয়ে খেলে অকারণ খিদে পাওয়া কমবে ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।গরম পানিতে আদা ফুটিয়ে খেলেও একই উপকার মিলবে।

ঝলমলে ত্বক, চুলের জন্য আদা

আদায় রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন তা আমাদের ত্বক ও চুলকে ঝলমলে এবং সতেজ রাখতে সহায়তা করে।

প্রদাহ দূর করে

আদা খেলে শরীরের সমস্ত প্রদাহ কমে । বিশেষ করে বাতের ব্যথায় আদা একটি মহৌষধ। আদায় বিদ্যমান বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান শরীরের বাতের ব্যথা, পেশির ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কোলেস্টেরল কমায়

আমরা জানি শরীর সুস্থ রাখতে রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই।আদা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ও ভালো কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয় এরফলে শরীরের  কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে।

আদা মাংসপেশীর ব্যথা কমায়

ভারি ব্যয়াম বা জিমে যাওয়ার আগে আদা খেয়ে নিন। গবেষণায় দেখা গেছে আদা একটি প্রাকৃতিক ব্যথা উপশমকারী এবং প্রদাহরোধী উপাদান হিসেবে কাজ করে। ভারি ব্যয়াম বা জিমের পর শরীরে যে ব্যথা হয় তা আদা খেলে সেরে যায়।

নারীদের ঋতুস্রাবকালিন ব্যথা কমায়

আদার বহুমাত্রিক উপকারিতা আছে।আদা নারীদের ঋতুস্রাবকালিন ব্যথা প্রশমনে সাহায্য করে।

স্মৃতিশক্তি সংরক্ষণ করে

মস্তিষ্কের জন্য আদা খুব উপকারী। মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য নিয়মিত আদা খেতে পারেন।

সর্তকতা

আদার ব্যাপক উপকারী গুণের সাথে এর কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে।তাই কোন কোন ক্ষেত্রে আদা খাওয়া ক্ষতিকর হতে পারে তা জেনে নিন।

অন্তঃস্বত্ত্বা নারীর জন্য ক্ষতিকর

বিশেষজ্ঞরা বলেন অন্তঃস্বত্ত্বা অবস্থায় নারীদের আদা খাওয়া উচিত নয় কারণ অন্তঃস্বত্ত্বা অবস্থায় অতিরিক্ত আদা খেলে প্রিম্যাচিওর শিশু জন্মের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

ওজন বাড়াতে চাইলে আদা নয়

যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য আদা উপকারী হলেও যারা ওজন বাড়াতে চান তাদের জন্য আদা এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ আদা খিদে কমায় এছাড়া শরীরের চর্বি গলানোর প্রক্রিয়ায় আদা কার্যকর।

ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে আদা নয়

স্বাস্থ্যবিদদের মতে যারা ডায়াবেটিস,উচ্চরক্তচাপের ওষুধ খান তাদের জন্য আদা এড়িয়ে চলাই ভালো।

                                                                

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি , আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'র পক্ষ থেকে সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে ২১শে ফেব্রুয়ারির শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এবং সেই সাথে সকল ভাষাশহীদ ও ভাষাসৈনিকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। পরিশেষে এখানে ভাষা আন্দোলন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য ও বাংলা ভাষার কিছু সাম্প্রতিক  তথ্য তুলে ধরা হলো(তথ্যসূএ: উইকিপিডিয়া ও বাংলাপিডিয়া)।

ভাষা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১.বাংলাভাষা আন্দোলনের সময়কাল ১৯৪৭-১৯৫৬খ্রিষ্টাব্দ।
২.১৯৪৭ সালের ১৫সেপ্টেম্বর তারিখে তমদ্দুন মজলিসের পক্ষ থেকে "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু" শিরোনামে পুস্তক প্রকাশিত হয়।
৩.১৯৪৭সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার সমর্থনে প্রথম "রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ" গঠিত হয়।
৪.রাষ্ট্রভাষা সংগ্ৰাম পরিষদের প্রথম আহ্বায়ক ছিলেন অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।
৫.১৯৪৮সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদের সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান গণপরিষদে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি তুলেন।
৬.১৯৫৪সালের ৭ই মে পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
৭.১৯৫৬সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে ২১৪নম্বর অনুচ্ছেদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকার করা হয়।
৮.বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় অনুচ্ছেদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
৯.সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৭সালে বাংলাভাষা প্রচলন আইন জারি করে।
১০.১৯৯৯সালের ১৭নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

পৃথিবীতে বাংলা ভাষার অবস্থান

১.পৃথিবীতে মাতৃভাষীর সংখ্যা বিবেচনায় বাংলা ভাষার অবস্থান ৫ম।
২.২০০০সাল থেকে বিশ্বের প্রায় ১৯৩টি রাষ্ট্রে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
৩.বর্তমানে বিশ্বে ৩০কোটির বেশি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে।
৪.বাংলা ভারতের এিপুরা ও পঞ্চিমবঙ্গে ব্যবহ্নত প্রধান ভাষা।
৪.ভারতের বিহার, উড়িষ্যা ও আসামের কাছাড় জেলায় প্রচুরসংখ্যক বাংলাভাষী মানুষ বসবাস করে।
৫.ভারতের পঞ্চিমবঙ্গ ,এিপুরা ও কাছাড় জেলার প্রশাসনিক ভাষা বাংলা।
৬.যুক্তরাজ্যের হিথরো বিমানবন্দরে বাংলাভাষায় ঘোষণা দেয়া হয়।
৭.বিশ্বে ছয়হাজারের বেশি ভাষা রয়েছে।এর মধ্যে বাংলা ভাষার অবস্থান শীর্ষ দশের ভেতরে রয়েছে।
৮.বিশ্বের বিভিন্ন বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য পড়ানো হয়।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয় হলো ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয়, টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়, পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়, মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় ।
৯.যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র , জার্মানিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলা ভাষার বেশকিছু সংবাদপত্র,রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি রয়েছে।


                                                                  

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: অবশেষে ১৮ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার ভারতের চেন্নাইয়ে হয়ে গেল ১৪তম ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্লেয়ার নিলামের আসর। এবারের আইপিএল নিলামেবাংলাদেশ থেকে দল পেয়েছেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এবং কাটার মাষ্টার মোস্তাফিজুর রহমান। সাকিবকে ৩কোটি ২০ লাখ রুপিতে কিনেছে কেকেআর। মোস্তাফিজকে ১কোটি রুপিতে কিনেছে রাজস্থান রয়্যালস। তবে বাংলাদেশ থেকে আর কোন ক্রিকেটার এবারের আইপিএল নিলামে দল পাননি। এসবের বাইরে এবার আইপিএল নিলামে পাঞ্জাব নতুন নামে এসেছে পাঞ্জাব কিংস নামে। এবং শচীন টেন্ডুলকারের ছেলে অর্জুন টেন্ডুলকার এবারের আইপিএলে দল পেয়েছেন।তবে বেশকজন তারকা ক্রিকেটার ১৪তম আইপিএল নিলামে দল পাননি(তথ্যসূএ:প্রথম আলো ও হিন্দুস্থান টাইমস)।


নিলামে সর্বোচ্চ দামে বিক্রিত তারকাদের খবর

এবারের আইপিএল নিলামে অনেক তারকা ক্রিকেটার দল পাননি । আবার অনেক নতুন তারকাকে নিয়ে ছিল কাড়াকাড়ি।১৪তম আইপিএল নিলামে ১হাজার ১১৪জন ক্রিকেটার থেকে নিলামের মাধ্যমে বেছে নেওয়া ২৯২জন ক্রিকেটার চূড়ান্ত নিলামে উঠেন এবং সেখান থেকে ৮টি ফ্রাঞ্চাইজি তাদের পছন্দের প্লেয়ারদের বেছে নেয়।তারকা প্লেয়ারদের মধ্যে এবার আইপিএল নিলামে ক্রিস মরিচ,কাইল জেমিসন,গ্লেন ম্যাক্সওয়েল,মঈন আলী,শুভম দুবে, সাকিব আল হাসান ভালো দামে বিক্রি হন।ক্রিস মরিচকে  রাজস্থান রয়্যালস ১৬কোটি ২৫লাখ রুপিতে কিনে নেয়। নিউজিল্যান্ডের স্পিডস্টার কাইল জেমিসনকে রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ১৫কোটি রুপিতে কিনে নেয়।ম্যাক্সওয়েলকে ১৪কোটি ২৫লাখ রুপিতে কিনেছে রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।


কোন তারকা কত দাম পেলেন

এবারের আইপিএল নিলামে তারকা প্লেয়ারদের নিয়ে ছিল ব্যাপক টানাটানি।কে কোন তারকাকে দলে ভেড়াবে সেটি নিয়ে সবগুলো ফ্রাঞ্চাইজিই ব্যস্ত ছিল। আসুন দেখে নিই কোন তারকা ক্রিকেটার কোন দলে কত দামে বিক্রি হলেন।

ক্রিস মরিচ  -১৬কোটি ২৫লাখ রুপি- রাজস্থান রয়্যালস।
কাইল জেমিসন- ১৫কোটি রুপি- রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
গ্লেন ম্যাক্সওয়েল - ১৪কোটি ২৫লাখ রুপি- রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
মঈন আলী - ৭কোটি রুপি -চেন্নাই সুপার কিংস।
শুভম দুবে-৪কোটি ৪০লাখ রুপি-রাজস্থান রয়্যালস।
সাকিব আল হাসান- ৩কোটি ২০ লাখ রুপি- কেকেআর।
পীযুষ চাওলা -২কোটি ৪০লাখ রুপি- মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।
হরভজন সিং-২কোটি রুপি- কেকেআর।
কেদার যাদব- ২কোটি রুপি -সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
ডেভিড মালান-১কোটি ৫০ লাখ রুপি-পাঞ্জাব কিংস।
মুজিব উর রহমান-১কোটি ৫০লাখ রুপি -সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
মোস্তাফিজুর রহমান-১কোটি রুপি- রাজস্থান রয়্যালস।
উমেশ যাদব-১কোটি রুপি- দিল্লি ক্যাপিটালস।
ফেবিয়ান এলেন- ৭৫লাখ রুপি-পাঞ্জাব কিংস।
চেতেশ্বর পুজারা- ৫০লাখ রুপি-চেন্নাই সুপার কিংস।
জিমি নিশাম-৫০লাখ রুপি-কেকেআর।
অর্জুন টেন্ডুলকার-২০লাখ রুপি- মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

যেসব তারকা দল পাননি


১৪তম আইপিএল নিলামে বেশকজন তারকা ক্রিকেটার দল পাননি।কোন দলই এদেরকে নেয়নি। এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য তারকারা হচ্ছেন জেসন রয়,অ্যারন ফিঞ্চ,আলেক্স হেলস,আদিল রশিদ,এভিন লুইস,গ্লেন ফিলিপস,কুশল পেরেরা,শেলডন কটরেল,শন মার্শ,ডারেন ব্রাভো, মার্টিন গাপটিল,কোরি অ্যান্ডারসন,ওশানে থমাস,ম্যাথু ওয়েড,শন অ্যাবট,ইশুরু উদানা।

দল পেলেন সাকিব এবং মোস্তাফিজ

বাংলাদেশের ক্রিকেটামুদীদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এসেছেন সাকিব আল হাসান এবং মোস্তাফিজুর রহমান। এবার আইপিএলের নিলামে দুজনই দল পেয়েছেন।গত আইপিএলে নিষেধাজ্ঞার কারণে সাকিব অংশ নিতে পারেন নি। এছাড়া মোস্তাফিজও গত আইপিএলে বাক পাননি।তবে এবারের আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের এদুই তারকাই দল পেয়েছেন। বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে নিয়ে বেশ কাড়াকাড়ি ছিল এবারের নিলামে তবে শেষপর্যন্ত শাহরুখ খানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স সাকিবকে ৩কোটি২০লাখ রুপিতে কিনে নেয়। বাংলাদেশের কাটার মাষ্টার মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। রাজস্থান রয়্যালস মোস্তাফিজকে ১কোটি রুপিতে কিনে নেয়।

কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব এখন পাঞ্জাব কিংস


গত আইপিএলে দারুণ ক্রিকেট উপহার দিয়েও শেষপর্যন্ত শিরোপার স্বাদ পায়নি কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।এবার দলটি নাম পরিবর্তন করেছে।আইপিএলে প্রীতি জিনতার দল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের নাম পরিবর্তন করে এবার  হয়েছে পাঞ্জাব কিংস। অর্থাৎ ১৪তম আইপিএলে পাঞ্জাব কিংস নামেই দলটি খেলবে।

১৪তম আইপিএলের ৮ স্কোয়াড

১৪তম আইপিএলের নিলাম বেশ জমজমাট হয়েছে বলা যায়।হাড্ডাহাড্ডি নিলামে দলগুলো ছিল বেশ সতর্ক।সব দলই নতুন ও পুরাতনের মিশেলে শক্তিশালী দল গঠন করতে সচেষ্ট ছিল। আসুন এবারের আইপিএলের স্কোয়াডগুলো দেখে নিই।

কেকেআর

যারা থেকে গেলেনঃ এউইন মরগান,আন্দ্রে রাসেল,প্যাট কামিন্স, দীনেশ কার্তিক,শুভমান গিল, সুনীল নারাইন,কমলেশ নাগরকোটি,কুলদীপ যাদব,লুকি ফার্গুসন,নিতিশ রানা, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ,শিভাম মাভি, রাহুল এিপাটি,বরুণ চক্রবর্তী,টিম সেইফার্ট।

নতুন প্লেয়ারঃ সাকিব আল হাসান, হরভজন সিং,বেন কাটিং,ভেঙ্কটেশ আইয়ার,পবন নেগি,করুন নায়ার।

রাজস্থান রয়্যালস

যারা থেকে গেলেনঃ  সঞ্জু স্যামসন,জস বাটলার,বেন স্টোকস, জোফরা আর্চার,যশস্বী জয়শওয়াল,রিয়ান পরাগ,ডেভিড মিলার, রাহুল তেওয়াটিয়া,মহীপাল লমরোর,শ্রেয়াশ গোপাল,অ্যান্ড্রু টাই, জয়দেব উনাদকাট, কার্তিক ত্যাগি।


নতুন প্লেয়ারঃ মোস্তাফিজুর রহমান,শুভম দুবে,ক্রিস মরিচ,কেসি কারিয়াপ্পা,লিয়াম লিভিংস্টোন।

পাঞ্জাব কিংস

যারা থেকে গেলেনঃ লোকেশ রাহুল,ক্রিস গেইল,মায়াঙ্ক আগারওয়াল, নিকোলাস পুরান,সরফরাজ খান, মুরুগান অশ্মিন,দীপক হুছা, মোহাম্মদ শামি,ক্রিস জর্ডান,অশ্বদীপ সিং,রবি বিষ্ণু।

নতুন প্লেয়ারঃ ডেভিড মালান,ঝাই রিচার্ডসন, শাহরুখ খান,রিলি মেরিডিথ,মোজেস হেনরিকস,ফেবিয়ান এলেন।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

যারা থেকে গেলেনঃ বিরাট কোহলি,এবি ডিভিলিয়ার্স,যুজবেন্দ্র চাহাল, নবদীপ সাইনি,এডাম জাম্পা,ওয়াশিংটন সুন্দর, দেবদূত পাডিকেল, মোঃ সিরাজ,কেইন রিচার্ডসন,জশ ফিলিপে।

নতুন প্লেয়ারঃ কাইল জেমিসন,গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মোঃ আজহার উদ্দিন,ডেনিয়েল ক্রিষ্টিয়ান,ডেনিয়াল স্যামস।

দিল্লি ক্যাপিটালস

যারা থেকে গেলেনঃ শ্রেয়াশ আয়ার,পৃথ্বী শ,আজিঙ্কা রাহানে,শিখর ধাওয়ান,ঋষভ পন্ত,কাগিসো রাবাদা,শিমরণ হেটমায়ার,মার্কাস স্টয়নিস,ক্রিস ওকস, রবিচন্দ্রন অশ্বিন,অক্ষর প্যাটেল,ঈশান্ত শর্মা,অমিত মিশ্র,আনরিখ নর্সজে।

নতুন প্লেয়ারঃ স্টিভেন স্মিথ, উমেশ যাদব,স্যাম বিলিংস,টম কুরান।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

যারা থেকে গেলেনঃ রোহিত শর্মা, রাহুল চাহার,জসপ্রিথ বুমরা, কুইন্টন ডি কক,ট্রেন্ট বোল্ট,ক্রুনাল পান্ডিয়া,ঈশান কিষাণ,কিয়েরন পোলার্ড,ক্রিস দিন,সূর্যকুমার যাদব,সৌরভ তিওয়ারি,ধবল কুলকার্নি,হ্নাদিক পান্ডিয়া।

নতুন প্লেয়ারঃ পীযুষ চাওলা,জিমি নিশাম, অর্জুন টেন্ডুলকার,এডাম মিললে,নাথান কুল্টারনাইন।

চেন্নাই সুপার কিংস

যারা থেকে গেলেনঃ এম এস ধোনি,ফাফ ডুপ্লেসিস,সুরেশ রায়না, রবীন্দ্র জাদেজা,অম্বাতি রাইডু,এনগিদি,ঋতুরাজ গায়কোয়াড়,ডোয়াইন ব্রাভো,দীপক চাহার,মিচেল স্যান্টনার, ইমরান তাহির, শার্দুল ঠাকুর,শ্যাম কুরান,রবিন উথাপ্পা,করণ শর্মা,জশ হার্জেলউড।

নতুন প্লেয়ারঃ মঈন আলী, চেতেশ্বর পুজারা,কৃষ্ণপা গৌতম।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

জনি বেয়ারস্টো,ডেভিড ওয়ার্নার, রশিদ খান,মনীশ পারবে, কেন উইলিয়ামসন,শ্রীবৎস গোস্বামী,প্রিয়ম গগ', ঋদ্ধিমান সাহা, মোহাম্মদ নবী, মিচেল মার্শ,বিজয় শঙ্কর,জেসন হোল্ডার, আবদুল সামাদ,টি নটরাজন, ভুবনেশ্বর কুমার,শাহবাজ নাদিম, অভিষেক শর্মা,সিদ্ধার্থ খল,খলিল আহমেদ,সন্দিপ শর্মা,বাসিল থাম্পি।

নতুন প্লেয়ারঃ কেদার যাদব, মুজিব উর রহমান।

                                                       

প্রিয় ক্রিকেট ডটকম: দেশের চাকরির বাজারের সাম্প্রতিক কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এখানে দেখে নিন।

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে নিয়োগ

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
পদের নামঃ সহকারী প্রকৌশলী/সহকারী ব্যবস্থাপক (কারিগরি), সহকারী ব্যবস্থাপক (সাধারণ ও হিসাব/রাজস্ব/নিরীক্ষা), উপ-সহকারী প্রকৌশলী, সহকারী কর্মকর্তা (কারিগরি ও সাধারণ), সহকারী কর্মকর্তা (হিসাব/রাজস্ব)।

যোগ্যতা :পদভেদে কোন তৃতীয় বিভাগ ছাড়া ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ,বিএসসি/বিকম স্মাতক/স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।
বেতন: জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুসারে পদভেদে ৯ম ও ১০ম গ্ৰেড।
বয়স: অনুধ্ব' ৩০ বছর।
আবেদনের মাধ্যম: অনলাইন (http://bgdcl.teletalk.com)
আবেদনের সময়: ২৪/০২/২০২১ তারিখ থেকে ১৫/০৩/২০২১ তারিখ বিকাল ৫.০০ঘটিকা।

সূত্র:বিডিজবস ডটকম(www.bdjobs.com)।

ট্রান্সকম বেভারেজে নিয়োগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানী ট্রান্সকম বেভারেজে সিনিয়র সেলস এক্সিকিউটিভ/সেলস এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
 পদের নাম: সিনিয়র সেলস এক্সিকিউটিভ/সেলস এক্সিকিউটিভ।
যোগ্যতা:স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোন বিষয়ে ন্যূনতম স্মাতক/বিবিএ/এমবিএ পাস।

অন্যান্য যোগ্যতা: প্রার্থীর দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। মাইক্রোসফট অফিসে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ইংরেজিতে দক্ষতা থাকতে হবে।
বয়স: অনুধ্ব' ৩৫ বছর।
কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোন স্থান।
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।
আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্ৰহীরা বিডিজবস অনলাইনের(www.bdjobs.com) মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
 আবেদনের শেষ তারিখ: ১৫/০৩/২০২১।

সূএ:বিডিজবস ডটকম (www.bdjobs.com)।


ব্র্যাকে নিয়োগ

ব্র্যাকে" ঋণ কর্মকর্তা "পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
পদের নাম: ঋণ কর্মকর্তা,প্রগতি।
পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট।
যোগ্যতা: যেকোন স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে (কোন পর্যায়ে ৩য় বিভাগ ছাড়া) স্মাতকোওর ডিগ্ৰি। শিক্ষা জীবনের সবপর্যায়ে ২য় বিভাগ অথবা জিপিএ/সিজিপিএ ২.০০ থাকতে হবে।

মাসিক বেতন: ২৩,৫২৮টাকা ও অন্যান্য সুবিধা।
কর্মস্থল:ব্র্যাক মাঠ কার্যালয়।
আবেদন: অনলাইন (careers.brac.net অথবা www.bdjobs.com)
আবেদনের শেষ তারিখ: ২১/০২/২০২১।

সূত্র:বিডিজবস ডটকম।

ব্র্যাকে নিয়োগ

ব্র্যাকে "ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি" পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদের নাম:ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি।
পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট।
যোগ্যতা: যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্যে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি। শিক্ষা জীবনের সবপর্যায়ে ১ম বিভাগ/সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো।তবে ফ্রেসরাও আবেদন করতে পারবেন।
মাসিক বেতন: ৫০,০০০টাকা ও অন্যান্য সুবিধা।
কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোন স্থান।
আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (careers.brac.net অথবা www.bdjobs.com)।
আবেদনের শেষ তারিখ:২৭/০২/২০২১। সূত্র: বিডিজবস ডটকম (www.bdjobs.com)।


                                                               


চট্টগ্রাম টেস্টের পর ঢাকা টেষ্টে টাইগারদের পরাজয়ের পর বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনুরাগী হিসেবে অবশ্যই খারাপ লাগছে। সবচেয়ে খারাপ বিষয় হচ্ছে হোম গ্রাউন্ডে এভাবে টেস্টে টানা হার অবশ্যই হতাশাজনক। এবং এবার ওয়েষ্ঠ ইন্ডিজের দ্বিতীয় সারির দলের কাছে টেষ্টে অসহায় আত্মসমর্পণ মোটেই সুখকর কোন ঘটনা নয়।ঢাকা টেষ্টে টাইগারদের পরাজয়ের কারণ অনুসন্ধান করলে বহু কারণ বেরিয়ে আসবে। টিম সিলেকশন ঠিক ছিল কিনা সে নিয়ে প্রশ্ন আসবে। অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ের কথা আসবে। তাছাড়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে  অভিজ্ঞতা ও শক্তি বিবেচনায়  বাংলাদেশের এভাবে টেস্টে পরাজয় বেমানান।ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের পরাজয়ের টুকিটাকি নিয়েই এ লেখাটি তৈরি করা হয়েছে (তথ্যসূএ: উইকিপিডিয়া)।

উইন্ডিজের টসভাগ্য এবং সাকিবের বিকল্প

বাংলাদেশ দলের বড় কান্ডারি সাকিব আল হাসান ঢাকা টেষ্টে ইনজুরির কারণে মাঠে নামতে পারেননি।সঙ্গতকারণে ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের স্কোয়াড কিছুটা হলেও দুর্বল ছিল। এরসাথে ঢাকা টেস্টে সাকিব বিহীন বাংলাদেশের বিপক্ষে টসভাগ্য ওয়েষ্ঠ ইন্ডিজের পক্ষে চলে যায়।টস জেতার ফলে উইন্ডিজ অধিনায়ক ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন।পুরো ম্যাচের দিকে তাকালে দেখা যায় ওয়েষ্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং ঢাকা টেস্টের টানিং পয়েন্ট ছিল। কিন্তু আমাদের পর্যবেক্ষণ বলছে বাংলাদেশের স্কোয়াড এক্ষেত্রে যথেষ্ট ছিল কিনা সেটি ভাবার বিষয়। আবারো এক স্পেশালিষ্ট পেসার নিয়ে টেস্টে স্কোয়াড দেয়া ঠিক ছিল কিনা সেটিও কিন্তু ভাবনার বিষয়। সাকিবের অনুপস্থিতিতে ঢাকা টেষ্টে আসলে আর কোন টাইগার বোলার সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।ওয়েষ্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের বোলাররা উইন্ডিজ দলের রানের গতি থামাতে ব্যর্থ হয়।এর জন্য টাইগারদের স্কোয়াড তৈরিতে ভুল ছিল একথা বলতেই হচ্ছে। কারণ সাকিবের মত বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার দলে নেই সে অবস্থায় স্কোয়াড গঠনে আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন ছিল। তবুও মিরাজ ও তাইজুলের হাতে সুযোগ ছিল কিন্তু এদের কেউই ম্যাচজেতার মত তেমন কিছু করতে পারেননি।বিশেষত উইন্ডিজ দলের প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়ে রানের লাগাম কোন টাইগার বোলারই সেভাবে ধরতে পারেননি।আর এখানেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ঢাকা টেষ্টে এগিয়ে যায়। তামিম ইকবাল সেট হয়েও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। মুশফিকের সামনে বড় ইনিংস খেলার সুযোগ ছিল কিন্তু তিনিও ভুল শটে উইকেট দিয়েছেন । মুমিনুলকে ঢাকা টেষ্টে খুঁজে পাওয়া যায় নি। সৌম্য সরকারও চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। সবকিছু মিলিয়ে বলা যায় ঢাকা টেস্টে সাকিবের বিকল্প নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায় গলদ ছিল।


অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের দায় আছে

পরিসংখ্যান ঘাটলে বলা যায় বাংলাদেশের টেষ্টের বর্তমান টপ অর্ডার এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা। তামিম, সাকিব, মুশফিক, মুমিনুল, মাহমুদুল্লাহ, লিটনের সমন্বয়ে গড়া বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ এই মুহূর্তে বিশ্বের যেকোন বোলিং অ্যাটাকের  বিপক্ষে  ফাইট দিতে সক্ষম। এবং গত বিশ্বকাপসহ বিগত দশ পনেরো বছর ধরে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিন্তু কথা হলো তবু কেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের এমন ছন্নছাড়া অবস্থা।হয়তো করোনাকালিন কিছু জড়তা ছিল ।কিন্তু সেটি তো উইন্ডিজ দলের জন্যও প্রযোজ্য। এখানে ভুল টিম সিলেকশন বা ফিটনেসের ঘাটতির বিষয়ে সম্ভবত ভাবতে হবে,আরো আলোচনা করতে হবে। সাবেক ব্যাটিং কোচ ম্যাকেঞ্জি তাঁর এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের বর্তমান ব্যাটিং লাইনআপের প্রশংসা করেছেন।এতসব কোয়ালিটি থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের এই হোম সিরিজের দুই টেস্টে হেরে যাওয়ার কারণে সিনিয়রদের কিছু না কিছু দায় অবশ্যই থাকে।প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটিং তাও মোটামুটি আশা জাগানিয়া ছিল কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাটিং মোটেও টেষ্টসুলভ ছিল না।ঢাকা টেস্টে তামিম, মুশফিকের আউট খুব দৃষ্টিকটু ছিল।অথচ প্রথম ইনিংসে তামিম, মুশফিক,লিটন, মিরাজের ব্যাটিং অন্যরকম কিছুরই ইঙ্গিত দিয়েছিল।

উইন্ডিজের প্রথম ইনিংস ও টাইগার বোলিং

উইন্ডিজের বিপক্ষে  প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের বোলাররা যে খুব ভালো বোলিং উপহার দিয়েছেন তা কিন্তু বলা যাবেনা।আর উইকেট সম্ভবত সময়ের সাথে ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছিল কারণ দ্বিতীয় ইনিংসে কোন টিমের ব্যাটিংই ভালো হয়নি।রাহি প্রথম ইনিংসে চার উইকেট পেয়েছেন এ থেকে বলা যায় আরো একজন স্পেশালিষ্ট পেসার স্কোয়াডে রাখলে ম্যাচের রেজাল্ট অন্যরকম হতে পারতো।আর এরফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের প্রথম ইনিংসে ভালো একটি টোটাল দাড় করাতে সক্ষম হয়।

রাকিম কর্ণওয়াল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস

ঢাকা টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের টোটাল স্কোর তাদের প্রপার গেমপ্ল্যানকে বাস্তবতা দিয়েছে।আর বাকিটুকু করে দিয়েছেন দীর্ঘদেহী স্পিনার রাকিম কর্ণওয়াল।ঢাকা টেস্টে দুই দলের মোট রান হিসেব করলে খুব বেশি পার্থক্য দেখিনা।তবু ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই টেস্টে জয়লাভ করে  কর্ণওয়ালের স্পিন ও দারুণ একটি গেমপ্ল্যানের মাধ্যমে।ঢাকা টেষ্টে টাইগারদের নিয়ে উইন্ডিজ টিম প্রচুর গেমপ্ল্যান করে মাঠে নেমেছিল। বাংলাদেশের বোলাররা উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানদের দ্বিতীয় ইনিংসে দাঁড়াতে দেয়নি তবু শেষমেশ জয় কিন্তু উইন্ডিজ টিমের পক্ষে গেছে আর এজন্য দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের দায়িত্বহীন ব্যাটিং দায়ি।

টাইগারশিবিরে অভিজ্ঞ পেসারের অভাব ছিল

মোস্তাফিজুর রহমান বা তাসকিনকে দ্বিতীয় টেস্টে স্কোয়াডে রাখার দরকার ছিল। তাছাড়া মোসাদ্দেক বা মাহমুদুল্লাহর কেউ একজন দলে থাকলে টাইগার বোলারদের আরো সুবিধা হতো। এবং এই প্রসঙ্গে আবারো স্কোয়াড সিলেকশন নিয়ে কথা এসে যায়। আমরা জানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোন দলকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তাছাড়া মিরপুর হচ্ছে দেশের হোম অব ক্রিকেট । মিরপুরের উইকেটের চরিত্র টাইগার টিম ম্যানেজম্যান্ট সবচেয়ে ভালো জানে।অথচ টিম ম্যানেজম্যান্ট একজন  স্পেশালিষ্ট পেসার দিয়ে স্কোয়াড দিয়েছে। তাসকিন,মোস্তাফিজের যেকোন একজনকে স্কোয়াডে রাখার সুযোগ ছিল। 

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে দুর্বলতা

চট্টগ্রাম টেস্টে যদিও অধিনায়ক মুমিনুল এবং মিরাজ সেঞ্চুরি করেছিলেন কিন্তু ঢাকা টেস্টে মুমিনুলকে সেভাবে আর পাওয়া যায় নি।আসলে ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে একটি ছন্নছাড়া ভাব দেখা গেল। তামিম দ্বিতীয় ইনিংসে চমৎকার ব্যাটিং করছিলেন তবু হঠাৎ বাজে শট খেলে আউট হয়ে গেলেন।মুশফিকও দ্বিতীয় ইনিংসে সেট হয়ে উইকেট দিয়ে আসলেন।আর মিরপুরের পরিচিত উইকেটে এভাবে অভিজ্ঞ টাইগার ব্যাটসম্যানদের সেট হয়েও আউট হওয়ার দৃশ্য মোটেও সুখকর ছিল না।শান্তকে এভাবে টেস্টে বারবার সুযোগ দেয়ার পক্ষে যুক্তি ছিলনা।সৌম্যও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।আসলে এই হোম সিরিজে বাংলাদেশের টেস্টের ব্যাটিং নিয়ে কেমন প্ল্যান ছিল তা স্পষ্ট নয়।

তবু হোম সিরিজে এভাবে ধারাবাহিক টেস্টহার অবশ্যই ভাবনার

সেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে হোমটেষ্টে হারের পর থেকে যদি হিসেব করা হয় তবে দেখা যায় দেশের মাটিতে গত দুই বছর ধরে বাংলাদেশের টেস্টের পারফরম্যান্স আশাব্যঞ্জক নয়। হাবিবুল বাশার, আশরাফুল, শাহরিয়ার নাফিসদের সময় বাংলাদেশ টেষ্টে নতুন যুগে প্রবেশ করে। এবং বাশার,আশরাফুলদের সময় বাংলাদেশ টেষ্টে" টু অর ত্রিম্যান" তত্ত্ব নিয়ে ব্যাটিংয় করেছে। বর্তমান টিমে চার থেকে পাঁচজন স্পেশালিষ্ট ও পরীক্ষিত ব্যাটসম্যান রয়েছেন তবু বাংলাদেশ হোম সিরিজে টেস্টে তুলনামূলক দুর্বল টিমের কাছে হেরে যাচ্ছে এটি অবশ্যই ভাবনার বিষয়। মুশফিক, মুমিনুল, সাকিবের টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরিও আছে। তাছাড়া দলে একাধিক ফিট ও স্পেশালিষ্ট ফাষ্টবোলার রয়েছেন তবু একজন নিয়ে টেস্ট স্কোয়াড দেয়ার কারণও খুঁজতে হবে। তাছাড়া সাকিবের অনুপস্থিতিতে এভাবে একজন স্পেশালিষ্ট ফাষ্টবোলার নিয়ে স্কোয়াড দেয়া কতটুকু যুক্তিসঙ্গত ছিল তাও ভাবতে হবে।আসলে কিছুটা গভীরে গেলে দেখা যায় বাংলাদেশ ইদানিং হোম সিরিজে টেস্টে ভালো করতে পারছে না। দেশের মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের প্লেয়াররা সেরাটা দিতে পারছে না। এবং এ নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টকে আরো কাজ করতে হবে। টেস্ট ক্রিকেট হচ্ছে বেসিক ক্রিকেট। এখানে ভালো করেই শ্রীলঙ্কার মত একসময়ের দুর্বল ক্রিকেট শক্তি বিশ্বকাপ শিরোপাও জয় করেছে।এ অবস্থা কাটানোর জন্য তাই আমাদের দাবি হচ্ছে লংগারভার্সনের প্রতি দেশের ক্রিকেট টিম ম্যানেজমেন্ট এবং প্লেয়ারদের আরো মনোযোগী হতে হবে।

বাংলাদেশের টেস্ট পরিসংখ্যান

বাংলাদেশ ইতিপূর্বে ১২১টি টেস্ট খেলেছেন। বাংলাদেশ ১৪টি টেস্টে জয়লাভ করেছে ও ৯১টি টেস্টে পরাজিত হয়েছে এছাড়া বাংলাদেশ ১৬টি টেস্টে ড্রয়ের দেখা পেয়েছে। বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি টেস্ট জিতেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে (৭ জয়) এবং বাংলাদেশ টেষ্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি হেরেছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে (১৬ পরাজয়)।

টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ইনিংস টোটাল


৬৩৮ রান - প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা।
৫৯৫/৮ ডিক্লেয়ার - প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।
৫৫৬রান -প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
৫৫৫/৭ডিক্লেয়ার - প্রতিপক্ষ পাকিস্তান।
৫২২/৮ডিক্লেয়ার- প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের সর্বনিম্ন টেস্টটোটাল

রান        - প্রতিপক্ষ
৪৩রান    -   ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
৬২রান    -  শ্রীলঙ্কা।
৮৬রান    - শ্রীলঙ্কা।
৮৭রান    - ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
৮৯রান    - শ্রীলঙ্কা।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যবধানে টেস্ট জয়

১. ইনিংস ও ১৮৪ রানে জয়  - প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
২. ইনিংস ও ১০৬ রানে জয়  -  প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।

টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যবধানে পরাজয়

১. ৪৬৫রানে পরাজয় - প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা।
২. ৩৩৫ রানে পরাজয় - প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।
৩. ৩৩৩ রানে পরাজয় - প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা।

টেস্টক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বাধিক রানচেজ ও জয়

৬ উইকেটে ২১৭ রান - প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

লিখেছেন: প্রভাকর চৌধুরী



                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকম : আজ বিশ্বজুড়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সরস্বতী পূজা।প্রিয় ক্রিকেট ডটকম'র পক্ষ থেকে সকল পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে সরস্বতী পূজার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায় মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজার আয়োজন করে থাকেন। দেবী সরস্বতীকে বিদ্যা ও সংগীতের দেবী হিসেবে পূজা করা হয়।

উল্লেখ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা সরস্বতী পূজার আয়োজন করে থাকেন।

                                              

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বলা হয় শীত হলো ভ্রমণের ঋতু।শীতের ভ্রমণ অন্য সময়ের চেয়ে বেশি আনন্দদায়ক।কারণ বৃষ্টি বাদলের চিন্তা নেই।শীতে যেকোন স্থানে ভ্রমণ করা যায়। এসবকিছু বিবেচনা করে অনেকেই শীতকালে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন। আর শীতের ভ্রমণকে আরো বেশি আনন্দদায়ক করে তুলতে এখানে কিছু টিপস তুলে ধরছি।

কোথায় বেড়াতে যাবেন

ভ্রমণের আগে পরিকল্পনা জরুরি। কোথায় যেতে চান তার আগে নির্ধারণ করুন।তাছাড়া শীতে কোথায় ভ্রমণে গেলে বেশি সুবিধা সেটিও জেনে নিন। এ বিষয়ে আশপাশের কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।এছাড়া নির্ভরযোগ্য কোন অনলাইন ভ্রমণগাইডের সহায়তা নিতে পারেন।বেড়াতে যাবার আগে জেনে নিন কোথায় ভ্রমণ করলে বাজেট কত লাগবে।আপনার বাজেট কতটা তাও দেখে নিন।কতদিনের জন্য ভ্রমণে যেতে চান তাও নিশ্চিত করুন।যেখানে যেতে চান সেই স্থানে থাকা-খাওয়ার সুবিধা আছে কিনা দেখে নিন।সবকিছুর পর আপনি সাগর,পাহাড়, নদী,বন,হাওড়,ঠিক কোথায় বেড়াতে বেশি পছন্দ করেন তা জেনে নিয়ে ভ্রমণের স্থান নির্ধারণ করুন। 

হোটেলের খোঁজখবর 

কোথাও বেড়াতে যাবার আগে সেখানে মানসম্মত হোটেল আছে কিনা তা জেনে নিন।এখন ইন্টারনেট সার্স করলে মোটামুটি সব হোটেলের ঠিকানা, ফোন ইত্যাদি পেয়ে যাবেন।কোথায় কেমন সুবিধা,ভাড়া ইত্যাদি তথ্য অনলাইনেই পেয়ে যাবেন।তাছাড়া ভালো মানের রেস্টুরেন্ট আছে কিনা তাও জেনে নিন।আপনার সঙ্গী কতজন তা নিশ্চিত হয়ে নিন।কেমন পরিবেশে থাকতে আপনার আগ্রহ বেশি সে বিষয়টি মাথায় রাখুন।এছাড়া যেখানে যেতে চান সেই স্থানটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন তাও জেনে নিন।সবকিছুর পর করোনাকালে স্বাস্থ্যগত সুরক্ষার বিষয়টি খেয়াল রাখুন।

যাতায়াত সুবিধা 

কোথাও বেড়াতে যাবার আগে সে স্থানটির যাতায়াত সুবিধা জেনে নিন।গাড়ী না ট্রেন কোনটি বেশি সুবিধাজনক তা জেনে নিন।রাস্তাঘাট ভালো কিনা সেটিও জেনে নিন। বাস বা ট্রেনে গেলে টিকেট, সময়সুচি ইত্যাদি জেনে নিন।বাসে গেলে বাস সরাসরি সেই স্থানে যায় কিনা তাও জেনে নিতে হবে।তাছাড়া প্রাইভেট গাড়ীতে যাওয়া যায় কিনা জেনে নিন।

কি কি দেখা যাবে

ভ্রমণের স্থান নির্ধারণ করার পর জেনে নিন সেই জায়গায় কি কি আকর্ষণীয় জিনিস আছে।কিভাবে সহজে দর্শনীয় স্থানে ঘুরা যাবে।অন্যান্য আরও কি দেখার আছে তাও জেনে নিন।এ কাজে অনলাইনের সহায়তা নিতে পারেন। ভ্রমণে বেরোবার আগে পছন্দের জায়গাটির বিস্তারিত জেনে নিন তাহলে পরে কোন ঝামেলা হবে না।

নিরাপত্তা ও পরিবেশ জেনে নিন

কোথাও বেড়াতে যাবার আগে সেই স্থানটির নিরাপত্তা ও পরিবেশ আগাম জেনে নেয়া উচিত। পাশাপাশি সেই স্থানটির জরুরি ফোন নম্বর,নিকটস্থ থানার ফোন নম্বর,টুরিস্ট পুলিশের হেল্পলাইন নম্বর,নিকটস্থ হাসপাতাল,ব্যাংক ও বাজারের লোকেশন  ইত্যাদি আগাম জেনে নেয়া ভালো।

ব্যাকপ্যাক

ব্যাকপ্যাক যেকোন ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।কোথাও বেড়াতে গেলে ব্যাগপ্যাক কি হবে তা আগেই ঠিক করে নিন।যেমন উঁচু জায়গায় বেড়াতে গেলে পাতলা ব্যাগ সুবিধাজনক। আবার সমতল কোথাও বেড়াতে গেলে কিছুটা ভারি ব্যাগপ্যাক নিতে পারেন।তবে এক্সপার্টদের মতে শীতের ভ্রমণে পাতলা ব্যাগপ্যাক নিয়ে যাওয়াই ভালো।তাই শীতে বেড়াতে গেলে একান্ত দরকারী কাপড়চোপড়ই শুধু সাথে রাখুন।এছাড়া একান্ত দরকারী জিনিস ব্রাশ, টুথপেষ্ট ,সাবান, স্যানিটইজার,মাস্ক,জুতা ইত্যাদি আগেই গুছিয়ে রাখুন।শীতের ভ্রমণে বেশি ভারি ব্যাগ এড়িয়ে চলা ভালো।

ভ্রমণের পোশাকআশাক 

শীতে ভ্রমণে গেলে গাঢ় রংয়ের পোশাক আরামদায়ক হবে।তবে মনে রাখতে হবে বেশি পরিমাণে ভারি পোশাক বহন করলে ব্যাগপ্যাকের ওজন বেড়ে যেতে পারে।আর অবশ্যই প্রয়োজনীয় শীতের পোশাক সাথে রাখতে হবে।তাছাড়া এক্সপার্টদের মতে পাহাড় বা বনাঞ্চলে বেড়াতে গেলে  উজ্জ্বল রংয়ের পোশাক এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রয়োজনীয় ওষুধপএ সাথে নিন

শীতে ভ্রমণের সময় বিভিন্ন মৌসুমী রোগব্যাধি হানা দিতে পারে।পুরনো রোগ থাকলে প্রয়োজনীয় ওষুধ সাথে রাখুন।বিভিন্ন টেলিমেডিসিন নম্বর কোথাও লিখে রাখুন।

এই শীতে কোথায় ভ্রমণে যাবেন

শীতে ভ্রমণ করলে সারা বছরজুড়ে বিপুল প্রাণশক্তি পাওয়া যায়।তাছাড়া ভ্রমণে অভিজ্ঞতা বাড়ে। ভ্রমণ জীবনের বহুমাএিক দিকের সাথে পরিচিত হবার সুযোগ দেয়। এ শীতে ভ্রমণের সেরা কিছু স্থানের পরিচয় তুলে ধরছি।

সাগরের কাছে সেন্টমার্টিন দ্বীপে

এই শীতে সমুদ্রের কাছাকাছি কিছু সময় কাটাতে চাইলে যেতে পারেন সেন্টমার্টিন দ্বীপে।প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটকের পদভারে মুখরিত থাকে সেন্টমার্টন দ্বীপ।বাংলাদেশের সবচেয়ে আর্কষণীয এ দ্বীপে শীতকালে বেড়িয়ে আসতে পারেন।

বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত 

শীতে ভ্রমণের জন্য আদর্শ এক স্থান হলো কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত।শীতকালে বেড়াতে যেতে চাইলে বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে যেতে পারেন।তবে শীতে কক্সবাজার বেড়াতে যাবার আগে হোটেল ও অন্যান্যকিছু আগাম বুক করে যান কারণ শীতে কক্সবাজারে দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে যায়।

অপরূপ সাজেক ভ্যালি

এই শীতে ভ্রমণের জন্য্য চমৎকার এক স্থান সাজেক ভ্যালি।সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙামাটির ছাদ।চারপাশে মনোরম পাহাড় সাজেক ভ্যালির মূল আর্কষণ। রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত অপরূপ সাজেক ভ্যালি হতে পারে শীতে ভ্রমণের সেরা জায়গা।

জল-পাহাড়ের জাফলং 

এ-ই শীতে যেতে পারেন সিলেটের জাফলং।জাফলং গেলে   জল ও পাহাড়ের অপূর্ব মিলন অবশ্যই ভালো লাগবে।শীতে জাফলং ভ্রমণে ভিন্ন এক আনন্দ রয়েছে।ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বহে চলা সারি নদী আর জাফলংয়ের প্রকৃতি যেকোন ভ্রমণপিপাসুকে আনন্দ দেবে।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল

শীতে ভ্রমণের জন্য সেরা এক স্থান হতে পারে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল।এখানে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা, চারদিকে সারি সারি চাবাগান আর অপরূপ প্রকৃতি  যে কারো প্রাণ জুড়াবে।

মাধবকুণ্ড 

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় অবস্থিত মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত এই শীতে ভ্রমণের জন্য হতে পারে  চমৎকার এক স্থান।মাধবকুণ্ড বাংলাদেশের বৃহওম জলপ্রপাত।



লিখেছেন ঃপ্রভাকর চৌধুরী 

                                               

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ লেখাটি শুরুর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ওয়ানডে  সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার জন্য টাইগার ওয়ানডে দলকে অভিনন্দন  জানাচ্ছি। এবং স্বীকার করছি ওয়ানডেতে বাংলাদেশ অসাধারণ ক্রিকেট উপহার দিয়েছে।তবে এই লেখাটি শুধুই চট্টগ্রাম টেস্ট নিয়ে। চট্টগ্রাম টেস্টে পঞ্চম দিন ছাড়া বাকিটুকু বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে ছিল।কিন্তু শেষদিনের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ এই টেস্ট হেরে গেল।সাকিব ইনজুরিতে পড়ায় উইন্ডিজ টিম পুরোপুরি সুযোগ নিয়েছে। মায়ার্সকে লাইফ দিয়ে বাংলাদেশ ভালো খেসারত দিয়েছে। আসুন চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের পরাজয়ের কারণগুলো দেখে নিই।

টাইগার ব্যাটসম্যানদের তবু ধন্যবাদ

চট্টগ্রাম টেস্টে করোনার দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা প্রত্যাশার চেয়ে ভালো খেলেছে এটুকু স্বীকার করতে হচ্ছে। এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করোনা পরবর্তী এ-ই টেস্টে টাইগারদের ব্যাটিং আশাব্যঞ্জক ছিল। তবে প্রায় চারশ রানের টার্গেট চেজ করে চতুর্থ ইনিংসে  উইন্ডিজকে জয়ের পথে নিয়ে যান তরুণ ব্যাটসম্যান মায়ার্স।অবশ্য মায়ার্সকে বাংলাদেশের ফিল্ডাররা লাইফ দিয়েছেন যা খুব দৃষ্টিকটু ছিল।অধিনায়ক মুমিনুল হক দারুণ ব্যাটিং করেছেন।মিরাজ ভালো ব্যাট করতে পারেন একথা চট্টগ্রাম টেস্টে বুঝা গেল তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি দেখে।এবং দলের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনের সময় মিরাজ এমন একটি ইনিংস খেলেছেন সেজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মোটকথা চট্টগ্রাম টেস্টে টাইগারদের ব্যাটিং নিয়ে কোন অনুশোচনার সুযোগ  নেই।

টেস্টস্কোয়াড নিয়ে জিজ্ঞাসা আছে

চট্টগ্রাম টেস্টে টাইগার শিবিরে আসলে কিছু দুর্ভাগ্য ভর করেছিল।হঠাৎ সাকিব ইনজুরিতে পড়ায় বাকি বোলারদের উপর বাড়তি চাপ ছিল।আর এখানে একটি কোয়েশ্চন থেকে যায় স্কোয়াড নিয়ে। এক পেসার নিয়ে বাংলাদেশ কি সঠিক  কাজটি করেছে?  নাকি বাংলাদেশ উইন্ডিজ টিমকে কিছুটা হালকা ভাবে নিয়েছিল?বাংলাদেশ নাইম বা তাইজুলের পরিবর্তে তাসকিন,রাহি বা ইবাদতের একজনকে নিলে বরং ভালো করতো।যদিও সিলেক্টররা সেটি করেননি।তাছাড়া শান্তর পরিবর্তে সৌম্য সরকার বা মাহমুদুল্লাহ দলে থাকলে একজন বাড়তি বোলার পাওয়া যেত।তাইজুল বা নাইম একজনকে বিশ্রামে রাখা যেত।টেস্টে একজন পেসার নিয়ে মাঠে নামা কোন অর্থেই যুক্তিযুক্ত ছিল না এবং চট্টগ্রাম টেস্টের পঞ্চম দিন অধিনায়ক মুমিনুল নিশ্চয় এটি বুঝতে পেরেছেন। টেস্টে সেট ব্যাটসম্যানের উপর পেসবোলিংয় দিয়ে চাপ প্রয়োগের কৌশলটি সম্ভবত সিলেকটরদের ভাবনায়ও ছিল না।

মাহমুদুল্লাহর বিকল্প ছিল না

বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।তাছাড়া তাঁর স্পিন দেশের উইকেটে খুব কার্যকর।তবে ব্যাট হাতে বাজে ফর্মের জন্য্ মাহমুদুল্লাহকে টেস্ট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।কিন্তু আমাদের কোয়েশ্চন হচ্ছে  চট্টগ্রাম টেস্টে মাহমুদুল্লাহর বিকল্প কে ছিলেন।শান্তর পরিবর্তে সৌম্যকে টেস্টে রাখলে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম টেস্টে অন্যরকম কিছুও হয়তো করে ফেলতো।এসবের সাথে বড় জিজ্ঞাসা হলো টেস্টে  স্পিননির্ভর দল করলে ব্যাটিংয়ে বাড়তি নজর দেয়ার কথা আমরা ভুলে গেলাম কেন।তবে এ যুক্তি খন্ডন করা যায় যেহেতু চট্টগ্রাম টেস্টে সিনিয়র  ব্যাটসম্যানরা ভালো করেছেন।কিন্তু বোলিংয়ে চোখ দিলে খটকা লাগে কারণ সাকিবের অবর্তমানে তাইজুলের সাথে রিয়াদের স্পিন বা সৌম্যের মি্ডিয়াম পেস  হলে হয়তো ম্যাচের ফল অন্যরকমও হতে পারতো।

ক্যাস মিস মানে ম্যাচ মিস

 যেকোন পর্যায়ের ক্রিকেটে ক্যাচ মিস বা টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানকে লাইফ দেয়া মানে ম্যাচে নিজেকে ব্যাকফুটে ফেলে দেয়া।আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো পেশাদার ক্রিকেটটিমের কোন টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানকে লাইফ দিলে ম্যাচ হাতছাড়া হবেই। চট্টগ্রাম টেস্টে  মায়ার্সকে আউটের সুযোগ মিস করেই বাংলাদেশ আসলে ম্যাচে হেরে গেছে।অবশ্য করোনার দীর্ঘ বিরতির ছাপ এমনকিছু বিপওি ঘটাতে পারে তবে ভবিষ্যতে এমনটা কাম্য নয়।টেস্ট ক্রিকেটে ফিল্ডিংয়ের ছোট ভুল ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।কারণ এখানে আপনি ব্যাটসম্যানকে সহজে আউট করার সুযোগ পাবেন না।এখানে হাফ চান্সকে ফুল চান্সে পরিণত করলে তবেই সাফল্য আসবে।মায়ার্স বয়সে তরুণ কিন্তু ব্যাট হাতে নিজের জাত ঠিকই চেনালেন।আর মায়ার্সের কাজকে সহজ করে দিয়েছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো দেশের পরিচিত মাঠে ফিল্ডিংয়ে ভুল অবশ্যই দৃষ্টিকটু।

চার স্পিনার নিয়ে কথা

চট্টগ্রাম টেস্টে আমরা দেখলাম বাংলাদেশ চার স্পিনার নিয়ে নেমেছে।সাকিব,মিরাজ,তাইজুল এবং  নাইম।পেসার শুধু মোস্তাফিজ। সাকিব অলটাইম চয়েজ হিসেবে ছিলেন তবে ইনজুরির কারণে প্রয়োজনের সময় মাঠে নামতে পারেননি।।তাইজুল অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত পারফরমার হিসেবে ছিলেন।মিরাজ অলরাউন্ডার হিসেবে দলে ছিলেন এবং ব্যাট হাতে কার্যকর একটি সেঞ্চুরি করেছেন।নাইমকে স্পেশালিষ্ট স্পিনার হিসেবে নেয়া হয়েছিল।নাইম কোন কোন ওভারে ভালো টার্ন পেয়েছেন।তবে প্রয়োজনের সময় কাজের কাজ অর্থাৎ উইকেট ফেলতে ব্যর্থ হন।এখানে নাইম বা তাইজুলের একজনকে বিশ্রাম দিয়ে একজন পেসার খেলানো উচিত ছিল। 

ব্যাটসম্যান মুমিনুলকে ধন্যবাদ


অধিনায়কত্বের পাশাপাশি বাংলাদেশের  সেরা টেস্টব্যাটসম্যান মুমিনুল হোক চট্টগ্রাম টেস্টে সেঞ্চুরির(ক্যাপটেনস নক) মাধ্যমে দলকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যান।এজন্য মুমিনুলকে ধন্যবাদ দিতেই হচ্ছে। মুমিনুল চট্টগ্রামে সেঞুরির মধ্যদিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের দশম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন।বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে  সর্বাধিক সেঞ্চুরির মালিক এখন মুমিনুল হক।তামিম ইকবাল টেস্টে ৯টি সেঞ্চুরি করেছেন।বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে টেস্টে সর্বাধিক রান মুশফিকুর রহিমের (৭টি শতকসহ ৪৪৬৯ রান)।

চট্টগ্রামে যেকারণে হেরে গেলো বাংলাদেশ 

চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের টিম সিলেকশন ভুল ছিল।এক পেসারনির্ভর টেস্ট স্কোয়াড দেয়া মোটেও সঠিক ছিল না।টেস্ট দলে মাহমুদুল্লাহকে রাখা উচিত ছিল।তাহলে একজন বাড়তি স্পিনার নেয়ার প্রয়োজন পড়তো না এবং আরো একজন পেসার অনায়াসে স্কোয়াডে রাখা যেত।এমনকি সৌম্য বা সাইফুদ্দিনকে রাখলেও কাজ হতো।শান্তর পরিবর্তে এদের একজনকে টেস্টে সুযোগ দিলে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি একজন বাড়তি বোলারকে পাওয়া যেত।তখন মোস্তাফিজের সাথে আরো একজন পেসার খেলানো যেত।টেস্টক্রিকেট অনেকটাই  ধৈর্য ও কৌশলের খেলা এবং পেসাররা এই কৌশলের মধ্যে অনেকটা ঝোড়ো হাওয়ার মতো কাজ করেন। একজন চৌকস পেসার  টেস্ট ম্যাচের গতিপথ মুহূর্তে পাল্টে দিতে পারেন।এজন্য টেস্টে একাধিক পেসার নেয়ার রীতি চালু রয়েছে।চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ সেই নিয়মের ব্যতিক্রম করেছে।চট্টগ্রাম টেস্টে কাইল মায়ার্স যখন  সেট হয়ে গেলেন এবং লাইফ পেলেন তখন মুমিনুলের হাতে আরেকজন পেসার থাকলে ম্যাচ অন্যদিকে মোড় নিতে পারতো।একাধিক পেসার থাকলে পঞ্চম দিন  টির আগে বাংলাদেশ দ্রুত আরো কিছু উইকেট ফেলতে পারতো কিংবা উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানদের উপর আরো বেশি চাপ তৈরি করতে সক্ষম হতো।মোস্তাফিজের সাথে তাসকিন,রাহি বা ইবাদতের একজন দলে থাকলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানের গতিও থামানো যেত।চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের বোলাররা ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানের গতি থামাতে ব্যর্থ হয়এবং এটি এ টেস্টে টাইগারদের পরাজয়ের অন্যতম কারণ।অথচ চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশ  দারুণ একটি টার্গেট দিয়েছিল।এবং চট্টগ্রাম টেস্টে চতুর্থ দিন শেষেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে ছিল।মূলত পঞমদিন ম্যাচ ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাতে চলে যায়।

লিখেছেনঃপ্রভাকর চৌধুরী