WHAT'S NEW?
Loading...

                                                                   


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারে বেশকিছু নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।


বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষে নিয়োগ

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের কিছু পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : নৌস্থপতি,মাষ্টার পাইলট, নিম্নমান সহকারী,ড্রাইভার ইত্যাদি।

পদসংখ্যা : ২৭

যোগ্যতা : পদভেদে এসএসসি থেকে স্মাতক ডিগ্রি।

বেতন : পদভেদে গ্ৰেড-৬ থেকে গ্ৰেড-২০।

বয়স : নৌস্থপতি ও মাষ্টার পাইলট পদ ছাড়া বাকি সব পদের জন্য ১৮-৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের প্রক্রিয়া : অনলাইন  (www.jobsbjwta.gov.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ :৩১/০৮/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম


সেনাবাহিনীতে নিয়োগ


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অসামরিক বিভিন্ন পদে ৬২৭জনকে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : অটো ইলেকট্রিশিয়ান,কেমিস্ট,ফিটার,বুক বাইন্ডার,ল্যাবরেটরি এন্টেনডেন্ট, নিরাপত্তা প্রহরীসহ শতাধিক ক্যাটাগরি।

পদসংখ্যা :৬২৭

যোগ্যতা : যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন (www.army.mil.bd)

বেতন : পদভেদে গ্ৰেড -১১ থেকে গ্ৰেড-২০ ।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আবেদনের প্রক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন (www.army.mil.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ :৩১/০৮/২০২১

সূত্র : দৈনিকশিক্ষা 


ব্র্যাক ব্যাংকে নিয়োগ


দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে নিম্নোক্ত পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।


পদ : এসোসিয়েট ম্যানেজার,ম্যানেজার, সিনিয়র ম্যানেজার, অফিসার ইত্যাদি বেশকিছু পদ।

পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : যোগ্যতা অভিজ্ঞতা ইত্যাদি জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন।(www.bdjobs.com)

সূত্র : বিডিজবস ডটকম (www.bdjobs.com)


এসিআই এ নিয়োগ

এসিআই এ 'সিনিয়র বিজনেস এনালিষ্ট/বিজনেস এনালিষ্ট 'পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।


পদ : সিনিয়র বিজনেস এনালিষ্ট/ বিজনেস এনালিষ্ট

পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ/এমবিএ (ফিনান্স, একাউন্টিং)।

অভিজ্ঞতা :২ বছরের অভিজ্ঞতা।

চাকরির ধরণ : পূর্ণকালীন

বয়স : ২২-৩২ বছর।

কর্মক্ষেত্র : ঢাকা

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট : www.bdjobs.com)
আবেদনের শেষ তারিখ :০৯/০৮/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম


                                                                  



অবশেষে অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের হোম সিরিজ মাঠে গড়াতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অষ্ট্রেলিয়া টিম ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ দল জিম্বাবুয়েকে টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি সিরিজে পরাজিত করে দেশে ফিরেছে। বাংলাদেশের একাধিক তারকা ক্রিকেটার এই সিরিজে দলের বাইরে রয়েছেন।তবে বাংলাদেশের জন্য সুখবর হলো এই সিরিজে  সাকিব আল হাসান খেলবেন। এছাড়া দলে থাকা মাহমুদুল্লাহ,সৌম্য সরকার,নাইম শেখরা ফর্মে রয়েছেন। অষ্ট্রেলিয়া দলেও একাধিক তারকা ক্রিকেটার এই সিরিজে নেই। তবুও মিশেল স্টার্ক,হার্জেলউড,জাম্পা,ম্যাথু ওয়েড,জস ফিলিপের মত অভিজ্ঞ ও তারকা ক্রিকেটাররা এই সিরিজের অষ্ট্রেলিয়া দলে রয়েছেন। এবং এসবকিছু বিবেচনায় বলা যায় যে বাংলাদেশ ও অষ্ট্রেলিয়ার মধ্যকার একটি চমৎকার টিটুয়েন্টি সিরিজ এবার আমরা দেখতে পাবো।


অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ


আসন্ন টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের এই হোম সিরিজ খুবই গুরুত্ব বহন করছে।সদ্যসমাপ্ত জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশ দল দারুণ ক্রিকেট খেলেছে ফলে এই সিরিজেও টাইগারদের কাছে ভালো কিছুরই প্রত্যাশা থাকবে।এই সিরিজে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জগুলো এখানে তুলে ধরছি।

অসি পেসকে মোকাবেলা করতে হবে

যদিও খেলা হবে বাংলাদেশের ফ্ল্যাট উইকেটে তবু অতীত অভিজ্ঞতা থেকে ধারণা করা যায় যে এই সিরিজে বাংলাদেশের জন্য একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে অসি পেসকে সফলভাবে মোকাবেলা করা। মনে রাখতে হবে অষ্ট্রেলিয়া দলে রয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার মিচেল স্টার্ক ও হার্জেলউড। এছাড়াও অসি স্কোয়াডে একাধিক প্রতিভাবান তরুণ পেসার রয়েছে। টাইগার স্কোয়াডে তামিম ইকবাল এবং লিটন দাসের মত স্ট্রং টেকনিকের ব্যাটসম্যান এবার কিন্তু অনুপস্থিত। সুতরাং নাইম শেখ ,সৌম্য সরকার , সাকিব আল হাসান, মাহমুদুল্লাহ,আফিফ হোসেনরা কিভাবে অষ্ট্রেলিয়ার পেসকে মোকাবেলা করেন সেটি অবশ্যই দেখার বিষয়।


সাকিব,সৌম্য, মাহমুদুল্লাহই মূলশক্তি

এই সিরিজে বাংলাদেশের স্কোয়াড বেশ তারুণ্যনির্ভর।আর এক্ষেত্রে মাঠের খেলায় বাংলাদেশের মূল শক্তি হিসেবে সাকিব, মাহমুদুল্লাহ এবং সৌম্য সরকারকে অনেক দায়িত্ব নিতে হবে। যদিও নাইম শেখ,আফিফ হোসেন, সাইফুদ্দিনের মত মেধাবী তরুণ ক্রিকেটারও বাংলাদেশের স্কোয়াডে রয়েছে। এমনকি নতুন আবিষ্কার শামীম হোসেনও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন।


স্পিনারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

এই সিরিজে বাংলাদেশের জন্য বড় এক নিয়ামক হতে পারে চেনা উইকেটে স্পিনারদের দাপট। সাকিব, মোসাদ্দেক,নাসুমের স্পিন অষ্ট্রেলিয়ার জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠতে পারে।যদিও এটিও সত্য অষ্ট্রেলিয়া দলের অনেকেই আইপিএলে খেলে থাকে এবং স্পিন ভালো খেলে। তাছাড়া অষ্ট্রেলিয়ার  এই দলের প্রায় সবাই বিগব্যাশে খেলে এবং ব্যাটসম্যানদের প্রায় সবাই পাওয়ারফুল হিটার হিসেবে পরিচিত। 

সুইং বোলারদের সম্ভাবনা বেশি

এই সিরিজে বাংলাদেশের সাফল্যের জন্য টাইগার সুইং বোলারদের ভূমিকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে মোস্তাফিজ, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ,রুবেল হোসেনের উপর বাংলাদেশের সাফল্য ব্যাপকভাবে নির্ভর করবে।কারণ শুধু পেস দিয়ে কিংবা ফিঙ্গার স্পিনার দিয়ে অষ্ট্রেলিয়ার ক্লিন ও পাওয়ারফুল হিটারদের সামলানো যাবে না। এক্ষেত্রে মোস্তাফিজ, তাসকিনের মিডিয়াম পেসের সাথে সুইং অষ্ট্রেলিয়ার জন্য বিব্রতকর হতে পারে।


ফিল্ডিংয়ে উন্নতি করতে হবে


গত শ্রীলঙ্কা সফর থেকেই বাংলাদেশের ফিল্ডিংয়ে কিছুটা ছন্নছাড়া ভাব দেখা যাচ্ছে। এমনকি সর্বসম্প্রতি জিম্বাবুয়ে সফরেও বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ঘনঘন ক্যাচমিস চোখে পড়ছে। কিন্তু অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টিটুয়েন্টি সিরিজে এমনটি যাতে না হয় সে বিষয়ে অবশ্যই সচেষ্ট হতে হবে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সাফল্যের জন্য ভালো ফিল্ডিংয়ের গুরুত্ব ব্যাপক।


বাংলাদেশ-অষ্ট্রেলিয়া টিটুয়েন্টি পরিসংখ্যান


বাংলাদেশ ও অষ্ট্রেলিয়ার মধ্যে ইতিমধ্যে মোট ৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে সবকটিতেই অষ্ট্রেলিয়া জয়লাভ করেছে। বাংলাদেশ সর্বশেষ অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিল ২০১৬ সালের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে।


বাংলাদেশ-অষ্ট্রেলিয়া টিটুয়েন্টি ম্যাচসূচি

বাংলাদেশ ও অষ্ট্রেলিয়ার মধ্যকার পাঁচ ম্যাচ টিটুয়েন্টি সিরিজের সূচি এখানে তুলে ধরছি।এই সিরিজের সবগুলো ম্যাচ মিরপুর শেরেবাংলা  জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।


প্রথম টিটুয়েন্টি- ৩ আগষ্ট,২০২১ (বিকাল ৫:৩০ স্ট্যা:টা:/বাংলাদেশ সন্ধ্যা ৬টা)
দ্বিতীয় টিটুয়েন্টি- ৪ আগষ্ট ,২০২১ (বিকাল ৫:৩০ স্ট্যা:টা:/বাংলাদেশ সন্ধ্যা ৬টা)
তৃতীয় টিটুয়েন্টি- ৬ আগষ্ট,২০২১ (বিকাল ৫:৩০ স্ট্যা:টা:/বাংলাদেশ সন্ধ্যা ৬টা)
চতুর্থ টিটুয়েন্টি- ৭ আগষ্ট,২০২১ (বিকাল ৫:৩০ স্ট্যা:টা:/ বাংলাদেশ সন্ধ্যা ৬টা)
পঞ্চম টিটুয়েন্টি - ৯ আগষ্ট,২০২১ (বিকাল ৫:৩০সন্ধ্যা/বাংলাদেশ সন্ধ্যা ৬টা)



লিখেছেনঃ প্রভাকর চৌধুরী

                                                                      


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ স্থগিত ২০২১ আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। করোনা মহামারীর কারণে স্থগিত হওয়া আইপিএলের বাকি ৩১ ম্যাচ আগামী ১৯সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। ২০২১ আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলো (৩১টি ম্যাচ) যথাক্রমে দুবাই,শারজা ও আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হবে।এ বছরের ১৫ অক্টোবর ২০২১ আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।


আইপিএলের নতুন ভেন্যু

আইপিএলের বাকি ৩১টি ম্যাচের ভেন্যু হিসেবে থাকবে দুবাই,শারজা ও আবুধাবি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় ধাপের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে দুবাইয়ে এবং ফাইনাল ম্যাচটিও অনুষ্ঠিত হবে দুবাইয়ে।


আইপিএলের নতুন ম্যাচসূচি

২০২১ আইপিএলের সংযুক্ত আরব আমিরাত পর্বের ম্যাচসূচি দেখে নিন।


                               




আইপিএলের ভারতপর্বে  ব্যাটেবলে  শীর্ষ পাঁচ

ইতিপূর্বে এবারের আইপিএলের উদ্ধোধনী ম্যাচসহ বেশকিছু ম্যাচ ভারতে অনুষ্ঠিত হয়েছে তবে বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজিতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শেষমেশ ২০২১ আইপিএল স্থগিত ঘোষণা করা হয়। স্থগিত আইপিএলের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরা হলো।


শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যান


১.শিকর ধাওয়ান - দিল্লি ক্যাপিট্যালস - ৭ম্যাচে ৩৮০রান
২.কেএল রাউল - পাঞ্জাব কিংস -৭ ম্যাচে  ৩৩১ রান
৩.ফাফ ডু প্লেসিস - চেন্নাই সুপার কিংস- ৭ ম্যাচে ৩২০ রান
৪.পৃথিবি শাহ - দিল্লি ক্যাপিট্যালস - ৮ ম্যাচে ৩০৮ রান
৫.সঞ্জু স্যামসন - রাজস্থান রয়্যালস - ৭ ম্যাচে ২৭৭ রান 


শীর্ষ পাঁচ বোলার


১.হার্শাল প্যাটেল -রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু- ৭ম্যাচে ১৭ উইকেট
২.আভিস খান - দিল্লি ক্যাপিট্যালস - ৮ ম্যাচে ১৪ উইকেট
৩.ক্রিস মরিস - রাজস্থান রয়্যালস - ৭ ম্যাচে ১৪ উইকেট
৪.রাউল চাহার - মোম্বাই ইন্ডিয়ানস - ৭ ম্যাচে ১১ উইকেট
৫.রশিদ খান - সানরাইজার্স হায়দরাবাদ - ৭ ম্যাচে ১০ উইকেট

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শুরু থেকেই আয়ারল্যান্ড ভালো খেলছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো আয়ারল্যান্ড দলে একাধিক বিশ্বমানের তারকা ক্রিকেটার রয়েছে।কেভিন ওব্রায়েন,পল স্টারলিংয়ের মত তারকা ক্রিকেটার আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলে থাকেন। আয়ারল্যান্ডের সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান নিয়ে এখানে আলোচনা করছি।


টিটুয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান


আয়ারল্যান্ডের টিটুয়েন্টি দলে  দারুণ সব ব্যাটসম্যান রয়েছে। এক্ষেত্রে পল স্টারলিং, কেবিন ওব্রায়েন,উইলসন,পোটারফিল্ড,ব্যালবিমির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আয়ারল্যান্ডের টিটুয়েন্টি সাফল্যের পেছনে এসব  ব্যাটসম্যানের অবদান সবচেয়ে বেশি। আয়ারল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


পল স্টারলিং

পল স্টারলিং আয়ারল্যান্ডের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্রাঞ্জাইজি লিগের জনপ্রিয় মুখ। স্টারলিং ৮১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ২১৬৭ রান। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে পল স্টারলিংয়ের ১৮টি ফিফটি রয়েছে।


কেবিন ওব্রায়েন


কেবিন ওব্রায়েন আয়ারল্যান্ডের অন্যতম সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান। কেবিন ওব্রায়েন ৯৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১সেঞ্চুরি ও ৩ফিফটিসহ মোট ১৬৭৪ রান সংগ্রহ করেন।


জিসি উইলসন


জিসি উইলসন আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৮১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ১২৬৮ রান সংগ্রহ করেন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে উইলসনের ৩টি ফিফটি রয়েছে।


উইলিয়াম পোটারফিল্ড


উইলিয়াম পোটারফিল্ড ৬১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১০৭৯ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ৩টি ফিফটিও রয়েছে।

এ ব্যালবিমি


এ ব্যালবিমি ৪৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ১০০০ রান সংগ্রহ করেন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ৪টি ফিফটি রয়েছে।

নিল ওব্রায়েন


নিল ওব্রায়েন আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৩০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ৪৬৬ রান সাথে রয়েছে ১টি ফিফটি।


জি ডিলেনি


জি ডিলেনি ২৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৪৩৬ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ২টি ফিফটি রয়েছে।


এইস টেক্টর


এইস টেক্টর আয়ারল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছেন।এই ব্যাটসম্যান 
২৩টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১ফিফটিসহ মোট ৪০৮ রান সংগ্রহ করেন।


ই জোসি


ই জোসি আয়ারল্যান্ডের হয়ে ১৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১টি ফিফটিসহ মোট ৪০৪ রান সংগ্রহ করেন।

এস থমসন


এস থমসন ৪১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩২৮ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ১টি ফিফটি রয়েছে।



আয়ারল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলার


আয়ারল্যান্ডের টিটুয়েন্টি বোলারদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য নামগুলো হলো ডকরিল, কেবিন ওব্রায়েন,রানকিন। এছাড়াও আয়ারল্যান্ড দলে আরো বেশকিছু প্রতিভাবান টিটুয়েন্টি বোলার রয়েছে। এখানে আয়ারল্যান্ডের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলারের পরিসংখ্যান তুলে ধরছি।


জি ডকরিল


জি ডকরিল আয়ারল্যান্ডের সবচেয়ে সফল টিটুয়েন্টি বোলার।ডকরিল ৭৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৭৬টি উইকেট নিয়েছেন। এই বোলারের সেরা বোলিং (৪/২০)।


কেবিন ওব্রায়েন


৯৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে কেবিন ওব্রায়েন ৫৮টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/৪৫)।


ডব্লিউ রানকিন


ডব্লিউ রানকিন ৪৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৫৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৩/১৬)।

এ কোচেক


এ কোচেক ৩৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩৫টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/১১)।


এম আর এডহেয়ার


এম আর এডহেয়ার আয়ারল্যান্ডের হয়ে ২১টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৩২টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/৪০)।


ডি জনস্টন


ডি জনস্টন আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৩০ ম্যাচে ৩২টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/২২)।


সি ইয়ং


সি ইয়ং আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৩৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ২৮টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/১৩)


এম শরেনচেন


এম শরেনচেন আয়ারল্যান্ডের সেরা টিটুয়েন্টি বোলারদের মধ্যে অন্যতম।২৬ ম্যাচে তাঁর মোট উইকেট সংখ্যা ২৬ টি। তাঁর সেরা বোলিং (৩/১৭)।



শিমি সিং


শিমি সিং আয়ারল্যান্ডের হয়ে ২৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ২৫টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৩/১৫)।


এচি বোথা


এচি বোথা ১৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ২১টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৩/১৪)।

                                                                   


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বহু আলোচনা সমালোচনার পর অবশেষে  টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু নির্ধারণ করেছে আইসিসি। আইসিসি ম্যানস টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ২০২১ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে। যদিও ২০২১সালের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল তবে ভারতের করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শেষমেশ টিটুয়েন্টির এই বৈশ্বিক আসর ভারতের বাইরে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ইতিমধ্যে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের তারিখ ,ভেন্যু ইত্যাদিও চূড়ান্ত করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের তারিখ, ভেন্যু ও অন্যান্য তথ্য এখানে তুলে ধরছি।


টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু ও আয়োজক



আসন্ন ২০২১ সালের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো চারটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।তবে যথারীতি ভারতই ২০২১ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে থাকছে।আসন্ন টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু চারটি যথাক্রমে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়াম,শারজাহ স্টেডিয়াম,ওমান একাডেমি গ্ৰাউন্ড মাঠ।




টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের তারিখ



এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হবে এ বছরের ১৪ অক্টোবর এবং ২০২১ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের  ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এ বছরের ১৪ নভেম্বর।


কোন গ্ৰুপে কোন দেশ


এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে আগে হবে প্রাথমিক পর্বের লড়াই।তারপর শুরু হবে মূলপর্ব। প্রাথমিক পর্বে ৮টি দেশ দুটি গ্ৰুপে বিভক্ত হয়ে  পরস্পরের বিপক্ষে লড়াই করবে এবং সেখান থেকে ৪টি দেশ মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।



প্রাথমিক পর্বের দল


আসন্ন টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্বে ৮টি দল অংশ নেবে।এই ৮টি দল যথাক্রমে' এ'গ্ৰুপ (শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, নামিবিয়া) ও ' বি'গ্ৰুপ (বাংলাদেশ,ওমান,পাপুয়া নিউগিনি,স্কটল্যান্ড)।


মূল পর্বের দল

এবারের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে মূলপর্বে সরাসরি খেলবে আটটি দল। এবং প্রাথমিক পর্ব থেকে চারটি দল মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।দুটি গ্ৰুপে বিভক্ত হয়ে মূলপর্বে সরাসরি খেলবে এই আটটি দল -( গ্ৰুপ-১ ইংল্যান্ড,অষ্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ) এবং (গ্ৰুপ-২ ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান)।প্রাথমিক পর্বের 'এ'গ্ৰুপ চ্যাম্পিয়ন ও ' বি' রানার্সআপ দল মূলপর্বে গ্ৰুপ-১ এ খেলবে। এছাড়া প্রাথমিক পর্বের 'এ'গ্ৰুপ রানার্সআপ ও 'বি' গ্ৰুপ চ্যাম্পিয়ন দল মূল পর্বে গ্ৰুপ-২ এ খেলার সুযোগ পাবে।



টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিসংখ্যান


আইসিসি টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসর বসে ২০০৭ সালে এবং সর্বশেষ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০১৬ সালে। বিগত টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপগুলোর ফাইনাল পরিসংখ্যান এখানে দেখে নিন।

২০০৭ (ফাইনাল)- চ্যাম্পিয়ন ( ভারত) - রানার্সআপ (পাকিস্তান)
২০০৯ (ফাইনাল)- চ্যাম্পিয়ন (পাকিস্তান)- রানার্সআপ (শ্রীলঙ্কা)
২০১০ (ফাইনাল)- চ্যাম্পিয়ন (ইংল্যান্ড) - রানার্সআপ (অষ্ট্রেলিয়া)
২০১২ (ফাইনাল)- চ্যাম্পিয়ন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)- রানার্সআপ (অষ্ট্রেলিয়া)
২০১৪ (ফাইনাল)- চ্যাম্পিয়ন (শ্রীলঙ্কা) - রানার্সআপ (ভারত)
২০১৬ (ফাইনাল)- চ্যাম্পিয়ন (ওয়েষ্ট ইন্ডিজ) - রানার্সআপ (ইংল্যান্ড)

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ জিম্বাবুয়ে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ এক টিম। দারুণ সব টিটুয়েন্টি প্লেয়ার জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলে থাকেন।ব্রেন্ডন টেলর,হ্যামিল্টন মাসাকাদজা,এলটন চিগুম্বুরার মত বেশকিছু তারকা টিটুয়েন্টি ক্রিকেটার জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলে থাকেন। জিম্বাবুয়ের টিটুয়েন্টি দলে  দুর্দান্ত কিছু ইয়াংস্টারও রয়েছে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের সেরা দশ ব্যাটসম্যান ও বোলারের পরিসংখ্যান নিয়ে এখানে আলোচনা করছি।


টিটুয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যান

জিম্বাবুয়ে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে শুরু থেকেই ভালো ক্রিকেট খেলছে।সম্প্রতি দলটি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে মোটামুটি সমীহ জাগানো ক্রিকেট খেলেছে।দলটিতে দারুণ  অভিজ্ঞ কিছু টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের পাশাপাশি সফল কিছু তরুণ ব্যাটসম্যানও রয়েছে। আসুন জিম্বাবুয়ের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের রেকর্ড দেখে নিই।




হ্যামিল্টন মাসাকাদজা

হ্যামিল্টন মাসাকাদজা জিম্বাবুয়ের সেরা দশ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানের তালিকায় সবার শীর্ষে অবস্থান করছেন।এই তারকা ব্যাটসম্যান ৬৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১১ফিফটিসহ ১৬৬২ রান সংগ্রহ করেন।

শন উইলিয়ামস


শন উইলিয়ামস ৪৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৯৪৫ রান সংগ্রহ করেছেন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে তাঁর ৬টি ফিফটি রয়েছে।


ব্রেন্ডন টেলর


ব্রেন্ডন টেলর জিম্বাবুয়ের সফল ব্যাটসম্যানদের অন্যতম।টেলর ৪৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬টি ফিফটিসহ মোট ৯৩৪ রান সংগ্রহ করেন।


এলটন চিগুম্বুরা


জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল অলরাউন্ডার এলটন চিগুম্বুরা ৫৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৩ফিফটিসহ  ৮৯৩ রান সংগ্রহ করেন।


সিজে চিবাবা


সিজে চিবাবা ৩৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫ফিফটিসহ মোট ৬৬৭ রান করেন।


এমএন ওয়ালার


এমএন ওয়ালার ৩২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৬১৩ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ওয়ালারের ১টি ফিফটি রয়েছে।

ক্রেইগ আরভিন


ক্রেইগ আরভিন জিম্বাবুয়ের হয়ে ২৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ৩ফিফটিসহ ৫৩৬ রান।


সিকান্দার রাজা


সিকান্দার রাজা জিম্বাবুয়ের হয়ে ৪২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১ফিফটিসহ ৫২৪ রান সংগ্রহ করেন।


ভুসিমুজি সিবান্দা


ভুসিমুজি সিবান্দা ২৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১ফিফটিসহ ৫১১ রান সংগ্রহ করেন।


রায়ান বার্ল

রায়ান বার্ল জিম্বাবুয়ের প্রতিভাবান অলরাউন্ডার হিসেবে ইতিমধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছেন। বার্ল জিম্বাবুয়ের হয়ে ২৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে  ১ফিফটিসহ তাঁর মোট সংগ্রহ ৪৬২ রান।



জিম্বাবুয়ের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলার


জিম্বাবুয়ে টিমে বেশকিছু অভিজ্ঞ টিটুয়েন্টি বোলার এবং সেই সাথে বেশকজন প্রতিভাবান তরুণ টিটুয়েন্টি বোলার রয়েছে। এক্ষেত্রে জিম্বাবুয়ের সফল টিটুয়েন্টি বোলার হিসেবে এমপপু,শন উইলিয়ামস,জারবিস,চাতারা,উতসেয়া,রায়ান বার্লের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।


এজে ক্রেমার


ক্রেমার জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বাধিক টিটুয়েন্টি উইকেটের মালিক। ক্রেমার ২৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ৩৫টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং( ৩/১১)।

সিবি এমপপু


এমপপু জিম্বাবুয়ের অন্যতম সেরা টিটুয়েন্টি বোলার।এমপপু ৩২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচে ৩৩টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/৩০)।

শন উইলিয়ামস

শন উইলিয়ামস ৪৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৩২টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং (৩/১৫)।


কেএন জারবিস

কেএন জারবিস ২২টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ২৮টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৩/১৫)।

টিএল চাতারা


টিএল চাতারা জিম্বাবুয়ের হয়ে ২৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ২৮টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৩/২০)।

প্রসপার উতসেয়া


প্রসপার উতসেয়া ৩৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ২৬উইকেট। তাঁর সেরা বোলিং (৩/২৫)।


বি মোজাম্বানি


বি মোজাম্বানি জিম্বাবুয়ের হয়ে ১৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ২৫টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং (৩/২১)।


এল এম জুঙ্গি


এল এম জুঙ্গি জিম্বাবুয়ের হয়ে ১৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ২১টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/১৮)।

টি পানিয়াঙ্গারা

টি পানিয়াঙ্গারা ১৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে ২০টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/৩৭)।


ওয়েলিংটন মাসাকাদজা


ওয়েলিংটন মাসাকাদজা জিম্বাবুয়ের হয়ে ২০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ১৮উইকেট। তাঁর সেরা বোলিং (৪/২৮)।

                                                                   

  


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এক হাজার রান পূর্ণ করলেন সৌম্য সরকার।জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলমান টিটুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে দারুণ এক ফিফটি হাকিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সৌম্য সরকার এবং সেইসাথে দেশের পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এক হাজার রানের মালিক হন এই স্টাইলিশ ওপেনার।


 টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের  হাজার রানকারী

আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সৌম্য সরকারের আগে ইতিপূর্বে মাএ চারজন  ব্যাটসম্যান এক হাজার রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন । এবং এই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন সৌম্য সরকার। বাংলাদেশের যেসব ব্যাটসম্যান ইতিপূর্বে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এক হাজার রান পূর্ণ করেছেন তারা হলেন যথাক্রমে তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম,সৌম্য সরকার।



সৌম্য সরকারের ক্যারিয়ারচিএ

বর্তমান বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জনপ্রিয় ওপেনার সৌম্য সরকার। স্টাইলিশ স্টোকমেকার হিসেবে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি। এছাড়া মিডিয়াম পেস বোলার হিসেবেও সৌম্যের পরিচিতি রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ টিটুয়েন্টি টিমের নিয়মিত সদস্য এই বাঁহাতি ওপেনার তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।এখানে সৌম্য সরকারের ক্যারিয়ারচিএ তুলে ধরছি।



টেস্ট ক্যারিয়ার


১৬ ম্যাচ - ৮৩১ রান - ১সেঞ্চুরি/৪ফিফটি (উইকেট ৪টি)

ওয়ানডে ক্যারিয়ার

৬১ম্যাচ - ১৭৬৮ রান -২সেঞ্চুরি/১১ফিফটি (উইকেট১১টি)

টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার

৫৫ম্যাচ- ১০০৯ রান- ৪ফিফটি (উইকেট ৭টি)



 টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যান


আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

১.তামিম ইকবাল (৭৪ ম্যাচে ১৭০১ রান)
২.সাকিব আল হাসান (৭৮ ম্যাচে ১৫৭৯রান)
৩.মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (৯১ ম্যাচে ১৫২৬রান)
৪.মুশফিকুর রহিম (৮৬ ম্যাচে ১২৮২ রান)
৫.সৌম্য সরকার (৫৫ ম্যাচে ১০০৯ রান)




টিটুয়েন্টির শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যান

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন সংযোজন টিটুয়েন্টি ক্রিকেট।তবে অল্প সময়ে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ক্রিকেটের এই ছোট সংস্করণ। টিটুয়েন্টির ধুন্ধুমার ব্যাটবলের লড়াই দর্শকদের এক ভিন্ন ধরণের ফ্লেবার দিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান দেখে নিন।

১.বিরাট কোহলি (৯০ ম্যাচ ৩১৫৯ রান)
২.মার্টিন গাপটিল (১০২ ম্যাচ ২৯৩৯ রান)
৩.রোহিত শর্মা (১১১ ম্যাচ ২৮৬৪ রান)
৪.অ্যারন ফিন্স (৭৬ ম্যাচ ২৪৭৩ রান)
৫.মোহাম্মদ হাফিজ (১০৯ ম্যাচ ২৪২৩ রান)

                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সাকিব মানেই নতুন কোন রেকর্ড কিংবা মাইলফলক। সম্প্রতি সেই ধারায় নতুন দুই অর্জন যুক্ত হয়েছে।বোলার সাকিব এখন দেশসেরা উইকেট শিকারি এছাড়া অলরাউন্ডার সাকিব দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিসকে অতিক্রম করে ছোয়েছেন অনন্য এক মাইলফলক। আসুন সাকিব আল হাসানের নতুন দুই  কীর্তির বিস্তারিত জেনে নিই।


তিনফরম্যাটেই এখন দেশসেরা বোলার সাকিব


বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনন্য অর্জনগুলোর একটি অবশ্যই সাকিব আল হাসান। এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এই তারকা অলরাউন্ডার যা নতুন করে না বললেও চলে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজে এই তারকা অলরাউন্ডার নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।এতোদিন শুধু টেষ্ট ও টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের শীর্ষ উইকেট শিকারি ছিলেন সাকিব এবং এবার ওয়ানডে ক্রিকেটেও দেশের শীর্ষ বোলারের স্বীকৃতি পেলেন এই তারকা অলরাউন্ডার। মাশরাফি বিন মর্তুজা এতদিন ছিলেন বাংলাদেশের শীর্ষ ওয়ানডে উইকেট শিকারি (২৬৯ উইকেট) তবে চলমান জিম্বাবুয়ে সিরিজে সাকিব মাশরাফিকে অতিক্রম করেন। সাকিবের বর্তমান ওয়ানডে উইকেট সংখ্যা ২৭৭। এই মাইলফলকের মধ্যদিয়ে সাকিব ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে দেশের শীর্ষ উইকেট শিকারি বোলারের স্বীকৃতি পেলেন।



অলরাউন্ডার সাকিবের অনন্য মাইলফলক


সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান জিম্বাবুয়ে সিরিজে অলরাউন্ডার হিসেবে নতুন এক কীর্তি গড়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম ১২হাজার রান ও ৫০০ উইকেটের মালিক হয়েছেন এই তারকা অলরাউন্ডার।৩৪৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে সাকিব ১২ হাজার রান ও ৫০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন।এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিসের নামের পাশে এই রেকর্ড ছিল।ক্যালিস ৪২০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে এই রেকর্ড গড়েছিলেন এবং সেটিই এতোদিন ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দ্রুততম ১২হাজার রান ও ৫০০ উইকেট শিকারের রেকর্ড।


তিন ফরম্যাট মিলিয়ে দেশের শীর্ষ পাঁচ বোলার


টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ উইকেটশিকারি বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

১.সাকিব আল হাসান - ৩৪৯ ম্যাচ- ৫৮৪ উইকেট
২.মাশরাফি বিন মর্তুজা -৩০৮ ম্যাচ-৩৮৯ উইকেট
৩.আব্দুর রাজ্জাক -২০০ম্যাচ- ২৭৯ উইকেট
৪.মোহাম্মদ রফিক -১৫৭ ম্যাচ -২২০ উইকেট
৫.মোস্তাফিজুর রহমান -১২৪ ম্যাচ - ২১৫ উইকেট


টেস্টে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ বোলার

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ উইকেটশিকারি বোলারের পরিসংখ্যান দেখে নিন।

১.সাকিব আল হাসান - ৫৮ম্যাচ-২১৫ উইকেট
২.তাইজুল ইসলাম -৩৩ ম্যাচ -১৩৪ উইকেট
৩.মেহেদি হাসান মিরাজ -২৭ ম্যাচ -১১৩ উইকেট
৪.মোহাম্মদ রফিক- ৩৩ ম্যাচ -১০০ উইকেট
৫.মাশরাফি বিন মর্তুজা -৩৬ ম্যাচ - ৭৮ উইকেট


ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ বোলার

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ উইকেটশিকারি বোলারের পরিসংখ্যান দেখে নিন।

১.সাকিব আল হাসান -২১৫ ম্যাচ -২৭৭ উইকেট
২.মাশরাফি বিন মর্তুজা -২১৮ ম্যাচ -২৬৯ উইকেট
৩.আব্দুর রাজ্জাক - ১৫৩ ম্যাচ -২০৭ উইকেট
৪.রুবেল হোসেন -১০৪ ম্যাচ -১২৯ উইকেট
৫.মোস্তাফিজুর রহমান -৬৮ ম্যাচ -১২৭ উইকেট


টিটুয়েন্টিতে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ বোলার

টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ উইকেটশিকারি বোলারের পরিসংখ্যান দেখে নিন।

১.সাকিব আল হাসান -৭৬ ম্যাচ- ৯২ উইকেট
২.মোস্তাফিজুর রহমান - ৪২ম্যাচ-৫৮ উইকেট
৩.আব্দুর রাজ্জাক -৩৪ ম্যাচ-৪৪ উইকেট
৪.আল-আমিন হোসেন -৩১ ম্যাচ -৪৩ উইকেট
৫.মাশরাফি বিন মর্তুজা -৫৪ ম্যাচ -৪২ উইকেট

                                                             


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেখতে দেখতে আরেকটি ঈদ এসে গেছে। মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ।ঈদের কেনাকাটা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।তবে মনে রাখতে হবে করোনা মহামারী কিন্তু এখনো চলছে।তাই ঈদের কেনাকাটা কিংবা আত্মীয়তার ভিড়ে যেন আবার করোনায় আক্রান্ত  হয়ে না যান সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।আর নিজে করোনা সম্পর্কে সচেতন থাকলে আপনার পরিবার, প্রতিবেশী সবাই নিরাপদে থাকবে সেটিও মনে রাখতে হবে।করোনাকালিন ঈদের কেনাকাটা ইত্যাদি কিভাবে সর্তকতার সাথে নিরাপদে সম্পন্ন করবেন তা নিয়ে কিছু টিপস এখানে তুলে ধরছি।


মাস্ক ব্যবহার করুন


ঘর থেকে বের হওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক  ব্যবহার করুন।কারণ মাস্ক আপনাকে করোনা থেকে অনেকটাই সুরক্ষা দেবে। এছাড়া সঠিক মাস্ক ব্যবহার করুন। সেইসাথে সঠিকভাবে মাস্ক পরার চেষ্টা করুন।মাস্কটি সঠিকভাবে ব্যবহারের উপায় জানতে অনলাইনে সার্চ দিয়ে দেখে নিতে পারেন। এবং মাস্ককে জীবাণুমুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কেও জেনে নিন। পরিস্কার ও পরিছন্ন মাস্ক ব্যবহার করুন।

প্লাস্টিকের গ্লাভস ব্যবহার করুন


এই সময়ে বাইরে চলাফেরা করার ক্ষেএে হাতে প্লাষ্টিকের গ্লাভস ব্যবহার করতে পারেন। এবং বাসায় ফিরে গ্লাভসটি ডাষ্টবিনে ফেলে দিন।তবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন গ্লাভস কোন ভাবে মুখ বা মুখের ভেতরে স্পর্শ না করে। এজন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্লাভস আগেই ঘরে রাখুন যেন বাইরে বেরোলে ব্যবহার করতে পারেন।


হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন


এই সময়ে করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত।তাই ঘর থেকে বেরোনোর আগে এবং ঘরে ফিরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাতকে জীবাণুমুক্ত করুন।ঈদের কেনাকাটা করতে গেলে অবশ্যই এই কাজটি গুরুত্ব দিয়ে করুন কারণ ঈদের বাজারে মানুষের ভিড়ে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।তাই এই সময়ে ঘর/বাসা থেকে বেরিয়ে এবং ঘরে/বাসায় ফিরে অবশ্যই হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাতকে জীবাণুমুক্ত করুন।


বিকল্প হিসেবে সাবান


করোনার এই সময়ে বাইরে কেনাকাটা কিছুটা হলেও অনিরাপদ তবু যেহেতু এটি মুসলমানদের ঈদের সিজন তাই অনেকেই বাইরে যাবেন।এই সময়ে বাইরে কেনাকাটা বা বাজারসওদায় গেলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।আর ঈদের সময়ে করোনায় আক্রান্ত হলে সব উৎসব- আনন্দ মাটি হয়ে যাবে এবং সেই সাথে বাড়বে বহুবিধ বিড়ম্বনা ।  এজন্য নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে বাহির থেকে ফিরে ভালো করে হাত মুখ সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।পরনের কাপড় চোপড় অবশ্যই সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

শিশুদের নিয়ে কেনাকাটা নয়


এই সময়ে শিশুদের নিয়ে বাজারে যাওয়া মোটেও ঠিক হবেনা।এই সময়ে শিশুকে নিয়ে বাজারে গেলে  আপনার সাথে আপনার শিশুটিও করোনার ঝুঁকিতে পড়ে যাবে।এরফলে বাড়তে পারে বিভিন্ন বিড়ম্বনা।আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে উত্তম হলো শিশুদের জন্য অনলাইনে বাজার করে ফেলা কিংবা শিশুদের বাসায় রেখে যাওয়া।


অনলাইনে কেনাকাটা করতে পারেন


এখন দেশজুড়ে অনেকগুলো অনলাইন শপ রয়েছে সেখানে মার্কেটিং করতে পারেন। এক্ষেত্রে হাতের স্টার্টফোনটি ব্যবহার করে গুগল প্লেস্টোর থেকে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সুপরিচিত অনলাইন শপের অ্যাপ ডাউনলোড করে নিন।তারপর পছন্দের পণ্যটি অনলাইন শপ থেকে কিনে ফেলুন।মনে রাখবেন অনলাইনে কেনাকাটায় পেমেন্টের ক্ষেএে 'ক্যাশ অন ডেলিভারি ' সিষ্টেমটিই বেটার হবে।


অসুস্থ শরীরে বাজারে যাবেন না


এই সময়ে করোনা ছাড়াও বিভিন্ন মৌসুমী রোগ বেড়ে যায় তাই শরীরে কোন অসুখ থাকলে বাজারে না যাওয়াই ভালো হবে। এসব ক্ষেত্রে ঘরে বসে অনলাইনে বাজার করে ফেলুন। শরীর অসুস্থ বুঝলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। তা না হলে অসুস্থ শরীরে বাজারে গিয়ে করোনার মত জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।


ভিড় এড়িয়ে চলুন


ঈদের সময়ে এমনিতেই বাজারে ও রাস্তাঘাটে প্রচুর ভিড় দেখা যায়।তাই ঈদের কেনাকাটা করতে বেরোলে এসব ভিড় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।যে মার্কেটে ভিড় কম সেখানে মার্কেটিং করার চেষ্টা করুন।প্রয়োজনে রাতে মার্কেটিং করতে পারেন। কোনভাবেই এই সময়ে মানুষের ভিড়ে ঢুকবেন না।কারণ এখন মানুষের ভিড় থেকে করোনা ছড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে।


রিজার্ভ গাড়ি ব্যবহার করুন

করোনার এই সময়ে লোকাল গাড়িতে চলাচল করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।তাই ঈদের বাজারে বেরোলে রিজার্ভ গাড়ি ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এক্ষেত্রে হয়তো কিছু বাড়তি অর্থ ব্যয় হবে কিন্তু নিজেকে নিরাপদ রাখতে এর বিকল্প নেই।


অহেতুক ঘোরাঘুরি ঝুঁকিপূর্ণ

এই সময়ে অনেকে অহেতুক ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন। কিন্তু ঈদের বাজারে ভিড় বেশি থাকে তাই বাজারে এই সময়ে অহেতুক ঘোরাঘুরি না করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।কারণ এই সময়ে মানুষের ভিড়ে অহেতুক ঘোরাঘুরি করতে যেয়ে উল্টো করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন আর করোনায় আক্রান্ত হলে বাড়বে জীবনের বিড়ম্বনা।


বেশিদূরে কেনাকাটা নয়


অনেকে ঈদে বেশিদূর গিয়ে বাজার করতে পছন্দ করেন।তবে করোনা যেভাবে লাফিয়ে বাড়ছে তাতে দূরে গিয়ে বাজার করা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। বরং হাতের স্মার্টফোন ব্যবহার করে কিংবা কাছের কোন বাজারে মার্কেটিং করাই এই সময়ে ভালো হবে।

বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন


করোনায় আক্রান্ত হওয়া থেকে নিরাপদ থাকতে এই সময়ে বাইরের খাবার না খাওয়াই ভালো।কারণ বাইরে খাবার খেলে করোনার এই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাবে।যদি একান্তই বাইরে খেতে হয় তাহলে ফুডপান্ডা বা অন্যকোন অনলাইন শপ থেকে খাবার অর্ডার করতে পারেন।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো এই সময়ে খাবারদাবারে সর্তক থাকতে হবে তা নাহলে ফুডপয়জনিং ইত্যাদি রোগে অসুস্থ হয়ে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।


আত্মীয়তা অনলাইনে সম্পন্ন করুন

করোনার এই সময়ে আত্মীয়তার ভিড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে যেতে পারেন।তাই ঈদের আত্মীয়তা যথাসম্ভব অনলাইনে সম্পন্ন  করুন। এক্ষেত্রে ফেসবুক লাইভ,জুম ,স্কাইফি ইত্যাদি মাধ্যম ব্যবহার করতে পারেন।


একবারে সব বাজার নয়


অনেকে ঈদের খুশিতে অতিরিক্ত বাজার করে ফেলেন এর ফলে যেমন অপচয় বাড়ে তেমনি বাজারে চাপ পড়ে এবং দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায়।তাই করোনাকালিন এই ঈদে প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাজার করতে যাবেন না।


                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয় তারকাদের মধ্যে ক্রিস গেইলের নামটি শীর্ষে উচ্চারিত হয়।কারণ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের আমেজ পুরোপুরি পেতে চাইলে গেইলের মত ব্যাটসম্যানের ব্যাটিং আপনাকে দেখতেই হবে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এই তারকা ব্যাটসম্যান সম্প্রতি টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ১৪হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এটিই কোন ব্যাটসম্যানের প্রথম ১৪ হাজার রানের রেকর্ড। অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চলমান টিটুয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ক্রিস গেইল এই মাইলফলক স্পর্শ করেন।


ক্রিস গেইলের টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ারচিএ


ক্রিস গেইলের মত টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার খুব কম ব্যাটসম্যানের রয়েছে। ক্রিকবাজ থেকে ক্রিস গেইলের আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ারচিএ এখানে তুলে ধরছি।

মোট আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ - ৬৯
মোট আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি রান - ১৭৯৭
মোট আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সেঞ্চুরি - ২
মোট আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ফিফটি - ১৪
সেরা আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ইনিংস - ১১৭


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে গেইলের বিশেষ অর্জন

স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের রেকর্ডবই রীতিমতো গেইলময় বললে ভুল হবে না। স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বাধিক ব্যক্তিগত রানের(১৭৯৭রান) মালিক ক্রিস গেইল। এছাড়া স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে সর্বাধিক সেঞ্চুরি (২২টি)গেইলের। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রূততম সেঞ্চুরির রূপকারও ক্রিস গেইল। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সর্বাধিক চার এবং ছক্কার মালিকও এই উইন্ডিজ গ্ৰেট।


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা দশ ব্যাটসম্যান

স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা দশ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরা হলো।


ক্রিস গেইল


স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন ক্রিস গেইল ।এই উইন্ডিজ গ্ৰেট ইতিমধ্যে ৪৩২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ১৪০৩৯ রান। স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে গেইলের ২২টি সেঞ্চুরি এবং ৮৭টি ফিফটি রয়েছে।এর সাথে স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে এই মারকুটে ব্যাটসম্যান ১০৮৩টি চার ও ১০২৮টি ছক্কা মেরেছেন।

কিয়েরন পোলার্ড


স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সেরা দশ ব্যাটসম্যানের অন্যতম কিয়েরন পোলার্ড।এই উইন্ডিজ অলরাউন্ডার ৫৪৫টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১০৮৩৬ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়া স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে পোলার্ডের ১টি সেঞ্চুরি ও ৫৪টি ফিফটি রয়েছে। স্বীকৃত টিটুয়েন্টি পোলার্ড ৬৮৫টি চারের সাথে ৭৩০টি ছক্কা মেরেছেন।


শোয়েব মালিক


স্বীকৃত টিটুয়েন্টির সেরা দশ ব্যাটসম্যানের তালিকার অন্যতম নাম শোয়েব মালিক। পাকিস্তানের এই ব্যাটসম্যান ৪২৫টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ১০৭৪১ রান সংগ্রহ করেন। স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ৬৬টি ফিফটি রয়েছে। শোয়েব মালিক স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে ৮৪১টি চার ও ৩২৫টি ছক্কা মেরেছেন।

ডেভিড ওয়ার্নার


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নার স্বীকৃত টিটুয়েন্টির সেরা দশ ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছেন।এই অসি ব্যাটসম্যান ৩০৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ১০০১৭ রান করেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ওয়ার্নারের ৮টি সেঞ্চুরি ও ৮২টি ফিফটি রয়েছে। এছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এই অসি গ্ৰেট ৯৭৩টি চার ও ৩৭৯টি ছক্কা মেরেছেন।


বিরাট কোহলি


ক্রিকেটের অন্য রেকর্ডবইগুলোর মত টিটুয়েন্টির রেকর্ড খাতায়ও সেরা দশে রয়েছেন বিরাট কোহলি। স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ইতিমধ্যে ৩১০ ম্যাচ খেলে ৯৯২২ রান সংগ্রহ করেছেন। সেই সাথে স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে কোহলির ৫টি সেঞ্চুরি ও ৭২টি ফিফটি রয়েছে। স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে এই ভারতীয় গ্ৰেট ৮৭৮টি চার ও ৩১৫টি ছক্কা মেরেছেন।

ব্রেন্ডন ম্যাককালাম


কিউই গ্ৰেট ৩৭০টি স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৯৯২২ রান করেন। স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ৭টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ৫৫টি ফিফটি রয়েছে। এছাড়া টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ৯২৪টি চার ও ৪৮৫টি ছক্কা মেরেছেন।

অ্যারন ফিঞ্চ


অসি ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ ৩২৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৯৮১১ রান করেন।ফিঞ্চ স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে ৮সেঞ্চুরি ও ৬৪টি ফিফটি করেছেন। এছাড়া ফিঞ্চ স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে ৯৫০টি চার ও ৩৯৯টি ছক্কা মেরেছেন।

এবি ডিভিলিয়ার্স


এবি ডিভিলিয়ার্স ৩৩২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৯৩১৮ রান সংগ্রহ করেন। স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ৪টি সেঞ্চুরি ও ৬৯টি ফিফটি রয়েছে। স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে এই তারকা ব্যাটসম্যান ৭৪৬টি চার ও ৪৩০টি ছক্কা মেরেছেন।

রোহিত শর্মা


রোহিত শর্মা ৩৪৯টি স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।এই তারকা ব্যাটসম্যান স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে ৬টি সেঞ্চুরি ও ৬৫টি ফিফটিসহ মোট ৯২৯১ রান করেছেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে রোহিত শর্মা ইতিমধ্যে ৮১৪টি চার ও ৩৯৬টি ছক্কা মেরেছেন।

শেন ওয়াটসন


অষ্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটসম্যান শেন ওয়াটসন স্বীকৃত টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা দশ ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছেন।এই ব্যাটসম্যান ৩৪২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৮৭৯৩ রান সংগ্রহ করেন। স্বীকৃত টিটুয়েন্টিতে ওঢয়াটসনের ৬সেঞ্চুরি ও ৫৩টি ফিফটির সাথে ৭৮২টি চার ও ৪৬৭টি ছক্কার মার রয়েছে।

                                                                   


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ঐতিহাসিক টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় উদযাপন করার জন্য দেশজুড়ে মাচ প্যারেডের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ। আগামী ২৬ জুলাই থেকে সপ্তাহব্যাপী এই মাচ প্যারেড শুরু হবে। কিউইদের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা  জয়ের এই উদযাপন প্রায় সমগ্ৰ দেশজুড়েই ( নর্দান নিউজিল্যান্ড থেকে সাউর্দান নিউজিল্যান্ড পর্যন্ত)চলবে (সূত্র: ক্রিকবাজ)।মূলত এই ঐতিহাসিক শিরোপা জয়ের আনন্দ নিউজিল্যান্ডের সব মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার জন্যই নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ এমন উদ্যোগ নিয়েছে। উল্লেখ্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে (২০২১)নিউজিল্যান্ড দল ভারতকে পরাজিত করে শিরোপা অর্জন করে। এবং এই ঐতিহাসিক শিরোপা জয়কে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।


নিউজিল্যান্ডের টেস্ট রেকর্ড


নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের জনপ্রিয় টিমগুলোর একটি। ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে দলটির দারুণ সব রেকর্ড রয়েছে। নিউজিল্যান্ড ইতিমধ্যে প্রায় সব টেস্ট প্লেয়িং (আফগানিস্তান ছাড়া) দেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছে। নিউজিল্যান্ড দল ইতিপূর্বে ৪৪৯টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে এবং ১০৭টি টেষ্টে জয় পেয়েছে। এছাড়া নিউজিল্যান্ড দল ১৭৫টি টেষ্টে পরাজিত হয়েছে এবং নিউজিল্যান্ড দল ১৬৭টি টেস্ট ড্র করেছে। বিভিন্ন দেশের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের টেস্ট রেকর্ড নিয়ে এখানে আলোচনা করছি।

অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট রেকর্ড

নিউজিল্যান্ড দল অষ্ট্রেলিয়ার সাথে ইতিমধ্যে ৬০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে। অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড ৮টি টেষ্টে জয় পেয়েছে এবং ৩৪টিতে পরাজিত হয়েছে। এছাড়া অষ্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ১৮টি টেস্ট ড্র হয়েছে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট রেকর্ড

নিউজিল্যান্ড দল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিমধ্যে ১০৭টি টেস্ট খেলেছে যেখানে কিউইরা ১২টি ম্যাচে জয় এবং ৪৮টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে। এছাড়া নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত ৪৭টি টেস্ট ড্র হয়েছে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট রেকর্ড

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ইতিমধ্যে ১৫টি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে নিউজিল্যান্ড ১২টি ম্যাচে জয়ী হয়েছে ও বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩টি টেস্ট কিউইরা ড্র করেছে।

ভারতের বিপক্ষে টেস্ট রেকর্ড


ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ইতিমধ্যে ৬০টি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে নিউজিল্যান্ড দল ১৩ জয় ,২১ পরাজয় এবং ২৬টি টেস্ট ড্র করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট রেকর্ড

দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ইতিমধ্যে ৪৫টি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে নিউজিল্যান্ড ৪ জয়,২৫ পরাজয় এবং ১৬টি টেস্ট ড্র করেছে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট রেকর্ড

নিউজিল্যান্ড দল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইতিমধ্যে ৩৬টি টেস্ট খেলেছে যেখানে নিউজিল্যান্ড দল  ১৬ জয়,৯ পরাজয় এবং ১১টি ম্যাচ ড্র করেছে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট রেকর্ড


পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ইতিমধ্যে ৬০টি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে নিউজিল্যান্ড দল ১৪ম্যাচে জয় ও ২৫টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানের সাথে নিউজিল্যান্ড ২১টি টেস্ট ড্র করেছে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট রেকর্ড

নিউজিল্যান্ড দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইতিমধ্যে ৪৯টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে যেখানে কিউইরা ১৭ম্যাচে জয় ও ১৩টিতে পরাজিত হয়েছে। এছাড়া নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে ১৯টি টেস্ট ড্র হয়েছে।


জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট রেকর্ড

জিম্বাবুয়ে ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ইতিমধ্যে ১৭টি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে নিউজিল্যান্ড ১১ম্যাচে জয় ও ৬টিতে ড্র করেছে।


টেস্টে ব্যাটেবলে নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ দশ

নিউজিল্যান্ডের সর্বকালের বিবেচনায় শীর্ষ দশ ক্রিকেটারের (৫ব্যাটসম্যান ও ৫ বোলার) পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরা হলো।

নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ পাঁচ টেস্ট ব্যাটসম্যান

১.রস টেলর - ১০৮ টেস্ট ৭৫৬৪ রান ২.কেন উইলিয়ামসন- ৮৫টেষ্ট ৭২৩০ রান ৩.স্টিফেন ফ্লেমিং - ১১১টেষ্ট ৭১৭২ রান ৪.ব্রেন্ডন ম্যাককালাম - ১০১টেষ্ট ৬৪৫৩রান ৫.মার্টিন ক্রো - ৭৭টেষ্ট ৫৪৪৪ রান।

নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ পাঁচ টেস্ট বোলার

১.রিচার্ড হ্যাডলি - ৮৬টেষ্ট ৪৩১উইকেট ২.ডেনিয়েল ভেট্টরি - ১১২টেষ্ট ৩৬১উইকেট‌ ৩.টিম সাউদি - ৭৯টেষ্ট ৩১৪উইকেট ৪.ট্রেন্ট বোল্ট - ৭৩টেষ্ট ২৯২ উইকেট ৫.ক্রিস মার্টিন - ৭১টেষ্ট ২৩৩ উইকেট।

                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ দেশের চাকরির বাজারে বেশকিছু নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এখানে তেমনি কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য তুলে ধরছি।


বাংলাদেশ ডাকবিভাগে নিয়োগ

বাংলাদেশ ডাক বিভাগে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ :  জুনিয়র একাউটেন্ট,স্ট্রীপার কাম রিটাচার, সহকারী (ডাক অধিদপ্তর), উপজেলা পোষ্টমাষ্টার, কম্পিউটার অপারেটর, উচ্চমান সহকারী প্রভৃতি পদ।

পদসংখ্যা : ২৬৯

যোগ্যতা : পদভেদে এসএসসি থেকে স্মাতক ডিগ্রি।

বয়স : ১৮ থেকে ৩০ বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেএে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (http://dgbpo.teletalk.com.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ : ১১/০৮/২০২১

সূত্র : প্রথম আলো অনলাইন


নেসকোতে নিয়োগ

নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) তে বেশকিছু পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল), এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল), এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার(এইসআর), এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (ফাইন্যান্স/একাউন্টস), এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (আইসিটি) প্রভৃতি পদ।

পদসংখ্যা : ১০২

যোগ্যতা : পদভেদে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা থেকে স্মাতক ডিগ্রি, এমবিএ।

আবেদনের প্রক্রিয়া : অনলাইন ( https://career.nesco.gov.bd)

আবেদনের শেষ তারিখ : ১৪/০৮/২০২১

সূত্র :  প্রথম আলো অনলাইন


এনসিসি ব্যাংকে নিয়োগ

এনসিসি ব্যাংকে ' জুনিয়র অফিসার (জেনারেল)' পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : জুনিয়র অফিসার (জেনারেল)

পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : এমবিএ,এমবিএম,বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারবছর মেয়াদি স্মাতক ডিগ্রি।

বয়স : সর্বোচ্চ ৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেএে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

কর্মক্ষেত্র : বাংলাদেশের যেকোন স্থান

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন(www.nccbank.com.bd/career)

আবেদনের শেষ তারিখ : ২৫/০৭/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


ব্র্যাক ব্যাংকে নিয়োগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে ইয়াং লিডার্স প্রোগ্রামে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : ইয়াং লিডার্স প্রোগ্রাম

পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : উল্লেখ করা হয়নি।

চাকরির ধরণ : পূর্ণকালীন

কর্মক্ষেত্র: বাংলাদেশের যেকোন স্থান

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ : ২৫/০৭/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম


ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে নিয়োগ

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে নিম্নোক্ত পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : এসোসিয়েট ম্যানেজার,লোন ডকুমেন্টেশন- রিটেইল ( হোম শোন) 

পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে স্মাতক ডিগ্রি।

অভিজ্ঞতা : ৩-৪ বছর। এছাড়া লোন বিষয়ে ধারণা থাকতে হবে।

চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন

কর্মক্ষেত্র : ঢাকা

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ : ১৮/০৭/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


ইউনাইটেড ফাইন্যান্সে নিয়োগ


ইউনাইটেড ফাইন্যান্সে নিম্নোক্ত পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

পদ : বিজনেস এক্সিকিউটিভ (এসএমই এন্ড লার্জ ফাইন্যান্স)

পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজনেস এডমিনিষ্টেশন বিষয়ে স্মাতক বা স্মাতকোওর ডিগ্ৰি।

অভিজ্ঞতা :২-৫বছর

চাকরির ধরণ : পূর্ণকালীন

কর্মক্ষেত্র : বাংলাদেশের যেকোন স্থান

বেতন-ভাতা : বেতন আলোচনা সাপেক্ষে ও অন্যান্য সুবিধা।

আবেদন প্রক্রিয়া : অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ :১১/০৮/২০২১

সূত্র : বিডিজবস ডটকম


উপায়ে নিয়োগ


ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা 'উপায়'এ অফিসার/সিনিয়র অফিসার' পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

পদ : অফিসার/সিনিয়র অফিসার

পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট

যোগ্যতা : সিএসই স্মাতক ডিগ্ৰি ।

অভিজ্ঞতা : ৩ বছর। এছাড়া কম্পিউটারে এমএস ওয়ার্ড,এমএস এক্সেল,পাইথন,ওরাকল,ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এমএফএস,ডিএফএস ইত্যাদি প্রোগ্ৰাম সম্পর্কে জানতে হবে।


কর্মক্ষেত্র :ঢাকা

বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

আবেদন প্রক্রিয়া : অনলাইন (ভিজিট www.bdjobs.com)

আবেদনের শেষ তারিখ : ২০/০৭/২০২১

সূত্র: বিডিজবস ডটকম



                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফিনিশার  মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচ চলাকালে মাহমুদুল্লাহ এই ঘোষণা দেন।এর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের মিডল অর্ডারের অন্যতম সেরা এই  ফিনিশার নিজের টেষ্ট ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন। বাংলাদেশের হয়ে দারুণ সব ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে এই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যানের ঝুঁলিতে। মাহমুদুল্লাহর জন্য আমাদের অসংখ্য শুভকামনা রইল। এখানে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ক্যারিয়ারচিএ তুলে ধরছি।


টেস্ট ক্যারিয়ার


২০০৯ সালে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষিক্ত হন । এই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যানের টেস্ট অভিষেক হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৫০টি টেস্ট খেলেছেন যেখানে ব্যাট হাতে ২৭৬৪ রানের পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ৪৩টি উইকেট। টেস্ট ক্রিকেটে মাহমুদুল্লাহর ৫টি সেঞ্চুরি ও ১৬টি ফিফটি রয়েছে। এছাড়া টেস্ট ক্রিকেটে ১বার ম্যাচে ৫উইকেট নিয়েছেন এই তারকা অলরাউন্ডার।


ওয়ানডে ক্যারিয়ার

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ইতিমধ্যে ১৯৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন যেখানে ব্যাট হাতে তাঁর সংগ্রহ ৪২৬২ রান এবং বল হাতে সংগ্রহ ৭৬ উইকেট। ওয়ানডে ক্রিকেটে মাহমুদুল্লাহর ৩টি সেঞ্চুরি ও ২৩ টি ফিফটি রয়েছে।


টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের বর্তমান টিটুয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ইতিমধ্যে ৮৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪ফিফটিসহ  ১৪৬১ রান করেছেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে বল হাতে ৩১টি উইকেট নিয়েছেন এই তারকা অলরাউন্ডার।

ডমেষ্টিক ক্যারিয়ার

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের জাতীয় লিগ,বিপিএল ছাড়াও সিপিএল,পিএসএলে খেলেছেন। বাংলাদেশের প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটে এই অলরাউন্ডার ঢাকা ডিভিশন,বিপিএলে চিটাগাং কিংস,খুলনা টাইটানস, বরিশাল বুলস ইত্যাদি টিমে খেলেছেন। সিপিএলে মাহমুদুল্লাহ জামাইকা তালাওয়াশ,সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস প্যাটট্রিয়র্সের হয়ে খেলেছেন।পিএসএলে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে খেলেছেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।


মাহমুদুল্লাহর অজানা রেকর্ড

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের ক্রিকেটে অন্যতম সেরা ফিনিশার হিসেবে স্বীকৃত। আসুন মাহমুদুল্লাহর কিছু অজানা রেকর্ড  সম্পর্কে জেনে নেই।



২০১৫ বিশ্বকাপে অপূর্ব নৈপুণ্য

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ক্যারিয়ারে ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ আলাদা অধ্যায় হয়ে রয়েছে। সেই বিশ্বকাপে মাহমুদুল্লাহ ৬ ম্যাচে ২টি সেঞ্চুরিসহ মোট ৩৬৫রান সংগ্রহ করেন।সেই বিশ্বকাপে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ২০১৫ বিশ্বকাপে মাহমুদুল্লাহ ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ দুই সেঞ্চুরি হাঁকান যেখানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল জয়লাভ করে।


২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ব্যাটিং

২০১৭ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে কিউইদের বিপক্ষে ম্যাচে সাকিবের সাথে তাঁর দুর্দান্ত এক জুটির রেকর্ড রয়েছে।সেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে মাহমুদুল্লাহ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ এক সেঞ্চুরিও করেন।


প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপ সেঞ্চুরি

২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে মাহমুদুল্লাহ প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এক ম্যাচে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন।এর আগে কোন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করতে পারেননি।


বিশ্বকাপে পরপর দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি

২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের শীর্ষ রান সংগ্ৰাহক ছিলেন মাহমুদুল্লাহ। সেই বিশ্বকাপে পরপর দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করার কীর্তিও গড়েন এই ফিনিশার। বাংলাদেশের আর কোন ব্যাটসম্যান বিশ্বকাপে পরপর দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করতে পারেননি।


মাহমুদুল্লাহময় কিছু ম্যাচ

মাহমুদুল্লাহর একক নৈপুণ্যে বাংলাদেশ অসংখ্য ম্যাচ জিতেছে ।এমনই মাহমুদুল্লাহময় কিছু ম্যাচের কথা এখানে তুলে ধরছি।


ওয়েস্টইন্ডিজের বিপক্ষে ২০০৯ এর ওয়ানডে নৈপুণ্য

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের অসাধারণ সব ম্যাচের একটি হচ্ছে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ। ওয়ার্নার পার্কের সেই ম্যাচে বাংলাদেশ ওয়েষ্ট ইন্ডিজকে ৩উইকেটে পরাজিত করে।সেই ম্যাচে মাহমুদুল্লাহ ব্যাট হাতে অপরাজিত ৫১ রান ও বল হাতে ২টি উইকেট নেন।

২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়

২০১৫ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডকে ১৫ রানে পরাজিত করে। সেই ম্যাচে মাহমুদুল্লাহ ১০৩ রানের অসাধারণ এক ইনিংস খেলে দলকে জয়ের ভিত তৈরি করে দেন।


২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে কিউইদের বিপক্ষে জয়

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ম্যাচ ছিল ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে কার্ডিফে খেলা ম্যাচ।একদিনের আন্তর্জাতিক সেই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশের কাছে ৫উইকেটে পরাজিত হয় এবং সেই ম্যাচে মাহমুদুল্লাহ অপরাজিত ১০২ রানের একটি টনের্ডো ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।

                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ জনপ্রিয় ইংলিশ পেসার জেমস এন্ডারসন সম্প্রতি ভিন্ন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটে এক হাজার উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন এই সুইংসম্রাট।সম্প্রতি কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের এক ম্যাচে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে এন্ডারসন এই রেকর্ড স্পর্শ করেন। ইংলিশ ক্রিকেট এবং সেইসাথে বিশ্বক্রিকেটের  ইতিহাসে সফল ও জনপ্রিয় পেসারদের তালিকায় ইতিমধ্যে স্থান পাওয়া এই গতিতারকা এর মধ্যদিয়ে নিজেকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন। উল্লেখ্য জেমস এন্ডারসন ২৬২টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলে ১হাজার উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন।(তথ্যসূএ: ক্রিকবাজ, উইকিপিডিয়া)।


জেমস এন্ডারসনের ক্যারিয়ারচিএ


জেমস এন্ডারসন ক্রিকেটের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি পেসারদের অন্যতম। টেস্ট ক্রিকেটে ৬০০উইকেট নিয়ে গড়েছেন অনন্য এক মাইলফলক। এছাড়া ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি টেস্ট (১৬২) খেলার রেকর্ড রয়েছে এন্ডারসনের। জেমস এন্ডারসন পেসার  হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ৬০০ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। টেস্ট ক্রিকেটে পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেট(৬১৭) এন্ডারসনের দখলে রয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেট শিকারিদের তালিকায় এন্ডারসন চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ।


টেস্ট ক্যারিয়ার

জেমস এন্ডারসন ২০০৩ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে অভিষিক্ত হন। ইতিমধ্যে ১৬২টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ৬১৭টি উইকেট নিয়েছেন এই তারকা পেসার। টেস্ট ক্রিকেটে ৩০বার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন এই বোলার। এছাড়া এন্ডারসন টেষ্টে ৩বার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন।

ওয়ানডে ক্যারিয়ার


ওয়ানডে ক্রিকেটে জেমস এন্ডারসনের অভিষেক হয় অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০০২ সালে।ওয়ানডে ক্রিকেটে ১৯৪টি ম্যাচ খেলে ২৬৯টি উইকেট নিয়েছেন এই তারকা বোলার। ওয়ানডে ক্রিকেটে ২বার ম্যাচে ৫উইকেট নিয়েছেন এই ইংলিশ পেসার।

টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার


২০০৭ সালে অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে  টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এন্ডারসনের অভিষেক হয়।১৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৮টি উইকেট নিয়েছেন এই তারকা পেসার।

প্রথমশ্রেণীর ক্যারিয়ার

প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটে ইতিমধ্যে জেমস এন্ডারসন ১৬২টি ম্যাচ খেলে ১০০২টি উইকেট নিয়েছেন। প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটে ৫১বার ম্যাচে ৫উইকেট ও ৬বার ম্যাচে ১০উইকেট নিয়েছেন এই পেসার।



প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটে শীর্ষ পাঁচ উইকেটশিকারি


প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটকে বলা হয় ক্রিকেটের সূতিকাগার। অধিকাংশ বিখ্যাত ক্রিকেটার এখানে খেলেই পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফলতা পেয়েছেন। আসুন প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি শীর্ষ পাঁচ বোলারের পরিসংখ্যান দেখে নিই।

উইলফ্রেড রোডস


প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটে সর্বাধিক উইকেট নিয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক বোলার উইলফ্রেড রোডস।রোডস ১১১০টি প্রথমশ্রেণীর ম্যাচ খেলে মোট ৪২০৪টি উইকেট নেন।

টীক ফ্রিম্যান


সাবেক ইংলিশ বোলার টীক ফ্রিম্যান ৫৯২টি প্রথমশ্রেণীর ম্যাচ খেলে ৩৭৭৬টি উইকেট নেন।

চার্লি পার্কার


সাবেক ইংলিশ বোলার ৬৩৫টি প্রথমশ্রেণীর ম্যাচ খেলে মোট ৩২৭৮টি উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন।

জ্যাক হার্ন


ইংল্যান্ডের সাবেক বোলার জ্যাক হার্ন ৬৩৯টি প্রথমশ্রেণীর ম্যাচ খেলে মোট ৩০৬১টি উইকেট নেন।

টম গোডার্ড


সাবেক ইংলিশ বোলার টম গোডার্ড ৫৯৩টি প্রথমশ্রেণীর ম্যাচ খেলে মোট ২৯৭৯টি উইকেট নেন।

                                                                   


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তান বরাবরই শক্তিশালী টিম হিসেবে পরিচিত।দুর্দান্ত সব টিটুয়েন্টি প্লেয়ার দলটিতে রয়েছে। এবং বেশকিছু তরুণ বিগহিটারের সাথে  নিয়ন্ত্রিত গতির একাধিক বোলার পাকিস্তান টিটুয়েন্টি দলের মূল শক্তি। এছাড়া পাকিস্তান টিটুয়েন্টি দলে দারুণ সব স্পিনার রয়েছে। এসবকিছু মিলে পাকিস্তান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে বেশ সফল এক দল হিসেবে স্বীকৃত।


টিটুয়েন্টিতে পাকিস্তানের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যান


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তানের  দুর্দান্তসব ব্যাটসম্যান রয়েছে। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা প্রথাগত টেকনিকের পাশাপাশি কার্যকর পাওয়ারফুল হিটার হিসেবেও সফল। এছাড়া পুরনোদের পাশাপাশি পাকিস্তান টিটুয়েন্টি দলে বেশকিছু সফল তরুণ ব্যাটসম্যান রয়েছে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তানের শীর্ষ দশ ব্যাটসম্যানের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।

মোহাম্মদ হাফিজ

পাকিস্তানের সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মোহাম্মদ হাফিজ সবার শীর্ষে অবস্থান করছেন।এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ১০৬টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৩৮৮ রান করেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে হাফিজের ১৪টি ফিফটি রয়েছে।

শোয়েব মালিক


পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিক ১১৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ২৩২৩ রান করেন। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে শোয়েব মালিকের ৮টি ফিফটিও রয়েছে।

বাবর আজম


এই সময়ের পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান বাবর আজম ইতিমধ্যে ৫৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ২০৩৫ রান। এছাড়া বাবর আজম আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে ১টি সেঞ্চুরি ও ১৮টি ফিফটি করেছেন।

উমর আকমল

উমর আকমল ৮৪টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৮ফিফটিসহ ১৬৯০ রান সংগ্রহ করেন।

আহমেদ শেহজাদ


আহমেদ শেহজাদ পাকিস্তানের অন্যতম সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান।শেওজাদ পাকিস্তানের হয়ে ৫৯টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ১৪৭১ রান সংগ্রহ করেন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে শেওজাদের ১টি সেঞ্চুরি ও ৭টি ফিফটি রয়েছে।

শহিদ আফ্রিদি

শহিদ আফ্রিদি পাকিস্তানের অন্যতম সফল টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান।আফ্রিদি ৯৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ১৪০৫ রান করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে আফ্রিদির ৪টি ফিফটিও রয়েছে।

কামরান আকমল


কামরান আকমল পাকিস্তানের হয়ে ৫৮টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ৫টি ফিফটিসহ মোট সংগ্রহ ৯৮৭ রান ।

ফখর জামান


ফখর জামান এই সময়ের পাকিস্তান ক্রিকেটে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান।ফখর জামান মোট ৪৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর সংগ্রহ  ৯৪৮ রান। এছাড়া আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের ৫টি ফিফটি রয়েছে।

মোহাম্মদ রিজওয়ান

পাকিস্তানের এই সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ রিজওয়ান ৩৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৮৪৩ রান সংগ্রহ করেন। এরসাথে আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে রিজওয়ানের ১টি সেঞ্চুরি ও ৬টি ফিফটি রয়েছে।

সরফরাজ আহমেদ


সরফরাজ আহমেদ ইতিমধ্যে ৬০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর সংগ্রহ ৮১২ রান সাথে রয়েছে ৩টি ফিফটি।


পাকিস্তানের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলার

পাকিস্তান টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শক্তিশালী টিম হিসেবে ইতিমধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছে। এবং এর পেছনে একটি প্রধান কারণ হলো দলটিতে দারুণ সব  টিটুয়েন্টি বোলারের উপস্থিতি।পেস অ্যাটাকের সাথে দুর্দান্ত কিছু টিটুয়েন্টিস্পিনার দলটিতে রয়েছে । এখানে পাকিস্তানের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলারের পরিসংখ্যান তুলে ধরছি।


শহিদ আফ্রিদি


পাকিস্তানের শীর্ষ দশ টিটুয়েন্টি বোলারের তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন শহিদ আফ্রিদি।আফ্রিদি ৯৮টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৯৭টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/১১)।

উমর গুল


উমর গুল পাকিস্তানের হয়ে ৬০টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৮৫টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৫/৬)।

সৈয়দ আজমল


সৈয়দ আজমল পাকিস্তানের অন্যতম সেরা টিটুয়েন্টি বোলার হিসেবে স্বীকৃত।  এই তারকা স্পিনার পাকিস্তানের হয়ে ৬৪টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৮৫টি উইকেট। আজমলের সেরা বোলিং (৪/১৯)।

মোহাম্মদ আমির


মোহাম্মদ আমির পাকিস্তানের এই সময়ের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে পরিচিত।এই তারকা বোলার পাকিস্তানের হয়ে ৫০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ ৫৯ টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/১৩)।

মোহাম্মদ হাফিজ


মোহাম্মদ হাফিজ পাকিস্তানের হয়ে ১০৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলে মোট ৫৫টি উইকেট নিয়েছেন। হাফিজের সেরা বোলিং (৪/১০)।

সোহেল তানভির

সোহেল তানভির ৫৭টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৫৪টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং( ৩/১২)।

সাদাব খান


সাদাব খান পাকিস্তানের হয়ে ৪৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৫৩টি উইকেট নেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/১৪)।

হাসান আলী


হাসান আলী বর্তমানে পাকিস্তানের শীর্ষ টিটুয়েন্টি বোলার হিসেবে পরিচিত।এই তারকা বোলার ৩৬টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৪৮টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৪/১৮)।

ইমাদ ওয়াসিম


ইমাদ ওয়াসিম ৪৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৪৭টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর সেরা বোলিং (৫/১৪)।

ফাহিম আশরাফ


ফাহিম আশরাফ ৪২ টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে মোট ৩৫টি উইকেট নিয়েছেন। ফাহিম আশরাফের সেরা বোলিং (৩/৫)।