WHAT'S NEW?
Loading...
                                                                
                                                   ছবি: জস বাটলার


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সাদা বলের (ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি) ক্রিকেটে ইংল্যান্ড বরাবরই একটি শক্তিশালী টিম। সম্প্রতি জস বাটলার ইংলিশদের সাদা বলের নেতৃত্ব পেয়েছেন। উল্লেখ্য ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ইংলিশরা  বেশকজন চৌকস অধিনায়ক পেয়েছে। সাদা বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সেরা অধিনায়কদের মধ্যে সদ্য অবসরে যাওয়া এউইন মরগান, আলিষ্টার কুক, মাইকেল ভন,নাসের হোসেইন,পল কলিংউডের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এখানে ইংল্যান্ডের সাদা বলের শীর্ষ ক্যাপ্টেনদের রেকর্ডচিত্র তুলে ধরছি।


এউইন মরগান 


এউইন মরগান  সাদা বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক হিসেবে স্বীকৃত।বলা হয় তাঁর নেতৃত্বে ইংলিশরা ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এক অনন্য টিমে পরিণত হয়। এবং মরগানের হাত ধরে ইংলিশরা ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়া ইংল্যান্ডের টিটুয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবেও মরগান সফল এক নাম। উল্লেখ্য মরগান ইতোমধ্যে ইংল্যান্ডকে সর্বাধিক ওয়ানডে (১২৬টি) ও টিটুয়েন্টি (৭২টি) ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন।মরগানের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৬৬টি ওয়ানডে ও ৪২টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ জিতেছে। অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি  ক্রিকেটে মরগানের সাফল্যের হার যথাক্রমে ৬৬.২৫% ও ৬০.৫৬%।




আলিষ্টার কুক 


সাদা বলের ক্রিকেটে (ওয়ানডে) ইংল্যান্ডের সফল অধিনায়কদের মধ্যে আলিষ্টার কুক অন্যতম। সাবেক এই ইংলিশ ব্যাটারের নেতৃত্বে ইংলিশরা একটি টিটুয়েন্টি খেলেছে তবে সেটিতে তাদের হারতে হয়েছে।আলিষ্টার কুক ইংল্যান্ডের ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে চমৎকার সফলতা  দেখাতে সক্ষম হন। কুকের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৬৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৩৬টিতে জয়লাভ করে (সাফল্যের হার ৫৪.৪৭%)।



মাইকেল ভন 


সাদা বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সেরা অধিনায়কদের মধ্যে মাইকেল ভনের নামটিও বলতে হয়।ভন নিজে ব্যাট হাতে যেমন সফল ছিলেন তেমনি ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবেও তাঁর চমৎকার সফলতা রয়েছে। মাইকেল ভনের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৬০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৩২টিতে জয় পায় (সাফল্যের হার ৫৮.৯২%)।



নাসের হোসেইন 


সাদা বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের শীর্ষ ও সফল অধিনায়কদের তালিকায় নাসের হোসেইনের নামটিও উচ্চারিত হয়।নাসের হোসেইন ব্যাট হাতে নিজে যেমন সফল ছিলেন তেমনি ওয়ানডে নেতৃত্বেও তাঁর সফলতা রয়েছে। সাবেক এই ব্যাটারের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৫৬টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ২৮টিতে জয়লাভ করে (সাফল্যের হার ৫০.৯০%)।


পল কলিংউড 


সাদা বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সেরা অধিনায়কদের মধ্যে পল কলিংউড অন্যতম। উল্লেখ্য কলিংউড ইংলিশদের ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি দুধরনের ক্রিকেটেই নেতৃত্ব দিয়েছেন।পল কলিংউড নিজে দুর্দান্ত অলরাউন্ডার ছিলেন এবং একসময় সাদা বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডকে চমৎকার নেতৃত্ব দিয়েছেন।কলিংউডের নেতৃত্বে ইংলিশরা ৩০টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৭টিতে জয় পায় । এছাড়া সাবেক অলরাউন্ডারের নেতৃত্বে ইংলিশরা ২৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ১১টিতে জয়লাভ করে।


                                                                



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে বেসামরিক পদে জনবল নিয়োগসহ দেশের চাকরির বাজারে বেশকিছু পদে জনবল নিয়োগের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া চলছে। এখানে সাম্প্রতিক কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরছি।


বিমানবাহিনীতে নিয়োগ 


বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে বেসামরিক পদে জনবল নিয়োগের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া চলছে। এখানে বিমান বাহিনীর সাম্প্রতিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত তুলে ধরছি।

পদ : গবেষণা সহকারী,অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক,স্টোরম্যান, অফিস সহায়ক,মিস্ত্রি  ক্লাস -১(ইঞ্জিন ফিটার) ,লস্কর , ফায়ার ফাইটার প্রভৃতি পদ।


পদসংখ্যা : ৩৭৪ 


যোগ্যতা : পদভেদে জেএসসি থেকে স্মাতক (সম্মান) ডিগ্ৰি।


বয়স : ১৮ থেকে ৩২ বছর । তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।


প্রার্থীর ধরন : নারী ও পুরুষ।


কর্মস্থল : ঢাকা।


বেতন স্কেল : পদভেদে গ্ৰেড-১৪ থেকে গ্ৰেড-২০।


আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট https://joinairforce-civ.baf.mil.bd)।


আবেদন ফি : পদভেদে ৫০টাকা - ১০০টাকা।


আবেদনের শেষ তারিখ : ১৮ জুলাই,২০২২ (বিকাল ৫টা)।


সূত্র : ঢাকাপোষ্ট 




বাপেক্সে নিয়োগ 


বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লিমিটেড (বাপেক্স) এ জনবল নিয়োগের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া চলছে। এখানে বাপেক্সের সাম্প্রতিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরছি।

পদ : সহকারী ব্যবস্থাপক (ভূতত্ত্ব), সহকারী ড্রিলার, সহকারী কর্মকর্তা (প্রশাসন),স্টোরকিপার,ক্যাশিয়ার,ডেসপাস রাইডার,রিগম্যান, ইলেকট্রিশিয়ান প্রভৃতি পদ।



পদসংখ্যা : ১৪৪ ।



যোগ্যতা : পদভেদে অষ্টম শ্রেণী পাস থেকে স্মাতকোত্তর/ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্মাতক ডিগ্রি।



বয়স : ১৮ থেকে ৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।



বেতন স্কেল : পদভেদে গ্ৰেড-৯ থেকে গ্ৰেড-১৯ ।



আবেদন প্রক্রিয়া : অনলাইন (ভিজিট https://bapex.teletalk.com.bd)।



আবেদন ফি : পদভেদে ১১২টাকা থেকে ৫৬০ টাকা।



আবেদনের শেষ তারিখ : ১৪ জুলাই,২০২২ (বিকাল ৫টা)।



সূত্র : এডুডেইলি ২৪





                                                               
                                             ছবি: এউইন মরগান


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ইংল্যান্ডের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক এউইন মরগান। অধিনায়ক হিসেবে ইংল্যান্ডের সীমিত ওভারের ক্রিকেটে রীতিমতো বাজিমাত করা এই তারকা ব্যাটার আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার ,দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ এসবকিছু মিলিয়ে এউইন মরগান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসের এক অনন্য চরিত্র হিসেবে স্বীকৃত। এউইন মরগানের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে তুলে ধরছি।



মরগানের ক্যারিয়ারচিত্র 


এউইন মরগান ইংল্যান্ডের হয়ে তিন ফরম্যাটেই খেলেছেন ।অবশ্য  মরগানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় আয়ারল্যান্ডের হয়ে ২০০৬ সালে। মরগান ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করেন ২০০৯ সালে। বিশ্বব্যাপী সব বড় ফ্রাঞ্চাইজি লিগেরও নিয়মিত মুখ এই তারকা ব্যাটার।মরগানের ক্যারিয়ারচিত্র এখানে তুলে ধরছি।




টেস্ট ক্যারিয়ার 


ইংল্যান্ডের হয়ে মরগানের টেস্ট অভিষেক হয় ২০১০ সালে। মরগান ১৬টি টেস্ট খেলে ২ সেঞ্চুরি ও ৩টি হাফসেঞ্চুরি সহ মোট ৭০০ রান করেন।


ওয়ানডে ক্যারিয়ার 


মরগান ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড দুদলের হয়েই ওয়ানডে খেলেছেন।মরগানের ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০০৬ সালে আয়ারল্যান্ডের হয়ে। তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে মরগানের সবচেয়ে বড় অর্জন অধিনায়ক হিসেবে ইংল্যান্ডের হয়ে ২০১৯ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ শিরোপা জয়।এউইন মরগান মোট ২৪৮টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৭,৭০১ রান করেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে মরগানের ১৪টি সেঞ্চুরি ও ৪৭টি হাফসেঞ্চুরি রয়েছে।


টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার 


২০০৯ সালে এউইন মরগান( ইংল্যান্ডের হয়ে) প্রথম আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি খেলেন। মরগান মোট ১১৫টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২,৪৫৮ রান করেন।


ফাষ্টক্লাস ক্যারিয়ার 


 মরগান ইংল্যান্ডের বিভিন্ন কাউন্টি দলের পাশাপাশি বিশ্বের সব বড় ফ্রাঞ্চাইজি লিগের নিয়মিত মুখ। মরগান ইতোমধ্যে ইংল্যান্ডের কাউন্টি দল মিডলসেকস, আইপিএল, বিপিএল,বিগব্যাশ,পিএসএলে খেলেছেন।



মরগান সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য 


আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই দেশের(ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড) প্রতিনিধিত্ব এবং অধিনায়ক হিসেবে একটি দেশকে (ইংল্যান্ড) ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করা এক অনন্য ক্রিকেটার এউইন মরগান। মরগান সম্পর্কে বিভিন্ন অজানা তথ্য এখানে তুলে ধরছি।


মরগানের জন্ম আয়ারল্যান্ডে 


এউইন মরগান আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্ৰহন করেন এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকও হয় আয়ারল্যান্ডের হয়ে।


দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট 


এউইন মরগান মরগান এক বিরল ক্রিকেটার যিনি দুই দেশের (ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড)হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন। এছাড়া অধিনায়ক হিসেবে  একটি দেশকে( ইংল্যান্ড) ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেছেন।


দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরি 


এউইন মরগান দুই দেশের (ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড) হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরিও করেছেন।



আয়ারল্যান্ড অনুর্ধ্ব ১৯ এর নেতৃত্ব 


এউইন মরগান আয়ারল্যান্ড অনুর্ধ্ব ১৯ দলের অধিনায়ক ছিলেন।২০০৬ সালের অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে তিনি আইরিশদের অধিনায়ক ছিলেন।


প্রথম আইরিশ ব্যাটার হিসেবে ডাবলসেঞ্চুরি 


এউইন মরগান ২০০৭ সালে আয়ারল্যান্ডের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ফাষ্টক্লাস ক্রিকেটে ডাবলসেঞ্চুরি করেন।


উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার 


মরগান ২০১১ সালের উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার মনোনিত হন।


টিটুয়েন্টি স্পেশালিষ্ট 


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুত রানতোলার অবিশ্বাস্য দক্ষতা রয়েছে মরগানের।আর এজন্য তাকে টিটুয়েন্টি স্পেশালিষ্ট হিসেবে অভিহিত করা হয়।


                                                               
                                                  ছবি: ডেভ হার্টন


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ একসময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের ভালো অবস্থান থাকলেও গত দুই দশকে আফ্রিকার এই দেশটির ক্রিকেটে বাজে সময় যাচ্ছে। যদিও বেশকজন সেরা পারফরমার (ব্রেন্ডন টেলর,হ্যামিল্টন মাসাকাদজা,টেটেন্ডা টাইবু, সিকান্দার রাজা, ক্রেইগ আরভিন প্রমুখ) গত দুই দশক ধরে জিম্বাবুয়ের হয়ে ভালো ক্রিকেট খেলছেন।সম্প্রতি জিম্বাবুয়ের হেডকোচের পদে পরিবর্তন করা হয়েছে।দেশটির সাবেক তারকা ব্যাটার ও সফল কোচ ডেভ হার্টন আবারও জিম্বাবুয়ের হেডকোচ মনোনিত হয়েছেন। আসুন জিম্বাবুয়ের শীর্ষ কোচদের পরিচিতি দেখে নিই।


ডেভ হার্টন 


জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ব্যাটারদের মধ্যে ডেভ হার্টনের নামটিও উচ্চারিত হয়।সম্প্রতি এই কিংবদন্তি জিম্বাবুয়ান ব্যাটারকে দ্বিতীয়বারের জন্য জিম্বাবুয়ের জাতীয় দলের হেডকোচের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য ডেভ হার্টনের কোচিংয়ের অধীনে জিম্বাবুয়ে দল ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে দারুণ পারফরম্যান্স করে সুপার সিক্সে উঠেছিল। উল্লেখ্য সাবেক এই জিম্বাবুয়ান ক্রিকেটার এর আগে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন কাউন্টি দলের কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন।




রবিন ব্রাউন 


জিম্বাবুয়ের  শীর্ষ কোচদের মধ্যে রবিন ব্রাউনের কথা বিশেষভাবে বলতে হয়। উল্লেখ্য রবিন ব্রাউন জিম্বাবুয়ের কোচ হিসেবে বেশকিছু সাফল্যও পেয়েছেন। রবিন ব্রাউন ২০০৭ সালে জিম্বাবুয়ের হেডকোচ মনোনিত হন। তাঁর সময়ে জিম্বাবুয়ে টিম ২০০৭ সালের টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে অষ্ট্রেলিয়াকে হারাতে সক্ষম হয়। যদিও রবিন ব্রাউন জিম্বাবুয়ের কোচ হিসেবে ১২ মাসের বেশি কাজ করার সুযোগ পাননি।



কেবিন কারেন 



জিম্বাবুয়ের শীর্ষ কোচদের তালিকায় কেবিন কারেনের নামটিও উচ্চারিত হয়।কারেন ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের হেডকোচ মনোনিত হন।কারেনের অধীনে জিম্বাবুয়ে টিম ৪০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ১০টিতে জয়লাভ করে।২০০৭ সাল পর্যন্ত কেবিন কারেন জিম্বাবুয়ের হেডকোচের দায়িত্ব পালন করেন।


ডেভ হোয়াটমোর 



জিম্বাবুয়ের শীর্ষ কোচদের মধ্যে ডেভ হোয়াটমোরের নামটিও রয়েছে।হোয়াটমোর ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের হেডকোচ মনোনিত হন। ২০১৬ সাল পর্যন্ত ডেভ হোয়াটমোর জিম্বাবুয়ের কোচের দায়িত্ব পালন করেন।


হিথ স্ট্রিক 



জিম্বাবুয়ের শীর্ষ কোচদের মধ্যে হিথ স্ট্রিক অন্যতম।জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা পেসারদের তালিকায় হিথ স্ট্রিকের নামটিও উচ্চারিত হয়। সাবেক এই জিম্বাবুয়ান ক্রিকেটার ২০১৬ সালে জিম্বাবুয়ের হেডকোচ মনোনিত হন এবং ২০১৯ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন। যদিও স্ট্রিকের অধীনে জিম্বাবুয়ে দল ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হয় ।



লালচাঁদ রাজপুত 



 সর্বশেষ সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার লালচাঁদ রাজপুত  জিম্বাবুয়ের হেডকোচের দায়িত্ব পালন করেন । বর্তমান হেডকোচ ডেভ হার্টনের আগে লালচাঁদ রাজপুত ২০২২  সাল পর্যন্ত ভারতের হেডকোচের দায়িত্ব পালন করেন।



                                                               
                                                ছবি: পিটার সিলার 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের সফল অধিনায়ক ও ব্যাটার পিটার সিলার।মূলত ঘন ঘন ইনজুরির কারণে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। উল্লেখ্য পিটার সিলার নেদারল্যান্ডসকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (২০টি) আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া সিলারের অবসরের ফলে স্কট এডওয়ার্ডস ডাচদের নতুন ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব পেয়েছেন । এখানে নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ ক্যাপ্টেনদের রেকর্ডচিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছি।



নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ ক্যাপ্টেনদের রেকর্ডচিত্র 


আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দুর্বল টিমগুলোর মধ্যে নেদারল্যান্ডস অন্যতম। যদিও নেদারল্যান্ডসে ক্রিকেটের শুরু হয়েছে বহুদিন আগে। নেদারল্যান্ডস ১৯৬৬ সাল থেকে আইসিসির সহযোগী সদস্যভুক্ত দেশ। তবে ডাচরা প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জয় করে ২০০১ সালে (আইসিসি ট্রফি জয়)। যদিও ডাচরা প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্ৰহন করে  ১৯৯৬ সালে।  আসুন নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ ক্যাপ্টেনদের রেকর্ডচিত্র দেখে নিই।




পিটার বোরেন 


আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেদারল্যান্ডসকে সর্বাধিক ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন পিটার বোরেন (২০১০-১৪)।বোরেনের নেতৃত্বে ডাচরা ৩১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ১০টিতে জয় পায় ও ১৯টি ম্যাচে পরাজিত হয় (বাকি ম্যাচগুলোর ফল নিষ্পত্তি হয়নি)।



পিটার সিলার 



নেদারল্যান্ডসকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন সদ্য সাবেক ক্যাপ্টেন পিটার সিলার (২০টি)। পিটার সিলারের নেতৃত্বে ডাচরা ২০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ৬টিতে জয় ও ১৩টিতে পরাজয় বরণ করে (১টি ম্যাচের ফল নিষ্পত্তি হয়নি)।



জিরন স্মিটস 



নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ ক্যাপ্টেনদের মধ্যে জিরন স্মিটস অন্যতম। উল্লেখ্য জিরন স্মিটসের অধীনে ডাচরা সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ (১১টি) জিতেছে।।জিরন স্মিটস ১৭টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে নেতৃত্ব দেন এবং তাঁর নেতৃত্বে ডাচরা ১১ম্যাচে জয় পায় ও ৫টিতে পরাজিত হয়(১টি ম্যাচের ফল নিষ্পত্তি হয়নি)।



লাক ভেন ট্রোষ্ট 



লাক ভেন ট্রোষ্ট নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ ক্যাপ্টেনদের মধ্যে অন্যতম।ট্রোষ্টের নেতৃত্বে ডাচরা ১৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ৭টিতে জয়ী হয় ও ৮টিতে পরাজয় বরণ করে (১টি ম্যাচের ফল নিষ্পত্তি হয়নি)।




রোলেন্ড ফিলিপ লেফেব্রে 



নেদারল্যান্ডসকে সর্বাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেতৃত্ব দানকারী ক্রিকেটারদের মধ্যে রোলেন্ড ফিলিপ লেফেব্রে অন্যতম।নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ ক্যাপ্টেনদের মধ্যেও রোলেন্ড ফিলিপ লেফেব্রে অন্যতম। যদিও সাবেক এই  অধিনায়কের নেতৃত্বে ডাচরা ৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে সবগুলোতে পরাজয় বরণ করে।



                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ বাংলাদেশের বৃহত্তম সেতু পদ্মাসেতু আজ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে । পদ্মাসেতু মূলত পদ্মানদীর উপর নির্মিত সেতু।ধারণা করা হচ্ছে পদ্মাসেতু চালু করার ফলে বিশেষত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় একটি সুফল যুক্ত হবে। আসুন পদ্মাসেতু সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিই।


১. পদ্মাসেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয় - ৭ডিসেম্বর,২০১৪ তারিখে।

২. পদ্মাসেতু প্রকল্পের নাম হচ্ছে - পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প।

৩. পদ্মাসেতুর দৈর্ঘ্য - ৬.১৫ কিমি।

৪. পদ্মাসেতুর প্রস্ত - ৭২ ফুট (চারলেন সড়ক)।

৫. পদ্মাসেতুর সংযোগ সড়ক - দুই প্রান্তে ১৪ কিমি।

৬. পদ্মাসেতু  প্রকল্পে মোট ব্যয় -মূল সেতু  ২৮হাজার ৭৯৩কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

৭. পদ্মাসেতু প্রকল্পে নদীশাসন ব্যয় - ৮ হাজার ৭০৭কোটি ৮১ লাখ টাকা।

৮. পদ্মাসেতু প্রকল্পে মোট জনবল লেগেছে - ৪ হাজার।

৯. পানির স্তর থেকে পদ্মাসেতুর উচ্চতা - ৬০ ফুট।

১০. পদ্মাসেতুর পাইলিং গভীরতা - ৩৮৩ ফুট।

১১. পদ্মাসেতু মোট - ৩টি জেলা নিয়ে অবস্থিত।

১২. পদ্মাসেতু যেসব জেলা নিয়ে অবস্থিত - মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর,মাদারীপুর।

১৩. পদ্মাসেতুর মধ্যে রয়েছে - গ্যাস লাইন, বিদ্যুৎ ও অপটিক্যাল ফাইবার লাইন পরিবহন সুবিধা।

১৪. পদ্মাসেতুর পিলার সংখ্যা - ৪২টি।

১৫. পদ্মাসেতু মূলত দ্বিতলবিশিষ্ট কংক্রিট ও স্টিলের সেতু।

১৬. পদ্মাসেতুর কাজ যথাক্রমে - সেতু , নদীশাসন,জাজিরা সংযোগকারী সড়ক ও টোলপ্লাজা।

১৭. পদ্মাসেতু মূলত - ২১টি জেলার সাথে সংযুক্ত।

১৮. পদ্মাসেতুর ভূমিকম্প সহনীয় মাত্রা - রিকটারস্কেল ৯।

১৯. পদ্মাসেতুর মাধ্যমে যুক্ত হবে - দেশের দক্ষিণ-পঞ্চিমাংশের সাথে উওর-পূর্বাংশ।

২০. পদ্মাসেতু হচ্ছে - বিশ্বের প্রথম কংক্রিট ও স্টিলের তৈরি সেতু।

২১.পদ্মাসেতু রেলসংযোগ প্রকল্প তদারকি করছে - বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বুয়েট।

২২. বিশ্বে সড়কসেতুর তালিকায় পদ্মাসেতু - ২৫তম।

২৩. পদ্মাসেতু চালুর ফলে দেশের জিডিপি বাড়বে - ১.২৩ শতাংশ হারে।

২৪. পদ্মাসেতু চালুর ফলে দেশের দক্ষিণ-পঞ্চিমাঞ্চলের জিডিপি বাড়বে - ২.৩ শতাংশ।

২৫. পদ্মাসেতু প্রকল্পে সর্বশেষ প্রাক্কলিত ব্যয় - ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।


                                                              
                                        ছবি: উইলিয়াম পোটারফিল্ড


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ও সফল ব্যাটার উইলিয়াম পোটারফিল্ড। এর ফলে এই আইরিশ ব্যাটার নিজের ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন। উল্লেখ্য উইলিয়াম পোটারফিল্ড আয়ারল্যান্ডের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে ১১টি সেঞ্চুরি ও ২০ ফিফটিসহ ৪৩৪৩ রান করেন। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে তাঁর মোট রান ১০৭৯। তাঁর নেতৃত্বে আইরিশরা সর্বোচ্চ ৫০টি ওয়ানডে ম্যাচ জিতেছে। এছাড়া আইরিশদের প্রথম টেস্ট অধিনায়কও এই ব্যাটার। এখানে উইলিয়াম পোটারফিল্ডের বিভিন্ন অজানা রেকর্ড তুলে  ধরার চেষ্টা করছি।



সর্বাধিক ওয়ানডে ম্যাচে নেতৃত্ব ও জয় 


উইলিয়াম পোটারফিল্ড আয়ারল্যান্ডকে সর্বাধিক ১১৩টি ওয়ানডে ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া তাঁর নেতৃত্বে আইরিশরা সর্বোচ্চ ৫০টি ওয়ানডে ম্যাচ জিতেছে।


সর্বাধিক টিটুয়েন্টি নেতৃত্ব ও জয় 


উইলিয়াম পোটারফিল্ড আয়ারল্যান্ডের সফলতম টিটুয়েন্টি অধিনায়কও।এই ব্যাটারের নেতৃত্বে আইরিশরা ৫৬টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৬টিতে জয়লাভ করে যা আইরিশ অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ ম্যাচজয়।


সবচেয়ে অভিজ্ঞ অধিনায়ক 


উইলিয়াম পোটারফিল্ডকে আয়ারল্যান্ডের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। তিনি একাধারে আইরিশ অনূর্ধ্ব ১৩ ও ১৯ দল এবং পরবর্তীতে জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব করেছেন।



 প্রথম আইরিশ ব্যাটার হিসেবে হিসেবে ১ হাজার রান 


উইলিয়াম পোটারফিল্ড ২০০৮ সালে( গ্লষ্টারশায়ারের হয়ে ) প্রথম আইরিশ ক্রিকেটার হিসেবে ডমেষ্টিক ক্রিকেটে ১হাজার করেন।


ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ 


২০০৭ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে এক ওয়ানডে ম্যাচে পোটারফিল্ড কেবিন ওব্রায়েনের সাথে ২২৭ রানের বিশাল পার্টনারশিপ গড়েন যা আইরিশ ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ।


আইসিসি এসোসিয়েট প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার ২০০৯ 


২০০৯ সাল পোটারফিল্ডের ক্যারিয়ারের এক বিশেষ অধ্যায় হিসেবে স্বীকৃত।২০০৯ সালে পোটারফিল্ড ৮ ম্যাচে(৫৯.১৪ গড়ে) ৪১৪ রান করেন এবং এজন্য আইসিসি সেই বছর তাকে এসোসিয়েট প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার মনোনিত করে।



বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচে নেতৃত্ব 


উইলিয়াম পোটারফিল্ড আয়ারল্যান্ডকে রেকর্ড দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া তাঁর নেতৃত্বে আইরিশরা বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১২টি ম্যাচ খেলেছে।


                                                              
                                           ছবি: মুস্তাফিজুর রহমান


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেট বোলারদের জন্য আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং।কারণ টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এই যুগে ব্যাটারদের হাতে আগের চেয়ে বেশি শট থাকে। এছাড়া এখন হরহামেশা ওয়ানডে ক্রিকেটে তিনশপ্লাস রান হচ্ছে।আর এসবকিছু মিলিয়ে এখনকার ওয়ানডে ক্রিকেট বোলারদের জন্য কঠিন এক জায়গা।তবু সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেও  এই সময়ের (গত দশক ও বর্তমান)  ওয়ানডে ক্রিকেটে যে বোলাররা সর্বোচ্চ সফলতা পেয়েছেন তাদের মধ্য থেকে সেরা পাঁচ জনের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।



এই সময়ের সেরা পাঁচ ওয়ানডে বোলার 


টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের এই যুগে ওয়ানডে ক্রিকেটে বোলারদের  বাড়তি চ্যালেঞ্জ নিয়ে খেলতে হয়।এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটের সেরা বোলারদের তালিকায় বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান, পাকিস্তানের হাসান আলী, আফগানিস্তানের রশিদ খান,অষ্ট্রেলিয়ার জস হার্জেলউড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেমার রোচের নাম বিশেষভাবে উচ্চারিত হয়। এছাড়া এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটের সেরা বোলারদের (ম্যাচে পাঁচ উইকেট বিবেচনায়) মধ্যে ওমানের বিলাল খানের কথাও বলতে হয় যদিও এই বোলার তুলনামূলকভাবে দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সফলতা পেয়েছেন। এই সময়ের সেরা পাঁচ (সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকার ও প্রতিপক্ষ বিবেচনায়) ওয়ানডে বোলারের পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরছি।


মুস্তাফিজুর রহমান 


গত দশক ও এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটের সেরা পাঁচ বোলারের তালিকায় বাংলাদেশের কাটারমাষ্টার মুস্তাফিজুর রহমানের নামটি বিশেষভাবে উচ্চারিত হয়। এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকার  বিবেচনায় শীর্ষ সেরা বোলার এখন মুস্তাফিজুর রহমান। উল্লেখ্য মুস্তাফিজুর রহমান ইতোমধ্যে ৭৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ১৩১টি উইকেট নিয়েছেন যেখানে ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন ৫বার।



হাসান আলী 


দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের ওয়ানডে বোলিংয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন পেসার হাসান আলী।এই সময়ের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে (ওয়ানডে) সেরা পাঁচ বোলারের তালিকায়ও পাকিস্তানের হাসান আলীর নামটি উচ্চারিত হয়। এছাড়া এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকারির তালিকার শীর্ষ পাঁচেও এই বোলার রয়েছেন। উল্লেখ্য এই পাক পেসার ইতোমধ্যে ৬০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৯১টি উইকেট নিয়েছেন (ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন ৪বার)।


রশিদ খান 


এই সময়ের সেরা পাঁচ ওয়ানডে বোলারের তালিকায় আফগানিস্তানের স্পিনার রশিদ খানের নামটিও রয়েছে।বিশেষত গত দশক ও বর্তমান সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকারির মধ্যে রশিদ খান অন্যতম। উল্লেখ্য রশিদ খান ইতোমধ্যে ৮৩টি ওয়ানডে খেলে ১৫৮টি উইকেট শিকার করেছেন। রশিদ খান ইতোমধ্যে ওয়ানডে ক্রিকেটে ৪বার ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।



জস হার্জেলউড 


জস হার্জেলউড দীর্ঘদিন ধরে অষ্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণে নির্ভরতার প্রতীক হয়ে রয়েছেন ।গত দশক ও এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটের সেরা পাঁচ বোলারের তালিকায়ও এই অজি পেসারের নাম রয়েছে। এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকারির তালিকার শীর্ষ পাঁচেও হার্জেলউডের নাম রয়েছে। উল্লেখ্য জস হার্জেলউড ইতোমধ্যে ৫৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে মোট ৯৫টি উইকেট নিয়েছেন যেখানে ৩বার ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।



কেমার রোচ 


গত দশক ও এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটে সেরা বোলারদের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেমার রোচের নামটিও উচ্চারিত হয়। যদিও রোচ (২০০৮-২০২২)তুলনামূলকভাবে কম ওয়ানডে (৯৫টি) খেলার সুযোগ পেয়েছেন। উল্লেখ্য এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকারির তালিকার শীর্ষ পাঁচেও এই পেসারের নাম রয়েছে।কেমার রোচ ইতোমধ্যে ৯৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ১২৫টি উইকেট নিয়েছেন (ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন ৩বার)।



                                                             


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আগামী ২১ নভেম্বর শুরু হবে ২০২২ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। এবারের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ কাতার। আসুন আসন্ন ফিফা কাতার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত টিম ও গ্ৰুপ  দেখে নিই।



কাতার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত টিম 

অবশেষে ফিফা কাতার বিশ্বকাপের ৩২ টিমের নাম চূড়ান্ত হয়েছে। আসন্ন ফিফা কাতার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ৩২ টিমের নাম দেখে নিন।

কাতার, নেদারল্যান্ডস,সেনেগাল, ইকুয়েডর, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র,ওয়েলস,ইরান, আর্জেন্টিনা,পোলান্ড, মেক্সিকো, সৌদি আরব,ফ্রান্স,ডেনমার্ক, তিউনিসিয়া, অষ্ট্রেলিয়া, জার্মানি,স্পেন, জাপান,কোষ্টারিকা, বেলজিয়াম,ক্রোয়েশিয়া,কানাডা,মরক্কো, ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড,সার্বিয়া,ক্যামেরুন, পর্তুগাল, উরুগুয়ে, দক্ষিণ কোরিয়া,ঘানা।


কাতার বিশ্বকাপের গ্ৰুপ 

২০২২ ফিফা কাতার বিশ্বকাপের গ্ৰুপ ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। কাতার বিশ্বকাপে কোন দেশ কোন গ্ৰুপে পড়েছে সেটি এখানে তুলে ধরছি।


গ্ৰুপ এ 

কাতার, ইকুয়েডর,সেনেগাল, নেদারল্যান্ডস


গ্ৰুপ বি 

ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র,ওয়েলস,ইরান 


গ্ৰুপ সি 

আর্জেন্টিনা, পোলান্ড, মেক্সিকো, সৌদি আরব


গ্ৰুপ ডি 


ফ্রান্স,ডেনমার্ক, তিউনিসিয়া,অষ্ট্রেলিয়া 


গ্ৰুপ ই 


জার্মানি, স্পেন,জাপান,কোষ্টারিকা


গ্ৰুপ এফ 


বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া ,কানাডা, মরক্কো 


গ্ৰুপ জি 


ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড, সার্বিয়া, ক্যামেরুন 


গ্ৰুপ এইচ 


পর্তুগাল, উরুগুয়ে, দক্ষিণ কোরিয়া, ঘানা



                                                          
                                               ছবি:লর্ডস



প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ক্রিকেটের জন্মস্থান ইংল্যান্ড।ফলে ক্রিকেটের ইতিহাসের সাথে ইংল্যান্ডের নামটি গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ইংল্যান্ডে যেমন ক্রিকেটের দীর্ঘকালের ঐতিহ্য রয়েছে তেমনি বহু বিখ্যাত ক্রিকেটারের জন্মস্থানও এই দেশ। ইংল্যান্ডের প্রাচীন ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোও ক্রিকেটের ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে লর্ডস,দি ওভাল,ওল্ড ট্রাফোর্ড, এজবাস্টন,ট্রেন্টব্রিজের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এখানে ইংল্যান্ডের শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর পরিচিতি তুলে ধরার চেষ্টা করছি (তথ্যসূত্র : স্পোর্টসপেরি)।



লর্ডস 



ক্রিকেটের প্রাচীনতম মাঠ লর্ডস।এই মাঠটি ১৮১৪ সালে তৈরি করা হয়। ইংল্যান্ডের এই মাঠে বহু বিখ্যাত ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এখনও নিয়মিত এই মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়ে থাকে। দর্শকধারণক্ষমতা বিবেচনায় ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় মাঠ লর্ডস।লর্ডসের দর্শকআসন সংখ্যা ৩০,০০০। অর্থাৎ এই মাঠে একসাথে ৩০ হাজার দর্শক খেলা দেখতে পারেন।



ওল্ড ট্রাফোর্ড ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড 



ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ও শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে ওল্ড ট্রাফোর্ড ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড অন্যতম।এই মাঠে ১৮৫৭ সালে প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।এই মাঠটির দর্শকআসন সংখ্যা ২৬,০০০ । অর্থাৎ এই মাঠে একসাথে ২৬ হাজার দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।


দি ওভাল 



ইংল্যান্ডের শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে দি ওভাল অন্যতম।এই মাঠটি ১৮৪৫ সালে তৈরি করা হয়। দর্শকধারণক্ষমতা বিবেচনায় এটি ইংল্যান্ডের তৃতীয় বৃহৎ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড।এই মাঠের দর্শকআসন সংখ্যা ২৫,৫০০। অর্থাৎ এই মাঠে একসাথে ২৫,৫০০ দর্শকের জন্য খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।




এজবাষ্টন ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড 



এজবাষ্টন ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড ইংল্যান্ড তথা ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রাচীন মাঠগুলোর একটি।এই মাঠটি  ১৮৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত  হয়।এই মাঠটির দর্শকআসন সংখ্যা ২৫,০০০। অর্থাৎ এই মাঠে একসাথে ২৫ হাজার দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া  দর্শকধারণক্ষমতা বিবেচনায় এটি ইংল্যান্ডের চতুর্থ শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড।




রোজবুল ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড 




ইংল্যান্ডের নতুন তৈরিকৃত ক্রিকেটগুলোর মধ্যে রোজবুল ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড অন্যতম।এই মাঠটি ২০০১ সালে তৈরি করা হয়। দর্শকআসন সংখ্যা বিবেচনায় এটি ইংল্যান্ডের পঞ্চম শীর্ষ ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড।এই ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডটির দর্শকধারণক্ষমতা ২৫ হাজার। অর্থাৎ এই মাঠে একসাথে ২৫ হাজার দর্শকের খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।




হেডিংলি লিডস ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড 



ইংল্যান্ড তথা ক্রিকেটের পুরনো মাঠগুলোর একটি হেডিংলি লিডস ক্রিকেট গ্ৰাউন্ড।এই ক্রিকেট গ্ৰাউন্ডটি ১৮৯০ সালে তৈরি করা হয়।এই মাঠের দর্শকধারণক্ষমতা ১৮,৩৫০। অর্থাৎ এই মাঠে একসাথে ১৮,৩৫০ জন দর্শক ক্রিকেট উপভোগ করতে পারেন। উল্লেখ্য এই মাঠে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়ে থাকে।





ট্রেন্টব্রিজ 



ইংল্যান্ড তথা ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রাচীন  গ্ৰাউন্ডগুলোর মধ্যে ট্রেন্টব্রিজ অন্যতম।এই মাঠে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়ে থাকে।ট্রেন্টব্রিজ ১৮৪১ সালে তৈরি করা হয়।এই মাঠটির দর্শকআসন সংখ্যা ১৭৫০০। অর্থাৎ এই মাঠে একসাথে ১৭,৫০০ দর্শকের জন্য খেলা দেখার সুবিধা রয়েছে।


                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আগামী ৩১ জুলাই শুরু হবে এবারের লংকান প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল)।সম্প্রতি লংকান ক্রিকেট বোর্ড ২০২২ সালের এলপিএল শুরুর তারিখ ঘোষণা করে। উল্লেখ্য এবারের এলপিএল শুরু হবে আগামী ৩১ জুলাই ও শেষ হবে ২১ আগষ্ট।২০২২ এলপিএলের টিম সংখ্যা,ভেন্যু ও বিগত এলপিএলের বিভিন্ন রেকর্ড ইত্যাদি দেখে নিন।


২০২২ এলপিএলের সময়সূচি 


২০২২ সালের লংকান প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) মাঠে গড়াবে আগামী ৩১ জুলাই ও শেষ হবে ২১ আগষ্ট।


২০২২ এলপিএলের টিম 


এবারের এলপিএলেও যথারীতি পাঁচটি টিম অংশগ্রহণ করবে। এলপিএলের পাঁচ টিম যথাক্রমে গল গ্ল্যাডিয়েটর্স,জাফনা কিংস,কলম্বো স্টারস, ক্যান্ডি ওয়ারিয়র্স ও ডাম্বুলা জায়ান্টস।এছাড়া এবার এলপিএলে মোট ২৪টি ম্যাচ হবে।


২০২২ এলপিএলের ভেন্যু 


এবারের লংকান প্রিমিয়ার লিগের খেলা দুটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।লিগপর্বের ম্যাচগুলি হবে কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে এবং নকআউট পর্বের খেলাগুলি হবে হাম্বানটোটায়।


এলপিএলের বিভিন্ন রেকর্ড 


লংকান প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) এর এবারের আসর আগামী ৩১ জুলাই শুরু হবে। এখানে বিগত  এলপিএলের বিভিন্ন রেকর্ড তুলে ধরছি।

সর্বাধিক রান  - ধানুস্কা গুণাতিলকে ২০ ম্যাচে ৭২০ রান।

সেরা ইনিংস - লুরি ইভান্স (অপরাজিত ১০৮ রান)।

সর্বাধিক ছক্কা - আভিস্কা ফার্নান্ডো (৩৯টি)।

সর্বোচ্চ স্টাইকরেট - থিসারা পেরেরা (২০৭.৮৩)।

সর্বাধিক উইকেট- ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২০ ম্যাচে ২৮উইকেট ।

সেরা বোলিং ফিগার - জেফরি ভেন্ডারসে (৬/২৫)।

সর্বাধিক মেডেন - ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (৩টি)।

সেরা বোলিং ইকোনমি রেট - ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (৫.৯৮)।






                                                                  


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে দৃষ্টিপাত করলে বেশকজন বিখ্যাত ব্যাটারের সন্ধান পাওয়া যায় যাদের রেকর্ড এখনো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।এক্ষেত্রে ওয়ানডে ক্রিকেটের বিখ্যাত ব্যাটারদের মধ্যে ভারতের শচিন টেন্ডুলকার,অষ্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং, শ্রীলঙ্কার সনাথ জয়াসুরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকার এবি ডিভিলিয়ার্স, পাকিস্তানের সাঈদ আনোয়ারের নাম বিশেষভাবে উচ্চারিত হয়।আর এই সময়ের (গত দশক ও বর্তমান সময়) সেরা  ওয়ানডে ব্যাটারদের কথা বলতে গেলে প্রথমেই ভারতের বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা তারপর যথাক্রমে  পাকিস্তানের বাবর আজম , দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক, অষ্ট্রেলিয়ার অ্যারন ফিঞ্চের নাম আসে। আসুন ওয়ানডে সেঞ্চুরির পরিসংখ্যান বিবেচনায় এই সময়ের সেরা পাঁচ ওয়ানডে ব্যাটারের পরিসংখ্যান দেখে নিই।


বিরাট কোহলি 


গত দশক ও বর্তমান সময়ের সেরা ওয়ানডে ব্যাটার হিসেবে বিরাট কোহলির নাম প্রথমেই উচ্চারিত হয়। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে কোহলি ইতোমধ্যে এক কিংবদন্তির  স্বীকৃতি পেয়েছেন।ওয়ানডে ক্রিকেটে কোহলি ইতোমধ্যে ৪৩টি সেঞ্চুরি করেছেন যা এই ফরম্যাটের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ(এছাড়া ৬৪টি হাফসেঞ্চুরি রয়েছে)। ওয়ানডে ফরম্যাটে সেঞ্চুরির হিসেবে শুধুমাত্র শচিন টেন্ডুলকার(৪৯সেঞ্চুরি) তাঁর উপরে রয়েছেন।


রোহিত শর্মা 


একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে (ওয়ানডে) গত দশক ও বর্তমান সময়ের বিবেচনায় সেরা এক ব্যাটার ভারতের রোহিত শর্মা। ওয়ানডে ক্রিকেটে ইতোমধ্যে সবচেয়ে বেশি ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন এই ডানহাতি ওপেনার। এছাড়া ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিও(২৯টি) রোহিত শর্মার দখলে(৪৪টি হাফসেঞ্চুরিও রয়েছে)। বীরেন্দর শেবাগের পর রোহিতকে ভারতের সবচেয়ে  মারকুটে ওয়ানডে ওপেনারের স্বীকৃতি দেয়া হয়।


বাবর আজম 


পাকিস্তানের বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ব্যাটার বাবর আজম। ক্যালকুলেটেড ব্যাটিংয়ের জন্য বিখ্যাত এই ডানহাতি ওপেনার গত দশক ও বর্তমান সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটের সেরা পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে অন্যতম।বাবর আজম ইতোমধ্যে ওয়ানডে ক্রিকেটে ১৭টি সেঞ্চুরি  করেছেন যা পাকিস্তানি হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (প্রথম সাঈদ আনোয়ার যার  ২০টি ওয়ানডে সেঞ্চুরি ছিল)। এছাড়া বাবর আজম ওয়ানডে ক্রিকেটে ১৯টি ফিফটি পূর্ণ করেছেন।


কুইন্টন ডি কক 


দক্ষিণ আফ্রিকার গত দশক ও বর্তমান সময়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ওয়ানডে ওপেনার হিসেবে কুইন্টন ডি ককের নাম উচ্চারিত হয়।গত দশক ও বর্তমান সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটের সেরা ব্যাটারদের মধ্যেও কুইন্টন ডি কক অন্যতম।পরিশ্রমী ব্যাটার হিসেবে পরিচিত ডি কক ইতোমধ্যে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৭টি সেঞ্চুরি করেছেন যা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ ওয়ানডে সেঞ্চুরির রেকর্ড। এছাড়া ডি কক ওয়ানডে ক্রিকেটে ২৮টি ফিফটিও করেছেন। 





অ্যারন ফিঞ্চ 


অ্যারন ফিঞ্চ দীর্ঘদিন ধরে অষ্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে ওপেনিংয়ে নির্ভরতার প্রতীক হয়ে রয়েছেন।ফিঞ্চ ওয়ানডে ক্রিকেটে সেরা এক ক্লিনহিটার হিসেবেও স্বীকৃত।গত দশক ও এই সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল ব্যাটারদের মধ্যেও অষ্ট্রেলিয়ার ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ অন্যতম। এই ডানহাতি ওপেনার ইতোমধ্যে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৭টি সেঞ্চুরি ও ২৯টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন।



                                                                 

   


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃদেশের চাকরির বাজারের নতুন কিছু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে নিন।


প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে নিয়োগ

সম্প্রতি ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের সাম্প্রতিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত দেখে নিন।


পদ : নিরাপত্তা প্রহরী,অফিস সহায়ক,গাড়ীচালক ।


পদসংখ্যা : ২৮২ 


যোগ্যতা : পদভেদে অষ্টম শ্রেণী পাস থেকে এসএসসি বা সমমান।



বয়স : ১৮-৩০ বছর।তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেএে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।



বেতনস্কেল : পদভেদে গ্ৰেড-১৬ থেকে গ্ৰেড-২০।



আবেদন প্রক্রিয়া : অনলাইন ( ভিজিট http://pkb.teletalk.com)।



আবেদন ফি : পদভেদে ৫৬টাকা থেকে ১১২টাকা।



আবেদনের শেষ তারিখ : ৬ জুলাই,২০২২।


সূত্র :  প্রথম আলো অনলাইন




পূবালী ব্যাংকে নিয়োগ 


দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংক 'পূবালী ব্যাংক লিমিটেড' এ জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।


পদ : সিনিয়র সফটওয়্যার ডেভেলপার, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (কম্পিউটার)/প্রিন্সিপাল অফিসার ( কম্পিউটার), সফটওয়্যার ডেভেলপার, টেকনিক্যাল রাইটার,ডাটা এনালিষ্ট প্রভৃতি পদ।



পদসংখ্যা : ৮১ 



যোগ্যতা : বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স / কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং।



বয়স : পদভেদে সর্বোচ্চ ৩০-৩৮ বছর।



আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইন (ভিজিট https://www.pubalibangla.com/career.asp)।


আবেদনের শেষ তারিখ : ৩০ জুন,২০২২।


সূত্র : প্রথম আলো অনলাইন


                                                                 


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এ মাসের ১৯ তারিখে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২২ সালের এসএসসি  পরীক্ষা। ইতোমধ্যে এবারের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ও নম্বরবন্টনের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য  পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে আগামী ২৫জুন তাই এই তারিখের ইংরেজি ২য় পত্র পরীক্ষা একদিন আগে অর্থাৎ ২৪জুন, শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে।এখানে ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ও নম্বরবন্টনের বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।



২০২২ এর এসএসসি  পরীক্ষার সময়সূচি ও নম্বরবন্টন 


আগামী ১৯জুন এবারের এসএসসি  পরীক্ষা শুরু হবে । এবার এসএসসি পরীক্ষায় ৪টি বিষয় ছাড়া বাকি সব বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে।২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও বিজ্ঞান বিষয় থাকছে না।এসব বিষয়ের মূল্যায়ন সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে করা হবে।


পরীক্ষার সময়সূচি 


এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মোট দুই ঘন্টার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে ২০ মিনিট সময় থাকবে নৈব্যক্তিক অংশের জন্য ও ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট সময় থাকবে রচনামূলক অংশের জন্য।


নম্বরবন্টন


এবারের এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয় ও পত্রের পূর্ণমান হবে ব্যবহারিকছাড়া ৫৫ নম্বর ও ব্যবহারিক রয়েছে এমন বিষয়ে ৪৫ নম্বর।


২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার নম্বরবন্টন 


২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ১৯ জুন। এখানে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে তা দেখে নিন।


বাংলা ১ম পত্র  - (রচনামূলক ৪০ + নৈব্যক্তিক ১৫) ।

বাংলা ২য় পত্র - ( রচনামূলক ৪০ + নৈব্যক্তিক ১৫) ।

ইংরেজি ১ম পত্র  - রচনামূলক  ৫০ নম্বর ।

ইংরেজি ২য় পত্র - রচনামূলক ৫০ নম্বর।

গণিত - (রচনামূলক ৪০ + নৈব্যক্তিক ১৫)।

পদার্থ বিজ্ঞান - (রচনামূলক ৩০+ নৈব্যক্তিক ১৫) ।

রসায়ন বিজ্ঞান - ( রচনামূলক ৩০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

জীব বিজ্ঞান - ( রচনামূলক ৩০ + নৈব্যক্তিক ১৫)।

উচ্চতর গণিত - ( রচনামূলক ৩০ + নৈব্যক্তিক ১৫) ।

হিসাববিজ্ঞান - (রচনামূলক ৪০ + নৈব্যক্তিক ১৫)।

ব্যবসায় উদ্যোগ - ( রচনামূলক ৪০+ নৈব্যক্তিক ১৫) ।

ফিনান্স ও ব্যাংকিং - (রচনামূলক ৪০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

বাংলাদেশের ইতিহাস ওবিশ্বসভ্যতা - ( রচনামূলক ৪০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

ভূগোল ও পরিবেশ - (রচনামূলক ৪০+নৈব্যক্তিক ১৫)।

পৌরনীতি ও নাগরিকতা - (রচনামূলক ৪০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

অর্থনীতি - (রচনামূলক ৪০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান - (রচনামূলক ৩০+ নৈব্যক্তিক ১৫)।

কৃষি শিক্ষা - (রচনামূলক ৩০+নৈব্যক্তিক ১৫)।


২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন 


২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন দেখে নিন।

                                                               
                                                               

                                                                         

                                                             




প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ শরীরের বাড়তি ওজন প্রায়শই অস্বস্তিকর হয়ে যায়। শরীরের ওজন বেশি বেড়ে গেলে কর্মক্ষমতা কমে যায় । এছাড়া এরফলে শরীরে বিভিন্ন জটিল রোগবালাই বাসা বাঁধতে পারে।আর তাই শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যবিদরা নিয়মিত ব্যায়ামের পরামর্শ দেন।যদিও কাজের ব্যস্ততায় কিংবা অনেকের ক্ষেত্রে আলস্যের জন্যেও নিয়মিত ব্যায়াম করা হয়ে উঠে না।আর এসব বিষয় বিবেচনা করে এখানে ব্যায়াম ছাড়া শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর কিছু উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো(সূত্র : টাইমস অফ ইন্ডিয়া)।


নিয়মিত ডিম খেতে পারেন


অনেকেই সকালে নিয়মিত পাউরুটি,দুধ ইত্যাদি খাবার খান যা সহজে শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়।তবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে এসব খাবারের বদলে প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন সিদ্ধ ডিম খেতে পারেন।সিদ্ধ ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকবে এবং এরফলে খিদে কম পায় যা শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে চমৎকার সহায়তা করে।


ধীরে ধীরে খাবার গ্ৰহন করুন 


শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে খাবার গ্ৰহনের সময় ধীরে ধীরে সময় নিয়ে খাবার খান। খাবার ভালো ভাবে চিবিয়ে খান।এর ফলে খাবার ভালোভাবে হজম হবে এবং এ প্রক্রিয়ায় খাবার গ্ৰহন করলে শরীরের ওজন সহজে বাড়বে না।


অস্বাস্থ্যকর খাবার কম খান 


অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বিস্কুট, চানাচুর ,মিষ্টি,চিপস ইত্যাদি খাবার কম খান।এসব খাবার সহজে শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়।তাই যখন পেটে খিদে অনুভূত হয় তখন মিষ্টি,চিপস এসব খাবারের বদলে ফল বা বাদামজাতীয় খাবার খেতে পারেন এবং এরফলে সহজে শরীরের ওজন বাড়বে না।


খাওয়ার আগে পানি পান করুন


অনেকেই খেতে বসলে অতিরিক্ত খাবার গ্ৰহন করে ফেলেন আর এতে শরীরের ওজন বেড়ে যায়।তাই শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে বিশেষত দুপুর ও রাতের খাবার গ্ৰহনের আগে পানি পান করুন। এছাড়া দৈনিক নিয়ম মেনে পানি পান করুন। দৈনিক যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করলে অতিরিক্ত খিদে দূর হয় ও হজম ভালো হয়।


কৃত্রিম পানীয় এড়িয়ে চলুন 



বলা হয় শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে কিছু বিষয়ে সচেতনতা প্রয়োজন।যেমন বাইরে বেরোলে অনেকে মুখরোচক কৃত্রিম জুস,লাচ্চি ইত্যাদি খেতে পছন্দ করেন যা শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়।তাই শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে অবশ্যই কৃত্রিম জুস ইত্যাদি পানীয় এড়িয়ে চলুন।এর বদলে কম চিনি দিয়ে বা চিনিছাড়া চা,কফি খেতে পারেন।


মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন 



স্বাস্থ্যবিদদের মতে মানসিক চাপ অনেক ক্ষেত্রে শরীরের ওজন বাড়িয়ে দিতে সক্ষম।কারণ মানসিক চাপ প্রায়শ ঘুমে ব্যাঘাত ইত্যাদি সমস্যা সৃষ্টি করে যা শরীরের ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে।তাই শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।


প্রচুর সবজি খান 



শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে নিয়মিত সবজি খাওয়ার অভ্যাস করুন।বিশেষত শিম জাতীয় সবজি নিয়মিত খান।পাতে সবজি থাকলে সহজে পেট ভরে যাবে আর এতে শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে।


সালাদ খান 



খাবার গ্ৰহনের সময় গাজর,শশা দিয়ে তৈরি সালাদ খাওয়ার অভ্যাস করুন।এরফলে সহজে শরীরের ওজন বাড়বে না। এছাড়া সালাদ হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।


চর্বিযুক্ত মাংস , ভাজাপোড়া কম খান 



শরীরের ওজন বাড়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তেলযুক্ত ভাজাপোড়া খাবার ও চর্বিযুক্ত মাংসের বিশেষ ভূমিকা থাকে।তাই শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে চর্বিযুক্ত মাংস ও ভাজাপোড়া খাবার কম খেতে হবে।




                                                                


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ইতোমধ্যে সবচেয়ে বড় রানচেজের রেকর্ড অষ্ট্রেলিয়ার ।২০১৮ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষে ব্যাট করতে নেমে অজিরা ২৪৫/৫ করে ম্যাচ জেতে। এখনপর্যন্ত আর কোন টিম আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে এতো রান চেজ করতে পারেনি।সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতের বিপক্ষে শেষে ব্যাট করতে নেমে ২১২/৩ রান করে ম্যাচ জেতে যা আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে সপ্তম  সফল রানচেজের রেকর্ড। আসুন আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের সফল  রানচেজের রেকর্ডগুলো দেখে নিই।


অষ্ট্রেলিয়া ২৪৫/৫,২০১৮ 


আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় রানচেজের রেকর্ড অষ্ট্রেলিয়ার দখলে রয়েছে।২০১৮ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষে ব্যাট করে (অকল্যান্ডে) অজিরা ২৪৫/৫ করে ম্যাচে জয়লাভ করে।


ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৩৬/৬,২০১৫


২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে(জোহানেসবার্গে) আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানচেজের একটি রেকর্ড গড়ে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ।সেই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষে ব্যাট করতে নেমে ২৩৬/৬ করে ম্যাচ জেতে।


ইংল্যান্ড ২৩০/৮,২০১৬ 


ইংল্যান্ড ২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে (ওয়াংখেড়েতে) এক আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচে রেকর্ড রান চেজ করে(২৩০/৮) জয়লাভ করে।


ইংল্যান্ড ২২৬/৫,২০২০ 


২০২০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরিয়নে এক টিটুয়েন্টি ম্যাচে ইংল্যান্ড রেকর্ড রান চেজ করে (২২৬/৫) জয়লাভ করে।


বাংলাদেশ ২১৫/৫,২০১৮ 


২০১৮ সালে কলম্বোতে অনুষ্ঠিত টিটুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিশাল টার্গেট(২১৫/৫) অতিক্রম করে জয়লাভ করে।এটি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টির ইতিহাসে অন্যতম সেরা রানচেজের রেকর্ড।


অষ্ট্রেলিয়া ২১৪/৪,২০১০


২০১০ সালে ক্রাইষ্টচার্চে অষ্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডের দেয়া বিশাল একটি রান তাড়া করে(২১৪/৪) ম্যাচ ড্র করে। আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এটিও অন্যতম সেরা রানচেজের রেকর্ড।


দক্ষিণ আফ্রিকা ২১২/৩, ২০২২ 


সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতের বিপক্ষে চলমান পাঁচ ম্যাচ টিটুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বিশাল রান (২১২/৩) তাড়া করে ম্যাচ জেতে যা আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ রানচেজের রেকর্ড।


                                                              


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মিতালী রাজ।এর ফলে দীর্ঘ ২৩ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন এই সফল নারী ক্রিকেটার। উল্লেখ্য ১৯৯৯ সালে ভারতের জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের হয়ে মিতালী রাজের অভিষেক হয়। মিতালী রাজের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও রেকর্ড এখানে তুলে ধরছি।


 মিতালী রাজের ক্যারিয়ারচিত্র 

মিতালী রাজ ভারতীয় নারী ক্রিকেটের সবচেয়ে সফলদের মধ্যে অন্যতম। আসুন সফল এই নারী ক্রিকেটারের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিই।


টেস্ট ক্যারিয়ার 


মিতালী রাজের টেস্ট অভিষেক হয় ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।মিতালী রাজ ভারতের নারী ক্রিকেট দলের হয়ে ১২টি টেস্ট খেলেছেন যেখানে তিনি ব্যাট হাতে ৬৯৯ করেন। মিতালী রাজের ১টি টেস্ট সেঞ্চুরি ও ৪টি টেস্ট হাফসেঞ্চুরি রয়েছে।


ওয়ানডে ক্যারিয়ার 


১৯৯৯ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মিতালী রাজের ওয়ানডে অভিষেক হয় । তিনি ভারতের নারী ক্রিকেট দলের হয়ে ২৩২টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর রানসংখ্যা(৭টি সেঞ্চুরি ও ৬৪টি হাফসেঞ্চুরিসহ) ৭,৮০৫। 


টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার 


আন্তর্জাতিক নারী টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে মিতালী রাজের অভিষেক হয় ২০০৬ সালে (প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড)। এছাড়া মিতালী রাজ ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের হয়ে ৮৯টি আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলেন যেখানে তিনি ব্যাট হাতে ১৭টি হাফসেঞ্চুরিসহ মোট  ২,৩৬৪ রান করেন।





মিতালী রাজের অজানা রেকর্ড 


ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা নারী ক্রিকেটার হিসেবে মিতালী রাজের নামটিও উচ্চারিত হয়। আসুন এই সফল নারী ক্রিকেটারের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন অজানা রেকর্ড জেনে নিই।


১. আন্তর্জাতিক  নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বাধিক হাফসেঞ্চুরি মিতালী রাজের।


২. এই মুহূর্তে নারী ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের মালিক মিতালী রাজ।


৩. নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে রেকর্ড ১৫৫ ম্যাচে জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মিতালী রাজ।


৪. ভারতের নারী ক্রিকেট দলকে দুবার বিশ্বকাপ ফাইনালে নেতৃত্বদানকারী একমাত্র ক্রিকেটার মিতালী রাজ।


৫. একমাত্র নারী ক্রিকেটার হিসেবে মিতালী রাজ টানা ৭টি ওয়ানডে ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করেছেন।



                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ এ মাসেই  ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আরেকটি পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ।তবে এবারের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাঠে।এই সিরিজে বাংলাদেশ দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২টি টেস্ট,৩টি ওয়ানডে ও ৩টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ খেলবে। উল্লেখ্য আগামী ১৬ জুন অ্যান্টিগা টেস্ট দিয়ে বাংলাদেশের এবারের  ওয়েষ্ট ইন্ডিজ সফর শুরু হবে। আসুন আরেকটি বাংলাদেশ-ওয়েষ্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে উইন্ডিজদের বিপক্ষে তিন ফরম্যাটে বাংলাদেশের সেরা পারফরমার কারা সেটি দেখে নিই।


সেরা টেস্ট ব্যাটার 


ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল টেস্ট ব্যাটার তামিম ইকবাল । তামিম ইকবাল ইতোমধ্যে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২টি টেস্ট খেলে ৮৫৩ রান করেছেন।তবে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত ইনিংস খেলেছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (১৩৬ রান)।


সেরা টেস্ট বোলার 


ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার সাকিব আল হাসান। সাকিব ইতোমধ্যে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১১টি টেস্ট ম্যাচ খেলে মোট ৪৬ উইকেট নিয়েছেন।


সেরা ওয়ানডে ব্যাটার 


ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল ওয়ানডে ব্যাটার  তামিম ইকবাল। তামিম ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৯টি ওয়ানডে ইনিংসে ব্যাট করে মোট ১০৯১ রান করেন। এছাড়া উইন্ডিজদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত ইনিংসটিও তামিমের (অপরাজিত ১৩০ রান)।



সেরা ওয়ানডে বোলার 


ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের সফলতম বোলার মাশরাফি বিন মর্তুজা (১৯ ম্যাচে ৩০ উইকেটে)।




সেরা টিটুয়েন্টি ব্যাটার 


টিটুয়েন্টিতে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (১১ম্যাচে ২৬৩ রান)।টিটুয়েন্টি ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের  সেরা ইনিংস খেলেন তামিম ইকবাল (অপরাজিত ৮৮ রান)।


সেরা টিটুয়েন্টি বোলার 


ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি উইকেটশিকারি সাকিব আল হাসান (১১ ম্যাচে ১৯ উইকেট)।উইন্ডিজদের বিপক্ষে সেরা টিটুয়েন্টি বোলিং ফিগার সাকিব আল হাসানের (৫/২০)।


                                                              


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ আগামীকাল ( ৯জুন ) মাঠে গড়াবে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা পাঁচ ম্যাচের টিটুয়েন্টি সিরিজ। এবারের ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টিটুয়েন্টি সিরিজ হবে ভারতে। টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শক্তিশালী এই দুদলের মধ্যকার আসন্ন টিটুয়েন্টি সিরিজসূচি ও অন্যান্য রেকর্ড এখানে তুলে ধরা হলো।



ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টিটুয়েন্টি সিরিজসূচি 


এই সময়ের টিটুয়েন্টি ক্রিকেটের শক্তিশালী দুই টিম ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এবারের ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টিটুয়েন্টি সিরিজে মোট ৫টি  ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। আসুন ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টিটুয়েন্টি সিরিজসূচি বিস্তারিত দেখে নিই।


প্রথম টিটুয়েন্টি ,৯ জুন 


ভেন্যু - অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম,দিল্লি।

দ্বিতীয় টিটুয়েন্টি,১২ জুন 


ভেন্যু - বরবতি স্টেডিয়াম, চুটাক।

তৃতীয় টিটুয়েন্টি ,১৪ জুন 


ভেন্যু - রাজশেখর রেড্ডি এসিএ-ভিডিসিএ স্টেডিয়াম, বিশাখাপত্তম।


চতুর্থ টিটুয়েন্টি, ১৭ জুন 

ভেন্যু - সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়াম,রাজকূট।


পঞ্চম টিটুয়েন্টি, ১৯ জুন 


ভেন্যু - এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম , ব্যাঙ্গালোর।



ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টিটুয়েন্টি রেকর্ড 


ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে ইতোমধ্যে ১৫টি টিটুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে ৯টি ম্যাচে ভারত জয়লাভ করেছে এবং ৬টি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা জয় পেয়েছে।


                                                               


প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ কাল শুরু হচ্ছে অষ্ট্রেলিয়ার শ্রীলঙ্কা সফরের প্রথম ম্যাচ।  অষ্ট্রেলিয়ার এবারের শ্রীলঙ্কা সফরে ২টি টেস্ট,৩টি টিটুয়েন্টি ও ৫টি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।দুই টেস্ট প্লেয়িং দেশের মধ্যকার এই হাইভোল্ডেজ সিরিজের বিস্তারিত সূচি দেখে নিন।


অষ্ট্রেলিয়ার শ্রীলঙ্কা সফরসূচি ২০২২


অষ্ট্রেলিয়ার শ্রীলঙ্কা সফরের বিস্তারিত সূচি ও দুদলের মধ্যকার বিভিন্ন রেকর্ড দেখে নিন।

প্রথম টিটুয়েন্টি - ৭ জুন‌


ভেন্যু - কলম্বো ।


দ্বিতীয় টিটুয়েন্টি - ৮ জুন 


ভেন্যু - কলম্বো ।


তৃতীয় টিটুয়েন্টি - ১১জুন 


ভেন্যু - কলম্বো ।



প্রথম ওয়ানডে -১৪ জুন 


ভেন্যু - ক্যান্ডি ।


দ্বিতীয় ওয়ানডে - ১৬ জুন


ভেন্যু - ক্যান্ডি ।


তৃতীয় ওয়ানডে - ১৯ জুন


ভেন্যু - কলম্বো।


চতুর্থ ওয়ানডে - ২১ জুন 


ভেন্যু - কলম্বো।


পঞ্চম ওয়ানডে - ২৪ জুন 


ভেন্যু -  কলম্বো।


প্রথম টেস্ট 


২৯জুন - ৩ জুলাই 

ভেন্যু - গল ।


দ্বিতীয় টেস্ট 


৮-১২ জুলাই 

ভেন্যু - গল।


অষ্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা টিটুয়েন্টি রেকর্ড 


মোট ম্যাচ - ২২টি 

অষ্ট্রেলিয়া- ১২ জয় 

শ্রীলঙ্কা - ৯ জয় 



অষ্ট্রেলিয়া- শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে রেকর্ড


মোট ম্যাচ - ৯৭টি 

অষ্ট্রেলিয়া- ৬১ জয়।

শ্রীলঙ্কা - ৩২ জয়

পরিত্যক্ত - ৪ ম্যাচ 

অষ্ট্রেলিয়া - শ্রীলঙ্কা টেস্ট রেকর্ড 


মোট ম্যাচ - ৩১টি 

অষ্ট্রেলিয়া - ১৯ জয় 

শ্রীলঙ্কা - ৪  জয় 

ড্র - ৮ ম্যাচ ।