WHAT'S NEW?
Loading...

                                                             



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি তাদের বিবেচনায় ২০২১ সালের বর্ষসেরা ক্রিকেটার (নারী, পুরুষ), আম্পায়ারের তালিকা প্রকাশ করেছে। আসুন ২০২১ সালের ক্রিকেটের বর্ষসেরাদের তালিকা দেখে নিই।


বর্ষসেরা ক্রিকেটার (পুরুষ) 


পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা পুরুষ ক্রিকেটার মনোনিত হয়েছেন ।


বর্ষসেরা ক্রিকেটার (নারী) 


ভারতের স্মৃতি মান্ধানা আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা নারী ক্রিকেটার মনোনিত হয়েছেন ।


বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার (পুরুষ) 


আইসিসির বর্ষসেরা (২০২১)  টেস্ট ক্রিকেটার (পুরুষ) মনোনিত হয়েছেন ইংল্যান্ডের জে রুট। উল্লেখ্য আইসিসির বর্ষসেরা(২০২১) নারী ক্রিকেটার হিসেবে কাউকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি।



বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার (পুরুষ) 


আইসিসির (২০২১) বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার মনোনিত হয়েছেন পাকিস্তানের বাবর আজম।


বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার (নারী) 


আইসিসির (২০২১) সালের বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার (নারী) মনোনিত হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার লিজলি লি ।



বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটার (পুরুষ) 


পাকিস্তানের মোহাম্মদ রিজওয়ান আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা পুরুষ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটার মনোনিত হয়েছেন ।



বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটার ( নারী)



আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা নারী টিটুয়েন্টি ক্রিকেটার মনোনিত হয়েছেন ইংল্যান্ডের জাম্মি বিউমন্ট ।



বর্ষসেরা আম্পায়ার  


আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা আম্পায়ার মনোনিত হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মারায়াস এরাসমাস । উল্লেখ্য মারায়াস এরাসমাস ইতিপূর্বে আরও দুবার আইসিসির বর্ষসেরা আম্পায়ারের স্বীকৃতি পেয়েছেন। 


বর্ষসেরা উদীয়মান ক্রিকেটার (পুরুষ)



দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার জানেমান মালান আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা উদীয়মান ক্রিকেটার( পুরুষ )মনোনিত হয়েছেন ।



বর্ষসেরা উদীয়মান ক্রিকেটার (নারী)


আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা উদীয়মান ক্রিকেটার (নারী) মনোনিত হয়েছেন পাকিস্তানের ফাতিমা সানা ।


                                                             

                                 ছবি : শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্পোটর্সের মধ্যে  ক্রিকেটে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে । এছাড়া বাংলাদেশের আশপাশের দেশগুলোতেও ক্রিকেটের (ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা) জনপ্রিয়তা ব্যাপক।আর এরফলে বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে বেশকিছু আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড (স্টেডিয়াম)। এখানে বাংলাদেশের শীর্ষ  ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর  পরিচিতি তুলে ধরছি(তথ্যসূএ : উইকিপিডিয়া)।


শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ঢাকা


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় (দর্শক ধারণক্ষমতা বিবেচনায়)  ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড হচ্ছে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম,ঢাকা।এটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত। শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দর্শক ধারণক্ষমতা ২৬ হাজার।অর্থাৎ শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একসাথে ২৬,০০০ দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।



খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম,ফতুল্লা 



বাংলাদেশে দর্শক ধারণক্ষমতা বিবেচনায় দ্বিতীয় শীর্ষ ক্রিকেটগ্ৰাউন্ড হচ্ছে ফতুল্লার  খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম। খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে একসাথে ২৫,০০০ দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে। যদিও ফতুল্লায় নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয় না তবু এটি দর্শক ধারণক্ষমতা বিবেচনায় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড।


জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম 



বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে চট্রগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম অন্যতম।এই মাঠে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়ে থাকে। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ২২হাজার। অর্থাৎ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে একসাথে ২২,০০০ দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।


সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সিলেট 



বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড সিলেটের ' সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম'। বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম একটি।এই মাঠের দর্শক ধারণক্ষমতা ১৮,৫০০। অর্থাৎ এই মাঠে একসাথে ১৮,৫০০ দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।



শেখ কামাল স্টেডিয়াম , গোপালগঞ্জ 



বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রিকেটগ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে শেখ কামাল স্টেডিয়াম, গোপালগঞ্জ।যদিও এই মাঠে এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়নি তবে দর্শক ধারণক্ষমতা বিবেচনায় এটি বাংলাদেশের পঞ্চম বৃহৎ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড।এই মাঠের দর্শক ধারণক্ষমতা ১৮,০০০। অর্থাৎ এই মাঠে একসাথে ১৮ হাজার দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।


শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা 



বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম অন্যতম।এই মাঠের দর্শক ধারণক্ষমতা ১৫,০০০। এখানে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়ে থাকে। অর্থাৎ শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে একসাথে ১৫ হাজার দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।



                                                              



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া ডাচ বাংলা  ব্যাংকের নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ডাচ বাংলা  ব্যাংকের সাম্প্রতিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত তথ্য দেখে নিন।


পদ : সিনিয়র নকশাবিদ, কম্পিউটার অপারেটর, পরিসংখ্যান সহকারী, জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকারী,ডেটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটরসহ মোট ২১টি পদ।


পদসংখ্যা : ৭১৪ 


যোগ্যতা : পদভেদে জেএসসি পাস থেকে স্মাতক ডিগ্ৰি ।


বয়স : বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।


বেতনস্কেল : পদভেদে ৮,২৫০ - ২০,২১০ টাকা থেকে ১১,৩০০ - ২৭,৩০০ টাকা ।



আবেদন প্রক্রিয়া :  অনলাইন (ভিজিট http://bbs.teletalk.com.bd) ।


আবেদন ফি : পদভেদে  আবেদন ফি ৫৬ টাকা ও ১১২ টাকা  ।


আবেদনের শেষ তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি,২০২২ বিকাল ৫টা ।


সূত্র : প্রথম আলো অনলাইন



ডাচ বাংলা ব্যাংকে নিয়োগ 


দেশের  শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংক 'ডাচ বাংলা ব্যাংক' এ ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।


পদ : ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার 


পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট 


যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর জিপিএসহ যেকোন বিষয়ে স্মাতকোওর ডিগ্ৰি। 


বয়স : সর্বোচ্চ ৩০ বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেএে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর ।


বেতন : ৫০,০০০ টাকা 



আবেদন প্রক্রিয়া :  অনলাইন ( ভিজিট http:app.dutchbanglabank.com/online_job)


আবেদনের শেষ তারিখ : ১৬/০২/২০২২ 



সূত্র : বিডিজবস ডটকম 





                                                              


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ চলছে যুব বিশ্বকাপের (অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ) এবারের আসর। এবারের যুব বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।যুব বিশ্বকাপকে বলা হয় ক্রিকেটের তরুণ প্লেয়ারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আসর। বর্তমান সময়ের বহু তারকা ক্রিকেটার একসময় যুব (অনুর্ধ্ব ১৯ ) বিশ্বকাপে দারুণ সফলতা দেখিয়েছেন এক্ষেএে ইংল্যান্ডের এউইন মরগান, ভারতের শিকর ধাওয়ান, বাংলাদেশের লিটন দাস, অষ্ট্রেলিয়ার জশ হার্জেলউড, নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদির কথা বলা যায়। । তাই ক্রিকেটামোদীদের  কাছে যুব বিশ্বকাপের আলাদা আবেদন রয়েছে। আসুন  যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে শীর্ষ পাঁচ দলীয় টোটালের রেকর্ড দেখে নিই।



যুববিশ্বকাপের শীর্ষ পাঁচ দলীয় টোটাল


যুব বিশ্বকাপকে বলা হয় ক্রিকেটখেলুড়ে দেশগুলোর  তরুণ প্লেয়ারদের জন্য সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক আসর। বর্তমান সময়ের বহু তারকা ক্রিকেটার একসময় যুব বিশ্বকাপে সফলতা দেখিয়েছেন।যুববিশ্বকাপের ইতিহাসে শীর্ষ পাঁচ দলীয় টোটালের রেকর্ড এখানে তুলে ধরছি।


অষ্ট্রেলিয়া ৪৮০/৬ 


যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে এযাবতকালের সবচেয়ে বড় দলীয় টোটাল করে অষ্ট্রেলিয়া ।২০০২ সালের যুব বিশ্বকাপে অষ্ট্রেলিয়ার অনুর্ধ্ব ১৯ টিম  কেনিয়ার অনুর্ধ্ব ১৯ টিমের বিপক্ষে ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৮০ রান করতে সক্ষম হয়।এটিই যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় টোটাল।


নিউজিল্যান্ড ৪৩৬/৪ 


যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে শীর্ষ পাঁচ দলীয় টোটালের মধ্যে  নিউজিল্যান্ডের ৪ উইকেটে ৪৩৬ রানের একটি টোটাল অন্যতম (২০১৮ অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে)।সেই ম্যাচে কিউইদের প্রতিপক্ষ ছিল কেনিয়া ।


ভারত ৪২৫/৩ 


যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে শীর্ষ পাঁচ দলীয় টোটালের অন্যতম একটি রেকর্ড হচ্ছে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের ৩ উইকেটে ৪২৫ রান (২০০৪ সালের অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে)।


শ্রীলঙ্কা ৪১৯/৪ 


যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে শীর্ষ পাঁচ দলীয় টোটালের অন্যতম এক রেকর্ড শ্রীলঙ্কার নামের পাশে রয়েছে। ২০১৮ সালের যুব বিশ্বকাপে কেনিয়ার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার অনুর্ধ্ব ১৯ টিম নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪১৯ রান সংগ্রহ করে।


ভারত ৪০৫/৫ 


চলমান ২০২২ সালের যুব বিশ্বকাপে (২২ জানুয়ারি) উগান্ডার বিপক্ষে ভারতের অনুর্ধ্ব ১৯ টিম নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৪০৫ রান সংগ্রহ করে এবং এটি যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে শীর্ষ পাঁচ দলীয় টোটালের একটি।


                                                             



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এবারের অ্যাশেজ সিরিজ অবশেষে বেশ ভালোভাবেই সম্পন্ন হলো। যদিও এবারের পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজে ইংল্যান্ড অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে  ৪-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়। এছাড়া প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বে অষ্ট্রেলিয়া দারুণ এক অ্যাশেজ সিরিজ উপহার দিতে সক্ষম হয়। আসুন এবারের অ্যাশেজ সিরিজের সেরা পাঁচ পারফরমারের (ব্যাটার ও বোলার) পরিসংখ্যান দেখে নিই।


২০২১-২২ অ্যাশেজের সেরা পাঁচ ব্যাটার 


২০২১-২২ অ্যাশেজ সিরিজে সবচেয়ে বেশি রান করেন অষ্ট্রেলিয়ার ট্রেভিস হেড (৩৫৭ রান) ।২০২১-২২ অ্যাশেজ সিরিজের সেরা পাঁচ ব্যাটারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


১. ট্রেভিস হেড (অষ্ট্রেলিয়া) - ৪ ম্যাচে ৩৫৭ রান ।

২. মার্নাস লাবুসেন (অষ্ট্রেলিয়া) - ৫ ম্যাচে ৩৩৫ রান ।

৩.জে রুট (ইংল্যান্ড) - ৫ ম্যাচে ৩২২ রান ।

৪.ডেভিড ওয়ার্নার ( ইংল্যান্ড) - ৫ ম্যাচে ২৭৩ রান।

৫. উসমান খাজা (অষ্ট্রেলিয়া) - ২ ম্যাচে ২৫৫ রান।



২০২১-২২ অ্যাশেজের সেরা পাঁচ বোলার 


এবারের অ্যাশেজ সিরিজে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন অষ্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স (২১ উইকেট)। এবারের ২০২১-২২ অ্যাশেজের সেরা পাঁচ বোলারের পরিসংখ্যান দেখে নিন।


১.প্যাট কামিন্স (অষ্ট্রেলিয়া) - ৪ ম্যাচে ২১ উইকেট ।

২.মিশেল স্ট্রার্ক (অষ্ট্রেলিয়া) - ৫ ম্যাচে ১৯ উইকেট ।

৩.স্কট বোলান্ড (অষ্ট্রেলিয়া) - ৩ ম্যাচে ১৮ উইকেট।

৪.মার্ক উড ( ইংল্যান্ড) - ৪ ম্যাচে ১৭ উইকেট ।

৫.নাথান লায়ন  (অষ্ট্রেলিয়া) - ৫ ম্যাচে ১৬ উইকেট।



                                                             





প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি  প্রতিবছরের ন্যায়  আইসিসি তাদের বিবেচনায় বর্ষসেরা (২০২১)  টেস্ট দল ঘোষণা করেছে। ক্রিকেটের বেসিক ভার্সনের  (টেস্ট) বর্ষসেরা (২০২১) একাদশে কারা থাকছেন সেটি নিয়ে যথারীতি ক্রিকেটজগতে মাতামাতি ছিল। শেষমেশ আইসিসি তাদের বিবেচনায় বর্ষসেরা টেস্ট দল ঘোষণা করে। উল্লেখ্য আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন।তবে আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে বাংলাদেশের কোন প্লেয়ার জায়গা পাননি। এছাড়া আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট একাদশে ভারত ও পাকিস্তান থেকে তিনজন করে ক্রিকেটার এবং নিউজিল্যান্ডের দুজন ক্রিকেটারের নাম রয়েছে। সেইসাথে আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টেস্ট দলে শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার একজন করে ক্রিকেটার রয়েছেন।


কোন দেশের কোন প্লেয়ার জায়গা পেয়েছেন 


আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টেস্ট দলে কোন দেশের কোন প্লেয়ার জায়গা পেলেন সেই তালিকা এখানে তুলে ধরছি।

ভারত : রোহিত শর্মা,রিসভ পন্ত, রবিচন্দন অশ্বিন


পাকিস্তান : ফাওয়াদ আলম, হাসান আলী, শাহিন শাহ আফ্রিদি 


নিউজিল্যান্ড : কেন উইলিয়ামসন,কাইল জেমিসন 


শ্রীলঙ্কা : দিমুথ করুণারত্নে 


ইংল্যান্ড : জে রুট 


অষ্ট্রেলিয়া : মার্নাস লাবুসেন 



আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দল মূল্যায়ন 


আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টেস্ট দলে ওপেনার হিসেবে রয়েছেন শ্রীলঙ্কার দিমুথ করুণারত্নে ও ভারতের রোহিত শর্মা। এছাড়া টপঅর্ডারে রয়েছেন অষ্ট্রেলিয়ার মার্নাস লাবুসেন ,ইংল্যান্ডের জে রুট ।মিডলঅর্ডারে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন, পাকিস্তানের ফাওয়াদ আলম ও ভারতের রিসভ পন্ত। আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে উইকেটরক্ষক হিসেবে রয়েছেন ভারতের রিসভ পন্ত।স্পেশালিষ্ট স্পিনার হিসেবে রয়েছেন ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিন । আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে স্পেশালিষ্ট পেসার রয়েছেন তিনজন (নিউজিল্যান্ডের কাইল জেমিসন, পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি ও  হাসান আলী)।


আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দল 


কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক),জে রুট, রোহিত শর্মা, রিসভ পন্ত, ফাওয়াদ আলম,মার্নাস লাবুসেন,দিমুথ করুণারত্নে,রবিচন্দন অশ্বিন,কাইল জেমিসন, শাহিন শাহ আফ্রিদি,হাসান আলী।


                                                            


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আইসিসি এবারও যথারীতি ২০২১ সালের বর্ষসেরা ওয়ানডে দল ঘোষণা করল। আইসিসির এবারের বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে বাংলাদেশের তিনজন প্লেয়ারের নাম রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে স্থান পেয়েছেন সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মোস্তাফিজুর রহমান। আসুন আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা ওয়ানডে দল দেখে নিই।


কোন দেশের কোন প্লেয়ার রয়েছেন 


আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে কোন কোন দেশের প্লেয়ার জায়গা পেলেন সেই তালিকা এখানে তুলে ধরছি।

বাংলাদেশ : সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মোস্তাফিজুর রহমান 


শ্রীলঙ্কা : ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা,দুশমন্ত চামিরা 


পাকিস্তান : বাবর আজম,ফখর জামান 


দক্ষিণ আফ্রিকা : জানেমান মালান,রসি ভ্যান ডার ডুসেন 


আয়ারল্যান্ড : পল স্টারলিং,সিমি সিং 



আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দল মূল্যায়ন 


আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে ওপেনার হিসেবে রয়েছেন আয়ারল্যান্ডের পল স্টারলিং ও দক্ষিণ আফ্রিকার জানেমান মালান। টপঅর্ডারে রয়েছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান, পাকিস্তানের বাবর আজম, দক্ষিণ আফ্রিকার রসি ভ্যান ডার ডুসেন । এছাড়া মিডলঅর্ডারে রয়েছেন বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম, পাকিস্তানের ফখর জামান, শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে মূল স্পিনার হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান ও শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে পেসার হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমান ও শ্রীলঙ্কার দুশমন্ত চামিরা।২০২১ সালের আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে রাখা হয়েছে বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিমকে। এছাড়া আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে পাকিস্তানের বাবর আজমের নাম রয়েছে।


যেসব দেশের কোন প্লেয়ার জায়গা পাননি 


শীর্ষ ক্রিকেটখেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে ভারত, নিউজিল্যান্ড,অষ্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোন ক্রিকেটারকে আইসিসির বর্ষসেরা (২০২১) ওয়ানডে দলে রাখা হয়নি।



আইসিসির বর্ষসেরা (২০২১)  ওয়ানডে দল 


পল স্টারলিং, জানেমান মালান,বাবর আজম (অধিনায়ক),ফখর জামান,রসি ভ্যান ডার ডুসেন, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মোস্তাফিজুর রহমান,ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা,সিমি সিং,দুশমন্ত চামিরা।




                                                            



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ চলছে শীতকাল । এই সময়ে  কুয়াশা আর শৈত্যপ্রবাহের কারণে শরীরের উপর বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। শীতকালে অনেক সময় অসতর্কতায় শরীরে বিভিন্ন মৌসুমী রোগব্যাধিও বাসা বাঁধতে পারে।তাই শীতে শরীরকে সতেজ ও সক্রিয় রাখতে  কিছু বিষয় জেনে নেয়া জরুরি। আসুন শীতে শরীরকে সতেজ রাখতে কি করবেন তার একটি ফর্মুলা জেনে নিই (তথ্যসূত্র: প্রিয় ডটকম)।


প্রচুর পানি পান করুন 


শুধু গরমকালে নয় শীতের সময়েও নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। বিশেষজ্ঞরা বলেন শীতে শরীরকে রোগমুক্ত ও সতেজ রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। তাছাড়া বিশেষজ্ঞরা বলেন শীতকালে শরীরে পানির ঘাটতি হলে বিভিন্ন মৌসুমী রোগব্যাধি শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।তাই শীতের এই সময়ে নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা জরুরি।


ব্যয়াম করুন 


শীতে বিশেষত বয়স্কদের শরীরের বিভিন্ন পুরনো রোগ যেমন বাতের ব্যথা,হাড়ের রোগ ইত্যাদি বেড়ে যায়।আর শীতে এসব সমস্যা ও শরীরের জড়তা কাটাতে ব্যয়াম এক চমৎকার রিমেডি হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন ব্যয়াম সারাবছরই করা উচিত এবং শীতে শরীরকে সতেজ ও সক্রিয় রাখার জন্য ব্যয়াম বেশি জরুরি। এক্ষেত্রে শীতে নিয়মিত কিছু সময় খেলাধুলা করতে পারেন বা দৌড়াতে পারেন।



বিছানা ছাড়ুন ধীরে 


গরমকালের চেয়ে শীতকালে রাত কিছুটা দীর্ঘ হয়।আর এরফলে শীতকালে বিছানা ছাড়তে কিছুটা বিলম্ব হয় এবং  দীর্ঘ সময় শুয়ে থাকার কারণে শরীরের মাংসপেশীর কর্মক্ষমতা মন্থর হয়ে যায়।আর তাই শীতে বিছানা ছাড়ার সময় শরীরকে ধীরে ধীরে নেড়ে শরীরের মাংসপেশীকে সক্রিয় করে তারপর বিছানা ছাড়ুন। শীতে ঘুম ভাঙ্গার পর ধরমড়িয়ে  বিছানা ছাড়া উচিত নয় কারণ এরফলে মাংসপেশীতে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে যা শরীরে অস্বস্থি তৈরি করতে পারে।তাই বিশেষজ্ঞরা বলেন শীতের সময় ধীরে ধীরে শরীরকে সক্রিয় করে তারপর বিছানা ছাড়ুন।


নিয়মিত ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খান 


শীতকালে শরীরে বিভিন্ন মৌসুমী রোগব্যাধি বাসা বাঁধতে পারে আর এসব থেকে মুক্তি পেতে এই সময়ে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে হবে। শীতকালে ভিটামিন সি যুক্ত বিভিন্ন শাকসবজি ও ফলমূল পাওয়া যায় যা নিয়মিত খেতে হবে। শীতকালে ঠান্ডাজনিত রোগব্যাধি সারাতে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খুবই উপকারী। ভিটামিন সি ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন সমস্যা সারাতে সহায়তা করে।


পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে 


শীতকালে শরীরকে সতেজ ও সবল রাখতে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। এক্ষেত্রে শীতকালে নিয়মিত সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খেতে পারেন। শীতে বাজারে বিভিন্ন ধরণের শাকসবজি ও ফলমূল সহজলভ্য হয় । যেমন কমলালেবু,টমেটো,গাজর ইত্যাদি এই সময়ে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। শীতে শরীরকে সতেজ ও সক্রিয় রাখতে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার যেমন মৌসুমী ফল ও শাকসবজি খেতে হবে।


স্ট্রেসকে দূরে রাখুন 


বিশেষজ্ঞরা বলেন শীতকালে শরীরের জন্য ক্ষতিকর একটি সমস্যা হচ্ছে স্ট্রেস । অতিরিক্ত স্ট্রেস থেকে শরীরের সতেজতা কমে যেতে পারে।তাই শীতে শরীরকে সতেজ ও রোগমুক্ত রাখতে হলে স্ট্রেসকে দূরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলেন শীতে সুস্থ থাকতে হলে সবধরণের স্ট্রেস বা চাপকে এড়িয়ে চলতে হবে।কারণ স্ট্রেস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় ফলে সহজেই শরীরে জ্বর প্রভৃতি রোগ হানা দেয়।


পরিমিত ঘুম জরুরি 


শীতে সতেজ থাকতে চাই পরিমিত ঘুম। বিশেষজ্ঞরা বলেন শীতে সুস্থ ও সবল থাকার জন্য পরিমিত ঘুম খুবই জরুরি।কারণ শীতে পরিমিত ঘুম নাহলে হজমে সমস্যা ,আলস্য ইত্যাদি বেড়ে যায়। এছাড়া পরিমিত ঘুম নাহলে শীতে উচ্চরক্তচাপসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।


খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করুন 


করোনা মহামারীর এই সময়ে শীতে সুস্থ থাকতে চাইলে যেকোন কিছু খাওয়ার আগে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।কারণ বিশেষজ্ঞরা বলেন আমাদের শরীরে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া সবচেয়ে বেশি প্রবেশ করে হাতের মাধ্যমে।তাই খাওয়ার আগে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে ভুলবেন না।


শীতে চিনিযুক্ত খাবার কম খান 


বিশেষজ্ঞরা বলেন শীতে শরীরকে সতেজ ও সক্রিয় রাখতে চিনিযুক্ত খাবার কম খেতে হবে।কারণ চিনিযুক্ত খাবার বেশি খেলে এই সময়ে শরীরের ওজন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন জটিল রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যেতে পারে।তাই শীতে ফিট থাকার জন্য যথাসম্ভব চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।


মাস্ক ও যথাযথ শীতপোশাক ব্যবহার করুন 


শীতে করোনা ও বিভিন্ন মৌসুমী রোগব্যাধি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য বাইরে বেরোলে মাস্ক ও যথাযথ শীতপোশাক  ব্যবহার করুন ।এই সময়ে শরীরে ঠান্ডা প্রবেশ করলে মৌসুমী সর্দিকাশির প্রভাবে পুরো শীত মাটি হয়ে যেতে পারে।



                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি আইসিসি তাদের বিবেচনায় ২০২১ সালের বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি দল ঘোষণা করেছে। সুখবর হলো আইসিসির বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি দলে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের নামটি রয়েছে। উল্লেখ্য আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি দলে বৃহৎ তিন টিম ভারত, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোন প্লেয়ারের জায়গা হয়নি। আসুন আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি দল দেখে নিই।


কোন দেশের কোন প্লেয়ার রয়েছেন


আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি দলে কোন কোন দেশের প্লেয়াররা জায়গা পেলেন সেই তালিকা এখানে তুলে ধরছি।


বাংলাদেশ : মোস্তাফিজুর রহমান 


অষ্ট্রেলিয়া : মিশেল মার্শ,জশ হার্জেলউড 


পাকিস্তান : বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাহিন শাহ আফ্রিদি 


শ্রীলঙ্কা : ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা 


দক্ষিণ আফ্রিকা : এইডেন মার্করাম ,তাবরিজ সামসি ,ডেভিড মিলার 


ইংল্যান্ড : জস বাটলার 



আইসিসির (২০২১)  বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি দল মূল্যায়ন


আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি দলে অধিনায়ক হিসেবে পাকিস্তানের বাবর আজমের নাম রয়েছে। এছাড়া উইকেটরক্ষক হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি দলে ওপেনার হিসেবে রয়েছেন পাকিস্তানের বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। এছাড়া মিডলঅর্ডারে রয়েছেন জস বাটলার,এইডেন মার্করাম,মিশেল মার্শ,ডেভিড মিলার। আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি দলে স্পিনার হিসেবে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার তাবরিজ সামসি এবং শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।পেস অ্যাটাকে রয়েছেন তিনজন  বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমান,অষ্ট্রেলিয়ার জশ হার্জেলউড এবং পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি। 


যে দেশগুলোর কেউ জায়গা পাননি 


আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টিটুয়েন্টি দলে বৃহৎ ক্রিকেটখেলুড়ে দেশের মধ্যে ভারত, নিউজিল্যান্ড, ওয়েষ্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তানের কোন প্লেয়ার জায়গা পাননি।


আইসিসির বর্ষসেরা (২০২১) টিটুয়েন্টি দল


বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান,জস বাটলার, এইডেন মার্করাম,মিশেল মার্শ, ডেভিড মিলার,তাবরিজ সামসি,ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মোস্তাফিজুর রহমান,জশ হার্জেলউড, শাহিন শাহ আফ্রিদি।

                                                               
                                                 ছবি: ক্রিস গেইল

                                         

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বিপিএলের অষ্টম আসর শুরু হবে আগামী ২১ জানুয়ারি,২০২২ তারিখে। এবারের বিপিএলেও দেশি-বিদেশি তারকা প্লেয়াররা অংশগ্রহণ করবেন। ইতিমধ্যে ডোয়াইন ব্রাভোর মত বেশকিছু তারকা প্লেয়ার বাংলাদেশে পৌঁছে গেছেন। আজকের স্টোরিটি বিপিএলের শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংস নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখ্য বিপিএলের শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের তালিকায় উইন্ডিজ ব্যাটার ক্রিস গেইলের ইনিংসের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রয়েছে। এছাড়া বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটিও গেইলের।


বিপিএলের শীর্ষ দশ ইনিংস 


বিপিএলের বিগত সাতটি আসরের পরিসংখ্যান বিচার করলে দেখা যায় সেখানে শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে উইন্ডিজ ব্যাটার ক্রিস গেইল ইনিংস। আসুন দেখে নিই বিপিএলের ইতিহাসে শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের পরিসংখ্যান।


ক্রিস গেইলের অপরাজিত ১৪৬ 


ইতিপূর্বে বিপিএলের যতগুলো আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি এসেছে উইন্ডিজ ব্যাটার ক্রিস গেইলের ব্যাট থেকে (অপরাজিত ১৪৬ রান, বিপিএল ২০১৭ )।


তামিম ইকবালের অপরাজিত ১৪১ 


বিপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি এসেছে বাংলাদেশের বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবালের ব্যাট থেকে (অপরাজিত ১৪১ রান, বিপিএল ২০১৯ )।


ক্রিস গেইলের অপরাজিত ১২৬ 


বিপিএলের শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের তালিকায় গেইলের অপরাজিত ১২৬ রানের (বিপিএল ২০১৭ ) একটি ইনিংস রয়েছে।


সাব্বির রহমানের ১২২ 


বিপিএলের শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের মধ্যে সাব্বির রহমানের একটি ইনিংস রয়েছে (১২২ রান, বিপিএল ২০১৬)।


ক্রিস গেইলের ১১৬ 


বিপিএলের গত সাত আসরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের মধ্যে ক্রিস গেইলের ১১৬ রানের (বিপিএল ২০১২) একটি ইনিংস রয়েছে।


নাজমুল হোসেন শান্তর অপরাজিত ১১৫ 


বিপিএলের শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের তালিকায় নাজমুল হোসেন শান্তর ১১৫ রানের(২০২০ বিপিএল)  একটি ইনিংস রয়েছে।


ক্রিস গেইলের ১১৪ 


বিপিএলের শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের তালিকায় ক্রিস গেইলের ১১৪ রানের(বিপিএল ২০১৩)  একটি ইনিংস রয়েছে ।


আহমেদ শেহজাদের অপরাজিত ১১৩ 


বিপিএলের শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের তালিকায় আফগানিস্তানের ব্যাটার আহমেদ শেহজাদের একটি ইনিংস (বিপিএল ২০১২)  রয়েছে (অপরাজিত ১১৩ রান)।


এভিন লুইসের অপরাজিত ১০৯ 


বিপিএলের শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের তালিকায় উইন্ডিজ ব্যাটার এভিন লুইসের একটি ইনিংস (বিপিএল ২০১৯) রয়েছে (অপরাজিত ১০৯ রান)।


জনসন চার্লসের অপরাজিত ১০৫ 


বিপিএলের গত আসরগুলোর শীর্ষ দশ ব্যক্তিগত ইনিংসের তালিকায় উইন্ডিজ ব্যাটার জনসন চার্লসের একটি ইনিংস (বিপিএল ২০১৭) রয়েছে (অপরাজিত ১০৫ রান)।




প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আগামী ২১ জানুয়ারি মাঠে গড়াবে এবারের (২০২২) বিপিএল।এটি হবে বিপিএলের অষ্টম আসর। ইতিমধ্যে ২০২২ বিপিএলের সবগুলো স্কোয়াড চূড়ান্ত হয়ে গেছে। বিপিএলের অষ্টম আসরের সবগুলো খেলা যথাক্রমে  ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য ১৮ ফেব্রুয়ারি,২০২২ তারিখে এবারের বিপিএলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে  । ২০২২ বিপিএলের পূর্ণাঙ্গ ম্যাচ সিডিউল ও অন্যান্য এখানে তুলে ধরছি। 


                                                              


                                         সিডিউল ইমেইজ : বিডিক্রিকটাইম 

                                                            

                 বিপিএলের গত সাত আসরের ফাইনাল পরিসংখ্যান 


বিপিএলের গত সাতটি আসরের ফাইনালের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ পরিসংখ্যান দেখে নিন।


২০২০ বিপিএল ফাইনাল

চ্যাম্পিয়ন - রাজশাহী রয়ালস 

রানার্সআপ - খুলনা টাইগার্স 

ফলাফল - রাজশাহী রয়ালস ২১ রানে জয়ী হয়।


২০১৯ বিপিএল ফাইনাল 

চ্যাম্পিয়ন - কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স 

রানার্সআপ - ঢাকা ডায়নামাইটর্স 

ফলাফল - কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ১৭ রানে জয়ী হয়।


২০১৭ বিপিএল ফাইনাল 

চ্যাম্পিয়ন - রংপুর রাইডার্স 

রানার্সআপ - ঢাকা ডায়নামাইটর্স 

ফলাফল - রংপুর রাইডার্স ৫৭ রানে জয়ী হয়।


২০১৬ বিপিএল ফাইনাল 

চ্যাম্পিয়ন - ঢাকা ডায়নামাইটর্স 

রানার্সআপ - রাজশাহী কিংস 

ফলাফল - ঢাকা ডায়নামাইটর্স ৫৬ রানে জয়ী হয়


২০১৫ বিপিএল ফাইনাল 

চ্যাম্পিয়ন - কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স 

রানার্সআপ - বরিশাল বুলস 

ফলাফল - কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ৩ উইকেটে জয়ী হয়।


২০১৩ বিপিএল ফাইনাল 

চ্যাম্পিয়ন - ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স 

রানার্সআপ - চিটাগাং কিংস 

ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স  ৪৩ রানে জয়ী হয়।


২০১২ বিপিএল ফাইনাল 

চ্যাম্পিয়ন - ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স 

রানার্সআপ - বরিশাল বার্নার্স 

ফলাফল - ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স ৮ উইকেটে জয়ী হয়।



                                                              

                                          ছবি : বিরাট কোহলি

প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বলা হয় ক্রিকেটের সবচেয়ে জটিল একটি দায়িত্ব হচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেটটিমের  অধিনায়কত্ব।ভারতে ক্রিকেট খুবই জনপ্রিয় একটি খেলা এবং সেখানে জাতীয় ক্রিকেটের প্রতি সাপোর্টারদের আবেগ গগণচুম্বী। এসবকিছুর ফলে ভারতীয় টিমের নেতৃত্ব কঠিন একটি কাজ হিসেবে স্বীকৃত।সম্প্রতি ভারতের টেস্ট টিমের নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছেন বিরাট কোহলি। যদিও পরিসংখ্যান বিচারে দেখা যায় তাঁর (কোহলি) টেস্ট নেতৃত্ব খুব একটা খারাপ ছিল না। আসুন ভারতের শীর্ষ টেস্ট অধিনায়কদের রেকর্ডচিএ দেখে নিই।


বিরাট কোহলির টেস্ট নেতৃত্ব 



বিরাট কোহলির নেতৃত্বে ভারত সবচেয়ে বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে। তাঁর নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ৬৮টি টেস্ট খেলে ৪০টিতে জয় পায়  ও ১৭টিতে পরাজিত হয়। এছাড়া কোহলির নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ১১টি টেস্ট ড্র করে।


এম এস ধোনির টেস্ট নেতৃত্ব 



এম এস ধোনির নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ৬০টি টেস্ট খেলেছে যেখানে ২৭ ম্যাচে জয়,১৮টিতে পরাজয় রয়েছে। এছাড়া ধোনির নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ১৫টি টেষ্ট ড্র করে।


সৌরভ গাঙ্গুলীর টেস্ট নেতৃত্ব 



ভারতের শীর্ষ টেস্ট অধিনায়কদের মধ্যে সৌরভ গাঙ্গুলী অন্যতম। গাঙ্গুলীর নেতৃত্বে ভারত ৪৯টি টেস্ট খেলে ২১টিতে জয় পায় ও ১৩টিতে পরাজয় বরণ করে। এছাড়া গাঙ্গুলীর নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ১৫টি টেস্ট ম্যাচ ড্র করে।


মোঃ আজহারউদ্দিনের টেস্ট নেতৃত্ব 



মোঃ আজহারউদ্দিনের নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ৪৭টি টেস্ট খেলে ১৪টিতে জয়লাভ করে  এবং ১৪টিতে পরাজিত হয়। এছাড়া আজহারউদ্দিনের নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ১৯টি টেস্ট ড্র করে।


সুনীল গাভাস্কারের টেস্ট নেতৃত্ব 



সুনীল গাভাস্কারের নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ৪৭টি টেস্ট খেলে ৯টিতে জয়ী হয় এবং ৮টি টেস্ট ম্যাচে পরাজিত হয়। এছাড়া গাভাস্কারের নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ৩০টি টেস্ট ড্র করে। উল্লেখ্য সুনীল গাভাস্কারের নেতৃত্বে ভারতীয় টিম সর্বাধিক সংখ্যক (৩০টি) টেস্ট ম্যাচ ড্র করে।


মনসুর আলি খান পতৌদির টেস্ট নেতৃত্ব 



মনসুর আলি খান পতৌদির নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ৪০টি টেস্ট খেলে। মনসুর আলি খান পতৌদির নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ৯টি টেষ্টে জয় পায় ও ১৯টিতে পরাজয় বরণ করে। এছাড়া মনসুর আলি খান পতৌদির নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ১২টি টেস্ট ড্র করে।


কপিল দেবের টেস্ট নেতৃত্ব 



কপিল দেব ভারতীয় টিমকে ৩৪টি টেষ্টে নেতৃত্ব দেন। তাঁর নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ৪টি টেষ্টে জয়লাভ করে এবং ৭টিতে পরাজিত হয়। এছাড়া কপিল দেবের নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ২২টি টেস্ট ম্যাচ ড্র করে (১টি টেস্ট পরিত্যক্ত হয়)।


রাহুল দ্রাবিড়ের টেস্ট নেতৃত্ব 



রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ২৫টি টেস্ট খেলে ৮টিতে জয়ী হয় এবং ৬টি টেষ্টে পরাজয় বরণ করে। এছাড়া দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ১১টি টেস্ট ম্যাচ ড্র করে।


শচিন টেন্ডুলকারের টেস্ট নেতৃত্ব 



শচিন টেন্ডুলকার ভারতীয় টিমকে ২৫টি টেষ্টে নেতৃত্ব দেন ।তাঁর(শচিন) নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ৪টি টেস্টে জয়লাভ করে এবং ৯টি টেষ্টে পরাজিত হয়। এছাড়া শচিনের নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ১২টি টেস্ট ড্র করে।


বিষেন সিং বেদির টেস্ট নেতৃত্ব 



বিষেন সিং বেদির নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ২২টি টেস্ট খেলে ৬টিতে জয় পায় ,১১ম্যাচে পরাজয় বরণ করে এবং বেদির নেতৃত্বে ভারতীয় টিম ৫টি টেস্ট ড্র করে।




                                                           


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আজ (১৪ জানুয়ারি) শুরু হয়েছে অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মাঠের লড়াই। এবারের অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ১৬টি দেশ অংশগ্রহণ করছে। ২০২২ অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৫ ফেব্রুয়ারি। এবারের অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ওয়েষ্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।২০২২ সালের অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে সেন্ট কিটস,এিনিদাদ,গায়ানা ও এন্টিগায় । উল্লেখ্য বাংলাদেশ এবার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে। আসুন দেখে নিই অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা পাঁচ পারফরমারের (ব্যাটার ও বোলার) পরিসংখ্যান।


অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটার 

আইসিসি অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি করেছেন এউইন মরগান (৬০৬ রান)। অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা পাঁচ ব্যাটারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

১.এউইন মরগান (আয়ারল্যান্ড/ইংল্যান্ড)- ১৩ ম্যাচে ৬০৬ রান 


২.বাবর আজম (পাকিস্তান)   - ১২ ম্যাচে ৫৮৫ রান 


৩.সরফরাজ খান (ভারত)   - ১২ ম্যাচে ৫৬৬ রান 


৪.ফিন অ্যালেন (নিউজিল্যান্ড) - ১২ ম্যাচে ৫৪৮ রান 


৫.কার্লোস ব্রার্থওয়েট (ওয়েষ্ট ইন্ডিজ) - ১২ ম্যাচে ৫৪৮ রান 



অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের শীর্ষ পাঁচ বোলার 


 অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন জিম্বাবুয়ের ওয়েসলি মাধিবেরে (২৮ উইকেট) । আইসিসি অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে সেরা পাঁচ বোলারের পরিসংখ্যান দেখে নিন।


১.ওয়েসলি মাধিবেরে (জিম্বাবুয়ে) - ১৮ ম্যাচে ২৮ উইকেট


২.মোজেস হেনরিক্স (অষ্ট্রেলিয়া) - ১৩ ম্যাচে ২৭ উইকেট


৩.গ্ৰেগ থমসন (আয়ারল্যান্ড) - ১৯ ম্যাচে ২৭ উইকেট 


৪.অভিষেক শর্মা (ভারত) - ১৪ ম্যাচে ২৬ উইকেট 


৫.টিম ব্রেসনান (ইংল্যান্ড) - ১৩ ম্যাচে ২৫ উইকেট 





                                                              


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি সবধরণের ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা অলরাউন্ডার ক্রিস মরিচ। দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দলের পাশাপাশি বিশ্বের সব ফ্রাঞ্চাইজি লিগের নিয়মিত প্লেয়ার ছিলেন এই অলরাউন্ডার।গত আইপিএলে সবচেয়ে  দামি ক্রিকেটার ছিলেন মরিচ।ক্রিস মরিচের ক্যারিয়ারচিএ এখানে তুলে ধরছি।



টেস্ট ক্যারিয়ার 


ক্রিস মরিচ দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৪টি টেস্ট খেলেছেন । টেস্ট ক্রিকেটে ক্রিস মরিচ ৪ ম্যাচে ব্যাট হাতে ১৭৩ রান এবং বল হাতে ১২টি উইকেট শিকার করেন।

ওয়ানডে ক্যারিয়ার 


ক্রিস মরিচ দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৪২টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর সংগ্রহ ৪৬৮রান । এছাড়া এই অলরাউন্ডার ওয়ানডে ক্রিকেটে মোট ৪৮টি উইকেট শিকার করেন।

টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার 


ক্রিস মরিচ দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ২৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ১৩৩ রান করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে মরিচের উইকেটসংখ্যা ৩৪।

ফাষ্টক্লাস ক্যারিয়ার 


ফাষ্টক্লাস ক্রিকেটে ক্রিস মরিচ টাইটানস,সারে, দিল্লি ক্যাপিটালস,হামশায়ার, রাজস্থান রয়্যালস,সিডনি থান্ডার্স প্রভৃতি  টিমের হয়ে খেলেছেন। ক্রিস মরিচ ৬০টি ফাষ্টক্লাস ম্যাচ খেলে ব্যাট হাতে  ২৫৭১ রান এবং বল হাতে  ১৯৬টি উইকেট শিকার করেন।


ক্রিস মরিচের সেরা কিছু পারফরম্যান্স


ক্রিস মরিচের সেরা কিছু পারফরম্যান্সের চিএ এখানে তুলে ধরছি।

১. আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২০১৬ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্রিস মরিচ বল হাতে ২৭ রানে ৪ উইকেট নেন এবং এর ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা সেইম্যাচে সহজে জয়লাভ করে।এটি ক্রিস মরিচের ক্যারিয়ারের সেরা এক ম্যাচ হিসেবে স্বীকৃত।


২.২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এক ওয়ানডে ম্যাচে ক্রিস মরিচ ৩৮ বলে ৬২ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন এবং এর ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেইম্যাচে জয় পায়।এটি ক্রিস মরিচের অন্যতম সেরা এক ম্যাচ হিসেবে পরিচিত।


৩.২০১৭ সালে সেঞ্চুরিয়নে  শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ওয়ানডে ম্যাচে ক্রিস মরিচ ৩১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় নিশ্চিত করেন।এই ম্যাচটি ক্রিস মরিচের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ম্যাচ হিসেবে স্বীকৃত।






                                                               



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি পিএসএল'এর (পাকিস্তান সুপার লিগ) আসন্ন মৌসুমের জন্য প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হয়।ড্রাফটে ৬ টিম তাদের স্কোয়াড বেছে নেয় । উল্লেখ্য প্লেয়ার্স ড্রাফটের আগেই টিমগুলো ৮ জন করে প্লেয়ার রেখে (রিটেইন) দিয়েছিল। এবারের পিএসএল শুরু হবে ২৭ জানুয়ারী,২০২২ এবং সমাপ্ত হবে ২৭ ফেব্রুয়ারী,২০২২।  আসুন প্লেয়ার্স ড্রাফট শেষে পিএসএল'এর আসন্ন ২০২২ আসরের ৬ স্কোয়াড কেমন হলো দেখে নিই।


করাচি কিংস 


বাবর আজম,ইমাদ ওয়াসিম, , রোমারিও শেফার্ড,মোহাম্মদ নবী, মোহাম্মদ আমির,জো ক্লার্ক, শারজিল খান,আমের ইয়ামিন, মোহাম্মদ ইলিয়াস,ক্রিস জর্ডান,লুইস গ্ৰেগোরি,উমাইদ আসিফ,টম অ্যাবেল,রোহাইল নাজির, মোহাম্মদ ইমরান,ফয়সাল আকরাম,কাসিম আকরাম,তালহা আহসান।


ইসলামাবাদ ইউনাইটেড 


আসিফ আলী, হাসান আলী,শাদাব খান,ফাহিম আশরাফ,অ্যালেক্স হেলস,আজম খান,পল স্টারলিং, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র,কলিন মুনরো, মোহাম্মদ আখলাক,ম্যারচেন্ট ডি ল্যাঙ্গ,রিস টপলি,দানিস আজিজ,জাফর গোহার,মুবাসির খান, রহমতউল্লাহ গুরবাজ,মো: জিসান, আতহার মেহমুদ।


মুলতান সুলতান্স 


মোহাম্মদ রিজওয়ান,রাইলি রুশো,শান মাসুদ, ইমরান তাহির, শোয়েব মাকসুদ,খুশদিল শাহ,
শাহনেওয়াজ দহানী,টিম ডেভিড,ওডেন স্মিথ,রুম্মন রইস,আসিফ আফ্রিদি, আনোয়ার আলী, ইমরান খান জুনিয়র,রভম্যান পাওয়েল,আমির আজমত,আব্বাস আফ্রিদি,ইহসান উল্লাহ,ব্লেসিং মুজারাবানি।


পেশোয়ার জালমি 


ওয়াহাব রিহাজ, শোয়েব মালিক,লিয়াম লিভিংস্টোন,শেরফানে রাদারফোর্ড, হায়দার আলী, হুসাইন তালাত, সাকিব মাহমুদ, উসমান কাদির,টম কোহেলার ক্যাডমোর,হজরতউল্লাহ জাজাই, সালমান ইরসাদ,আরশাদ ইকবাল,সামিন গুল, মোহাম্মদ হারিস,সিরাজউদ্দিন,কামরান আকমল, মোহাম্মদ আমির খান,বেন কাটিং।


লাহোর কালান্দার্স 


শাহিন শাহ আফ্রিদি, রশিদ খান,ডেভিড ভিসা, মোহাম্মদ হাফিজ,হারিস রউফ,সোহেল আকতার,জিশান আশরাফ,ফখর জামান, আহমেদ ডেনিয়েল,ফিল সল্ট,হ্যারি ব্রুক, আবদুল্লাহ শফিক,কামরান গোলাম,ডিন ফক্সক্রফট,জামান খান,সামিত প্যাটেল,মাজ খান,সৈয়দ ফারদিউন।


কোয়েট্টা গ্ল্যাডিয়েটর্স 


জেমস ভিন্স,ইফতিখার আহমেদ,সরফরাজ আহমেদ, শহীদ আফ্রিদি, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ হাসনাইন,নাসিম শাহ,জেমস ফকনার,জেসন রয়,উমর আকমল, সোহেল তানভির,খুররম শেহজাদ,বেন ডাকেট, আব্দুল ওয়াহিদ বাঙ্গালজাই,নাভিন উল হক, মোহাম্মদ আশর কোরেশি,নূর আহমেদ, আহসান আলী।